Tag: ভারত

  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ভারত

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ভারত

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩০ জুন, ২০২৪: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। এই জয়ে ১৭ বছরের আক্ষেপ দূর করলো দেশটি। কপিল দেব ও মহেন্দ্র সিং ধোনির পর ভারতকে বিশ্বকাপ জেতানো তৃতীয় অধিনায়ক এখন রোহিত শর্মা। শেষ ওভারে ভারতকে জিততে ১৬ রান আটকাতে হতো। ঠিক সেই সময় হার্দিক ৮ রানে তুলে নেন দুই উইকেট। শেষ ওভারে প্রোটিয়াদের ৭ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো ভারত। এই জয়ে আনন্দ অশ্রু ঝরেছে ভারতীয় সব ক্রিকেটারদের!

    গত এক বছরে আইসিসির তিনটি প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেললো ভারত। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের পর ঘরের মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালেও হেরেছিল ভারত। এবার আরও একটি হারের মুখেই ছিল রোহিতের দল। ক্লাসেন ঝড়ের পর জয়ের সুবাস পাচ্ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু ডেথ ওভারে যশপ্রীত বুমরা ও হার্দিকের বোলিং এবং ডেভিড মিলারের নিশ্চিত ছক্কা সূর্যকুমার যেভাবে ক্যাচে পরিণত করলেন- তাতেই অপরাজিত থেকে ১১ বছরের ট্রফি খরা ঘুচালো ভারত।

    শুধু ভারতেরই নয়, দ্রাবিড়ের অনেক আক্ষেপ, অতৃপ্তি ঘুচেছে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করেই ভারতের কোচ হিসেবে দ্রাবিড়ের অধ্যায় শেষ হলো।

    ভারত তৃতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলে দ্বিতীয় শিরোপা জিতেছে। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেলে ট্রফি ছোঁয়া হলো না দক্ষিণ আফ্রিকার। শন পোলক, গ্রায়েম স্মিথ, এবি ডি ভিলিয়ার্স, জ্যাক ক্যালিস, হ্যানসি ক্রনিয়ের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার অনেক কিংবদন্তিরা যা পারেননি, সেটাই করে দেখিয়েছিলেন এইডেন মারক্রাম। প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফাইনালে তুলে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে ছিল প্রোটিয়ারা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে আবার নিজেদের চোকার্স নামটার সার্থকতা বজায় রাখলো দক্ষিণ আফ্রিকা।

    গতকাল শনিবার রাতে বারবাডোসের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে আগে টস জিতে ব্যাটিং করে ভারত। নিজের সেরা ইনিংসটি যেন ফাইনালের জন্যই তুলে রেখেছিলেন কোহলি। সেমিফাইনাল পর্যন্ত ১০.৭১ গড়ে ৭৫ রান করেছিলেন তিনি। বারবাডোসে দলের বিপর্যয়ে ঢাল হয়ে খেলেছেন ৭৬ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। দলও পেয়েছে ৭ উইকেটে ১৭৬ রানের ভালো সংগ্রহ। প্রোটিয়াদের জিততে হলে ইতিহাস গড়তে হতো। কেন না টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে এত রান তাড়া করে সফল হওয়ার ইতিহাস নেই।

    ১৭৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলীয় ১২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের দুই পেসার শুরুতেই ফিরিয়ে দেন ওপেনার রিজা হেন্ডরিকস (৪) ও অধিনায়ক মার্করামকে (৪)। তৃতীয় উইকেটে ট্রিস্টান স্টাবসের (৩১) সঙ্গে ৫৮ রানের জুটি গড়ে দলকে চাপমুক্ত করেন কুইন্টন ডি কক। এরপর প্রোটিয়া ওপেনার ৩৬ রানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন ক্লাসেনের সঙ্গে। এই জুটিতেই জয়ের ভিত তৈরি করেছিল প্রোটিয়ারা। ডি কক ৩৯ রানে আউট হওয়ার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেন ক্লাসেন। ডেভিড মিলারের সঙ্গে ২২ বলে ৪৫ রানের জুটি গড়ে ম্যাচটা প্রায় বের করে এনেছিলেন ক্লাসেন। অক্ষর প্যাটেলের করা ইনিংসের ১৫তম ওভারে ২ চার ও ২ ছয়ে ২৪ রান নিয়ে সমীকরণ ৩০ বলে ৩০ রানে নামিয়ে এনেছিলেন। সেখান থেকে ম্যাচটা জিততে পারেনি প্রোটিয়ারা। আবার প্রমাণ করলো, এখনও চোক থেকে বের হতে পারেনি তারা। হার্দিকের করা ইনিংসের ১৭তম ওভারের প্রথম বলে ক্লাসেন ফিরে গেলে বিপদে পড়ে যায় প্রোটিয়ারা। ক্লাসেন ২৭ বলে ২ চার ও ৫ ছয়ে খেলেন ৫২ রানের ইনিংস।

    শেষ তিন ওভারে ২২ রান প্রয়োজন ছিল প্রোটিয়াদের। কিন্তু বুমরার ১৮তম ওভারে মাত্র ২ রান নিতে পারে তারা, হারায় একটি উইকেটও। এরপর ১৯তম ওভারে আর্শদীপ সিং ৪ রান খরচ করলে ম্যাচ ঝুঁকে যায় ভারতের দিকে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিল ১৬ রান। হার্দিকের ওভারে প্রথম বলে ছয় মারতে চেয়েছিলেন মিলার। কিন্তু বাউন্ডারিতে দুর্দান্ত এক ক্যাচে তাকে ফেরান সূর্যকুমার। পরে আর সমীকরণ মেলাতে পারেনি তারা।

    ২০১৩ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের পর ঘুচলো ভারতের শিরোপা খরা। আর ২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর হাতে এলো আরেকটি শিরোপা। আর ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেলো।

    টসে জিতে ভারতের অধিনায়ক রোহিত ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। কেন ব্যাটিং নিলেন সেটি প্রমাণ করতেই যেন ফাইনাল ম্যাচে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এলেন কোহলি। মার্কো ইয়ানসনের প্রথম ওভারে তিন চারে ঝলক শুরু করেন কোহলি। পরের ওভারে কেশব মহারাজকে প্রথম দুই বলে চার মেরে রোহিত আক্রমণাত্মক শুরু করেন। ১.২ ওভারেই ভারত তোলে ২৩ রান। এরপরই খেই হারান ব্যাটাররা।

    মহারাজ তার চতুর্থ ও ষষ্ঠ বলে একে একে ফেরান রোহিত ও রিশাভ পান্তকে। ৫ বলে রোহিত ৯ রান করলেও পান্ত রানের খাতা খুলতে পারেননি। প্রোটিয়া স্পিনারকে সুইপ করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্লাসেনের দারুণ ক্যাচ হন ভারতের অধিনায়ক। পান্তও সুইপ করতে গিয়ে আকাশে বল তুলে দিয়ে বিদায় নেন ডি ককের তালুবন্দি হয়ে। এরপর ক্রিজে নামেন চলতি টুর্নামেন্টে ভারতের সবচেয়ে সফল ব্যাটার সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু তিনিও ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছেন। ফাইন লেগে উড়িয়ে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন। সেখানেও ক্যাচটি নেন ক্লাসেন। ১১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ভীষণ চাপে পড়ে ভারত।

    সেই চাপ থেকে দলকে উদ্ধার করার গুরু দায়িত্ব পড়ে পুরো টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হওয়া কোহলির ওপর। সেই দায়িত্বটা খুব ভালো করেই সামাল দিয়েছেন তিনি। ম্যাচআপের অংশ হিসেবে অক্ষর প্যাটেলকে নামানো হয় চার নম্বরে। ঠিক যে কারণে অক্ষরকে নামানো হয়েছে, সেই দায়িত্বটা ঠিকঠাকভাবেই করেছেন স্পিনিং এই অলরাউন্ডার। চতুর্থ উইকেটে ৫৪ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন এই দুজন।

    ১৪তম ওভারে অক্ষর রানআউট হলে ভাঙে এই জুটি। রাবাদার বলে ফ্লিক করতে যান কোহলি। কিন্তু ঠিকঠাক টাইমিং হয়নি, বল থাকে উইকেটরক্ষকের কাছাকাছি। এর মধ্যে রান নেওয়ার চেষ্টা করেন অক্ষর, কিন্তু কোহলি ফিরিয়ে দেন তাকে। ফেরার জন্য যথেষ্ট সময় পেলেও দ্রুততা ছিল না অক্ষরের। উইকেটরক্ষকের জায়গা থেকে সরাসরি থ্রোতে নন স্ট্রাইক প্রান্তে স্টাম্প ভাঙেন ডি কক। ৩১ বলে ১টি চার ও চারটি ছক্কায় ৪৭ রান করে সাজঘরে ফেরত যান অক্ষর।

    তার বিদায়ের পর হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন কোহলি। এই টুর্নামেন্টে প্রথমবার এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। আগের সাত ইনিংসে স্রেফ ৭৫ রান করেছিলেন, দুবার আউট হয়েছিলেন শূন্য রানে। ফাইনালে ৪৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন কোহলি।

    ফিফটি পাওয়ার পর কিছুটা চালিয়ে খেলার চেষ্টা করেন কোহলি। হাফ সেঞ্চুরি পাওয়ার পরের ১১ বলে ১৬ রান আসে তার ব্যাট থেকে। মার্কো ইয়ানসেনের আগের বলে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। পরেরটি একটু স্লো করেন তিনি, এবার পুল করতে গিয়ে ক্যাচ দেন রাবাদার হাতে।

    কোহলির সঙ্গে পরে পঞ্চাশ পেরোনো জুটি হয়েছিল দুবেরও। ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতে আউট হন দুবে। ১৬ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। শেষ বলে জাদেজাও আউট হন। তবে ততক্ষণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ফেলেছে ভারত। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করা অস্ট্রেলিয়ার ১৭৩ রান টপকে তারা করে ১৭৬ রান।

    পুরো টুর্নামেন্টে রানের জন্য ছটফট করেছিলেন কোহলি। সবকিছুই যেন তুলে রেখেছিলেন ফাইনালের জন্য। নেমেই এক ওভারে তিন চারে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। তবে দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর দলের পরিকল্পনাতেই হোক কিংবা প্রোটিয়া বোলারদের তোপেই হোক, একটু যেন খোলসবন্দি হয়ে যান। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য টিকতে পারেননি তিনি, ১৯তম ওভারে ইয়ানসেনের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন। তার আগে ৫৯ বলে ৭৬ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে কিং কোহলি খ্যাত ভারতীয় এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ভারত পায় ৭ উইকেটে ১৭৬ রানের বড় স্কোর।

    প্রোটিয়া বোলারদের মধ্যে আনরিখ নর্কিয়া ২৬ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করেছেন। এছাড়া মহারাজ ২৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। ইয়ানসেন ও কাগিসো রাবাদা একটি করে উইকেট নেন।

    বিরাট কোহলি ম্যাচসেরা পুরস্কার নিতে এসেই ঘোষণা দেন, ‘এটাই ছিল ভারতের হয়ে আমার শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।’ সংবাদ সম্মেলনে এলো আরেক তারকার অবসরের ঘোষণা। ভারতকে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতিয়ে এই ফরম্যাট থেকে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

  • ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ভারত ফাইনালে

    ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ভারত ফাইনালে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৮ জুন, ২০২৪: গতকাল রাতের খেলায় ইংল্যান্ডকে ৬৮ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত। আগামীকাল শনিবার রাত ৮টা ৩০মিনিটে ভারত ফাইনালে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার। এর আগের সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে খুব সহজেই হারিয়ে ফাইনালে উঠে দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনও অপরাজিত আছে। প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেলছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে অভিজ্ঞতার আলোকে ভারত এগিয়ে আছে। ফাইনাল খেলা অনেক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ইংল্যান্ডকে ৬৮ রানে হারিয়েছে ভারত। শুরুতে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান করে তারা। পরে ওই রান তাড়া করতে নেমে ১৬ ওভার ৪ বলে ১০৩ রানে অলআউট হয় ইংলিশরা।

    বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হয় দেড় ঘণ্টা দেরিতে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আরও একবার বিরাট কোহলিকে নিয়ে ওপেনিংয়ে নামেন রোহিত শর্মা। পুরো টুর্নামেন্টের মতো এদিনও ব্যর্থ হন কোহলি। ৯ বলে ৯ রান করে রিচ টপলির বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরত যান তিনি। এর আগে তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলে প্রতিবারই হাফ সেঞ্চুরি ছুয়েছিলেন তিনি, পারেননি এবার।

    একদিকে রোহিত শর্মা দারুণ খেললেও আরেকদিকে উইকেট হারায় ভারত। ঋষভ পান্ত ফেরেন পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার চার বল আগে। ৬ বলে ৪ রান করে স্যাম কারানের বলে মিডউইকেটে দাঁড়ানো জনি বেয়ারস্টোর হাতে ক্যাচ দেন তিনি। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৪৬ রান করে ভারত।

    পান্ত ফেরার পর সূর্যকুমারের সঙ্গে দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন রোহিত। কিন্তু এর মধ্যেই নেমে আসে বৃষ্টি। এক ঘণ্টার বেশি সময় খেলা বন্ধ থাকার পর ফের শুরু হয়। এরপরও জুটি অবিচ্ছিন্ন থাকে সূর্য ও রোহিতের। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ভারতীয় অধিনায়ক। স্যাম কারানের বলে মারা ছক্কায় এ ম্যাচে নিজের ফিফটির সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের পঞ্চাশতম ছক্কাটিও হাঁকান তিনি।

    রোহিতের সঙ্গে সূর্যের ৫০ বলে ৭৩ রানের জুটিটি ভাঙেন লেগ স্পিনার আদিল রশিদ। ছয়টি চার ও দুটি ছক্কায় ৩৯ বলে ৫৭ রান করে বোল্ড হয়ে যান রোহিত। এই উইকেটের মধ্যে দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হয়ে যান রশিদ। তার উইকেট ৩১টি, স্টুয়ার্ট ব্রডের ৩০টি।

    রোহিতের ফেরার এক ওভার পর ফিরে যান সূর্যকুমারও। ৩৬ বলে ৪৭ রান করে জফরা আর্চারের বলে লং অনে দাঁড়ানো ক্রিস জর্ডানের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর উইকেটে এসে ঝড় তোলার চেষ্টা করেন হার্দিক।

    ১৮তম ওভারে ক্রিস জর্ডানকে টানা দুটি ছক্কাও হাঁকিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু টানা দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে আবার ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন তিনিই। প্রথমে ১৩ বলে ২৩ রান করা পান্ডিয়া ক্যাচ দেন জর্ডানের হাতে। পরের বলেই উইকেটের পেছনে শিভাম দুবের ক্যাচ নেন জশ বাটলার।

    শেষদিকে নেমে ৬ বলে ১০ রান করেন অক্ষর প্যাটেল। ৯ বলে ১৭ রানে অপরাজিত ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। রান তাড়ায় নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল ইংল্যান্ডের। কিন্তু ২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে বাটলার আউট হলে। ১৫ বলে ২৩ রান করে অক্ষর প্যাটেলের বলে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। এরপরই শুরু হয় ইংল্যান্ডের দুর্গতির।

    একের পর এক ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন। এর মধ্যে ১৯ বলে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন হ্যারি ব্রুক, কুলদ্বীপের বলে বোল্ড হন তিনি। এছাড়া দুই অঙ্কে যেতে পেরেছেন দুজন। ১৫ বলে ২১ রান করেন আর্চার, ১৬ বলে ১১ রান করে সাজঘরে ফেরত যান আর্চার। ভারতের হয়ে তিন উইকেট করে পান কুলদ্বীপ ও অক্ষর।

    ম্যাস সেরা হয়েছেন অক্ষর প্যাটেল।

  • ভারতে লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোন দল

    ভারতে লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোন দল

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৫ জুন, ২০২৪: ভারতের সংসদের নিম্ন-কক্ষ লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে গেলে কোনও দলকে ২৭২ টি আসন পেতে হয়। বিজেপি এককভাবে সেই সংখ্যা থেকে অনেকটা পিছিয়ে আছে। তবে এনডিএ জোট সঙ্গীদের নিয়েই যে তাদের সরকার গড়তে হবে, সেই প্রসঙ্গ বুধবারের ভারতের সংবাদপত্রগুলিতে লেখা হয়েছে।

    ভারতের ১৮তম সাধারণ লোকসভা নির্বাচনের ৫৪৩টি আসনের চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।

    আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) মধ্যরাতে দেশটির নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, গত দুই বারের মতো এবারও ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সবচেয়ে বেশি ২৪০টি আসন পেয়েছে।তবে তারা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। অপরদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯৯টি আসন পেয়েছে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস।

    এছাড়া অন্য দলগুলোর মধ্যে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ৩৭টি, তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি, ডিএমকে ২২টি, তেলেগু দেশম পার্টি (টিডিপি) ১৬টি, জনতা দল (জেডি-ইউ) ১২টি, শিবসেনা (উদ্ভব) নয়টি, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপিএসপি) সাতটি ও শিবসেনা (এসএইচএস) সাতটি আসনে জয় পেয়েছে। এছাড়া সাতটি আসনে জয়ের পাশাপাশি একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে এনসিপিএসপি।

    সব আসনের ফলাফল ঘোষণা শেষে দেখা যাচ্ছে এবারের নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

    তবে মোদির বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট ‘এনডিএ’ ২৯২টি আসন পেয়েছে। অপরদিকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট ‘ইন্ডিয়া’ পেয়েছে ২৩৪টি আসন। অন্যান্য দলগুলো পেয়েছে বাকি ১৭টি আসন।

    গত ১৯ এপ্রিল লোকসভার নির্বাচন শুরু হয়। যা সাত ধাপে গত ১ জুন পর্যন্ত চলেছে। নির্বাচনের আগে যেসব জরিপ চালানো হয়েছিল সেগুলোতে দেখা গিয়েছিল বিজেপি ভূমিধস জয় পাবে। এছাড়া ১ জুন নির্বাচন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে বুথ ফেরত জরিপ প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানেও বলা হয়েছিল মোদির দল একাই ৩৫০ আসন পাবে। আর জোট হিসেবে তারা চারশরও বেশি আসনে জয়ী হবে।

    তবে জরিপের সব ফলাফল ভুল প্রমাণ হওয়া শুরু করে মঙ্গলবার সকালে যখন ভোট গণনা ও ফল আসা শুরু করে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, কংগ্রেসের ‘ইন্ডিয়া’ জোট অবিশ্বাস্যরকম ফলাফল করছে। যেখানে ধারণা করা হয়েছিল এ জোট সবমিলিয়ে ১০০টি আসনও পাবে না সেখানে তারা এই সংখ্যা ২০০ ছাড়ায়। এর মাধ্যমে মূলত ভারতে ‘মোদি ঢেউ’ আটকে দিয়েছে জোটটি।

    গত নির্বাচনে মোদির এ জোটটি সবমিলিয়ে ৩৫৩টি আসন পেয়েছিল। আর বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০২টি আসন। সেখান থেকে এবার তারা প্রায় ৬০টি আসন কম পেয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটিতে বেকারত্বের সংখ্যা বেড়েছে। আর এ বিষয়টিই এবারের নির্বাচনে প্রভাব রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    পৃথিবীতে যত গণতান্ত্রিক দেশ রয়েছে তাদের মধ্যে ভারত সবচেয়ে বড়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় নির্বাচন বলে পরিচিত এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ভোটার ছিলেন, যার মধ্যে ৬৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন বলে দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।

  • তিস্তা প্রকল্পে ভারত অর্থায়নে আগ্রহী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    তিস্তা প্রকল্পে ভারত অর্থায়নে আগ্রহী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ মে, ২০২৪: ভারত তিস্তা প্রকল্পে অর্থায়ন করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।  তিনি বলেন, “তিস্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিস্তায় আমরা একটা বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছি। ভারত সেখানে অর্থায়ন করতে চায়। আমি বলেছি, তিস্তায় যে প্রকল্পটি হবে সেটা আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী হবে। আমাদের প্রয়োজন যেন পূরণ হয়।”

    আজ বৃহস্পতিবার (৯ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকা সফররত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কোয়াত্রা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করে তিস্তায় দেশটির অর্থায়ন আগ্রহের কথা জানান।

    ভারতের মতো চীনও অর্থায়ন করতে চাচ্ছে- এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারত যে এক্ষেত্রে সহায়তা করতে চাচ্ছে, সে বিষয় নিয়েই আজকে আলোচনা হয়েছে।”

    অন্যান্য যে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা সে প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, “সহজে যাতে মানুষ ভিসা পায় এবং দেশে-দেশে যোগাযোগ যেন আরও বাড়ে এবং আমরা যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছি। সেটা অনেক দূর এগিয়েছে, বিশেষ করে নেপাল ও ভুটানকে ট্রানজিট দেওয়া এবং নেপাল ও ভুটান থেকে জল বিদ্যুৎ আমদানি করার ক্ষেত্রে সহায়তা করা।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ইতোমধ্যে নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করার ক্ষেত্রে সব কিছু চূড়ান্ত হয়েছে, ট্যারিফও অনেকটা চূড়ান্ত হয়েছে। সেটি আমাদের ক্রয় কমিটিতে (ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি) যাবে।”

    অন অ্যারাইভাল ভিসা কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা ভিসানীতি সহজ করা নিয়ে আলোচনা করেছি। আরেকটি বিষয় হচ্ছে সীমান্তে যে মাঝে মাঝে সীমান্ত হত্যা হয়, সেটি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রাণঘাতি নয় এমন ব্যবহার করার ওপর আমরা গুরুত্ব আরোপ করেছি এবং তিনি (বিনয় মোহন কোয়াত্রা) জানিয়েছেন, তাদের বর্ডার সিকিউরিটি গার্ডকে নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তারা সেটি অনুসরণও করেন। অনেক কাছ থেকে যখন অপ্রাণঘাতি অস্ত্র ব্যবহার করা হয়, সেটি তখন প্রাণঘাতি হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে অনেক সময় হতাহতের ঘটনা ঘটে। তাদের আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। এটি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী, সরকারি ও রাজনৈতিক পর্যায়ে এ বিষয়ে আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই—যাতে এখানে জিরো ক্যাজুয়ালিটি হয়। মাঠ পর্যায়ে সীমান্ত রক্ষীদেরও সেই মেসেজ দেওয়া হয়েছে।”

  • চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের সব ম্যাচ হতে পারে লাহোরে

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের সব ম্যাচ হতে পারে লাহোরে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২ মে, ২০২৪: আগামী ২০২৫ সালে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। যে ট্রফির বিশ্বকাপ মানের মতো মর্যাদা ।যেহেতু খেলা হবে পাকিস্তানে তাই ভারত কীভাবে পাকিস্তানে খেলতে আসবে সেটা নিয়ে সংশয় থেকে যায়। ভারতীয় দর্শকরা যেন পাকিস্তানে গিয়ে সহজেই খেলা দেখতে পারেন, সেজন্য আগামী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের সবগুলো ম্যাচ লাহোরে আয়োজনের কথা জানিয়েছে পিসিবি।

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের জন্য এরইমধ্যে ভেন্যু ঠিক করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলে (আইসিসি) প্রস্তাব দিয়েছে পিসিবি। প্রস্তাবে তিনটি ভেন্যুর কথা জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। ভেন্যু তিনটি হলো- করাচি, লাহোর ও রাওয়ালপিণ্ডি।

    ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো জানিয়েছে, আইসিসিতে পাকিস্তান যে ড্রাফট পাঠিয়েছে, সেখানে ভারতের সবগুলো ম্যাচে লাহোরে আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ফাইনাল ম্যাচটিও হবে এই ভেন্যুতে।

    নিরাপত্তা সংকটের অজুহাতে প্রায় ১৭ বছর পাকিস্তানে খেলতে যায় না ভারত। এবারও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে রাজি হচ্ছেন না রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিরা।

    নিরাপত্তা নিয়ে যেন ভারত এবার প্রশ্ন না তোলে, সেজন্য দুই দেশের সীমান্তের কাছাকাছি শহর লাহোরে ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান। লাহোর এমন একটি জায়গায় অবস্থিত, যেখানে দুই দেশের মধ্যবর্তী ওয়াগা সীমান্ত খুবই কাছে। এই ভেন্যুতে ভারতীয় দর্শকরা সহজেই পাকিস্তান গিয়ে খেলা দেখতে পারবে।

    ড্রাফটে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। এই আসরে অংশ নেবে বাংলাদেশসহ মোট ৮টি দেশ। ভারত খেলতে যাবে কি যাবে না, এটিই এখন সবচেয়ে বড় সংকট।

    ২০০৮ সালের পর আর পাকিস্তানের মাটিতে কোনো ম্যাচ খেলেনি ভারত। ওই বছর ভারতের মুম্বাইয়ে হামলার ঘটনার পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক তিক্ত হতে থাকে। এরপর সম্পর্ক জোরদারে উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তব রূপ লাভ করেনি।

    গত বছর এশিয়া কাপের আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু ভারতের সবগুলো ম্যাচ হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। এবার দেখার বিষয় কোথায় হয় ভারতের ম্যাচগুলো।

  • রমজানের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চিনি আসবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    রমজানের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চিনি আসবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: রমজানের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চিনি আসবে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “রমজানের আগে তারা ইতোমধ্যে আমাদের দেশে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমি সেটাকে বর্ধিত করে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ১ লাখ মেট্রিক টন চিনিতে উন্নীত করার কথা বলেছি। তিনি (ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী) সেটা ভালোভাবে নিয়েছেন।”

    দিল্লি সফর শেষে আজ সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা অনেক ভোগ্যপণ্যের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে, পেঁয়াজ, চিনি, ডাল এবং মসলা জাতীয় কিছু পণ্য। আমরা অনেক কিছুর জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।”

    হাছান মাহমুদ বলেন, “আমি তাকে বলেছি, এসব ভোগ্য পণ্যে যেন বিশেষ কোটা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। যাতে আমরা তাদের থেকে এসব সঠিক মূল্যে এবং আমাদের প্রয়োজনে ইমপোর্ট করতে পারি। কমপক্ষে এটুকু সুবিধা যেন তাদের থেকে নিতে পারি।”

    মিয়ানমার প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  “বাংলাদেশ ও ভারত – উভয় দেশেরই মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। মিয়ানমারে যদি কোনও কিছুর উদ্রেক ঘটে, তাহলে সেটি আমাদের যেমন ক্ষতিগ্রস্ত করে, উদ্বিগ্ন করে, তাদেরও উদ্বিগ্ন করে। দুই দেশের উদ্বেগ তাদের প্রতিবেশী নিয়ে। সুতরাং আমাদের একসঙ্গে কাজ করার অনেক বিষয় আছে। আমরা ওই বিষয়গুলো নিয়ে কাজের বিষয়ে আলোচনা করেছি।”

    রাখাইনে সংঘাতের কারণে সীমান্তে কিছুটা নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের অভ্যন্তরে তাদের শেল এসে পড়েছে এবং দুই জন মানুষ নিহত হয়েছে। এটি অগ্রহণযোগ্য।”

    মিয়ানমারে চলমান সংঘাত নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে আমাদের বক্তব্য জানানো হয়েছে। সুতরাং তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে এখানে কোনও কিছু বিঘ্নিত হোক, এটা আমরা চাই না বলেও তিনি জানান।

    মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য যারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে, তাদের সবাইকে মিয়ানমার ফিরিয়ে নিয়ে যাবে এবং এটি খুব সহসা হবে বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান।

  • ভারত থেকে ৩৫ হাজার টন আলু আমদানি হবে

    ভারত থেকে ৩৫ হাজার টন আলু আমদানি হবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: দেশের বাজারে আলুর দাম স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে আবারও আলু আমদানির কেরবে সরকার। সেই লক্ষে হিলির ৫০ আমদানিকারক ৩৫ হাজার টন আলু আমদানির অনুমতি পেয়েছে। দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এই আলু আমদানি করা হবে ।

    দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি কারক এসোসিয়েশন এর সভাপতি হারুনুর রশিদ হারুন আজ শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াই টায় সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হিলিস্থল বন্দরে ৫০ জন আমদানিকারক ৩৫ হাজার টন আলু আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। ইতিমধ্যে এলসি খোলাসহ অন্যান্য কার্যক্রম শুরু করেছেন তারা।

    আজ শনিবার দুপুরে  বিষয়টি দিনাজপুর  হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা  ইউসুফ আলী জানান, দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণে আলু আমদানির সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে অনুমতির আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে আইপি দেওয়া শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত হিলির ৫০ আমদানিকারক ৩৫ হাজার টন আলু আমদানির অনুমতি পেয়েছেন।

    হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ হারুন বলেন, দেশের বাজারে আলুর দাম স্বাভাবিক রাখতে সরকার ভারত থেকে আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বন্দরের ব্যবসায়ীরা ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে। আজ অথবা আগামীকাল  রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে ভারত থেকে আলু আমদানি হবে। ভারত থেকে আলু আমদানি হলে দেশের বাজারে আলুর দাম অনেকটাই কমে আসবে।

  • ভারতে সম্মাননা পেলেন লিয়াকত আলী লাকী

    ভারতে সম্মাননা পেলেন লিয়াকত আলী লাকী

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২২ জানুয়ারি, ২০২৪: ভারতের নাট্য সংগঠন সুখচর পঞ্চম প্রদত্ত “জীবন কৃতি সম্মান” পেলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    ভারতের কলকাতার নাট্য সংগঠন সুখচর পঞ্চম তাদের ৩৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে দর্শকের দরবার ২৯বর্ষ পর্বে “জীবন কৃতি সম্মান ” প্রদান করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের চেয়ারম্যান, শিল্পবন্ধু ঋদ্বিমান ও শিশুবন্ধু ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকীকে। গতকাল সন্ধ্যায় কলকাতায় এ সম্মাননায় ভূষিত হোন তিনি।

    ইতোপূর্বে এই জীবন কৃতি সম্মান প্রাপ্ত হন উপমহাদেশের খ্যাতিমান রতন থিয়াম ও বাউল সমাজ্ঞী পার্বতী বাউল। বাংলাদেশের অন্যতম প্রথিতযশা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অভিনয়ে ২০১৯ সালে একুশে পদক এবং সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ বাংলা একাডেমির সম্মানসূচক ফেলোশিপ ২০২০ লাভ করেছেন। বাংলাদেশের প্রায় অর্ধশত শিশু সংগঠন কর্তৃক “শিশুবন্ধু” ও শ্রেষ্ঠ শিশু সংগঠক পদক লাভ করেছেন ঋদ্ধিমান নাট্যব্যক্তিত্ব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বাংলা নাটককে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এবং বাংলাদেশে নাটকের প্রকাশকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গেছেন। পাশাপাশি শিশু নাটককে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পরিসরে ভিন্নমাত্রা প্রদান করার নিরলস প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি স্বরূপ সুখচর পঞ্চম খ্যাতিমান অভিনেতা, নির্দেশক, সংগঠক, গণসঙ্গীত শিল্পী ও নাট্যব্যক্তি লিয়াকত আলী লাকীকে তাদের জীবন কৃতি সম্মান প্রদান করছে। শ্রেষ্ঠ শিশু সংগঠক হিসেবে এর আগেও কলকাতা থেকে “সমলয়” পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে “‍বাংলার মুখ” পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

    শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী,  ২০০৪ সালে জাপানের তইয়ামা’র গভর্নর কর্তৃক Honorary Cultural Envoy of Japan গ্রহণ করেন। সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণ পদক লাভ করেন।

    জনাব লিয়াকত আলী লাকী আর্ন্তজাতিক বিভিন্ন সেমিনার, ওয়ার্কশ এবং সম্মেলনে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্তৃক নানামাত্রিক পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন গুণী এই সাংস্কৃতিক সংগঠক।

    তিনি একাধারে একজন নাট্যাভিনেতা, নাট্য নির্দেশক, সংগীত শিল্পী, সুরকার এবং সাংস্কৃতিক সংগঠক। তার নির্দেশিত নাটকের সংখ্যা ৮৫টি, তার অভিনীত নাটক ৬৫ টি।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পাশাপাশি বর্তমানে তিনি গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের চেয়ারম্যান, পিপলস থিয়েটার এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি জেনারেল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সহ-সভাপতি, আইটিআই বাংলাদেশ কেন্দ্রের নির্বাহী কমিটির সদস্যসহ বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত আছেন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

  • ভারতের দীর্ঘতম সমুদ্রসেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত

    ভারতের দীর্ঘতম সমুদ্রসেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪: ভারতের দীর্ঘতম সমুদ্রসেতু গতকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২১.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি উদ্বোধন করেন। সেতুটি আরব সাগরের জলভাগের ওপর নির্মিত। ভারতের দীর্ঘতম এই সমুদ্রসেতুটি ‘মুম্বাই ট্রান্স হারবার লিঙ্ক’ (এমটিএইচএল) প্রকল্পের আওতাধীন।

    এই জলভাগ ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে মুম্বাই শহরকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলো। নির্মিত এ সেতুর কল্যাণে ২১.৮ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে লাগবে মাত্র ২০ মিনিট।

    প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর নামানুসারে এই সেতুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সেওয়ারি-নবসেবা অটল সেতু’। সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে-সহ রাজ্য সরকারের মন্ত্রীরা।

    ২১.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি তৈরিতে খরচ পড়েছে ১৭ হাজার ৮৪০ কোটি রুপি। পুরো প্রকল্পের খরচ ২১ হাজার কোটি রুপিরও বেশি। এর মধ্যে ১৬.৫ কিলোমিটার পথ রয়েছে সমুদ্রের ওপর দিয়ে। এই সেতু নবি মুম্বাই এবং মুম্বাইয়ের দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে যুক্ত করায় সুবিধা হবে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের।

    পাশাপাশি নবি মুম্বাইয়ে জওহরলাল নেহরু বন্দরে পণ্য পরিবহনে সুবিধা মিলবে। মুম্বাই থেকে পুণে, গোয়া এবং কর্নাটক যাত্রারও সময় কমবে।