Category: বাংলাদেশ

  • জার্মানির মিউনিখ থেকে আজ দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    জার্মানির মিউনিখ থেকে আজ দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: জার্মানির মিউনিখে তিন দিনব্যাপী ‘মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন’ ২০২৪-এ যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটি ছিল তার প্রথম বিদেশ সফর।

    আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্থানীয় সময় রাত ৯ টা ০৮ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে মিউনিখ ছাড়েন।

    এর আগে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে (এমএসসি) যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মিউনিখে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকারপ্রধান হিসেবে এটিই তার প্রথম কোনো রাষ্ট্রীয় সফর। সম্মেলন শেষে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীসহ দেশে ফিরেন।

    ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যোগ দেন।

    ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেন ও নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলোনস্কিসহ কয়েকজন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

  • প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য রাখেন: সেতুমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য রাখেন: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য রাখেন, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিন বলেন, “বাংলাদেশে একটা সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচন নিয়ে সমালোচনায় মুখর ছিল বহির্বিশ্বের একটা অংশ। তারপরও আজকে এই সংকটে সিকিউরিটির মতো সেনসেটিভ ইস্যুকে নিমন্ত্রণ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে অংশগ্রহণ করা এটা বাংলাদেশের গুরুত্বকেই তুলে ধরে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধের বিরুদ্ধে, শান্তির পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন। সবচেয়ে বেশি জোরালো বক্তব্যের এই দুঃসাহস আগে কোনো নেতা দেখাতে পারেননি, বিশেষ করে স্টপ জেনোসাইড ইন গাজা নিয়ে। এখানে শেখ হাসিনার সাহসী কূটনীতিই আমরা দেখলাম।”

    আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য সম্পর্কে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

    বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, “কিছু কিছু জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, আবার কিছুকিছুর দাম কমতির দিকে। বাজারে ওঠানামা চিরদিনই আছে। বিশ্ব প্রতিক্রিয়ায় দ্রব্যমূল্য বাড়ছে বলে সরকার এখানে কোনো উদাসীনতা দেখায়নি। সক্রিয় আছে, সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে নেই, যা করণীয় অবশ্যই করা হচ্ছে।”

    মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনায় তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, “সীমান্ত রক্ষায় বাংলাদেশ সদা জাগ্রত। মিয়ানমারে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে এর ফলে সীমান্তে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি থাকতে পারে, হতে পারে। কাজেই এই বিষয়ে আমরা প্রস্তুত আছি। আমাদের প্রস্তুতি আছে।”

    জাতীয় পার্টিকে ভাঙা হচ্ছে বিএনপির এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজকে যারা জাতীয় পার্টির সংসদে বিরোধী দল গঠন করেছে এর বাইরে যারা জাতীয় পার্টির নামে কোনো একটা ভাগ সৃষ্টি করা সেটা তাদের নিজেদের ব্যাপার। এতে জাতীয় সংসদে থাকা জাতীয় পার্টির কেউ নেই। জাতীয় সংসদে যারা বিরোধী দল তারা সংসদ সদস্য। এর বাইরে যারা আছেন তারা কেউ সংসদ সদস্য নন। কাজেই এ নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানো কিংবা উদ্বেগের কিছু নেই।”

    ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, “বায়ুদূষণ রোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বন ও পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে তিনি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। ইটের ভাটা বন্ধ করা একটা বড় কাজ।”

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।

  • ২১ ফেব্রুয়ারি সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

    ২১ ফেব্রুয়ারি সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: ২১ ফেব্রুয়ারি সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরাদার করা হয়েছে, বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাবিবুর রহমান৷ তিনি বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসকে ঘিরে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির তথ্য না থাকলেও জোরদার করা হয়েছে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি৷

    ডিএমপি কমিশনার বলেন, “আমাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বইমেলায় রয়েছে৷ সেখানে একটা কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে ক্যামেরার মাধ্যমে সব ধরনের সিকিউরিটি ইকুইপমেন্ট এবং সিকিউরিটি ইউনিট সেখানে কাজ করছে৷ আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গের মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ সব সময় প্রস্তুত রয়েছে৷ একুশে ফেব্রুয়ারি যেহেতু গভীর রাত এবং ঢাকা শহরের মানুষ এদিকে আসবেন সেজন্য যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে৷ কিছু কিছু জায়গায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে৷ কোনো কোনো জায়গা দিয়ে গাড়ি এদিকে ঢুকতে পারবে সাধারণত পলাশীর মোড় দিয়ে শহীদ মিনারে আসার রাস্তাটা রাখা হয়েছে এবং বাহির হওয়ার রাস্তাটাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে৷ বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “সমগ্র এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা আচ্ছাদিত থাকবে। আমাদের বোম্ব ডিস্পোজাল টিম, সোয়াট টিম, ফায়ার সার্ভিস, মেডিকেল টিমমহ অন্যান্য টিম নিরাপদ দূরত্বে স্ট্যান্ডবাই থাকবে। শহীদ মিনার এলাকায় সার্বক্ষণিক তল্লাশি ব্যবস্থা এবং পেট্রলিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে৷ ড্রোন পেট্রলিং, মোবাইল পেট্রলিং এবং সাইবার পেট্রলিং এর মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে৷”

    ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, “যারা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আসবেন তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ সবাই পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এখানে আসবেন এবং শৃঙ্খলা মেনে চলবেন৷ সব নাগরিকের কাছ থেকে পুলিশ সহনশীল আচরণ প্রত্যাশা করে৷”

  • ১৯ মার্চের মধ্যে জিআই পণ্যের তালিকা করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

    ১৯ মার্চের মধ্যে জিআই পণ্যের তালিকা করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: মার্চ মাসের ১৯ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশের জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের তালিকা করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

    বাংলাদেশের টাঙ্গাইল শাড়ি ভারতের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশের জি আই পণ্য নিয়ে।

    গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের মোট ২১টি পণ্য জিআই হিসেবে নিবন্ধিত হলেও মোট ১৪টি পণ্যের জন্য নতুন করে আবেদন করা হয়েছে। এছাড়া, আবেদনের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে আরও দু’টি পণ্য।

    কোনো পণ্যের জন্য আবেদন করার অর্থ এই নয় যে সেগুলো জিআই সনদ পাওয়ার মতো যোগ্য বা পাবেই। নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নির্ধারিত হয় যে কোন পণ্য এই তালিকায় উঠবে। যাচাই-বাছাইয়ের পর এগুলোর কোনোটি যদি জিআই সনদ পেয়ে যায়, তাহলে তখন সেগুলো বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি লাভ করবে।

    চলতি বছরের শুরুতে ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’ বাংলাদেশের একটি জেলার দীঘদিন ধরে উৎপাদন হচ্ছে এবং সেই জেলার নামানুসারে শাড়িটির নামকরণ হওয়া সত্বেও ভারত দাবি করছে “টাঙ্গাইল শাড়ি’ তাদের নিজম্ব পণ্য। ভারত সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টে টাঙ্গাইল শাড়িকে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, এটি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের বহিঃপ্রকাশ।

    ওই পোস্টের নিচে অনেক বাংলাদেশি ব্যবহারকারীকে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়। তাদের বক্তব্য টাঙ্গাইল বাংলাদেশের একটি জেলার নাম এবং ওই শাড়িটির উৎপত্তি এই জেলায়। কিন্তু এই বিতর্কের প্রেক্ষাপট রচিত হয়েছে আরো এক মাস আগে। চলতি বছরের ২ জানুয়ারির  তারিখে টাঙ্গাইল শাড়িকে পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক নির্দেশকপণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

    বিষয়টি মাথায় রেখে নানা আলোচনার পর হাইকোর্ট এক মাসের মধ্যে বাংলাদেশের জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের তালিকা কারার নির্দেশ দিয়েছে। বিষয়টি অবশই ইতিবাচক।

  • শেখ হাসিনার সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের বৈঠক

    শেখ হাসিনার সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের বৈঠক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে (এমএসসি) অংশ নিতে তিনদিনের সরকারি সফরে জার্মানির মিউনিখে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। সেখানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে বৈঠক শেষে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদোমির জেলেনস্কি শনিবার তার এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি পোস্ট করেছেন।

    পোস্টে তিনি লিখেছেন, আমরা ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের সমর্থনের প্রশংসা করি। প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদের সাথে সাক্ষাতকালে, শান্তি ফর্মুলার উপর ভিত্তি করে একটি ন্যায্য শান্তির ইউক্রেন ভিশন, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    এমএসসি সম্মেলন চলাকালে সাইডলাইনে শনিবার সকালে হোটেল বেয়েরিশার হফে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শেখ হাসিনা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় বলেন আমরা সব ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনার সময় কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করা যায়, সে বিষয়েও তিনি বারবার আলোচনা করেছেন। বৈঠকে তারা গাজায় নিরপরাধ নারী-পুরুষের ওপর হামলা কীভাবে বন্ধ করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা করেছেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ও জেলেনস্কির মধ্যে আলোচনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’ স্পষ্টভাবে উঠে আসে।”

    জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, “স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এই বৈঠকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়া আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং যুদ্ধের পর বাংলাদেশের পুনর্গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। আমরা ইউক্রেনের সঙ্গে শুধু যুদ্ধ বন্ধের জন্য আলোচনা করেছি।”

    জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. নূর এলাহী মিনা ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন।

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ যোগ দিতে তিন দিনের সরকারি সফরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিউনিখে পৌঁছেন। সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় পৌঁছার কথা রয়েছে।

  • নেতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে বিএনপি ভুল করেছে: সেতুমন্ত্রী

    নেতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে বিএনপি ভুল করেছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: নেতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে বিএনপি ভুল করেছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন,  “বিএনপির কোমর ভেঙে গেছে আজীবনের জন্য। বাস্তব তো তাই-ই। নির্বাচনের পরে যে তর্জন-গর্জন তারা করেছে, তা তো বাস্তবে অন্তঃসারশূন্য। আমরা তো কিছুই দেখছি না। আন্দোলন কাকে বলে, আন্দোলনে পাবলিক থাকতে হবে। তাদের নেতা-কর্মীরা আন্দোলন করতে পারেনি। বেশিদূর যেতে পারেনি। কারণ আন্দোলনের বস্তুগত পরিস্থিতি দেশে বিরাজমান ছিল না, এখনো নেই। প্রস্তুতিতে তারা নেতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে তারা ভুল করেছে। ভুলের চোরাবালিতে আটকে গেছে।”

    আজ রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীতদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) সদস্যদের সঙ্গে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিতরাও সরকারের সমালোচনা করতে পারবেন”

    সংসদ কতটা কার্যকরী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সংসদ কেন কার্যকর হবে না। বাধাটা কোথায়? একটা ফ্রি, ফেয়ার নির্বাচন হয়েছে, যেখানে টার্ন আউট ফোরটি ওয়ান প্লাস। এখানে ২৮টি দল অংশ নিয়েছে। একটি অপজিশনও আছে। বিরোধী দলের ভূমিকায় জাতীয় পার্টি অলরেডি তাদের কার্যক্রম সংসদে শুরু করেছে।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিরোধী দল আছে, এমনকি স্বতন্ত্রদের বলা হয়েছে, তারা যখন আমাদের নেত্রীর (শেখ হাসিনা) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তখন বলা হয়েছে প্রয়োজনে তারা মনে করলে সরকারের সমালোচনাও করতে পারেন। সমালোচনার জন্য স্বতন্ত্ররা আছেন, বিরোধী দল তো আছেই। তাই সংসদ কার্যকর হওয়ার পথে কোনো অন্তরায় বা বাধা আছে বলে আমরা মনে করি না।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “তারা সরকারকে পালাতে বলেছে, এখন নিজেরাই পালিয়েছে। বাস্তবতা হলো তাদের আওয়াজ তো কাজে দেয়নি।”

    তিনি বলেন,“ আমরা যা বলেছিলাম- ইলেকশন করব, ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন, জনগণ অংশ নেবে, প্রতিহত করার দুঃসাহস কারো নেই, আমরা শেষ পর্যন্ত সতর্ক পাহারায় আছি। এখনো আমরা সতর্ক পাহারায় আছি। যদি কেউ এ নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রমূলক-সন্ত্রাসমূলক কোনো তৎপরতায় আসে, তখন আমরা অবশ্যই প্রতিরোধ করব। দেশের জনগণকে নিয়ে তা প্রতিহত করব।”

    যুবলীগ থেকে বিএনপির নিবন্ধন বাতিলের আবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন, “তারা আমাদের একটি স্বতন্ত্র সংগঠন। তারা সেটি করতে পারে। তবে আমাদের দল থেকে তা করা হয়নি। এখন ছাত্রলীগ যদি বলে বিএনপিকে নিষিদ্ধ করা হোক, আমরা কি সেটার সঙ্গে লাফাব? যুবলীগ তাদের চিন্তা থেকে বলছে। যুবলীগ চাইলে তো আর একটি জাতীয় দল নিষিদ্ধ হয়ে যাবে না। নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টা তো আমরা আমাদের মূল দল, কোনো নেতা-কর্মী এ পর্যন্ত বোধ হয় বলিনি।”

    সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নপত্র জমার প্রসঙ্গে এই নেতা বলেন, সর্বমোট ৪৮ জনের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এ ৪৮ জনের প্রস্তাবক, সমর্থক আছেন, যারা জাতীয় সংসদ সদস্য।

    ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি বাছাই হবে। প্রত্যাহার করা যাবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আর ভোটের তারিখ ১৪ মার্চ। কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে এ সময়ের পরই ঘোষণা হবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের নাম।

  • আগামীতে ভুল তথ্য মানুষকে চরম ঝুঁকিতে ফেলবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    আগামীতে ভুল তথ্য মানুষকে চরম ঝুঁকিতে ফেলবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আগামীতে ভুল তথ্য মানুষকে চরম ঝুঁকিতে ফেলবে, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, “আগামী কিছুদিনের মধ্যে মানুষকে যে বিষয়গুলো সবচেয়ে ঝুঁকিতে ফেলবে, তার মধ্যে সবার প্রথমে রয়েছে প্রোপাগান্ডা ও মিস-ইনফরমেশন (ভুল তথ্য)।

    আজ রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আপনারা দেখেছেন, অপতথ্য মানবসমাজকে বিরাট ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে এগুলো করা হচ্ছে। কিছুদিন আগে দাভোসে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ফোরামে যে আলোচনা হয়েছে, সেখানেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “বিশ্বজুড়ে এ উদ্বেগটা আছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের যেমন আছে, তেমনি আমাদেরও আছে। সেক্ষেত্রে আমরা কীভাবে পরস্পরকে সহায়তা করতে পারি, তা নিয়ে আলাপ হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের অংশীদার হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তো আছেই।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আজ মূলত আমরা ডিসইনফরমেশন ও মিসইনফরমেশন নিয়ে আলোচনা করেছি, কীভাবে ইনক্লুসিভ (অন্তর্ভুক্তিমূলক) একটি ব্যবস্থার মাধ্যমে এটার বিরুদ্ধে আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে পারি।”

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা বিষয়ে তিনি বলেন, “আইডিয়া বিনিময় করা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা থাকবে। সমস্যা হলো, তারা এর সমাধান করে ফেলেছে, তা-ও কিন্তু না। সমাধান কেউ করেনি। নতুন একটি সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে তারাও চিন্তা করছে, আমরাও করছি। এখানে আমরা অংশীদার হচ্ছি। পরস্পরকে সহযোগিতা করে বৈশ্বিকভাবে আমরা এর সুরাহা করতে পারি কি না, সে আলাপই হয়েছে।”

    সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে কী কথা হয়েছে, জানতে চাইলে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধ-বিগ্রহে সাংবাদিকদের ঝুঁকির মধ্যে পড়া, সেটা তো আছেই। বৈশ্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে সেগুলো নিয়ে একটি আলাপ হয়েছে। ইউরোপেও বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ আছে বলে রাষ্ট্রদূত বলেছেন। আমাদের দেশেও কোথায় কোথায় আমরা ইমপ্রুভ করতে পারি, তা নিয়ে আলাপ হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে ওপেন করে দেওয়া হয়েছে, গণমাধ্যমের বিস্তৃতি ঘটেছে। উদার করতে গিয়ে এমনও হয়েছে, গণমাধ্যমের মধ্যেও অনিয়ম দেখা দিয়েছে। এটি আমরা বলছি না, আপনারা গণমাধ্যমকর্মীরাই বলছেন। পেশাদার সাংবাদিকরাই বলছেন, একে রেগুলেশন, ডিসিপ্লিনে আনা দরকার। আপনারাই বলছেন একটু রেগুলেট করতে হবে। এগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আমরা একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ চাই। গণতন্ত্র হচ্ছে আইনের শাসন। স্বাধীনতার নামে আমরা তো জঙ্গল বানিয়ে ফেলতে পারি না।”

  • আমরা বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রী

    আমরা বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আমরা বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমরা যে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা দিয়েছি, সেই অনুযায়ী আমরা বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধির স্মার্ট বাংলাদেশ। উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ, স্মার্ট বাংলাদেশ আমরা গঠন করে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করব, এটাই আমার প্রতিজ্ঞা।

    গতকাল শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জার্মানির মিউনিখে স্থানীয় সময় রাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যেন আর ব্যাহত না হয়। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর যেন কেউ কোনো রকম ষড়যন্ত্র করতে না পারে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আজকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এই অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে। আমি শুধু সেইটুকু চাই, কেউ যেন আবার এই দেশকে কখনো পেছনে না নিতে পারে। আবার যেন রাজাকার খুনিদের দেশ যেন না বানায়।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনের আগেও বলেছে, আন্দোলন করে নাকি আমাদের সরকার উৎখাত করবে। তো আন্দোলন করতে করতে সরকার উৎখাত দূরের কথা, জনগণের ভোট যেন আরও কয়েকগুণ বেশি পেল (আওয়ামী লীগ)। এখন আবার হুমকি-ধমকি দিচ্ছ। আর আমাদের কিছু খুচরা পার্টি আছে তারা লাফায়।”

    আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, “এখানে আরেক মজার ব্যাপার হচ্ছে, একেবারে অতি বাম অতি ডান তারা আবার একসঙ্গে হয়ে যায়। প্রশ্ন করলে বলে, আমরা তো একসঙ্গে হইনি। আরেক দিকে মুখ করে ছিলাম। কিন্তু আপনারা দেখেন, ওদিকে কমিউনিস্ট পার্টি এদিকে জামায়েত ইসলামী থেকে শুরু করে, সব আবার খুব আদর্শবাদী কথা, বিপ্লব করবে, সব হবে৷ বিপ্লব করতে করতে তারাও… হওয়ার পথে। আরেক দিকে বিএনপির অবস্থা তো আপনারা জানেনই।”

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে রেমিটেন্স পাঠানোর আহ্বান জানান।

  • জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পর্যাপ্ত তহবিল প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পর্যাপ্ত তহবিল প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বার্ষিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে এখন জার্মানিতে অবস্থান করছেন। সেখানে এক পার্শ্ববৈঠকে তিনি জানিয়েছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় শক্তিশালী বৈশ্বিক অংশীদারত্ব, সমষ্টিগত পদক্ষেপ ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পর্যাপ্ত তহবিল যোগানের বিকল্প নেই।”

    জার্মানির মিউনিখে স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বার্ষিক আন্তুর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠক হিসেবে আয়োজিত ‘কারণ ও প্রভাব : জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দ্বিমুখী লড়াই’ শীর্ষক ফোরামে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

    বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের সর্বোচ্চ হুমকির মুখে থাকা দেশগুলোর অন্যতম উল্লেখ করে পরিবেশবিদ মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, “একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবেও চিহ্নিত। ‘মুজিব ক্লাইমেট প্রোসপারিটি প্ল্যান’ এ ক্ষেত্রে একটি শীর্ষ পরিকল্পনা।”

    ফোরামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক উদ্যোগের কথা জানান এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাবৃদ্ধি, দেশের উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, উত্তরাঞ্চলে খরা, দক্ষিণাঞ্চলে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সারাদেশে বন্যার প্রকোপ মোকাবিলায় জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড, বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনাসহ বাংলাদেশের নীতি এবং কর্মসূচি তুলে ধরেন।

    পররাষ্টমন্ত্রী আরও জানান, ‘বাংলাদেশ কার্বন নিঃসরণে নগণ্যতম (বৈশ্বিক নি:সরণের ০.৪৮%) দেশ’।

    ফোরামে নরওয়ের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন মন্ত্রী অ্যান বিথ টিভিনেরিম, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলিল আব্বাস জিলানি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশমন্ত্রী মরিয়ম বিনতে মোহাম্মদ সাইদ আলমেইরি অংশ প্রমুখ প্যানেলিস্টরা বিশ্বব্যাপী সমন্বিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।

  • মানুষ ভালো না হলে চেষ্টা করেও কিছু করা যায় না: রেলমন্ত্রী

    মানুষ ভালো না হলে চেষ্টা করেও কিছু করা যায় না: রেলমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: মানুষ ভালো না হলে চেষ্টা করেও কিছু করা যায় না, বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম। তিনি বলেন, “আমরা চাচ্ছি রেলকে স্বাবলম্বী করার জন্য। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে রেলকে স্বাবলম্বী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আর আমাদের মানুষগুলোকে ভালো হতে হবে। মানুষ ভালো না হলে চেষ্টা করেও কিছু করা যায় না। প্রত্যেক জায়গা থেকে চুরিচামারি বন্ধ করতে হবে। চুরিচামারি যারা করে তাদেরকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।”

    আজ শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    রেলমন্ত্রী বলেন, “সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ২৮৫৯ জনবলের বিপরীতে বর্তমানে ৮৬০ জন কর্মরত রয়েছেন। ২৮০০ জনের কাজ তো ৮০০ জন করতে পারে না। একটা কারখানা সম্পূর্ণভাবে সচল রাখা সম্ভব না। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের যে যন্ত্রপাতি আছে আরও কিছু আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে এসে লোকবল নিয়োগ দিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে রেলকে উন্নতির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার। এটা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও চান। সৈয়দপুর রেলওয়ে সেতু কারখানায় অতীতে রেল সেতুর গার্ডার তৈরি হতো। এছাড়াও পাহাড়তলীতে হতো। এখন অল্প কিছু হয় বাকিটা আমদানী করতে হয় এই দক্ষ জনশক্তির অভাবে “

    তিনি বলেন, “আমি ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। উনি অতি দ্রুত লোকবল নিয়োগের ব্যাপারে বলেছেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হবে। আমরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছি সমস্যাগুলো সমাধানের। এক দিনে তো সম্ভব হবে না। একটু সময় লাগবে আমাদেরকে একটু সময় দিতে হবে। আমরা সবাই মিলে রেলের একটা পরিবার। এই রেলওয়ে কারখানাকে স্মার্ট করতে চাইলে আমাদেরকে স্মার্ট হতে হবে। আধুনিক কারখানা করতে গেলে সেই ধরনের মেশিন আমদানি করতে হবে। সেটা চালানোর লোক লাগবে। আমরা চেষ্টা করছি আপনারা সহযোগিতা করবেন।”

    রেলমন্ত্রী আরও বলেন, “যারা রেলের জমি দখল করে আছেন তারা জানেন যে কাজটা অন্যায়। তাদের বিবেকের দংশনে তাদের দংশিত হওয়া উচিত। একটা অন্যায় জিনিস আমরা করতে যাচ্ছি। দখল করে মসজিদ বানালে সে মসজিদে নামাজ হয় না। কিন্তু রেলের জমি দখল করে যে বসবাস করে সে কি খুব শান্তিতে বসবাস করতেছে, আমার মনে হয় না। এক ধরনের দুর্বৃত্ত আছে তারা এ কাজ করতেছে। আমরা চেষ্টা করবো আমাদের রেলের জন্য যতটুকু প্রয়োজন এগুলা আমরা উচ্ছেদ করব। এগুলো সহ্য করা হবে না। এছাড়াও এক জমি তিনজনকে লিজ দেওয়ায় রেলের অনেক জমি বেহাত হয়ে গেছে। দুর্বৃত্তরা ভুয়া কাগজ তৈরি করে রেকর্ড করে নিয়েছে। এগুলা আমরা ইতোমধ্যে তালিকা করে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছি।”

    এর আগে মন্ত্রী কারখানার ২৯টি শপ (উপ-কারখানা) ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন। বর্তমান সরকারের রেলপথ মন্ত্রী হিসেবে এটিই তার প্রথম রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন। তিনি রেলওয়ে কারখানায় এসে পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) সাদেকুর রহমান, জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ ও পুলিশ সুপার গোলাম সবুর। এরপর মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে কারখানায় স্থাপিত অদম্য স্বাধীনতায় শহীদদের স্মরণে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

    এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, মহাপরিচালক (ডিজি) কামরুল হাসান, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার, প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী (সিএমই, পশ্চিম) মুহম্মদ কুদরত-ই খুদা, সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও শ্রমিক লীগ নেতা মোখছেদুল মোমিন প্রমুখ।