Author: Hello Bangla News

  • বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে থাকছেন সৈকত

    বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে থাকছেন সৈকত

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আইসিসি ওয়ানডে পুরুষ বিশ্বকাপে ম্যাচ। উক্ত বিশ্বকাপে লিগ রাউন্ডের জন্য আজ ঘোষিত ২০ জন আম্পায়ারের তালিকা।উক্ত তালিকায় প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ম্যাচ  পরিচালনা করবেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহিদ  সৈকত।

    জানা গেছে, ৫ অক্টোবর আহমেদাবাদে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বর্তমানে আইসিসির ইর্মাজিং আম্পায়ার প্যানেলে থাকা সৈকত।

    বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, ‘আগামী ৫ অক্টোবর আহমেদাবাদে গত বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচের রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন শ্রীনাথ। অন ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন মেনন এবং ধর্মসেনা। টিভি আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন পল উইলসন এবং চতুর্থ আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করবেন সৈকত।’

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘লিগ পর্বের জন্য ম্যাচ অফিসিয়ালদের নাম ঘোষনা করা হয়েছে। সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল ম্যাচের অফিসিয়ালদের নাম যথাসময়ে ঘোষনা করা হবে।’

    খেলোয়াড়ী জীবনে বাঁ-হাতি স্পিনার সৈকত এ পর্যন্ত  ৯টি টেস্ট এবং ৪৩টি টি-টোয়েন্টিতে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। যা বাংলাদেশি আম্পায়ারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। ৫২টি ওয়ানডেতেও আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সৈকত। যা বাংলাদেশি আম্পায়ারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

    আইসিসির ক্রিকেট মহাব্যবস্থাপক ওয়াসিম খান বলেছেন, ‘এই ধরনের ইভেন্ট পরিচালনার জন্য সব ক্ষেত্রেই সেরা পারফরমেন্স করা ব্যক্তিদের প্রয়োজন। আইসিসি এলিট প্যানেলের আম্পায়ার, রেফারি এবং ইর্মাজিং গ্রুপের আম্পায়াররা বিশ্বকাপে দক্ষতা-অভিজ্ঞতা এবং মানসম্পন্ন হয়ে আসবে। এই টুর্নামেন্টের জন্য আমরা যে দলটিকে একত্রিত করেছি সেটির জন্য আমরা আনন্দিত।’

    সূত্র: বাসস

  • শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    www.HelloBangla.News – জাতীয় –  ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    জি-২০ সম্মেলনে যোগদানের জন্য ভারতের নয়াদিল্লি যাওয়ার আগে আজ শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সের্গেই ল্যাভরভ সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এ আহ্বান জানান।

    বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান জাহিদ তুষার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ‘পূর্ব এশিয়া’ সম্মেলনে যোগদান শেষে দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় পৌঁছেন ল্যাভরভ। স্বাধীনতার পর এটিই প্রথম কোনো রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর।

    বাংলাদেশ সফর শেষে ৯-১০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

    বৃহস্পতিবার রাতে ল্যাভরভ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

    গত বছরের নভেম্বরে ল্যাভরভের ঢাকা সফরের কথা থাকলেও সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে তাকে তা বাতিল করতে হয়।

    কোভিড-১৯ মহামারী, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কারণে খাদ্য, জ্বালানি ও সারের সংকটে বিশ্বব্যাপী উন্নয়নশীল দেশগুলো যাতে অর্থনৈতিক ঝুঁকির সম্মুখীন না হয় সেজন্য একটি সমাধান খুঁজে বের করার জন্য প্রধানমন্ত্রী রাশিয়াকে অনুরোধ জানান।

    তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব শান্তিপূর্ণ উপায়ে যুদ্ধ বন্ধ করা প্রয়োজন।

    বৈঠকে উভয় নেতা বলেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়া দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু। তারা এ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বন্ধুত্বপূর্ণ দুটি দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশে রাশিয়ার আরো বেশি বিনিয়োগ কামনা করেন।

    জবাবে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের পাশাপাশি বাংলাদেশ  থেকে তৈরি পোশাক পণ্য (আরএমজি) আমদানির কথা ভাবছেন।

    এ লক্ষ্যে ল্যাভরভ বাংলাদেশের কাছে আরএমজি পণ্য আমদানি এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আহ্বান করেন যা উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।

    দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন।

    শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়ার অবদান এবং যুদ্ধের পরপরই চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে মাইন অপসারণে রাশিয়া কীভাবে সহায়তা করেছিল সেকথা যথযথ সম্মানের সঙ্গে উল্লেখ করেন।

    রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ ও দায়িত্বশীল অবস্থানের প্রশংসা করেন।

    এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গৃহীত পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাস করে- “সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের স্বার্থে দৃঢ়ভাবে নীতি বজায় রাখে।”

    তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের স্বাধীনতার পরপরই জাতির পিতা ১৯৭২ সালে রাশিয়া সফর করেছিলেন।

    বৈঠকে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশে পারমাণবিক জ্বালানি আমদানি করা হবে। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনকে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

    এছাড়া, বৈঠকে রাশিয়া থেকে সার আমদানির জন্য দু’দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির উপায় খোঁজার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

    বৈঠকে রাশিয়া থেকে ৩ লাখ টন গম আমদানির বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    ল্যাভরভ বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন প্রমুখ ।

    সূত্র: বাসস

  • প্রধানমন্ত্রী জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি পৌঁছেছেন

    প্রধানমন্ত্রী জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি পৌঁছেছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় –  ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ৮-১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিল্লিতে পৌঁছেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে (স্থানীয় সময়) নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    বিমানবন্দরে পৌঁছার পর ভারতের রেলওয়ে ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা জার্দোস প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    এর আগে সকাল ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা তাঁর সফর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।

    জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার পর, ৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং শীর্ষ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যত’-এর অধীনে দুটি ভাষণ দেবেন।

    মোমেন বলেন, ‘ওয়ান আর্থ’ এবং ‘ওয়ান ফ্যামিলি’ সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, কভিড-১৯ মহামারীর পরে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, ইউরোপে যুদ্ধের ফলে জ্বালানি, খাদ্য এবং সারের মতো প্রয়োজনীয় পণ্যের বৈশ্বিক সরবরাহের মারাত্মক ব্যাঘাতের চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবেলা করা যায় তা তুলে ধরবেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের মেয়াদে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের অভিজ্ঞতা অংশগ্রহণকারী বিশ্ব নেতাদের কাছে তুলে ধরবেন।

    একই দিন প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো অ্যাঞ্জেল ফার্নান্দেজ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়ল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    ১০ সেপ্টেম্বর, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় এবং শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য দেশের নেতাদের সাথে রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে যোগ দেবেন তিনি। সম্মেলনের শেষ দিনে ‘জি- ২০ নয়া দিল্লি নেতাদের ঘোষণা’ গৃহীত হবে।

    ভারতের জি-২০ সভাপতিত্ব ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়েছিল এবং এই সভাপতিত্বের মেয়াদে ভারত বাংলাদেশসহ মোট নয়টি দেশের সব কটিকে জি-২০ সম্মেলনে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

    দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

    জি-২০ ১৯টি দেশ (আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তার্কিয়ে, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

    জি-২০ সদস্যরা বিশ্বব্যাপী জিডিপির প্রায় ৮৫ শতাংশ, বিশ্ব বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের বেশি এবং বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিনিধিত্ব করে।

    ভারতের জি-২০ সভাপতিত্ব ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়েছিল এবং এই সভাপতিত্বের মেয়াদে, ভারত বাংলাদেশসহ মোট নয়টি দেশের সবক’টিকে জি-২০ সম্মেলনে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

    দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

    জি-২০ ১৯টি দেশ (আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তার্কি, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

    জি-২০ সদস্যরা বিশ্বব্যাপী জিডিপির প্রায় ৮৫ শতাংশ, বিশ্ব বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের বেশি এবং বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিনিধিত্ব করে।

    আশা করা যাচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরবেন।

    সূত্র: বাসস

  • প্রধানমন্ত্রী জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন

    প্রধানমন্ত্রী জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় –  ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ শুক্রবার ( ৮ সেপ্টেম্বর) সকালে নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে সেখানে তিনি ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অবস্থান করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট আজ সকাল ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে।

    ফ্লাইটটি নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে অবতরণের কথা রয়েছে।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে তাঁর ভারতীয় সমকক্ষ নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দেবেন।

    মোমেন বলেন, ‘দুই প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

    তিনটি সমঝোতা স্মারক হল: ‘কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা’, ‘সাংস্কৃতিক বিনিময়’ এবং ‘দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের সহজীকরণ’।

    জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার পর, ৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং শীর্ষ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যত’-এর অধীনে দুটি ভাষণ দেবেন।

    মোমেন বলেন, ‘ওয়ান আর্থ’ এবং ‘ওয়ান ফ্যামিলি’ সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, কভিড-১৯ মহামারীর পরে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, ইউরোপে যুদ্ধের ফলে জ্বালানি, খাদ্য এবং সারের মতো প্রয়োজনীয় পণ্যের বৈশ্বিক সরবরাহের মারাত্মক ব্যাঘাতের চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবেলা করা যায় তা তুলে ধরবেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের মেয়াদে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের অভিজ্ঞতা অংশগ্রহণকারী বিশ্ব নেতাদের কাছে তুলে ধরবেন।

    একই দিন প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো অ্যাঞ্জেল ফার্নান্দেজ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়ল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    সূত্র: বাসস

  • সুপার ফোরে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারাল পাকিস্তান

    সুপার ফোরে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারাল পাকিস্তান

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : এশিয়ন কাপে শেষ ম্যাচে শান্ত অসাধারণ এক সেঞ্চুরি করে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। বড়ো রান করার সুবাদে সুপার ফোর নিশ্চিত হয়। সেই ম্যাচে অপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতে নেমে সেঞ্চুরি করে মিরাজ সঙ্গে এক উইকেট।হয়েছিলেন ম্যাচসেরা।সেই শান্ত যখন আহত হয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেনে তখন মিরাজ কোন রান না করেই আউট হয়ে গেলেনে। শুরুতেই চার উইকেট হারিয়ে লিড়েছেন অধিনায়ক সাকিব ও মুশফিক।কিন্তু জেতার মতো সংগ্রহ করতে পারেনি। শুরুতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৯৩ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। জবাব দিতে নেমে ৬৩ বল হাতে রেখেই জয় পায় পাকিস্তান।

    বুধবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ।

    ছোট লক্ষ্যে খেলতে নেমে সাবধানী শুরু করে পাকিস্তান। সুইংয়ের দারুণ ব্যবহারে দুর্দান্ত বল করেন শরিফুল ইসলাম। যদিও উইকেটের দেখা মিলছিল না। ইনিংসের নবম ওভারে গিয়ে প্রথম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ, সেটিও এনে দেন শরিফুলই। তার বলে আউট হওয়ার আগে ৩১ বলে ২০ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে যান তিনি।

    শেষে অবশ্য উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ, তবে সাজঘরে ফেরেন বাবর আজম। ২২ বলে ১৭ রান করা বাবর আজমকে বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। তিনি তার পুরো স্পেলজুড়েই করেন দুর্দান্ত বোলিং। কিন্তু ইমাম-উল-হকের উইকেট যতক্ষণে যায়, ততক্ষণে ম্যাচ হাত থেকে বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশের।

    ৩৩তম ওভারের পঞ্চম বলে গিয়ে আউট হন ইমাম। তখন পাকিস্তানের রান ১৫৯। ৮৪ বলে ৭৮ রান করা ইমামকে বোল্ড করেন মিরাজ। দলকে বাকি পথ টেনে নেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও আগা সালমান। ৭৯ বলে ৬৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান।

    এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের হতাশার শুরু হয় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই। আগের ম্যাচে মেক শিফট ওপেনার হয়ে খেলতে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ হাঁকিয়েছিলেন সেঞ্চুরি। তাকে এ ম্যাচেও নামানো হয়েছিল উদ্বোধনী ব্যাটার হিসেবে। কিন্তু নাঈম শেখ প্রথম ওভার মেডেন দেওয়ার পর দ্বিতীয়টিতে এসে মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই আউট হয়ে যান মিরাজ। প্যাডে আসা বল স্কয়ার লেগে অপ্রত্যাশিতভাবে ক্যাচ দেন তিনি।

    জ্বরের কারণে আগের দুই ম্যাচে না থাকা লিটন দাস একাদশে ফেরেন হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তর জায়গায়। উইকেটে এসে দারুণ কিছু শটও খেলেন তিনি। কিন্তু পা দেন শাহিন শাহ আফ্রিদির ফাঁদে। কয়েকটি বল ব্যাটে খেলিয়ে, স্লোয়ার দিয়ে, হুট করেই জোরের ওপর বাউন্সার করেন তিনি। সেটি বুঝতে না পারা লিটনের ব্যাটের কানায় বল লেগে চলে যায় উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসে। আউট হয়ে সাজঘরে ফিরতে ৪ চারে ১৩ বলে ১৬ রান করে।

    নাঈম শেখও কিছু শটে আত্মবিশ্বাসের ছাপ রাখছিলেন। কিন্তু এই ব্যাটারও বড় করতে পারেননি ইনিংস। ৪ চারে ২৫ বলে ২০ রান করে হারিস রউফের বলে পুল করতে যান তিনি। টাইমিং ঠিকঠাক মতো হয়নি, নিজেই সহজ ক্যাচ নেন রউফ। এরপর হারিস রউফের গতিতে পরাস্ত হন তাওহীদ হৃদয়ও। ৯ বলে ২ রান করে তিনি হয়ে যান বোল্ড।

    পাওয়ার প্লের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলকে ধীরে ধীরে টেনে তোলেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান। দুজনই দারুণভাবে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দলকে। আশাও বাড়ছিল বড় রানের। এর মধ্যে জুটির একশর সঙ্গে সাকিবের হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ হয়। কিন্তু এরপরই যেন বিভ্রান্ত হয়ে যান সাকিব। তার পেটের কাছে থাকা বলে পুল করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন তিনি। ফাহিম আশরাফের বলে আউট হওয়ার আগে ৫৭ বলে ৫৩ রান করেন সাকিব।

    দলের বিপদ এরপর কেবল বেড়েছেই। শামীম পাটোয়ারীকে সাত নম্বরে পাঠানো হয়। তিনি একটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কাও হাঁকান। কিন্তু ইফতেখার আহমেদের বলে ২৩ বলে ১৬ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। মুশফিকুর রহিমও তিলে তিলে তৈরি করা ইনিংসের শেষটা করতে পারেননি ঠিকভাবে।

    ৫ চারে ৮৭ বলে ৬৪ রান করে মুশফিক রউফের বলে মারতে গিয়ে রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দেন। আট ব্যাটার নিয়ে খেলতে নামা বাংলাদেশের শেষ স্বীকৃত ব্যাটার ছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু তিনি নাসিম শাহের শট বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১১ বলে ১২ রান করেন। বাংলাদেশের টেল গুটাতে এরপর আর সময় নেয়নি। হারিস রউফ চার, নাসিম শাহ তিন ও শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন এক উইকেট।

    বাংলাদেশ একাদশ

    নাঈম শেখ, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, শামীম পাটোয়ারী, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও শরীফুল ইসলাম।

    পাকিস্তান একাদশ-

    বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান (সহ-অধিনায়ক), ফখর জামান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলী আগা, ইফতিখার আহমেদ, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), ফাহিম আশরাফ, নাসিম শাহ, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফ।

    ম্যাচ সেরা হয়েছেন, হারিস রউফ।

    সূত্র: বাসস

  • রাজধানীতে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় উঠে এলো শ্রীকৃষ্ণের জীবন

    রাজধানীতে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় উঠে এলো শ্রীকৃষ্ণের জীবন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : শ্রীকৃষ্ণের রথ, রাধা-কৃষ্ণের যুগল মূর্তি, কংসের জেলখানাসহ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনের নানা অংশের আদলে সেজে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন ভক্তরা।অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিলো আলোচনা সভা, শ্রীমদ্ভাগত পাঠ, সন্ধ্যায় আরতি, কীর্তন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিষয় ভিত্তিক সেমিনারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি।

    আজ বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরের জেএম সেন হল প্রাঙ্গণ থেকে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা বের হয়।

    এতে অংশ নিতে নগর ছাড়াও শহরতলির বিভিন্ন উপজেলা থেকে ট্রাক, মিনিট্রাক, পিকআপ, লরি নিয়ে ভক্তরা আন্দরকিল্লা, মোমিন রোডসহ আশপাশের এলাকায় জড়ো হন। দেখতে দেখতে জনসমুদ্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা।

    দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালনের জন্য এ দিন মথুরায় কংসের কারাগারে মা দেবকী ও বাবা বসুদেবের ঘর আলো করে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ- এই বিশ্বাস ধারণ করেই দিবসটি উদযাপন করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

    দিবসটি উপলক্ষে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমীর এই শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

    শোভাযাত্রা পলাশী মোড়, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্ত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, নগর ভবন, গোলাপশাহ্ মাজার, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুররোড, রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ্ পার্কে গিয়ে শেষ হয়।

    জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় শ্রীকৃষ্ণের রথ, রাধা-কৃষ্ণের যুগল মূর্তি, কংসের জেলখানা, রাম-সীতার লব-কুশসহ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনের নানা অংশের আদলে সেজে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন ভক্তরা।

    শোভাযাত্রায় অংশ নিতে ঢাকা মহানগর ছাড়াও আশে পাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে ট্রাক, মিনিট্রাক, পিকআপ, ঘোড়ার গাড়ী, হাতি নিয়ে ভক্তরা আজিমপুর, পলাশী মোড়, ইডেন কলেজ মোড়সহ আশপাশের এলাকায় জড়ো হন। দেখতে দেখতে জনসমুদ্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা।

    এর আগে শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ রাজধানীর পলাশীর মোড়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মনীন্দ্র কুমার নাথের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

    এছাড়াও সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্মল চ্যাটার্জি, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক  রমেন মন্ডল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এ সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী সেলিম উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : আশিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এখন ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থান করছেন। সেখানে সম্মেলনের ফাঁকে আজ বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বৈঠকে ঢাকা ও জাকার্তা জ্বালানী, কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে একসাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান।

    বৈঠকের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘এর আগে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়া জ্বালানী ও স্বাস্থ্য খাতে তিনটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে,  এতে দু’দেশের কল্যাণে কাজ করতে ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ ইস্ট এশিয়ান নেশনস (আসিয়ান) এবং ১৮তম ‘ইস্ট এশিয়া সামিটে’ অংশ নিতে ইন্দোনেশিয়া সফরে রয়েছেন।

    জাকার্তা কনভেনশন সেন্টারে (জেসিসি) এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    মোমেন বলেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে চমৎকার আতিথেয়তা প্রদানের জন্য ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

    ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের উন্নয়ন, বিশেষকরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পিত ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’ ধারণা- যা বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে প্রশংসা অর্জন করেছে, তার উচ্ছসিত প্রশংসা করেন।

    এ সময় তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক খাতে ব্যাপক উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

    মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ, সিরামিক ও তৈরি পোশাক (আরএমজি) পণ্য আমদানি করতে পারে।

    রাষ্ট্রপতি গত এক দশক ধরে বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের ধারাবাহিকতার কারণে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।

    রাষ্ট্রপতির উদ্ধৃতি দিয়ে ড. মোমেন বলেন, ‘দুই দেশের চিকিৎসকদের সনদের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য একটি পারস্পরিক সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

    মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ ১শ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড), ৩৯টি হাই-টেক পার্ক ও অন্যান্য বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করছে।

    তিনি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া যদি আগ্রহী হয়, তবে বাংলাদেশ খুশী হয়ে তাদের জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চলে স্থান নির্ধারণ করবে।’

    সাহাবুদ্দিন আরো বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি উৎপাদন কেন্দ্রে রুপান্তরিত হতে চায়। এই দশকের শেষ নাগাদ একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়া বাংলাদেশের লক্ষ্য।

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বিনিয়োগের সুযোগ পেতে দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে বৃহত্তর সহযোগিতার ওপর জোর দেন।

    সাহাবুদ্দিন ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশে যে বিশাল সুযোগ রয়েছে- তা কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।

    শিগগিরই ঢাকা ও জাকার্তা বা বালির মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন করা হবে এবং দুই দেশের সমুদ্র বন্দরের মধ্যে শিপিং চালুর সুযোগ তৈরি হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ইন্দোনেশিয়ার সরকার ও জনগণের কাছ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা কামনা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় মিয়ানমারের বাস্তুচ্যূত নাগরিকদের আশ্রয় দিয়েছিল।’

    ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, আসিয়ান সম্মেলনে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেখানে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আসিয়ান চেয়ার ও আসিয়ান সেক্টোরাল ডায়ালগ পার্টনারের সদস্যপদ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের কাছ থেকে আরো সহযোগিতা কামনা করেন।

    সূত্র: বাসস

  • আসিয়ানের ‘একতরফা’ বিবৃতির নিন্দা করেছে মিয়ানমার

    আসিয়ানের ‘একতরফা’ বিবৃতির নিন্দা করেছে মিয়ানমার

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : মিয়ানমারের সামরিক জান্তা আজ বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সহিংসতা এবং বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তুকে ‘একতরফা’ হিসেবে নিন্দা জানিয়ে আসিয়ানের একটি বিবৃতির কড়া সমালোচনা করেছে। শুধু তাই নয় এর একদিন পর মিয়ানমার বিবৃতিতে বলেছে, তারা আসিয়ানের আসন্ন সভাপতিত্ব গ্রহণ করবে না।

    মিয়ানমার চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে যা গণবিক্ষোভ এবং রক্তক্ষয়ী সামরিক দমন-পীড়নের জন্ম দিয়েছে।আর এর শুরু হেয়েছে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে।

    অ্যাসোসিয়েশন অফ সাউথ ইস্ট এশিয়ান নেশনস (আসিয়ান) মিয়ানমার সঙ্কট নিরসনের জন্য নিষ্ফল প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিয়েছে। আসিয়ান একটি পাঁচ-দফা শান্তি পরিকল্পনার সাথে সম্মত হয়েছে যে, জেনারেলরা মূলত ধ্বংসোন্মুখ এবং জান্তা তার বিরোধীদের সাথে যোগ দিতে অস্বীকার করেছে।

    মঙ্গলবার এক শীর্ষ সম্মেলনে, আসিয়ান নেতারা সামরিক বাহিনীকে ‘সহিংসতা কমাতে এবং বেসামরিকদের উপর হামলা বন্ধ করার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

    আয়োজক ইন্দোনেশিয়া বলেছে যে, পরিকল্পনায় ‘কোন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়নি।

    মিয়ানমার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত ‘গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমারে’ বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পর্যালোচনাটিকে ‘বস্তুগত নয়’ এবং ‘একতরফা’ বলে সমালোচনা করেছে।

    এটি আসিয়ানকে ‘আসিয়ান সনদের বিধান এবং মৌলিক নীতিগুলি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বিশেষকরে সদস্য রাষ্ট্রগুলির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।’

    ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেছেন, আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন মিয়ানমার ২০২৬ সালে আসিয়ানের নির্ধারিত সভাপতিত্ব গ্রহণ করবে না।

    পরিবর্তে ফিলিপাইন সভাপতিত্ব করবে, কারণ যেহেতু ব্লকটি জান্তার সাথে কীভাবে জড়িত থাকবে তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। জান্তার মুখপাত্র ঝ মিন তুন বিস্তারিত না জানিয়ে এএফপি’কে নিশ্চিত করেছেন যে, মিয়ানমার ২০২৬ সালে চেয়ারম্যান হবে না, ।

    সূত্র: বাসস

  • বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক-সামরিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত

    বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক-সামরিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র ৯ম নিরাপত্তা সংলাপে বেসামরিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত হয়েছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আজ (৫ই সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংলাপে বাংলাদেশের ইন্দো-প্যাসিফিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল সহ পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন প্রচলিত ও অপ্রচলিত নিরাপত্তা বিষয়গুলো গুরুত্ব লাভ করে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, নিরাপত্তা সহায়তা, প্রতিরক্ষা বাণিজ্য ও সহযোগিতা, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন এবং ব্যাপকতর ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি।

    সংলাপে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা শাখার মহাপরিচালক খন্দকার মাসুদুল আলম এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ব্যুরোর আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ক উপ-সহকারী সেক্রেটারি মিরা রেসনিক স্ব স্ব প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

    অপ্রচলিত নিরাপত্তা বিষয়গুলোর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    সংলাপে বাংলাদেশ যে কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো-টলারেন্স’-এর বিবৃত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা মোকাবেলায় অব্যাহত সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছে। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে নিরাপত্তা সহযোগিতাকে উল্লেখ করা হয়েছে।

    মার্কিন পক্ষ বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ, তথ্য আদান-প্রদান এবং যৌথ মহড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর  সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।

    সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একসঙ্গে কাজ করার জন্য বাংলাদেশের আহ্বানে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।

    বাংলাদেশ পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সঙ্কটের চূড়ান্ত সমাধান এবং এ সমস্যা সমাধানে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সমর্থন চেয়েছে।

    ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে এবং মিয়ানমারের বাস্তচ্যুত নাগরিকদেরকে মানবিক সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।

    বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং মার্কিন সরকার ও ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা সংলাপে অংশ নেন।

    রেসনিক পরে পররাষ্ট্র সচিব রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    সূত্র: বাসস

  • লড়াই করে মাত্র ২ রানে হেরেছে আফগানিস্তান

    লড়াই করে মাত্র ২ রানে হেরেছে আফগানিস্তান

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : বাংলাদেশ আফগানিস্তানকে বিশাল রানের ব্যবধানে হারিয়ে দেওয়ার পর, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের খেলার সরিমকারণ হয়ে পড়ে খুব কঠিন।এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় প্রথমে ব্যাটিং করে শ্রীলংঙ্কা সংগ্রহ করে ২৯২ রান।আর সুপার ফোরে খেলেতে হলে আফগানিস্তানকে এই রান করতে হতো ৩৭ ওভার ১ বলে।

    দ্বিতীয় হাফে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা খুব ভালো হয়নি আফগানিস্তানের।কিন্তু মোহাম্মদ নবী ঝড় তোলেন মাঝে এসে, বাকি ব্যাটাররাও রাখেন অবদান। কঠিন সমীকরণের কাছেও চলে আসে আফগানিস্তান। শেষ সাত বলে তাদের দরকার হয় ১৫ রান। ৩৭তম ওভারে রশিদ নেন ১২ রান। এরপর সমীকরণ ছিল এক বলে তিন রানের। কিন্তু মুজিব উর রহমান হয়ে যান আউট। ধারাভাষ্যকারদের দাবি অবশ্য ছিল, তখনও সুযোগ ছিল আফগানদের। ছক্কা মেরে তাদের সংগ্রহটাকে নিয়ে যেতে হতো ২৯৫তে, তাহলেই সুপার ফোরে পৌঁছে যেতো তারা। কিন্তু উইকেটে থাকা রশিদ খানের প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হয়নি তিনি জানতেন সেটি।

    মঙ্গলবার ( ৫ সেপ্টেম্বর) লাহোরে শ্রীলঙ্কার কাছে শেষ অবধি ম্যাচটি ২ রানে হেরেছে আফগানিস্তান। শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯১ রান করে শ্রীলঙ্কা। জবাব দিতে নেমে দুই রান আগেই অলআউট হয় আফগানরা। এ জয়ে বি গ্রুপ থেকে সুপার ফোরে বাংলাদেশের সঙ্গী হয়েছে শ্রীলঙ্কা।

    টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি তারা। ১১তম ওভারের তৃতীয় বলে দলটির প্রথম ব্যাটার হিসেবে দিমুথ করুণারত্নেকে সাজঘরে ফেরান গুলবাদিন নাইব। স্লোয়ারে বিভ্রান্ত হয়ে কাভারে দাঁড়ানো মোহাম্মদ নবীর হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে  করুণারত্নে ৩৫ বলে ৩২ রান করেন । ৪০ বলে ৪১ রান করা আরেক উদ্বোধনী ব্যাটার পাথুম নিশাঙ্কাকেও ক্যাচ আউট করেন গুলবাদিন।

    ৮ বলে ৩ রান করে তার ওভারেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন সাদিরা সামারাবিক্রমা। ৮৬ রানে তিন উইকেট হারানো দলের হাল ধরেন কুশল মেন্ডিস ও চারিথ আশালাঙ্কা। ৪৩ বলে ৩৬ রান করা আশালাঙ্কার ক্যাচ নিজের বলে নিজেই নেন রশিদ খান। আর ৮৪ বলে ৯২ রান করে কুশল মেন্ডিস হন রান আউট। এক পর্যায়ে অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল লঙ্কানরা। ২২৭ রানে তারা হারায় ৭ উইকেট।

    কিন্তু আট ও নয় নম্বরে ব্যাট করতে নামা দিমুথ ওয়ালালাঙ্গে ও মাহেশ থিকসেনা করেন দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ বলে ২৮ রান করে আউট হন থিকসেনা। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৯ বলে ৩৩ রান করে শেষ অবধি অপরাজিত থাকেন ওয়ালালগে।

    জবাব দিতে নেমে শুরুতে কিছুটা ধাক্কা খায় আফগানিস্তান। তাদের দুই ওপেনারই আউট হয়ে যান অল্পতে। দুজনেই শিকার হন কাসুন রাজিথার। ৮ বলে ৪ রান করে রহমানউল্লাহ গুরবাজ ক্যাচ ও ১৪ বলে ৭ রান করে বোল্ড হন ইবরাহিম জাদরান। দুই উদ্বোধনী ব্যাটারের বিদায়ের পরও হাল ছাড়েনি আফগানরা। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে সমীকরণ মেলানোর চেষ্টা করতে থাকে তারা। রহমত শাহ ৪০ বলে ৪৫ ও গুলবাদিন নাঈব ১৬ বলে ২২ রান করে আউট হয়ে যান।

    আফগানদের রান বাড়ান মূলত মোহাম্মদ নবী। শ্রীলঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হন তিনি, আরেক প্রান্ত ধরে রাখেন হাশমাতুল্লাহ শহিদী। দুজনের জুটিতে আসে ৪৭ বলে ৮০ রান। ৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৩২ বলে ৬৫ রান করে থিকসেনার বলে ক্যাচ আউট হন নবী। এরপর ৬৬ বলে ৫৯ রান করে ওয়ালালগের বলে আউট হয়ে যান হাশমাতুল্লাহ শাহিদীও।

    তারপরও দলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন নাজিবউল্লাহ জাদরান ও রশিদ খান। ১ চার ও ২ ছক্কায় ১৬ বলে ২৭ রান করে আউট হয়ে যান নাজিবউল্লাহ। কিন্তু শেষ অবধি আশা বাঁচিয়ে রাখেন রশিদ খান। ওয়ালালগের ৩৭তম ওভারে তিনটি চার হাঁকান তিনি। কিন্তু মুজিব ও ফজল হক ফারুকী আর স্ট্রাইকই দিতে পারেননি তাকে। দুজনেই হয়ে যান আউট। দারুণ এক লড়াই করার পরও ম্যাচ হারে আফগানরা। তবে লাহরের দর্শকরা ম্যাচের প্রতিটি বল উপভোগ করেছে। বিশেষ ভাবে ম্যাচের শেষ পাঁচ ওভার টান টানা উত্তেজনা ছিলো খেলায়। এই ম্যাচ জিতলে আফগানিস্তান বাংলাদেশের সাথে সুপার ফোরে খেলার সুযোগ পেতো।

    সুপার ফোরের চারটে দল হচ্ছে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ।