Author: Hello Bangla News

  • বিএনপির রাজনীতি করে অনেকে নিজেদের জীবন নষ্ট করতে চায় না: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপির রাজনীতি করে অনেকে নিজেদের জীবন নষ্ট করতে চায় না: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: বিএনপির রাজনীতি করে অনেকে নিজেদের জীবন নষ্ট করতে চায় না, বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতিতে জড়িয়ে অনেকেই নিজের জীবন নষ্ট করতে চায় না। যারা বিএনপি থেকে সুস্থ রাজনীতিতে বেরিয়ে এসছেন তাদের ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে আরও নেতা ও কর্মীরা সুস্থ রাজনীতির দিকে আসবেন বলে আশা করছি।’

    আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি জনসমর্থনের অভাবে তাদের আন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়েছে। সেই কারণে তারা সন্ত্রাস, অগ্নিসন্ত্রাস, হিংসা, চোরাগুপ্তা হামলা, নাশকতা করছে। স্বাভাবিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে তারা রাজনীতিটাকে সন্ত্রাসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন গাড়ি পোড়াচ্ছে।’

    তিনি বলেন, ‘বিএনপি গণবিরোধী রাজনীতির সমর্থন না দিয়ে তারা জনগণকে শত্রু ভাবে। বেলাল হোসেনের মতো একজন নিরীহ বাস হেলপারকে ৮০ শতাংশ পুড়িয়ে দিয়েছে।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন এলেই কিছু মানুষ বা গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করে। জনসমর্থহীন এসব গোষ্ঠী তারা নির্বাচনে হেরে যাবে। সবসময় তারা পেছনের দরজা খোলা রাখে। পেছনের দরজা দিয়ে তারা ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র করে।’

    এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, উপ দপ্তর সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।

  • নির্বাচনের সময় সবকিছুই নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত থাকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    নির্বাচনের সময় সবকিছুই নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত থাকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: নির্বাচনের সময় সবকিছুই নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত থাকে, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সংস্থা। যখনই নির্বাচন আসে, শিডিউল ডিক্লেয়ার হয়ে গেলেই আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী থেকে শুরু করে সবকিছুই নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত থাকে। নির্বাচন কমিশন মনে করেছে দেশের সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে যারা দীর্ঘদিন যাবৎ ওসি হিসেবে আছেন, তারা হয়ত কারও প্রতি ইনক্লাইন্ড (অনুগত) হতে পারে।’

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে পুলিশের সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) বদলি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল একথা বরেন। আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে “মুজিব : একটি জাতির রূপকার” চলচ্চিত্রের বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘ওসিদের নিয়ে এ ধরনের বিবেচনা নির্বাচন কমিশনের, আমাদের কিছু নয়। এজন্যই তারা সারা দেশে ওসিদের ট্রান্সফার করেছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই সারা দেশে ওসিরা কাজ করছে।’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন খাগড়াছড়িতে বিএনপি-জামায়াত কীভাবে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে। খাগড়াছড়িতে একটা ট্রাক যাচ্ছিল, আমাদের যে কনভয় ছিল, সেখান থেকে ট্রাক ড্রাইভার কিছুটা পিছনে পড়ে গিয়েছিল। সেখানে পেট্রোল ঢেলে গাড়িতে আগুন দিয়ে দেওয়া হয়। সে সময় ট্রাকে থাকা দুজনের মধ্যে একজন নেমে যেতে পেরেছিল, আরেকজন তখন নামতে পারেনি। ফলে তার শরীরে পেট্রোল লেগে আগুনে পুড়ে যায়। এখান থেকে বার্ন ইউনিটে আসার পর সেখানে মারা যায়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘২০১৪-১৫ সালে আপনারা দেখেছেন ঠিক একই কায়দায় অগ্নিসন্ত্রাস করেছে বিএনপি-জামায়াত। তারা সে সময়েও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চেয়েছে, এবার ঠিক সেরকমই তারা চাচ্ছে।’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ বিএনপি-জামায়াত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, যে কারণে তারা নির্বাচনে যেতেও ভয় পাচ্ছে। নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারবে না, বিষয়টি তারা সুনিশ্চিত হয়েছে। আমরা দেশের জনগণও কিন্তু বসে নেই, আপনারা দেখছেন যেখানেই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে, সাধারণ মানুষ তাদেরকে ধরিয়ে দিচ্ছে।’

  • শিল্পকলার আয়োজনে শুরু হলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব

    শিল্পকলার আয়োজনে শুরু হলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: শিল্প সংস্কৃতিঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অভিলক্ষ্যে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাবো আমরা উন্নতির শিখরে’এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ‘গণজাগরণের শিল্প আন্দোলন’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। শিল্পের সকল শাখার সমন্বয়ে দেশব্যাপী বহুমুখী সাংস্কৃতিক কর্মযজ্ঞের বাস্তবায়িত রুপ ‘গণজাগরণের সংগীত উৎসব’ ।

    এই সামগ্রিক উন্নয়ন পক্রিয়ায় সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত ও অনুপ্রাণিত করতে ৫ শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণে ২-৭ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত আয়োজন করা হয়েছে ‘গণজাগরণের সংগীত উৎসব’।

    ঢাকা জেলার উদ্বোধনের মাধ্যমে আজ থেকে শুরু হলো সারাদেশে গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৩। গতকাল শনিবার ২রা ডিসেম্বর ২০২৩ বিকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নন্দনমঞ্চে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন – ‘২ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে বিভাগগুলোকে কেন্দ্র করে সকল জেলায় এই উৎসব হবে। প্রায় ১০ হাজার শিল্পী এই অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করছে। একই মঞ্চে গণজাগরণের সংগীত উৎসব হবে। এই উৎসবে সকল ক্ষেত্রের শিল্পীরা অংশগ্রহণ করছে।’।

    শুরু হলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব - বিনোদন - ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ (খ) (2)
    শুরু হলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব – বিনোদন – ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ (খ) (2)

    তিনি আরো বলেন- ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি যাঁর জন্ম না হলে হতো না, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। স্বাধীনতার ৫২ বছর পরেও আমরা আজ ঐক্যবদ্ধ নয়। বাংলাদেশ একটি পরিবার যা ভেঙ্গে ফেলা হলো ১৯৭৫-এ। কিন্তু আবার হাজার বছর পেছনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এই সময়েও। আমাদের যে মনীষিরা ছিলেন, তারাও বলেছেন আমরা আগে বাঙালি তারপরে মানুষ। ধর্ম তারপরে’।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ৫০ বছরে পূর্তিতে সারা বছর অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন – ‘আজ সারা বিশ্বে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা চলছে, শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে। মানুষ হত্যা করে কোন বিজয় অর্জিত হতে পারে না। বাংলাদেশ মানবতার দেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ জঙ্গীবাদ বিরোধী দেশে পরিণত হয়েছে। আমরা চাই না বাউলদের চুল কেটে দেয়া, উদীচীর অনুষ্ঠান ও বৈশাখে রমনার বটমূলে হামলার সেই ভয়াবহ সময় আবার আসুক আমরা তা চাই না। আমরা সংস্কৃতি নিয়ে সবার ঘরে ঘরে পৌছে যেতে চাই, এই বার্তাই আমাদের গনজাগরণের বার্তা’।

    একাডেমির সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা জেলার কালচারাল অফিসার আসফ উদ দৌলা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন মোহাম্মদ নেয়ামতউল্লাহ সহকারী কমিশনার ও নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।

    আলোচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় ঢাকা সাংস্কৃতিক দলের পরিবেশনা ‘ও আলোর পথ যাত্রী, এ মাটি নয় জঙ্গীবাদের, এ মাটি মানবতার” সমবেত সংগীত। ‘জেগে থাক একাত্তর’ সমবেত আবৃত্তি পরিবেশন করে উদ্ভাসন, রচনায়: নরুল হুদা, নির্দেশনা ছিলেন মীর বরকত। এরপরে ওয়ার্দা রিহাব এর নির্দেশনায় ধৃতি নর্তনালয় পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য ‘নোঙ্গর তোল তো’…।    ‘মন সওদাগর সওদা করো থাকিতে বেলা’ ও ‘মন মানুষ হইতে চাও জাতি ধর্ম ছেড়ে’ পরিবেশন করেন কাজল দেওয়ান। ‘লাল পাহাড়ের দেশে যা, রাঙ্গামটির দেশে যা’ সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে সাভার নৃত্যদল। অনিমা মুক্তি গোমেজ পরিবেশন করেন একক সঙ্গীত ‘আমার হার কালা কোরলাম রে’.. আনসার আলী পরিবেশন করেন একক সঙ্গীত ‘ভাবের তালা’ (লালন গীতি)। দিশা মনি পাল (সাভার) পরিবেশন করেন একক নৃত্য ‘নীল অঞ্জন ঘন পুঞ্জ ছায়ায়’। কবি শান্তা মারিয়া পরিবেশন করেন কবিতা ‘জননী বাংলাদে’ এরপরে নবাবগঞ্জ নৃত্যদল পরিবেশন করে সমবেত সঙ্গীত- ‘যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে’.। ‘দেখে যাও, ওরে ও পথিক ভাই.. আমার পাড়ার গাঁও’… সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করে কেরানীগঞ্জ সঙ্গীতদল। ধামরাই সংগীতদল পরিবেশন করে সমবেত সংগীত- ‘বল নাহি ভয় নাহি ভয়/কারার ঐ লৌহ কপাট’। সমবেত সংগীত পরিবেশন করে ‘তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে’.. সবশেষে আবারো নৃত্য পরিবেশনা, পরিবেশন করে ওয়ার্দা রিহাব এর নৃত্যদল, ধৃতি নর্তনালয় ‘বাংলার হিন্দু বাংলার বৌদ্ধ.।’

    একই সাথে গতকাল থেকে শুরু হলো ৬ দিনব্যাপী গণজাগরণের সংগীত উৎসব ২০২৩। ঢাকা জেলার আয়োজনে সাংস্কৃতিক উৎসব শেষে নন্দনমঞ্চে শুরু হয় ২য় পর্বের আয়োজন গণজাগরণের সংগীত উৎসব। আয়োজিত ৬ দিনরব্যাপী অনুষ্ঠানে থাকবে ১১ টি দলের পরিবেশনা। ১১ টি দল হলো- অন্তরা, সুরশ্রী, সঞ্চারী, রাগিনী, সুরধ্বনি, সুরসপ্তক, স্বরলিপি, গীতাঞ্জলি, গীতালি, সুরতরঙ্গ এবং সুরলহরী।

    প্রথম দিন পরিবেশনা উপস্থাপন করে অন্তরা সংগীত দল। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুমা রায়, মিথিলা মল্লিক, আশা খন্দকার, অভিজিৎ দে, এম এ মোমিন, জি এম রহমান রনি, মৌসুমি আক্তার শ্রাবণী, শ্রীকৃষ্ণ গোপাল, তসলিমা আক্তার, ফাইজুর রহমান মিল্টন, সোহাইলা আফসানা ইকো, কাইফ মোহাম্মদ অয়ন, এনায়েত হোসেন রনি, সুমন রায় এবং সিদ্দিকুর রহমান।

    রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত, দেশের গান, ভাষার গান, গণজাগরণের গান, মুক্তিযুদ্ধের দলীয় ও একক গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।

  • বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

    বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে আটটায় আবহাওয়া অধিদপ্তর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ফলে সেখানে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত নামিয়ে সব সমুদ্রবন্দরে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত তোলা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-এ পরিণত হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় নিম্নচাপটি সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫৭৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫২৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে এক হাজার ৪৫০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪৫০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

    ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কি.মি. পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

    এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ০১ (এক) নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০২ (দুই) নম্বর (পুন:) ০২ (দুই) নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

  • এলপি গ্যাসের দাম বেড়েছে

    এলপি গ্যাসের দাম বেড়েছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), ঘোষণা অনুযায়ী ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৮১ টাকা থেকে ২৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টায় রাজধানীর কাওরান বাজারে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) হল রুমে এ ঘোষণা দেন চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন।

    ঘোষণায় বলা হয়, সাড়ে পাঁচ কেজির সিলিন্ডার ৬৪৪ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডার এক হাজার ৪৬৩ টাকা, ১৫ কেজির সিলিন্ডার এক হাজার ৭৫৫ টাকা, ১৬ কেজির সিলিন্ডার এক হাজার ৮৭২ টাকা, ১৮ কেজির সিলিন্ডার দুই হাজার ১০৭ টাকা, ২০ কেজির সিলিন্ডার দুই হাজার ৩৪০ টাকা, ২২ কেজির সিলিন্ডার দুই হাজার ৫৭৫ টাকা, ২৫ কেজির সিলিন্ডার দুই হাজার ৯২৬ টাকা, ৩০ কেজির সিলিন্ডার তিন হাজার ৫১১ টাকা, ৩৩ কেজির সিলিন্ডার তিন হাজার ৮৬২ টাকা, ৩৫ কেজির সিলিন্ডার চার হাজার ৯৬ টাকা ও ৪৫ কেজির সিলিন্ডার পাঁচ হাজার ২৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১৩ টাকা ২০ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। এ ছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৬৪ টাকা ৪৩ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে।এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ অটোগ্যাসের প্রতি লিটারের মূল্য ৬৪ টাকা ৪৩ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে।

    ২০২১ সালের ১২ এপ্রিলের আগে পর্যন্ত এলপিজির দর ছিল কোম্পানিগুলোর ইচ্ছাধীন। ১২ এপ্রিল দর ঘোষণার সময় বলা হয় আমদানি নির্ভর এই জ্বালানি সৌদি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি আরামকো ঘোষিত দরকে ভিত্তিমূল্য ধরা হবে। সৌদির দর ওঠা-ওঠা-নামা করলে ভিত্তিমূল্য উঠানামা করবে। অন্যান্য কমিশন অপরিবর্তিত থাকবে। ঘোষণার পর থেকে প্রতিমাসে এলপিজির দর ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।

    এর আগে নভেম্বর মাসে এলপি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৩৬৩ টাকা থেকে ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৮১ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

  • ইসরায়েলের সঙ্গে কোন আলোচনায় বসতে চায়না হামাস

    ইসরায়েলের সঙ্গে কোন আলোচনায় বসতে চায়না হামাস

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ঘোষণা দিয়েছে, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে বোমা হামলার সময় ইসরায়েলের সঙ্গে আর কোনও ধরনের আলোচনা হবে না। এই ধরণের ঘোষণার পর যুদ্ধবিরতির পর যে স্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছিল তা আবার নতুন ধরণের ভয়াবহ সংঘাতে রূপ নিতে যাচ্ছে।

    এর আগে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাওয়ার পর মোসাদের দলকে কাতার থেকে ফিরে আসার নির্দেশ দেয় ইসরায়েল। ইসরায়েলের দাবি, আলোচনায় ‘অচলাবস্থা’ সৃষ্টি হয়েছে। আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর ডেপুটি প্রধান সালেহ আল-আরোরি আল জাজিরাকে বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত গাজায় হামলা অব্যাহত থাকবে ততক্ষণ কোনও ধরনের বন্দি বিনিময় হবে না।

    তিনি বলেছেন, ‘এখন যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না। আগ্রাসন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং টেকসই ও নিশ্চিত যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত বন্দি বিনিময়ও হবে না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘দখলকারীরা (ইসরায়েল) জোর দিয়ে বলেছে- গাজায় এখনও নারী ও শিশুদের আটকে রাখা হয়েছে। কিন্তু আমরা বলেছি- আমরা তাদের সবাইকে হস্তান্তর করেছি। গাজায় আটক থাকা বাকি বন্দিরা সৈনিক এবং এমন বেসামরিক ব্যক্তি যারা দখলদার সেনাবাহিনীতে কাজ করেছে।’

    সালেহ আল-আরোরি আল জাজিরা আরও বলেন, ‘আমাদের সমস্ত বন্দিকে মুক্তি না দেওয়া এবং যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের হাতে আটক ইহুদিবাদী বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে না। স্থল যুদ্ধ, আকাশ বা অন্যান্য যুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মোকাবিলা করতে প্রতিরোধ দল প্রস্তুত।’

    এর আগে যুদ্ধবিরতির আলোচনা করতে কাতারের রাজধানী দোহায় যাওয়া গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের দলকে ফিরে আসার নির্দেশ দেয় ইসরায়েল। দখলদার ইসরায়েল বলেছে, আলোচনায় ‘অচলাবস্থা’ সৃষ্টি হওয়ায় এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আলোচনায় অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় এবং প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশনায় মোসাদ প্রধান ডেভিড বার্নেয়া দোহায় অবস্থানরত তার দলকে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছেন।’

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, হামাস যুদ্ধবিরতির চুক্তি সম্পন্ন করেনি। ওই চুক্তির মধ্যে ছিল তারা সকল নারী ও শিশু বন্দিদের ছেড়ে দেবে। এ সংক্রান্ত একটি তালিকা হামাসের কাছে দেওয়া হয়েছিল এবং এটি অনুমোদনও তারা দিয়েছিল।

    প্রায় দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধে গাজায় প্রায় ১৩ হাজার বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশ নারী ও শিশু। ধ্বংস করা হয়েছে গাজার সবচেয়ে আধুনিক হাসপাতাল আল সিফা।

  • অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ ২০২৩ চ্যাম্পিয়ন জার্মানি

    অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ ২০২৩ চ্যাম্পিয়ন জার্মানি

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: বিশ্বকাপ ফুটবলে চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জার্মানি। অনেকেই বলে থাকেন জার্মানরা খেলাধুলাকে খুব ভালোবাসে। বিশেষ ভাকে ফুটবল। তবে এবার প্রথমবার অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ ২০২৩ জিতেছে দলটি। ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ছোটদের বিশ্বকাপের নতুন চ্যাম্পিয়ন এখন জার্মান।

    ২০২৩ অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের ফাইনালে আজ রবিবার  ফরাসি কিশোরদের টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে প্রথমবার ছোটদের বিশ্বকাপ জিতল জার্মানি। ইন্দোনেশিয়ার সুরাকার্তার মানাহান স্টেডিয়ামে নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয়েছিল ২-২-এ সমতায়। এরপর পেনাল্টি শুটআউটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জার্মান কিশোররা। এ নিয়ে ইউরোপের পঞ্চম দল হিসাবে অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল বিশ্বকাপ জিতল জার্মানি।

    ম্যাচ শুরুর ২৯ মিনিটে ফ্রান্সের আয়মেন সাদি ফাউল করে বসলে ভিএআর এ পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। বাম পাশে নিচের কোণায় শট নিয়ে জার্মানিকে প্রথম গোল এনে দেন প্যারিস ব্রুনার। ওই এক গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ হয়।

    দ্বিতীয়ার্ধের ৫১ মিনিটে ম্যাক মোয়েরস্টেডের অ্যাসিস্ট থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে বল জালে পাঠান নোয়াহ ডারভিখ। দুই গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি। এর দুই মিনিট পর একটি গোল শোধ করে ফ্রান্স।

    ৫৩ মিনিটে নোয়া সাঙ্গুইয়ের অ্যাস্টিস্ট থেকে স্কোরশিটে নাম ওঠান সাইমন বুয়াব্রে। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে দুটো হলুদ কার্ডের জন্য লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জার্মানির উইনার্স ওসাওয়ে। দশজনের দলে পরিণত হওয়া জার্মানির রক্ষণে আক্রমণ বাড়িয়ে দেয় ফ্রান্স।

    ম্যাচের ৮৫ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায় ফ্রান্স। টিডিয়াম গোমিসের বাড়ানো বল থেকে গোল করেন মাথিস অ্যামৌগৌ। ১০ মিনিট ইনজুরি টাইমে মুহুর্মুহু আক্রমণ হলেও গোল করতে পারেননি কেউ। ২-২ সমতায় ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয়।

    পেনাল্টি শ্যুটআউটে জার্মানির এরিক দা সিলভা মোরেইরার নেওয়া প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন ফ্রান্সের গোলকিপার পল আর্গনে। এগিয়ে থাকা ফ্রান্সের তৃতীয় শট নিতে এসে লক্ষ্যচ্যুত হন নোয়া সানগুই। এর পর ফ্রান্সের চতুর্থ শট ঠেকিয়ে দেন সেমিফাইনালের নায়ক জার্মান গোলরক্ষক কনস্টানটিন হেইডে।

    জার্মানির পঞ্চম শট ঠেকিয়ে দেন আর্গনে। খেলা গড়ায় সাডেন ডেথে। সেখানেও প্রথম শটটি ঠেকিয়ে দেন হেইডে। তবে এবার ভুল করেননি আলমুগেরা কাবার। ফ্রান্সের তরুণদের হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে মাতেন জার্মানির তরুণেরা।

  • নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির অপচেষ্টা অব্যাহত আছে: সেতুমন্ত্রী

    নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির অপচেষ্টা অব্যাহত আছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২ ডিসেম্বর, ২০২৩: নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির অপচেষ্টা অব্যাহত আছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল। তিনি বলেন,‘ বিএনপি হরতাল, অবরোধ, আগুনসন্ত্রাস করে জনগণকে নির্বাচনবিমুখ করতে পারেনি। জনগণ পুরোপুরি নির্বাচনমুখী হয়ে পড়েছে। এ নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি হবে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও ঠেকাতে বিএনপি যে অপচেষ্টা করেছিল তা এখনও অব্যাহত আছে। দেশের জনগণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। তারা আরেকটি বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাতে চায়। এজন্য ভোট দেওয়ার জন্য তারা উন্মুখ হয়ে আছে।’

    আজ শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের এ সব কথা বলেন।

    তিনি বলে বলেন, ‘নির্বাচন সংক্রান্ত কোথাও কোনো সংঘাত, বিশৃঙ্খলা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পুরো দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন যে সিদ্ধান্ত নেবে তার প্রতি আওয়ামী লীগের আস্থা আছে।’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘বিএনপির নেতৃত্বের দলটির নেতাকর্মীরা হতাশ, আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এ থেকেই  দলটির সাবেক ও বর্তমান নেতারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। কাজেই অংশগ্রহণ নির্বাচন বলতে যা বোঝায় ২৯টি নিবন্ধিত দল অংশ নিয়েছে। সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনা, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার জন্য মানুষের যে আগ্রহ, চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র করে মানুষকে নির্বাচনবিমুখ করা যাবে না। কয়েকটি দল নির্বাচন থেকে দূরে থাকলেও জনগণ নির্বাচনমুখী।’

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির ডাকে তাদের নেতাকর্মীরা ভবিষ্যতে আন্দোলনের মাঠে নামবে কিনা এটা সন্দেহ।  বিএনপির সর্বনাশা ভুলনীতির জন্য দলে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে।  তৃণমূল বিএনপির সবাই বিএনপির লোক। বিএনপির নেতৃত্বের ওপর হতাশ হয়ে অনেকেই নির্বাচন করেছেন। বিএনপির কেউ যদি দল পরিবর্তন করলে তার ব্যক্তিগত বিষয়। আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতকে জড়িয়ে প্রোপাগান্ডা পাকিস্তান আমল থেকে শুরু হয়েছে। নির্বাচন এলে ভারত ও আওয়ামী লীগকে জড়িয়ে প্রোপাগান্ডা হয়। এটা নিয়ে আওয়ামী লীগ চিন্তিত নয়।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখন প্রধানমন্ত্রীর অফিসের সাব অরডিনেট অফিস নয়। একটি আইনসিদ্ধ প্রতিষ্ঠান। পার্লামেন্টে আইন করে এই প্রতিষ্ঠানকে বর্তমানের অবস্থায় আনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন। এখন আর সরকারের কথায়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বা অন্য কোনো নির্বাচন সম্পর্কিত কর্মকাণ্ড এখন আর সরকারের কথায় চলবে না। সরকার এখন রুটিন ওয়ার্ক করবে। মেজর কোনো পলিসি ডিসিশন এখন আর সরকারের হাতে নেই। নির্বাচনী ব্যবস্থাটা এখন সম্পূর্ণভাবে তাদের হাতে। যখন যে ব্যবস্থা প্রয়োজন সেটা এখন তারা নিতে পারে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘জলবায়ু বিষয়ে কর্মকাণ্ড নেতৃত্বের কণ্ঠস্বর হিসেবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী মানুষের পক্ষে বিশ্বব্যাপী অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রধানমন্ত্রীকে ক্লাইমেট মুভিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ডে ঘোষিত করেছে আই ও এম ও জাতিসংঘ সমর্থিত গ্লোবাল ক্লাইমেট মুভিলিটি সংস্থা। আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমাদের সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে আমরা অভিনন্দন জানাই। তিনি আমাদের গর্ব, এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা ও শক্তি। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বের নতুন নতুন গৌরব ও উচ্চতা দেশের জন্য তিনি নিয়ে আসছেন। সেটা আমাদের মূল্যবান সম্পদ। শেখ হাসিনা ও বাঙালি জাতির এটা বিশাল সম্পদ। তাকে নিয়ে আমরা গর্ব করি। তাকে আমরা আবারো অভিনন্দন জানাই।’

    প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দীন নাছিম প্রমুখ।

  • রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২ ডিসেম্বর, ২০২৩: রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আজ সকালে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এই ভূমিকম্প প্রায় ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়।  বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস জানায় রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৬। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে এই ভূমিকম্পটি ঘটে। তবে এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    ভূমিকম্পের পর অনেকেই ভবন ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন। স্বজনদের খবর নিতে থাকে থাকেন কেউ কেউ। সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানাতে থাকেন।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান এর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই।

    যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক সংস্থা ইউএসজিএস বলছে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫ রিখটার স্কেল। আর এর উৎপত্তিস্থল রামগঞ্জের ৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব-উত্তরে। আর এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিসও নিশ্চিত করেছে লক্ষীপুরেই রামগঞ্জ থেকেই এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুকে সকালের এই ভূমিকম্প নিয়ে দেখা যায় নানা প্রতিক্রিয়া। সময়ের হিসাবে পূর্বে এর চেয়ে বেশি স্থায়িত্বের ভূমিকম্প অভিজ্ঞতা আছে কিনা মনে পড়ছে না।। বেশ কিছু সময় ধরে ঝাঁকুনি অনুভবের কথা বলছেন অনেকেই।

    তবে যারা রাস্তায় বা সমতলে ছিলেন তাদের অনেকেই ভূমিকম্পের অনুভূতি টের পান নি।

     

    রাজাধানী ঢাকার কাছে যেসব ভূমিকম্প:

    ভূতত্ববিদদরা বলছেন বাংলাদেশের সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে কয়েকটি প্লেট থাকার কারণে এসব এলাকা ভূমিকম্পের বড় ধরণের ঝুঁকিতে রয়েছে।

    ঢাকায় গত কয়েক বছরের মধ্যে যেসব ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশের উৎপত্তিস্থলই ছিল বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে সিলেট বা চট্টগ্রাম অঞ্চলে। অনেকগুলো ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভারতের মিজোরাম বা ত্রিপুরা রাজ্যে।

    তবে ঢাকার আশেপাশে উৎপত্তিস্থল রয়েছে, এমন ভূমিকম্পও মাঝেমধ্যেই হতে দেখা গেছে।

    ভূতত্ববিদ হুমায়ুন আখতারও বলেন, “২০০৮ থেকে ২০১২-১৩ পর্যন্ত ঢাকার কাছাকাছি নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা অঞ্চলে গ্রীষ্মের সময় অনেকগুলো ছোট ছোট ভূমিকম্প হতে দেখেছি আমরা।”

    ভূমিকম্প শনাক্তকারী সংস্থা আর্থকোয়েকট্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী ২০১২ সালের ১৮ই মার্চ এই অবস্থানেই – দোহার থেকে ১৪.২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে – ৪.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছিল।

    ঢাকার কাছে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলেও গত বিশ বছরের মধ্যে একাধিক ছোট ছোট ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে।

    তিন বছর আগে, ২০২০ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের ১২ কিলোমিটার পূর্বে ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়।

    এছাড়া ২০০৮ এ টাঙ্গাইলের কাছে নাগরপুরে এবং ২০১৯ সালে মির্জাপুরে চার মাত্রার নিচে ভূমিকম্প হয়েছে বলে বলছে আর্থকোয়েকট্র্যাক।

    পাশাপাশি গত ১৫ বছরে নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জে অন্তত চারবার ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি।

    আর ঢাকার কাছে ফরিদপুরেও গত ১৫ বছরের মধ্যে দুইবার চার মাত্রার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে বলে নথিবদ্ধ করেছে সংস্থাটি।

    তবে গত ১৫-২০ বছরের মধ্যে ঢাকার কাছে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে নথিবদ্ধ করা হচ্ছে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে নারায়ণগঞ্জে ৫.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্পকে।

    বাংলাদেশে সর্বশেষ ১৮২২ এবং ১৯১৮ সালে মধুপুর ফল্টে বড় ভূমিকম্প হয়েছিল। ১৮৮৫ সালে ঢাকার কাছে মানিকগঞ্জে ৭.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের ইতিহাস রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, বাংলাদেশে রিখটার স্কেল ৬.৯ মাত্রায় ভূমিকম্প হলে শুধু রাজধানী ঢাকাতেই ৭২ হাজার ভবন ধসে পড়বে সেই সঙ্গে লাখ লাখ মানুষ মৃত্যু বরণ করবে। বহুতল ভবন নির্মাণ করার আগে আমাদের যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে

    সাধারণত ২.৫ বা তার কম কম্পন অনুভূত হয় না, তবে যন্ত্রে ধরা পড়ে। পাঁচ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয় এতে সামান্য ক্ষতি হতে পারে। ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প বেশ শক্তিশালী বলে ধরা হয় এবং এতে মারাত্মক ধরণের ক্ষতি সাধিত হয়। যেমনটি তুরস্কে এবার হয়েছে।

    ৮ মাত্রার বেশি কোন ভূমিকম্প যে কোনো কিছুর ভয়াবহ ক্ষতি করতে পারে এবং এর কেন্দ্রে থাকা কমিউনিটিকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করতে পারে।

     

    ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে মাথা ঠান্ডারেখে জীবনকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করতে হবে:

    ভূমিকম্পের সময় যা জানতে ও মানতে হবে-

    • কম্পন না থামা পর্যন্ত খাট, ডাইনিং টেবিল, ও রুমের কোণে আশ্রয় নিতে হবে
    • চুলা, বিদ্যুৎ চালিত কিছু জ্বালানো থাকলে বন্ধ করতে হবে
    • জানালার পাশে দাঁড়ানো একদমই যাবে না
    • উঁচু ভবনে থাকলে লিফট ব্যবহার করা যাবে না
    • আর আপনি যদি যানবাহনে চলাচল করেন, এমন অবস্থায় ভূমিকম্প শুরু হয়, তখন আপনাকে রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে অবস্থান করতে হবে
    • ভূমিকম্পের সময় টর্চলাইট হাতে রাখা প্রয়োজন
    • ভূমিকম্পের সময় ভাঙা দেয়ালে আপনি যদি চাপা পড়েন তাহলে, কোনো রকম নড়াচড়া করবেন না এবং শ্বাসনালিতে যাতে ধুলাবালি ঢুকতে না পারে সেজন্য যথা সম্ভব নাক-মুখ হাত দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে উদ্ধার কর্মীদের খবর দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
    • বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে বিল্ডিং কোড মানা
    • অবকাঠামোগুলোতে রেইনফোর্সড কংক্রিট ব্যবহার
    • গ্যাস ও বৈদ্যুতিক লাইন নিরাপদ ভাবে তৈরি করতে হবে
    • জলাশয় ভরাট করেই বাড়ি বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না
    • প্রতিটি তলা একই রকম রাখতে হবে
    • বাড়ি নির্মাণের সময় M.S. রড এবং R.C.C কলাম ব্যবহার করতে হবে

    রাজধানী ঢাকায় বিল্ডিং কোট মেনে বাড়ি নির্মান করলে ভূমিকম্পের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা ও অন্যান্য মাধ্যম।

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯ টি দল থেকে ১৯৬৫ মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯ টি দল থেকে ১৯৬৫ মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২ ডিসেম্বর, ২০২৩: আগামী ৭ জানুয়ারি রবিবার (২০২৪) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে ২৯টি দল থেকে এক হাজার ৯৬৫টি এবং স্বতন্ত্র থেকে ৭৪৭টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।

    আজ শনিবার (০২ ডিসেম্বর) এমন তথ্য দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর)।

    বৃহস্পতিবার মোট দুই হাজার ৭৪১টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি।

    এছাড়া ভোটে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বলেছিল ৩০। তবে দুদিন পরে জানাল মোট ২৯টি দল ও স্বতন্ত্র থেকে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে দুই হাজার ৭১২টি।

    ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম এক সংশোধনীতে জানিয়েছেন, ২৯টি দল থেকে এক হাজার ৯৬৫টি এবং স্বতন্ত্র থেকে ৭৪৭টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। অর্থাৎ প্রায় এক চতুর্থাংশের বেশি (২৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ) মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে স্বতন্ত্র থেকে।

    অনেকে বলছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের একটি বিরাট অংশ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী। কোনো কোনো আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও একাধিক নেতা স্বতন্ত্র থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    অন্যদিকে দলীয় প্রার্থীদের মধ্যেও অনেকে একাধিক আসনে একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাছাইয়ের সময় একটি মনোনয়নপত্রই গ্রহণ করবেন।

    ইসির জনসংযোগ পরিচালক জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছে তবে ৫টি নির্বাচনী এলাকায় (মেহেরপুর-১, জামালপুর-৫, ময়মনসিংহ-৩, মানিকগঞ্জ-২, চট্টগ্রাম-৪) মনোনয়ন দাখিলকারী দলীয় মনোনয়ন দিতে পারেননি।

    এছাড়া ঝালকাঠি-১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দুজনকে দলীয় মনোনয়ন দিলেও পরবর্তীতে ৩০ নভেম্বর মুহাম্মদ শাহজাহান ওমরকে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের অনুরোধ জানিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে চিঠি দিয়েছে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপ নামক রাজনৈতিক দলের একটি মনোনয়ন দাখিল হলেও বাস্তবে এই নামের কোনো নিবন্ধন নাই।

    মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন শেষে মনোনয়নপত্র দাখিলকারীর সংখ্যা ২৭৪১ উল্লেখ করলেও কয়েকটি আসনে একজন দাখিলকারীর একাধিক মনোনয়নপত্র থাকায় যাচাই বাছাইয়ে ২৭১২জন দাখিলকারীর তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে বগুড়া-৭ আসনে ২৫টি।

    জাতীয় পার্টি-জেপি ২০টি, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল ছয়টি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৩৪ টি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৩০৪টি, গণতন্ত্রী পার্টি ১২টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) ছয়টি, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি ৩৩টি, বিকল্পধারা ১৪টি, জাতীয় পার্টি ৩০৪টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ ৯১টি, জাকের পার্টি ২১৮টি, বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন ৪৭টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ১৪টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ দুটি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ১৪২টি, গণফোরাম নয়টি, গণফ্রন্ট ২৫টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ১৩টি, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ ৩৯টি, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ১৮টি, ইসলামী ঐক্যজোট ৪৫টি, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ৩৭টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ- বিএমএল ৫টি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট ৭৪টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট- বিএনএফ ৫৫টি, বাংলাদেশ কংগ্রেস ১১৬টি, তৃণমূল বিএনপি ১৫১টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ৪৯টি, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি ৮২টি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে।

    ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ এ নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, অনেকেই দল থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও দলীয় মনোনয়নকারীর প্রত্যায়ন জমা দেননি। আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে এমন হয়েছে কয়েকটি, অন্য দলেরও আছে। এমন মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় বাতিল হয়ে যাবে।

    ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।