Tag: লিড নিউজ

  • স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

    স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশের অগ্রযাত্রা এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মের। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা কোনও অংশে কারও থেকে পিছিয়ে থাকবো না। কারও কাছে হাত পেতে চলবো না। স্বাধীন বাংলাদেশ ১৪ বছরে বাংলাদেশের বিরাট পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন স্মার্ট জনগোষ্ঠী। আমাদের অর্থনীতি হবে স্মার্ট অর্থনীতি। আত্মসামাজিক ক্ষেত্রে স্মার্ট উন্নতি আমরা করবো। কৃষি, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।’

    রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার  ২ মার্চ) বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, এনএসটি ফেলোশিপ ও বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

    স্বাস্থ্য খাতে গবেষণার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে গবেষণাটা আমাদের খুবই দরকার। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে গবেষণা খুবিই সীমিত কয়েকজন করছেন। আরও বেশি যেন গবেষণা হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জে আমাদের লোকবল কম লাগবে কিন্তু টেকনোলজি ব্যবহার করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। তার জন্য আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। তবে আমরা সম্পূর্ণ সেদিকে যেতে চাই না। আমরা শ্রমনির্ভর শিল্পও করতে চাই কারণ আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। দুটো মিলিয়ে কীভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, সেই চিন্তাটা সবার মাথায় থাকতে হবে।’

    অনুষ্ঠানে উপিস্থিত সরকারি দলের এমপি ডাক্তার রুহুল হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি চিকিৎসক। উনি যেন স্বাস্থ্যের গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেন।’

    সরকার গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমরা বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রেখেছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করি। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করি। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ব্যাপক গবেষণার জন্য বিভিন্ন ইন্সস্টিটিউট তৈরি করি।’

    জাতির পিতা আণবিক শক্তি কমিশন, ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, ইউজিসি, স্থলসীমানা চুক্তি সমুদ্রসীমা আইন করে গেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পচাত্তরের পরবর্তী সরকার কোনও উদ্যোগ নেয়নি। তবে আমরা এসে সম্পন্ন করেছি। প্রতিটি ক্ষেত্রে জাতির পিতা ভিত্তিটা তৈরি করে গেছেন। আমরা সেটাকে ধরে কাজ করতে চেষ্টা করেছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নভোথিয়েটার করতে যাওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া দুটি মামলা দিয়েছিল। কেন দিয়েছিল জানি না। যে কাজই করতে গিয়েছি মামলা খেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে এসব কারণে এক ডজন মামলা দিয়েছিল। আমরা এখন বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে নভোথিয়েটার করে দিচ্ছি। আমাদের যত বেশি গবেষণা বাড়বে জাতি হিসেবে তত বেশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমরা অবদান রাখতে পারবো।’

    প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা ভোকেশনাল শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কর্মসংস্থান হাইটেক পার্ট, হাইটেক সিটি, ইনকিউভেশন সেন্টার করে দিচ্ছি। শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি সবকিছুতেই আমরা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করতে পারছি।’

    তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, স্যাংশন, পাল্টা স্যাংশনে আমাদের আমাদানি পণ্যে ব্যাপক বাধা পেতে হচ্ছে। বিশ্বব্যাপীর মূল্যস্ফীতির প্রভাব পড়েছে। তারপরও আমরা এই সব পরিবেশকে মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি গবেষণায় সব থেকে বেশ সফলতা আমরা পেয়েছি। লবণাক্তসহিষ্ণু ধান আমরা দক্ষিণাঞ্চলে উৎপাদন করছি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আসবে। সেটাকে মোকাবিলা করে ভবিষ্যতে চলার পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমাদের আরও দক্ষ বিজ্ঞানী দরকার। আমরা সেদিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। যারা ফেলোশিপ পেয়েছেন আন্তরিকতার সঙ্গে গবেষণা করবেন। জানতেও চাই কী কী উদ্ভাবন করলেন, এটা কতটুকু দেশের জন্য কাজে লাগবে।’

  • ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ডলার এলো প্রবাসীদের কাছ থেকে

    ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ডলার এলো প্রবাসীদের কাছ থেকে

    ফেব্রুয়ারি মাসে ১৫৬ কোটি ১২ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্র‌তি ডলার ১০৭ টাকা ধরে) ১৬ হাজার ৭০ কোটি টাকা। গত বছরের এই মাসে ১৪৯ কোটি ৪৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।

    বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
    চল‌তি বছ‌রের জানুয়া‌রিতে রেমিট্যান্স এ‌সে‌ছিল ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ মার্কিন ডলার। তবে জানুয়া‌রির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স কম আসলেও চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম (জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) আট মাসে মোট ১ হাজার ৪০১ কোটি ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৩৪৩ কেটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে ৫৭ কোটি ৪৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বেশি এসেছে চলতি অর্থবছরে।

  • সফলতার সাথে কাজ করছে সরকার : স্পিকার

    সফলতার সাথে কাজ করছে সরকার : স্পিকার

    ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সিঙ্গাপুরের অধীন ইন্সটিটিউট অফ সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের উদ্যোগে ‘দ্যা রোল অফ পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি ইন এড্রেসিং পোভার্টি এন্ড ইনইকুয়েলিটি’ শীর্ষক সেমিনারে গেস্ট স্পিকার হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিকের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। কোনো নাগরিক যেন গৃহীত উন্নয়ন কৌশলের সুফল থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেমিনারে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কৌশল ও সম্ভাবনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।
    স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। দেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়নের পাশাপাশি শতভাগ বিদ্যুতায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা আনয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব বিবেচনায় টেকসই উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে ডেল্টাপ্লান-২১০০ প্রণয়ন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বাস্তবায়নের মাধ্যমে অতিদরিদ্র শ্রেণির উন্নয়ন নিশ্চিত করেছে।’
    ‘২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য’ উল্লেখ করে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘নারীর অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, পাসপোর্টে মায়ের নাম লিপিবদ্ধকরণ, স্থানীয় সরকারে নারীদের প্রতিনিধিত্বকরণ, বিধবা ভাতা, ল্যাকটেটিং মায়েদের ভাতা, নারী শিক্ষায় ব্যাপক অগ্রগতি, ছয় মাস স্ববেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটি, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণসহ সব ক্ষেত্রে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।’

  • ভয়াবহতম ট্রেন দুর্ঘটনা গ্রিসের ইতিহাসে: নিহত বেড়ে ৩৬

    ভয়াবহতম ট্রেন দুর্ঘটনা গ্রিসের ইতিহাসে: নিহত বেড়ে ৩৬

    গ্রিসের উত্তরাঞ্চলীয় শহর লারিসায় মঙ্গলবার রাতে ৩৫০ যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে একটি মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে যাত্রীবাহী ট্রেনটির প্রথম দুটি বগিতে আগুন ধরে পুরোপুরি পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর।
    গ্রিসে দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৬ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়াও অনেক মানুষ আহত হয়েছে।
    এ দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকর্মীরা সেখানে সারা রাত উদ্ধার অভিযান চালিয়েছেন। গ্রিসের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটিকে সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা বলে বর্ণনা করা হচ্ছে।
    গ্রিসের স্থানীয় গণমাধ্যমকে রেলওয়ে ইউনিয়নের প্রধান জানিয়েছেন, কিভাবে এ দুর্ঘটনা ঘটল তা এখনো স্পষ্ট নয়।
    ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘১০-১৫ সেকেন্ড ধরে চরম বিশৃঙ্খলা চলেছে। একজন আরেকজনের ওপর গিয়ে পড়ছে, ওপর থেকে তার ঝুলছে, চারিদিকে ভাঙা জানালা, লোকজন চিৎকার করছে।’
    ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়ে জীবন বাঁচিয়েছেন ২৮ বছর বয়সী স্টারজিওস মিনেনিস। তিনি বলেছেন, ‘আমরা একটা বিকট শব্দ শুনতে পাই। ট্রেনের কামরার মধ্যে আমরা গড়াগড়ি খাচ্ছিলাম। তারপর এটি গড়িয়ে একদিকে থামল, তারপর সবার মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হলো। চারদিকে তার ঝুলছে, আগুন। সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে গিয়েছিল। আমরা আগুনে পুড়ে যাচ্ছিলাম।’
    ট্রেন থেকে বের হওয়ার জন্য যাত্রীরা জানালার কাচ ভাঙতে হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। কোনো প্রাথমিক ধারণা এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। দেড় শতাধিক দমকল কর্মী এবং ৩০টি অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনাস্থলে কাজ করছে।
    আঞ্চলিক গভর্নর কোস্টাস আগোরাস্টস জানিয়েছেন, দুই ট্রেনের মধ্যে এই সংঘর্ষ ছিল বেশ তীব্র। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, এটি এক ভয়ংকর রাত, এই দৃশ্য বর্ণনা করা কঠিন।
    পরিশ্রান্ত এক উদ্ধারকর্মী এএফপিকে বলেছেন, ‘আমি আমার পুরো জীবনে এ রকম ঘটনা দেখিনি। খুবই মর্মান্তিক দৃশ্য। পাঁচ ঘণ্টা পরও আমরা এখানে মরদেহ খুঁজে পাচ্ছি।’
    এ দুর্ঘটনার পর গ্রিসে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিটসোটাকিস দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ রকম দুর্ঘটনা কিভাবে ঘটল, তা খুঁজে বের করা এবং এমন যাতে আর না ঘটে তার ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
    সূত্র : বিবিসি

  • কী কথা হলো তুর্কি-ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর?

    কী কথা হলো তুর্কি-ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর?

    তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগ্লু এবং ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। মঙ্গলবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে জি-২০ ভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে তারা দেখা করেন।
    তুর্কি সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগ্লু এক টুইটার বার্তায় বলেছেন, তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করেছেন। এ সময় তিনি তুরস্কে ‘অপারেশন দোস্ত’ পরিচালনার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ দিয়েছেন।
    গত ৬ ফেব্রুয়ারি আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর বিধ্বস্ত তুরস্কে একটি অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পাঠায় ভারত। উদ্ধারকারী দলটি তুরস্কে ‘অপারেশন দোস্ত’ শীর্ষক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।
    অন্যদিকে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার টুইটার হ্যান্ডেলে বলেন, তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগ্লু ‘অপারেশন দোস্ত’ এবং এর সঙ্গে জড়িত সব কর্মীর জন্য যে উষ্ণ প্রশংসা করেছেন, সেটিকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন।
    জয়শঙ্কর বলেন, বৈঠককালে জি-২০ এজেন্ডা, ইউক্রেন সংঘাত এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছি।
    এদিকে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত তুরস্কে ৪৪ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ হারানোর কথা জানানো হয়েছে তুর্কি সরকারের পক্ষ থেকে। বিগত ১০০ বছরের মধ্যে ভয়াবহ ওই ভূমিকম্প প্রতিবেশী সিরিয়াতেও আঘাতে হানে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী দেশটিতে ৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অর্থাৎ দুই দেশ মিলে অর্ধ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

  • খুব শীঘ্রই বিএসএমএমইউ’তে চালু হবে ‘বঙ্গবন্ধু ক্যান্সার সেন্টার’

    খুব শীঘ্রই বিএসএমএমইউ’তে চালু হবে ‘বঙ্গবন্ধু ক্যান্সার সেন্টার’

    জাপানের টোকিওতে অবস্থিত বিশ্বমানের ক্যান্সার গবেষণায় পথিকৃৎ ‘ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টার’-এ প্রথমবারের মত কোন বাংলাদেশী গবেষক ও চিকিৎসক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ লেকচার প্রদান করার সম্মাননা পান।
    এ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ ‘বাংলাদেশের ক্যান্সার পরিস্থিতি ও ক্যান্সার চিকিৎসায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা’ শীর্ষক লেকচার প্রদান করেন।
    মঙ্গলবার জাপানে ক্যান্সার ‘রোগের চিকিৎসা ও ক্যান্সার প্রতিরোধে গবেষণা’ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এই কথা জানান।
    এসময় অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে সুদক্ষ চিকিৎসক, নার্স ও মেডিক্যাল টিমের সহযোগিতায় বাংলাদেশের চিকিৎসা ও গবেষণা বিষয়ক কর্মকাণ্ড ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। শুধু দেশের গণ্ডিতেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলাদেশকে তুলে ধরতে ও গবেষণা কার্যক্রমে সকলকে সম্পৃক্ত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যেই আমেরিকা, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্সটিটিউটের সাথে আমরা সম্মিলিতভাবে গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেছি। আজ জাপানের ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টারের সাথে গুরুত্বপূর্ণ এ আলোচনা-সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।
    গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাপানের ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টারের ‘ডিভিশন অব প্রিভেনশন’- এর প্রধান ড. মানামি ইনোউয়ে, ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল হেলথ পলিসি রিসার্চ-এর প্রধান ড. তমোহিরো মাৎসুদা, সেকশন হেড (ডিভিশন অব প্রিভেনশন) ড. সারাহ কে আবে, হামামাৎসু ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. শাফিউর রহমান, ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল হেলথ পলিসি রিসার্চের স্টাফ সায়েন্টিস্ট ড. লরেলিন গ্যাটেলিয়ার, হিতোৎসুবাশি ইন্সটিটিউট ফর এডভান্সড স্টাডি’র রিসার্চ এসোসিয়েট ড. রাশেদুল ইসলাম ও ইউনিভার্সিটি অব টোকিও’র পিএইচডি ফেলো ড. তাজবীর আহমেদ।

  • মুঠোফোনের আসক্তিতে থেকে কিশোর-তরুণদের রক্ষার আহ্বান: তথ্যমন্ত্রী

    মুঠোফোনের আসক্তিতে থেকে কিশোর-তরুণদের রক্ষার আহ্বান: তথ্যমন্ত্রী

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে অমর একুশে বই মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ মুঠোফোনের আসক্তি থেকে দেশের কিশোর-তরুণদের রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
    তথ্যমন্ত্রী বলেন, বই পড়ার অভ্যাসটা কেড়ে নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মুঠোফোন। এটা বড় যন্ত্রণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন তরুণ ও কিশোরদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস নেই।
    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ও টাকা পাচারের কারণে শাস্তি হয়েছে। লুটের টাকা বিদেশে পাচার করার কারণে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এফবিআই সাক্ষ্য দিয়ে গেছে।’
    তিনি বলেন, ‘আজ সংবাদ সম্মেলন করে সরকারের বিরুদ্ধে একগাদা দুর্নীতির অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব। আমার প্রশ্ন হচ্ছে যারা নিজেদের দুর্নীতির কারণে পর পর বাংলাদেশকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছিল তারা কারা ? তারা হচ্ছে বিএনপি।’
    চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। আরও বক্তব্য দেন অমর একুশে বইমেলা উদ্‌যাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ এবং সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী শেখ মো. তৌহিদুল ইসলাম।
    গত ৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে বইমেলা শুরু হয়েছিল। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এ মেলার আয়োজন করে।

  • বীমা দিবসে বীমা কোম্পানিগুলোকে ইচ্ছাকৃত ক্ষতির বিপরীতে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    বীমা দিবসে বীমা কোম্পানিগুলোকে ইচ্ছাকৃত ক্ষতির বিপরীতে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বীমা দিবস-২০২৩-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ‘কারো চাপের কাছে আপনারা মাথা নত করবেন না। আমিই বলেন বা আমাদের মন্ত্রি পরিষদের সদস্যদের কাছে নানা ধরনের লোক আসে, তদবিরও করতে পারে সেক্ষেত্রেও আপনাদের দেখতে হবে প্রকৃত ক্ষতি কতটুকু। দাবিদার দাবি করবে বড় একটা কিন্তু তার প্রকৃত ক্ষতি যাচাই-বাছাই করেই আপনারা অর্থ পরিশোধ করবেন।’
    যে কোনো স্থানের বা প্রভাবশালীদের চাপের মুখে অগ্নিকান্ডে কোনো সম্পত্তির ক্ষতির জন্য যথাযথ তদন্ত না করে বীমার অর্থ ছাড় না করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা।

    বীমা কোম্পানিগুলোকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বীমার অর্থ দাবির ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে স্বার্থান্বেষী মহলের অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়েও বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি আগে থেকেই ভেবে রেখেছিলেন আজকে এ কথা বলবেন, কারণ তিনি যেহেতু এই পরিবারেরই একজন সদস্য (জাতির পিতাও বীমা কোম্পানিতে চাকরি করেছিলেন) তাই এর বদনাম হোক তা তিনি চান না।’
    সরকার প্রধান বলেন, ‘ঘন ঘন একটা জায়গায় আগুন লাগবে কেন? ইন্সুরেন্সের দাবিদার হয়ে যায়- টাকা পায়। সেক্ষেত্রে আমার অনুরোধ থাকবে বিভিন্ন ইন্সুরেন্স কোম্পানি এবং যে কর্তৃপক্ষ করে দিয়েছি তাদের এ ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকা দরকার। কতটুকু ক্ষতি হলো তার যথাযথভাবে তদন্ত হওয়া দরকার।’
    তিনি উল্লেখ করেন তৈরি পোষাক কারখানাগুলোতে এক সময় ঘন ঘন অগ্নিকান্ড ঘটার প্রসঙ্গ টেনে তদন্ত করে তিনি বীমার মোটা অংকের মিথ্যা অর্থ দাবির প্রমাণ পেয়েছেন। তিনি আরও, কোন একটি কোম্পানির এক নারী কর্মীকে দিয়ে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে অগ্নিকান্ড ঘটানো হয় বলেও তদন্তে বেরিয়েছে।

    তিনি উদাহারণ দিয়ে বলেন, একটি ফ্ল্যাটে আগুন লাগার ক্ষেত্রে ৪০ কোটি টাকার বীমা দাবিরও তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে আছে। একটি ফ্লাটে ৪০ কোটি টাকার কী সম্পদ থাকতে পারে, সে প্রশ্ন তুলে এর তদন্ত করাবেন বলেও জানান শেখ হাসিনা।
    ১৯৬০ সালের ১ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। তাই সরকার প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং গত বছর একে ‘ক’ ক্যাটাগরি ভুক্ত দিবস হিসেবে উন্নীত করে।

  • আন্দোলন হবে না আপনাদের দিয়ে, ফখরুলকে সেতুমন্ত্রী

    আন্দোলন হবে না আপনাদের দিয়ে, ফখরুলকে সেতুমন্ত্রী

    আজ রবিবার ঘাটারচরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে এসব কথা বলেন। বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ এই শান্তি সামাবেশের আয়োজন করে।
    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না।
    বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলোর আন্দোলন নিয়ে সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আপনাদের পল্টন থেকে গোলাপবাগে যাওয়া ভুয়া, গরুর হাটের আন্দোলন ভুয়া, ২৭, ১২, ১০ দফা সবই ভুয়া। বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামীতে বিএনপি নির্বাচনে না গেলে আইসিইউতে যাবে। তাদের আন্দোলনের গতি কমছে আর অভিযোগের পাহাড় বাড়ছে।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর হবে না, হবে না, হবে না, ইনশাআল্লাহ হবে না। নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে। আর এ নির্বাচন হতে দেবেন না, এমনটা হলে খবর আছে।’
    বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা সংকটে আছেন। আপনাদের দিয়ে কোনো আন্দোলন হবে না। আপনাদের দলও ভাঙব না, জোটও ভাঙব না, তবু তাসের ঘরের মতো সব ভেঙে যাবে। আপনাদের জোট টিকবে না, টিকতে পারেও না।’
    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মাঝে মাঝে ভাবতে কষ্ট হয় এ দলও (বিএনপি) আবার ক্ষমতা চায়। এ দেশে হারানো ক্ষমতা ফিরে পাওয়া কঠিন।
    শেখ হাসিনা সরকারকে হটাতে বিএনপি এখন পার্বত্য চট্টগ্রামসহ রোহিঙ্গা শিবির নিয়ে চক্রান্ত করছে। নির্বাচনে বিএনপিকে জোর করে আনা হবে না, তবে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে মোকাবেলা করা হবে। চক্রান্ত করে শেখ হাসিনাকে হটাবেন? ফখরুল সাহেব মনে রাখবেন, ৭৫ আর ২০২৩ সাল এক নয়। ২০০১ আর ২০২৩ এক নয়। সেই তত্ত্বাবধায়ক অস্বাভাবিক সরকার বাংলাদেশে আর হবে না।’
    ‘বিএনপির খেলার দম ফুরিয়ে গেছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আন্দোলনেও খেলব, নির্বাচনেও খেলব। বিএনপি এখন খরার কবলে। খরার মধ্যে পড়েছে বিএনপি। অসুস্থ হয়ে অচিরেই হাসপাতালে যাবে।’
    ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

  • প্রধানমন্ত্রী যোগ দিয়েছেন মিঠামইনে সুধী সমাবেশে

    প্রধানমন্ত্রী যোগ দিয়েছেন মিঠামইনে সুধী সমাবেশে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে আয়োজিত এক জনসভায় বলেন: মহান মুক্তিযুদ্ধে এই অঞ্চলের মানুষের অনেক অবদান ছিল। এই অঞ্চলের উন্নয়ন হাওরবাসীদের প্রাপ্য। উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।
    তিনি আরও বলেন: এই হাওরাঞ্চল সবসময় অবহেলিত ছিল। গত ১৪ বছরে আমরা বিরাট পরিবর্তন করছি। এরই মধ্যে মিঠামইন-মরিচখালি উড়াল সেতু অনুমোদন দিয়েছি। এখন থেকে এখানে যত সড়ক হবে, সব উড়াল সেতু হবে। সারা বছরই যেন মানুষ চলাফেরা করে সেই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বলেই দেশের মানুষ সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারছে।
    হাওরাঞ্চলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাস ছাড়া কিছুই বোঝে না। যারা ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসতে চায়, যারা বিদেশে অর্থ পাচার করে তারা অন্তত দেশবাসীর ভাল করতে পারে না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণে আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল।