Author: Hello Bangla News

  • ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্থাপত্য বিভাগের রজতজয়ন্তী পালন

    ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্থাপত্য বিভাগের রজতজয়ন্তী পালন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৫ আগস্ট, ২০২৩ : ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) স্থাপত্য বিভাগ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে তাদের রজতজয়ন্তী পালিত করেছে।

    রজতজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আজ শনিবার (০৫ আগষ্ট ২০২৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে ‘ওল্ড ঢাকা’ এবং ‘ইউএপি একোলেডস’ শীর্ষক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ, এমপি। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেনবিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট্রি বোর্ডের সদস্য কাইয়ুম রেজা চৌধুরি, ইঞ্জিনিয়ার এম. আবু তাহের, স্থপতি মাহবুবা হক, উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান মাহমুদ, স্কুল অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ও ডিজাইনের ডিন অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ মোশতাক আহমেদ, স্থাপত্য বিভাগের প্রধান ড. নবনীতা ইসলাম, প্রমুখ।

    আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ বলেন, ‘দেশের ঐতিহ্য ও ইতিহাস ধরে রাখার জন্য ইউএপি স্থাপত্য বিভাগ যে আয়োজন করছে ও যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে, তা প্রশংসনীয়। এইসকল প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে আমরা আমাদের ইতিহাসকে সংরক্ষণ করতে দৃড় প্রতিজ্ঞ।’

    অনুষ্ঠানে ইউএপির স্থাপত্য বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অর্জন নিয়ে সংকলিত বই ‘ইউএপি একোলেডস’র মোড়ক উন্মোচন হয়।

    বাংলাদেশি স্থাপত্যে আধুনিকতার জনক স্থপতি মাজহারুল ইসলামের আর্কাইভ রয়েছে ইউএপি স্থাপত্য বিভাগেই। মাজহারুল ইসলামের ১০০ তম জন্মদিনে অর্থ্যাৎ আগামী ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩ ইউএপি স্থাপত্য বিভাগ প্রকাশ করতে যাচ্ছে মাজহারুল ইসলামের কাজ নিয়ে দুটো বই। সেই বইয়ের মলাট উদ্বোধনীও করা হয় এই আয়োজনে।

    আয়োজন প্রসঙ্গে ড. আবু সায়ীদ এম আহমেদ বলেন, ‘ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্থাপত্য বিভাগের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৭ সালে। রজতজয়ন্তী উৎসবে আমাদের বেশ কয়েকটি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশটি হচ্ছে এক্সিবিশন। স্থাপত্য বিভাগ থেকে পুরোন ঢাকার হেরিটেজ বলয়কে প্রাধান্য দিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা কাজ করেছে। তারা অনুসন্ধানী চোখে খুঁজে বের করেছে ইতিহাসের অতল গহ্বরে হারিয়ে যেতে বসা স্থাপত্য ঐতিহ্যের অনুষঙ্গদের।’
    স্থাপত্যের ছাত্রছাত্রীদের সুচিন্তিত আর অনুসন্ধানভিত্তিক এই কর্মযজ্ঞই প্রদর্শিত হচ্ছে “Reminiscing Old Dhaka” শিরোনামে প্রদর্শনী ।

    এছাড়াও বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী-শিক্ষকগণ স্মৃতিচারণ করেন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন। এছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশ বরেণ্য শিল্পী বাপ্পা মজুমদার। বিপুল সংখ্যক দর্শক শৃঙ্খলার সঙ্গে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

    উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) স্থাপত্য বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। মাত্র ৫ জন ছাত্র নিয়ে শুরু হওয়া এই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ গ্রাজুয়েট সুনামের সাথে দেশ-বিদেশে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে কর্মরত আছে।

  • বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া খেলাধুলা ও সংস্কৃতির বিকাশ সম্ভব নয় : প্রধানমন্ত্রী

    বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া খেলাধুলা ও সংস্কৃতির বিকাশ সম্ভব নয় : প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ আগস্ট, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ক্রীড়া ও সংস্কৃতির উন্নয়নে বেসরকারি খাতকে পৃষ্ঠপোষকতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া খেলাধুলা ও সংস্কৃতির বিকাশ সম্ভব নয়।

    তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে দেশের ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশের জন্য সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতাও প্রয়োজন। পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এটি বিকশিত হতে পারে না।’

    তাঁর সরকারের বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দেয়ার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমি বলবো আমাদের এখানে এখন ব্যাবসা-বাণিজ্য, ব্যাংক-বীমা অনেক কিছু আমরা করে দিয়েছি। বেসরকারি খাত অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে। তারাই (খেলোযাড়রা) তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম সব জায়গায় তুলে ধরতে পারবেন। সেক্ষেত্রেও আপনাদের (ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তা) এই সহযোগিতাটুকু কিন্তু দরকার,’ যোগ করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) পুরস্কার-২০২৩ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মেয়েরা যদি সেই এভারেস্ট বিজয় করতে পারে অথবা এত স্বল্প সুযোগের মধ্যদিয়েও খেলোযাড়রা ক্রীড়াক্ষেত্রে যদি এত উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রাখতে পারে তাহলে এই সুনাম বাড়ানোর জন্যই দরকার পৃষ্ঠপোষকতা।’

    যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমাদের ক্রীড়াবিদরা দেশের জন্য আরো অনেক সুনাম বয়ে আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘যাদের বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে-আপনারাও কিন্তু একজন ক্রীড়াবিদকে চাকরি দিতে পারেন বা আপনাদেরও একটা ক্রীড়া সংগঠন থাকতে পারে। বিভিন্ন প্রতিভা ছড়িয়ে আছে সারা বাংলাদেশে। সেসব প্রতিভাগুলোকে আপনারা কুড়িয়ে আনেন এবং তাদের একটু সুযোগ করে দেন। আপনারা দেখবেন বাংলাদেশের জন্য এরাই সবথেকে বেশি সুনাম বয়ে আনবে।’
    জাতির পিতাই ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া ফাউন্ডেশন করে যান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাকে তাঁর সরকার পরবর্তীতে সীডমানি দিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে দেয়। সেখান থেকে বর্তমানে প্রায় ৫শ’ জনকে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রী খেলোযাড়দের পৃষ্ঠপোষকতা এবং কল্যাণ ফাউন্ডেশনে অনুদান প্রদানে সমাজের বিত্তবানদেরকেও এগিয়ে আসার আহবান জানান।

    তিনি বলেন, যারা বৃত্তশালী আছেন তাদেরকেও আমি বলবো ক্রীড়া সেবীদের কল্যাণে এই ফাউন্ডেশনে আপনারাও অনুদান দেবেন। কারণ, আমি জানি আপনাদের অনেক পুরনো খেলোয়াড় রয়েছেন যারা অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাদের চিকিৎসার কোন সুযোগ থাকে না। অনেকে আর্থিক সংকটেও পড়ে। কারণ, খেলাধুলাতো বেশি বয়স পর্যন্ত করা যায় না। কিন্তু তাদের পরবর্তী জীবনটা কেমন হবে, সেটাও একটা বড় কথা।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি যতক্ষণ আছি দিয়ে যাচ্ছি। যাদের ঘর নাই, তাদের ফ্লাট তৈরি করে দেওয়া বা জমি দেওয়া, খেলাধূলার সরঞ্জাম প্রদান বা চিকিৎসার ব্যবস্থা করা বা চিকিৎসা করিয়ে বিদেশ থেকে আনা-সব করে যাচ্ছি।

    সরকার প্রধান বলেন, ‘চিরদিনতো আর আমি থাকবো না, আর হয়তো এভাবে আর কেউ আন্তারিকতার সাথে করবেও না। কাজেই ভবিষ্যতে তারা ভাল কিছু করে চলতে পারে সেজন্যই আজকে আমাদের যারা বিত্তশালী আছেন তাদের আহবান করবো আপনারা একটু উদ্যোগ নেন বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তারাও একটু উদ্যোগ নেন।’

    তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন এবং যখন ছিলেন না তখনও তিনি খেলোয়াড়দেরকে সহযোগিতা করে গেছেন। বিশেষ করে আবাহনীর সাথে সম্পৃক্ত অধিকাংশ খেলোযাড়কে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন এবং সহযোগিতা করেছেন এবং করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন।

    অনেক গরিব পরিবারের ছেলে-মেয়েরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের জন্য স্বর্ণ জয় করে আনছে। বিশেষ করে প্রতিবন্ধিরা স্পেশাল অলিম্পিকে স্বর্ণ জয় করছে। তারা দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনছে এজন্য তারা যেন এসব প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে সেজন্য তাঁর সহযোগিতা রয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্রীড়া ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ জন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এবং দুইটি সংস্থার মাঝে ‘শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার-২০২৩’ প্রদান করেন।

    পুরস্কার বিজয়ীরা হলেন:

    আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় হকি দলের প্রথম অধিনায়ক আবদুস সাদেক।

    কৃতি খেলোয়াড়/ক্রীড়াবিদ হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন, ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ এবং ভারত্তোলনে সাউথ এশিয়ান স্বর্ণ পদক পাওয়া জিয়ারুল ইসলাম।

    উদীয়মান খেলোয়াড়/ক্রীড়াবিদ হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন টেবিল টেনিস খেলোয়াড় মুহতাসিন আহমেদ হৃদয় এবং হকি খেলোয়াড় আমিরুল ইসলাম।

    ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন কালসিন্দুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মালা রানী সরকার এবং তৃণমূলের হকি সংগঠক ফজলুল ইসলাম।

    ক্রীড়া অ্যাসোসিয়েশন/ফেডারেশন/ক্রীড়া সংস্থা হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ আর্চারী ফেডারেশন।

    ক্রীড়া পৃষ্ঠপোষক/স্পন্সর হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)। বিএবি’র পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার এবং চৌধুরী নাফিস সরাফাত।

    ক্রীড়া সাংবাদিক হিসেবে খন্দকার তারেক মো. নুরুল্লাহ এবং ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার আতাহার আলী খান।

    পুরস্কার হিসেবে প্রত্যককে এক লক্ষ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ দেওয়া হয়।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া সচিব ড. মহিউদ্দিন আহমেদ।

    প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান শেখ কামালের জীবন ও কর্মকান্ডের ওপর স্মৃতিচারণ করেন।

    শেখ কামাল এনএসসি পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন আবদুস সাদেক ও সাবিনা খাতুন।

    এসময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব উপস্থিত ছিলেন।

    যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো শেখ কামাল এনএসসি পুরস্কার চালু করে।

    একই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী ’বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি’ প্রদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তিনি ‘শেখ কামাল: ক্ষণজন্মা এক নক্ষত্র’ নামের একটি বইয়ের মোড়ক ও উন্মোচন করেন।

    অনুষ্ঠানের শুরুতেই মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবন ও কর্মকান্ডের ওপর একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রদর্শন করা হয়।

    উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন হতে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছর হতে ক্রীড়াক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া শিক্ষায় উৎসাহিত করার জন্য প্রথমবারের মতো ৫ম শ্রেণি হতে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাসিক ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা হারে বাৎসরিক ১২,০০০/- (বার হাজার) টাকা এবং একাদশ শ্রেণি হতে স্নাতক সম্মান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাসিক ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা হারে বাৎসরিক ২৪,০০০/- (চব্বিশ হাজার) টাকা করে মোট ৫শ’ জনকে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

    এরআগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে একটি বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট এবং একটি উদ্ধোধনী খাম প্রকাশ করেন। ১০ টাকা মূল্যমানের ডাকটিকিট, ৪০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্প, ১০ টাকার উদ্ধোধনী খাম এবং ৫ টাকার ডাটা কার্ড সম্বলিত একটি স্যুভেনির শিট উন্মুক্ত করেন তিনি।
    এ উপলক্ষে শেখ হাসিনা একটি বিশেষ সীলমোহর ও ব্যবহার করেন।

    বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামালের সাংগঠনিক দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও বহুমুখী প্রতিভার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘শেখ কামাল আজকে বেঁচে থাকলে আমাকে হয়তো এত বড় দায়িত্ব নিতে হতো না।’

    ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট কালরাতে বিপদগামী কিছু সেনা কর্মকর্তার নির্মম বুলেটের আঘাতে জাতির পিতা, বঙ্গমাতা, শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেলসহ পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হারানোর স্মৃতিরোমন্থনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মাসটা (আগস্ট) আমাদের শোকের মাস। এই মাসে কামালের জন্মদিন। কামাল আমার ছোট, আমরা পিঠাপিঠি দুই ভাই-বোন। খেলার সাথি, আন্দোলন-সংগ্রামেও একসঙ্গে ছিলাম। আমার, আমাদের পরিবার এবং সমগ্র জাতির জন্য আগস্ট অত্যন্ত কষ্টের, অত্যন্ত বেদনার মাস।

    ‘তাঁর ব্যক্তিত্ব ছিল অসাধারণ। সে অত্যন্ত বিনয়ী, নির্লোভ, নিরহংকার ও সদালাপী ছিল’ উল্লেখ করে বড়বোন শেখ হাসিনা শেখ কামালের সাদাসিদে জীবন যাপন সম্পর্কে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতির সন্তান হিসেবে সে কখনোই পরিচয় দিত না।

    শেখ হাসিনা বলেন, শেখ কামালের সাংগঠনিক দক্ষতা ছিল প্রবল। কিন্তু কখনো কোন নেতা হবার চেষ্টা বা কোন পদে যাওয়ার চেষ্টা করেন নি। ব্যবসা-বাণিজ্য করে পয়সা বানানোর চিন্তা কখনো তার মাথায় ছিল না। বরং এ ব্যাপারে সে অত্যন্ত সতর্ক ছিল।

    তিনি বলেন, পারিবারিকভাবে, সামাজিকভাবে সে অনেক দায়িত্বশীল ছিল। কারণ, আমার আব্বা তো বেশির ভাগ সময় ছিলেন জেল খানায়। সেই ছোট্ট বয়স থেকে মায়ের পাশে থেকে সংসারের কাজে কামাল সব সময় পাশে থাকতো। তার মধ্যে দায়িত্ববোধ ছোট্ট বেলা থেকে গড়ে উঠেছিল।

    ‘শেখ কামাল পড়াশোনাও মনোযোগী ছিল’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সে পড়াশোনার দিকেও অত্যন্ত মনোনিবেশ করতো। আমাদের বাসায়তো সব সময় লোকজন ভরা থাকতো, তারপরও তার পড়াশোনা সে চালিয়ে গেছে।

    খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আজকে এগিয়ে যাচ্ছে, ক্রীড়াঙ্গণ থেকে শুরু করে সবক্ষেত্রে আমরা যথেষ্ট অগ্রগামী।

    তিনি বলেন, আজকে খেলাধুলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। যার ভিত্তিটা তৈরি করে দিয়ে গিয়েছিল শেখ কামাল। এতে কোন সন্দেহ নাই। তার যে বহুমুখী প্রতিভা, এই বহুমুখী প্রতিভাটা বিকশিত হওয়ার আগেই চলে গেল এই পৃথিবী থেকে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, ব্যাডমিন্টন’র মতো বিভিন্ন খেলার সঙ্গে জড়িত থাকায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে শেখ কামালের অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে।

    তিনি বলেন, ‘শেখ কামাল আবাহনী লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করে দেশের ফুটবল খেলার উৎকর্ষ সাধনে বিশেষ অবদান রেখেছেন।’

    শেখ হাসিনা বলেন, খেলাধুলার পাশাপাশি শেখ কামাল বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেখ কামাল ‘স্পন্দন’ শিল্পি গোষ্ঠী গঠন করেন। তিনি আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন লোকজনকে তুলে আনার ও জনপ্রিয় করার প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। সেখানে ধ্রুব সংগীতের পাশাপাশি আধুনিক পশ্চিমা ধারার পপসংগীতও চালু করেছিল কামাল।

    অভিনয়ে শেখ কামালের দক্ষতার উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, কামাল নাটকেও ভালো অভিনয় করতেন। বিখ্যাত নাট্যদল ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিল সে।

    সূত্র: বাসস

  • শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ ডাকটিকিট প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ ডাকটিকিট প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ আগস্ট, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ একটি বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট এবং একটি উদ্ধোধনী খাম প্রকাশ করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক অনুষ্ঠানে ১০ টাকা মূল্যমানের ডাকটিকিট, ৪০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্প, ১০ টাকার উদ্ধোধনী খাম এবং ৫ টাকার ডাটা কার্ড সম্বলিত একটি স্যুভেনির শিট উন্মোচন করেন।

    এ উপলক্ষে শেখ হাসিনা একটি বিশেষ সীলমোহর ও ব্যবহার করেন।

    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হারুনুর রশীদ অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন। ডাক টিকিট এবং উদ্ধোধনী খাম আজ ঢাকা জিপিওর ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হবে এবং পরবর্তীতে সারা দেশের অন্যান্য জিপিও এবং প্রধান ডাকঘর গুলোতেও পাওয়া যাবে।

    সূত্র: বাসস

  • জন্মদিনে শহীদ শেখ কামালের সমাধিতে মেয়র তাপসের শ্রদ্ধা

    জন্মদিনে শহীদ শেখ কামালের সমাধিতে মেয়র তাপসের শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ আগস্ট, ২০২৩ : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

    পরে তিনি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের পক্ষে শহীদ শেখ কামালের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

    আজ শনিবার সকালে তিনি বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকীতে তার সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

    এ সময় মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস শহীদ শেখ কামালের কবর জেয়ারত ও তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করেন।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • খুনীরা শুধু বঙ্গবন্ধু নয়, বঙ্গবন্ধুর ছায়াকেও  ভয় পেত : তথ্যমন্ত্রী

    খুনীরা শুধু বঙ্গবন্ধু নয়, বঙ্গবন্ধুর ছায়াকেও ভয় পেত : তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ আগস্ট, ২০২৩ : তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের খুনীরা শুধু বঙ্গবন্ধু নয়, বঙ্গবন্ধুর ছায়াকেও ভয় পেত। সে কারণেই তারা মেধাবী তরুণ শেখ কামালসহ জাতির পিতার পরিবারের যতজনকে পেয়েছে, সেই রাতে হত্যা করেছে।

    আজ শনিবার ৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এ কথা বলেন।

    হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দুঃখের বিষয়, বিএনপির মিছিলে এখনো ‘পঁচাত্তরের হাতিয়ার গর্জে ওঠো আরেকবার’ স্লোগান দেওয়া হয়। এর মাধ্যমেই তারা স্বীকার করে নিচ্ছে যে, তাদের নেতা জিয়াউর রহমান যে ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার ভুয়া জন্মদিনে কেক কাটা সেই নির্মম হত্যাকাণ্ডকেই উপহাস করা। দেশ থেকে এই অপরাজনীতি চিরদিনের জন্য বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।’

    শেখ কামালের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ও তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, মেধাবী তরুণ শেখ কামাল মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে জীবন বাজি রেখে দেশ মাতৃকার জন্য লড়েছিলেন। বহু গুণে গুণান্বিত ক্রীড়া ও রাজনৈতিক সংগঠক, সংস্কৃতিকর্মী, জাতীয় ক্রিকেটার শেখ কামাল প্রতিষ্ঠিত আবাহনী ক্লাব দেশে আধুনিক ফুটবলের প্রবর্তক।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেঁচে থাকলে পরবর্তীতে দেশকে নেতৃত্ব দেয়াসহ জাতিকে অনেক কিছু দিতে পারতেন এমন এই মেধাবী তরুণকে মাত্র ২৬ বছর বয়সে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করা হয়েছিল। আমরা তার আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।

    সূত্র: বাসস

  • শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী, একজন তারুণ্যের রোল মডেল : প্রধানমন্ত্রী

    শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী, একজন তারুণ্যের রোল মডেল : প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ আগস্ট, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী, একজন তারুণ্যের রোল মডেল।

    আগামীকাল শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল-এর ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘অফুরন্ত প্রাণশক্তির অধিকারী মানুষটি একই সঙ্গে ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, ভদ্র, নির্লোভ, নিরহংকারী ও সদালাপী। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যেতেন অতি সাধারণ হয়ে। তিনি যেকোন মানুষের প্রয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এ উদ্যাপনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। দেশ স্বাধীনের পূর্বেই তিনি আবাহনী সমাজকল্যাণ সংস্থা গঠন করেন। মুক্তিযুদ্ধ থেকে ফিরে এসে আবাহনী ক্রীড়াচক্র প্রতিষ্ঠা করেন। ফুটবলের পাশাপাশি আবাহনী ক্রীড়াচক্রের অধীনে তিনি হকি, ক্রিকেট এবং টেবিল টেনিস দলও গঠন করেন। তিনি খেলোয়াড়দেরকে আধুনিক পোশাক এবং ক্রীড়া সামগ্রী সরবরাহ করতেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, খেলাধুলায় উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য শেখ কামাল স্বাধীন দেশে প্রথম ব্রিটিশ কোচ নিয়োগ করেন। এক পর্যায়ে তিনি আবাহনী ক্রীড়াচক্রের জেলা শাখা প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি খেলোয়াড়দের স্বাবলম্বী করার নানা উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি তাদের অবসর ভাতা প্রদানেরও পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সে লক্ষ্যে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট ১০ লাখ টাকা অনুদান নিয়ে ‘খেলোয়াড় কল্যাণ তহবিল’ গঠন করেন।

    তিনি বলেন, শেখ কামাল একাধারে যেমন দেশের সেরা ক্রীড়া সংগঠক এবং ক্রীড়াবিদ ছিলেন, তেমনি ছাত্র হিসেবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি মনেপ্রাণে দেশীয় সংস্কৃতি লালন এবং চর্চা করতেন। খেলাধুলা, সঙ্গীত, অভিনয়, বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা ইত্যাদি প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য। ‘স্পন্দন শিল্পীগোষ্ঠী’ প্রতিষ্ঠা করে তিনি সংস্কৃতি জগতে অমর হয়ে আছেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭৫-এর ১৫ আগস্ট এক ঘোর অমানিশায় স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকের দল জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে। সেই কালরাতে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে ঢুকে খুনিরা প্রথমেই হত্যা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালকে। কাপুরুষ হন্তারকদের দল শারীরিকভাবে শেখ কামালকে হত্যা করলেও বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার অভিযাত্রায় তাঁর প্রদর্শিত পথ, আদর্শ এবং দিক-নির্দেশনা আজও এক অনুকরণীয় মডেল।

    তিনি বলেন, ‘শেখ কামাল আমাদের মাঝে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে সদাজাগ্রত আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। আজ তাঁর ৭৪তম জন্মবার্ষিকীতে আমি তাঁকে গভীর মমতা এবং স্নেহপরশের মধ্য দিয়ে স্মরণ করছি। আমার বিশ্বাস, শেখ কামাল-এর গঠনমূলক চিন্তা-চেতনার বাস্তবায়ন করতে পারলে অচিরেই আমাদের ক্রীড়াঙ্গন আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সাফল্যের শিখড়ে অধিষ্ঠিত হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল-এর অবদানকে স্মরণীয় রাখার লক্ষ্যে এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ ক্রীড়ার বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন আজ তাদেরকে ‘শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার- ২০২৩’ প্রদান করা হচ্ছে। সম্মানজনক এ পুরস্কার প্রাপ্ত সকলকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি এ পুরস্কার ক্রীড়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আরো উৎসাহিত করবে এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে চলমান অগ্রযাত্রাকে আরো বেগবান করবে।

    প্রধানমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল-এর ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল অনুষ্ঠানের সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন।

    সূত্র: বাসস

  • দেশে তথ্যপ্রযুক্তি ও গণমাধ্যমের বিকাশ আমাদের স্মার্ট সমাজের পথে এগিয়ে নিচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

    দেশে তথ্যপ্রযুক্তি ও গণমাধ্যমের বিকাশ আমাদের স্মার্ট সমাজের পথে এগিয়ে নিচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ আগস্ট, ২০২৩ : তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বজনীন প্রসার ও গণমাধ্যমের যুগান্তকারী বিকাশ আমাদেরকে স্মার্ট সমাজের পথে এগিয়ে নিয়ে চলেছে।

    আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আফতাব নগরে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ৩য় আন্তর্জাতিক ‘তথ্য ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনা’ সম্মেলন উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

    মন্ত্রী এ সময় ‘স্মার্ট সমাজে সকলের যথাযথ তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ- ইনক্লুসিভ এন্ড ইকুইটেবল একসেস টু ইনফরমেশন ফর স্মার্ট সোসাইটি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে এ সম্মেলন আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার তথ্যের অবাধ প্রবাহে বিশ্বাস করে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। সে কারণেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ ডিজিটাল এবং গত সাড়ে ১৪ বছরে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের বিকাশ অভূতপূর্ব।’

    দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সেবাকেন্দ্র, দেশব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ, মানুষ একাধিক সিমকার্ড ব্যবহারের কারণে ১৭ কোটি মানুষের হাতে ১৮ কোটি মোবাইল সিমকার্ড বিশ্বজগতের তথ্য ও জ্ঞানকে সহজলভ্য করেছে উল্লেখ করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, এই তথ্য ও জ্ঞানকে বিবেচনা ও দক্ষতার সাথে ব্যবহার করতে পারলে জীবন আরও সমৃদ্ধ হবে।

    ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. মুহাম্মদ জিয়াউল হক মামুনের সভাপতিত্বে ইনফরমেশন স্টাডিজ বিভাগের চেয়ার ড. দিলারা বেগম অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জিলিয়ান অলিভার উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধের ওপর বক্তব্য রাখেন।

    তিনদিনব্যাপী এ সম্মেলনে দেশের গবেষকদের সাথে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং বসনিয়া-হার্জেগোভিনার গবেষকসহ ১৩টি দেশের প্রায় ৪০০ অংশগ্রহণকারী যোগ দিচ্ছেন।

    ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ও উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের সভাপতিত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাক-উদ্বোধনী অনলাইন সেশনের মাধ্যমে শুরু হওয়া এ সম্মেলন ৪২টি গবেষণাপত্র নিয়ে আলোচনা আগামীকাল শনিবার শেষ হচ্ছে।

    সূত্র: বাসস

  • চলতি বছর ৩৪ দেশে ২ হাজার ৭০০ টন আম রপ্তানি

    চলতি বছর ৩৪ দেশে ২ হাজার ৭০০ টন আম রপ্তানি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৪ আগস্ট, ২০২৩ : চলতি বছর ৩৪টি দেশে ২ হাজার ৭০০ টন আম রপ্তানি করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১ হাজার টন বেশি। গত বছর ২৮টি দেশে মোট ১ হাজার ৭৫৭ টন আম রপ্তানি হয়েছিল। আজ কৃষি মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

    কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, বিশ্ববাজারে দেশের আমের বিপুল চাহিদা থাকলেও উত্তম কৃষি চর্চাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানদন্ড মেনে আম উৎপাদন ও প্যাকেজিং না হওয়ায় রপ্তানির পরিমাণ কম। আম রপ্তানি বৃদ্ধি করতে কৃষি মন্ত্রণালয় রফতানিযোগ্য আমের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

    প্রকল্প পরিচালক মো. আরিফুর রহমান জানান, চলতি বছর আরো ১৫-২০ দিন আম রপ্তানি হবে।

    চলতি বছর ৩৪টি দেশের মধ্যে যুক্তরাজ্যে ১ হাজার ২৫৬ টন, ইতালিতে ২৯৬ টন, সৌদি আরবে ২৬০ টন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৩৭ টন, কাতারে ১১১ টন, সিঙ্গাপুরে ৫৫ টন, সুইজারল্যান্ডে ১৪ টন, জার্মানিতে ৭০ টন, ফ্রান্সে ৮৫ টন, সুইডেনে ৬৫ টন, কুয়েতে ২১৮ টন, কানাডায় ৪০ টন আম রপ্তানি করা হয়েছে।

    দেশে বছরে প্রায় ২৫ লাখ টন আম উৎপাদন হয়। কিন্তু উৎপাদনের তুলনায় রপ্তানির পরিমাণ অনেক কম। ২০১৭-১৮ সালে মাত্র ২৩২ টন, ২০১৮-১৯ সালে ৩১০ টন, ২০১৯-২০ সালে ২৮৩ টন, ২০২০-২১ সালে ১৬৩২ টন, ২০২১-২২ সালে ১ হাজার ৭৫৭ টন আম রপ্তানি হয়েছে।

    বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের আমের বিপুল চাহিদা থাকায় আন্তর্জাতিক মানদন্ড মেনে আম উৎপাদন ও প্যাকেজিং করার জন্য যে প্রকল্প করা হয়েছে সেই প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের উত্তম কৃষি চর্চা মেনে আম উৎপাদনসহ বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে বলে প্রকল্প কর্মকর্তা জানান।

    সূত্র: বাসস

  • হৃদয় দিয়ে আপনাদের ভালোবাসা উপলব্ধি করি :  প্রধানমন্ত্রী

    হৃদয় দিয়ে আপনাদের ভালোবাসা উপলব্ধি করি : প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ আগস্ট, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গতকাল ২ আগস্ট, রংপুরে সমাবেশে আগত মানুষের উদ্দেশে বলেন, “এই মাঠ ছোট বলে অনেকে বহুদূরে বসে আমার কথা শুনছেন। আপনাদের চোখের দেখা দেখতে পাচ্ছি না। তবে আপনারা আছেন আমার হৃদয়ে। হৃদয় দিয়ে আপনাদের ভালোবাসা উপলব্ধি করি।”

    এসময় তিনি আরও বলেন, “নৌকায় ভোট দিয়ে জনগণ দেশের স্বাধীনতা পেয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশের উন্নয়ন হয়। জনগণের ভাগ্য পাল্টেছে, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে এবং আওয়ামী লীগের সমর্থনে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গতকাল বিকেলে এখানে রংপুর জেলা স্কুল মাঠে বিভাগীয় মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখছিলেন, যা জনসমুদ্রে পরিণত হওয়ায় অনুষ্ঠানস্থল ও এর আশপাশের এলাকাগুলো নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে ওঠে । রংপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এই মহা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রী গত সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে উল্লেখ করে বলেন, “এই বদলে যাওয়া বাংলাদেশ আরো উন্নত হবে। উন্নয়নশীল দেশ, এর পরে উন্নত দেশ। ডেল্টা প্লান করে দিয়েছি। সবক্ষেত্রে দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আজকের তরুণ প্রজন্মই হবে আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারাই দেশকে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং আরো উন্নত করবে।” তিনি বলেন, একমাত্র নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আসলেই দেশের উন্নতি হয়। কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। নৌকা মার্কায় ভোট আছে বলে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ গেছে, বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে, এগিয়ে যাবে। কাজেই নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আবারো আপনারা আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন। সেটাই আমি আপনাদের কাছে চাই। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হাত তুলে প্রতিশ্রুতি দেয়ার অনুরোধ করলে, সকলে সমস্বরে দুই হাত তুলে প্রতিশ্রুতি দেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তার পিতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মা ও ভাইদের হারানোর পর থেকে তিনি বাংলাদেশের জনগণকেই তার আপনজন বিবেচনা করেছেন এবং প্রয়োজনে দেশবাসীর জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বাবা-মা-ভাই সব হারিয়েছি। বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশের জনগণ, এটাই তো আমার সংসার, এরাই আমার আপনজন। আপনাদের মাঝেই আমি খুঁজে পাই- আমার বাবা-মা’র স্নেহ, ভাই ও বোনে । কাজেই আপনাদের জন্য বাবার মত যদি প্রয়োজন হয়- এই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বাবার মত জীবন দিতেও আমি প্রস্তুত। সেই কথাটাও আমি আপনাদের জানিয়ে দিয়ে যেতে চাই।”
    প্রধানমন্ত্রী বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। সমাবেশে, তিনি ২ হাজার কোটিরও বেশি টাকা ব্যয়ে ২৭টি নবনির্মিত উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং অন্য পাঁচটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরআগে তিনি বেলা সোয়া ১টায় হেলিকপ্টারযোগে রংপুর সেনানিবাসের হেলিপ্যাডে পৌঁছান। সেখান থেকে তাকে রংপুর সার্কিট হাউসে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে তিনি রংপুর বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ এইচএন আশিকুর রহমান সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক একেএম সায়াদত হোসেন বকুল প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ড. দেলোয়ার হোসেন। মঞ্চে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিলে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়, সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। আওয়ামী লীগ আমলে কোন মঙ্গা হয়নি। ২০০১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে দুই হাতে টাকা পয়সা লুট করে। সে ও তার ছেলেরা মিলে এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। ২০০৯ সালে আমরা ক্ষমতায় আসার পরে মানুষের আর কোন কষ্ট হয়নি। এ সময় বিএনপি এবং তাদের সহযোগীদের বিভিন্ন সন্ত্রাস ও অপকর্মের কঠোর নিন্দা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এখানে একটা গোষ্ঠী আছে- যারা সব সময় বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলে। জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে সেই খেলা শুরু হয়েছিল। বার বার ক্ষমতা দখল আর হত্যা ক্যু ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাস্তায় চলন্ত বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, এরা কী মানুষের জাত ? ক্ষমতায় থাকতে লুটপাট করে খায়, আর ক্ষমতায় বাইরে থাকলে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। রাস্তাঘাট কেটে দিয়েছে, রাস্তার পাশের গাছ কেটেছে, আর পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করেছে। নতুন রেল কিনেছি, পুড়িয়ে দিয়েছে। বাস কিনেছি, পুড়িয়ে দিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরা এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করেছে, দেশের মানুষের টাকা আত্মসাৎ করেছে। তারেক রহমান ও স্ত্রী জোবাইদা রহমানের দুর্নীতির মামলায় এদিন আদালতের রায়ে উভয়ের ৯ বছর ও ৩ বছর করে কারাদণ্ড প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের দুর্নীতির মামলাতো আমরা করিনি। তাদের প্রিয় ইয়াজউদ্দিন ফখরুদ্দিন মইনুদ্দিন করেছে। সেই মামলায় তারা শাস্তি পেয়েছে। তারা দেশ ধ্বংস করে। আমরা সৃষ্টি করি। বিএনপি-জামাত জোট ২০০১ পরবর্তি শাসনামলে আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া শিক্ষার হার ৬৫ শতাংশ থেকে ৪৪ শতাংশে নামিয়ে ফেলারও সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। খালেদা জিয়া কেবল উর্দ্দু আর গণিত ছাড়া সকল বিষয়ে এসএসসিতে ফেল করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া নিজে ফেল করা বলে ভাবে কেউ পাস করবে না। এজন্য শিক্ষার হার তারা কমিয়ে ফেলেছে। আমরা আবার উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার হার বাড়িয়েছি। আমরা বিনামূল্যে বই দিচ্ছি। কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে দিচ্ছি।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমরা অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আন্দোলন করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছি। মানুষ শান্তিমত এখন ভোট দিতে পারে। ভোট দেয়ার জন্য আমরা ছবিসহ ভোটার লিস্ট করেছি। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স করেছি। আমাদের দরকার দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। অনেকেই ক্ষমতায় ছিলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া বাকি কেউ এই রংপুরের উন্নয়নে কাজ করেনি। এই নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আসলে কাজ হয়। নৌকা মার্কা ছাড়া হয় না। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে স্বাধীনতা পেয়েছেন। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আজকে দারিদ্র বিমোচন হয়েছে। হতদরিদ্র মাত্র ৫ শতাংশ। এটাও থাকবে না। যারা এক বেলা খাবার পেত না, এখন দুই বেলা তিন বেলা খাবার সুযোগ হয়েছে। এদেশের কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষ প্রত্যেকের ভাগ্য পরিবর্তনে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে। যার সুফল আপনারা পাচ্ছেন, দেশের মানুষ পাচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রী রংপুর তথা উত্তর বঙ্গের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে রংপুর বাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, তিনি খালি হাতে আসেননি। ২৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৫টিা ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করে রংপুর বাসীর উন্নয়ন যাতে ত্বরান্বিত হয় সেজন্য পদেক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি বলেন, “এগুলো আমি রংপুর বিভাগের জন্য আমার উপহার হিসেবে দিয়ে গেলাম।” আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিটি এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনাদের দীর্ঘদিনের গ্যাসের দাবি ছিলো সেজন্য বগুড়া রংপুর সৈয়দপুর গ্যাস লাইন করে দিচ্ছি। তাঁর সরকার রংপুরকে বিভাগ হিসেবে গড়ে তুলেছে এবং বিভাগীয় শহর হওয়ার জন্য যা যা সম্ভব তার সবকিছুই তৈরি করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করছে এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক হিসেবে গড়ে তুলছে। যাতে ভারত, ভুটান ও নেপাল ব্যবসা-বাণিজ্যে পারস্পরিক সুবিধার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারে। তিনি বলেন, তাঁরা সৈয়দপুরে ১৫০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করেছেন এবং ভারতের আসাম থেকে ডিজেল আমদানির পর একটি পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণেরও ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, সরকার লালমনিরহাটে ২০০ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। রংপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, ১০০ শয্যা বিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল ও একটি পুলিশ হাসপাতাল নির্মাণ করেছেন। তিনি বলেন, তারা বিখ্যাত চিলমারী বন্দর ও রংপুর সুগার মিল পুনরায় চালু করবেন এবং তিস্তা মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করবেন। রংপুর জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলায় তাঁর সরকারের উদ্যোগের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এর ফলে এই অঞ্চলে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। রংপুর বিভাগে খাল খনন ও নদী খননের কাজ চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    তিনি বলেন, তাঁর সরকার রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রামে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং লালমনিরহাটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যারোস্পেস অ্যান্ড এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করেছে। বাংলাদেশের মানুষও একদিন এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা নিয়ে মহাকাশ ও চাঁদে যাবে এবং বিমান বানাবে।
    ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলায় কোন মানুষ ঠিকানা বিহিন থাকবে না’ বলে দৃঢ় প্রত্যয় পুণর্ব্যক্ত করে তাঁর সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের ভুমিহীন-গৃহহীন মানুষদের ২ কাঠা জমিসহ করে দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের পুণর্বাসনের উদ্যোগও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ সময় দলের নেতা-কর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় ভূমিহীন-গৃহহীণ মানুষদের তালিকা প্রস্তুত করার আহবানও পুণরোল্লেখ করেন।
    রংপুরবাসীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “এখানকার জমি সোনার জমি। ভালো ফসল হয়। সবার কাছে আমার অনুরোধ, আমাদের মাটি আছে। উর্বর মাটি। সোনার ফসল ফলে। আমাদের এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে। যে যা পারেন চাষ করবেন। আপনারা প্রত্যেকে গাছ লাগাবেন। অন্তত ৩টি করে গাছ লাগাবেন। যার যতটুকু জমি আছে, ফসল ফলাবেন। কোন জমি যেন ফেলে রাখা না হয়।” সারাবিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। উন্নত বিশ্বও হিমশিম খাচ্ছে। সব কিছুর দাম বেড়েছে। এই অবস্থায়ও তাঁর সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    সূত্র: বাসস

  • শিল্পকলায় চলছে শোকাবহ আগস্টের মাসব্যাপী অনুষ্ঠানমালা

    শিল্পকলায় চলছে শোকাবহ আগস্টের মাসব্যাপী অনুষ্ঠানমালা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শোকাবহ আগস্টে ‘শোক থেকে শক্তির অভ্যুদয় স্বপ্ন বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রত্যয’ শিরোনামে, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮ তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে ১-৩১ আগস্ট ২০২৩ পর্যন্ত মাসব্যাপী নানা কর্মসূচী শুরু হয়েছে । মাসব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে ১লা আগস্ট ২০২৩ মঙ্গলবার বিকাল ৪.০০টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে নিয়ে সৃজত শিল্পকর্মের মাসব্যাপী বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহ উদ্দিন আহাম্মদ, চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিমসহ অনান্য বিভাগের পরিচালক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। একাডেমির চারুকলা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় চিত্রশালার ১নং গ্যালারিতে মাসব্যাপী এ প্রদর্শনী চলবে।

    উদ্বোধনী আয়োজনের শুরুতেই যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন একাডেমির শিল্পীবৃন্দ। এরপর প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। পরে একাডেমির মহাপরিচালক ও অন্যান্যরা গ্যালারি পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনীতে মোট ১২৩ জন শিল্পীর ১৫০ টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভাস্কর্য, স্থাপনাশিল্প, চিত্রকর্ম, আলোকচিত্র ও ভিডিও আর্টসহ সর্বমোট ১৫০ টি শিল্পকর্ম। প্রদর্শনীতে দেশবরেণ্য যেসব শিল্পীদের শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে তারা হলেন- সমরজিৎ রায় চৌধুরী, শিল্পী হাশেম খান, শিল্পী মনিরুল ইসলাম, শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ, শিল্পী বীরেন সোম, শিল্পী হামিদুজ্জামান খান, শিল্পী রফিকুন নবী, শিল্পী মিনি করিম, শিল্পী কামাল পাশা চৌধুরী, শিল্পী ফরিদা জামান, শিল্পী কনক চাঁপা চাকমা, শিল্পী তরুণ ঘোষ, শিল্পী শহিদ কবির, শিল্পী বিপদ ভঞ্জন সেন কর্মকার, শিল্পী কে এম আবদুল কাইয়ুম, শিল্পী নাসিম আহমেদ নাদভী, শিল্পী নাইমা হক, শিল্পী মোহাম্মদ ইউনুস, শিল্পী জামাল আহমেদ, শিল্পী রেজাউন নবী, শিল্পী রোকেয়া সুলতানা, শিল্পী জিএম খলিলুর রহমান, শিল্পী নাজমা আকতার, শিল্পী নিসার হোসেন, শিল্পী আতিয়া ইসলাম এ্যানি, শিল্পী কিরীটি রঞ্জন বিশ্বাস, শিল্পী সমীরণ চৌধুরী, শিল্পী সনজীব দাস অপু, শিল্পী শামসুল আলম আজাদ, শিল্পী প্রদ্যোত কুমার দাস, শিল্পী দেওয়ান মিজান, শিল্পী শাহজাহান আহমেদ বিকাশ ও শিল্পী মো. কামালুদ্দিন প্রমুখ।

    অন্যান্য অনুষ্ঠানগলির মধ্যে রয়েছে :
    ৫ আগস্ট- ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি’, উৰসর্গ: শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল। অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে।

    ৬ আগস্ট – বঙ্গবন্ধু স্মারক বক্তৃতা এবং শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি: রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু। অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে।

    ৭ আগস্ট- বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী প্রদর্শনী, অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে।

    ১৮ আগস্ট- ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি’ উৎসর্গ: বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে।

    ১৫ আগস্ট – জাতীয় শোক দিবস পালন এবং বঙ্গবন্ধুর উপর রচিত গ্রন্থের পাঠ পর্যালোচনা বিষয়ক বক্তৃতা। স্থান – জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন।
    – বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ- ধানমন্ডি ৩২।
    – বঙ্গবন্ধুকে অবলম্বন করে শিশুদের অংশগ্রহণে আর্টক্যাম্প, অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায়।

    ১৮ আগস্ট – বরেণ্য চারুশিল্পীদের অংশগ্রহণে আর্টক্যাম্প। অনুষ্ঠিত হবে টুঙ্গিপাড়া গোপালগঞ্জে।

    ২১ আগস্ট – ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা: স্থাপনাশিল্প প্রদর্শনী, অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।

    ২৯ আগস্ট – ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অনুষ্ঠান’ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে।

    ৩১ আগস্ট – আগস্টের মাসব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সমাপনী, অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তন।