Author: Hello Bangla News

  • শিল্পকলায় হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর চীনা বসন্ত উৎসব

    শিল্পকলায় হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর চীনা বসন্ত উৎসব

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৮ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও চীন দূতাবাসের যৌথ আয়োজনে “ভয়েসেস অব স্প্রিং: গোল্ডেন ড্রিমস” সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চীনের নতুন বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন দেশটির মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন,  সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ড. দীপু মণি এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সম্মানিত মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ড. দীপু মণি বলেন, “বিগত দিনে চীন আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, ভৌগলিক অখণ্ডতা এবং বাইরের হস্তক্ষেপ থেকে নিরাপদ থাকতে সহযোগিতা করেছে। আমাদের মহান নেতাদের যৌথ দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে অনেক উন্নতি হয়েছে। চীনের সহযোগিতায় ১৪টি মেগা প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে এবং চলছে। এসব মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।”

    শিল্পকলায় হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর চীনা বসন্ত উৎসব  -  বিনোদন - ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ (২)
    শিল্পকলায় হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর চীনা বসন্ত উৎসব – বিনোদন – ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ (২)

    দীপু মণি বলেন, “চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেক পুরোনো। আমরা আমাদের সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে চীনের হিউয়েন সাং ও ফা-হিয়েনের লেখনি থেকে অনেককিছু জেনেছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৫০ এর দশকে চীন ভ্রমণ করেছেন। দ্বি-পাক্ষিক সুসম্পর্কের ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবার নির্বাচিত হওয়ায় চীনের রাষ্ট্রেপতি শিজিন পিং ও প্রিমিয়ার স্টেট কাউন্সিল লি ছিয়াং প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।”

    মন্ত্রী আরও বলেন, “চীন-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময়ে প্রাচ্যের দুটি সভ্যতার দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন হয়েছে। আজকের অনুষ্ঠানে ইউয়ান প্রদেশের সাংস্কৃতিক কর্মীদের ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের যৌথ পরিবেশনা থেকে তরুণ প্রজন্ম উদ্বুদ্ধ হবে।”

    অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বসন্তের মাধ্যমে চীনা বর্ষপঞ্জির শুরু হয়। সীমানা পেরোনো সে আয়োজনটি নানা দেশের পাশাপাশি হচ্ছে বাংলাদেশেও। এ উৎসবের মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আগামী দিনে আরও বেশি গুরুত্ববহ হবে।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চীনের ইউনান প্রভিন্সিয়াল কমিটি অব সিপিসির পাবলিসিটি বিভাগের ভাইস মিনিস্টার ও ইউনান প্রভিন্সিয়াল সিভিলাইজেশ্যন অফিসের ডিরেক্টর পেঙ বেঙ উপস্থিত ছিলেন।

    বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব ও চীনের নতুন বর্ষ বরণ উপলক্ষ্যে ইউনান প্রদেশ থেকে আগত শিল্পীদল ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন উপভোগ করেন সন্মানিত অতিথি ও বিপুল সংখ্যক দর্শক।

  • প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন অত্যন্ত জরুরি ছিল: এডিবি

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন অত্যন্ত জরুরি ছিল: এডিবি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ জানুয়ারি, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন অত্যন্ত জরুরি ছিল, বলে জানিয়েছেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং।

    আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন। এদিন গণভবনে সাক্ষাৎকালে টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে এডিবি প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়ার পাঠানো অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন গিনটিং।

    এ সময় অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

    এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টরের বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের বলেন, “বাংলাদেশের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য তাঁর (শেখ হাসিনা) প্রত্যাবর্তন খুবই প্রয়োজন ছিল।”

    শাখাওয়াত মুন বলেন, “এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, “এডিবি খুবই খুশি।”

    গিনটিং উল্লেখ করেন, এডিবি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “আগামী দিনগুলোতেও আমরা একই সংগে কাজ করতে প্রস্তুত। আমরা বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে সবসময় প্রস্তুত।”

    তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে জ্বালানি খাত ও জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

    এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর আরও বলেন, তারা কক্সবাজারে জলবায়ু পুনর্বাসন প্রকল্পে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে চান।

    প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য জেলাগুলোতেও তাদের একই কাজ করার অনুরোধ জানান ।

    তিনি বাংলাদেশের জন্য এডিবির সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে বলেন, “আশা করি আপনারা সমর্থন অব্যাহত রাখবেন।”

    শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে অগ্রাধিকারমূলক খাতে মূল্য সংযোজন প্রকল্প গ্রহণের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় ক্রমাগত সহায়তা করার জন্য এডিবিকে ধন্যবাদ জানান।

    তিনি এডিবিকে গত বছরে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতিতে পৌঁছানোর জন্যও ধন্যবাদ জানান।

    বর্তমানে, এডিবি বাংলাদেশের অর্থনীতির ৭ (সাত)টি প্রধান খাতে ৬১টি প্রকল্পে অর্থায়ন করছে। এরমধ্যে পরিবহন, পানি ও শহুরে অবকাঠামো এবং সেবা, জ্বালানি, মানব ও সামাজিক উন্নয়ন, কৃষি, খাদ্য, প্রাকৃতিক ও গ্রামীণ উন্নয়ন, অর্থ, সরকারি খাত ব্যবস্থাপনা এবং শাসন খাত রয়েছে। .

    শেখ হাসিনা এডিবিকে বাংলাদেশের অর্থনীতির গ্রাজুয়েশন চ্যালেঞ্জের চাহিদা পূরণে প্রকল্প হাতে নেয়ার অনুরোধ করেন, যেখানে লজিস্টিক অবকাঠামোর উন্নতি এবং পরিষেবা সরবরাহকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।

    তিনি বলেন, “জলবায়ু ঝুঁকি এবং জলবায়ু জরুরী অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ এডিবি’র জলবায়ু অর্থায়নের একটি বড় অংশ পাবে বলে আশা করে।”

    তিনি “মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা ২০২২-২০৪১’ তে উদ্ভাসিত জাতীয় আকাঙ্ক্ষা ‘জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা’ এবং ‘বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’ এর সঙ্গে একইসাথে জলবায়ু ফলাফলকে সমর্থন করার জন্য উচ্চমানের জলবায়ু প্রকল্প এবং কর্মসূচিগুলোর একটি পাইপলাইন বিকাশে বাংলাদেশের জন্য তার অনুদান এবং রেয়াতমূলক জলবায়ু অর্থায়ন বাড়াতে এডিবিকে অনুরোধ করেন।”

    তিনি এডিবি’র সাম্প্রতিক ৪০০ মিলিয়ন ডলার অনুমোদনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

    তিনি এডিবিকে অবহিত করেন যে ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য পাইপলাইনে বেশ কয়েকটি বাজেট সহায়তা রয়েছে যার উপর এডিবি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তাদের অনুমোদন নিশ্চিত করতে আগেই আলোচনা শুরু করতে পারে।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে এডিবি বাংলাদেশের অগ্রাধিকার খাতগুলিতে অর্থায়ন অব্যাহত রাখবে যাতে দেশের প্রবৃদ্ধির গতি বজায় থাকে এবং একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশের’ ভবিষ্যত রূপকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করা যায়।

    তিনি বলেন, “এডিবি তাঁদের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে প্রকল্পে অর্থায়ন অব্যাহত রাখবে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি যেহেতু উচ্চ প্রবৃদ্ধির পথে অগ্রসর হচ্ছে, তাই এটা আকাঙ্খিত যে এডিবি এমন প্রকল্প হাতে নেয়ার জন্য বড় ধরনের সহযোগিতা দেবে যা ডিজিটাল গ্যাপ কমিয়ে দেবে, বাণিজ্য প্রতিযোগিতা ত্বরান্বিত করবে, উন্নত ও কম কার্বন প্রযুক্তি হস্তান্তর করবে, সবুজ শক্তি উৎপাদন করবে, জলবায়ু-সহনশীল কৃষির সম্প্রসারণ ঘটাবে, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, স্মার্ট সিটি গড়ে তোলা এবং দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।”

    তিনি বলেন, “চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর প্রভাবগুলির সার্বিক এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশের অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে।”

    এই প্রসঙ্গে, তিনি আশা করেন যে এডিবি তার পাইপলাইনে অতিরিক্ত কাউন্টারসাইক্লিক্যাল এবং পলিসি ভিত্তিক ঋণদান (পিবিএল) সহায়তা ব্যবস্থা রাখবে যাতে বাংলাদেশ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে অবিলম্বে সেগুলি ব্যবহার করতে পারে।

    এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা।

    ১৯৭৩ সাল থেকে ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতি এডিবি’র প্রতিশ্রুতি ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে; যার মধ্যে ঋণের পরিমাণ ৩১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং অনুদানের পরিমাণ ৫৭১.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ের মধ্যে, এডিবি এর মোট প্রদেয় ছিল ২৩.২ বিলিয়ন ডলার।

  • বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে

    বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ জানুয়ারি, ২০২৪: ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, আগামী দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

    আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    সাক্ষাৎ শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, “নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স‌ঙ্গে আজ দেখা করার সু‌যোগ হ‌য়ে‌ছে। ভবিষ্যতে আমাদের দুই পক্ষের সম্পর্কের কার্যক্রম নিয়ে আমরা কথা বলেছি। আমরা দুই পক্ষের স্বার্থ সং‌শ্লিষ্ট বিষয়গুলো কীভাবে এগিয়ে নেব তা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

    পিটার হাস বলেন, “দুই পক্ষের মধ্যে ব্যবসা-বা‌ণিজ্য এবং রো‌হিঙ্গা সংকটে একে অপরকে কীভাবে সহ‌যো‌গিতা কর‌তে পা‌রি, সে বিষয়ে আলোচনা করেছি। সামনের মাসগুলোতে আমাদের পারস্প‌রিক স্বার্থ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আরও কাজ করব।”

  • বাংলাদেশে সব ধরনের ভবন ভূমিকম্প সহনীয় করার প্রস্তাব

    বাংলাদেশে সব ধরনের ভবন ভূমিকম্প সহনীয় করার প্রস্তাব

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ জানুয়ারি, ২০২৪: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান জানয়েছেন, দেশের সব আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন ভূমিকম্প সহনীয় হিসেবে নির্মাণ করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

    মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ অত্যন্ত ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে। কিন্তু অবকাঠামো ভূমিকম্প সহনীয় পর্যায়ে নেই। তাই আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করতে হবে। সরকারের কাছে প্রস্তাব করবো যেন দেশের সব ভবন ভূমিকম্প সহনীয় থাকে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সভাকক্ষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব নেওয়ায় এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

    সভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল হাসান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মিজানুর রহমান প্রমুখ।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে এ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা সুনাম রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি কমানো আমাদের লক্ষ্য।”

    তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর চাওয়া ও স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। আমি আমার মন্ত্রণালয়ের সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করবো। মানুষ কীভাবে ভালো থাকবে সে লক্ষ্যে কাজ করবো। আমরা স্মার্ট সোনার বাংলা গড়ে তুলবো।”

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন কার্যক্রম সভায় তুলে ধরেন মহাপরিচালক মিজানুর রহমান। এসময় জনগণের জন্য সঠিক কার্যক্রম গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।

  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বিটিএমএ’র কম্বল ও অনুদান প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বিটিএমএ’র কম্বল ও অনুদান প্রদান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) শীতার্ত দুস্থদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে কম্বলসহ আর্থিক অনুদান দিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কে এম সাখাওয়াত মুন জানান, বিটিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন আজ গণভবনে আর্থিক অনুদানের চেক ও ৬ হাজার কম্বল শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন।

    এখানে উল্লেখ থাকে যে বিগত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে সারা সারা দেশেই অনুভূত হচ্ছে শীতের তীব্রতা। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাতেও প্রায় সপ্তাহ খানেক ধরেই শীত অব্যাহত আছে। এর মধ্যেই আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে বৃষ্টিপাত হতে পারে দেশের তিনটি বিভাগে।

    শীতে দিনমজুর ও স্বল্প আয়ের মানুষরা রয়েছে বিপদে। তাদের সাহায্যের প্রয়োজন । এই অবস্থায় বিভিন্ন সংস্থা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বিভিন্ন ধরণের সাহায্য দিচ্ছে। আজ এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ।

    সূত্র: বাসস

  • হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে ত্রাণ-জিম্মি ইস্যুতে নতুন চুক্তি

    হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে ত্রাণ-জিম্মি ইস্যুতে নতুন চুক্তি

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৭ জানুয়ারি, ২০২৪: ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুসারে গাজা উপত্যকায় ত্রাণের সরবরাহ আরও বাড়ানো এবং উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের সুরক্ষা ও সুস্থতা নিশ্চিত করার বিষটি উঠে এসেছে।

    কাতার এবং ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় মঙ্গলবার দু’পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নিজেদের হাতে আটক জঙ্গিদের শারীরিক ও স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে হামাস; বিনিময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় আরও বেশি ত্রাণ সামগ্রী প্রবেশ করতে দেবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

    কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরর মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি মঙ্গলবার এক ঘোষণায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, বুধবার দোহা থেকে মিশরের আল আরিশ শহরে ওষুধ ও ত্রাণ পাঠানো হবে। সেখান থেকেই গাজা উপত্যকায় এসব সামগ্রী পৌঁছাবে।

    তিনি বলেন, ফ্রান্সের সহযোগিতায় এ চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছে কাতার।

    এর আগে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্রাইসিস সেন্টারের প্রধান ফিলিপ লালিওট বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলছিল। প্রাথমিক প্রস্তাবটি ইসরায়েলি জিম্মিদের পরিবার থেকে এসেছিল।

    ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ২৪০ জনকে জিম্মি করে হামাস। হামলায় এক হাজার ১৩৯ জন নিহত হন। পরে ইসরায়েল হামাস শাসিত গাজায় হামলা শুরু করে। হামলায় অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে ২৪ হাজার ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে।

    নভেম্বরের শেষে সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধবিরতিতে শতাধিক জিম্মি ফিরিয়ে দেয় হামাস। যুদ্ধবিরতির আলোচনায় সেবার মধ্যস্থতা করে কাতার ও যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলও কয়েকশ ফিলিস্তনি কারাবন্দিকে মুক্তি দেয়।

  • বিশ্বে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ধূমপান ছাড়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে

    বিশ্বে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ধূমপান ছাড়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১৭ জানুয়ারি, ২০২৪: সারা বিশ্বে ধূমপান জনিত কারণে মৃত্যু ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) কিছু পদক্ষেপ ও এর নিয়ন্ত্রণে কিছু কিছু ব্যবস্থা নিলে তা সাফল্য লাভ করেছে। দেখা যাচ্ছে বিশ্বে এখন প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ধূমপান ছাড়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন দেশে চালানো এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

    ডব্লিউএইচও সদ্য প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২২ সালে বিশ্বে গড়ে প্রতি ৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ীদের মধ্যে একজন এই বদঅভ্যাস ত্যাগ করেছেন। এর আগে এত ব্যাপক মাত্রায় ধূমপান ছাড়ার চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছিল ২০০০ সালে। সে বছর গড়ে ধূমপান ছেড়েছিলেন প্রতি ৩ জন প্রাপ্তবয়স্কদের একজন।

    বর্তমানে যে হারে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের অন্তত ১৫০টি দেশ ধূমপান ও তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য লাভ করবে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

     

    ধূমপানজনিত কারণে মৃত্যু কমতে সময় লাগবে:

    তবে ধূমপায়ীদের সংখ্যা কমতে থাকলেও ধূমপানজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যায় খুব একটা কমবে না। ডব্লিউএইচও জানায়, তামাকজনিত মৃত্যুর হারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের জন্য আরও সময় প্রয়োজন।

    ডব্লিউএইচও’র প্রতিবেদনে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘যেসব দেশ ধূমপান নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছে, তামাকজনিত কারণে মৃত্যুর হার হ্রাস বা এ জাতীয় কোনো বড় পরিবর্তন দেখতে হলে সেইসব দেশকে অন্তত আরও ৩০ বছর অপেক্ষা করতে হবে।’

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থঅর হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে ধূমপান ও তামাকজনিত কারণে বর্তমানে প্রতি বছর বিশ্বে মৃত্যু হয় আশি লাখেরও বেশি মানুষের। এই মৃতদের মধ্যে প্রায় ১৩ লাখ পরোক্ষ ধূমপায়ী। অর্থাৎ নিজেরা ধূমপান করেন না, কিন্তু ধূমপায়ীদের আশেপাশে থাকার কারণে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগে মারা যান।

    তাছাড়া বর্তমানে যে গতিতে ধূমপায়ীদের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে, তা আশাব্যাঞ্জক হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গৃহীত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ধীর। ২০১০ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ধূমপান ও তামাকজনিত কারণে মৃত্যুহার ৩০ শতাংশ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    এই মুহূর্তে বিশ্বের মাত্র ছয়টি দেশ এই লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি রয়েছে। এই দেশগুলো হলো ব্রাজিল, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক (ডিআর) কঙ্গো, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মলদোভা এবং ওমান।

     

    তার পরেও উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে:

    প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ীদের মধ্যে ধূমপান ত্যাগের প্রবণতা বৃদ্ধি পেলেও সমাজ থেকে এ সংক্রান্ত উদ্বেগ এখনও কাটেনি। কারণ ডব্লিউএইচও’র পর্যবেক্ষণ বলছে, অপ্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ীদের ধূমপান ত্যাগের ক্ষেত্রে তেমন কোনো সাফল্য এখনও আসেনি।

    সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে বর্তমানে অন্তত ৩ কোটি ৭০ লাখ অপ্রাপ্তবয়স্ক সিগারেট এবং অন্যান্য তামাকজাত পণ্যে অভ্যস্ত। এই অপ্রাপ্তবয়স্কদের সবাই ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরী। বর্তমানে বিশ্বে যত ধূমপায়ী রয়েছেন, তাদের মধ্যে এই কিশোর-কিশোরীদের হার অন্তত ১০ শতাংশ।

    তবে ধূমপায়ী কিশোর-কিশোরীদের প্রকৃত সংখ্যা পরিসংখ্যানের চেয়ে আরও অনেক বেশি বলে মনে করে ডব্লিউএইচও। কারণ, অন্তত ৭০টি সদস্যরাষ্ট্র এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেয়নি।

    ডব্লিউএইচও’র হেলথ প্রমোশন বিভাগের পরিচালক রুয়েডিগের ক্রেচ মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিসিকে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে সিগারেট ও তামাকজাত পণ্য বিক্রিতে কড়াকড়ি আরোপের জন্য আমরা বহুদিন ধরে প্রচারাভিযান চালাচ্ছি; কিন্তু অনেক দেশ এই ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তাছাড়া সিগারেট ও তামাক কোম্পানিগুলো তাদের পণ্য বিক্রি করতে নানা কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। এই মুহূর্তে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সিগারেট ও তামাকজাত পণ্য থেকে মুক্ত রাখা আমাদের সামনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।’

    বাংলাদেশে অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ধূমপান আসক্তি থেকে বাঁচাতে কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায় করতে হবে সরকারকে। যেমন প্রকাশ্যে তামাকজাতিয় পণ্য বিক্রি বন্ধ করতে হবে। তবে এখানে সামাজিক দায়বদ্ধতাও খুবই জরুরি। কেননা অপ্রপ্তবয়স্কদের জন্য ঢাকাসহ সারাদেশে বিনোদনের ব্যবস্থা বা খেলার জন্য কোন মাঠ নেই। স্কুল কলেজগুলোতে নেই শিক্ষার সঙ্গে খেলাধুলার ব্যবস্থা। সংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারিদের জন্য রাখতে হবে আকর্ষনীয় পুরস্কার। সাহিত্য চর্চাটাও খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। তাছাড়া স্কুল পর্যায়ে ধূমপান বিষয়ে সচেতনতা দান করতে  পারলে তা দ্রুত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রভাবিত হয়। তবে মনে রাখতে হবে সৌজন্যবোধ শেখার সবচেয়ে বড় স্থান হচ্ছে পরিবার। পারিবারিক শিক্ষাটাই সবচেয়ে জরুরি।

  • দেশের তিনটি বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    দেশের তিনটি বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ জানুয়ারি, ২০২৪: সারা দেশেই অনুভূত হচ্ছে শীতের তীব্রতা। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাতেও প্রায় সপ্তাহ খানেক ধরেই শীত অব্যাহত আছে। এর মধ্যেই আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে বৃষ্টিপাত হতে পারে দেশের তিনটি বিভাগে।

    আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উত্তরপশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িক ভাবে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

    সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রাও সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। কুয়াশার কারণে দেশের কোথাও কোথাও দিনে ঠান্ডা পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে।

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িক ভাবে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

    শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

    কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িক ভাবে বিঘ্ন ঘটতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও দিনে ঠান্ডা পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে।

    বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বান্দরবানে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • এশিয়ার বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার সন

    এশিয়ার বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার সন

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৭ জানুয়ারি, ২০২৪: দক্ষিণ কোরিয়ার সন হেয়াং-মিন এশিয়ার বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন। টানা সপ্তম ও সব মিলিয়ে নবমবারের মত এশিয়ার বর্ষসেরা ফুটবলার  মনোনীত হয়েছেন টটেনহ্যাম হটস্পারের এই স্ট্রাইকার।

    গত এক বছরে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে টটেনহ্যাম অধিনায়ক ২৭ গোল করেছেন। বর্তমানে তিনি এশিয়ান কাপ খেলতে জাতীয় দলের সাথে আছেন। এশিয়ান কাপের প্রথম ম্যাচে সনের নেতৃত্বে বাহরাইনকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এশিয়ান পরশক্তিদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ জর্ডান ও মালয়েশিয়া।

    পর্তুগীজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোকে পিছনে ফেলে সন এবারও এশিয়ার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জয় করেছেন। গত এক বছরে সৌদি পেশাদার লিগে আল নাসরের হয়ে রোনাল্ডো নিজেকে প্রমান করলেও সনের কাছে বর্ষসেরার দৌড়ে পেরে ওঠেননি। সৌদি লিগে রোনাল্ডো ছাড়াও আরো নাম লিখিয়েছেন সাদিও মানে, এন’গোলো কান্তে, সার্গেই মিলিনকোভিচ-সাভিচ, করিম বেনজেমাদের মত বিশ্বমানের তারকারা। কিন্তু ইউরোপ ছেড়ে সৌদি লিগে এসে তাদের কেউই খুব একটা সুবিধা করতে পারছেন না।

    টানা সাতবারের মত এশিয়ার বর্ষসেরার পুরস্কার জয় করায় টনেনহ্যামের পক্ষ থেকে সনকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

    ২২.৯ শতাংশ ভোট পেয়ে সন সেরার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন। টানা সপ্তমবারের আগে ২০১৪ ও ২০১৫ সালেও সন এশিয়ার সেরা হয়েছিলেন।

    ১৯.৫৪ শতাংশ ভোট পেয়ে সনের জাতীয় দলের সতীর্থ কিম মিন জায়ে দ্বিতীয় সেরা হয়েছেন। নাপোলির হয়ে দারুন একটি বছর কাটানো কিম গত মৌসুমের শেষে ৪৩ মিলিয়ন পাউন্ডে পাঁচ বছরের চুক্তিতে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দিয়েছেন।

    ১৭.০৬ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান লাভ করেছেন রোনাল্ডো। আল নাসরের হয়ে এ পর্যন্ত সৌদি পেশাদার লিগে পর্তুগীজ সুপাস্টার রোনাল্ডো ১৮ ম্যাচে ২০ গোল ও ৯টি এ্যাসিস্ট করেছেন।

  • মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসীদের বিরাট অবদান রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসীদের বিরাট অবদান রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪: মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসীদের বিরাট অবদান রয়েছে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলে “স্বাধীনতা-সংগ্রামে বিশ্ব জনমত সৃষ্টিতে প্রবাসীরা বিরাট অবদান রাখেন। প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসীদের বিরাট অবদান রয়েছে। সেটা ছাড়াও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।”

    আজ মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে গণভবনে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আপনারা যারা প্রবাসে কাজ করেন, ন্যাশনাল পেনশন স্কিমে যুক্ত হতে পারেন। সবার জন্য এ সুবিধা করে দিয়েছি। রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য সব অনলাইন করে দিয়েছি। সহজে এখন টাকা পাঠাতে পারবেন।”

    প্রধানমন্ত্রী  বলেন, “৭ জানুয়ারি নির্বাচন হয়ে গেছে। আমি জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, কারণ জনগণই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে এসেছে। কারণ বিএনপি যখন নির্বাচনে আসবে না, কেউ যাতে নির্বাচনে না আসে, কেউ যেন ভোট না দেয় এর জন্য লিফলেট বিতরণ শুরু করল। এই লিফলেট বিতরণের পরে ঘটনা উল্টো হয়ে গেল, মানুষজন আরও উৎসাহিত হলো, আমাদের ভোট দিতেই হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে, সরকার জনগণের সেবক। আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, সেবক হিসেবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে এসেছি। টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। মানুষ এখন ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে।”

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “সেই ক্ষেত্রে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন স্বচ্ছ, সুষ্ঠু, কোনোরকম দুর্ঘটনা যেন না ঘটে, একটা অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন যাতে হয়– সেই প্রচেষ্টাই আমাদের ছিল। যার কারণে একের পর এক নির্বাচনে সংস্কার আমরা নিয়ে আসি। কারণ সেনা শাসকরা যখন একের পর এক ক্ষমতা দখল করে তখন তারা নির্বাচনে ভোট কারচুপি করা শুরু করেছিল। সেই জায়গা থেকে মানুষের অধিকার মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়ার সেই আন্দোলন-সংগ্রামটাই আমরা করেছি।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষ উপলব্ধি করেছে সরকার জনগণের সেবক। সেই ঘোষণা জাতির পিতা দিয়েছিলেন, আমি জাতির পিতার কন্যা হিসেবে তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে সেই ঘোষণাটাই দিয়েছি– আমি প্রধানমন্ত্রী না, জাতির জনকের কন্যা হিসেবে মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করবে, যেন মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারি।”

    তিনি বলেন, “আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, যেটা ২০২৪ সালে কার্যকর করার কথা ছিল, সেটা আমরা দুই বছর বাড়িয়ে নিয়েছি। করোনাভাইরাসের অতিমারি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, এরপর ফিলিস্তিনের ওপর হামলা, শিশু-নারী হাসপাতালে আক্রমণ করা। আমরা সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে আছি। এভাবে একটা জাতিকে ধ্বংস করা, নারীদের ধ্বংস করা, এটা এক ধরনের গণহত্যা। আমরা সাহায্য পাঠিয়েছি, আগামীতে পাঠাব। এরপর আবার ইয়মেনে আক্রমণ। আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। মিয়ানমার যখন অশান্ত হলো, তারা আশ্রয় চাইল, আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি, আমরা যুদ্ধে যাইনি। কারণ আমরা শান্তি চেয়েছি।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ এই যে অস্ত্র প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিকভাবে আমি যেখানেই গিয়েছি সেখানেই বলেছি, এই অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে ওই টাকা শিশুদের খাদ্য, শিশুদের চিকিৎসা, শিশুদের শিক্ষায় ব্যয় হোক। আজ শিশুরা কষ্ট পায়, নারীরা কষ্ট পায়, মানবজাতি কষ্ট পায় সে ধরনের কাজ করতে হবে কেন। আমরা এর ঘোর বিরোধিতা করি, আমরা কখনো যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “বিএনপি অফিসে তারাই তালা দেয়, তারাই ভাঙে। তারা এখন পথ হারানো পথিক হয়ে গেছে। জানি না তাদের সাংগঠনিক কোনো যোগ্যতা আছে কি না, একটাই আছে আগুন দেওয়া।”