Tag: স্বাস্থ্য

  • জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যের মধ্যে একটা জোরালো সম্পর্ক আছে: পরিবেশ মন্ত্রী

    জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যের মধ্যে একটা জোরালো সম্পর্ক আছে: পরিবেশ মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ এপ্রিল, ২০২৪: জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যের মধ্যে একটা জোরালো সম্পর্ক আছে, বলে জানিয়েছেন পরিবশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি) ২০২২ সালে চূড়ান্ত করা হয়েছিল। তারপর থেকে লক্ষ্য করেছিলাম জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যের মধ্যে একটা জোরালো সম্পর্ক আছে। আমরা যখন এনএপি চূড়ান্ত করি, তখন স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে কয়েকটা রেফারেন্স ছিল। তবে সুনির্দিষ্টভাবে আমাদের যে ১১৩টি এজেন্ডার মধ্যে স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা কোনো কাজ করিনি। এখন আমরা ভাবছি, এনএপিতে স্বাস্থ্যের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এখন পর্যন্ত যে জরিপ আমরা করেছি, বা বিভিন্ন তথ্য আমরা পাচ্ছি, বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকা ও নারীদের মধ্যে নীতিবাচক প্রভাব আছে। এতে জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি চলে আসে। আমাদের উপকূলীয় এলাকায় এমনিতেই অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। সেখানে লবণাক্ততা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সুপেয় পানির সংকট আছে, তার ওপর স্বাস্থ্যের বিষয়টিও চলে আছে।”

    আজ মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঢাকায় সুইডিশ দূতাবাসের জলবায়ু স্বাস্থ্য ও পরিবেশ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি ডা. ড্যানিয়েল নোভাকের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, সুইডিশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রোম।

    পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, “আমি মনে করি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাস্থ্যকে যে ধরনের গুরুত্ব দেওয়া উচিত, আগামীতে সেটা আমরা করতে চাই। আমরা আলাদাভাবে স্বাস্থ্যের এনএপি করব না, তবে বর্তমানে যে এনএপি আছে, তাতে স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে যোগ করতে চাই। সুইডেনের সঙ্গে আমাদের যে উন্নয়ন সম্পর্ক আছে, এই ক্ষেত্রটিকে ধরে সেটিকে আরও জোরদার করতে চাই।

    বিষয়টিতে সুইডেনের গুরুত্ব বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “অভিযোজনের মূল চিন্তাটা কী, মানে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত আমরা কীভাবে মোকাবিলা করব। আমরা হয়তো আগে ভাবতাম বন্যার কথা। সেগুলো অবশ্যই আছে। তবে বন্যা, সাইক্লোন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়া, লবণাক্ততা ও খাদ্য নিরাপত্তার কথা বলি, তার সঙ্গে আমরা এখন স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে এসেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা দেখছি, জলবায়ুর প্রভাবটা সব জায়গায়ই আছে। যেহেতু বিষয়গুলো আমাদের কাছে বেশ পরিষ্কার ও সম্পর্কটা জোরালো। আর এটা কেবল বাংলাদেশেই না, সারা বিশ্বে এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কপ-২৮ এ দুবাইতে স্বাস্থ্যের জন্য একটা দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। এটা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাংলাদেশে এটার প্রভাব বিশ্বের অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি। সেটা আমরা কীভাবে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে পারি, সেটা দেখতে হবে।”

  • অনেক ক্ষেত্রে রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল

    অনেক ক্ষেত্রে রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল

    www.HelloBangla.News – মতামত – ১১ মার্চ, ২০২৪: রমজানে রোজা রাখাটা প্রপ্তবয়স্ক মুসলমানদের জন্য অপরির্য করা হয়েছে। সূর্যোদয়ের  প্রায় ৩০ মিনিট আগে সেহরির সময় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহারে বিরত থেকে। কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে রোজা পড়ছে গ্রীষ্মকালে। ফলে এসব দেশের মুসলিমদের রোজা রাখতে হচ্ছে গরমের মধ্যে অনেক দীর্ঘসময় ধরে। এই সময় দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা। প্রথম কয়েক দিন সচেতন থাকতে হয়। পরে তা অভ্যাসে পরিণত হয়। তবে চিকিৎসকরা বলছেন রোজা রাখা অনেক ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

     

     গরমে রোজা রাখা প্রথম কয়েকদিন সবচেয়ে কষ্টকর:

    শেষবার খাবার খাওয়ার পর আট ঘন্টা পার না হওয়া পর্যন্ত কিন্তু মানুষের শরীরে সেই অর্থে রোজার প্রভাব পড়ে না। আমরা যে খাবার খাই, পাকস্থলীতে তা পুরোপুরি হজম হতে এবং এর পুষ্টি শোষণ করতে অন্তত আট ঘন্টা সময় নেয় শরীর।

    যখন এই খাদ্য পুরোপুরি হজম হয়ে যায়, তখন আমাদের শরীর যকৃৎ এবং মাংসপেশীতে সঞ্চিত থাকে যে গ্লুকোজ, সেটা থেকে শক্তি নেয়ার চেষ্টা করে। শরীর যখন এই চর্বি খরচ করতে শুরু করে, তা আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। তবে যেহেতু রক্তে সুগার বা শর্করার মাত্রা কমে যায়, সে কারণে হয়তো কিছুটা দুর্বল এবং ঝিমুনির ভাব আসতে পারে। এছাড়া কারও কারও ক্ষেত্রে মাথাব্যাথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব বা নিশ্বাসে দুর্গন্ধ হতে পারে। এ সময়টাতেই আসলে শরীরে সবচেয়ে বেশি ক্ষুধা লাগে।

     

    ৩ হতে ৭ রোজায় সাবধান থাকতে হয় পানিশূন্যতা থেকে:

    প্রথম কয়েকদিনের পর আপনার শরীর যখন রোজায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, তখন শরীরে চর্বি গলে গিয়ে তা রক্তের শর্করায় পরিণত হচ্ছে। কিন্তু রোজার সময় দিনের বেলায় যেহেতু আপনি কিছুই খেতে বা পান করতে পারছেন না, তাই রোজা ভাঙ্গার পর অবশ্যই আপনাকে সেটার ঘাটতি পূরণের জন্য প্রচুর পানি পান করতে হবে।

    নইলে আপনি মারাত্মক পানি-শূন্যতায় আক্রান্ত হতে পারেন। বিশেষ করে গরমের দিনে যদি শরীরে ঘাম হয়। আর যে খাবার আপনি খাবেন, সেটাতেও যথেষ্ট শক্তিদায়ক খাবার থাকতে হবে। যেমন কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা এবং চর্বি। একটা ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খুব গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সব ধরণের পুষ্টি, প্রোটিন বা আমিষ, লবণ এবং পানি থাকবে।

     

    অভ্যস্ত হয়ে উঠছে শরীর-৮ হতে ১৫ রোজায়:

    এই পর্যায়ে এসে আপনি নিশ্চয়ই অনুভব করতে পারছেন যে আপনার শরীর-মন ভালো লাগছে, কারণ রোজার সঙ্গে আপনার শরীর মানিয়ে নিতে শুরু করেছে।

    চিকৎসকরা বলেন, “সাধারণত দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খাই এবং এর ফলে আমাদের শরীর অন্য অনেক কাজ ঠিকমত করতে পারে না, যেমন ধরুণ শরীর নিজেই নিজেকে সারিয়ে তুলতে পারে। কিন্তু রোজার সময় যেহেতু দিনের বেলা আমরা না খেরয় থাকি থাকছি, তাই শরীর তখন অন্যান্য কাজের দিকে মনোযোগ দিতে পারে। কাজেই রোজা কিন্তু শরীরের জন্য বেশ উপকারী। এটি শরীরের ক্ষত সারিয়ে তোলা বা সংক্রমণ রোধে সাহায্য করতে পারে।”

     

    শরীর মানিয়ে নেয়-১৬ হতে ৩০ রোজা: 

    রমজান মাসের দ্বিতীয়ার্ধে আপনার শরীর কিন্তু পুরোপুরি রোজার সঙ্গে মানিয়ে নেবে। আপনার শরীরের পাচকতন্ত্র, যকৃৎ, কিডনি এবং দেহত্বক এখন এক ধরণের পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাবে। সেখানে থেকে সব দূষিত বস্তু বেরিয়ে আপনার শরীর যেন শুদ্ধ হয়ে উঠবে।

    চিকিৎকরা বলেন, “এসময় আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তাদের পূর্ণ কর্মক্ষমতা ফিরে পাবে। আপনার স্মৃতি এবং মনোযোগের উন্নতি হবে এবং আপনি যেন শরীরে অনেক শক্তি পাবেন। শরীরের শক্তি জোগানোর জন্য আপনার আমিষের ওপর নির্ভরশীল হওয়া ঠিক হবে না। যখন আপনার শরীর ‘ক্ষুধার্ত’ থাকছে তখন এটি শক্তির জন্য দেহের মাংসপেশীকে ব্যবহার করছে। এবং এটি ঘটে যখন একটানা বহুদিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে আপনি রোজা রাখছেন। যেহেতু রোজার সময় কেবল দিনের বেলাতেই আপনাকে না খেয়ে থাকতে হয়, তাই আমাদের শরীরের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট খাবার এবং তরল বা পানীয় গ্রহণের সুযোগ থাকছে রোজা ভাঙ্গার পর। এটি আমাদের মাংসপেশীকে রক্ষা করছে এবং একই সঙ্গে আমাদের আবার ওজন কমাতেও সাহায্য করছে।”

     

    অনেক ক্ষেত্রে রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল:

    চিকিৎকরা বলেন, “রোজা রাখা শরীরের জন্য ভালো, কারণ আমরা কী খাই এবং কখন খাই সেটার ওপর আমাদের মনোযোগ দিতে সাহায্য করে। একমাসের রোজা রাখা হয়তো ভালো। কিন্তু একটানা রোজা রেখে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া যাবে না। শরীরের ওজন কমানোর জন্য একটানা রোজা রাখা কোন উপায় হতে পারে না। কারণ একটা সময় আপনার শরীর চর্বি গলিয়ে তা শক্তিতে পরিণত করার কাজ বন্ধ করে দেবে। তখন এটি শক্তির জন্য নির্ভর করবে মাংসপেশীর ওপর। এটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কারণ আপনার শরীর তখন ক্ষুধায় ভুগবে।”

    চিকিৎসকদের পরামর্শ হচ্ছে, রমজান মাসের পর মাঝে মধ্যে অন্যধরণের উপোস করা যেতে পারে। যেমন ৫:২ ডায়েট (পাঁচদিন কম খেয়ে দুদিন ঠিকমত খাওয়া-দাওয়া করা)। যেখানে কয়েকদিন রোজা রেখে আবার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাওয়া-দাওয়া করা যেতে পারে।

    অনেকে মনে করে রোজা রাখলে দেহে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু ৫ থেকে ৬ দিনের মধ্যে মানুষ তাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে ইফতারির পরে প্রচুর পানি পান করা উচিৎ বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। বিশেষ ভাবে গ্রীষ্মকালের রোজার সময়।

     

    সূত্র: বিবিসি

  • বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ২০২৩: ‘রক্ত দান করুন, দান করুন প্লাজমা, যতবার সম্ভব গ্রহণ করুন জীবন বাঁচানোর এ অনন্য সুযোগ’

    বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ২০২৩: ‘রক্ত দান করুন, দান করুন প্লাজমা, যতবার সম্ভব গ্রহণ করুন জীবন বাঁচানোর এ অনন্য সুযোগ’

    হৃদরোগ কিংবা হার্ট অ্যাটাক সাথে হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইচআইভি (এইডস) অথবা দুরারোগ্য ক্যান্সার,উচ্চ রক্তচাপ – যে কটা রোগের নাম বললাম তার সবগুলোর ঝুঁকি থেকেই আপনি নিরাপদ থাকতে পারেন নিয়মিত রক্তদানের মাধ্যমে ।

    প্রতি বছর ১৪ জুন ‘বিশ্ব রক্তাদাতা দিবস’ উদযাপন করা হয়। ১৪ জুন এই দিনটি উদযাপনের একটি বিশেষ কারণ রয়েছে। বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার রক্তের গ্রুপ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এই অবদানের জন্য, কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার পান । রক্তদাতা দিবসটি বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনারকে উৎসর্গ করা হয়েছে। তার জন্মদিন ১৪ জুন।

    প্রতি বছর রক্তদাতা দিবসের একটি বিশেষ থিম থাকে। এ বছর বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ২০২৩-এর থিম হল- (Give blood, give plasma, share life, share often.) ‘রক্ত দান করুন, দান করুন প্লাজমা, যতবার সম্ভব গ্রহণ করুন জীবন বাঁচানোর এ অনন্য সুযোগ’।

    সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। দেশে রক্তের চাহিদা পূরণে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে থাকছে নানা কর্মসূচি।

    আন্তর্জাতিকভাবে এবছর বিশ্ব রক্তদাতা দিবসের বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজক দেশ আলজেরিয়া। ২০০৪ সালে দিবসটি প্রথম পালিত হয়। নিরাপদ রক্ত নিশ্চিতকরণ ও স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের উৎসাহ দিতেই বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়ে আসছে দিবসটি।

    বাংলাদেশে বুধবার দিবসটি পালনে সরকারি নানা উদ্যোগের পাশাপাশি এবারও এগিয়ে আসছে সাড়ে চার লক্ষাধিক সুসংগঠিত ডোনার পুল নিয়ে গঠিত কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন।

    আগামীকাল বিকালে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে প্রথমবারের মতো দুই শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতা ও দুই শতাধিক থ্যালাসেমিক রক্তগ্রহীতার মিলনমেলা এবং বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করছে কোয়ান্টাম।

    এ দেশে রক্ত চাহিদার একটা বড় অংশ প্রয়োজন হয় থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্যে। হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ সূত্রে জানা যায়, দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার। থ্যালাসেমিয়ার বাহক রয়েছে এক কোটি সত্তর লাখেরও অধিক মানুষ। দিন দিন এ সংখ্যা বাড়ছে।

    একজন থ্যালাসেমিয়া রোগীর প্রতি মাসে ১ থেকে ৩ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়। থ্যালাসেমিয়া ছাড়াও রক্তস্বল্পতা, প্রসূতির রক্তক্ষরণ, অগ্নিদগ্ধ রোগী, বড় অপারেশন, দুর্ঘটনা ইত্যাদি নানা কারণে রক্তের প্রয়োজন হয়। রক্তের এ চাহিদা পূরণে নতুন স্বেচ্ছা রক্তদাতার কোনো বিকল্প নেই।

    সাধারণত ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী যেকোনো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ সক্ষম ব্যক্তি প্রতি চার মাস পরপর রক্ত দিতে পারেন।

    প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে প্রতিবছর প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ ব্যাগ রক্ত ও রক্ত উপাদানের চাহিদা রয়েছে। এরমধ্যে কোয়ান্টাম বছরে সরবরাহ করে এক লক্ষাধিক ব্যাগ। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুই দশকের যাত্রায় কোয়ান্টাম গড়ে তুলেছে ৪ লাখ ৭৪ হাজার স্বেচ্ছা রক্তদাতার সুসংগঠিত ডোনার পুল। আর জীবন বাঁচানোর জন্যে এ পর্যন্ত সরবরাহ করেছে ১৫ লক্ষাধিক ইউনিট রক্ত ও রক্ত উপাদান।

    বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা এই দিবসটির উদ্দেশ্য হিসেবে বলেছে- যারা স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়েছেন এবং নতুনদের রক্তদানে সাহস জুগিয়েছেন সেসব প্রত্যেক দাতাকে আলাদা করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করুন এবং রক্তদান দিবসকে উদযাপন করুন। নিয়মিত রক্তদানের মাধ্যমে সমস্ত দেশে সুরক্ষিত ও নিরাপদ রক্ত সরবরাহ করা সম্ভব। এবং অধিক মানুষের রক্তদানে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। মানুষদের উৎসাহিত করতে হবে রক্তদানে ও প্লাজমা দানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিষয়ে।

    ভেবে দেখুন, আপনার দান করা মাত্র ৩৩০মিলি রক্ত অর্থাৎ এক ব্যাগ রক্ত একজন মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারে । রক্তদান শুধু মাত্র রোগ থেকে নিজেকে রক্ষা করা না,একজন মুমূর্ষ মানুষের পাশে দাঁড়ানো । সাথে সাথে ধর্মীয় দিক থেকেও পবিত্র কাজ । কিন্তু সবসময় খেয়াল রাখতে হবে রক্তদানে এবং গ্রহনে যেন সঠিকভাবে তা পরীক্ষা করে নেয়া হয় ।

    তথ্যসূত্রঃ বাসস, ডব্লিউ এইচ ও

  • শিশুদের ডেংগু হলে দ্রুত পদক্ষেপ নিন

    শিশুদের ডেংগু হলে দ্রুত পদক্ষেপ নিন

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণায় , বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা এখন ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে রয়েছে এবং প্রতিবছর আনুমানিক ১০০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন মানুষ সংক্রমণ হচ্ছে। ডেঙ্গু জ্বরে বেশির ভাগ আক্রান্ত হয় ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা। সাধারণত বর্ষা মৌসুমে এবং বস্তি এলাকায় ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চহার দেখা যায়। এই ভাইরাসের চারটি ধরন শনাক্ত হয়েছে। একাধিক ধরনে বা দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হলে রোগের তীব্রতা অনেক বেশি থাকে। বর্তমানে অনেক শিশু দ্বিতীয় বা তৃতীয়বার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে বলে পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। এরই মধ্যে অনেক শিশুকে আবার ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে জটিল অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ আমরা জেনে নিচ্ছি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের, অধ্যাপক ডা. প্রণব কুমার চৌধুরীর (সাবেক বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ) কাছ থেকে –

    শুরুতেই সনাক্ত জরুরি

    ডেঙ্গু ভাইরাস শরীরে সংক্রমণের সাধারণত ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে সাধারণ উপসর্গগুলো দেখা দেয়। প্রথম ১ থেকে ৫ দিনে হঠাৎ উচ্চমাত্রার জ্বর (প্রায় ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট), বমি ভাব, বমি, শরীরে র‌্যাশ (উপসর্গের প্রথম বা দ্বিতীয় দিনে ত্বকে লাল ফুসকুড়ি বা ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে হামের মতো লাল বিন্দু), হাড়ের জোড়ায় ও মাংসপেশিতে প্রবল ব্যথা ইত্যাদি হচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ।

    এর সঙ্গে কিছু লক্ষণ ডেঙ্গু জ্বরের ‘বিপজ্জনক চিহ্ন’ হিসেবে স্বীকৃত। যেমন পেটব্যথা, অনবরত বমি, শরীরে পানি জমা, নাক-মাড়ি থেকে রক্তপাত, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্থিরতা, ২ সেন্টিমিটারের বেশি লিভারস্ফীতি, রক্তে হিমাটোক্রিটের মান বৃদ্ধি এবং অণুচক্রিকা দ্রুত কমতে থাকা।

    ডেঙ্গু জ্বরের ৫ থেকে ৭ দিন সময়কালে ‘মারাত্মক’ চিহ্নগুলো দেখা দিতে পারে। যেমন ডেঙ্গু শক সিনড্রোম (যা ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়), শরীরে পানি জমা, নাড়ি দুর্বল, শরীর শীতল হওয়া, রক্তচাপ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়া, অতিরিক্ত রক্তপাত, লিভারের এনজাইম এএসটি বা এএলটির মান ১ হাজার বা এর বেশি হওয়া, অচৈতন্য অবস্থা, হৃৎপিণ্ড ও অন্যান্য অঙ্গে রোগের লক্ষণ ইত্যাদি।

    যেসব সতর্কতা দরকার

    » শিশুর জ্বর হওয়ার প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ‘মৌসুমি জ্বর’ ভেবে সময়ক্ষেপণ করা যাবে না। এরই মধ্যে ডেঙ্গুর ‘বিপজ্জনক চিহ্ন’ বা ‘মারাত্মক’ চিহ্নগুলো প্রকাশ পায়। ফলে শিশু সংকটজনক পরিস্থিতিতে পড়ে যায়। এই মৌসুমে চিকিৎসকের সন্দেহ হলে প্রথম বা দ্বিতীয় দিনেই ডেঙ্গু এনএসওয়ান অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করে ডেঙ্গু শনাক্ত করতে পারবেন।

    » জ্বর সম্পূর্ণ নেমে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর যদি রোগী বেশি অসুস্থতা অনুভব করে, তবে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা জরুরি। প্রয়োজনে রক্ত বা প্লাজমা সঞ্চালন এবং ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের বিশেষ চিকিৎসা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, জ্বর। নেমে যাওয়ার পরই আসলে জটিলতা শুরু হয়।

    » যথাযথ চিকিৎসাসেবা পেলে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুহার মাত্র ১ শতাংশ। কিন্তু শক দেখা দিলে তা বেড়ে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। একসঙ্গে একাধিক অঙ্গের বিকলাবস্থা (পিএমআইসি), চিকিৎসাকালীন ওভারহাইড্রেশন এবং ডায়াবেটিস ও অ্যাজমার মতো দীর্ঘমেয়াদি অসুখে ভোগা শিশুর জন্য ডেঙ্গু বেশি প্রাণঘাতী।

    » এখনো বৈশ্বিকভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় ডেঙ্গু ভাইরাসবাহী মশার কামড় থেকে বাঁচার নানা ব্যবস্থা নেওয়া। যেমন শিশুকে ফুল শার্ট, ফুল প্যান্ট ও মোজা পরানো। দিনের বেলায়ও মশারি টানিয়ে ঘুমানো।

    তথ্যসূত্রঃ ডক্টরটিভি.নেট

  • কুমড়ার বীজঃ বিজ্ঞান ভিত্তিক স্বাস্থ্য উপকারিতা

    কুমড়ার বীজঃ বিজ্ঞান ভিত্তিক স্বাস্থ্য উপকারিতা

    বাড়িতে রান্না হওয়া মিষ্টি কুমড়ার ভাজি বা তরকারি অনেকের কাছেই পছন্দের। কিন্তু আপনি জানলে আরও অবাক হবেন মিষ্টি কুমড়ার বীজও যে পুষ্টিতে ভরপুর। এতে আছে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন, ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, আয়রন এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই পুষ্টিগুন শুধু আপনাকে সুস্থই করে না , অনেক রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে।

    রক্তের সুগার লেভেল কমায়

    কিছু পুরানো গবেষণা অনুসারে কুমড়া, কুমড়ার বীজ বা কুমড়ার রস রক্তে সুগারকে কমাতে সাহায্য করে। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো। একটি সমীক্ষা পরামর্শ দেয় যে প্রতিদিন পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করলে টাইপ টু ডায়েবেটিসের ঝুঁকি ১৫ শতাংশ হ্রাস পায়।

    হার্টকে ভালো রাখে

    কুমড়ার বীজের প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক এবং আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে যা আপনার হার্টের জন্য খুব উপকারি। এতে করে আপনার ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায়।

    ক্যান্সারের ঝুকি হ্রাস

    বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে কুমড়ার বীজে উদ্ভিদের এমন যৌগ আছে যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করতে পারে, তাই যে কোনো ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের এই স্বাস্থ্যকর বীজ খাওয়া উচিত।

    কুমড়ার বীজ খাওয়ার আরও উপকারিতাঃ

    • সঠিক হজম
    • কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে
    • মূত্রাশয়ের রোগ প্রতিরোধ করে
    • মস্তিষ্কের শক্তি
    • পুরুষদের শুক্রানূ বৃদ্ধি
    • ভালো ঘুম

    কুমড়ার বীজ কীভাবে খাবেন

    মিষ্টি কুমড়ার বীজ নানাভাবে খাওয়া যায়। এটা আপনি কাঁচা বা ভাজা খেতে পারেন। অথবা আপনি এটা সালাদ বা স্মুদিতে যোগ করেও খেতে পারেন।

    তথ্যসূত্রঃ হেলথলাইন.কম

  • ধূমপান ও মদ্যপান খাদ্যনালিতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়

    ধূমপান ও মদ্যপান খাদ্যনালিতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ধূমপান, মদ্যপান ও তামাক সেবন খাদ্যনালিতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। কিন্তু খাদ্যনালিতে ক্যানসার হয়েছে কিভাবে বুঝবেন। বিশেষজ্ঞরা জানয়েছেন খাদ্যনালির ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাব্য কিছু উপসর্গ রয়েছে। তবে সেগুলি বেশ সাধারণ হওয়ায় অনেকের পক্ষেই বোঝা কঠিন যে এর কারণ ক্যানসার হতে পারে। মুখ, গলা ও খাদ্যনালিতে হওয়া ফুয়েল টিউমারই এই ধরনের ক্যানসারকে ডেকে আনে। এই  উপসর্গগুলো দেখলে আপনাকে সতর্ক হতে হবে।

    ১) ঠান্ডা লাগলে গলাব্যথা হওয়া স্বাভাবিক, তবে কোনও কারণ ছাড়াই যদি শক্ত খাবার গিলতে অসুবিধা হয়। পরবর্তী কালে তরল খাবার খেতে এমনকি, ঢোঁক গিলতেও কষ্ট হতে পারে। তখনি সতর্ক হতে হবে।

    ২) তাছাড়া খাদ্যনালিতে যদি ক্যানসার বাসা বাঁধে তাহলে হজমের সমস্যাও দেখা যায়। বুকে জ্বালাভাব, বার বার ঢেকুর ওঠা, পেটে যন্ত্রণা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

    ৩) হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া, কোনও খাবারই খেতে ইচ্ছে না করা এই রোগের লক্ষণ।

    ৪) দীর্ঘ দিন ধরে কাশি, রাতে ঘুমের সময়ে শ্বাসকষ্ট, গলা ও বুকের মাঝখানে চিনচিনে ব্যথা, বিশেষ করে খাবার গিলতে গেলে কষ্ট হলে আপনাকে সতর্ক হতে হবে।

    ৫) তাছাড়া বমি বমি ভাব, ক্লান্তিবোধ, দুর্বলতা, খাওয়ার সময় দম বন্ধ হয়ে আসা বা একটানা কোষ্ঠকাঠিন্য এই রোগের লক্ষণ।

    ৬) গলার স্বরেও বদল আসতে পারে।

    যে ক্যানসারগুলির প্রকৃতি বিরল, তাদের লক্ষণগুলিও বিরল। তবে সব সময়ে মনে রাখতে হবে, উপসর্গ আছে মানেই সেটা ক্যানসার নয়। সেটি অন্য কোনও রোগেরও লক্ষণ হতে পারে। কিন্তু এই উপসর্গগুলি থাকলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন যে, আদৌ ক্যানসারের সম্ভাবনা আছে কি না।

    খাদ্যনালির ক্যানসারের ঝুঁকি এড়ানোর কিছু নিয়ম :

    ধূমপান, মদ্যপান ও তামাক সেবন খাদ্যনালিতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এই অভ্যাস ছাড়তে হবে।

    ওবিসিটিও ক্যানসার ডেকে আনে। এ ক্ষেত্রে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা ভীষণ জরুরি। তাই পুষ্টিকর খাদ্যাভাস করতে হবে, সঙ্গে শরীরচর্চাও জরুরি। তাছাড়া খুব বেশি গরম চা, কফি পান থেকে বিরত থাকতে হবে।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • ২৫ মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবসে চাই জনসচেতনতা

    ২৫ মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবসে চাই জনসচেতনতা

    থাইরয়েড সম্পর্কে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ ২৫ মে, বিশ্ব থাইরয়েড দিবস। অবসাদ, বিষণ্ণতা, ভুলে যাওয়া রোগ হতে পারে ‘থাইরয়েড’ জনিত কারনে। বিশ্বব্যাপী ৭৫ কোটি মানুষ থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছেন। এ ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে ২০০৯ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগঠন গত কয়েক বছর ধরে দিবসটি যথাযথভাবে পালন করে থাকে। দিবসটির এবারের মূল বার্তা হলো- থাইরয়েড এবং যোগাযোগ।

    থাইরয়েড হরমোনজনিত একটি সমস্যা। থাইরয়েড প্রজাপতির ডানার মতো শরীরের একটি গ্রন্থি। যা গলার ষড়যন্ত্রের দুই পাশে থাকে। এ গ্রন্থির রং বাদামি। ঘাড়ের কাছে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসারিত হরমোন শরীরের মেটাবোলিজমকে নিয়ন্ত্রণ ও শরীরের প্রতিটি কোষকে প্রভাবিত করে। এই হরমোন শরীরের শক্তি, পুষ্টি ও অক্সিজেন উৎপাদন করতে সহায়তা করে। এর ব্যতিক্রম হলেই শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই প্রসঙ্গে ডা. মারুফা মোস্তারী (সহকারী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ) জানান এর ধরন, কারন, লক্ষণ, রোগ নির্নয় ও চিকিৎসা সম্পর্কে-

    ধরনঃ

    কয়েক ধরনের থাইরয়েড সমস্যা দেখা যায়। যেমন থাইরয়েড হরমোনের স্বল্পতা বা হাইপোথাইরয়ডিজম, হরমোন বেশি নিঃসরণ হওয়া বা হাইপারথাইরয়েডিজম। এ দুটি প্রধান সমস্যা ছাড়াও থাইরয়েড ফোলা, থাইরয়েড টিউমার ও থাইরয়েড ক্যানসারের মতো সমস্যাও হতে পারে।

    কারনঃ

    নানা কারণে থাইরয়েডের সমস্যা হতে পারে। এ হরমোন উৎপাদনে আয়োডিনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আয়োডিন কম থাকলে থাইরয়েড হরমোন কম উৎপন্ন হবে অথবা থাইরয়েড ফুলে যাবে। এই ফুলে যাওয়াকেই বলা হয় গলগণ্ড। আবার জন্মগতভাবে থাইরয়েড গ্রন্থির ত্রুটিতেও থাইরয়েডে সমস্যা দেখা দেয়। কারও থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে তার সন্তানদেরও এ সমস্যা হতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার ত্রুটি এবং অ্যান্টিবডি তৈরির কারণে থাইরয়েডে সমস্যা দেখা দেয়।

    লক্ষণঃ প্রজননক্ষম নারীদের হাইপোথাইরয়েডিজমের হার পুরুষদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি, জটিলতাও বেশি। অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি, সব সময় ক্লান্তিবোধ, অনিয়মিত মাসিক বা দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মাসিকের মতো সমস্যা, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাওয়া, চুল ও ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বারবার গর্ভপাত, বন্ধ্যত্বসহ বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয়। শিশুদের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত, বয়ঃসন্ধি বিলম্ব ও মানসিক বিকাশে সমস্যাও দেখা দেয়। অন্যদিকে হাইপারথাইরয়েডে হঠাৎ করেই ওজন কমা, কাঁপুনি, উদ্বেগ, অত্যধিক ঘাম ও ঋতুচক্রে কম রক্তক্ষরণের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। থাইরয়েডে সমস্যার কারণে মাংসপেশির ক্ষয় বেড়ে যায়, সক্ষমতা কমে যায়। চোখ বড় হয়ে যেতে পারে।

    রোগ নির্ণয়ঃ

    উপসর্গ ছাড়াই চিকিৎসকেরা রক্তে ফ্রি থাইরক্সিন এবং টিএসএইচ (থাইরয়েড-স্টিমুলেটিং হরমোন) পরীক্ষা করতে দিতে পারেন। প্রয়োজনে থাইরয়েডের নানা অ্যান্টিবডি, গলার আলট্রাসনোগ্রাফি, রেডিও-আয়োডিন আপটেক পরীক্ষাও করতে হতে পারে। ক্যানসার সন্দেহ করলে সুই দিয়ে গলা থেকে টিস্যু নিয়ে বা বায়োপসি করার দরকার হতে পারে। নারীদের সন্তান নেওয়ার আগে ও গর্ভাবস্থায় উপসর্গ না থাকলেও থাইরয়েড পরীক্ষা করা নিরাপদ।

    চিকিৎসাঃ

    হাইপোথাইরয়েডিজমের ওষুধ সাধারণত আজীবন খেতে হয়। বারবার পরীক্ষা করে ওষুধের মাত্রা ঠিক করা প্রয়োজন। খুব অল্প কিছু ক্ষেত্রে থাইরয়েডে অস্ত্রোপচার দরকার হয়। থাইরয়েড সন্দেহ হলে অবশ্যই একজন হরমোনবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    তথ্যসূত্রঃ ডক্টরটিভি

  • বাতের ব্যথার কারন দেহের প্রাকৃতিক বর্জ্য

    বাতের ব্যথার কারন দেহের প্রাকৃতিক বর্জ্য

    গেঁটে বাত আসলে একধরনের আর্থারাইটিস। দেহে অতিরিক্ত পরিমাণ ইউরিক অ্যাসিড জমা হওয়ার ফলে হয়ে থাকে৷ ইউরিক অ্যাসিড একধরনের টক্সিন বা প্রাকৃতিক বর্জ্য। যদি এই বর্জ্য আপনার দেহে জমা হতে থাকে, তবে তা সাংঘাতিক পরিমান ব্যাথার সৃষ্টি করে।

    পুরুষ বা নারী যে কেউ এ রোগে ভুগতে পারেন। তবে, পুরুষদের এ রোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি। নারীদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ পাঁচ গুণ বেশি। গেঁটে বাত সাধারণত কম বয়সী পুরুষ ও বেশি বয়সী নারীদের হয়ে থাকে। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, যেমন মাছ, মাংস, ডিম ইত্যাদি বেশি খান, তাদের এই রোগ বেশি হয়।

    মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র রায় বলেন, এই ব্যথা হঠাৎ তীব্র অসহনীয় রকমের হয়ে থাকলেও সাধারণত পাঁচ-সাত দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। গবেষণায় পাওয়া যায়, প্রাকৃতিক এমন কিছু খাবার রয়েছে যা গেঁটে বাতের ব্যথা উপশমে সাহায্য করতে পারে। তারমধ্যে রয়েছে-

    ১. আদা – গেঁটে বাতের ব্যাথা কমাতে আদার জুরি মেলা ভার। এতে রয়েছে এমন যৌগ যা প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি জয়েন্টের ব্যথা এবং ফোলা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    ২. আমন্ড – দৈনিক ১০ গ্রাম আমন্ড গ্রহনে উল্ল্যেখযোগ্য মাত্রায় ইউরিক এসিড কমতে সাহায্য করে। বাতের ব্যথা কমাতে যা ভূমিকা রাখে। তাই রোজ আমন্ড খান৷

    ৩. আনারস – এতে রয়েছে ব্রোমেলাইন, যা এনজাইমের একটি গোষ্ঠী যার মধ্যে প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি জয়েন্টের প্রদাহ এবং ফোলা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    ৪. হলুদ – হলুদে কারকিউমিন নামক একটি যৌগ রয়েছে যার প্রদাহ-বিরোধী প্রভাব রয়েছে এবং এটি গেঁটেবাত ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। দ্রুত ব্যথা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

    ৫. বেরী – ব্লু বেরী, স্ট্রবেরীতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি রয়েছে যা প্রদাহরোধী উপাদান। এতে করে রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা কমায় এবং যা বাতের ব্যথার জন্য যথেষ্ট কার্যকর।

    ৬. সবুজ শাক-সবজি – যেসব সবুজ শাক-সবজীতে পিউরিনের পরিমাণ কম এবং ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ বেশি।  এতে প্রদাহ-বিরোধী প্রভাব রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।

    এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে এই খাবারগুলিকে আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করলে গেঁটে বাতের ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করতে পারে, তবে সেগুলিকে চিকিৎসার জন্য প্রতিস্থাপন হিসাবে ব্যবহার করা উচিত নয়। একটি সুষম খাদ্য বজায় রাখা এবং হাইড্রেটেড থাকাও গেঁটে বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

    তথ্যসূত্রঃ ভেরিওয়েলহেলথ

  • ঘরে বসেই সমাধান করুন গ্যাস্ট্রিক বা জ্বালাপোড়ার

    ঘরে বসেই সমাধান করুন গ্যাস্ট্রিক বা জ্বালাপোড়ার

    আমাদের অনেকেরই খাবার পরে বুকের মাঝখান থেকে জ্বালাপোড়া করে। এই রোগটা কি আমরা অনেক ধরনের নাম দেই- গ্যাস্ট্রিক, আলসার, অ্যাসিডিটি, হার্টবার্ণ, অ্যাসিড রিফ্লাক্স ইত্যাদি। তবে ডাক্তারি ভাষায় এই রোগের নাম- Gastroesophageal Reflux Disease (RFD)

    কিন্তু প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে আমরা নিজেরাই ঘরে বসে এই সমস্যা কমিয়ে আনতে পারি। এরকম ৭ টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা-

    ১. একবারে পেট ভরে খেলে এই সমস্যা বেশি হয়। তাই অনেক খাবার একসাথে খাবেন না । সারাদিনে ভাগ ভাগ করে অল্প অল্প খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

    ২. খাবারের সময় অনিয়ম করবেন না। সময়মত খাবার না খেলে পাকস্থলীর আরেকটা রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়, নাম – গ্যাস্ট্রাইটিস (Gastritis)। এই রোগে পাকস্থলীর গায়ে ক্ষত দেখা দেয়, ইনফেকশন হতে পারে । আর এই রোগ হলেও আপনার পেটে জ্বালাপোড়ার মতো ব্যথা হতে পারে । আপনার পক্ষেতো বোঝা সম্ভব না জ্বালাপোড়া কোন কারনে হচ্ছে। তাই পাকস্থলী সুস্থ রাখতে আপনাকে নিয়ম করে সময়মতো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে ।

    ৩. অনেকের মাঝেই একটা ধারণা আছে, যাদের সমস্যা তাদের জন্য দুনিয়ার প্রায় সব খাবারই নিষেধ । শুধুমাত্র সিদ্ধ, মসলা ছাড়া খাবার খেতে হবে, এই ধারণাটা কিন্তু ঠিক না । তাহলে সঠিক টা কি?
    একজনের জন্য একেক ধরনের খাবারে সমস্যা সৃষ্টি করে। যেসব খাবারে আপনার বুকে জ্বালাপোড়া করে আপনি শুধু সেই সব খাবার এড়িয়ে চলবেন। সেটা হতে পারে এ মসলা দেয়া, অতিরিক্ত তেল দেয়া খাবার । আপনার প্রিয় চপ পুরি, মুড়ি চানাচুর, চটপটি, এমনকি ডালভাত । আপনার কোন খাবারে সমস্যা হয় সেটা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে । আর এড়িয়ে চলতে হবে।

    ৪. রাতের খাবারটা আগে আগেই সেরে ফেলবেন। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত তিন-চার ঘণ্টা আগে। আপনি যদি এগারোটার দিকে ঘুমাতে যান, তাহলে কমপক্ষে সাড়ে সাতটায় খেতে বসে যাবেন। আটটার মধ্যে খাওয়া শেষ। তারপর কিন্তু রাত ১১ টা পর্যন্ত জেগে থাকতে হবে। ভাত খাওয়ার পরে অনেকেরই ঘুম আসে সেটা ফাইট করতে হবে। এটা কেন করবেন? ভরপেটে চিৎ হয়ে শুলে, পাকস্থলী থেকে অ্যাসিড উপরের দিকে আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

    ৫. ঘুমানোর সময় বা বিছানায় শোয়ার সময় মাথা আর বুক ১০ থেকে ২০ সেন্টিমিটার উঁচুতে রাখবেন কোমরের চেয়ে। সেটা পাকস্থলীর এসিড উপরে ওঠা থামাবে। বালিশ দিয়ে উঁচু করবেন না। কারণ এতে শুধু আপনার মাথাটাই উঁচু হয়। বরং তোষকের নিচে বা খাটের নিচে কিছু দিয়ে খাটের একটা দিক উঁচু করে নিবেন এবং সেই দিকে মাথা দিবে । যাদের রাতের বেলা জ্বালাপোড়া সমস্যা বেশি হয়,
    তাদের জন্য এই ধাপটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর খেয়াল রাখেন ঘুমের সময় দেহের ভঙ্গিটা যেন স্বাস্থ্যকর থাকে। আঁকাবাঁকা অস্বাস্থ্যকর হলে আবার শরীরে ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে । বালিশ বা বালিশ এর উচ্চতা পরিবর্তন করলে অনেকেরই ঘাড় ব্যথা হয়।

    ৬. এবার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলবো। যেটা শুধু আপনার বুকে জ্বালাপোড়াই কমাবে না, আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হবে। আপনার যদি ওজন বেশি হয়, তাহলে সেটা কমানোর চেষ্টা করুন ।
    অতিরিক্ত ওজন অনেক ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ ইত্যাদি অনেক কিছুই এই অতিরিক্ত ওজনের সাথে সম্পর্কযুক্ত । তাই ওজন কমিয়ে ফেলা এবং কমানোর পর সেটা ধরে রাখাই শ্রেয়।
    আপনার বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা সমাধানেও এটা অনেক সাহায্য করবে।

    ৭. ধূমপান বন্ধ করতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা ধূমপান কমিয়ে ফেলে বা বন্ধ করে দেয়, তাদের এই সমস্যা অনেকাংশে কমে যায় । আর ধূমপানও নানা ধরনের রোগের কারণ, তাই এই অভ্যাসটা পরিত্যাগ করাই শ্রেয়।

    সুতরাং জীবনাচরণে কিছু পরিবর্তন আনার প্রয়োজন। তবে সবার রোগ এমন অবস্থায় থাকবে না যে শুধু জীবনাচরণের পরিবর্তনেই সেরে যাবে। ঔষধের সাহায্য দরকার হতে পারে, তবে ওষুধের পাশাপাশি এই ধাপ গুলোও মেনে চলতে হবে।

  • শরীর গঠনে সকালের খাবার

    শরীর গঠনে সকালের খাবার

    শরীর চর্চার খাবার: অনেকেই আছেন যারা যা খুশি খান কিন্তু ওজন বাড়ে না। যার কারণে, পেশী অর্জনের জন্য, তারা বাজারে পাওয়া বিভিন্ন ধরণের সাপ্লিমেন্ট এবং প্রোটিন পাউডার খাওয়া শুরু করে। যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরচর্চার পরামর্শ দেওয়া হয়। শুধুমাত্র এমন জিনিস খাওয়া উচিত যা প্রাকৃতিক, ওজন বাড়ায় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না। আপনি যদি নিজের শরীর নিজেই তৈরি করতে চান, তাহলে প্রতিদিন সকালে এই তিনটি জিনিস খেলে কিছু দিনের মধ্যেই আশ্চর্যজনক প্রভাব দেখা দিতে শুরু করবে।

    কলা এবং দুধ

    আপনি যদি আপনার শরীরকে সুন্দর করতে চান এবং আপনার ব্যক্তিত্বের উন্নতি করতে চান তবে প্রতিদিন সকালে দুধ এবং কলা খাওয়া উচিত। কলা এমন একটি সুপারফুড, যা অনেক ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের ভাণ্ডার। পটাশিয়াম, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের মতো পুষ্টিও এতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। ওজন বাড়াতে চাইলে কলা ও দুধ মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করতে পারেন। আপনি চাইলে এতে আখরোট এবং শণের বীজও মেশাতে পারেন। এটি আশ্চর্যজনক সুবিধা দেয়।

    ওটস এবং দুধ

    শরীর গঠনের জন্য ওটস এবং দুধের সাথে ওটস এবং দুধ মিশিয়ে সকালে খেলে আশ্চর্যজনক উপকার পাওয়া যায়। দুধে ওটস মিশিয়ে ভালো করে রান্না করুন। এর পরে, আপনি চাইলে এতে কিশমিশ, বাদাম এবং কাজু বাদামও যোগ করতে পারেন। এটি প্রাকৃতিক উপায়ে শরীর গঠনে সাহায্য করে।

    শক্ত সেদ্ধ ডিম

    আপনি যদি চান আপনার পেশী ভালো থাকুক এবং আপনার শরীর তৈরি হোক, তাহলে ভোরবেলা সেদ্ধ ডিম খাওয়া খুবই উপকারী। সেদ্ধ ডিম আপনাকে ওজন বাড়াতে এবং পেশী বাড়াতে সাহায্য করে। সেজন্য প্রতিদিন সকালে ৩টি সেদ্ধ ডিম খান আপনার শরীর তৈরি করতে। ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়, যার কারণে মাংসপেশির বিকাশ ঘটে। ডিমের অমলেটও খেতে পারেন। ওয়ার্কআউট করার পরই ডিম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

    তথ্যসূত্রঃ প্রেসওয়ার১৮