নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির অপচেষ্টা অব্যাহত আছে: সেতুমন্ত্রী

নির্বাচন ঠেকাতে চায় বিএনপি সেতুমন্ত্রী - জাতীয় - ২ ডিসেম্বর ২০২৩ (ফাইল ছবি)
নির্বাচন ঠেকাতে চায় বিএনপি সেতুমন্ত্রী - জাতীয় - ২ ডিসেম্বর ২০২৩ (ফাইল ছবি)

www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২ ডিসেম্বর, ২০২৩: নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপির অপচেষ্টা অব্যাহত আছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল। তিনি বলেন,‘ বিএনপি হরতাল, অবরোধ, আগুনসন্ত্রাস করে জনগণকে নির্বাচনবিমুখ করতে পারেনি। জনগণ পুরোপুরি নির্বাচনমুখী হয়ে পড়েছে। এ নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি হবে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও ঠেকাতে বিএনপি যে অপচেষ্টা করেছিল তা এখনও অব্যাহত আছে। দেশের জনগণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। তারা আরেকটি বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাতে চায়। এজন্য ভোট দেওয়ার জন্য তারা উন্মুখ হয়ে আছে।’

আজ শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের এ সব কথা বলেন।

তিনি বলে বলেন, ‘নির্বাচন সংক্রান্ত কোথাও কোনো সংঘাত, বিশৃঙ্খলা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পুরো দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন যে সিদ্ধান্ত নেবে তার প্রতি আওয়ামী লীগের আস্থা আছে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘বিএনপির নেতৃত্বের দলটির নেতাকর্মীরা হতাশ, আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এ থেকেই  দলটির সাবেক ও বর্তমান নেতারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। কাজেই অংশগ্রহণ নির্বাচন বলতে যা বোঝায় ২৯টি নিবন্ধিত দল অংশ নিয়েছে। সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনা, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার জন্য মানুষের যে আগ্রহ, চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র করে মানুষকে নির্বাচনবিমুখ করা যাবে না। কয়েকটি দল নির্বাচন থেকে দূরে থাকলেও জনগণ নির্বাচনমুখী।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির ডাকে তাদের নেতাকর্মীরা ভবিষ্যতে আন্দোলনের মাঠে নামবে কিনা এটা সন্দেহ।  বিএনপির সর্বনাশা ভুলনীতির জন্য দলে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে।  তৃণমূল বিএনপির সবাই বিএনপির লোক। বিএনপির নেতৃত্বের ওপর হতাশ হয়ে অনেকেই নির্বাচন করেছেন। বিএনপির কেউ যদি দল পরিবর্তন করলে তার ব্যক্তিগত বিষয়। আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতকে জড়িয়ে প্রোপাগান্ডা পাকিস্তান আমল থেকে শুরু হয়েছে। নির্বাচন এলে ভারত ও আওয়ামী লীগকে জড়িয়ে প্রোপাগান্ডা হয়। এটা নিয়ে আওয়ামী লীগ চিন্তিত নয়।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখন প্রধানমন্ত্রীর অফিসের সাব অরডিনেট অফিস নয়। একটি আইনসিদ্ধ প্রতিষ্ঠান। পার্লামেন্টে আইন করে এই প্রতিষ্ঠানকে বর্তমানের অবস্থায় আনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন। এখন আর সরকারের কথায়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বা অন্য কোনো নির্বাচন সম্পর্কিত কর্মকাণ্ড এখন আর সরকারের কথায় চলবে না। সরকার এখন রুটিন ওয়ার্ক করবে। মেজর কোনো পলিসি ডিসিশন এখন আর সরকারের হাতে নেই। নির্বাচনী ব্যবস্থাটা এখন সম্পূর্ণভাবে তাদের হাতে। যখন যে ব্যবস্থা প্রয়োজন সেটা এখন তারা নিতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জলবায়ু বিষয়ে কর্মকাণ্ড নেতৃত্বের কণ্ঠস্বর হিসেবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী মানুষের পক্ষে বিশ্বব্যাপী অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রধানমন্ত্রীকে ক্লাইমেট মুভিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ডে ঘোষিত করেছে আই ও এম ও জাতিসংঘ সমর্থিত গ্লোবাল ক্লাইমেট মুভিলিটি সংস্থা। আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমাদের সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে আমরা অভিনন্দন জানাই। তিনি আমাদের গর্ব, এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা ও শক্তি। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বের নতুন নতুন গৌরব ও উচ্চতা দেশের জন্য তিনি নিয়ে আসছেন। সেটা আমাদের মূল্যবান সম্পদ। শেখ হাসিনা ও বাঙালি জাতির এটা বিশাল সম্পদ। তাকে নিয়ে আমরা গর্ব করি। তাকে আমরা আবারো অভিনন্দন জানাই।’

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দীন নাছিম প্রমুখ।

পূর্ববর্তী রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত
পরবর্তী অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ ২০২৩ চ্যাম্পিয়ন জার্মানি