Author: Hello Bangla News

  • বিএনপির নেতাদের ষড়যন্ত্র থামেনি: তথ্যমন্ত্রী

    বিএনপির নেতাদের ষড়যন্ত্র থামেনি: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: দম ফুরিয়ে গেলেও কিন্তু বিএনপির নেতাদের ষড়যন্ত্র থামেনি বলে জানিয়েছেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী  এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে তারা ড. ইউনূসের ওপর ভর করেছিল। বিভিন্ন সময় বিভিন্নজনের ওপর ভর করা বিএনপি যে কখন কবিরাজদের কাছে যায়, সেটাই দেখার বিষয়।’ মন্ত্রী আজ শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল চত্বরে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন।

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি তাদের মিত্রদের নিয়ে দেশে অশান্তি-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। তারা আবার ২০১৩, ১৪, ১৫ সালের মতো আগুনসন্ত্রাস, মানুষ ও গাড়ি-ঘোড়া পোড়ানো, সহায়-সম্পত্তিতে আগুন দেওয়ার অজুহাত তৈরির জন্য আন্দোলন-আন্দোলন খেলা খেলছে। সে কারণে সরকারি দল হিসেবে আমাদের শান্তি সমাবেশ।’

    হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গত ডিসেম্বরে বিএনপি নয়াপল্টনে তাদের পার্টি অফিসের সামনের রাস্তায় সমাবেশের গোঁ ধরেছিল, রাস্তায় নাশকতা শুরু করেছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতায় গুলশানের বাসায় থাকা দন্ডিত বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশেই নাকি ১০ ডিসেম্বর থেকে দেশ চলবে বলেছিল। এরপর তাদের অফিস থেকে পুলিশ তাজা বোমা, দুই লাখের বেশি পানির বোতল, বস্তা বস্ত চাল-ডাল উদ্ধারের পর তারা গেল গোলাপবাগ গরুর হাটে সমাবেশ করতে। তারপর থেকে তারা বিদেশিদের কাছে ধর্ণা দেয় আর প্রতি মাসেই বলে আওয়ামী লীগের দিন নাকি শেষ। এই করতে করতে তাদের আন্দোলনের হাট এখন ভেঙে গেছে, মির্জা ফখরুল সাহেবসহ নেতাদের দম ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু ষড়যন্ত্র থামেনি, নির্বাচন ভন্ডুলের চক্রান্ত থামেনি।’ তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন তিনি গ্রেফতারের আশংকায় আছেন। আমরা কাউকে গ্রেফতার করতে চাই না। কিন্তু ‘চোরের মনে পুলিশ পুলিশ’। তিনি যদি নাশকতা, হামলা বা কোনো অপরাধের পরিকল্পনা করেন, তাহলে নিজেই আশংকা করতে পারেন। কারণ আমরা গ্রেফতার করতে না চাইলেও অপরাধের পরিকল্পনাকারী ও অপরাধীদের পুলিশ ছেড়ে দেবে না।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ এম এ সাত্তার। সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগর দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সহসভাপতি সাদেক খান এমপি, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আজিজুল হক রানা । সমাবেশ শেষে আসাদ এভিনিউতে মিছিলের মাধ্যমে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।

    সূত্র: বাসস

  • বাইডেনের সেলফিতে শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ

    বাইডেনের সেলফিতে শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : দৃশ্যটি একবার ভাবুন পৃথিবীর সবথেকে শক্তিধর প্রেসিডিন্ট জো বাইডেন সেলফিতে শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদের ছবি তুলছেন। শুধু তাই নয় সবাই আবার আন্তরিক বন্ধুত্বসুলভ আলাপে মেতেছেন। এই ধরণের কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে। অবশ্যই বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    বাইডেনের সেলফিতে - জাতীয় - ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ (খ)
    বাইডেনের সেলফিতে – জাতীয় – ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ (খ)

    সায়মা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স, পূর্বের টুইটারে লিখেছেন, নয়াদিল্লিতে জি২০ সামিটে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে চমৎকার আলাপ হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি তার সাথে সার্বিক জনস্বাস্থ্যের অংশ হিসেবে মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবার গুরুত্ব এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় স্কুল মনোবিজ্ঞানীর বিষয় নিয়ে কথা বলেছি।’

    সায়মা ওয়াজেদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও তার নিজের বেশ কিছু ছবি আপলোড করেছেন যেখানে তাদের হাসিমুখে দেখা গেছে। একটি ছবিতে বাইডেনকে শেখ হাসিনা ও তার মেয়ের সঙ্গে নিজের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সেলফি তুলতে দেখা গেছে।

    একটি ছবিটিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন এবং তার মার্কিন সমকক্ষ অ্যান্থনি ব্লিংকেনকেও দেখা যাচ্ছে।

    কথোপকথনের সময় শেখ হাসিনা এবং বাইডেন শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    শনিবার জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীরা। এই শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ নেতারা যোগ দিয়েছেন।

    সূত্র: বাসস

  • আমাদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য চেষ্টা করতে হবে: শেখ হাসিনা

    আমাদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য চেষ্টা করতে হবে: শেখ হাসিনা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চলছে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন ২০২৩। আজ শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রগতি ময়দানে ভারত মন্ডপন সম্মেলন কেন্দ্রে ‘এক পরিবার’ শীর্ষক অধিবেশনে বক্তৃতাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বৈশ্বিক পরিবারের সমান সদস্য হিসাবে আমাদের অবশ্যই সকলের মর্যাদাপূর্ণ জীবন এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।’

    শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আগামী দিনে একটি উন্নত বিশ্ব গড়ার লক্ষে জি-২০ নেতাদের কাছে পাঁচ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন।

    সুপারিশগুলো হচ্ছে- প্রথম: টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়ন জি-২০ সহ সকল বহুপাক্ষিক উদ্যোগের আলোচ্যসূচির শীর্ষে থাকা উচিত।

    দ্বিতীয় সুপারিশে বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জি-২০-এর উচিত শুল্কমুক্ত, কোটা মুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার এবং একতরফা শুল্ক অগ্রাধিকারের বর্ধিতকরণ এবং মসৃণ ও টেকসই রূপান্তর নিশ্চিত করতে উত্তরণের পর একটি উল্লেখযোগ্য সময়সীমার জন্য ধারাবাহিক ভাবে ট্রিপস (টিআরআইপিএস) ছাড়ে সহায়তা করা।

    তৃতীয় মতামতে বলেন, জি-২০ কৃষিসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের মসৃণ, সময়োপযোগী এবং অনিশ্চিত সরবরাহ নিশ্চিত করতে তাদের বাজার খোলা রেখে দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোর পাশে দাঁড়াতে পারে।

    চতুর্থত সুপারিশ, তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ, ন্যায্য ও অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজ গঠনের জন্য বিশ্ব জনসংখ্যার অর্ধেক নারীর প্রতি সমান মনোযোগ দিতে হবে।

    শেখ হাসিনা তাঁর চূড়ান্ত সুপারিশে বলেছেন যে, বিশ্বব্যাপী মানব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে অংশীদার, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সহায়তায় দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ত্রিভুজাকার সহযোগিতা জোরদার করতে হবে।

    বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতিকে বিবেচনায় রেখে একটি ন্যায্য ও সুষ্ঠু অর্থনৈতিক শৃঙ্খলার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার সময় এসেছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি  জি-২০ উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সহায়ক হবে।’

    শেখ হাসিনা আরও বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারী, নিষেধাজ্ঞা এবং পাল্টা নিষেধাজ্ঞা যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলাকে ব্যাহত করেছে এবং খাদ্য, জ্বালানী এবং সার সংকট সারা বিশ্বের মানুষের ওপর অসহনীয় জীবনযাত্রা চাপিয়ে দিয়েছে।

    শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, ‘যদিও আমরা এক বিশ্ব, এক পরিবারের কথা বলি, আমরা কি সেটা দেখানোর জন্য কিছু করছি? প্রতি রাতে ৮০ কোটির ও বেশি মানুষ, বা বিশ্ব জনসংখ্যার ১০ শতাংশ, ক্ষুধা নিয়ে ঘুমাতে যায়। যেখানে, বিশ্ব প্রতি বছর সামরিক খাতে ১.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করে, অথচ ২৬ ঘন্টার সামরিক ব্যয়ের মাত্র ৫.৫ বিলিয়ন দিয়ে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব।

    এছাড়াও, বিশ্বব্যাপী বছরে নষ্ট হওয়া খাদ্য দিয়ে ২ শ’কোটি মানুষের খাদ্যের যোগান দেয়া সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘বরং এর পরিবর্তে দুঃখজনকভাবে ধনী দেশগুলো বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মতো দরিদ্রদের জন্য সাহায্য কমিয়ে দিচ্ছে।’

    বাংলাদেশের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে গণতন্ত্র ও জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরে আসে।

    তিনি আরো বলেন, ‘পরবর্তী সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক পরিবর্তন হয়েছে।’

    এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দারিদ্র্য ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশে, চরম দারিদ্র্য ৫ দশমিক ৬ শতাংশে এবং মাথাপিছু আয় পাঁচগুণ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, টেকসই উন্নয়নের জন্যে ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়ন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এসডিজি বাস্তবায়ন ও অর্জনের জন্য ‘সমগ্র সমাজ’ পদ্ধতি গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশ ২০২১ সালে এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেয়েছে।’

    তিনি উল্লেখ করেন যে, সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। শিক্ষার হার ২০০৬ সালের ৪৫ শতাংশ থেকে গত দেড় দশকে ৭৫.৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্তমানে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার ৯৮ শতাংশ।

    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে যেখানে গড় আয়ু ২০০৬ সালের ৫৯ বছর থেকে বেড়ে এখন ৭৩ বছর হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিশুমৃত্যুর হার ৮৪ থেকে প্রতি হাজারে ২১ এ নেমে এসেছে এবং মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখে ৩৭০ থেকে ১৬১ হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ১৮,৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্বাস্থ্যসেবা গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যাচ্ছে।

    জাতিসংঘ একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে এই প্রচেষ্টাকে ‘শেখ হাসিনা উদ্যোগ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আমরা কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনায়ও প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জন করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ শক্তিশালী চ্যাম্পিয়ন।

    ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্স রিপোর্ট-২০২২ অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষে রয়েছে।তাছাড়া আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের জ্ঞানভিত্তিক, আধুনিক, উন্নত দেশ বা সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করতে চাই।’

    সূত্র: বাসস

  • শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    www.HelloBangla.News – জাতীয় –  ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    জি-২০ সম্মেলনে যোগদানের জন্য ভারতের নয়াদিল্লি যাওয়ার আগে আজ শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সের্গেই ল্যাভরভ সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এ আহ্বান জানান।

    বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান জাহিদ তুষার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ‘পূর্ব এশিয়া’ সম্মেলনে যোগদান শেষে দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় পৌঁছেন ল্যাভরভ। স্বাধীনতার পর এটিই প্রথম কোনো রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর।

    বাংলাদেশ সফর শেষে ৯-১০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

    বৃহস্পতিবার রাতে ল্যাভরভ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

    গত বছরের নভেম্বরে ল্যাভরভের ঢাকা সফরের কথা থাকলেও সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে তাকে তা বাতিল করতে হয়।

    কোভিড-১৯ মহামারী, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কারণে খাদ্য, জ্বালানি ও সারের সংকটে বিশ্বব্যাপী উন্নয়নশীল দেশগুলো যাতে অর্থনৈতিক ঝুঁকির সম্মুখীন না হয় সেজন্য একটি সমাধান খুঁজে বের করার জন্য প্রধানমন্ত্রী রাশিয়াকে অনুরোধ জানান।

    তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব শান্তিপূর্ণ উপায়ে যুদ্ধ বন্ধ করা প্রয়োজন।

    বৈঠকে উভয় নেতা বলেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়া দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু। তারা এ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বন্ধুত্বপূর্ণ দুটি দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশে রাশিয়ার আরো বেশি বিনিয়োগ কামনা করেন।

    জবাবে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের পাশাপাশি বাংলাদেশ  থেকে তৈরি পোশাক পণ্য (আরএমজি) আমদানির কথা ভাবছেন।

    এ লক্ষ্যে ল্যাভরভ বাংলাদেশের কাছে আরএমজি পণ্য আমদানি এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আহ্বান করেন যা উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।

    দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন।

    শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়ার অবদান এবং যুদ্ধের পরপরই চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে মাইন অপসারণে রাশিয়া কীভাবে সহায়তা করেছিল সেকথা যথযথ সম্মানের সঙ্গে উল্লেখ করেন।

    রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ ও দায়িত্বশীল অবস্থানের প্রশংসা করেন।

    এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গৃহীত পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাস করে- “সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের স্বার্থে দৃঢ়ভাবে নীতি বজায় রাখে।”

    তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের স্বাধীনতার পরপরই জাতির পিতা ১৯৭২ সালে রাশিয়া সফর করেছিলেন।

    বৈঠকে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশে পারমাণবিক জ্বালানি আমদানি করা হবে। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনকে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

    এছাড়া, বৈঠকে রাশিয়া থেকে সার আমদানির জন্য দু’দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির উপায় খোঁজার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

    বৈঠকে রাশিয়া থেকে ৩ লাখ টন গম আমদানির বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    ল্যাভরভ বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন প্রমুখ ।

    সূত্র: বাসস

  • প্রধানমন্ত্রী জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি পৌঁছেছেন

    প্রধানমন্ত্রী জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি পৌঁছেছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় –  ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ৮-১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিল্লিতে পৌঁছেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে (স্থানীয় সময়) নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    বিমানবন্দরে পৌঁছার পর ভারতের রেলওয়ে ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা জার্দোস প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    এর আগে সকাল ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা তাঁর সফর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।

    জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার পর, ৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং শীর্ষ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যত’-এর অধীনে দুটি ভাষণ দেবেন।

    মোমেন বলেন, ‘ওয়ান আর্থ’ এবং ‘ওয়ান ফ্যামিলি’ সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, কভিড-১৯ মহামারীর পরে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, ইউরোপে যুদ্ধের ফলে জ্বালানি, খাদ্য এবং সারের মতো প্রয়োজনীয় পণ্যের বৈশ্বিক সরবরাহের মারাত্মক ব্যাঘাতের চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবেলা করা যায় তা তুলে ধরবেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের মেয়াদে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের অভিজ্ঞতা অংশগ্রহণকারী বিশ্ব নেতাদের কাছে তুলে ধরবেন।

    একই দিন প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো অ্যাঞ্জেল ফার্নান্দেজ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়ল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    ১০ সেপ্টেম্বর, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় এবং শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য দেশের নেতাদের সাথে রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে যোগ দেবেন তিনি। সম্মেলনের শেষ দিনে ‘জি- ২০ নয়া দিল্লি নেতাদের ঘোষণা’ গৃহীত হবে।

    ভারতের জি-২০ সভাপতিত্ব ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়েছিল এবং এই সভাপতিত্বের মেয়াদে ভারত বাংলাদেশসহ মোট নয়টি দেশের সব কটিকে জি-২০ সম্মেলনে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

    দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

    জি-২০ ১৯টি দেশ (আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তার্কিয়ে, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

    জি-২০ সদস্যরা বিশ্বব্যাপী জিডিপির প্রায় ৮৫ শতাংশ, বিশ্ব বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের বেশি এবং বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিনিধিত্ব করে।

    ভারতের জি-২০ সভাপতিত্ব ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়েছিল এবং এই সভাপতিত্বের মেয়াদে, ভারত বাংলাদেশসহ মোট নয়টি দেশের সবক’টিকে জি-২০ সম্মেলনে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

    দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

    জি-২০ ১৯টি দেশ (আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তার্কি, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

    জি-২০ সদস্যরা বিশ্বব্যাপী জিডিপির প্রায় ৮৫ শতাংশ, বিশ্ব বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের বেশি এবং বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিনিধিত্ব করে।

    আশা করা যাচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরবেন।

    সূত্র: বাসস

  • প্রধানমন্ত্রী জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন

    প্রধানমন্ত্রী জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় –  ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ শুক্রবার ( ৮ সেপ্টেম্বর) সকালে নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে সেখানে তিনি ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অবস্থান করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট আজ সকাল ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে।

    ফ্লাইটটি নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে অবতরণের কথা রয়েছে।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে তাঁর ভারতীয় সমকক্ষ নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দেবেন।

    মোমেন বলেন, ‘দুই প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

    তিনটি সমঝোতা স্মারক হল: ‘কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা’, ‘সাংস্কৃতিক বিনিময়’ এবং ‘দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের সহজীকরণ’।

    জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার পর, ৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং শীর্ষ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যত’-এর অধীনে দুটি ভাষণ দেবেন।

    মোমেন বলেন, ‘ওয়ান আর্থ’ এবং ‘ওয়ান ফ্যামিলি’ সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, কভিড-১৯ মহামারীর পরে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, ইউরোপে যুদ্ধের ফলে জ্বালানি, খাদ্য এবং সারের মতো প্রয়োজনীয় পণ্যের বৈশ্বিক সরবরাহের মারাত্মক ব্যাঘাতের চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবেলা করা যায় তা তুলে ধরবেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের মেয়াদে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের অভিজ্ঞতা অংশগ্রহণকারী বিশ্ব নেতাদের কাছে তুলে ধরবেন।

    একই দিন প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো অ্যাঞ্জেল ফার্নান্দেজ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়ল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    সূত্র: বাসস

  • চিকিৎসাক্ষেত্রের সুফল সাধারণ মানুষ যেন পায়: তথ্যমন্ত্রী

    চিকিৎসাক্ষেত্রের সুফল সাধারণ মানুষ যেন পায়: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় –  ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : চিকিৎসাক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষ যেন পায়, উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। এর সুফল যেন সাধারণ মানুষ পায় এবং ডাক্তার এবং হাসপাতালের ওপর যাতে মানুষ আরও আস্থা স্থাপন করতে পারে সেজন্য এসবের সাথে যারা যুক্ত আছেন তাদের আরো কিছু কাজ করা প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই। বস্তুগত উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশকে একটি সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে চাই। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবায় যুক্তদের ভুমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    আজ শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টশন প্রোগ্রাম ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে গত প্রায় ১৫ বছরে সরকারি বেসরকারি বহু মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়েছে। সারাদেশে প্রায় ১২ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে, প্রতি ছয হাজার মানুষের জন্য একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক। এসব কমিউনিটি ক্লিনিকে ৩০ প্রকারের ঔষধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। এটি আশপাশের দেশ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ কোথাও নেই। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এসব কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপিত হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে গেছে বিধায় স্বাধীনতার পর আমাদের গড় আয়ু যেখানে ছিল ৩৯ বছর সেটি এখন ভারত পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে ৭৩ বছরে উন্নিত হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের ডাক্তাররা অনেক মেধাবী। কিন্তু বিভিন্ন হাসপাতাল এবং ক্লিনিকের অতিরিক্ত মুনাফা লাভের প্রবৃত্তি আমাদের চিকিৎসাসেবা এবং ডাক্তারদের উপর আস্থাহীনতা তৈরি করছে এবং সাধারণ মানুষকে প্রচন্ড ভোগাচ্ছে। অনেক সময় শোনা যায়, রোগীকে আইসিইউতে দেয়ার প্রয়োজন নেই, তবু দিয়ে রেখেছে। রোগী এমনিতেই মৃত্যুবরণ করবে, সেটাকে লাইফ সাপোর্টে দিচ্ছে। এরকম অহরহ ঘটনা শুনতে পায়। এব্যাপারে সবচেয়ে প্রয়োজন সদিচ্ছার।’

    এ সময় বহির্বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন,  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজকে জি-২০ সম্মেলনে যাচ্ছেন। জি-২০’র বর্তমান প্রেসিডেন্ট হচ্ছে ভারত। এই উপমহাদেশ থেকে আর কাউকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, শুধুমাত্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, গতকাল রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে এসেছেন, আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী আসবেন। কয়েকদিন আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের নিরাপত্তা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের বহুমুখি সহযোগিতা এবং বহুমাত্রিক সম্পর্কের প্রমাণ হচ্ছে তাদের সাথে আমাদের নিরাপত্তা সংলাপ।

    তিনি বলেন, বিএনপির কথায় মনে হচ্ছে এডিস মশার জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী। মশা আওয়ামী লীগ, বিএনপি চেনে না। আমাদের সরকার ও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং জনগণের সচেতনতায় আমরা ডেঙ্গুকে সফলভাবে মোকাবেলা করতে পারবো, যেভাবে করোনাকে মোকাবেলা করেছি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি মোহাম্মদ রেজাউল করিম আজাদের। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা দেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খাঁন, ট্রাস্টি বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. মোরশেদ হোসেন এবং অধ্যক্ষ প্রফেসর অসীম বড়ুয়া।

    সূত্র: বাসস

     

  • সায়মা ওয়াজেদের স্যুভেনির উপহার দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদিকে

    সায়মা ওয়াজেদের স্যুভেনির উপহার দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদিকে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র কন্যা সায়মা ওয়াজেদ এখন নয়াদিল্লিতে অবস্থান করছেন। তিনি ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) থিম্যাটিক অ্যাম্বাসেডর এবং অটিজম ও নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন। আজ শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটি স্যুভেনির উপহার দিয়েছেন সায়মা ওয়াজেদ ।নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে এই স্যুভেনিরটি তিনি হস্তান্তর করেছেন।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।

    আজ শুক্রবার বিকেলে এখানে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বাংলাদেশ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একটি ফলপ্রসূ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছালে নরেন্দ্র মোদি তাকে স্বাগত জানান।

    শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ তিন দিনের সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন ।

    সূত্র: বাসস

  • রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন

    রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।

    আজ শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।

    জাদুঘরের অভ্যন্তর পরিদর্শন করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

    এর আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

    ল্যাভরভ দুই দিনের সফরে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় আসেন, এটি স্বাধীনতার পর রাশিয়ার কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বাংলাদেশ সফর।

    রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বাংলাদেশ সফর শেষে নয়াদিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেবেন।

    সূত্র: বাসস

  • রাশিয়া পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    রাশিয়া পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : মস্কো সমন্বিত পারমাণু পরীক্ষা নিষিদ্ধ চুক্তি (সিটিবিটি) এবং পরমানু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণে প্রচলিত ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন, রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ।

    ‘সের্গেই রিয়াবকভ চুক্তির প্রতি এবং পারমাণু নিরস্ত্রকরণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে রাশিয়ার প্রতিশ্রুতির উপর জোর দিয়েছেন।’

    রাশিয়া জানিয়েছে, পরমানু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি সংক্রান্ত প্রিপারেটরি কমিশনের নির্বাহী সচিব রবার্ট ফ্লয়েডের সাথে সিনিয়র কূটনীতিকের বৈঠকের পর রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে খবরটি প্রকাশিত হয়।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, দলগুলো সিটিবিটি ও প্রিপারেটরি কমিশনের সাথে মস্কোর প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেছে, যার মধ্যে রাশিয়ায় আন্তর্জাতিক মনিটরিং সিস্টেমের একটি অংশ তৈরি করা, যা ‘সিটিবিটি যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার একটি মূল উপাদান।’

    প্রিপারেটরি কমিশন সম্পর্কে সিটিবিটিও প্রিপারেটরি কমিশন ১৯৯৬ সালের নিউইয়র্ক সভায় সিটিবিটি-তে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর গৃহীত প্রস্তাব অনুসারে গঠিত হয়েছিল। এটির প্রধান কাজ হল সিটিবিটি কার্যকর করার সুবিধার্থে কার্যক্রম গ্রহণ করা এবং এটি শুরু হওয়ার সময় একটি যাচাইকরণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

    সূত্র: বাসস