Category: বাংলাদেশ

  • দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন: দীপু মনি

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন: দীপু মনি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, “সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে, যাতে দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে। সামনে রমজান আসছে, এই রমজানে যাতে মানুষ স্বস্তির মধ্যে থাকে এর জন্য সরকারের চেষ্টার পাশাপাশি সকলেরই সহযোগিতা প্রয়োজন।”

    আজ শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় চাঁদপুর শহরের হাসান আলী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, “দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন যেমন কাজ করবে, তেমনি আমাদের যে ব্যবসায়ী সমিতি আছে তারাও যদি সঠিকভাবে কাজ করে তাহলে দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা সম্ভব। এছাড়া অন্য যেসব সমস্য আছে সেগুলো নিয়ে সরকার কাজ করছে।”

    তিনি বলেন, “আমরা ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় পোষাকের ব্যাপারে যতটা মনযোগি, আমরা যদি ধর্মীয় আচরণের ব্যাপারে আরেকটু মনোযোগি হই, তাহলে কিন্তু এই মজুদদারী থাকে না এবং অতিরিক্ত মুনাফার বিষয়টিও থাকে না। বিশেষ করে রমজান মাসে। রমজান সংযমের সময়। আমরা যেন সব ক্ষেত্রে অর্থাৎ ব্যবসায়ী, ক্রেতাসহ সকলেই যেন সংযম করেন।”

    দীপু মনি বলেন, “ধর্ম হচ্ছে চর্চার বিষয়। আমি শুধু বাহিরে পোষাকে দেখালাম, কিন্তু ধর্মের যে মূল মূল্যবোধ তার যদি চর্চা না করি, তাহলে আমরা খুব ভালো করতে পারব না। ধর্মীয় এই চর্চা যদি অব্যাহত রাখি তাহলে শুধুমাত্র রোজার সময় নয়, সারা বছরও কিছু লোক মানুষকে কষ্ট দেয়, সেটি আর করতে পারবে না। সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন এবং সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শুধুমাত্র সরকার একা কোন কিছু করতে পারে না।”

    এ সময় চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বিচারকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    বিচারকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বিচারকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে, বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।তিনি বলেন, “দেশ, জনগণ ও সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

    আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে দুইদিন ব্যাপী ‘একবিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবিধানিক আদালত: বাংলাদেশ ও ভারত থেকে শিক্ষা’ শীর্ষক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “ক্ষমতার সঙ্গে দায়িত্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দায়িত্ব পালনের জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে। আবার ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে এবং ক্ষমতার যাতে অপব্যবহার না হয় সেদিকে কঠোরভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

    তিনি বলেন, “বিচারপ্রার্থীরা অত্যন্ত কম খরচে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ন্যায় বিচার পাবেন এবং বিচারকগণ তাদের মেধা ও মননশীলতার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “সরকার বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিতের জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ এবং ভারত উভয় দেশই এমন দৃষ্টান্ত প্রত্যক্ষ করেছে যেখানে বিচার বিভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায়, পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন এবং সুশাসনের নীতিগুলোকে সমুন্নত রাখতে হস্তক্ষেপ করেছে।”

    তিনি বলেন, “দুই দেশের বিচার বিভাগ, বিচারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় দেশের বিচার বিভাগ, বিচারক ও জনগণ উপকৃত হতে পারে।”

    বাংলাদেশ ও ভারতের সাংবিধানিক আদালতগুলোকে মামলা জট নিরসন, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার এবং বিচারিক জবাবদিহিতার মতো বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিচার বিভাগের উন্নয়নে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন রাষ্ট্রপতি।

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের সাংবিধানিক আদালতগুলোকে ন্যায়বিচারের প্রবেশ অধিকার এবং বিচারের জবাবদিহিতার মতো বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিচার বিভাগের উন্নয়নের সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে ভারতের প্রধান বিচারপতি ড.ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড় উপস্থিত হয়ে সম্মেলনকে আন্তর্জাতিক বহুমাত্রিকতা দিয়েছেন।”

    রাষ্ট্রপতি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিসহ অন্যান্য সকল অতিথিদের স্বাগত জানান।

    মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, ভারতের প্রধান বিচারপতি ড. ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির এবং আপিল বিভাগের বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ।

    অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিগণ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিগণ, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিগণ, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্য ও বিজ্ঞ আইনজীবীরা।

  • রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট হবে না: প্রধানমন্ত্রী

    রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট হবে না: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট হবে না, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেন, ‘রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় প্রণ্যের অভাব হবে না। ইতোমধ্যেই সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোন সমস্যা হবে না।’

    প্রধানমন্ত্রী আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সাম্প্রতিক জার্মানী সফর সম্পর্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ছোলা, খেজুর, চিনিসহ পর্যাপ্ত পরিমাণ পণ্য আমদানির ব্যবস্থা রয়েছে।সুতরাং, এটি নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না কারণ আমরা অনেক আগেই এর জন্য ব্যবস্থা করেছি।”

    তিনি বলেন, “আগামী পাঁচ বছর কাজ হবে যেহেতু আমাদের উন্নয়নশীল দেশের যাত্রা শুরু হবে ২০২৬ থেকে কাজেই যে সময়টুকু পাব সেটাকে কাজে লাগিয়ে যথাযথভাবে এগিয়ে যাওয়া এবং সেদিকে আমরা মনোযোগ দিয়েছি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন কমিটি গঠন করে আমরা সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।”

    উন্নয়ন টেকসই করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী পাঁচ বছরে সরকারের প্রধান গুরুত্বই থাকবে আমাদের আর্থ-সামাজিক উন্নতির যেটা হয়েছে সেটা যেন টেকসই হয়। কারণ, যে পর্যায়ে থেকে আমরা উঠে এসেছি সেটা টেকসই করে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। একটা হচ্ছে জাতিসংঘের এসডিজি বাস্তবায়ন ২০৩০ সালের মধ্যে, সেটা আমরা সময় পেয়েছি ২০৩২ সাল পর্যন্ত এবং এরমধ্যে যেগুলো আমাদের দেশের জন্য প্রযোজ্য সেগুলো আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।”

    জার্মানীর মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে মূলত, রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও এনজিও নেতৃবৃন্দ, মিডিয়া, সুশীল সমাজ, সরকারি এবং বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। এটি সমকালীন ও ভবিষ্যত নিরাপত্তার স্বার্থে উচ্চ-পর্যায়ের নিয়মিত আলোচনার একটি শীর্ষস্থানীয় ফোরাম হিসেবে বিবেচিত। এ বছরের ফোরামে ৩৫ জনেরও বেশী রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান অংশগ্রহণ করেছেন।”

    সফরকে ফলপ্রসু উল্লেখ করে লিখিত বক্তৃতায় তিনি বলেন, “মিউনিখে আমার এই ফলপ্রসূ সফরের ফলে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের শান্তি, সার্বভৌমত্ব ও সর্বাঙ্গীন নিরাপত্তার প্রতি অঙ্গীকার বলিষ্ঠরূপে প্রতিফলিত হয়েছে। দেশের আকার নয় বরং নীতির শক্তিতেই যে মানবতার রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক মুক্তি, এবারের সম্মেলনে আমি এই বার্তাই বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছি।”

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বিষয় হচ্ছে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশ উন্নত হয়। যে কারণে গত ১৫ বছরে আমরা দেশের উন্নতি করতে পেরেছি। মানুষের  আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে, তাদের মন মানসিকতার পরিবর্তন হয়েছে, শিক্ষা-দীক্ষা সব দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক উপরে উঠে আসতে সক্ষম হয়েছে। আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি।”

    তিনি বলেন, “রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আসলে রাজনৈতিক দলের অভাব রয়েছে বাংলাদেশে। আওয়ামী লীগ ১৯৪৯ সালে গঠিত হয়। গণমানুষের কথা বলে এবং আন্দোলন সংগ্রাম করেই আওয়ামী লীগ এগিয়ে গেছে। আমি যদি আমার প্রতিপক্ষ কয়েকটি দল দেখি, একটাতো যুদ্ধাপরাধীদের দল জামাতে ইসলামী। তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়। সংবিধান সংশোধন করে এদেরকে ভোটের অধিকার দিয়েছে, এমনকি পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে যে ফিরে গিয়েছিল তাকেও আবার ফিরিয়ে এনেছে এবং তাদেরকে দল করার অধিকার দিয়েছে। জাতির পিতার হত্যাকারীদের জনগণের ভোট চুরি করে খালেদা জিয়া সংসদে বসিয়েছিল। মিলিটারি ডিক্টেটরদের  পকেট থেকে দুটো পার্টি হয়েছে।একটি বিএনপি, আরেকটি জাতীয় পার্টি। ক্ষমতার উচ্চ আসনে বসে যে দলগুলো তৈরি হয় সেগুলোরতো আসলে মাটি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক থাকে না। তাদের শিকড়ের সন্ধান কোথায়। কাজেই তাদের চিন্তা চেতনায় থাকে এমন একটা পরিবেশ হোক কেউ তাদেরকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে। সেটা করতে গিয়ে তারা প্রথম ধরা খেলো ২০০৮ সালের নির্বাচনে। এ নির্বাচন নিয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন করতে পারেনি । সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৩৩টি আসন পেল আর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় ঐক্য জোট পেল ৩০ টি আসন। এরপর থেকেই শুরু হলো এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা। বারবার সে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কিন্তু আমরা যেভাবে পারি সেখান থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে পেরেছি্।”

    তিনি বলেন,যে গণতান্ত্রিক ধারা আমরা স্থায়ী করেছি, তার শুভ ফল দেশবাসী পাচ্ছে। তাদের জীবন মান উন্নত হয়েছে । এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা এগিয়ে যাব। ইতোমধ্যে আমরা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১ থেকে ২০৪১ ঘোষণা করেছি। এতে প্রতিটি মানুষের জীবনমান আরো উন্নত হবে এবং বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু আমাদের প্রতিপক্ষরা জ্বালাও পোড়াও, মানুষ খুন, ট্রেন ও বাসে আগুন দেয়া,মা ও শিশুকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে যাচ্ছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, রাজনীতি যদি জনগণের জন্য হয় সে রাজনীতি জনগণের জন্যই এবং জনগণের কল্যাণেই কাজ করে । আর রাজনীতি যদি হয় শুধু ক্ষমতা দখল আর ক্ষমতা উপভোগ করা তাহলে তো মানুষ কিছু পাবে না।

    তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তার পরনের শাড়িটি ফ্রেঞ্চ  শিফন  নয় (খালেদা জিয়ার বহুল ব্যবহৃত  দামি শাড়ি)  শফিপুর আনসার একাডেমি  থেকে কেনা একটি তাঁতের শাড়ি, যাকে তিনি শফিপুর শিফন বলে পরিচয় করিয়ে দেন।

    ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের পর বিভিন্ন সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানরা তাঁকে যেমন অভিনন্দিত করেছেন তেমনি মিউনিখ সম্মেলনে গিয়েও অভিনন্দনে ভ’ষিত হয়েছেন এবং নির্বাচন নিয়ে কেউ যেমন কোন উদ্বেগ প্রকাশ করেনি তেমনি কোন প্রশ্ন তোলা হয়নি বলেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান।

    আর মিয়ানমারের ব্যাপারে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমি আগেই বলেছি ধৈর্য ধরে এগোনো এবং তাদের সাথে আলোচনাও করছি। দেখা যাক কি হয়।

    সংবাদ সম্মেলন আর উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, দলের সভাপতি মন্ডলীর সদস্যগণ, সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী ।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম।

    সূত্র: বাসস

  • স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।তিনি বলেন, “স্বাস্থ্যসেবা শুধু শহর কেন্দ্রিক নয়, এর পরিধি একেবারে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সেটাই চান। আমরা স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ শুরু করেছি।”

    আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন ।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদেরকে স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে কাজ করতে হলে চিকিৎসকদের সুযোগ-সুবিধাগুলোও নিয়েও ভাবতে হবে। নার্সদেরকে নিয়ে আমাদের আরো পরিকল্পনা করতে হবে। আজকের এই আয়োজন সরকারের কাজকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। এই প্রোগ্রাম শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।”

    তিনি বলেন, “চিকিৎসা প্রশিক্ষণার্থী বিনিময় কর্মসূচির মতো উদ্যোগগুলি শুধু আন্তঃসাংস্কৃতিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করবে না বরং আমাদের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সম্মিলিত অভিজ্ঞতাকেও সমৃদ্ধ করবে। দেশে এবং দেশের বাইরে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার জন্য এ ধরনের কর্মকা- সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।”

    আয়োজকরা জানান, সামিট-২০২৪ এ দুই হাজারের অধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও মেডিক্যাল শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। স্পিকার হিসেবে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ৫০ জন চিকিৎসা বিজ্ঞানী এবং দেশের ১০০ জনেরও অধিক খ্যাতিমান চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ। নয় দিনের সম্মেলনে থাকছে ৩০টির বেশি কোর্স এবং সাইন্টিফিক সেশন। দেশে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত এই সম্মেলন শুধু বাংলাদেশেই নয় দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম।

    পিএইচএ গ্লোবাল প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়া (পিএইচএ) এর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান, বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ইউনাইটেড হেলথ কেয়ারের সিইও ডা. মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি. এর ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়া (পিএইচএ) এর ট্রাস্টি ডা. নাসির খান।

    সভাপতির বক্তব্যে প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়া (পিএইচএ) এর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের মেডিক্যাল চিকিৎসার শিক্ষাক্রমে যথেষ্ট দুর্বলতা রয়েছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমাদের মেডিক্যাল শিক্ষা চার থেকে পাঁচ বছর পিছিয়ে রয়েছে। একারণে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। আমরা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে মিলে কারিকুলাম উন্নয়নের চেষ্টা করছি। আশাকরি ৪-৫ বছরের মধ্যে একটি কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।”

    সম্মেলনে রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস লন্ডন, রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস এডিনবার্গ, রয়েল কলেজ অফ অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্ট, ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন, ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন, আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি এর প্রেসিডেন্টবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কৃতরা হলেন- রংপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ বায়েজিদ সরকার, রংপুর মেডিকেল কলেজের সজিব মিয়া, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পলাশ হোসেন, পাবনা মেডিকেল কলেজের তাহসিন আহমেদ আলভী, রংপুরের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের মাহবুব আলম।

    এদিকে ২০২৩ সালে শিক্ষা, চিকিৎসা শাস্ত্রে, স্বাস্থ্য সেবা তথা জনস্বার্থে বিশেষ অবদানের জন্য ৮ জন চিকিৎসককে অনারারি ফেলোশীপ দিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস্ এন্ড সার্জনস্। অনারারি ফেলোশীপ পাওয়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসকগণ হলেন ডা. সারাহ ক্যাথরিন ক্লার্ক, অধ্যাপক টিমোথি গ্রাহাম, ডা. রানী ঠাকুর, ডা. ফ্রাজ মীর, ডা. রোয়ান বার্নস্টেইন, অধ্যাপক ডেভিড ট্যাগার্ট, ডা. জগৎ নরুলা এবং ডা. সার্জিও লারাচ।

  • প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুসারে রেলের আরও সম্প্রসারণ হবে: রেলমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুসারে রেলের আরও সম্প্রসারণ হবে: রেলমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুারে রেলের আরও সম্প্রসারণ হবে, বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম। তিনে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন রেলের আরও সম্প্রসারণ হবে।”

    আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজবাড়ী রেল স্টেশনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন রেলমন্ত্রী।

    রেলমন্ত্রী বলেন, “কিছুদিনের মধ্যে ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন (নির্মাণকাজ) চালু করা হবে। রেলে মাল পরিবহন ও যাত্রীদের সস্তায় সার্ভিস দিয়ে থাকে। প্রত্যেকটি জেলায় রেলের কানেক্টিভিটি তৈরি করা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “রেলের অনেকগুলো কোচ ও ইঞ্জিন ও আমদানি হয়েছে। আরও কিছু আমদানি হবে। রাজবাড়ী রেলের শহর, রাজবাড়ীতে ১০৫ একর জমি নিয়ে রেলের সবচেয়ে বড় কারখানা নির্মাণ করা হচ্ছে। এই কারখানায় রিপেয়ারিং, মেইনটেনেন্সসহ বগি তৈরি করা হবে। এটা আমাদের রাজবাড়ীবাসীর জন্য সবচেয়ে সুখের খবর।”

    এছাড়াও রেলমন্ত্রী রাজবাড়ী নতুন একটি আধুনিক রেলস্টেশন করার ঘোষণা দেন।

  • মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

    মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে, বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।তিনি বলেন “সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ একত্রে মিলেমিশে কাজ করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। প্রগতিশীল, কল্যাণময় বাংলাদেশ গড়তে মেধার বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে নয়; জ্ঞান, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে।”

    আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহার মিলনায়তনে অতীশ দীপংকর, বিশুদ্ধানন্দ, শুদ্ধানন্দ এবং পণ্ডিত বনরত্ন শান্তি স্বর্ণ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার সকল ধর্মের মানুষের শান্তি ও সম্প্রীতিতে পূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিতে কাজ করছে।”

    তিনি বলেন, “এই পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বৌদ্ধধর্ম ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাদের কাজ অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল; ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েনসিল এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লায়ন চিত্ত রঞ্জন দাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরো।

    ভারতের নগাওয়াং তেনজিং গিয়াতসো, বাংলাদেশের ড. প্রণব কুমার বড়ুয়া, সিঙ্গাপুরের পিটার কোহ এর পক্ষে জাকির হোসেন খান এবং বাংলাদেশের হাজী মোশারফ আলী ফাউন্ডেশন যথাক্রমে অতীশ দীপংকর, বিশুদ্ধানন্দ, শুদ্ধানন্দ এবং পণ্ডিত বনরত্ন শান্তি স্বর্ণ পুরস্কার পেয়েছেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় সম্মানিত হয়েছেন।

    অনুষ্ঠানের পর পরিবেশমন্ত্রী বৌদ্ধ মন্দিরে ধর্মরাজিক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

  • ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো: প্রধানমন্ত্রী

    ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চক্রান্ত হয়েছিলো। বলা হয়েছিলো আমি নাকি ভুল বলছি। তখন এম আর আখতার মুকুলের মাধ্যমে আবারো সত্যানুসন্ধান করে আমি প্রমাণ করেছি, মহান ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২২ফেব্রুয়ারী) বিকেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশের কিছু আঁতেল এক সময় বলেছে, শেখ মুজিব ভালো প্রশাসক ছিলেন না। অথচ, যে সেক্টরে হাত দিয়েছি, দেখেছি মূল কাজটা বঙ্গবন্ধু করে দিয়ে গেছেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার কাজ করেছেন। স্বল্পোন্নত দেশ করে দিয়ে গেছেন। তার দেখানো পথেই আমরা এগিয়েছি।”

    বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “তাদের কাছ থেকে গণতন্ত্রের সবক শুনতে হয়। অথচ তারা নানান উপায়ে বঙ্গবন্ধুকে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে চলে যায় আমাদের পতাকা। ইনডেমনিটি দিয়ে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করেছে। খুনিদের পুনর্বাসন করে নানান জায়গায় পদায়ন করেছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছে আমাদের দেশের পতাকা।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইতিহাস বিকৃতির কতো ঘটনা তারা ঘটিয়েছে। কোন এক মেজর নাকি তেলের ড্রামে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিয়েছিলো, আর তাতেই নাকি দেশ স্বাধীন হয়ে গিয়েছিলো। এতোসব বিকৃতি করেও তারা বঙ্গবন্ধুর অবদানকে খাটো করতে পারেনি।”

    তিনি বলেন, “জাতির পিতা সেই সময়ে একটার পর একটা পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেটিই ছিল আমাদের পাথেয়। সেগুলোর পথ ধরেই আমরা এগিয়ে গেছি। ভাষার ওপর একটার পর একটা আঘাত আসে। তখন বাংলার মানুষ প্রতিবাদ করেছে।”

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধু তার সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে যে চেতনা, তার থেকেই আমাদের স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আসে। জাতির পিতা এটি তার আত্মজীবনীতেও লিখেছেন, ৫২ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন একাত্তরের স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।”

    এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আতাউর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মো. নুরুল হুদা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমেদ প্রমুখ।

  • ভারতের সঙ্গে স্থল সীমানা চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

    ভারতের সঙ্গে স্থল সীমানা চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: ভারতের সঙ্গে স্থল সীমানা চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমাদের স্থল সীমানার চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেন। সেই সঙ্গে সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। পরে সেটা কার্যকর করা হয়নি। ২১ বছর পর আমরা যখন সরকারে আসি, এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করি। তখন কাজগুলো খুব গোপনীয়তার সঙ্গে শুরু করতে হয়েছিল। আমাদের সমুদ্রসীমা যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্য জাতিসংঘে আমরা সই করে আসি।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট-১৯৭৪’র সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১২ এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তি করি। আজ বিশাল সমুদ্রসীমার অধিকার রয়েছে, আমরা সম্ভাবনাময় একটা বিশাল অর্থনৈতিক এলাকা পেয়েছি।”

    তিনি বলেন, “সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়; সরকার জাতির পিতার এ নীতি নিয়েই চলছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে যে বাণিজ্য চলে সেখানে যাতে কোনো দ্বন্দ্ব না হয়, শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবেই যেন অব্যাহত থাকে। কারো সঙ্গে বাংলাদেশের  শত্রুতা নেই।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমুদ্রে তেল, গ্যাস উত্তোলনের জন্য ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা তেল, গ্যাস উত্তোলনে বিনিয়োগ করতে পারেন। আমরা চাই তেল, গ্যাসের সঠিক ব্যবহার। বিশাল সমুদ্রসীমার সম্পদ ব্যবহার করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নতি করাই সরকারে লক্ষ্য।”

    তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্বের অনেক জায়গায় যুদ্ধ, সংঘাত চলছে। বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে, যুদ্ধে বিশ্বাস করে না। কারণ, শান্তিই প্রগতি দেখায়।”

    প্রধনমন্ত্রী আরও বলেন, “আজকে যে সেমিনার হচ্ছে এই সেমিনার সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, সমুদ্রকে নিরাপদ এবং কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে দেশের সমুদ্রকেন্দ্রিক সকল সংস্থা থেকে সহযোগিতা এবং সহায়ক হতে ভূমিকা পালন করবে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “সামুদ্রিক পথ সকল দেশ ব্যবহার করছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলছে। ইতিমধ্যে ইন্সটিটিউট গড়ে তুলেছি গবেষণার জন্য, সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ”

    অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নৌপরিহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামুদ্রিক বিষয়ক ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম।

  • বিএনপি এখন আর বিরোধী দলের অবস্থানে নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বিএনপি এখন আর বিরোধী দলের অবস্থানে নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বিএনপি এখন বিরোধী দলের অসস্থানে নেই, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, “এবার তো তারা (বিএনপি) নির্বাচনই করেননি। কাজেই তারা তো এখন বিরোধী দল বলে দাবি করতে পারেন না। তারা আরেকটি রাজনৈতিক দল যেমন ছোট ছোট অনেক দল আছে, যেগুলো…সেরকম দলের মতো আজ বিএনপির অবস্থান।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিভিন্ন কারণে বিএনপি নেতারা কারাগারের ভেতরে ছিলেন। বিচারক মনে করেন তাদের জামিন দিতে হবে, তাদের জামিন দিয়েছেন, এখানে আমাদের কিছু করার নেই, বলারও নেই।”

    মিয়ানমার ইস্যুতে তিনি বলেন, “৩৩০ জন বর্ডার গার্ড পুলিশ, সামরিক বাহিনী এবং সরকারি কর্মকর্তারা যারা আমাদের দেশের বর্ডারের কাছাকাছি ছিল ১০-১৫ মাইল, তারা পালিয়ে আমাদের দেশে প্রবেশ করেছিল। আমাদের দেশ তাদের এক জায়গায় রেখে দিয়ে তাদের আবার ইনফর্ম করা হয়। তাদের দেশ থেকে ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি।”

    তিনি আরও বলেন, “খুব সুন্দর ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা এখানে কাউকে ঢুকতে দেবো না, আমরা আমাদের সীমান্তের ভেতরে আর কাউকে ঢুকতে দেবো না। আমরা মনে করি প্রত্যেকে যার যার জন্মভূমিতে থাকবে।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা অনেক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছি, তাদেরও আমরা বলছি এবং মিয়ানমার সরকারকেও বলছি, বিশ্বের সব দেশকেও আমরা বলছি, যত দ্রুত তাদের আমাদের দেশ থেকে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য। আমরা সবাইকে অনুরোধ করছি। আমরা মনে করি আমাদের সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।”

  • কিশোর গ্যাংয়ের বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করবে পুলিশ

    কিশোর গ্যাংয়ের বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করবে পুলিশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: গতকাল বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড, জেনেভা ক্যাম্প, বসিলাসহ আশপাশের এলাকা থেকে দেশি অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ।

    গ্রেপ্তাররা হলেন রাজা (৩৫), মো. জালাল (২৫), মো. মৃদুল (২৬), মো. জাহাঙ্গীর (৩৫), মো. শামিম মিয়া (২৪), মো. শহিদ (২৫), মো. শিমুল (২৫), মো. মনিরুল ইসলাম (২৭), মো. সোহেল খান (২৩) ও নুর মোহাম্মদ (২০)। তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

    তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রাজার বিরুদ্ধে ১১টি মামলা ও মৃদুলের বিরুদ্ধে চারটি মামলার তথ্য জানা গেছে।

    ডিবি জানায়, গ্রেপ্তাররা বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ চালিয়ে আসছিল।

    আজ বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ।

    হারুন-অর-রশীদ বলেন, “রাজধানীর উত্তরা ও মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা বেশ সক্রিয়। এসব গ্রুপের সদস্যরা চুরি-ছিনতাই, ইভটিজিংসহ নানা অপরাধে জড়িত রয়েছে। তাদের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। গোয়েন্দা পুলিশের কাছে অনেকেই অভিযোগ করছেন। তারা দিনে দুপুরে গাড়ি থেকে মোবাইল ফোন টান দিয়ে নিয়ে যায়। উঠতি বয়সী মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবির তেজগাঁও বিভাগ কাজ শুরু করেছে। তারা মোহাম্মদপুর থেকে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।”

    তিনি আরও বলেন, “এ কিশোর গ্যাং সদস্যরা পৃথক দলে ভাগ হয়ে ছিনতাই করত। দীর্ঘদিন ধরে কিছু বড় ভাইয়ের নেতৃত্বে তারা এ কাজ করত। বিশেষ করে রাতের বেলা চাপাতি দিয়ে ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করে। দিনের বেলা বড়ভাইদের সঙ্গে ঘুরে।”

    ডিবি প্রধান বলেন, “আমরা বেশ কয়েকজন বড় ভাইয়ের নাম পেয়েছি। তারা যে দলেরই হোক না কেন তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তারা ছিনতাইয়ের জন্য লেগুনা ব্যবহার করে। লেগুনা চালক ও হেলপারও তাদের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।”

    হারুন আরও বলেন, “কিশোর গ্যাং ও ইভটিজারদের বিরুদ্ধে রাজধানীর প্রতিটি এলাকায় এলাকায় আমাদের অভিযান চলবে। ছিনতাইকারী ও বড় ভাইদের সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে গোয়েন্দা পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করছি।”

    অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের ডিবির ৪০টিরও বেশি চৌকস টিম রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই কাজ করবে। এখানে কোনো কোনো ভাইয়ের বিষয় না, আমরা যদি তাদের পাই আর আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ, ছিনতাই, ইভটিজিংয়ের মতো ঘটনা ঘটায় তাহলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের কোনো পরিচয় নেই। তাদের একটাই পরিচয় তারা অপরাধী। তারা কোনো দলের সদস্য না। দিনের বেলা বড় ভাইদের সঙ্গে ঘুরবে আর রাতের বেলা ছিনতাই করবে এটা চলবে না। আমরা ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছি কেউ তদবির করার সাহস করেনি। ভবিষ্যতেও করবে না। কেউ যদি বড় ভাইদের নাম বলে বাঁচার চেষ্টা করে আমরা সেই বড় ভাইকেও গ্রেপ্তার করব “