Author: Hello Bangla News

  • যুদ্ধ নয়, আলোচনার মাধ্যমেই সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব: রাষ্ট্রপতি

    যুদ্ধ নয়, আলোচনার মাধ্যমেই সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব: রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : যুদ্ধ নয়, আলোচনার মাধ্যমেই সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব, বলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন।

    সম্প্রতি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা, শিশু হত্যা ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি সংঘাতের ঘটনায় চরম দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং একইসাথে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানান।

    আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

    কাতারের উদ্যোগ ফিলিস্তিনের গাজায় সম্প্রতিক সাময়িক যুদ্ধ বিরতির জন্য কাতার সরকারকে  ধন্যবাদ ও আন্তরিক মোবারকবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মানবাধিকার শাশ্বত ও সর্বজনীন অধিকার কিন্তু দুঃখজনক হলেও এটা সত্য যে, বিরাজমান বিশ্ব মানবাধিকার পরিস্থিতি বিবেকবান যে কোনো মানুষকেই ব্যথিত করবে। অনেক দেশ ও সংস্থা মানবাধিকারের নামে দ্বিচারিতায় লিপ্ত হচ্ছে।’

    রাষ্ট্রপ্রধান সকল মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে মানবাধিকার রক্ষায় সদা সজাগ থাকার ও পরামর্শ দেন।

    দেশের যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটবে সেখানেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপস্থিতি নিশ্চিত করারও জোর তাগিদ দেন তিনি।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র ও দলমত নির্বিশেষে কমিশনকে নির্যাতিতদের পক্ষে এবং নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

    তিনি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র সহ সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে মানবাধিকার চর্চা বাড়ানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, কমিশন যাতে শোষিত ও নির্যাতিতদের কাছে আস্থা ও ভরসার প্রতীকে পরিণত হতে পারে সে লক্ষ্যে কমিশনকে নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং নির্যাতনকারীদের শাস্তি দানে সর্বাত্মক প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে।

    তিনি বলেন,‘মানবাধিকার সুরক্ষায় পারস্পরিক সংলাপ, সভা, সেমিনার, ওয়ার্কশপ শিক্ষা ও প্রচারসহ সহযোগিতা বৃদ্ধির সকল কার্যক্রমে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।’

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সমাজের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ও মতাদর্শের ব্যক্তি, যেমন-মসজিদের ইমাম, ধর্মগুরু, শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গকে মানবাধিকার প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত করা গেলে মানবাধিকার পরিস্থিতির আরো উন্নতি হবে।’

    রাষ্ট্রপতি আশা করেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সকল মানবাধিকার কর্মী, সংস্থা ও অংশীজনদের নিয়ে একযোগে কাজ করে গণমানুষের আকাক্সক্ষা পূরণে শক্তশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

    মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মহান ব্রত নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমৃত্যু আন্দোলন করেছেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ধারক-বাহক ও মহানায়কের মানবাধিকার সংগ্রামের ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০০৯ সাল থেকে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য হ্রাস, শিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ বিস্তার, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, নারীর ক্ষমতায়নসহ আর্থ-সামাজিক নানা সূচকে তাৎপর্যপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে।

    বিশেষ করে, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি সংকট মোকাবেলায় দূরদর্শী নেতৃত্ব ও মানবিকতার জন্য বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে প্রশংসিত হয়েছে। এ ছাড়া ‘কোভিড-১৯’ অতিমারি পরিস্থিতিতে মানবাধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশ বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে পৃথিবীতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, শুধু জাতীয় পর্যায়ে নয়, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও বাংলাদেশ মানবাধিকার সুরক্ষায় তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আনিসুল হক ও বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মোঃ সেলিম রেজা।

    অনুষ্ঠানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

  • সিলেটে গ্যাসক্ষেত্রে ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান: নসরুল হামিদ

    সিলেটে গ্যাসক্ষেত্রে ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান: নসরুল হামিদ

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, সিলেট গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপে চারটি স্তরে ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে । এছাড়া, সেখানকার একটি কূপে জ্বালানি তেলের সন্ধান মিলেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

    মন্ত্রী বলেন, সিলেট-১০নম্বর কূপে ২৫৭৬ মিটার গভীরতায় খনন সম্পন্ন করা হয়। এই কূপে চারটি স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। নিচের স্তরটি ২৫৪০-২৫৫০ মিটার টেস্ট করে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রবাহ পাওয়া যায় এবং ফ্লোয়িং প্রেসার ৩২৫০ পিএসআই। মজুদের পরিমাণ ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট। ২৪৬০-২৪৭৫ মিটারে আরো একটি ভালো গ্যাস স্তর পাওয়া যায়, এখানে টেস্ট করলে ২৫-৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়। ২২৯০-২৩১০ মিটারে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

    তিনি আরও বলেন, ১৩৯৭-১৪৪৫ মিটার গভীরতায় আরো একটি জোন পাওয়া যায় যেখানে ৮ ডিসেম্বর টেস্ট করে তেলের উপস্থিতি জানা যায়, যার প্রাথমিকভাবে এপিআই গ্রাভিটি ২৯.৭ ডিগ্রি। সেলফ প্রেসারে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল তেলের প্রবাহ পাওয়া যায়।

    নসরুল হামিদ বলেন, ২৫৪০ এবং ২৪৬০ মিটার গভীরতায় একযোগে উৎপাদন করা হলে প্রায় ৮-১০ বছর গ্যাস পাওয়া যাবে। গড় ভারিত মূল্য হিসেবে এর মূল্য প্রায় ৮৫০০ কোটি টাকা। যদি ২০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে উৎপাদন করা হয় তাহলে ১৫ বছরের বেশি সময় এখান থেকে গ্যাস উত্তোলন করা যাবে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নুরুল আমিন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার।

  • বিশ্বে বায়ুদূষণের তালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান প্রথম

    বিশ্বে বায়ুদূষণের তালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান প্রথম

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : গত ৭ ডিসেম্বর বৃষ্টির কারণে ঢাকার বায়ুদূষণ কিছুটা কম ছিল। কিন্তু ৮ ও ৯ ডিসেম্বর শীত কিছুটা বাড়লেও আবহাওয়া ছিল শুষ্ক। তাই আবার বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়ে গেছে। বিশ্বের ১০৯ টি শহরের মধ্যে দূষিত শহরের তালিকায় আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর ) সকালে রাজধানী ঢাকার অবস্থান প্রথম।

    বায়ুদূষণের দিক থেকে আবারও শীর্ষে উঠেছে ঢাকা। আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় দেখা গেছে।

    বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) বলছে, সকাল ৮টার পর ২৩৭ একিউআই স্কোর নিয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠে আসে ঢাকা। আজ সকাল ১০টার সময়ও এই স্কোর ছিল ঢাকার।

    সূচকের তথ্য অনুসারে, উল্লিখিত সময়ে বায়ুদূষণের তালিকায় ২২৬ একিউআই স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে  পাকিস্তানের লাহোর। এরপর ২১৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে জায়গা নেয় চীনের চেংদু।

    নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার। সংস্থাটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এই ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে সংস্থাটি।

    আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়। র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

    দেশের সবচেয়ে জনবহুল শহরের বাতাসের এ দূষণচিত্র নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণে ভুগছে রাজধানী। এ নগরের বাতাসের মান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়। তবে বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

    ২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো— ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

    এর ফলে শ্বাসকষ্ট, কাশি, জ্বর, ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে। তাই চিকিৎসকরা এই সময় সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন।

  • মিয়ানমারের  ৪০০ নিপীড়িত রোহিঙ্গা এখন ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে

    মিয়ানমারের ৪০০ নিপীড়িত রোহিঙ্গা এখন ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : দুটি ভাঙ্গা নৌকায় আনুমানিক ৪০০ রোহিঙ্গা নাগরিক ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে পৌঁছেছেন। আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) এই তথ্য দিয়েছে প্রাদেশিক একটি জেলে সম্প্রদায়ের প্রধান । এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

    জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রায় এক হাজার ২০০ সদস্য নভেম্বর থেকে রবিবারের আগ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া উপকূলে পৌঁছান।

    অবশ্য আজ রবিবার (১০ নভেম্বর) বিপুল সংখ্যক এসব রোহিঙ্গার পৌঁছানোর আগে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) বলেছিল, গত নভেম্বর থেকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ১২০০ জন সদস্য মিয়ানমার থেকে ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে এসে পৌঁছেছে।

    আচেহ প্রদেশের মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের প্রধান মিফতাহ কাট আদে বলেছেন, রবিবার ভোরে দুটি নৌকা আচেহ প্রদেশে এসে পৌঁছেছে। এর একটি পিডি জেলায় এবং অন্যটি আচেহ বেসার জেলায়। প্রতিটি নৌকায় আনুমানিক ২০০ জন করে রোহিঙ্গা ছিল বলেও জানান তিনি।

    স্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা অ্যান্ডি সুসান্তো বলেছেন, প্রায় ১৮০ জন রোহিঙ্গা রবিবার স্থানীয় সময় ভোর ৪ টায় পিডিতে এসে পৌঁছেছেন। পরে আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যান কর্মকর্তারা।

    সুসান্তো নিশ্চিত করেছেন, সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গাদের বহনকারী দ্বিতীয় একটি নৌকা সম্পর্কেও অবগত রয়েছে। তবে ওই নৌকাটি ঠিক কোথায় এসে পৌঁছেছে বা কতজন সেই নৌকায় অবস্থান করছে সে সম্পর্কে তাদের কাছে কোনও তথ্য নেই।

    ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, নৌকায় করে রোহিঙ্গাদের আগমন সাম্প্রতিক সময়ে বৃদ্ধির পেছনে মানব পাচারের মতো বিষয় রয়েছে বলে তিনি সন্দেহ করেন। আর তাই এই সমস্যা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

    রয়টার্স বলছে, ইন্দোনেশিয়া ১৯৫১ সালের ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন অন রিফিউজিতে স্বাক্ষরকারী দেশ নয়। কিন্তু দেশটির উপকূলে শরণার্থীরা এসে পৌঁছালে তাদের আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস দেশটির রয়েছে।

    কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বিপুল সংখ্যায় শরণার্থীদের আগমন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে এবং আচেহ প্রদেশের স্থানীয় বাসিন্দারা কিছু শরণার্থীকে ফেরতও পাঠিয়েছে। মূলত আচেহ হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চল যেখানে শরণার্থীদের বহনকারী বেশিরভাগ নৌকা অবতরণ করে থাকে।

    বস্তুত, মিয়ানমারের সংখ্যালঘু জাতিসত্ত্বা রোহিঙ্গাদের বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি বলে বিবেচনা করা হয়। ২০১৭ সালের পর এই ধারণা আরও বেশি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    ২০১৭ সালে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে সেনাবাহিনীর হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের সামনে টিকতে না পেরে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশসহ আশপাশের বিভিন্ন দেশে পালাতে শুরু করে।

    বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

  • হুথি গোষ্ঠী ইসরায়েলগামী সব জাহাজে হামলার হুমকি দিয়েছে

    হুথি গোষ্ঠী ইসরায়েলগামী সব জাহাজে হামলার হুমকি দিয়েছে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : ইসরায়েলগামী সব জাহাজে হামলার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। একইসঙ্গে ইসরায়েলি বন্দরগুলোতে যাওয়া এবং সেখানে কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিরুদ্ধে সমস্ত আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিকে সতর্কও করেছে গোষ্ঠীটি।

    এর আগে চলতি মাসেই ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত এই বিদ্রোহীরা। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

    জানা যায়, ইসরায়েলগামী সব জাহাজকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে শনিবার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথিরা। একইসঙ্গে ইসরায়েলি বন্দরগুলোতে যাওয়া ও সেখানে কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিরুদ্ধে সমস্ত আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিকে সতর্ক করেছে গোষ্ঠীটি।

    হুথি গোষ্ঠীর একজন সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, যদি গাজা তার প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধ না পায়, তাহলে লোহিত সাগরে ইসরায়েলি বন্দরগুলোর দিকে যাওয়া সমস্ত জাহাজ তাদের জাতীয়তা নির্বিশেষে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

    এর আগে ইয়েমেনি এই যোদ্ধারা বাব আল-মান্দেব প্রণালীতে ইসরায়েলি বেশ কয়েকটি জাহাজ আক্রমণ চালানোর পাশাপশি জব্দও করেছে। এছাড়া ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সশস্ত্র ড্রোন নিক্ষেপও করেছে তারা।

    টানা দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ১৩ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে হাসপাতালসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। পর্যাপ্ত ত্রাণ না আসায় সেখানকার মানুষ মানবেতর জীবন ধারণ করছে।

  • রান্না: চিকেন ভেজিটেবল চপ

    রান্না: চিকেন ভেজিটেবল চপ

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : সাধারণত চপ এমন একটি খাবার যা বিরিয়ানি, পোলাও বা তেহারির সঙ্গে খাবওয়া যায়। তাছাড়া বিকেলের হালাকা নাস্তা হিসেবে চিকেন ভেজিটেবল চপের তুলনা হয়না। এবার দেওয়া হলো এই চপের রেসিপি।

     

    উপকণ:

    চিকেন কিমা সিদ্ধ-১/২ কাপ, আলু সিদ্ধ করে ম্যাশ করে নেয়া-২ টা, ফুল কপি সিদ্ধ করে ম্যাশ করে নেয়া-১/৪ কাপ, গাজর সিদ্ধ করে ম্যাশ করে নেয়া-১/৪ কাপ, সিদ্ধ ডিম কুচি-১ টা, পেয়াজ বেরেস্তা-২ টেবিল চামচ, কাচা মরিচ কুচি-১ চা চামচ, ধনে পাতা কুচি-১ চা চামচ, লবন-পরিমাণ মতো, বিস্কিটের গুড়া-পরিমাণ মতো, ফেটানো ডিম-১ টা, ভাজার জন্য তেল-পরিমাণ মতো।

    নুঝহাত দিবা - লাইফস্টাইল - ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)
    নুঝহাত দিবা – লাইফস্টাইল – ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)

    প্রণালি:

    ফেটানো ডিম এবং  বিস্কিটের গুড়া বাদে সব উপকন এক সাথে মেখে, চপ এর আকারে শেপ দিয়ে ফেটানো ডিম এ ডুবিয়ে  বিস্কিটের গুড়ায় গড়িয়ে নিয়ে তেলের মধ্যে ভেজে নিব। সস এর সাথে গরম গরম পরিবেশন করবো।

    রেসিপি দিয়েছেন: নুঝহাত দিবা

  • আবুধাবি টি-টেন টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন নিউইয়র্ক স্ট্রাইকার্স

    আবুধাবি টি-টেন টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন নিউইয়র্ক স্ট্রাইকার্স

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় ও ব্যায়বহুল খেলা। তাই বিশ্বের অনেক তারকা ক্রিকেটারকে দেখা যায় আবুধাবির মাঠে। এবার এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নিউইয়র্ক স্ট্রাইকার্স।

    প্রতিপক্ষ সবচেয়ে সফল দল ডেকান গ্ল্যাডিয়েটর্স। এবার সেই ডেকানকেই হারিয়ে আবুধাবি টি-টেনে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নিউইয়র্ক।

    গতকাল শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে ডেকানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নিউইয়র্ক। আগে ব্যাট করে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিতে পারেনি দলটি। ৫ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান করে তারা। রানতাড়া করতে নেমে নিউইয়র্ক ৪ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

    শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে ২৫ বলে ৪৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন পাকিস্তানের হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান আসিফ আলী। ১৩ বলে ২২ রান করেন নিউইয়র্ক অধিনায়ক কিরন পোলার্ড। দুজনেই অপরাজিত থেকে নিউইয়র্ককে জিতিয়ে তবে মাঠ ছাড়েন। অথচ এর আগে নিউইয়র্কের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ-মোহাম্মদ ওয়াসিম দলীয় ৭ রানে সাজঘরে ফিরলে ধাক্কা খায় তারা। ধাক্কা সামলে আসিফ-পোলার্ড দলকে নিয়ে যান জয়ের বন্দরে।

    এর আগে শুরুটা দারুণ হলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি ডেকান। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নিকোলাস পুরানের দল চাপে পড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আন্দ্রে রাসেল-ডেভিড ভিসার ঝড়ে ৯২ রানের লক্ষ্য দিতে পারে ডেকান। রাসেল ১৮ বলে ৩০ ও ভিসা ১১ বলে ২০ রান করে অপরাজিত ছিলেন। ডেকানের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সফল স্পিনার সুনীল নারিন।

    এর আগে ২৮ নভেম্বর আবুধাবি টি-টেনের সপ্তম আসর শুরু হয়েছিল। গতকাল নিউইয়র্কের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মধ্য দিয়ে পর্দা নামে। এর আগের দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন ডেকান এবারও রানার্স-আপ হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে।

  • দুদক কর্মকর্তাদের নৈতিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    দুদক কর্মকর্তাদের নৈতিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ ও নৈতিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    ‘আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০২৩’ উপলক্ষে আজ শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে শিল্পকলা একাডেমিতে দুদক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, দুদক তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব কোনো অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে নির্মোহ ও নিষ্ঠার সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে পালনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারলেই আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন স্বার্থক হবে। সংবিধিবদ্ধ স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনগণের কাছে দুদকের জবাবদিহি থাকা উচিত।

    সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, একজন দুর্নীতিবাজের পরিচয় কেবলই দুর্নীতিবাজ। দুর্নীতিবাজদের কোনো দল নেই, নীতি-আদর্শ নেই। তাই দুর্নীতিবাজরা যে দলেরই হোক, দুর্নীতি করলে তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় আনতে হলে দুদককে আরও কৌশলী হতে হবে, প্রশিক্ষিত ও প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে।

    ‘তাই দুর্নীতি দমন করতে হলে পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে। পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষা এবং ধর্মীয় অনুভূতিও দুর্নীতি রোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।’ বলেন সাহাবুদ্দিন।

    ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে সেজন্য দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বব্যাপী প্রতিরোধ গড়ে তোলারও তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি।

    তিনি ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় পদ্মা সেতুর অসত্য কেলেঙ্কারির ঘটনাসহ বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন।

    তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের সফলতায় আনন্দিত হই, আবার ব্যর্থতায় ব্যথিত হই। দুদকের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে প্রত্যেককে আইন সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

    দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক, মোছা. আছিয়া খাতুন এবং কমিশনের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

    সূত্র: বাসস

  • নারী-পুরুষ সবাইকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী

    নারী-পুরুষ সবাইকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩: নারী-পুরুষ সবাইকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসেনা।তিনি বলেন, আমরা আমাদের ছেলে-মেয়ে উভয়ই যেন সমানভাবে দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে ব্যবস্থা নিয়ে, সব পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।

    আজ শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া দিবস ও বেগম রোকেয়া পদক দেওয়া উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘বেগম রোকেয়ার যে স্বপ্ন, সেই স্বপ্ন বাংলাদেশ পূরণ করতে পেরেছে; অন্তত এটুকু দাবি করতে পারি।’

    তিনি বলেন, ‘আমি সরকারের এসে দেখি আমাদের উচ্চ আদালতে কোনো নারী জজ নেই। তখন আমি উদ্যোগ নিলাম, মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি, আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বলেছি— উচ্চ আদালতে কোনো জজ নিয়োগ দেওয়া হলে তাতে যদি কোনো নারী জজের নাম না থাকে, আমি কখনো ওই ফাইল সই করব না, রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাব না। সেই থেকে যাত্রা শুরু।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের নারীদের বিচরণ সব জায়গায়। যেমন তারা রাজনীতিতেও আছে, অর্থনীতিতে আছে, পররাষ্ট্রনীতিতে আছে, আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ে… সশস্ত্র বাহিনী, সেই সঙ্গে বর্ডার গার্ড সব ক্ষেত্রে কিন্তু নারীদের প্রবেশ সুযোগ আছে এবং তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।’

    শেখ হাসিনা বলেন, সাংবাদিকতা, তথ্যপ্রযুক্তি, শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি, খেলাধুলা সব ক্ষেত্রে এখন মেয়েরা তাদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে।

    টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জেন্ডার সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে বাংলাদেশ। নারীর রাজনীতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে সপ্তম। আমাদের স্বাস্থ্য সেবাকর্মীদের ৭০ শতাংশ নারী। তৈরি পোশাক শিল্পে ৮০ শতাংশের বেশি নারীকর্মী।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দেশটাকে আমরা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ২০৪১ সালের মধ্যে এ বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ।’

    সমাজে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৩’ পদক পেয়েছেন পাঁচ বিশিষ্ট নারী।

    অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট নারী ও তাদের স্বজনদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    পদকপ্রাপ্তরা হলেন- নারী শিক্ষায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী উপাচার্য খালেদা একরাম (মরণোত্তর), নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় ডা. হালিদা হানুম আখতার, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কামরুন্নেছা আশরাফ দিনা (মরণোত্তর), নারী জাগরণে উদ্বুদ্ধকরণে নিশাত মজুমদার ও পল্লী উন্নয়নে রনিতা বালা।

    পদকপ্রাপ্তদের ১৮ ক্যারেট মানের ২৫ গ্রাম স্বর্ণ নির্মিত একটি পদক, পদকের রেপ্লিকা, প্রত্যেককে চার লাখ টাকার চেক ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক।

  • যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিক কোনো কারণ নেই: সেতুমন্ত্রী

    যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিক কোনো কারণ নেই: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩: যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিক কোনো কারণ নেই, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন গণতান্ত্রিক শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো ও এ পথকে মসৃণ করার লক্ষ্যে আমরা বিরামহীন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আমাদের নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। সুতরাং নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিক কোনো কারণ আমরা দেখছি না। বরং নির্বাচনকে যারা বাধাগ্রস্ত করবার জন্য সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে, জ্বালাও- পোড়াও, গুপ্ত হামলা করছে এদের ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।’

    আজ শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, আনোয়ার হোসেন, মেরিনা জাহান কবিতা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা মানবাধিকার নিয়ে কথা বলে, তারা ১৫ ও ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং জোট সরকারের নিপীড়নের কথা বলেন না। বিএনপির নির্বাচনকেন্দ্রিক আন্দোলন ব্যর্থ। এখন তারা আগুন দিচ্ছে।’

    তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সব দেশের রাজনৈতিক অভিযোগের বিষয়টা তো জাতিসংঘের কাছেই যায়। কিছু কিছু চাপের ব্যাপার নিশ্চয়ই আছে, তা না হলে এত কিছু হলো কেন? বাংলাদেশে গত কয়েক মাস কত রকমের ঘটনা ঘটেছে। এই নিষেধাজ্ঞা আসলো আসলো এমন কথা চলছিল। এসব বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘকে জানিয়ে রাখল, আমরা ভালো নির্বাচন করছি, কোনো অসুবিধা নেই, অহেতুক কেউ যেন আমাদেরকে চাপ না দেয়।’

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ২০০৯ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে মানবাধিকার কমিশন স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারছে। আওয়ামী লীগ মানুষের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জন্মলগ্ন থেকেই হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা ভাসানী থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই অব্যাহত রেখেছেন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এবার যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ১৩ দেশের ৩৭ ব্যক্তির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার ৭৫তম বার্ষিকীর প্রাক্কালে গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেয়। যে অপশক্তি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে বা করার অপচেষ্টা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য অনুযায়ী এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে তারা নিষেধাজ্ঞা দেয়।’

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এদেশে মানবাধিকারের ইতিহাস বড়ই ট্র্যাজিক। শুরু করি যদি ১৫ই আগস্ট এ সপরিবারে অবলা নারী, অবুঝ শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীকে বর্বরোচিত যে হত্যাকাণ্ড, এ ব্যাপারে মানবাধিকার নিয়ে যারা কথা বলে তাদের অনেককেই দেখেছি নীরব। তাদের অনেকেই স্বৈরশাসকদের তাঁবেদারি করেছে। এরা মানবাধিকার নিয়ে কথা বলে।’