Category: বাংলাদেশ

  • জলবায়ু পরিবর্তন সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে: পরিবেশ মন্ত্রী

    জলবায়ু পরিবর্তন সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে: পরিবেশ মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ জুন, ২০২৪: জলবায়ু পরিবর্তন সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে, বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন শুধুমাত্র একটি পরিবেশগত বিষয় নয়; এটি একটি অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং উন্নয়নমূলক বিষয় যা আমাদের সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে। জলবায়ু অর্থায়ন সংগ্রহ আমাদের নিম্ন-কার্বন, জলবায়ু-সহনশীল অর্থনীতিতে রূপান্তরকে সমর্থন করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

    আজ শনিবার (০১ জুন) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ আয়োজিত ‘ক্লাইমেট ফাইন্যান্স এক্সেস অ্যান্ড মোবিলাইজেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, “আমাদের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল এবং উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থাকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে এবং জলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকার, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার কার্যকর করার জন্য আমাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।”

    সাবের চৌধুরী বলেন, “উন্নত দেশগুলোর নৈতিক এবং আইনগত দায়িত্ব রয়েছে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে তাদের জলবায়ু কর্মে সহায়তা করার। আমরা আমাদের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো সম্মান করতে এবং পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা করার আহ্বান জানাই।”

    পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের জলবায়ু কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ৮৭৬ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, সুইডেনের দূতাবাসের উন্নয়ন সহযোগিতার উপ-প্রধান নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রোম, ব্রিটিশ হাই কমিশনের ডেপুটি হাই কমিশনার এবং উন্নয়ন পরিচালক ম্যাট ক্যানেল, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির বাংলাদেশের প্রতিনিধি স্টেফান লিলারও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

  • কোন ব্যক্তি যদি দুর্নীতি করে এর দায় গোটা পুলিশ বাহিনীর নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    কোন ব্যক্তি যদি দুর্নীতি করে এর দায় গোটা পুলিশ বাহিনীর নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ জুন, ২০২৪: কোন ব্যক্তি যদি দুর্নীতি করে এর দায় গোটা পুলিশ বাহিনীর নয়, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, “আমাদের পুলিশ বাহিনী অনেক ভালো কাজ করেছে। পুলিশ বাহিনী অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে এবং করোনাকালে জীবন উৎসর্গ করে কাজ করছে পুলিশ সদস্যরা। যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারা জীবন উৎসর্গ দিয়ে কাজ করছেন। কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কিছু (অপরাধ-দুর্নীতি) করে থাকে এর দায় প্রতিষ্ঠান নেবে না।”

    আজ শনিবার (১ জুন) দুপুর দেড়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি) ছাত্রলীগ কর্তৃক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘আমাদের বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক বক্তৃতা প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

    বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি-অপরাধ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কেউ যদি অন্যায়ভাবে ধন-সম্পদ করে থাকেন, যে বিধান রয়েছে সেই অনুযায়ী তার বিচার হবে। আমাদের কিছু বলার নেই। তিনি (বেনজীর) কী দোষ বা অপরাধ করেছেন সেই তথ্য আমাদের কাছে এখনও নেই। আমরা এগুলো তদন্ত করছি। তদন্তের পরে জানা যাবে, তিনি দোষী না নির্দোষ। তিনি অর্থ বানিয়েছেন, কর ফাঁকি দিয়েছেন বা সম্পত্তি বানিয়ে তথ্য গোপন করেছেন কিনা সে বিষয়ে আমাদের যে ডিপার্টমেন্ট আছে তারা তদন্ত করছে। অনুসন্ধানের আগে আমার বলা সঠিক নয়।”

    এমপি আনার হত্যার মূল মামলা ভারতে হয়েছে এবং মূল তদন্তও ভারতে হবে। তবে তদন্তে বাংলাদেশ সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্ত্রী বলেন, “মূল হত্যাকাণ্ড যেহেতু ভারতে হয়েছে সেহেতু মূল মামলাও ভারতে হয়েছে৷ ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দী বিনিময় চুক্তি আছে। তাই ভারতই এ হত্যাকাণ্ডের মূল তদন্ত করবে। আমাদের দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হলে আমাদের পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করতো। তারা যদি আমাদের সম্পৃক্ত করে তাহলে আমরা তাদের সহযোগিতা করবো।”

    হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত একজন নেপালে পালিয়ে গেছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “একজন সংসদ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে আর আমরা বসে থাকবো এমন হতে পারে না। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং সহযোগিতাকারী সবাইকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। নেপালে একজন পালিয়ে গেছে। তবে সে কোথায় আছে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত হচ্ছে, তাকে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”

  • তদন্তের কাজেই আমরা নেপালের কাঠমান্ডু যাচ্ছি: হারুন

    তদন্তের কাজেই আমরা নেপালের কাঠমান্ডু যাচ্ছি: হারুন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ জুন, ২০২৪: তদন্তের কাজেই আমরা নেপালের কাঠমান্ডু যাচ্ছি, বলে জানিয়েছেন ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, “আগেও শীর্ষ সন্ত্রাসীরা নেপালে পালিয়ে থেকেছে। তদন্তের কাজেই আমরা নেপালের কাঠমান্ডু যাচ্ছি। নেপালের পুলিশের কাছে তদন্তে সহযোগিতা চাইবো।”

    আজ শনিবার (১ জুন) সকালে নেপালের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ার আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।

    ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ তানোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তের জন্য নেপাল যাচ্ছে ঢাকার ডিবির তদন্ত দল।

    প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। এছাড়া প্রতিনিধিদলে ডিবির দুজন কর্মকর্তা এবং পুলিশ সদরদপ্তরের এনসিবির একজন কর্মকর্তা রয়েছেন বলে জানা গেছে।

    ডিবিপ্রধান বলেন, “এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কেউ কাঠমান্ডু থাকতে পারে, আবার কেউ সেখান থেকে অন্য দেশে চলে যেতে পারে। অনেক আসামি কাঠমান্ডুকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে সেখানে থাকে।”

    সিয়াম নামে কোনো আসামি নেপালে গ্রেফতার আছে কি না, জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান বলেন, “সিয়ামসহ বেশ কয়েকজনের বিষয়ে আমরা ইন্টারপোলকে চিঠি দিয়েছি। কাঠমান্ডু পুলিশকেও জানিয়েছি। যেসব আসামি নেপালে থাকবে তদের গ্রেফতার করার জন্য আমরা তাদের অনুরোধ জানিয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নেপাল পুলিশের সঙ্গে কথা বলবো।”

    ভবিষ্যতে কোনো আসামি বাংলাদেশে অপরাধ করে নেপালে যেন ঠাঁই না পায় সে ব্যাপারেও দেশটির পুলিশের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে জানান তিনি।

  • আগামী ৩০ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে

    আগামী ৩০ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ জুন, ২০২৪: গতকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এইচএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে বলা হয়েছে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা এক মাস পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে । এটিকে ভুয়া আখ্যায়িত করে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকা।

    আজ শনিবার (১ জুন) সকালে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ পরামর্শ দেওয়া হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ সম্পর্কিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রচারিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শাখা কর্তৃক ইস্যু করা নয়। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সময়সূচি অনুসারে আগামী ৩০ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    পূর্বঘোষিত পরীক্ষা পেছানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আবুল বাসারও।

    উল্লেখ্য, গত ২ এপ্রিল চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়।‌ সূচি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৩০ জুন শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে শেষ করতে হবে।

    রুটিন অনুযায়ী, প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

  • বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে জানিয়েছেন গুতেরেস

    বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে জানিয়েছেন গুতেরেস

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ মে, ২০২৪: জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে বর্ণনা করেছেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সরকারি দায়িত্বে যুক্তরাষ্ট্র সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

    আজ শুক্রবার (৩১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।

    সেখানে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ জাতিসংঘের অনেক কর্মযজ্ঞে  উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। সেই কারণেই আমরা বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে বিবেচনা করি।

    জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের উদারতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, বিশেষ করে সে দেশের সেনাবাহিনী তরুণ রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক নিয়োগ করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন ।

    দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে মহাসচিব জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিযোজন ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতার প্রশংসা করেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান নিম্ন আয়ের দেশের কাতার থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করলে গুতেরেস এ বিষয়ে বিশ্বসংস্থার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এ জন্য বাংলাদেশকে পুরস্কৃত করা উচিত, শাস্তিদান নয়।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাতসহ চলমান বিশ্বের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় মহাসচিবকে তার নেতৃত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাফায় সংঘাত এড়াতে সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব যেভাবে নিজে উপস্থিত হয়েছিলেন, শান্তিপ্রিয় বিশ্ববাসী তার প্রশংসা করেছে।

    এ সময় রোহিঙ্গা সংকটের ওপর বিশ্বের আলোকপাত বজায় রাখা, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার মর্যাদার সঙ্গে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন এবং মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতময় পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে জাতিসংঘের জোরদার ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

    জাতিসংঘ মহাসচিব গত দশকে বাংলাদেশের অসামান্য অগ্রগতির প্রশংসা করলে ড. হাছান তাকে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি ও দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ অনেক আগেই সামাজিক, অর্থনৈতিক, মানবিক সূচকসহ সব সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া গত কয়েক বছরে অনেক সূচকে ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২১ সালে মাথাপিছু আয়েও ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান গত ৫০ বছর ধরে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের দৃঢ় অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়নে সহায়তার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান।বাংলাদেশের জাতিসংঘে যোগদানের অর্ধশত বছরপূর্তিতে গুতেরেসকে বাংলাদেশ সফরের সাদর আমন্ত্রণ জানান তিনি।

    নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা ও মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

  • রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সন্ত্রসবাদ সৃষ্টির আলামত দেখা যাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সন্ত্রসবাদ সৃষ্টির আলামত দেখা যাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ মে, ২০২৪: রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সন্ত্রসবাদ সৃষ্টির আলামত দেখা যাচ্ছে, জলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। “মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত এসব রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। আমরা আগে থেকে বলে আসছিলাম এদের দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বদেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো না গেলে এখানে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। এখানে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের হাব তৈরি হতে পারে। অস্ত্রের ঝনঝনানি হতে পারে। অনেক কিছুই হতে পারে। এই হতে পারার মধ্যে কিছু কিছু আলামত আমরা দেখতে পাচ্ছি।”

    আজ শুক্রবার (৩১ মে) কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সকাল ১১ টায় উখিয়ার ১৯ নম্বর ঘোনার পাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এপিবিএন কার্যালয়ে যান। সেখানে এপিবিএন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সোয়া ১২টা পর্যন্ত সভা করেন। এরপর পরই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মিয়ানমারের অভ্যন্তরে যারা যুদ্ধ করছে তাদের কয়েকজনের আনাগোনা এখানে (রোহিঙ্গা ক্যাম্পে) দেখা যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় ভয়ের বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশ কোনো মাদক উৎপাদন করে না। কিন্তু মিয়ানমার থেকে মাদক আসছে অনেক আগে থেকে। এখন ক্যাম্পের কিছুসংখ্যক লোক মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। আমরা তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে অস্ত্র ও খুনে জড়িতদেরও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনাই এখন আমাদের মূল কাজ।”

    সাংবাদিকদের মন্ত্রী আরও বলেন, “আজ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসে নিরাপত্তা নিয়োজিত এপিবিএনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তাদের চ্যালেঞ্জসমূহ জেনেছি। জেনেছি তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা। তাদের বলেছি, জঙ্গি-সন্ত্রাস দমনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এপিবিএন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা দিয়ে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার সহযোগিতা করছে। এপিবিএন তাদের দায়িত্ব পালন করছে বলেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ এবং নিয়ন্ত্রিত।”

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমারের কথা ও কাজে মিল নেই বলে মন্তব্য করেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানো নিয়ে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমার একটি অস্থির দেশ। ওখানে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা হচ্ছে। বিভিন্ন সময় মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা ফেরত নিয়ে নানা চুক্তি বা সমঝোতায় স্বাক্ষর হলেও তা মিয়ানমারের কারণে অগ্রগতি হয়নি। আশা করি মিয়ানমার দ্রুত সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেবেন।”

    এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা ক্যাম্পটির এ-৭ ব্লকের পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ওখান থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যান টেকনাফে। ওখানে বিজিবি সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করেন তিনি।

    পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, এপিবিএন প্রধান সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আনোয়ার হোসেন, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা, ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক মো. আমির জাফর, ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক মো. ইকবাল, ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক হাসান বারী সহ সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল কক্সবাজার হিলটপ সার্কিট হাউসে ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা’য় প্রধান অতিথি ছিলেন।

  • ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ মে, ২০২৪: ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করব, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। শুধুমাত্র তামাক আইন নয়, সব ক্ষেত্রেই সচেতনতা প্রয়োজন। সবাই প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিজ্ঞা করব যে, ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করব।”

    আজ শুক্রবার (৩১ মে) সকালে রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব কনভেনশন হলে ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৪’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা জানান।

    জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বৈশ্বিক তামাক নিয়ন্ত্রণে আজকের এ দিনটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮৭ সাল থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সরকার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং তামাক বিরোধী সংগঠনগুলো দিবসটি পালন করে আসছে।”

    তিনি বলেন, “তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ প্রতিহত করি, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করি- এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও তামাকবিরোধী র‍্যালি, মেলা, আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান, ক্রোড়পত্র প্রকাশসহ নানা আয়োজন করা হয়েছে।”

    সামন্ত লাল সেন বলেন, “পরোক্ষ ধূমপানও অধূমপায়ীদের জন্য ক্ষতিকর। ধূমপান ও তামাক সেবনের কারণে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী রোগসহ নানা অসংক্রামক রোগ দেখা দেয়। তামাকের কারণে পৃথিবীতে প্রতি বছর ৮৭ লাখ মানুষ অকালে মারা যায়।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান স্পিকার সামিটে ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার যে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন, তা বাস্তবায়নে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি প্রনয়ন, জাতীয় তামাক কর নীতি প্রনয়ন ও বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও বাস্তবায়ন করার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং গণমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করা হচ্ছে।”

    বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের দুর্বলতা দূর করে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে মন্ত্রী জানান। তামাকের আগ্রাসন থেকে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা দিয়ে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিবার-ভিত্তিক সচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলনের ওপর জোর দেন।

    আলোচনা সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন তামাক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে তামাক নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সম্মাননা স্মারক ২০২৪ তুলে দেন। আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী তামাকবিরোধী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং তার সুচিন্তিত মতামত দেন।

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জিয়াউদ্দীন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি বর্ধন জং রানা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিজি আহমেদুল কবীর, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মনোজ কুমার রায় প্রমুখ।

  • আইনের মাধ্যমে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখবো: জননিরাপত্তা সচিব

    আইনের মাধ্যমে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখবো: জননিরাপত্তা সচিব

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ মে, ২০২৪: আইনের মাধ্যমে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখবো, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের নবনিযুক্ত সচিব মো. জাহাংগীর আলম। তিনি বলেন, “আমি অবশ্যই চেষ্টা করবো যাতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণের জানমালের কোনো ক্ষয়ক্ষতি না ঘটে। সেক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বাহিনীকে যথাযথভাবে প্রয়োগ করে আইনের মাধ্যমে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখবো। কারণ জননিরাপত্তা বিভাগের মূল কাজ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”

    আজ শুক্রবার (৩১ মে) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    জননিরাপত্তা সচিব বলেন, “আমার ওপর প্রধানমন্ত্রী আস্থা রেখেছেন। জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো বড় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন আমাকে। যেহেতু এই মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব হিসেবে চার বছরের অধিককাল কাজ করেছি। মাঝে দেড় বছর নির্বাচনে কমিশনের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আপনারা দেখেছেন, আমি আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করি আমি। যার ফলে নির্বাচন কমিশন একটি পরিচ্ছন্ন নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছে। সেখানেও আমি কাজ করতে সক্ষম হয়েছি।”

    তিনি আরও বলেন, “কোনো দলের কর্মকাণ্ড যদি জনবিশৃঙ্খলা করে তাহলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    এর আগে তিনি জাতির পিতার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে পবিত্র ফাতেহা পাঠ শেষে বঙ্গবন্ধুসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করেন জাহাংগীর আলম।

    এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রেজাউল মোস্তফা, যুগ্ম সচিব আবুল ফজল মীর, ধনঞ্জয় কুমার দাস, উপসচিব জাহিদ হাসান, মাহবুব রহমান শেখ, গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার আল-বেলী আফিফা, স্থানীয় সরকার বিভাগ গোপালগঞ্জের উপপরিচালক আজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. গোলাম কবির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ফারহানা জাহান উপমা, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মো. বাবুল শেখ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • আমরা কাউকে ক্ষমা প্রদর্শন করবো না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    আমরা কাউকে ক্ষমা প্রদর্শন করবো না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ মে, ২০২৪: আমরা কাউকে ক্ষমা প্রদর্শন করবো না, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, “আমরা কাউকে ক্ষমা প্রদর্শন করবো না। যারা এ পেশা ত্যাগ করবেন না তারা কি দুঃসংবাদ লিখে নিয়ে যাবেন সেটা মহান আল্লাহ জানেন। কাউকে ক্ষমা করা হবে না। জন্মলগ্ন থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করতে গিয়ে র‍্যাবের ৩৩ জন সদস্য জীবন দিয়েছেন। হাজার হাজার র‍্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। অনেকের অঙ্গহানিও হয়েছে।”

    বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে নগরের পতেঙ্গায় র‌্যাব-৭ এর এলিট হলে জলদস্যু আত্নসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রাম তো আর সেই চট্টগ্রাম নেই। অনেক উন্নয়ন হচ্ছে। টানেল, সেতু সব হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সিকিউরিটির জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। ওসব এলাকায় জলদস্যুরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। সুন্দরবনের জলদস্যুদের ভালো অবস্থা দেখে আজ তারা উদ্বুদ্ধ। সাংবাদিকদের সহযোগিতায় এ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাদের ধন্যবাদ জানাই। আর যারা ফিরে আসেন নাই, তাদেরকেও ফিরে আসার আহ্বান জানাই।”

    তিনি আর বলেন, “বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন সমস্ত উপকূলীয় অঞ্চলকে আমরা জলদস্যু-ডাকাত মুক্ত করবো।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আজ এখানে একজন মহিলা জলদস্যুও আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। তারা কখনও অত্যাচারিত বা নিপীড়িত হয়ে বাধ্য হয়েই এসব কাজে জড়িয়ে থাকেন। স্থানীয় প্রভাবশালী লোকেরাও তাদের বাধ্য করেন এসব কাজে জড়াতে। জনগণের কাছে র‍্যাব একটি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক। সুন্দরবনে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষায় ২০১২ সালে র‍্যাবকে টাস্কফোর্স হিসেবে দায়িত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। র‍্যাবের দুঃসাহসিক অভিযানে সুন্দরবন জলদস্যু মুক্ত হয়।”

    ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী সুন্দরবনকে জলদস্যু মুক্ত ঘোষণা করেন জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, “তারা যাতে আর সে কাজে ফিরতে না পারে সেজন্য তাদের আর্থিক অনুদান দেওয়া হচ্ছে। আজ তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। কেউ ব্যবসা করছে বা অন্য কাজ করছে। পাবনাতে ৬০০ ও সিরাজগঞ্জে ৩০০ এর অধিক চরমপন্থী গ্রুপের নেতাকর্মী আত্মসমর্পণ করেছে। তাদেরও সরকার সহযোগিতা করেছে। তবে যাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের মামলা আছে তাদের কোনোভাবে সহযোগিতা করা হবে না। অন্য মামলাগুলো থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়ার জন্য কাজ করা হবে। বৃহস্পতিবার ১২টি গ্রুপের ৫০ জন ৮০টি অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেছে।”

    র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো.মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আব্দুল লতিফ, পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, র‌্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো.তোফায়েল ইসলাম, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা। আত্মসমর্পণকারী জলদস্যুদের মধ্যে বক্তব্য দেন মাহমুদ করিম ও জসীম উদ্দীন।

  • ঢাকা ও কলকাতা আর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠবে না: হারুন

    ঢাকা ও কলকাতা আর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠবে না: হারুন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ মে, ২০২৪: ঢাকা ও কলকাতা আর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠবে না, বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।তিনি বলেন, “দুষ্কৃতকারী ও সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মাটি ব্যবহার করতে দেব না। ঢাকা ও কলকাতা এ বিষয়ে তৎপর। আমাদের সিস্টেম আরও উন্নত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে ফোনালাপের মাধ্যমেই ঘটনার সমাধান হয়। ভারত ও বাংলাদেশের যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় আছে, তা ক্ষুণ্ন হবে না।”

    আজ বৃহস্পতিবার (৩০ মে) কলকাতা থেকে ঢাকায় ফেরার আগে এমন বার্তা দেন তিনি।

    পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দা, কলকাতা পুলিশ ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বেড়েছে। আমি মনে করি, আগামী দিনগুলোতে উত্তরোত্তর এতে উন্নতি আসবে।”

    ডিএমপির এ অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, “কলকাতা পুলিশের সঙ্গে আমাদের যে পারস্পরিক সম্পর্ক, হৃদ্যতা ও সৌহার্দ্য তৈরি হয়েছে, তাতে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ থেকে কোনো অপরাধী অপরাধ করে কলকাতাকে স্বর্গীয় স্থান মনে করবে, তা আমরা হতে দেব না। এটি মনে করার প্রশ্নই আসে না। দুই বাংলার সহযোগিতায় এখন থেকে আরও দ্রুত দুষ্কৃতকারীদের ধরতে পারব।”

    ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের হত্যার বিষয়ে তিনি বলেন, “ওয়াটার থিওরি অনুসরণ করেই সফলতা এসেছে। আলোচিত এ তদন্তে ওয়াটার থিওরি-ই আমাদের সফলতা দিয়েছে বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশে ধরা পড়া অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদেই ওয়াটার থিওরির প্রসঙ্গ উঠে আসে। এরপর পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করেই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডিকে অনুরোধ করে কমোড, সেপটিক ট্যাংক, নিকাশী লাইন পরীক্ষা করানো হয়। এরপরই সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার করা হয় কয়েক কেজি মাংস।”

    তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংস এমপি আনারের মনে করা হলেও শতভাগ নিশ্চিত হতে ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা জরুরি। আনুষ্ঠানিকভাবে সিআইডিকে চিঠি দিয়ে দেহাংশ বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হবে।”

    উদ্ধার দেহাংশ এমপি আনারের কি না, তা পরীক্ষার জন্য ইতোমধ্যেই নমুনা পাঠানো হয়েছে সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে। এরপর করা হবে ডিএনএ পরীক্ষাও। সেক্ষেত্রে কলকাতায় আসতে পারেন এমপি আনারের কন্যা মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন এবং এমপির ভাই।

    ২৬ মে মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল কলকাতায় আসে। পরে হারুন দলের সদস্যরা কলকাতা থেকে যান নিউটাউন থানায়। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (আইও) সঙ্গে নিয়ে তারা কৃষ্ণমাটি বাগজোলা খাল পরিদর্শন করেন। এরপর যথাক্রমে নিউটাউনের সঞ্জীভা গার্ডেন আবাসন, সিআইডি ভবন, হাতিশাল খালসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করার পাশাপাশি কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েল, সিআইডি প্রধান রাজাশেখরণের সঙ্গে কথাও বলেন।

    হারুন অর রশীদ জানান, “এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে কলকাতা ও বাংলাদেশে দুটি জায়গায় মামলা হয়েছে। সেই কারণেই তদন্ত করতে তারা কলকাতায় এসেছেন। সিআইডির প্রতিনিধিদলও তদন্তের স্বার্থে বাংলাদেশে গিয়েছিল। ইতোমধ্যে মূল ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা অনেক কিছুই স্বীকার করেছেন। কীভাবে তারা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন, বাংলাদেশের কোথায় কোথায় তারা বৈঠক করেন, কলকাতায় এসে কোন কোন বাসায় ছিলেন এসব যাচাই-বাছাই করার দরকার ছিল।”

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের পেনাল কোডের ৩৬২, ৩৬৪ ধারা অনুযায়ী, “লাশ বা লাশের টুকরো বা অন্য কোন অংশ বিশেষ উদ্ধার না হলে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে একটু সমস্যা হয়। আর সেই কারণে আমরা এসেছি। আমাদের মূল কাজটি ছিল বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো। কলকাতায় ধরা পড়া কসাই জিহাদকে নিয়েও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়।”

    তিনি আরও বলেন, “ইতোমধ্যেই গা ঢাকা দিয়েছেন এই আখতারুজ্জামান শাহীন। সেক্ষেত্রে নেপাল হয়ে দুবাই, তারপরে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যেতে পারেন এ শাহীন। অন্যদিকে আরেক অভিযুক্ত সিয়াম বর্তমানে নেপালে অবস্থান করছেন। তাদের ফিরে পেতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে।”

    হারুন অর রশীদ বলেন, “আমাদের ধারণা, এ হত্যাকাণ্ডের মূল মাস্টারমাইন্ড আখতারুজ্জামান শাহীন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা সিআইডি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। যেহেতু ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে, যেহেতু তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের আছে, তাই তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে আনতে ভারত যেন কথা বলে। পাশাপাশি আমরাও বাংলাদেশের পুলিশের আইজির সাথে কথা বলেছি। তাকে ফেরত পেতে ইন্টারপোলকে চিঠি দিয়ে অবহিত করা হবে। আবার বাংলাদেশে যে আমেরিকান দূতাবাস আছে, সেখানেও চিঠি দেওয়ার পাশাপাশি সরাসরি গিয়ে কথা বলে আখতারুজ্জামান শাহীনের বিষয়টি জানানো হবে।”

    তিনি বলেন, “অন্যদিকে কাঠমান্ডুতে সিয়ামের অবস্থানের বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি। বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমরা ইতোমধ্যে একটি চিঠি নেপালে পাঠিয়েছি। নেপালের সব সংস্থাকে আমরা জানিয়েছি যে, সিয়াম বর্তমানে নেপালে অবস্থান করছেন। আমরা মনে করছি খুব শিগগিরই ভালো খবর আসবে।”