www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: ভারতের সঙ্গে স্থল সীমানা চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমাদের স্থল সীমানার চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেন। সেই সঙ্গে সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। পরে সেটা কার্যকর করা হয়নি। ২১ বছর পর আমরা যখন সরকারে আসি, এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করি। তখন কাজগুলো খুব গোপনীয়তার সঙ্গে শুরু করতে হয়েছিল। আমাদের সমুদ্রসীমা যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্য জাতিসংঘে আমরা সই করে আসি।”
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট-১৯৭৪’র সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১২ এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তি করি। আজ বিশাল সমুদ্রসীমার অধিকার রয়েছে, আমরা সম্ভাবনাময় একটা বিশাল অর্থনৈতিক এলাকা পেয়েছি।”
তিনি বলেন, “সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়; সরকার জাতির পিতার এ নীতি নিয়েই চলছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে যে বাণিজ্য চলে সেখানে যাতে কোনো দ্বন্দ্ব না হয়, শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবেই যেন অব্যাহত থাকে। কারো সঙ্গে বাংলাদেশের শত্রুতা নেই।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমুদ্রে তেল, গ্যাস উত্তোলনের জন্য ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা তেল, গ্যাস উত্তোলনে বিনিয়োগ করতে পারেন। আমরা চাই তেল, গ্যাসের সঠিক ব্যবহার। বিশাল সমুদ্রসীমার সম্পদ ব্যবহার করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নতি করাই সরকারে লক্ষ্য।”
তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্বের অনেক জায়গায় যুদ্ধ, সংঘাত চলছে। বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে, যুদ্ধে বিশ্বাস করে না। কারণ, শান্তিই প্রগতি দেখায়।”
প্রধনমন্ত্রী আরও বলেন, “আজকে যে সেমিনার হচ্ছে এই সেমিনার সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, সমুদ্রকে নিরাপদ এবং কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে দেশের সমুদ্রকেন্দ্রিক সকল সংস্থা থেকে সহযোগিতা এবং সহায়ক হতে ভূমিকা পালন করবে।”
শেখ হাসিনা বলেন, “সামুদ্রিক পথ সকল দেশ ব্যবহার করছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলছে। ইতিমধ্যে ইন্সটিটিউট গড়ে তুলেছি গবেষণার জন্য, সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ”
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নৌপরিহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামুদ্রিক বিষয়ক ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম।










