Tag: লিড নিউজ

  • আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  বাংলাদেশ  উন্নয়শীল দেশের মর্যাদা অর্জন করতে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল সংসদে বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগকে বারবার ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে  এসেছেন বলে ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সেবা করতে পেরেছে, বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে এসেছে।’

    সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের সাধারণ আলোচনায় যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, বাঙালি জাতি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।’

    জাতির পিতা আমাদের এই দেশ দিয়েছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো, এ দেশকে সমৃদ্ধ করা। আজ আমরা অনেক দূর এগিয়েছি এবং এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’

    গত ১ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭৬১,৭৮৫ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পেশ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং বাংলাদেশকে বিজয়ী জাতি হিসেবে সামনে এ গিয়ে নিয়ে যাওয়া।

    তিনি আরো বলেন, আমরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে চাই। আমরা কারো ওপর নির্ভরশীল হতে চাই না। আমরা ভিক্ষা চাই না। আমরা একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসাবে মাথা উঁচু করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’

    তিনি বলেন, এত প্রতিবন্ধকতা, এত বিরোধিতা, এত সমালোচনা এবং প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকা অনেক কিছুকে অতিক্রম করে আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে আমরা (আ.লীগ সরকার) যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছি।

    কোভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ না হলে বাংলাদেশ উন্নয়নের যাত্রায় আরো এগিয়ে যেতে পারতো  বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    শেখ হাসিনা বলেন, তবে ভয়ের কিছু নেই। কেননা, বিভিন্ন সময়ে সমস্যা আসাটাই স্বাভাবিক। ‘সমস্যা দেখে মন খারাপ করবেন না বরং এর মুখোমুখি হতে হবে। আমরা অনেক কথা শুনছি যে, সরকার আজকে উৎখাত হবে এবং আগামীকাল অন্য কিছু ঘটবে’ তিনি যোগ করেন।

    বাজেট নিয়ে সমালোচকদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অনেকেই এই বাজেটকে উচ্চাভিলাষী বা বাস্তবায়ন যোগ্য নয় বলে অভিহিত করেছেন, যা তারা  সব সময়ই বলে আসছে।

    এ ছাড়াও কিছু লোক আছে যারা সব সময় নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে এবং তারা ইতিবাচক কিছুই দেখে না, যা দেশের জন্য সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় বলে  তিনি উল্লেখ করেন।

    সরকার প্রধান বলেন, তারা (সমালোচকরা) হয়তো কখনোই প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাননি, যেখানে শহরের তুলনায় দারিদ্র্যের হার অনেক কমেছে। তিনি আরো বলেন, গ্রামীণ জনসাধারণের মধ্যে এমন  কোনো দুর্ভোগ নেই।

    তিনি বলেন, গত সাড়ে ১৪ বছর ধরে দেশে স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় দেশের জনগণ ব্যাপক অগ্রগতি দেখতে পেরেছে।

    তিনি আরো বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে কঠিন সময়ের মধ্যেও সরকার রেকর্ড ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট দিতে সক্ষম হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘বিশ্বে অনেক উন্নত দেশের অর্থনীতি যখন খারাপ অবস্থার মধ্যে রয়েছে, তখন আমরা এই বিশাল বাজেট দিতে পেরেছি।’

    বাজেটের ঘাটতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার প্রতি বছর বাজেট ঘাটতি ৫ থেকে ৫.৫ শতাংশের মধ্যে রাখে। তিনি বলেন, ‘এবার বাজেট ঘাটতি ৫ শতাংশের মধ্যে রাখা হয়েছে এবং দুশ্চিন্তার  কিছু নেই।’

    বাজেটে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব।

    আসন্ন ’২৪ অর্থবছরেই সার্বজনীন পেনশন স্কিম চালু  করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর বত্তব্যে  সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতনের ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা হিসেবে বিবেচনার ব্যবস্থা নিতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে নির্দেশ দেন।

    ‘আমি অর্থমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করছি, এই জরুরি সময়ে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতনের ৫ শতাংশ বিশেষ বেতন হিসেবে দেওয়ার কথা বিবেচনা করুন।  আমি আশা করি, মাননীয় অর্থমন্ত্রী বিষয়টি মেনে নেবেন। আমরা বিশেষ প্রণোদনা হিসেবে তাদের মূল বেতনের ৫ শতাংশ প্রদান করব।’

  • শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতিসংঘের দুই আন্ডার-সেক্রেটারি সাক্ষাৎ করেছেন

    শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতিসংঘের দুই আন্ডার-সেক্রেটারি সাক্ষাৎ করেছেন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘের দুই আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল জিন-পিয়েরে ল্যাক্রোইক্স এবং ক্যাথেরিন পোলার্ড।

    স্বাক্ষাতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী কার্যক্রম, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নারী নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়।

    আজ রবিবার (২৫ জুন) গণভবনে তারা এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল বলেছেন, জাতিসংঘ সফলভাবে তার শান্তিরক্ষা অভিযানের ৭৫ বছর পূর্ণ করেছে।

    এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশি সৈন্য প্রেরণকারী দেশ।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘের নয়টি শান্তিরক্ষা মিশনে প্রায় ৭,৫০০ বাংলাদেশী নারী-পুরুষ নিযুক্ত রয়েছে।’

    ক্যাথরিন পোলার্ড যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতন রোধে ট্রাস্ট ফান্ডে বাংলাদেশের অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

    জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ নারী নিরাপত্তা এবং (জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে) নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তার সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ এ বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।

    জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ এবং তার সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় নিজস্ব অর্থায়নে প্রশমন ও অভিযোজন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

    প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবদুল মুহিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

  • পদ্মা সেতু থেকে এক বছরে ৭৯৮ কোটি ২৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকার টোল আদায়

    পদ্মা সেতু থেকে এক বছরে ৭৯৮ কোটি ২৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকার টোল আদায়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: পদ্মা সেতু চালুর এক বছর অতিবাহিত হয়েছে। এই এক বছরে ৭৯৮ কোটি ২৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকার টোল আদায় হয়েছে।  সেই হিসেবে প্রতিদিন ২ কোটি ১৮ লাখ টাকা টোল আদায় হচ্ছে। আজ ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ২০২২ সালের ২৫ জুন  থেকে চলত বছরের ২৪ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত এ সেতু দিয়ে পারাপার হয়েছে সর্বমোট ৫৬ লাখ ৭৫ হাজার যানবাহন। দৈনিক গড়ে সাড়ে ১৫ হাজার যানবাহন পারাপার হচ্ছে এ সেতু দিয়ে।

    আজ রবিবার (২৫ জুন) রাজধানীর সেতু ভবনে পদ্মা সেতুর প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।

    কাদের বলেন, পদ্মা সেতু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন জনগণের জন্য। জনগণ এর সুফল ভোগ করছে।

    তিনি বলেন, পদ্মা সেতু পারাপারে একমাত্র রাষ্ট্রপতি ছাড়া রাষ্ট্রের সব নাগরিকের টোল প্রদানে বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও সেতু পারাপারে টোল প্রদান করেছেন। তিনি উদ্বোধনের দিনেই ৫৯ হাজার ৬০০ টাকা টোল দিয়েছেন।

    এছাড়া, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সংস্থা তাদের যানবাহনের বিপরীতে এখন পর্যন্ত ৯১ লাখ ৭০ হাজার টাকা টোল দিয়েছে।

    গত বছরের ২৫ জুন উদ্বোধন করা হয় পদ্মা সেতু। যার মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমের ২১ জেলার মানুষের সঙ্কটমুক্ত সড়ক যাত্রার  স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। জীবনে এসেছে গতি। অর্থনৈতিক উন্নয়নও ঘটেছে।

  • আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়: শেখ হাসিনা 

    আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়: শেখ হাসিনা 

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আওয়ামী লীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলে জনগণ যে লাভবান হয়, জনগণের যে ভাগ্য পরিবর্তন হয় সেটা প্রমাণিত সত্য। ’

    গতকাল শুক্রবার (২৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    ১৯৪৯ সালের এই দিনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে রূপান্তরিত হয়।

    শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না এলে পরিবর্তন কখনোই আসত না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।

    প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি গৃহহীন ব্যক্তিকে একটি বাড়ি দেওয়ার লক্ষ্যে মৌলিক চাহিদা পূরণে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ”আমরা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান এবং শিক্ষার মতো মানুষের প্রতিটি মৌলিক চাহিদা পূরণ করছি। আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি।”

    উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়াস অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়ে সরকার প্রধান বলেন,”স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধির ধারাবাহিকতার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।”

    কোভিড-১৯, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, “(দেশের মানুষ) একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, আমি এটা জানি। মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করার জন্য আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি।”

    শেখ হাসিনা দেশের ধনী ব্যক্তিদের আশেপাশে বসবাসতারী যারা একটু দরিদ্র তাদের প্রতি খেয়াল রাখার আহ্বান জানান।

    বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে যে উন্নয়ন, যে পরিবর্তন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না আসলে কোনোদিনই হতো না। আওয়ামী লীগ থাকলেই মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। ’

    সরকারের বিনামূল্যে ঘর ও বাড়ি দেওয়ার কর্মসূচি এবং আর মাত্র ৩০ হাজার পরিবারকে ঘর দিলে সবার জন্য ঘর নিশ্চিত হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ বাংলাদেশে ভূমিহীন থাকবে না, ঠিকানা বিহীন থাকবে না। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

    তিনি বলেন, ‘কোনো মানুষ অস্বাস্থ্যকরভাবে থাকবে না। সবাইকে আমরা সুন্দরভাবে ঘর-বাড়ি করে সুন্দরভাবে বাঁচার ব্যবস্থা করে দিব। এটাই হবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের প্রতিজ্ঞা। জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। ’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে অনেক দূর আমরা এগিয়ে গেছি। ২৬ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাব। ’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে হবে। স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে আমাদের আরও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। ’সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশটাকে নিয়ে যেন আর কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে। আমি জানি অনেক চক্রান্ত আছে, ষড়যন্ত্র আছে। ’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সালে আমরা সরকারে আবার আসতে পারিনি। সেটাও আপনারা জানেন যে আমার ওপর প্রচণ্ড চাপ ছিল। যে আমাদের গ্যাস বিক্রি করতে হবে। আমি বলেছিলাম, এই গ্যাস জনগণের। আর কতটুকু আছে জানি না। কাজে আমার পক্ষে বাংলাদেশের সম্পদ, মানুষের সম্পদ, শুধু ক্ষমতার লোভে তা বিক্রি করে আমি ক্ষমতায় থাকব সেই বাপের মেয়ে আমি না। ’

    ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতার জন্য গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়েছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা চাইনি, কিন্তু মুচলেকা দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। একই জায়গায় বসেই সে ঘটনা অনেক বার বলেছি। ’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাজেটের আকার ২০০৬ সালের মাত্র ৬১,০০০ কোটি টাকা থেকে ৭৬১,৭৮৫ কোটি টাকা, জিডিপির আকার মাত্র ৪.১৫ লাখ কোটি টাকা থেকে এখন ৫০.৩১ লাখ কোটি টাকা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ২০০৬ সালের ৫.৪০ শতাংশ থেকে ৭.২৫ শতাংশে (গড় ৬%)  এডিপির আকার ২১,৫০০ কোটি টাকা থেকে ২৭৪,৬৭৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, মাথাপিছু আয় ২০০৬ সালে ছিল মাত্র ৫৪৩ মার্কিন ডলার তা থেকে ২,৮২৫ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। যদিও এখন তা ২,৭৬৫ মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাড়িয়েছিল যা বিএনপি শাসনামলে ছিল মাত্র ০.৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখনও ৩০.৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রিজার্ভ রয়েছে।

    তিনি বলেন, রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ২০০৬ সালের ১০.০৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ৫২.৯৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বার্ষিক রেমিট্যান্স প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২৪.০৩ বিলিয়ন ডলার যা বিএনপির আমলে ছিল ৪.৮ বিলিয়ন ডলার। রাজস্ব সংগ্রহ ৩৭,৮৭০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৫০০,০০০ কোটি টাকার উপরে দাঁড়িয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্যের হার বিএনপি শাসনামলে ছিল ৪১.৫১ শতাংশ থেকে থেকে কমে এখন ১৮.৭ শতাংশে, চরম দারিদ্র্যের হার ২৫.১ শতাংশ থেকে ৫.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার ৪৯ শতাংশ থেকে ১৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ০.২৩ শতাংশ থেকে ৭৩.৫ শতাংশ, মোবাইল সিম সাবস্ক্রিপশনের সংখ্যা ১৯ মিলিয়ন থেকে ১৮৩ মিলিয়নে, ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা ২০০ থেকে ৬৭০,০০০ জন, ডিজিটাল পরিষেবার সংখ্যা মুষ্টিমেয় কয়েকজন থেকে ২,১৮০ জনে উন্নীত হয়েছে।  সরকারি ওয়েবসাইটের সংখ্যা মাত্র ৯৮টি থেকে ৫১,৬৭৮টি হয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি আমলে গ্রামীণ সড়ক ৩ হাজার ১৩৩ কিলোমিটার থেকে ৮৯ হাজার ৮৭৪ কিলোমিটার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এর মানে আমরা বাংলাদেশে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছি।

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন ও শফিউল আলম নাদেল, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, কেন্দ্রীয় সদস্য বেগম আখতার জাহান, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি ও ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগ সভাপতি বজলুর রহমান।

    সঞ্চালনা করেন, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল আওয়াল শামীম।

    সঞ্চালনা করেন, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল আওয়াল শামীম।

  • আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচন স্বচ্ছ হয়: প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচন স্বচ্ছ হয়: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেটের সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচন স্বচ্ছ হয়। যখনই স্বাধীনভাবে নির্বাচন হয়েছে তখনই জনগণের বিশাল পরিমাণ ভোট নিয়ে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আওয়ামী লীগ জনগণের জন্য কাজ করেছে। একমাত্র সংগঠন, যারা মানুষের কথা বলে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে। আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলেই জনগনের কল্যাণ হয়েছে। আর অন্যরা জনগণের ভোটাধিকার, মানবাধিকার কেড়ে নিয়েছে।

    বিএনপি আমলের নির্বাচনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ভোট ডাকাতি করেই তাদের (বিএনপি) জন্ম, ভোট ডাকাতি করাই তাদের অভ্যাস। আমরা জনগণের ভোটের অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছি।

    সরকারপ্রধান বলেন, বিএনপি জঙ্গিবাদী ও সন্ত্রাসীদের দল। কানাডার আদালত এ রায় দিয়েছে। বিএনপির ২০১৪ ও ’১৮ সালের অগ্নিসন্ত্রাস মানুষ ভুলে যায়নি। তাদের জনগণের প্রতি কোনো দায় নেই।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপির আমলে খাম্বা ছিল, বিদ্যুৎ ছিল না। খুনি সন্ত্রাসী দল বিএনপির বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, ‘অনেক মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে আমরা অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছি। এই অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশ হবে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে।

    তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগই একমাত্র সংগঠন যা জনগণের পক্ষে কথা বলে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে।’

    সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী খালেদা জিয়া হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা এবং নেতাকর্মীদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার বারবার চেষ্টা চালানোর কথা উল্লেখ করেন তিনি।

  • দেশের সম্পদ বিক্রি করে ক্ষমতায় আসতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

    দেশের সম্পদ বিক্রি করে ক্ষমতায় আসতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কারও কাছে দেশের সম্পদ বিক্রি করে ক্ষমতায় আসতে চাই না। এখন যদি বলি সেন্টমার্টিন দ্বীপ কারও কাছে লিজ দেবো, তাহলে ক্ষমতা থাকার কোনো অসুবিধা নেই। আমার দ্বারা এটা হবে না। আমার দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কাউকে খেলতে দেব না।

    আজ বুধবার (২১ জুন) দুপুরে গণভবনে সুইজারল্যান্ড সফর সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। ফলে এখন তারা দেশ বিক্রি করবে না কি সেন্টমার্টিন দ্বীপ বিক্রির মুচলেকা দিয়ে আসতে চায়? আমি এটুকু বলতে পারি, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের কন্যা, আমার হাত দিয়ে এই দেশের কোনো সম্পদ কারো কাছে বিক্রি করে আমি ক্ষমতায় আসতে চাই না। গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিলে আমিও ক্ষমতায় থাকতে পারতাম। আর এখনও যদি বলি, ওই সেন্টমার্টিন দ্বীপ কারো কাছে লিজ দেব, তাহলে আমার ক্ষমতায় থাকার কোনো অসুবিধা নাই, আমি জানি তো সেটা। কিন্তু আমার দ্বারা সেটা হবে না।

    তিনি বলেন, আমার দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আমি কাউকে খেলতে দেব না। আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারো নাই। আর আমার দেশের মাটি ব্যবহার করে কোনো জায়গায় কোনো সন্ত্রাসী, কর্মকাণ্ড চালাবে, কাউকে আঘাত করবে, ধরনের কাজ আমরা হতে দেবো না।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি, আমরা শান্তিপূর্ণ সহযোগিতায় বিশ্বাস করি। এমনি মিয়ানমার থেকে যে ১০ লাখের মতো রিফিউজি এসেছে তাতে তো আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে ঝগড়া করিনি। এরা যাতে ফেরত যায় তার জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুরোধ করছি, কিন্তু আমরা তো ঝগড়া বা যুদ্ধ করতে যাইনি। আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়, এই নীতিতে বিশ্বাস করি, সেটাই মেনে চলি।

    শেখ হাসিনা বলেন, যেহেতু আমাদের গণতন্ত্র ওয়েস্ট মিনিস্টার ডেমোক্রেসি টাইপের। ঠিক ইংল্যান্ড অন্যান্য জায়গায় যেভাবে নির্বাচনটা হয় ঠিক সেভাবেই আমাদের এখানে নির্বাচন হবে। যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কে খালেদা জিয়াই বলেছিল, যে পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নাই। এখন তারা আবার সেটা চায়, এই পদ্ধতিটা তারাই নষ্ট করেছে। তারাই নিজেরা না করে দিয়েছে সেইটাকেই তারা আবার ফেরত চাচ্ছে। অথচ উচ্চ আদালতের রায় আছে এবং সেই মোতাবেক আমাদের সংবিধানও সংশোধন করা হয়েছে যে একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বা সরকার প্রধান আরেকজন নির্বাচিত সরকার প্রধান দ্বারাই প্রতিস্থাপিত হবে। এর বাইরে অনির্বাচিত কেউ আসতে পারবে না।

    তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সাড়ে ১৪ বছর বাংলাদেশ যে সুষ্ঠুভাবে চলছে, আর্থসামাজিক উন্নতি হচ্ছে সেটাকে নষ্ট করা। দেশবাসী এটা কীভাবে নেবে সেটাই আমার প্রশ্ন। তারা কী গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা চান, অর্থনৈতিক উন্নতি চান, দেশের মানুষের কল্যাণ চান, নাকি আবার সেই ২০০৭ সালের মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকার, আবার সেই ইমার্জেন্সি, আবার সেই ধরপাকড় সেইগুলো চান। এটা দেশের মানুষকেই বিবেচনা করতে হবে।

    তিনি বলেন, বিএনপিজামায়াত নির্বাচন বানচাল করার জন্য যেভাবে অগ্নিসংযোগ করেছে, ৩৮০০ গাড়ি পুড়িয়েছে, তিন হাজারের ওপর মানুষকে পুড়িয়েছে। কত মানুষ এখনও পঙ্গু হয়ে আছে, কত পরিবার ধ্বংস হয়ে আছে, জ্বালাও পোড়াও করে মানুষের যে ক্ষতি করেছে মানুষ তা ভুলে যাবে?

  • কোস্ট গার্ডের বহরে পাঁচটি অত্যাধুনিক জাহাজ কমিশন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

    কোস্ট গার্ডের বহরে পাঁচটি অত্যাধুনিক জাহাজ কমিশন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরে প্রতিটি বাহিনীকে প্রযুক্তি ও দক্ষতা নির্ভর করে গড়ে তোলায় প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের অত্যাধুনিক দুইটি জাহাজ, দুইটি টাগবোট ও একটি ভাসমান ক্রেন কমিশনিং করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ বুধবার (২১ জুন) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এসব নৌযান উদ্বোধন করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভবিষ্যতে এর দায়িত্ব আরও বাড়বে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে বিশ্বমানের করে গড়ে তোলা হচ্ছে কোস্ট গার্ডকে। ২০৪১ সালের মধ্যে কোস্ট গার্ড হবে নিজস্ব জনবলে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি স্মাট বাহিনী।”

    দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোস্ট গার্ডকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, “২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করতে চাই, সে কারণে প্রতিটি বাহিনী প্রযুক্তি দক্ষতা নির্ভর আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বাহিনী হবে।

    “আমরা এবার ক্ষমতায় আসার পর গেল ১৪ বছরে কোস্ট গার্ডের বহরে সংযুক্ত হয়েছে ১৫৪টি আধুনিক নৌযান। ২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই বাহিনীতে সকল আবহাওয়া এবং গভীর সমুদ্র চলাচলের উপযোগী আরও কয়েকটি জাহাজ সংযোজন করে দিয়ে এ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা হবে। ২০৩১ থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে কোস্ট গার্ড হবে নিজস্ব জনশক্তিতে সম্পূর্ণ একটি স্মার্ট বাহিনী।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, বাঙালি জাতিকে উন্নত জীবনধারা এটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর একমাত্র লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে তিনি সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেন।

    “আমাদের রাজনৈতিক অধিকার, সামাজিক অধিকার, অর্থনৈতিক অধিকার, আমাদের সংস্কৃতি অধিকারের জন্য তার সংগ্রাম। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হয়, বাংলাদেশ অরক্ষিত ছিল। ৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।”

    বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৪ সালে বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বিল’ উত্থাপন করেন। যার ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি এ বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।

    এই পাঁচটি নৌযানের মধ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত সরকারী প্রতিষ্ঠান নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডে নির্মাণ করা হয়েছে দুটি ইনসোর প্যাট্রল জাহাজ। এগুলো হচ্ছে- বিসিজিএস জয় বাংলা, বিসিজিএস অপূর্ব বাংলা।

    তিনি নতুন অত্যাধুনিক জাহাজের অন্তর্ভুক্তি চিহ্নিত করার জন্য পাঁচটি পৃথক ফলক উন্মোচন করেন।

    বিসিজি পতেঙ্গা বার্থ প্রাঙ্গণে কমিশনিং অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মুস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

    কমিশনিং প্যারেড শেষে বিসিজি মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল আশরাফুল হক চৌধুরী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

    বিসিজি বহরে নতুন যুক্ত হওয়া জাহাজের একটি অডিওভিজ্যুয়াল প্রদর্শন করা হয়।

    বিসিজির মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল আশরাফুল হক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিসিজি পতেঙ্গা বার্থে আনুষ্ঠানিকভাবে জাহাজগুলোর কমিশনিং ফরমান (বিবৃতি) নিজ নিজ অধিনায়কের কাছে হস্তান্তর করেন।

    পাঁচটি জাহাজের মধ্যে দু’টি অভ্যন্তরীণ টহল জাহাজ ‘বিসিজিএস জয় বাংলা’ এবং ‘বিসিজিএস অপূর্ব বাংলা’ তৈরি করেছে নারায়ণগঞ্জের রাষ্ট্রায়ত্ত ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড এবং দ’টি টাগবোট ‘বিসিজিটি প্রত্যয়’ এবং ‘বিসিজিটি প্রমত্ত’ এবং ভাসমান ক্রেন ‘বিসিজিএফসি শক্তি’ তৈরি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত খুলনা শিপইয়ার্ড।

    মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে ‘বিসিজিএস জয় বাংলা’-এর ক্যাপ্টেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, নতুন জাহাজগুলোতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, সেন্সর এবং নজরদারি রাডার রয়েছে।

    তিনি বলেন, এই পাঁচটি জাহাজ চালু হলে বিসিজির অপারেশনাল কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে এবং বহির্নোঙরে বাণিজ্যিক জাহাজে চুরি রোধ, সমুদ্রপথে মানব ও মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণ, ব্লু- ইকোনমি সীমান্তে টহল বৃদ্ধি পাবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সামুদ্রিক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা সহজ হবে।

    তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদৃষ্টির কারণে বাংলাদেশের নিজস্ব সামুদ্রিক এলাকার দাবি সন্নিবেশিত করে ‘টেরিটোরিয়ল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট, ১৯৭৪’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

    বিসিজি কর্মকর্তাদের মতে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ১৯৯৪ সালে সংসদে ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বিল’ উত্থাপন করেন যখন তিনি সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন। তার প্রস্তাব অনুসরণ করে, বিসিজি ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

    পরবর্তীতে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বিসিজিতে নতুন প্ল্যাটফর্ম এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন যুক্ত করা হয়, যা বাহিনীর অপারেশনাল কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করে এবং ব্যাপক সাফল্য লাভ করে।

  • বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে যুক্তরাজ্য সরকার

    বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে যুক্তরাজ্য সরকার

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে যুক্তরাজ্য সরকার। এমন আশ্বাস দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী অ্যান-মেরি ট্রেভেলিয়ান। লন্ডনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমকে তিনি আশ্বাস দেন।

    গতকাল সোমবার (১৯ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়।

    বৈঠকে আলম অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    এফসিডিও প্রতিমন্ত্রী (ইন্দো-প্যাসিফিক) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজকীয় রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ব্রিটিশ সরকারের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

    তিনি বলেন, ঋষি সুনক রাজকীয় রাজ্যাভিষেকের সময় হাসিনার সঙ্গে দেখা করে সন্তুষ্ট হয়েছিলেন।

    গত মাসে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাজ্য সফরের সময় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য সরকারের মধ্যে এভিয়েশন ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পার্টনারশিপের কমিউনিক যৌথ চুক্তি স্বাক্ষরে সন্তোষ প্রকাশ করেন ব্রিটিশ মন্ত্রী।

    প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা শিবিরে মানবিক সহায়তা এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই স্বদেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য ব্রিটিশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

    তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকট যেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টির বাইরে না যায়।

    ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন যে বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যথাযথ মনোযোগ দেওয়া উচিত।

    প্রতিমন্ত্রী ব্রিটিশ প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন বাংলাদেশ মন্ত্রিসভা গত সপ্তাহে হংকং কনভেনশন অন শিপ রিসাইক্লিং-এ যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা কনভেনশন কার্যকর হওয়ার পথ প্রশস্ত করেছে।

    ব্রিটিশ প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারকে এই সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং পরিবেশবান্ধব সবুজ জাহাজ চলাচল ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

    উভয় পক্ষই কমনওয়েলথ বিষয়ক বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ইস্যুতে তাদের মতামত আদানপ্রদান করে নেয় এবং ঢাকায় আসন্ন কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করে।

    বৈঠকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ) কাজী রাসেল পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

    বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি সুইজারল্যান্ড সফর সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে, বুধবার (২১ জুন) সংবাদ সম্মেলন করবেন ।

    প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, বুধবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪-১৫ জুন ‘ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিট : সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল’-এ যোগদান শেষে শনিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে দেশে ফিরেন।

    ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট ২০২৩ : সকলের জন্য সামাজিক ন্যায়’ হলো সামাজিক ন্যায়বিচারকে সমর্থন করার জন্য বিস্তৃত, সমন্বিত এবং সুসঙ্গত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলায় সোচ্চারদের একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈশ্বিক ফোরাম।

    এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য একটি বৈশ্বিক জোট গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা ও অবহিত করার একটি সুযোগ দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক শ্রম অফিসের ৩৪৭ তম অধিবেশনে গভর্নিং বডি স্বাগত জানিয়েছে।

    সম্মেলনে বেশ কয়েকজন উচ্চ পর্যায়ের অতিথিদের পাশাপাশি মালিক ও শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

    দু’দিনের শীর্ষ সম্মেলনে আরও টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব গড়তে সামাজিক ন্যায়বিচারের মূল ভূমিকা তুলে ধরে এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে এগিয়ে নিতে এবং নীতির সুসঙ্গততা নিশ্চিত করার জন্য বর্ধিত এবং আরও ভালো ভাবে সমন্বিত যৌথ পদক্ষেপের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।

  • আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে: হাছান মাহমুদ

    আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে: হাছান মাহমুদ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী  এবং  আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে।

    তিনি গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এর আগে রাজশাহী বিএনপির আহ্বায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন এরপর সিরাজগঞ্জে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল হাসান রঞ্জন জননেত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে যে ষড়যন্ত্রটা করছে, সেটিরই বহি:প্রকাশ হচ্ছে তাদের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের এই সমস্ত বক্তব্য।’

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর স্বাধীনতাবিরোধী দেশি ও আন্তর্জাতিক অপশক্তি মিলে বঙ্গবন্ধুকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে হত্যার পথ বেছে নিয়েছিলো। আজকেও বিএনপিসহ যে রাজনৈতিক অপশক্তি বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তারা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে, পরপর তিনবার জনগণের রায় নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিলো  আজকে বিএনপি  যে সেই একই পথে হাঁটছে, একই পরিকল্পনা করছে, বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতাদের এ সমস্ত বক্তব্য তারই বহি:প্রকাশ।’

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি দুটি ষড়যন্ত্র নিয়ে এগুচ্ছে। একটি হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এলিমিনেট’ করা, আরেকটি হচ্ছে দেশে একটি অস্বাভাবিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে দেশটাকে অপশক্তির হাতে তুলে দেওয়া। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ সেটি হতে দেবে না।  সিরাজগঞ্জে যে ঘটনা ঘটেছে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। বিএনপিরই উচিত ছিলো তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সেটি না করে বরং তার পক্ষ অবলম্বন করে বিএনপি স্বীকার করে নিয়েছে এটি তাদেরই বক্তব্য।’

    বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেবকে ‘তত্ত্বাবধায়ক রোগে’ পেয়ে বসেছে। এটি মির্জা ফখরুল সাহেবের গতানুগতিক প্রতিদিনের বক্তব্য। তাদের তত্ত্বাবধায়ক  সরকারের এই দাবিটা আন্তর্জাতিকভাবে কারো সমর্থন পায়নি। এমন কি যুক্তরাষ্ট্রও তাদের এই দাবিকে সমর্থন করেনি। এটা শুধু মির্জা ফখরুল সাহেবের মুখের মধ্যেই আছে। আশা করি তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার রোগ থেকে মুক্তি লাভ করবেন।’

    মার্কিন ভিসা নীতি নিয়ে চীনের মন্তব্যের বিষয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র নীতি হচ্ছে সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের দ্বিমুখী অবস্থান আন্তর্জাতিকভাবে আমরা বিভিন্ন সময় দেখি। এই ক্ষেত্রেও চীন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি নিয়ে মন্তব্য করেছে, আমরা সেটা পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের সাথে দু’দেশেরই অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের উন্নয়ন সহযোগী, গত ৫১ বছরে আমাদের পথচলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। তাদের সাথে সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। একইসাথে চীনও আমাদের উন্নয়ন সহযোগী এবং এ দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। সুতরাং সব দেশের সাথেই আমাদের অত্যন্তভালো সম্পর্ক।’

    সূত্র: বাসস