Author: Hello Bangla News

  • আপনার NID কার্ড দিয়ে অন্য কারও সিম নেই তো?

    আপনার NID কার্ড দিয়ে অন্য কারও সিম নেই তো?

    বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন থেকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নভেম্বর, ২০১৫ সাল থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রেশন শুরু করা হয়। এবং নতুন সিম ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আগামি দিনগুলোতেও একই পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। একটি NID কার্ড দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম রেজিস্ট্রেশন করা যায়। আসুন জেনে নেই আপনার NID/ জাতীয় ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

    আপনার মোবাইলের ডায়াল অপশন থেকে ডায়াল করুন *16001#। এরপরে আপনার NID কার্ডের শেষ চারটি ডিজিট লিখে সেন্ড করুন। পরবর্তী রিপ্লাইতে NID কার্ড দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। মোবাইল নাম্বারের কিছু ডিজিট গোপন থাকবে। যেমন 01911**** 05। আপনার রেজিস্টারকৃত মোবাইল নাম্বারগুলোর থেকে আলাদা কোনো যদি মোবাইল নাম্বারগুলোর কোনো নাম্বার অপরিচিত থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত সিম অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে চলে যেতে হবে। এবং নিজের নিরাপত্তার জন্য সেই সিমটি বন্ধ করে দিতে হবে।

    আজকাল আমাদের সমাজে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী অন্যের এনআইডি দিয়ে sim registration করে বিক্রি করে। এবং বড় বড় ক্রাইম এর কারনে ক্রয়ক্রত মালিকরা অপরাধ করলে আসল দোষী হয় সিমের আইডি কার্ড হোল্ডার। সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করার জন্য হলেও আমাদের প্রত্যেককে NID দিয়ে সিম রেজিস্ট্রেশন চেক করা উচিত।

  • ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রমজানে ‘ইফতার’ ব্রেক থাকছে

    ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রমজানে ‘ইফতার’ ব্রেক থাকছে

    স্পোর্টস এক প্রতিবেদনে জানায়, রমজান মাসের জন্য ইতোমধ্যে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ অফিসিয়ালদের নির্দেশনা ও গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। সেখানে আরও বলা হয়, সন্ধ্যার ম্যাচগুলোতে ইফতারের সময়ে খেলা বন্ধ থাকবে। এ সময় খেলোয়াড় ও ম্যাচ অফিসিয়ালরা যাতে ইফতার করে নিতে পারেন। ইফতার শেষে আবার শুরু হবে ম্যাচ। পুরো রমজান মাস জুড়েই চলবে এই নিয়ম।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই স্পোর্টসের প্রতিবেদনে আর বলা হয়, কয়েক দিন আগে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে এক অনন্য নজির কেরেছেন চেলসি। পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে নিজেদের মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে উন্মুক্ত ইফতার আয়োজন করবে দ্যা ব্লুজরা। যা প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে প্রথম। এবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ আরেক অনন্য নজর কেড়েছেন, রাখছে রমাদান ব্রেক। অর্থাৎ প্রিমিয়ার লিগে খেলা মুসলিম খেলোয়াড়রা ইফতারের সময়ে বিরতি পাবেন।

    তবে সন্ধ্যার ম্যাচগুলো শুরুর আগে ম্যাচ অফিসিয়ালদের জানাতে হবে যে দলের কয়জন খেলোয়াড় রোজা পালন করছেন। যাতে করে তাদের পক্ষে বিরতি দেওয়াটা সহজ হয়। ইফতারের বিরতির দেওয়ার বিষয়টিকে মুসলিম ফুটবলাররা তাদের প্রতি সম্মান দেখানো হিসেবেই বিবেচনা করছেন। ফলে প্রিমিয়ার লিগের এমন সিদ্ধান্তকে ধন্যবাদ দিয়েছে মুসলিম স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন।

    এর আগে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল চেলসি, পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে নিজেদের মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে উন্মুক্ত ইফতার আয়োজন করবে দ্যা ব্লুজরা। যা প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে প্রথম। মূলত লন্ডনের বৃহৎ মুসলিমগোষ্ঠীকে একসঙ্গে করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ হাতে নিয়েছে চেলসি। এমনটাই জানিয়েছেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ। রমজান টেন্ট প্রজেক্টের সঙ্গে যৌথভাবে এই উন্মুক্ত ইফতারের ব্যবস্থা করবে চেলসি।

    সেই লক্ষ্যে আগামী ২৬ মার্চ সকলের জন্য নিজেদের স্টেডিয়াম উন্মুক্ত করে দিবে চেলসি। যেখানে সারাদিন রোজা রাখার পর মাঠের পাশের খোলা জায়গায় বসে ইফতার করতে পারবেন যে কেউ। তবে ইফতার করতে আসা অতিথিদের কোনও খরচ করতে হবে না।

    রমজান টেন্ট প্রজেক্টের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এই আয়োজন করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ওমর সালহা বলেছেন, ‘গত এক দশক ধরে রমজান টেন্ট প্রজেক্ট তার বার্ষিক রমজান উত্সব ও ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ উন্মুক্ত ইফতারের মাধ্যমে আয়োজন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের আয়োজন।’

    তাছাড়াও চেলসি ফাউন্ডেশনের প্রধান সাইমন টেলর বলেছেন, ‘আমি রমজান টেন্ট প্রজেক্টের পাশাপাশি আমাদের উন্মুক্ত ইফতার ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত ও প্রথম প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব হিসেবে এটি করতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। আমি ২৬ মার্চ (রবিবার) সবাইকে স্বাগত জানাতে উন্মুখ হয়ে আছি।’

  • ১০০ কোটি মানুষকে রমজান মাসে খাবার দেবে আরব আমিরাত

    ১০০ কোটি মানুষকে রমজান মাসে খাবার দেবে আরব আমিরাত

    রমজানের বাকী আর মাত্র কয়েকদিন। এই উপলক্ষে রমজান মাসে বিশ্বের ১০০ কোটি দুস্থ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেই লক্ষ্যে রোববার (১৯ মার্চ) ‘ওয়ান বিলিয়ন মিলস এনডাউমেন্ট ক্যাম্পেইন‍‍` নামে একটি প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম।

    সোমবার (২০ মার্চ) অ্যারাবিয়ান বিজনেসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নতুন এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য টেকসই খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করা। এ নিয়ে একটি নিজের টুইটার একাউন্টে একটি পোস্ট করেছেন শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ।

    টুইটে তিনি লেখেন, ‘ভাই ও বোনেরা, পবিত্র মাসের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বার্ষিক ঐতিহ্য অনুযায়ী, আমরা রমজানে ‘ওয়ান বিলিয়ন ফুড এনডোমেন্ট’ প্রকল্প উদ্বোধন করতে পেরে আনন্দিত। আমাদের লক্ষ্য হলো এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বের দরিদ্র ও দুস্থ কয়েকশ কোটি মানুষের খাবার সরবরাহ করা।’

    দুবাইয়ের শাসক লেখেন, বিশ্বের প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজন ক্ষুধার্ত। সেই জন্য সেইসব মানুষদের প্রতি আমাদের কর্তব্য হলো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া এবং ক্ষুধার্তদের খাওয়ানো। বিশেষ করে রমজান মাসে এই সহায়তা করা আরও জরুরি। এই প্রকল্পের অধীনে চালু করা ফুড এন্ডোমেন্ট ফান্ডের লক্ষ্য হলো খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সঙ্গে সংগ্রামরত দেশগুলোর জন্য খাদ্য নিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় অবদান রাখা।

    এদিকে রমজান মাসে বেসরকারি কর্মজীবীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনছে আরব আমিরাত। রমজানে সাধারণ সময়ের তুলনায় দুঘণ্টা কাজ কম করবেন দেশটির বেসরকারি খাতের কর্মজীবীরা।

    আরব আমিরাতের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় গত ১৩ মার্চ জানিয়েছে, রমজান মাসে বেসরকারি খাতে বিদ্যমান সাধারণ কর্মঘণ্টা ৮ ঘণ্টা থেকে কমে ৬ ঘণ্টায় দাঁড়াবে। আরব আমিরাতের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘কাজের প্রয়োজনীয়তা এবং প্রকৃতি অনুসারে কোম্পানিগুলো রমজানে দৈনিক কাজের সময় কমাতে পারবে কিংবা সম্ভব হলে বাড়িতে বসে কাজের সুযোগ দিতে পারবে কর্মীদের।’

  • ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা কুয়েতের

    ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা কুয়েতের

    কুয়েতের পশ্চিমাঞ্চলে পাইপ লাইন ফুটো হয়ে তেল ছড়িয়ে পড়ায় ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে একটি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি। তেল ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার এ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। খবর আল আরাবিয়ার।

    কুয়েত অয়েল কোম্পানি তাদের টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

    তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি বা তেল উৎপাদনে কোনও ব্যঘাত ঘটেনি বলেও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

    তেল কোম্পানির মুখপাত্র কুসাই আল–আমের বলেন, ঘটনাস্থলে কোনও বিষাক্ত ধোঁয়া শনাক্ত হয়নি। মাটিতে পাইপলাইন ছিদ্র হয়েছে। তবে তা কোনও আবাসিক এলাকায় নয়।

    ছিদ্র কোথায় হয়েছে তা খুঁজে বের করা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টিম পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

    কুয়েতের আল রাই পত্রিকার টুইটারে প্রকাশিত এক ভিডিওতে একটি বিরান ভূমিতে তেলের পাইপ থেকে বিপুল পরিমাণ তেল বেরোতে দেখা গেছে।

    বিশ্বের অন্যতম তেল উৎপাদনকারী দেশ কুয়েত। দেশটির ৯০ শতাংশ রাজস্বই আসে তেল থেকে। কুয়েত অয়েল কোম্পানি এর আগেও ২০১৬ ও ২০২০ সালে পাইপলাইন ছিদ্র হয়ে তেল ছড়িয়ে পড়ার কথা জানিয়েছিল।

  • দুর্ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছে আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি: কাদের

    দুর্ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছে আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি: কাদের

    রাজনৈতিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন সড়ক দুর্ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছে বলে জানয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সোমবার (২০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় মাদারীপুরে এক্সপ্রেসওয়ে দুর্ঘটনা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদও জানান সড়ক ও সেতুমন্ত্রী

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, নেতিবাচক রাজনীতি করতে করতে এবং মিথ্যা কথা বলতে বলতে বিএনপির অবস্থা এখন এমন হয়েছে যে, বজ্রপাতে মৃত্যু হলেও তার দায় সরকারের ওপর চাপানোর অপরাজনীতিতে তারা লিপ্ত হচ্ছে। অথচ বিএনপির শাসনামলেই সড়ক যোগাযোগ খাত ছিল সবচেয়ে অবহেলিত। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর যোগাযোগ খাতকে অগ্রাধিকার দেয় এবং তার সুদক্ষ নেতৃত্বে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে। এ সত্যটি স্বীকার করতেও বিএনপি লজ্জা পায়।

    সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি মৃত্যুই বেদনার। আমরা সড়কে একটি মৃত্যুও চাই না। মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কুতুবপুরে যে দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটা সড়কের জন্য নয়।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক ও পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দুর্ঘটনা রোধে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’-এর অধীনে প্রণীত বিধিমালাও কার্যকর করা হয়েছে। দেশব্যাপী জাতীয় মহাসড়কগুলো পর্যায়ক্রমে সার্ভিস লেনসহ ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জাতীয় মহাসড়ক সার্ভিস লেনসহ ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ শেষ হয়েছে। একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্ঘটনাপ্রবণ স্পট ঝুঁকিমুক্ত করা হয়েছে। অন্যান্য স্পট ঝুঁকিমুক্ত করার কাজও হাতে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়কগুলো চিহ্নিত করে প্রকৌশলগত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থাপন করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় সাইন-সিগনাল। পণ্য পরিবহন চালকদের বিশ্রামের জন্য সিরাজগঞ্জের পাঁচিলায়, কুমিল্লার নিমসারে, হবিগঞ্জের জগদীশপুরে এবং মাগুরার লক্ষীকান্দরে ৪টি বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কে চালক, পরিবহন শ্রমিক ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনা বৃদ্ধির জন্যও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। গৃহীত সব পদক্ষেপের জন্য সরকারকে সাধুবাদ না জানিয়ে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলে শুধু সমালোচনার জন্য সরকারের সমালোচনা করে যাচ্ছে বিএনপি।

  • আগ্রাসন বা কোনো সংঘর্ষকে সমর্থন করি না: প্রধানমন্ত্রী

    আগ্রাসন বা কোনো সংঘর্ষকে সমর্থন করি না: প্রধানমন্ত্রী

    ধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যে কোনো সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করি আমরা। কোনো বিরোধ থাকলে সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা যায়। আমরা কখনই কোনো ধরনের আগ্রাসন বা কোনো সংঘর্ষকে সমর্থন করি না।’

    যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ক্যাবল নিউজ নেটওয়ার্ক (সিএনএন) টিভিকে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন। সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্ব মঙ্গলবার সকালে সম্প্রচার হয়েছে এবং দ্বিতীয় অংশটি রাতে প্রচারিত হবে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়ের জোরালো পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। অব্যাহত এই যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন ‘আমি মনে করি যে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এই যুদ্ধ (ইউক্রেনে) বন্ধ করতে বিশ্বের এগিয়ে আসা উচিত।’

    যুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে মন্তব্য জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে কোনো সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করি আমরা। কোনো বিরোধ থাকলে সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা যায়। আমরা কখনই কোনো ধরনের আগ্রাসন বা কোনো সংঘর্ষকে সমর্থন করি না।’

    তিনি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে প্রচেষ্টা চালানোর জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

    বিখ্যাত সাংবাদিক রিচার্ড কোয়েস্টের নেয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ইউক্রেনের যুদ্ধ, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এবং ঋণ দেয়ার মাধ্যমে চীনের সৃষ্ট মরণফাঁদ ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে অনেক প্রশ্নের জবাব দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করি। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত স্পষ্ট, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বিদ্বেষ নয়।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা এটি অনুসরণ করছি, তাই যখন আমরা কোনও মানবাধিকার লঙ্ঘন বা আক্রমণ দেখি, আমরা অবশ্যই এর বিরোধিতা করি। যুদ্ধ এক পক্ষের দ্বারা সংঘটিত হতে পারে না, উভয় পক্ষের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি দেশের নিজস্ব ভূখণ্ডে (স্বাধীনভাবে) বসবাস করার এবং তাদের নিজস্ব অঞ্চল রক্ষার অধিকার রয়েছে।’

    যুক্তরাষ্ট্র মনে করে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, তার দেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় সমর্থন করে এমন প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বাড়ছে।

    তিনি বলেন, ‘আমরা সকলের কাছাকাছি, চীন, যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত। যারা আমাদের উন্নয়নে সহযোগিতা করছেন, আমরা তাদের সঙ্গে আছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার। তারা বিনিয়োগ করছে এবং কিছু নির্মাণকাজ করছে, ‘এটিই মূল কথা।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা কারো ওপর নির্ভরশীল নই।’

    চীন থেকে ঋণ নেয়ার বিষয়ে আরেক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক। আমরা বিশ্বব্যাংক এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে বেশিরভাগ ঋণ নিয়ে থাকি। চীন থেকে আমাদের ঋণ খুবই কম। এটা শ্রীলঙ্কা বা অন্য কারো মতো নয়।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, অকারণে সরকার কোনো ঋণ বা কোনো মেগা প্রকল্প নেয় না। কোনো মেগা প্রকল্প বা ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে আমরা বিবেচনা করি কোন প্রকল্প থেকে আমরা রিটার্ন পেতে পারি এবং আমরা সুবিধাভোগী হব।

    রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে বাংলাদেশের কী প্রয়োজন জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি, তারা যেন তাদের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে চাপ দেয়। শুধু তাই নয়, আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে সংলাপও শুরু করেছি। দুর্ভাগ্যক্রমে, তারা সঠিকভাবে সাড়া দিচ্ছে না।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার ইতিমধ্যে চীন, আসিয়ান দেশ, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশের সাথে কথা বলেছে এবং মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে দেশটির ওপর চাপ দেয়ার জন্য তাদের অনুরোধ করেছে।

    তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, মিয়ানমার সরকার কারো কথাই শুনছে না। এটাই সমস্যা।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশি (এক কোটি) মানুষের প্রতিবেশী ভারতে আশ্রয় দেওয়ার কথা বিবেচনা করে মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ।

    তিনি বলেন, রোহিঙ্গা (১২ লাখ) বাংলাদেশের জন্য একটি ‘বড় বোঝা’ হয়ে উঠছে। কারণ দেশটিতে অতিরিক্ত জনসংখ্যা থাকা সত্ত্বেও তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের (রোহিঙ্গাদের) খাওয়াতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে তাদের (রোহিঙ্গাদের) খাওয়াতে হবে। আমাকে তাদের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে হবে।’ – বাসস

  • ফুসফুসকে ভালো রাখতে যা খাবেন

    ফুসফুসকে ভালো রাখতে যা খাবেন

    ফুসফুস সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে খাদ্য। বয়স বাড়ার কারণে, অত্যধিক পরিবেশ দূষণ এবং বিভিন্ন অসুখ-বিসুখের ফলে যাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে গেছে, তাদের খাবারের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ভিটামিন এবং পুষ্টি সমৃদ্ধ যেসব খাদ্য গ্রহণে ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, তার কিছু উদাহরণঃ:

    চর্বিযুক্ত মাছ: যেকোনো সামুদ্রিক মাছেই ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তবে বেশি পরিমানে পাবেন সামুদ্রিক মাছে যেমন ইলিশ, টুনা, সার্ডিন, স্যামন, ট্রাউট, হেরিং, কড মাছের তেলে। যা ফুসফুসের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    বেরি: ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি এবং অন্যান্য বেরিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ফুসফুসের টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।

    আপেল: আপেলের মধ্যে রয়েছে কোয়ারসেটিন, যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা সিগারেটের ধোঁয়া এবং দূষণের কারণে ফুসফুসকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

    ফল শাকসবজিঃ বেদানা, আপেল, আঙুর, কমলালেবু, পেয়ারা, গাজর, বিনস, শসা, কুমড়ো ইত্যাদি ফল ও শাকসবজি ফুসফুসের স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এগুলোতে থাকা ভিটামিন-সি, ভিটামিন-এ, ফ্ল্যাভোনয়েড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন শাকসবজি খান এবং খাবারের পরে ফল খান।

    আঁশযুক্ত শস্যঃ বাদামী চাল এবং পুরো গমের রুটির মতো গোটা শস্যে আঁশ বেশি থাকে, যা ফুসফুসের ভাল কার্যকারিতার সাথে যুক্ত।

    রসুন এবং পেঁয়াজঃ রসুন এবং পেঁয়াজে এমন যৌগ রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ফুসফুসের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    বাদামঃ বাদাম ভিটামিন ই এর একটি ভাল উৎস, যা ফুসফুসের টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।

    সর্বোত্তম ফুসফুসের কার্যকারিতা সমর্থন করার জন্য একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুষম খাদ্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। উপরন্তু, ধূমপান এড়ানো এবং বায়ু দূষণের সংস্পর্শ ফুসফুসের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।
    তথ্যসূত্রঃ হেলথ লাইন ও বোল্ড স্কাই

  • বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো পিএইচডি করানোর সুযোগ পাচ্ছে

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো পিএইচডি করানোর সুযোগ পাচ্ছে

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কয়েকটির পিএইচডি দিতে পারার, গবেষণা করার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। কাজেই আমরা ইউজিসির সঙ্গে কথা বলবো। যে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই সক্ষমতা তৈরি হয়েছে এবং কার কোন বিশেষ বিষয়ে সক্ষমতা তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে বিবেচনা করেই কাজটি শুরু করা উচিত। খুব শিগরিই ইউজিসির সঙ্গে কথা বলবো।

    রবিবার (১৯ মার্চ) ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের ২৩তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

    দেশের কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল-পিএইডি ডিগ্রি দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এসব বিশ্ববিদ্যালয় এবং যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও বিশেষ বিষয়ে সক্ষমতা তৈরি হয়েছে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এমফিল-পিএইচডি করাতে পারবে বলে জানান তিনি।

    সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন এডুকেশন সায়েন্স টেকনোলজি অ্যান্ড কালচারাল ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট-এর ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস সালমা করিম, আইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল হাই সরকার, , আইইউবির উপাচার্য তানভীর হাসান। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। এতে আইইউবির ট্রাস্টি, অভিভাবক এবং আইইউবির শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার সকল পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চাই। শিক্ষার মান বৃদ্ধি করার কোনও বিকল্প নেই। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোগত মান উন্নয়নের কাজ চলছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। দেশের উন্নয়নে আমাদের দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা অত্যাবশ্যক। সে কারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একটা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। উচ্চশিক্ষায় সরকারের ব্যাপক উদ্যোগ রয়েছে।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সক্ষমতা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছি, বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল গঠন করেছি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকশেন ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়ন করেছি, ব্লান্ডেড এডুকেশন মাস্টার প্লান তৈরি করা হয়েছে, শিক্ষা নিয়োগের ন্যূনতম যোগ্যতা নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে, বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অ্যাকাডেমিক মাস্টার প্লান প্রণয়ন করা, গবেষণাকে উৎসাহ প্রদানে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার ও উদ্ভাবনী ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লাইব্রেরি সুবিধা বিস্তৃতকরণ ও আবাসিক সুবিধা বৃদ্ধি, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ আসন সংখ্যা নির্দিষ্ট করা, ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিয়া সমন্বয়ের মাধ্যমে কর্ম জগতের চাহিদা অনুযায়ী কোর্স কারিকুলাম প্রণয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ইনস্টিটিউট প্রণয়নসহ উচ্চশিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।’

  • বিএনপি-জামায়াতকে কখনই জনগণ চায়না: প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপি-জামায়াতকে কখনই জনগণ চায়না: প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপি-জামায়াতকে কখনই জনগণ চায়না আর ক্ষমতায় আসতে দেবে না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন। মানুষ ভালো থাকলে বিএনপি-জামাতীদের মনে কষ্ট হয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মনে রাখতে হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এই মাটিতেই জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তিনিই এই দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। কাজেই তাঁর বাংলাদেশে কোনো মানুষ অন্ন কষ্ট পাবে না, গৃহহীন থাকবে না, শিক্ষার আলো বঞ্চিত থাকবে না- প্রত্যেকটি মানুষের জীবন মান উন্নত হবে।

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, বোমাবাজি, গুলি, গ্রেনেড হামলাকারী, ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাকারবারি, মানুষের অর্থ আত্মসাৎকারী, এতিমের অর্থ আত্মসাৎকারী এরা কোনোদিন এদেশে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। বাংলাদেশের মানুষ তাদের কখনো মেনে নেবে না।

    রবিবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনাসভায় সভাপতির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, এই বাংলাদেশ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলাদেশ এবং তিনি যেভাবে চেয়েছিলেন তাঁর বাংলাদেশ সেভাবেই বিশ্ব দরবারে সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলবে। জাতির পিতার জন্মদিনে এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা। এই প্রতিজ্ঞা নিয়েই আওয়ামী লীগ এবং এর প্রতিটি সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সভায় প্রারম্ভিক বক্তৃতা করেন। দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন সভায় বক্তৃতা করেন।

    এতে আরো বক্তৃতা করেন কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যাপক মেরিনা জাহান কবিতা, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও আবু আহমেদ মান্নাফী। দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং উপপ্রচার সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম সভাটি সঞ্চালনা করেন।

  • আপনার কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করুন

    আপনার কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করুন

    আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের কী-বোর্ড থেকে Windows+R বাটন চেপে করে ফেলতে পারেন আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে গতিময়। কিন্তু কীভাবে? আসুন জেনে নেই-

    ১. কী বোর্ডে Windows+R বাটন চাপুন এবং ডায়ালগ বক্সে লিখুন Recent এরপর Enter দিন । CTR+A চেপে সব ফাইল সিলেক্ট করে Delete চেপে সব ফাইল মুছে ফেলুন।

    ২. কী বোর্ডে Windows+R বাটন চাপুন এবং ডায়ালগ বক্সে লিখুন Prefetch এরপর Enter দিন । CTR+A চেপে সব ফাইল সিলেক্ট করে Delete চেপে সব ফাইল মুছে ফেলুন।

    ৩. কী বোর্ডে Windows+R বাটন চাপুন এবং ডায়ালগ বক্সে লিখুন Temp এরপর Enter দিন । CTR+A চেপে সব ফাইল সিলেক্ট করে Delete চেপে সব ফাইল মুছে ফেলুন।

    ৪. কী বোর্ডে Windows+R বাটন চাপুন এবং ডায়ালগ বক্সে লিখুন %Temp% এরপর Enter দিন । CTR+A চেপে সব ফাইল সিলেক্ট করে Delete চেপে সব ফাইল মুছে ফেলুন।

    ৫. কী বোর্ডে Windows+R বাটন চাপুন এবং ডায়ালগ বক্সে লিখুন Tree এরপর Enter দিলেই কম্পিউটার কিছুটা জ্যাম মুক্ত হয়।

    ফাইলগুলো ডিলিট করতে ভয় পাবেন না। কারন এসব কোনো ফাইলই আপনার কম্পিউটারের অরিজিনাল ফাইল না। এগুলো শুধু অযাচিত, জমে থাকা ফাইল, যেগুলো আপনার হার্ডডিস্কের জায়গা ঠিকই খেয়ে বসে থাকে।