Tag: লাইফস্টাইল

  • বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল

    বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল

    উপকরণ:

    ইলিশ মাছ দেড় কেজি ১ টা, পেঁয়াজ কুঁচি-পেঁয়াজ বাটা ২ কাপ, লবন স্বাদ মত, হলুদের গুড়ো হাফ চামচ, মরিচ বাটা ২ চামচ, আদা বাটা হাফ চামচ, জিরো গুড়ো হাফ চামচ, টমেটো পেস্ট ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ৪ টা, সয়াবিন তেল পরিমাণ মত, ফিসসস সামান্য, ধনিয়া পাতা কুঁচি, চিনি হাফ চামচ

    বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল

    প্রস্তুতি  প্রণালী

    লেজ আর মাথা ছাড়া ইলিশ মাছের টুকরো নিতে হবে। কড়াইয়ে তৈল দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি ভেজে নিবো। এবার পেঁয়াজ বাটা, মরিচ বাটা, আদা-রসুন-বাটা, জিরা গুড়া, টমেটো পেস্ট, লবন, ফিসসস দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। কষানো হলে  দেখবেন তৈল উপরে উঠে আসছে। তখন ইলিশ মাছ দিয়ে দিন। মাছ দিয়ে আবারও মশল্লা সাথে ভালো করে কষিয়ে নিন। এবার ১ কাপ পানি দিয়ে কাঁচা মরিচ দিন ঢাকনা দিয়ে ঝোল কে ঘন করে নিন। ধনিয় পাতা কুঁচি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন। বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল।  বাটা মরিচ দিয়ে ইলিশের মাছ রান্না করলে এর স্বাদ দিগুণ বেড়ে যায়।

    রেসিপি দিয়েছেন: সাজিয়া ফেরদৌস, সাজিয়া’স কিচেন

  • শিশুকে ভরপুর এনার্জি দিতে যেসব খাবারে বেশি প্রাধান্য দিবেন

    শিশুকে ভরপুর এনার্জি দিতে যেসব খাবারে বেশি প্রাধান্য দিবেন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক : শিশুর শরীরের যত্ন নিতে প্রতিদিনের খাওয়াদাওয়ার উপর নজর দেওয়া জরুরি। সন্তানের প্লেটে কী খাবার রাখছেন, তার উপর নির্ভর করছে শিশুর বিকাশ কত দ্রুত হবে। চকোলেট, আইসক্রিম, বাইরের নানা ধরনের খাবার খাওয়ার বায়না বাচ্চারা করেই থাকে। কিন্তু সেই খাবারগুলি আদতে শিশুর শরীরের ক্ষতি করে। তাই এই ধরনের খাবার থেকে শিশুকে দূরে রাখা একান্ত জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা বেশ দীর্ঘ। কিন্তু কোন খাবারগুলি খাওয়ালে সুস্থ এবং সতেজ থাকবে সন্তান, তা জেনে নেওয়া দরকার।

    ডিম

    ডিমে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন রয়েছে। শিশুকে প্রাণবন্ত রাখতে প্রোটিনের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিদিনের খাবারে তাই ডিম রাখুন। একটি ডিমই শিশুর শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, সব কিছুর চাহিদা পূরণ করবে। প্রতি দিন একটি সেদ্ধ ডিম খাওয়ালে শিশুর শরীর ভাল থাকবে। এ ছাড়া ডিমের পোচ, অমলেটও মাঝেমাঝে খাওয়ানো যেতে পারে। এতে তাদের স্বাদবদল হবে।

    আলু

    শিশুর দৈনিক খাদ্যতালিকায় শুধু প্রোটিন বা ফাইবার নয়, কার্বোহাইড্রেটও রাখতেই হবে। কার্বোহাইড্রেটের সবচেয়ে ভাল উৎস হল আলু। আলুতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড শিশুকে ভিতর থেকে চাঙ্গা রাখবে। তাই শিশুর নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন আলু। আলু সিদ্ধ করে সামান্য মাখন, নুন আর গোলমরিচ দিয়ে চটজলদি শিশুদের জন্য বানিয়ে ফেলুন ‘ম্যাশ্ড‌ পটেটো’।

    মুরগির মাংস

    প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হল মুরগির মাংস। এই খাবার শিশুর পেশি মজবুত করে। তবে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় মুরগির মাংস রাখবেন না। সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন খাওয়াতে পারেন। সব রকম সব্জি দিয়ে মুরগির স্টু শিশুদের খাওয়ানো যেতে পারে।

    দুগ্ধ জাতীয় খাবার

    দুধ, দই এবং পনিরে রয়েছে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির ভাল উৎস। অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োজন এমন বাচ্চাদের জন্য ডেইরী প্রোডাক্ট হতে পারে ভাল বিকল্প। পুডিং, পিজ্জা, পাস্তা ঘরে তৈরি করেই শিশুদের খুশি করে খাওয়াতে পারেন।

    ফল ও শাকসবজী

    ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ থাকে যা বাচ্চাদের সুস্থ ও শক্তিমান রাখতে সাহায্য করে। আপেল, কলা, কমলা, ব্রোকলি এবং মিষ্টি আলু সবই ভালো বিকল্প। জুস, কাস্টার্ড বা বিভিন্ন মজাদার খাবার তৈরি করেও তাদের আগ্রহী করতে পারেন এসব স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াতে।

    তথ্যসূত্রঃ ডব্লিউএইচও, বেটার হেলথ, কিডস হেলথ

  • হোয়াইট পাস্তা

    হোয়াইট পাস্তা

    উপকরণ :

    পাস্তা ২০০ গ্রাম, মুরগির মাংস-১ কাপ কুচি করা, বাটার ৩ টেবিল চামচ, রশুন কুচি ১ টেবিল চামচ, দুধ ২ কাপ, ময়দা ৩ টেবিল চামচ, লবন পরিমান মত, গোল মরিচ গুড়া ১ চা চামচ, পাস্তা প্যাকেট মসলা ১ প্যাকেট।

    প্রস্তুত প্রণালী: ফুটন্ত গরম পানিতে অল্প লবন দিয়ে পাস্তা ৪/৫ মিনিট সিদ্ধ করুন। সিদ্ধ পাস্তা ছাকনিতে রেছে ঠান্ডা খাবার পানি ঢেলে শীতল ও ঝর ঝরে করুন।

    একটি পাত্রে বাটার দিন বাটার গরম হলে তাতে রশুন কুচি দিয়ে ভাজুন। এবার কুচি করা মুরগির মাংস দিয়ে ভাজুন, মুরগির মাংস ভাজা হলে ময়দা দিয়ে ভাজুন, ময়দা ভাজা হলে তাতে দুধ ঢেলে দিন। ভালভাবে নাড়–ন দুধ ফুটে ঘন হয়ে এলে সিদ্ধ করা পাস্তাগুলো ছেড়ে দিন। এবার পাস্তার প্যাকেটের মসলা ও গোলমরিচের গুড়ো + লবন ছিটিয়ে দিন। সব একসাথে মিশে গেলে উপরে আর ১ চামুচ বাটার ছিটিয়ে দিন। হয়ে গেল মজাদার হোয়াইট পাস্তা।

    রেসিপি দিয়েছেন : পপি খান

  • কলিগদের সাথে হোক সামঞ্জস্যপূর্ণ ফর্মাল রিলেশনশিপ

    কলিগদের সাথে হোক সামঞ্জস্যপূর্ণ ফর্মাল রিলেশনশিপ

    আপনি বরাবরই হাসিখুশি, সকলের সঙ্গে মজা করতে ভালবাসেন। আর এই কারণে বন্ধুবান্ধব মহলে বেশ জনপ্রিয়। ভেবেছিলেন অফিসেও ঠিক এমনই থাকবেন। কিন্তু অফিস আর কলেজের মধ্যে যে কয়েক যোজন পার্থক্য আছে, তা আপনি আন্দাজও করতে পারেননি। প্রথমদিকে সকলের সঙ্গে বেশ মানিয়ে নিলেও আপনার ইমেজটাই হয়ে উঠল আপনার শত্রু। কেউ যেন আপনাকে সিরিয়াসলি নেয় না, পিছনেও নানা মন্তব্য করে। নিন্দুকেরও অভাব নেই। কেউ ভাবেন আপনি ফ্লার্টবাজ তো কারও মতে আপনি গায়ে পড়া। আর আপনি ভাবেন যে কাকে দোষ দেবেন, নিজেকে না সহকর্মীদের! আসলে অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে বন্ধুর এবং ফর্মাল রিলেশনশিপের সঠিক ব্যালেন্স বজায় রাখা এখানে খুব জরুরী।

    কী করবেন

    • কলিগদের সঙ্গে সম্পর্কের রসায়নে প্রধান উপকরণ প্রোফেশনালিজম। অফিস আওয়ার্সে কাজ যেন সবসময় আপনার টপ প্রায়োরিটি হয়। সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময়ও কাজ সংক্রান্ত আলোচনাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।
    • সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখাটা খুবই প্রয়োজনীয়। দেখা হলে উইশ করা, প্রয়োজনে সাহায্য করা, হঠাৎ অ্যাবসেন্ট হলে ফোন করে খোঁজ নেওয়া- এ সবই একজন বন্ধু এবং কলিগ হিসেবে আপনার কর্তব্য, কিন্তু সকলের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করাটা বোধহয় ঠিক নয়।
    • সফল টিমওয়ার্কের জন্যে নিজের ইগো নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি। ছোটখাটো মন কষাকষি যেন ঝগড়ার পর্যায়ে না পৌঁছায় সে সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।
    • অফিসে অবসর সময়টুকু শুধুমাত্র গসিপ করে ব্যয় করবেন না। ছোটখাটো মন্তব্য সবাই করে থাকেন কিন্তু সেটা অতিরঞ্জিত করে কুৎসা ছড়ানো কুরুচির পরিচয়। পিছনে সমালোচনা করার চেয়ে সোজাসুজি কথা বলে নেওয়া অনেক বেশি কার্যকর।
    • নিজস্ব ধ্যানধারণা অন্যের উপরে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। প্রত্যেকেরই কাজ করার নিজস্ব ধরন থাকে, সেই নিজস্বতাকে সম্মান করে চলুন।

    তথ্যসূত্রঃ আউরিস.কম

  • গার্লিক চিকেন

    গার্লিক চিকেন

    একঘেয়ে খাবারে  মাঝে মাঝেই  একটু ব্যতিক্রমি খাবার রুচির যেমন স্বাদ বাড়ায় তেমনি খাবারের আগ্রহ ও বাড়িয়ে দেয়। গার্লিক চিকেন হলো  চাইনিজ একটি খাবার । তবে  আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বেই এখন এর জনপ্রিয়তা অনেক। গার্লিক চিকেন খুব সহজেই ঘরে তৈরি করে সবাইকে চমকে দেয়া খুব সহজ। চলুন দেখি রেসিপি টি কিভাবে তৈরি করা যায়।

    উপকরণ  ও পরিমাণ :

    বোনলেস চিকেন  পাতলা স্লাইস- ৬ পিস, লবন-স্বাদমতো, কালো গোলমরিচ গুড়া-হাফ চা চামচ, লেবুর রস-এক চা চামচ।

    উপরের উপকরন গুলি ভালো করে মাখিয়ে মেরিনেট করে রাখতে হবে পরে বাটার-তিন টেবিল চামচ, রসূন কুচি-দুই চা চামচ, ফেশ ক্রিম-দুই টেবিল চামচ, চিকেন স্টক-দুই টেবিল চামচ, চিকেন পাউডার-এক চা চামচ, লবন-স্বাদমতো, চিনি-এক চিমটি।

    গার্লিক চিকেন
    জিনিয়া ইসলাম

    সাজানোর জন্য:

    ধনে পাতা কুচি -এক টেবিল চামচ, লেবু স্লাইস দুই পিস-সস   সামান‍্য

    প্রস্তুত প্রণালি:

    প্রথমে প্যানে বাটার দিতে হবে। মেরিনেটেড চিকেনের পিস গুলো বাটারে ভেজে নিতে হবে। দুপাশে লাল হলে নামিয়ে নিবো। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন পুড়ে না যায় এবং বেশি কুক না হয়। ভাজা হলে নামিয়ে নিবো।

    এখন প্যানে আরেকটু বাটার দিয়ে রসূন কুচি দিবো। একটু নেড়ে তাতে চিকেন স্টক দিবো। লবন দিবো। চিকেন পাউডার দিবো। এরপর ফ্রেশ ক্রিম দিবো। চিনি দিবো। হালকা নেড়ে তাতে চিকেন ভাজা পিস গুলো ঢেলে দিবো। গ্রেভি ঘন হবে। চিকেনের গায়ে লেগে গেলে নামিয়ে নিবো। উপরে ধনে পাতা কুচি চিটিয়ে দিবো।

     

    রোস্টেড পাউরুটি বা রুমালি রুটি বা ফ্রাইড রাইসের সাথে পরিবেশন করুন খুব মজার গার্লিক চিকেন।

    রেসিপি দিয়েছেন: জিনিয়া ইসলাম

  • কাটা গলানো ইলিশ রান্না

    কাটা গলানো ইলিশ রান্না

    কাটার ভয়ে যারা মাছ খেতে ভয় পান বা বাচ্চাদের কাটার ভয়ে মাছ খাওয়ান না, তাদের জন্য স্বস্তিদায় এক রেসিপি এটি।

    *ইলিশ মাছ- ৪টুকরা *পেঁয়াজ বাটা-২টেবল চামচ *পেঁয়াজ কুঁচি -১টেবল চামচ *টকদই -১টেবল চামচ *সিরকা ১চা চামচ *সরিষার তেল-১/৪ কাপ *লবন- স্বাদ মত *হলুদ গুড়া-১/২ চা চামচ  *মরিচ গুড়া-১/২ চা চামচ *ধনে গুড়া-১/২ চা চামচ *আদা রসুন বাটা -১/২ চা চামচ *কাঁচা মরিচ -৩/৪টা *পানি-১ কাপ

    কাটা গলানো ইলিশ রান্না
    কানিজ ফাতেমা রুমা

    মাছ ও কাঁচা মরিচ বাদে সব মশলা এক সাথে মিশিয়ে নিতে হবে।এর পর মাছ গুলোও মশলায় মাখিয়ে উঠিয়ে নিন। এবার প্রেশার কুকারে  মাছ গুলো বিছিয়ে দিন। মশলা গুলো উপরে ঢেলে দিন।মশলার পাত্রে ১কাপ পানি দিয়ে ধুয়ে পানি কুকারে দিয়ে ঢাকনা বন্ধ  করে নিন। এবার চুলা হাই হিট এ ১০ মিনিট রেখে কম আচে ১ ঘন্টা রান্না করে নিতে হবে। ভয় নেই মাছ গলবে না। মাছগুলো সাবধানে উঠিয়ে নিতে হবে। ঝোলে কাঁচা মরিচ দিয়ে জ্বাল দিয়ে ঝোলটা ঘন করে নিতে হবে নিজের পছন্দ মত। এবার মাছ দিয়ে কিছুখন জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। গরম ভাতে খুবই দারুণ লাগে খেতে। কোনো কাটা লাগবে না। মাছের সাথে কাটা মিশে যাবে। বাচ্চারাও খেতে পারবে অনায়াসে।

    রেসিপি দিয়েছেন : কানিজ ফাতেমা রুমা

    রুমা’স কিচেন।

  • দীর্ঘ সময় ধরে টাটকা খাবার না খেলে ভিটামিন সির অভাব দেখা দেয়

    দীর্ঘ সময় ধরে টাটকা খাবার না খেলে ভিটামিন সির অভাব দেখা দেয়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ম্যাগেলান অভিযানের পর একটি বিষয় প্রতিয়মান হয়েছে যে দীর্ঘ সময় ধরে কোন ব্যক্তি যদি, টাটকা খাবর না খায় তাহলে ভিটামিন সির অভাব দেখা দেয় । দেখা গেছে ১৫শ শতকের অভিযাত্রী ম্যাগেলান এবং এলকানো আনুমানিক ২৫০ জন নাবিক নিয়ে সমুদ্র যাত্রা শুরু করেন। পাঁচশো বছরেরও বেশি সময় আগের ওই অভিযানে মাত্র ১৮ জন পৃথিবীর প্রদক্ষিণ করতে পেরেছিলেন।

    কেননা ওই সমুদ্রযাত্রার সময় একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল স্কার্ভি রোগ। এটি এমন এক রোগ যা দীর্ঘ সময় ধরে টাটকা খাবার না খাওয়ার কারণে দেখা দেয়।

    গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার খেলে স্কার্ভি রোগের মাত্রা কমে যায়। কিন্তু মানুষের শরীরে ভিটামিন সি সংশ্লেষণের পথ থাকলেও তা অসম্পূর্ণ। অর্থাৎ মানবশরীর ভিটামিন সি উৎপাদন করতে পারে না। এ কারণে ভিটামিন সি আমাদের টাটকা খাবার থেকে গ্রহণ করতে হয়।

    সেইসাথে মানবদেহ, প্রোটিন, কোলাজেনের মতো অপরিহার্য উপাদান সংশ্লেষ করতে পারে না, যা আমাদের অনেক ধরণের টিস্যুর স্থিতি বজায় রাখতে এবং পুনরুজ্জীবিত করতে খুবই জরুরি।

    কিন্তু বিড়ালের সাথে এমনটা ঘটে না, এই প্রাণী নিজেরাই নিজেদের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি সংশ্লেষ করতে সক্ষম, তাই তারা কখনই স্কার্ভি রোগে ভোগে না।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • গরমের সেরা ডায়েটে তালের শাঁস রাখুন

    গরমের সেরা ডায়েটে তালের শাঁস রাখুন

    তাল বাংলাদেশের অত্যন্ত সুপরিচিত একটি ফলজ বৃক্ষ। । কচি তালবীজ সাধারণত তালশাঁস নামে পরিচিত যা বিভিন্ন প্রকার খনিজ উপাদান ও ভিটামিনে পরিপূর্ণ। মিষ্টি স্বাদের কচি তালের শাঁস শুধু খেতেই সুস্বাদু নয় বরং পুষ্টিতে ও ভরপুর। এ সব পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করা সহ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    আপনি যদি গ্রীষ্মে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং মোটা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে টেনশন ছেড়ে আপনার খাদ্যতালিকায় তালের শাঁসকে যুক্ত করুন। হ্যাঁ, তালের শাঁস শুধুমাত্র শরীরকে হাইড্রেটেড এবং ঠান্ডা রাখবে না বরং আপনার ওজন কমাতেও সাহায্য করবে। এর ইংরেজি নাম আইস আপেল। এতে ভিটামিন বি, আয়রন, জিঙ্ক, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়ামের মতো অনেক গুণ রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক আশ্চর্যজনক উপকারিতা প্রদান করে৷ জেনে নিন তালের শাঁস স্বাস্থ্য উপকারিতা কী কী-

    ওজন কমে: তালের শাঁস ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে ক্যালরির পরিমাণ কম এবং জলের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি মানুষের পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখে। এই কারণেই লোকেরা এটিকে তাদের ওজন কমানোর যাত্রায় অন্তর্ভুক্ত করে। এই ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার হজমে উন্নতি করে এবং সঠিক বিপাক বজায় রাখে৷

    শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে: তালের শাঁস শীতল প্রভাবের কারণে এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরে জলের অভাব হতে পারে। যে কারণে ত্বকে জ্বালাপোড়া ও জলশূন্যতার সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। তালের শাঁস খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সেরা উপায় হতে পারে।

    ডায়াবেটিস: এছাড়াও, তালের শাঁসে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকায় এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগীরাও এই ফল খাওয়ার মাধ্যমে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারেন৷

    ত্বকের সমস্যা: তালের শাঁস ত্বকেরও বিশেষ যত্ন নেয়৷ ফুসকুড়ি এবং হিট র‍্যাশের মতো ত্বকের সমস্যা এই ফল খেলে এড়ানো যায়৷ এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য ত্বকের প্রদাহ এবং জ্বালা কমাতে সাহায্য করে।

    পানি শূন্যতা এবং ক্লান্তি দূর করে: প্রায় ৯৩% বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রোলাইট সমৃদ্ধ পানি ও প্রাকৃতিক জিলেটিন থাকে। জ্যৈষ্ঠ মাসের গরমে পরিশ্রান্ত কর্মজীবী মানুষেরা তালের শাঁস খেলে দেহকোষে অতিদ্রুত ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্সের মাধ্যমে শরীরে পুনরুদন প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং আমাদের শরীরকে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা দূর করে প্রাকৃতিকভাবে ক্লান্তিহীন রাখে । এ কারণে তালের শাঁসকে অনেক পুষ্টিবিদ প্রাকৃতিক শীতলীকারকও বলে থাকেন।

    তথ্যসূত্রঃ আজতাক.ইন ও এআইএস.গভ.বিডি

  • হতাশা মোকাবেলায় এই ৫টি নিয়ম মানুন

    হতাশা মোকাবেলায় এই ৫টি নিয়ম মানুন

    সারাদিন কাজের চাপ, কখনো পারিবারিক সমস্যা, কখনোবা ব্যক্তিগত সমস্যা। নানা জটিলতায় জীবন হাঁপিয়ে ওঠে। এবং মানসিক অবসাদে পরিণত হতে হয়।

    সুস্থ জীবন পেতে, সুস্থ থাকতে শরীরের পাশাপাশি মনের সুস্থতাতেও মনোযোগ দিতে হবে। নয়তো দীর্ঘদিন ডিপ্রেশনে ভুগে মারাত্মক অসুস্থতার সম্মুখীন হতে পারে যে কেউ। কিছু উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে অবসাদ কাটিয়ে তোলা যায়। এমন কিছু ঘরোয়া উপায় চলুন জেনে নিই-

    ঘুমের নির্দিষ্ট সময় বাছাই করুন

    প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে উঠুন। আবার নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমান। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমালে এবং ঘুম থেকে উঠলে শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লক সঠিকভাবে চলে। এটি ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে। অবসাদ কমাতেও উপকারি ভূমিকা রাখে।

    সূর্যের আলোয় মন ভরান

    আমাদের শরীরে সুখী হরমোনের (happy hormones) উৎপাদন বাড়ায় সূর্যের আলো। ফলে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। মানসিক অবসাদে ভুগলে সূর্যের আলোতে দাঁড়ান। শরীরের জন্য এটি বেশ ভালো কাজ করবে। সূর্যাস্তের পরে অন্ধকার নামার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কে মেলাটোনিন হরমোন ক্ষরণ বাড়তে থাকে। আবার, দিনের বেলায় সূর্যের আলোয় মেলাটোনিন ক্ষরণ কমে যায়। ফলে ঘুমের ঘোর কাটে। তাই, মেলাটোনিনের মাত্রা কমাতে কিছুক্ষণের জন্য সূর্যের আলোয় দাঁড়ান। এতে মেজাজ ঠান্ডা হবে।

    শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম

    প্রতিদিন সকালে কিছুক্ষণ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। এটি উদ্বেগ ও স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। বড় করে শ্বাস নিয়ে কিছু সময় দম বন্ধ করে রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।

    দৈনন্দিন প্রার্থণা ও ব্যায়াম করুন

    দৈনন্দিন প্রার্থণায় মানুষের মনে ইতিবাচকতা তৈরি হয়। পাশাপাশি ভালো কাজের আসক্তি তৈরি হয়। মন হয় শান্ত ও প্রফুল্ল। পাশাপাশি, শরীরচর্চা বা ব্যায়াম বিষণ্ণতার চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। কারণ শরীরচর্চা করলে এন্ডোরফিন হরমোন ক্ষরণ হয়, যা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। তাই রোজ অন্তত কিছুটা সময় ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন।

    স্বাস্থ্যকর সকালের নাশতা

    শরীরে প্রয়োজনীয় এনার্জি পেতে সকালের নাশতা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর হতে হবে। নয়তো শরীর ও মন উভয়েরই ক্ষতি হতে পারে। সকালে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। প্রতিদিন সকালে সুষম খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    ডিপ্রেশন বা অবসাদ কমাতে কোনো নেশায় আসক্ত এবং ওষুধ না খেয়ে, ঘরোয়া এই উপায়গুলো কাজে লাগান। ভালো থাকবেন আপনি।

    তথ্যসূত্রঃ ভেরিওয়েলমাইন্ড

  • ৬ টি আশ্চর্যজনক উপকার পেতে প্রতিদিন হাঁটুন

    ৬ টি আশ্চর্যজনক উপকার পেতে প্রতিদিন হাঁটুন

    প্রতিদিন হাঁটা আপনার স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য অনেক উপকারী হতে পারে। হাঁটা হল একটি সহজ ব্যায়ামের অনুশীলন যা বেশিরভাগ লোকেরা করতে পারে। এবং এটি আপনার দৈনন্দিন রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করা চমৎকার ব্যাপার। প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাসে আপনি শারীরিক ও মানসিক বেশ কিছু সুবিধা লাভ করতে পারেন। প্রতিদিন হাঁটা ৬টি সুবিধা হলোঃ

    উন্নত কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য: হাঁটা আপনার হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি হ্রাস করে আপনার হার্টের সুস্থতা উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো: হাঁটা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সর্দি, ফ্লু এবং অন্যান্য অসুস্থতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

    প্রফুল্লতা তৈরি: হাঁটা মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং বিষণ্নতা হ্রাস করে আপনার প্রফুল্ল মেজাজ উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

    দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাস: নিয়মিত হাঁটা আপনার দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন- ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

    হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি: হাঁটা একটি ওজন বহনকারী কার্যকলাপ, যার মানে এটি আপনার হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে এবং অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    বর্ধিত শক্তি এবং সহনশীলতা: নিয়মিত হাঁটা আপনার শক্তি এবং সহনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এটি আপনার দৈনন্দিন কাজগুলিকে সহজ করে তোলে।

    প্রতিদিনের হাঁটার অভ্যাসকে আপনার রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করে, আপনি এই সুবিধাগুলি কাটাতে পারেন এবং আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যর কল্যাণ লাভ করতে পারেন। সর্বাধিক সুবিধার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটার লক্ষ্য রাখুন।

    তথ্যসূত্রঃ রিয়েলসিম্পল