Category: স্বাস্থ্য

  • বাতের ব্যথার কারন দেহের প্রাকৃতিক বর্জ্য

    বাতের ব্যথার কারন দেহের প্রাকৃতিক বর্জ্য

    গেঁটে বাত আসলে একধরনের আর্থারাইটিস। দেহে অতিরিক্ত পরিমাণ ইউরিক অ্যাসিড জমা হওয়ার ফলে হয়ে থাকে৷ ইউরিক অ্যাসিড একধরনের টক্সিন বা প্রাকৃতিক বর্জ্য। যদি এই বর্জ্য আপনার দেহে জমা হতে থাকে, তবে তা সাংঘাতিক পরিমান ব্যাথার সৃষ্টি করে।

    পুরুষ বা নারী যে কেউ এ রোগে ভুগতে পারেন। তবে, পুরুষদের এ রোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি। নারীদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ পাঁচ গুণ বেশি। গেঁটে বাত সাধারণত কম বয়সী পুরুষ ও বেশি বয়সী নারীদের হয়ে থাকে। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, যেমন মাছ, মাংস, ডিম ইত্যাদি বেশি খান, তাদের এই রোগ বেশি হয়।

    মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র রায় বলেন, এই ব্যথা হঠাৎ তীব্র অসহনীয় রকমের হয়ে থাকলেও সাধারণত পাঁচ-সাত দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। গবেষণায় পাওয়া যায়, প্রাকৃতিক এমন কিছু খাবার রয়েছে যা গেঁটে বাতের ব্যথা উপশমে সাহায্য করতে পারে। তারমধ্যে রয়েছে-

    ১. আদা – গেঁটে বাতের ব্যাথা কমাতে আদার জুরি মেলা ভার। এতে রয়েছে এমন যৌগ যা প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি জয়েন্টের ব্যথা এবং ফোলা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    ২. আমন্ড – দৈনিক ১০ গ্রাম আমন্ড গ্রহনে উল্ল্যেখযোগ্য মাত্রায় ইউরিক এসিড কমতে সাহায্য করে। বাতের ব্যথা কমাতে যা ভূমিকা রাখে। তাই রোজ আমন্ড খান৷

    ৩. আনারস – এতে রয়েছে ব্রোমেলাইন, যা এনজাইমের একটি গোষ্ঠী যার মধ্যে প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি জয়েন্টের প্রদাহ এবং ফোলা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    ৪. হলুদ – হলুদে কারকিউমিন নামক একটি যৌগ রয়েছে যার প্রদাহ-বিরোধী প্রভাব রয়েছে এবং এটি গেঁটেবাত ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। দ্রুত ব্যথা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

    ৫. বেরী – ব্লু বেরী, স্ট্রবেরীতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি রয়েছে যা প্রদাহরোধী উপাদান। এতে করে রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা কমায় এবং যা বাতের ব্যথার জন্য যথেষ্ট কার্যকর।

    ৬. সবুজ শাক-সবজি – যেসব সবুজ শাক-সবজীতে পিউরিনের পরিমাণ কম এবং ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ বেশি।  এতে প্রদাহ-বিরোধী প্রভাব রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।

    এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে এই খাবারগুলিকে আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করলে গেঁটে বাতের ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করতে পারে, তবে সেগুলিকে চিকিৎসার জন্য প্রতিস্থাপন হিসাবে ব্যবহার করা উচিত নয়। একটি সুষম খাদ্য বজায় রাখা এবং হাইড্রেটেড থাকাও গেঁটে বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

    তথ্যসূত্রঃ ভেরিওয়েলহেলথ

  • ঘরে বসেই সমাধান করুন গ্যাস্ট্রিক বা জ্বালাপোড়ার

    ঘরে বসেই সমাধান করুন গ্যাস্ট্রিক বা জ্বালাপোড়ার

    আমাদের অনেকেরই খাবার পরে বুকের মাঝখান থেকে জ্বালাপোড়া করে। এই রোগটা কি আমরা অনেক ধরনের নাম দেই- গ্যাস্ট্রিক, আলসার, অ্যাসিডিটি, হার্টবার্ণ, অ্যাসিড রিফ্লাক্স ইত্যাদি। তবে ডাক্তারি ভাষায় এই রোগের নাম- Gastroesophageal Reflux Disease (RFD)

    কিন্তু প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে আমরা নিজেরাই ঘরে বসে এই সমস্যা কমিয়ে আনতে পারি। এরকম ৭ টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা-

    ১. একবারে পেট ভরে খেলে এই সমস্যা বেশি হয়। তাই অনেক খাবার একসাথে খাবেন না । সারাদিনে ভাগ ভাগ করে অল্প অল্প খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

    ২. খাবারের সময় অনিয়ম করবেন না। সময়মত খাবার না খেলে পাকস্থলীর আরেকটা রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়, নাম – গ্যাস্ট্রাইটিস (Gastritis)। এই রোগে পাকস্থলীর গায়ে ক্ষত দেখা দেয়, ইনফেকশন হতে পারে । আর এই রোগ হলেও আপনার পেটে জ্বালাপোড়ার মতো ব্যথা হতে পারে । আপনার পক্ষেতো বোঝা সম্ভব না জ্বালাপোড়া কোন কারনে হচ্ছে। তাই পাকস্থলী সুস্থ রাখতে আপনাকে নিয়ম করে সময়মতো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে ।

    ৩. অনেকের মাঝেই একটা ধারণা আছে, যাদের সমস্যা তাদের জন্য দুনিয়ার প্রায় সব খাবারই নিষেধ । শুধুমাত্র সিদ্ধ, মসলা ছাড়া খাবার খেতে হবে, এই ধারণাটা কিন্তু ঠিক না । তাহলে সঠিক টা কি?
    একজনের জন্য একেক ধরনের খাবারে সমস্যা সৃষ্টি করে। যেসব খাবারে আপনার বুকে জ্বালাপোড়া করে আপনি শুধু সেই সব খাবার এড়িয়ে চলবেন। সেটা হতে পারে এ মসলা দেয়া, অতিরিক্ত তেল দেয়া খাবার । আপনার প্রিয় চপ পুরি, মুড়ি চানাচুর, চটপটি, এমনকি ডালভাত । আপনার কোন খাবারে সমস্যা হয় সেটা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে । আর এড়িয়ে চলতে হবে।

    ৪. রাতের খাবারটা আগে আগেই সেরে ফেলবেন। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত তিন-চার ঘণ্টা আগে। আপনি যদি এগারোটার দিকে ঘুমাতে যান, তাহলে কমপক্ষে সাড়ে সাতটায় খেতে বসে যাবেন। আটটার মধ্যে খাওয়া শেষ। তারপর কিন্তু রাত ১১ টা পর্যন্ত জেগে থাকতে হবে। ভাত খাওয়ার পরে অনেকেরই ঘুম আসে সেটা ফাইট করতে হবে। এটা কেন করবেন? ভরপেটে চিৎ হয়ে শুলে, পাকস্থলী থেকে অ্যাসিড উপরের দিকে আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

    ৫. ঘুমানোর সময় বা বিছানায় শোয়ার সময় মাথা আর বুক ১০ থেকে ২০ সেন্টিমিটার উঁচুতে রাখবেন কোমরের চেয়ে। সেটা পাকস্থলীর এসিড উপরে ওঠা থামাবে। বালিশ দিয়ে উঁচু করবেন না। কারণ এতে শুধু আপনার মাথাটাই উঁচু হয়। বরং তোষকের নিচে বা খাটের নিচে কিছু দিয়ে খাটের একটা দিক উঁচু করে নিবেন এবং সেই দিকে মাথা দিবে । যাদের রাতের বেলা জ্বালাপোড়া সমস্যা বেশি হয়,
    তাদের জন্য এই ধাপটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর খেয়াল রাখেন ঘুমের সময় দেহের ভঙ্গিটা যেন স্বাস্থ্যকর থাকে। আঁকাবাঁকা অস্বাস্থ্যকর হলে আবার শরীরে ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে । বালিশ বা বালিশ এর উচ্চতা পরিবর্তন করলে অনেকেরই ঘাড় ব্যথা হয়।

    ৬. এবার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলবো। যেটা শুধু আপনার বুকে জ্বালাপোড়াই কমাবে না, আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হবে। আপনার যদি ওজন বেশি হয়, তাহলে সেটা কমানোর চেষ্টা করুন ।
    অতিরিক্ত ওজন অনেক ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ ইত্যাদি অনেক কিছুই এই অতিরিক্ত ওজনের সাথে সম্পর্কযুক্ত । তাই ওজন কমিয়ে ফেলা এবং কমানোর পর সেটা ধরে রাখাই শ্রেয়।
    আপনার বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা সমাধানেও এটা অনেক সাহায্য করবে।

    ৭. ধূমপান বন্ধ করতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা ধূমপান কমিয়ে ফেলে বা বন্ধ করে দেয়, তাদের এই সমস্যা অনেকাংশে কমে যায় । আর ধূমপানও নানা ধরনের রোগের কারণ, তাই এই অভ্যাসটা পরিত্যাগ করাই শ্রেয়।

    সুতরাং জীবনাচরণে কিছু পরিবর্তন আনার প্রয়োজন। তবে সবার রোগ এমন অবস্থায় থাকবে না যে শুধু জীবনাচরণের পরিবর্তনেই সেরে যাবে। ঔষধের সাহায্য দরকার হতে পারে, তবে ওষুধের পাশাপাশি এই ধাপ গুলোও মেনে চলতে হবে।

  • শরীর গঠনে সকালের খাবার

    শরীর গঠনে সকালের খাবার

    শরীর চর্চার খাবার: অনেকেই আছেন যারা যা খুশি খান কিন্তু ওজন বাড়ে না। যার কারণে, পেশী অর্জনের জন্য, তারা বাজারে পাওয়া বিভিন্ন ধরণের সাপ্লিমেন্ট এবং প্রোটিন পাউডার খাওয়া শুরু করে। যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরচর্চার পরামর্শ দেওয়া হয়। শুধুমাত্র এমন জিনিস খাওয়া উচিত যা প্রাকৃতিক, ওজন বাড়ায় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না। আপনি যদি নিজের শরীর নিজেই তৈরি করতে চান, তাহলে প্রতিদিন সকালে এই তিনটি জিনিস খেলে কিছু দিনের মধ্যেই আশ্চর্যজনক প্রভাব দেখা দিতে শুরু করবে।

    কলা এবং দুধ

    আপনি যদি আপনার শরীরকে সুন্দর করতে চান এবং আপনার ব্যক্তিত্বের উন্নতি করতে চান তবে প্রতিদিন সকালে দুধ এবং কলা খাওয়া উচিত। কলা এমন একটি সুপারফুড, যা অনেক ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের ভাণ্ডার। পটাশিয়াম, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের মতো পুষ্টিও এতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। ওজন বাড়াতে চাইলে কলা ও দুধ মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করতে পারেন। আপনি চাইলে এতে আখরোট এবং শণের বীজও মেশাতে পারেন। এটি আশ্চর্যজনক সুবিধা দেয়।

    ওটস এবং দুধ

    শরীর গঠনের জন্য ওটস এবং দুধের সাথে ওটস এবং দুধ মিশিয়ে সকালে খেলে আশ্চর্যজনক উপকার পাওয়া যায়। দুধে ওটস মিশিয়ে ভালো করে রান্না করুন। এর পরে, আপনি চাইলে এতে কিশমিশ, বাদাম এবং কাজু বাদামও যোগ করতে পারেন। এটি প্রাকৃতিক উপায়ে শরীর গঠনে সাহায্য করে।

    শক্ত সেদ্ধ ডিম

    আপনি যদি চান আপনার পেশী ভালো থাকুক এবং আপনার শরীর তৈরি হোক, তাহলে ভোরবেলা সেদ্ধ ডিম খাওয়া খুবই উপকারী। সেদ্ধ ডিম আপনাকে ওজন বাড়াতে এবং পেশী বাড়াতে সাহায্য করে। সেজন্য প্রতিদিন সকালে ৩টি সেদ্ধ ডিম খান আপনার শরীর তৈরি করতে। ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়, যার কারণে মাংসপেশির বিকাশ ঘটে। ডিমের অমলেটও খেতে পারেন। ওয়ার্কআউট করার পরই ডিম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

    তথ্যসূত্রঃ প্রেসওয়ার১৮

  • কাঁচা আম খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং পার্শ্বপতিক্রিয়া

    কাঁচা আম খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং পার্শ্বপতিক্রিয়া

    কাঁচা আম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ। কাঁচা আমে ক্যালোরি কম এবং এতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা হজমে সহায়তা করতে পারে এবং অন্ত্রের গতিবিধি উন্নত করতে পারে। ডঃ স্মিতা বারোদি (বি এ এম এস, এম এস) জানিয়েছেন, কাঁচা আমে এনজাইম থাকে যা প্রোটিনকে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে, এবং হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

    কাঁচা আমের অন্যান্য কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলির মধ্যে রয়েছে:

    রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়: কাঁচা আম উচ্চ ফাইবার সামগ্রী এবং ম্যাঙ্গিফেরিন এবং গ্যালিক অ্যাসিডের মতো যৌগগুলির উপস্থিতির কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: কাঁচা আম ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উৎস, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

    ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে: কাঁচা আমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি, ফ্রি র‌্যাডিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এবং আমের ভিটামিন এ উন্নত ত্বক পেতে সাহায্য করে।

    হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক: কাঁচা আমে পটাসিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হার্টের স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে।

    কাঁচা আম খাওয়ার সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

    অতিরিক্ত কোনোকিছুই ভালো নয়। তেমনি কাঁচা আম অতিরিক্ত খেলে হতে পারে- ডায়রিয়া, বদহজম এবং পেটে ব্যথার মতো গ্যাস্ট্রিক সমস্যা।

    আম খাওয়ার পর কারও গলা ব্যথা বা অ্যালার্জিজনিত সমস্যাও হতে পারে।

    সুতরাং, যদি আপনি কাঁচা আম খাওয়ার জন্য কোন প্রতিকূল পরিস্থিতি অনুভব করেন, তাহলে এটি খাওয়া বন্ধ করুন এবং অবিলম্বে একজন ডাক্তার বা আয়ুর্বেদিক চিকিত্সকের সাথে যোগাযোগ করুন। তারা আপনার উপসর্গগুলির জন্য যথাযথভাবে আপনাকে গাইড করতে সক্ষম হবে। তথ্যসূত্রঃ ফার্মইজি

  • কোভিড মহামারির জরুরি অবস্থা আর থাকছে না

    কোভিড মহামারির জরুরি অবস্থা আর থাকছে না

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, কোভিড-১৯ এখন আর বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা থাকছে না। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারির পর্ব শেষ হলো।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বিবিসি।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা জারি করে।

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। চীনে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি।

    এক বিবৃতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ২০২১ সালে প্রতি সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১ লাখ মানুষ মারা যেত। সে হার ২৪ এপ্রিল ৩ হাজার ৫০০ জনে নেমে এসেছে।

    ডব্লিউএইচও’র প্রধান ড. তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস বলেন, আশার বিষয় হচ্ছে আমি কোভিড-১৯ কে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা নয় বলে ঘোষণা করেছি। তার মানে এই নয় যে, করোনা বিশ্বব্যাপী আর স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকছে না।

    তিনি বলেন, গতকাল জরুরি কমিটি ১৫তম বারের মতো বৈঠক করেছে। তারা আমাকে সুপারিশ করেছে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার অবসান ঘটানোর ঘোষণা দিতে। আমি সেই পরামর্শটি গ্রহণ করেছি।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান জানান, করোনা মহামারিতে বিশ্বে ৭০ লাখ মানুষ মারা গেছে। তবে তিনি বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা ২ কোটির কাছাকাছি।

  • জীবনের প্রতিটি ধাপেই বায়ু দূষণের প্রভাবঃ গবেষণা

    জীবনের প্রতিটি ধাপেই বায়ু দূষণের প্রভাবঃ গবেষণা

    মানবজীবনের প্রতিটি ধাপই বায়ুদূষণের দ্বারা প্রভাবিত। গবেষণার তথ্যমতে, এটি মায়ের গর্ভে থাকা ভ্রূণ থেকে শুরু করে কিশোর বয়সের জ্ঞান বিকাশ ও প্রাপ্ত বয়স্কদের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। সোমবার (১৭ এপ্রিল) লন্ডন থেকে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। সূত্র : আল-জাজিরা।

    মানবজীবনে বায়ুদূষণের প্রভাব শীর্ষক এ গবেষণাটি পরিচালনা করেছে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের পরিবেশ গবেষণা দল। দীর্ঘ এক দশক ধরে ৩৫ হাজার গবেষণার ওপর জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন তারা।

    ইম্পেরিয়াল কলেজের পরিবেশ গবেষণা দলটি কাজ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), দ্য ইউকে কমিটি অন দ্য মেডিকেল ইফেক্টস অফ এয়ার পলিউশন, দ্য রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস, দ্য হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট, দ্য ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারসহ ৩৫ হাজার গবেষণার ওপর।

    প্রাপ্ত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানুষের মস্তিষ্ক ও স্বাস্থ্যের ওপর চরমভাবে প্রভাব ফেলে বায়ুদূষণ। এমনকি গর্ভাবস্থায় থাকা মানব ভ্রূণের ওপরও প্রভাব ফেলে এটি। আর গর্ভাবস্থার প্রভাব থাকে জীবনভর।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বায়ুদূষণ নবজাতকের স্বাস্থ্য, ওজন, গর্ভপাত ও মৃতপ্রসবের জন্য অনেকটা দায়ী। গর্ভবতী মা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে দূষিত বাতাস নেওয়ার ফলে গর্ভে থাকা ভ্রূণ দুর্বল হতে পারে। এটি শিশুর বিকাশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। দূষিত বাতাসের সঙ্গে থাকা রাসায়নিকগুলো গর্ভবতী নারীর রক্তে প্রবেশ করে এর প্রবাহকে পরিবর্তন করতে পারে, যা ভ্রূণের বৃদ্ধিকে কমিয়ে দিতে পারে।

    ডব্লিউএইচও’র তথ্য মতে, প্রতি বছর ২ কোটি শিশু কম ওজন নিয়ে পৃথিবীতে আসে। আর দেড় কোটি শিশু উপযুক্ত সময়ের আগে জন্ম নেয়।

    বায়ুদূষণ শুধুমাত্র মায়ের ক্ষতিই করে না, এটি পুরুষের বীর্যেও এর প্রভাব অনেক। দূষিত বাতাসে থাকা পুরুষদের বীর্যের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কমে যায়।

    গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বায়ুদূষণ শিশুদের ফুসফুসের বৃদ্ধিকে কমিয়ে দেয়। এতে করে উচ্চ রক্তচাপে ভুগে তারা। এমনকি এটি তাদের জ্ঞান বৃদ্ধির গতি হ্রাস করে ও মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে।

    গবেষক দলটি বলছে, ৮ থেকে ৯ বছর বয়সী দুই হাজার শিশুকে তারা পেয়েছে, যাদের কি না তুলনামূলকভাবে ফুসফুসের বৃদ্ধি পাঁচ শতাংশ কম হয়েছে। এর মূলে রয়েছে ডিজেল থেকে উৎপন্ন হওয়া নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড।

    দূষিত বায়ুর ফলে অনেক মানুষ হাঁপানিতে ভুগছে। ২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত লন্ডনের দূষিত বায়ুর কারণে হাঁপানি ও ক্ষতিগ্রস্ত ফুসফুস নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে এক হাজার ৭০০ এর বেশি রোগীকে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সাত শতাংশই ছিল শিশু।

    এ ছাড়া বায়ুদূষণের জন্য শিশুদের হৃদরোগে মৃত্যুর ঘটনাসহ স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে এবং পরবর্তী জীবনে শিশুরা কার্ডিওভাসকুলার রোগে ভুগতে পারে।

  • ওমিক্রম ও ডেল্টা মোকাবিলায় ১১ লাখ বাইভেলেন্ট ভ্যাক্সিন পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ওমিক্রম ও ডেল্টা মোকাবিলায় ১১ লাখ বাইভেলেন্ট ভ্যাক্সিন পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের পাশাপাশি ওমিক্রম ও ডেল্টা ভাইরাস মোকাবিলার জন্য সম্প্রতি আরো ১১ লাখ বাইভেলেন্ট ভ্যাক্সিন হাতে এসেছে।

    তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ১১ লাখ ভ্যাক্সিন বাংলাদেশ সরকারকে দিয়েছে। খুব শীঘ্রই আরো ২০ লাখ বাইভেলেন্ট ভ্যাক্সিন দেবে বলেও জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শীঘ্রই এই ভ্যাক্সিনগুলো বুস্টার ডোজ হিসেবে দেয়া শুরু করা হবে।’

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের পথ পরিক্রমায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অদম্য যাত্রায় “জাতীয় স্বাস্থ্য ও কল্যাণ দিবস-২০২৩” উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা জানান।

    বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, বর্তমানে দেশের ৫১টি সরকারি হাসপাতালে রোগীরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। এই সেবায় আমরা লক্ষ্য করেছি, দেশের মানুষ খুশি হয়েছে। চিকিৎসকরাও খুশি মনে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। এজন্য এই সেবার আরও পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আরও ১০০ হাসপাতালে এ সেবা চালু করা হবে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠালগ্নের কথা বলতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২ মে ১৯৭১ সালের তৎকালীন কোলকাতার থিয়েটার রোডে প্রথম যাত্রা শুরু হয় আজকের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। একারণেই ২ মে জাতীয় স্বাস্থ্য ও কল্যাণ দিবস-২০২৩ পালন করা হচ্ছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকান্ড তুলে ধরতে গিয়ে তিনি জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জন্মলগ্ন থেকে ৫২ বছর হয়ে গেছে। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৬০ হাজার বেড, ৪৫ হাজার নার্স, ৩৩ হাজার চিকিৎসক রয়েছে। এছাড়া, সারা দেশে ১৮ হাজার ক্লিনিক সুবিধা রয়েছে, যার মধ্যে ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক।

    জাহিদ মালেক বলেন, সব ওষুধ বর্তমানে দেশেই উৎপাদন হচ্ছে। সরকারি ৩৭টি ও বেসরকারি ৭২টি মেডিকেল কলেজ হয়েছে। স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট করা হয়েছে ১৫টি। সব মিলিয়ে গত ৫২ বছরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অর্জন বলে শেষ করা যাবে না।

    স্বাস্থ্য অধিপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মোঃ আজিজুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু এনডিসি, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ টিটো মিঞা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • শিশুদের খাওয়ার সময় স্ক্রীনটাইম নয়

    শিশুদের খাওয়ার সময় স্ক্রীনটাইম নয়

    সাধারণত শিশু বা ছোট বাচ্চাদের খাওয়ার সময় টিভি বা মোবাইল ডিভাইসে ভিডিও দেখাকে নিরুতসাহিত করেন গবেষকরা। এতে করে নানারকম মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির কারন দেখা দেয়। বাবা-মা’র সচেতন হতে হবে তার শিশুকে সুন্দরভাবে বেড়ে তোলবার জন্য। যেসব ক্ষতির কারন হতে পারে তা হলো-

    > যেসব শিশু টিভি বা মোবাইল দেখে খাবার খায় তারা আগ্রহহীনভাবে খেতে থাকে। কি খাচ্ছে, কি চিবোচ্ছে সে সম্পর্কে অবগত থাকে না। এবং শরীরের প্রয়োজন মিটে গেছে কিনা সেটাও বুঝতে পারে না। এর ফলে স্থুলতা বা ক্ষুধামন্দার মতো রোগ দেখা দিতে পারে।

    > অনেক শিশু খাবার মুখে নিয়ে বসে থাকে অথবা না চিবিয়ে সরাসরি গিলে ফেলে। কারন সে জানেই না কিভাবে খাবার খেতে হয় বা খাবারকে উপভোগ করতে হয়। এতে বদহজমের মত সমস্যাও হতে পারে।

    > ২০১৮ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায় ৫-৬ বছরের যেসব শিশু স্ক্রিনে বেশি সময় দেয় তারা শাকসবজি ফলমূল কম খায়, আর চকলেট, চিপস, জাঙ্ক ফুড খেতে বেশি পছন্দ করে।

    > দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ সবচাইতে বেশি হয়। এ সময় ডিভাইসের ব্যবহার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ করে।

    > খাওয়ার সময় ডিজিটাল স্ক্রিন দেখার অভ্যাস হয়ে গেলে, এটি তাদের দীর্ঘস্থায়ী অভ্যাসে পরিণত হবে। ফলে এই অভ্যাস সহজে ছাড়ানো সম্ভব হবে না। যখন থেকেই শিশু নিজ হাতে খেতে সক্ষম হয়ে ওঠে তখন থেকেই তাদের নিজে খাওয়ার জন্য উৎসাহ দিন এবং খাওয়ার জন্য কখনোই জোর করবেন না। খিদে পেলে সে নিজেই খাওয়া শিখে নেবে।

    উপরের মূল্যবান পরামর্শগুলো আজ থেকেই আপনার শিশুর জন্য কাজে লাগান। এতে করে একটি সুন্দর জীবন গড়ে তুলতে সহজ হবে।

    তথ্যসূত্রঃ চাইল্ড হেলথ কেয়ার

  • তীব্র গরমে শরীর সতেজ রাখবে তরমুজ

    তীব্র গরমে শরীর সতেজ রাখবে তরমুজ

    গরমে শরীর সতেজ রাখতে রসালো ফলমূল আর ঠান্ডা পানীয়ের দিকে ঝোঁকেন সবাই। এ সময়ে অনেকেরই প্রথম পছন্দ তরমুজ। এই ফল শরীর ঠান্ডাও করে, আবার শরীরে জলের চাহিদাও মেটায়। তরমুজে ৯২ শতাংশই জল, যা সহজেই গরমকালে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা মেটাতে পারে। গরমে ঘেমে নেয়ে লাল টকটকে কয়েক ফালি তরমুজ কিংবা তরমুজের রস খেলেই চাঙ্গা হয়ে যায় শরীর। কিন্তু শুধুই কি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য এই ফল খাওয়া হয়? তা কিন্তু নয়। এই ফল খাওয়ার আরও অনেক কারণ রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, এই রসালো ফলের উপকারিতা এবং তরমুজ খাওয়ার বিভিন্ন উপায় –

    তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা

    শরীর হাইড্রেট রাখে – তরমুজ শরীর ঠান্ডা করে এবং শরীরকে হাইড্রেট রাখতেও সাহায্য করে। এই ফলের বেশিরভাগটাই জল। এতে পটাশিয়ামের মতো ইলেক্ট্রোলাইটও রয়েছে। যে কারণে তরমুজ খেলে শরীরে জলের অভাব দূর হয়।

    হজমে সাহায্য করে – তরমুজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা ভালো হজম এবং নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে। তাছাড়া, ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, যে কারণে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

    ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ – এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে। ভিটামিন এ, বি ৬, সি রয়েছে ভরপুর। আর এই সব গুণই ত্বক ও চোখ সুস্থ রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। তরমুজ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

    ক্যালোরি খুব কম – তরমুজে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম। যে কারণে এই ফল প্রায় সকলের জন্যই স্বাস্থ্যকর। বিশেষত, যারা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য খুবই উপকারী তরমুজ।

    হার্ট ভালো রাখে – তরমুজে থাকা লাইকোপিন হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তরমুজে সাইট্রুলিনও রয়েছে, এটি এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

    ক্যান্সার প্রতিরোধ করে – তরমুজে উপস্থিত সব অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কোষের ক্ষয় আটকায় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

    তথ্যসূত্রঃ বোল্ডস্কাই

  • বার্ড ফ্লু মানবদেহে ছড়ালে যেসব উপসর্গ দেখা যায়

    বার্ড ফ্লু মানবদেহে ছড়ালে যেসব উপসর্গ দেখা যায়

    চিলিতে সদ্য এক ৫৩ বছর বয়সী ব্যক্তির দেহে মিলল H5N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। তবে বলা হচ্ছে, এই বার্ড ফ্লুয়ের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের খুব কম ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুর সংখ্যা খুব বেশি।

    যদি অনিয়ন্ত্রিভাবে আক্রান্ত পাখির সঙ্গে মানুষ সংস্পর্শে চলে আসে, তাহলে অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু হতে পারে। মানুষ থেকে মানুষে এই ফ্লু ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা খুবই কম দেখা যায়। যারা পাখি পালন করেন তারা কাছাকাছি থাকায় বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। এভিয়ান ফ্লু পৃথিবীর নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে এশিয়া। এবং আপনি যদি সম্প্রতি বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত কোনো দেশে ভ্রমণ করেন তবে ঝুঁকি বাড়ে। মানব দেহে এই ফ্লু ছড়িয়ে পড়ার বেশ কয়েকটি উপসর্গ দেখা যায়। দেখে নেওয়া যাক, এই বার্ড ফ্লুয়ের উপসর্গগুলি।

    বার্ড ফ্লু উপসর্গ- বার্ড ফ্লু শরীরে দানা বাঁধলে জ্বর, কাশি, সর্দি, গলাব্যথা, পেশীতে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট হতে থাকে।

    কম উপসর্গগুলির মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি বা খিঁচুনি। সাধারণত হাঁস, মুরগী, পোলট্রির পাখিদের মধ্যে এই রোগ দেখা যায়। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, এই ভাইরাস পাখিদের থেকে ছড়াচ্ছে মানুষের মধ্যে। তবে তার সংখ্যা অনেকটাই কম।

    সংক্রমণের ১ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বার্ড ফ্লুয়ের সংক্রমণের উপসর্গ দেখা যায়। সারা বিশ্বে পাখিদের মধ্যে এভিয়ান ফ্লু দেখা যায়, ২০০৩ সাল থেকে ২,৫০০ জনেরও কম লোক সংক্রমিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও সাম্প্রতিক যে কেসগুলি দেখা গিয়েছে, তাতে সংখ্যার আধিক্য সেভাবে নেই। তবে বার্ড ফ্লুয়ের বিরুদ্ধে মানবদেহে সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই। সেই দিক থেকে সাবধানতা জরুরি।
    তথ্যসূত্রঃ ভেরিওয়েলহেলথ.কম