Author: Hello Bangla News

  • জাপানে দুর্ঘটনা কবলিত বিমানের ৩৭৯ যাত্রী অলৌকিকভাবে অক্ষত

    জাপানে দুর্ঘটনা কবলিত বিমানের ৩৭৯ যাত্রী অলৌকিকভাবে অক্ষত

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৪ জানুয়ারি, ২০২৪: জাপানে যাখন ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত অবস্থা বিরাজ করছে তখন মঙ্গলবার রাজধানী টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে জাপানের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান পরিষেবা সংস্থা জাপান এয়ারলাইন্সের একটি এয়ারবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় জাপানের কোস্টগার্ড বাহিনীর একটি ড্যাশ ৮ উড়োজাহাজের। এ সময় এয়ারবাসটিতে মোট ৩৭৯ জন যাত্রী ছিলেন।

    বিশেষজ্ঞরা বিমানের থাকা যাত্রীদের সবার বেঁচে যাওয়াকে রীতিমতো ‘অবিশ্বাস্য’ বলে মনে করছেন। যেখানে কোন যাত্রীর বেঁচে থাকার কথা নয় সেখানে সবাইকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করাটাকে একটা অলৌকিক ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

    যুক্তরাজ্যের ক্র্যানফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপাত্তা ও দুর্ঘটনা তদন্ত বিভাগের অধ্যাপক গ্রাহাম ব্রেইথওয়েইটের মতে, জাপানের বিমান পরিষেবাকর্মীদের অসাধারণ দক্ষতা ও কর্মতৎপরতার কারণেই এই ‘অলৌকিক ঘটনা’ ঘটা সম্ভব হয়েছে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে ব্রেইথওয়েইট বলেন, “আমি ভিডিও ফুটেজে যা দেখলাম, তার ভিত্তিতে বলতে পারি যে এত অল্প সময়ের মধ্যে যাত্রীবাহী বিমানটির সব যাত্রীকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনা  রীতিমতো অবিশ্বাস্য।”

    ভূমিকম্প বিধ্বস্ত জাপানের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় নোটো বিভাগে ত্রাণ সরবরাহ করে ফিরছিল কোস্টগার্ডের ড্যাশ ৮ উড়োজাহাজটি। হানেদা বিমানবন্দরে ল্যান্ডিংয়ের সময় রানওয়েতে অপেক্ষমান এয়ারবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় সেটির। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় কোস্টগার্ড উড়োজাহাজের ৫ জন ক্রু নিহত হলেও এয়ারবাসের সব যাত্রীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই যাত্রীদের মধ্যে মাত্র ৪ জন আহত হয়েছেন।

    ব্রেইথওয়েইট বলেন, “ভিডিও ফুটেজ দেখে বোঝা যায়, এই দুর্ঘটনাটি প্রতিরোধ করা অসম্ভব ছিল। তবে জাপান এয়ারলাইন্স তাদের নিরাপত্তা এবং ক্রুদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কী পরিমাণ মনযোগ দেয়, তা আমি জানি। তাদের এই অসাধারণ দক্ষ উদ্ধার তৎপরতাই আসলে এই যাত্রীদের প্রাণ বাঁচিয়েছে।”

    সিএনএনকে ব্রেইথওয়েইট জানান, এর আগে ১৯৮৫ সালের ১২ আগস্ট জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং বিমান বিধ্বস্ত হওয়ায় সেই বিমানটির মধ্যে থাকা ৫২৪ জন যাত্রীর মধ্যে ৫২০ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছিলেন। রাজধানী টোকিও থেকে ওসাকাগামী সেই উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার প্রধান কারণ ছিল সেটির পেছনের অংশের ত্রুটি এবং এই ত্রুটির জন্য দায়ী ছিল টেকনিশিয়ানরা।

    ওই দুর্ঘটনটাটি এখন পর্যন্ত বিমান পরিষেবার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি।

    ব্রেইথওয়েইট বলেন, “জাপান এয়ারলাইন্স সেই ভয়াবহ স্মৃতি ভুলতে পারেনি। এমনিতেই জাপানিরা জাতিগতভাবে পরিশ্রমি এবং সব কাজ যতদূর সম্ভব নিখুঁতভাবে করা তাদের মজ্জাগত অভ্যাস। ওই দুর্ঘটনার পর জাপান এয়ারলাইন্স নিরাপত্তা খাতে নিবিড় মনোযোগ দিয়েছে; আর তার ফলাফল এই প্রায় অলৌকিক উদ্ধার অভিযান। জাপানের বিমান পরিষেবা শিল্পের নিরাপত্তাবিধি আসলে রক্ত দিয়ে লেখা।”

  • ফ্রান্স সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

    ফ্রান্স সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৪ জানুয়ারি, ২০২৪: ফ্রান্সের সুপার কাপে আবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। এনিয়ে রেকর্ড ১২ বারের মতো শিরোপা জিতেছে ক্লাবটি। এই দলের অন্যতম খেলোয়াড় হচ্ছে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম প্রধান স্ট্রাইকার  কিলিয়ান এমবাপের

    দেশটির অন্যতম ফুটবল প্রতিযোগিতাটিতে সর্বোচ্চ ফ্রান্স কাপ চ্যাম্পিয়ন তুলুজকে ২-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলে নিয়েছে পিএসজি।

    ফ্রান্সের পেশাদার ফুটবল প্রতিযোগিতা লিগ-১ এর চ্যাম্পিয়ন দল এবং দেশটির প্রিমিয়ার নকআউট কাপ প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন দলের মধ্যে বাৎসরিক এক ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতেই অংশগ্রহণ করে দল দুটি।

    ১৯৪৯ সালে প্রথমবারের মতো আসরটির আয়োজন করেছিল দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। এখন পর্যন্ত মোট ২৮ বার আয়োজিত হয়েছে প্রতিযোগিতাটি।

    গতকাল বুধবার পিএসজির ঘরের মাঠ পার্ক দেস প্রিন্সেস-এ খেলতে নেমে ম্যাচের ৩ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন পিএসজির দক্ষিণ কোরিয়ান মিডফিল্ডার লি কেং-ইন। ম্যাচের ১৮ মিনিটে গোলটি শোধ করার সুযোগ পেয়েছিল তুলুজ। তবে সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি দলটির ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল সুজো। পিএসজির ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে সুজোকে বল পাস দিয়েছিলেন তুলুজের মিডফিল্ডার অ্যারন ডোনাম। কিন্তু বলটি ঠিকমতো রিসিভ করতে পারেননি সুজো।

    ম্যাচের ৪৪তম মিনিটে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমবাাপে। ব্রাডলি বারকোলার অ্যাসিস্ট থেকে বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত শটে তুলুজের জাল কাপান ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী তারকা। তার গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় পিএসজি। এই গোল নিয়ে চলতি মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ২৩ ম্যাচে ২২ গোল করেন এমবাপে।

    তবে দ্বিতীয়ার্ধে নেমে আর কেউ গোল করতে পারেনি। ফলে ২-০ গোলে জয় নিয়েই শিরোপা ঘরে তুলে নেয় পিএসজি।

  • শাহরুখকে মেনে নিতে পারেননি গৌরীর ভাই

    শাহরুখকে মেনে নিতে পারেননি গৌরীর ভাই

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৪ জানুয়ারি, ২০২৪: বলিউডে নায়ক কিংবা নায়িকাদের ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বিয়ের প্রথা দীর্ঘ দিনের রেওয়াজ। দেখা গেছে অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীর জীবনে ধর্ম কোন বাঁধা হয় দাড়ায়নি। বরং প্রেমের জয় হয়েছে। ধর্ম নয় প্রেমের জয় হয়েছে এই ধরনের বেশ কিছু আলোচিত বিয়ে হচ্ছে নার্গিস ও সুনীল দত্ত, মধুবালা ও কিশোর কুমার, সুনীল শেঠি ও মনা কাদরী, মনোজ বাজপেয়ী ও শাবানা রাজা, হৃত্বিক রোশন ও সুজান খান, সঞ্জয় দত্ত ও দিলনাওয়াজ শেখ, দিয়া মির্জা ও সাহিল সংঘ, কুনাল খেমু ও সোহা আলি খান, সাইফ আলী খান ও কারিনা কাপুর খান। তাছাড়া সাইফ আলী খানের মাতা শর্মিলা ঠাকুর বিয়ে করেন মুসলিম ক্রিকেটার নবাব মনসুর আলী খান পতৌদিকে।

    তবে সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে শাহরুখ খান ও গৌরী খানের বিয়েটি। এই বিয়েতে শাহরুখ খানকে প্রথমে নাম পাল্টাতে হয়ছিলো। শুধু তাই নয় গৌরীর ভাই এই বিয়েতে রাজি ছিলোনা এমনকি শাহরুখকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। এক পর্যায় তাদের প্রেমও অটুট থাকে । ১৯৯১ সালে বিয়ে করে আজও তাদের দাস্পত্য জীবনে সুখের।

    শাহরুখ ও গৌরিকে স্রোতের বিপরীতে লড়াই করতে হয়েছে দুজনকেই। অবশেষে চার হাত এক হয়েছে।

    আর তাদের ঐতিহাসিক বিয়ে নিয়ে কিছু মজার ঘটনাও আছে, যা অনেকেই হয়তো জানেন না। একজন হিন্দু নারীকে বিয়ের জন্য নিজের নামও বদলেছিলেন কিং খান! জানা যায়, আর্য রীতিতে বিয়ের জন্য শাহরুখকে তার নাম পরিবর্তন করতে হয়েছিল, যা তিনি করেছিলেন।

    তিনি জিতেন্দ্র কুমার তুলি নামটি বেছে নিয়েছিলেন। দুই তারকা জিতেন্দ্র এবং রাজেন্দ্র কুমারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নামটি বেছে নেওয়া হয়েছিল। তুলি ছিল রাজেন্দ্র কুমারের আসল নাম। তবে শুধু শাহরুখ নয়, গৌরীকেও নিকাহ অনুষ্ঠানের জন্য তার আসল নাম পরিবর্তন করতে হয়েছিল এবং তিনি আয়েশা নামটি বেছে নিয়েছিলেন।

    শাহরুখ এবং গৌরী তাদের বিয়ের আগে অনেক বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন। যদিও শাহরুখ এখন গৌরির মায়ের প্রিয় একজন, কিন্তু গৌরির মা শুরুতে দুজনের বিয়ের পক্ষে ছিলেন না। এর আগে ‘ফার্স্ট লেডিস’ নামে একটি শো’তে গৌরী তাদের পরিবারের আশংকা প্রকাশ করে বলেছিলেন, “আমরা অনেক ছোট ছিলাম। তার ওপর বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এমন একজন ব্যক্তিকে যে চলচ্চিত্রে যোগ দিতে চলেছে এবং ভিন্ন ধর্মের। আমার মা রাজি ছিলেন না। তিনি চাননি এই সম্পর্কটা হোক। কিন্তু বিধাতা আমাদের এক করেছেন। অবশেষে এখন আমরা একসঙ্গে।”

    প্রায় ৩০ বছরের দাম্পত্যজীবন তাঁদের। শাহরুখ খান –গৌরী খানের প্রেম-কাহিনি এখন অনেকেরই জানা। ১৯৯১ সালের ২৫ অক্টোবর বিয়ে করেন তাঁরা। দুজনের সুখী দাম্পত্য জীবনে তিনটি সন্তান রয়েছে। আরিয়ান, সুহানা এবং আবরাম খান।

    পঞ্জাবি পরিবারের মেয়ে গৌরী ও মুসলিম পরিবারের ছেলে শাহরুখ। তবে ধর্ম কোনও দিনই তাদের ভালবাসায় অন্তরায় হতে পারেনি। কিন্তু মুসলিম ছেলে শাহরুখের সঙ্গে বিয়েতে আপত্তি ছিল গৌরীর পরিবারের। অনেক উপায়ন্তর করে গৌরীকে বিয়ে করেন শাহরুখ। তবে হিন্দু পরিবারের মেয়ের সঙ্গে প্রেম করায় গৌরীর ভাইয়ের এক সময় চক্ষুশূল হতে হয় শাহরুখকে। চূড়ান্ত বিদ্বেষ, শাহরুখকে দেখলেই নাকি খুনে রাগ চেপে যেত গৌরীর ভাইয়ের।

    ২৬-এ পা দিয়েছেন শাহরুখ, গৌরী তখন ২১। সেই সময় পরিবারের সঙ্গে শাহরুখের আলাপ করান তাঁর। শাহরুখ ভিন ধর্মের বলেই আপত্তি ছিল গৌরীর ভাই বিক্রান্ত ছিব্বড়ের। এক সাক্ষাৎকারে গৌরী বলেন, ‘‘আমার ভাই বিক্রান্তের চক্ষুশূল ছিল শাহরুখ। যদিও মানুষ হিসেবে আমার ভাই শান্ত প্রকৃতির, উদার। কিন্তু শাহরুখকে দেখলেই ওর মুখ-চোখ লাল হয়ে যেত। আসলে আমাকে নিয়ে ভীষণ স্পর্শকাতর ছিল। মনে মনে কত বার যে শাহরুখকে ও খুন করেছে, তার কোনও কুল কিনারা নেই। আস্তে আস্তে সব কিছু ঠিক হয়ে যায়। এখনও গৌরি ও শাহরুখ একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

  • সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জানুয়ারি, ২০২৪: আগামী ৭ জানুয়ারি (রবিবার) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

    গতকাল বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের শেষ জনসভা হতে যাচ্ছে। এদিন শেষার্ধে জাতির উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন।

    অপর দিকে আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ইশতেহার নিয়ে সন্ধ্যা ৭টায় শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

    নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ‍করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই অবস্থায় এসে গেছে জাতীয় নির্বাচন । তাই প্রধানমন্ত্রীর আজকে সন্ধ্যার ভাষণ নান দিক দিয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

  • বঙ্গভবনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিলেন রাষ্ট্রপতি

    বঙ্গভবনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিলেন রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই ভোটে অংশ নিলেন রাষ্ট্রপতি। বঙ্গভবনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    বঙ্গভবন প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বুধবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে পাবনা সদরের ভোটার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা বঙ্গভবনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেন।

    রাষ্ট্র প্রধান বঙ্গভবনের ক্রেডিনশিয়াল হলে ডাকযোগে ভোট দিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, “আসুন নিজে ভোট দিই এবং অন্যকে ভোট দানে উৎসাহিত করি।”

    রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী ড. রেবেকা সুলতানা ও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে দুপুর ১২টায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন,  “ভোট মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। একজন নাগরিক হিসেবে ভোট দেয়া আমাদের দায়িত্ব। ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক রায় প্রদান করে।”

    গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটই হচ্ছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    রাষ্ট্রপতি আশা করেন, সকলের অংশগ্রহণে এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধান পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে সক্ষম হন।

    নিবন্ধিত ভোটার, যারা কারাবন্দী বা আইনি হেফাজতে আছেন, প্রবাসী বাংলাদেশী এবং ভোট গ্রহণ কর্মকর্তারা, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    ভোটকেন্দ্রে যেতে অসমর্থ-এমন চার ধরনের ভোটাররা ডাকে (পোস্টাল ব্যালটে) ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে এই বিধান চালু হয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

    এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ও সচিব সংযুক্ত মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

  • ২০০১ সালের নির্বাচনে আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হই : প্রধানমন্ত্রী

    ২০০১ সালের নির্বাচনে আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হই : প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: ২০০১ সালের নির্বাচনে আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হই, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “২০০১ সালের নির্বাচনে আমি যখন গ্যাস বিক্রি করতে রাজি হইনি, তখন ষড়যন্ত্রের শিকার হই। ক্ষমতায় আসতে পারিনি। গ্যাস বিক্রি করার মুচলেকা দিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতায় এসেই তারা দুর্নীতি লুটপাত, জঙ্গিবাদ, বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা এবং আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের অকাট্য নির্যাতন শুরু করে। তাদের দুর্নীতি এমন পর্যায়ে চলে যায়, একদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আরেক দিকে তারেক, যে হাওয়া ভবন খুলে দুর্নীতির আখড়া গড়ে তোলে। ব্যবসা-বাণিজ্য সর্বক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করে। যার ফলে দেশে চরম অরাজকতার সৃষ্টি হয়। তারা জানত জনগণ তাদের ভোট দেবে না, প্রত্যাখ্যান করবে। তখন তারা এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার লিস্ট তৈরি করে। সেভাবে নির্বাচন করার প্রচেষ্টা নেয়। সেখানে তারা ব্যর্থ হয়।”

    আজ বুধবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে পাঁচটি জেলা ও একটি উপজেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আন্দোলনের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার পতন ঘটে। ৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়। তারপর পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু ওদের শিক্ষা হয়নি। তাই ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে আবারও ভোট কারচুপি, ভোট চুরি, জনগণের ভাগ্য নিয়ে খেলা শুরু করে। তাদের দুঃশাসনের কারণে দেশে ইমার্জেন্সি (জরুরি অবস্থা জারি) হয়।”

    তিনি বলেন, “২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ৩০টি সিট পেয়েছিল। আওয়ামী লীগ ২৩৩ সিটে জয়ী হয়। আর অন্য সিটগুলো আমাদের জোটের শরিকরা পেয়েছিল।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “২০০৮ সালে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ২০১৪ ও ২০১৮ সালেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকারে আসি। বাংলাদেশের ইতিহাসে ধারাবাহিকভাবে গণতন্ত্র এবং দেশের উন্নয়নের কাজ করার সৌভাগ্য আমাদের হয়। যার ফলে আজকের বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।”

    তিনি বলেন, “আমার যে লক্ষ্য স্থির করেছিলাম, আমরা বাংলাদেশকে উন্নত করব, বাংলাদেশের মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষার ব্যবস্থা করে দেব, আমরা কিন্তু সেই বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি লাভ করেছি। আজকে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে ১৮ দশমিক ৭ ভাগে আমরা নামিয়ে এনেছি। মাথাপিছু আয় আমরা বৃদ্ধি করেছি। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি। হতদরিদ্রের হার ২৫.১ ভাগ থেকে ৫.৬ ভাগে নামিয়ে এনেছি। রাস্তাঘাট, পুল, ব্রিজ বাংলাদেশের ব্যাপকভাবে উন্নয়ন করা হয়েছে। মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টির জন্য বেসরকারিখাতকে উন্মুক্ত করে দিয়ে কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৯৬ সাল থেকে যেটা শুরু করেছিলাম সেটা আরো প্রসারিত করেছে। প্রতিটি বড় বড় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। প্রতিটি উপজেলায় ভোকেশনাল ট্রেনিং এবং কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। ”

    সরকারপ্রধান বলেন, “আমরা সারাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা করবো বলেছিলাম, আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ, এখন সবার হাতে মোবাইল ফোন আছে, ওয়াইফাই কানেকশন দিয়েছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ আমরা উৎক্ষেপণ করেছি।”

    আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, “দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে একটা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আসতে পেরেছি। দুর্ভাগ্যের বিষয় বিএনপি-জামায়াতের চরিত্র হচ্ছে দুর্নীতি করা, মানুষ খুন করা। তারা অগ্নি সন্ত্রাস করে মানুষ খুন করে, এর চেয়ে জঘন্য কাজ আর কিছু হতে পারে না। ২০১৩-১৪ সালের যেমন করেছে ঠিক এ নির্বাচনের আগে  ভয়াল রূপ নিয়ে তারা মানুষের সামনে হাজির।”

    বিএনপির দুর্বৃত্তায়নের জবাব দিতে হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশে মানুষকে বিএনপির দুর্বৃত্তায়নের জবাব দিতে হবে। আপনার নৌকা ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করে এর জবাব দেবেন এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন। সেটাই আমরা চাই। বিভিন্ন জায়গায় আমাদের প্রার্থী আছে। আমরা নির্বাচনকে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। আমার ভোট আমি দেবো যাকে খুশি তাকে দেব, এটা আমাদের স্লোগান। আপনারা আপনাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দেবেন। তবে কোনোরকম গন্ডগোল আমি চাই না। আপনাদের সহনশীলতা দেখাতে হবে, কোনরকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব যেন না থাকে। নির্বাচনে যার যার ভোট সে শান্তি মতো দেবে, সেই পরিবেশটা আমাদের রক্ষা করতে হবে।”

    এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • এই মুহূর্তে জঙ্গি হামলার কোনো ঝুঁকি নেই: সিটিটিসি প্রধান

    এই মুহূর্তে জঙ্গি হামলার কোনো ঝুঁকি নেই: সিটিটিসি প্রধান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: এই মুহূর্তে জঙ্গি হামলার কোনো ঝুঁকি নেই, বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট প্রধান মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে কোনো ধরনের জঙ্গি হামলা, জঙ্গিদের মাথাচাড়া বা তাদের তৎপরতা কিংবা কোনো ঝুঁকি আমরা দেখছি না। আমাদের জঙ্গিবাদ বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত দু’দিন আগেও আমরা একটি সংগঠনের মূল ব্যক্তিসহ অপারেশনাল কমান্ডারকে গ্রেপ্তার করেছি, যারা নতুন করে সংঘটিত হওয়ার চেষ্টা করছিল। এই মুহূর্তে জঙ্গি হামলার কোনো ঝুঁকি নেই, জঙ্গিদের সেই সক্ষমতাও নেই।”

    আজ বুধবার (৩ জানুযারি) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্য ও পরিবারের জন্য ফ্রি মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এ মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করে ক্র্যাব।

    সিটিটিসি প্রধান আসাদু্জামান বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয় সে লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কাজ করছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় যেসব সংসদীয় আসন রয়েছে, কোথাও কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের আইন-শৃঙ্খলাজনিত সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে তাদের প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। উৎসবমুখর পরিবেশে বিরাজ করছে।”

    আরেক প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসি প্রধান বলেন, “ভোট দেওয়া জনগণের সাংবিধানের অধিকার। সেই অধিকার প্রয়োগে যাতে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, জনগণ যাতে নিরাপদে ও নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে সেজন্য ডিএমপির সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।”

    নির্বাচনের ঠিক আগে কিংবা পরে রাজনৈতিক সহিংসতারর একটা শঙ্কার বিষয়ে সিটিটিসি প্রধান বলেন, “এ ধরনের নাশকতা বা অরাজকতা যারা সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এগুলো প্রতিহত করার জন্য সক্ষমতা ও প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এবং তার ভিত্তিতে আমরা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এর আগে যারা নাশকতার সঙ্গে জড়িত ছিল, সেই মাস্টারমাইন্ডসহ এর পেছনে যারা জড়িত ছিল তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে, আনা হচ্ছে।”

    নির্বাচনের আগে এবার ট্রেনে নাশকতার প্রসঙ্গে ডিএমপির এ অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, “রেলে নাশকতা নিয়েও আমরা কাজ করছি। বিভিন্ন স্থানে রেলে নাশকতার ঘটনা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। এরই মধ্যে রেলে বড় দুটি নাশকতার ঘটনার একটির মাস্টারমাইন্ডসহ যারা রেললাইন কেটেছিল তাদের আমরা গ্রেফতার করেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “কোনো নাশকতাকারীকে আমরা ছাড় দেবো না, নাশকতা করে কেউ ছাড় পাবে না। বাংলাদেশ পুলিশের অনেক সক্ষমতা হয়েছে। আগামী দিনেও যেকোনো ধরনের নাশকতাকে আমরা নস্যাৎ করে দিতে পারবো।”

  • কাল জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী: সেতুমন্ত্রী

    কাল জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) আমাদের শেষ জনসভা। কাল জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন।

    বুধবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “নির্বাচনে ১১ দেশের ৮০ পর্যবেক্ষক আসবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা আগে থেকেই ঢাকায় আছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ৫০ জন বিদেশি সংবাদকর্মী এসেছেন। এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

    নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে তিনি বলেন, “এবার নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ অধিকার প্রয়োগ করতে পারছে। যেখানে তারা আচারণবিধি লঙ্ঘন দেখছে সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বিষয়ে তাদের অবস্থান দৃশ্যমান।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপি সহিংসতা করবে না বললেও সেটা সত্যি কথা কিনা সেটা বলার সুযোগ নেই। কারণ তারা বলে একটা, করে আরেকটা। খবর পাচ্ছি তারা ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে।”

    তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববাসী ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে একটা ভালো নির্বাচন প্রত্যক্ষ করবে। যেখানে জনমত বিজয়ী হবে।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “ড. ইউনূসের মামলার রায় নিয়ে বাংলাদেশের মানবতার কথা বলেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। কিন্তু ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েল যে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে সে বিষয়ে কেন কথা বলছে না। তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একটা কথাও বলেনি।”

    প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা।

  • আজ থেকে মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনী

    আজ থেকে মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সারা দেশে মাঠে নেমেছে সশস্ত্র বাহিনী।

    আজ বুধবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে রাজধানীর বনানী, মহাখালী, নাবিস্কো, মালিবাগ ও খিলগাঁ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দেখা গেছে।

    মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভোটগ্রহণের আগে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার জন্য ৩-১০ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন/স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করবে সশস্ত্র বাহিনী।

    আইএসপিআর জানায়, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বাহিনীসমূহ এলাকাভিত্তিক মোতায়েন সম্পন্ন করছে।

    সেনাবাহিনী ৬২টি জেলায় নিয়োজিত হয়েছে। সমতলে সীমান্তবর্তী ৪৫টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও সীমান্তবর্তী ৪৭টি উপজেলায় সেনাবাহিনী বিজিবির সঙ্গে এবং উপকূলীয় ০৪টি উপজেলায় কোস্ট গার্ড এর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় দুটি জেলাসহ (ভোলা ও বরগুনা) সর্বমোট ১৯টি উপজেলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।

    বাংলাদেশ বিমান বাহিনী হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে। জরুরি প্রয়োজনে নির্বাচনী সহায়তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যৌথ সমন্বয় সেল স্থাপন করা হয়েছে, যা ১০ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত কার্যকরী থাকবে।

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ উপলক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সশস্ত্র বাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে।

  • ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন আমের

    ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন আমের

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: সিডনি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেয় পাকিস্তান। কিন্তু ৪ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলেন দুই ওপেনার ব্যাটসম্যানকে। লজ্জার এক রেকর্ড গড়েলেন আব্দুল্লাহ শফিক ও সাইম আইয়ুব। কেননা দুজনাই আউট হয়েছেন রানের খাতা খোলার আগেই। কিন্তু দিনশেষে নতুন ইতিহাস গড়েলেন আমের জালাল। ২২৭ রানে নবম উইকেট পড়ে যাওয়ার পর শেষ উেইকেট জুটিতে করেন ৮৬ রান। আর শেষ উইকেট জুটির প্রধান নায়ক আমের। তিনি করেন ৮২ রান। পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৩১৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। শেষ সেশনে একপর্যায়ে ২২০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তান। সেখান থেকে ২৫০ হয় কি না সেটাই সন্দেহ।

    তবে দুই ওপেনার ব্যর্থ হলেও আজ মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৮৮, সালমানের ৫৩ ও লোয়ার অর্ডার ব্যাটার আমের জামালের ৮২ রানে ভর করে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩১৩ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স একাই নেন ৫ উইকেট। এ নিয়ে টেস্টে টানা তিনবার ৫ উইকেট পেলেন অজি অধিনায়ক।

    পার্থে সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়ার পর। আর আজ ব্যাটকে দলের বিপদে পাল্টা লড়াইয়ের ‘তলোয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করে আমের সম্ভবত বুঝিয়ে দিলেন, তিনি থাকতেই এসেছেন।

    দিনের খেলা শেষে নিজের ব্যাটিং নিয়ে আমের বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়ে নামার সময়ই জানতাম অস্ট্রেলিয়া জোরাল আক্রমণ করবে। সেজন্য প্রস্তুত ছিলাম। তারা আমাদের দ্রুত অলআউট করতে চেয়েছে, সেজন্য আমি প্রায় সব বলেই চড়াও হয়েছি।’

    পরে জবাব দিতে নেমে দিনের শেষ ওভারে বিনা উইকেটে ৬ রান তুলে মাঠ ছাড়েন দুই অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও উসমান খাজা।