Category: খেলাধুলা

  • ইংলিশ লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের টানা দ্বিতীয় জয়

    ইংলিশ লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের টানা দ্বিতীয় জয়

    প্রিমিয়ার লিগে টানা তিন ম্যাচে জয়হীন থাকার পর টানা দ্বিতীয় জয় পেল এরিক টেন হাগের দল। লড়াইটা হলো যেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বনাম এভারটন গোলরক্ষক। একের পর এক সেভ করলেন জর্ডান পিকফোর্ড। এর মাঝেই অবশ্য দুবার জালের দেখা পেল এরিক টেন হাগের দল। টানা দ্বিতীয় জয়ে উঠে গেল লিগ টেবিলের তিন নম্বরে। আক্রমণে পিছিয়ে ছিলো না এভারটন, কিন্তু গোলের দেখা পেলো না তারা। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের গোলরক্ষকও এদিন দারুণ খেলেছেন। বেশ কয়েকটি গোল থেকে দলকে রক্ষা করেছেন। তবে ম্যানচেস্টার গোলের সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে। – গোল ডটকম

    ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শনিবার ঘরের মাঠে এভারটনকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। দলের স্কট ম্যাকটমিনে ও আন্থনি মার্শিয়াল একটি করে গোল করেন। টানা দ্বিতীয় জয়ে টেবিলের তিনেও উঠে এসেছে এরিক টেন হাগের দল।

    ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু থেকেই আধিপত্য বজায় রাখে ইউনাইটেড। আক্রমণও করতে থাকে বেশ। তবে গোল পেতে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ৩৬ মিনিট পর্যন্ত। প্রথম থেকেই বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করে শেষ পর্যন্ত ম্যাকটমিনের গোলে এগিয়ে যায় রেড ডেভিলসরা। জ্যাডন সানচো থেকে পাওয়া পাস বুলেট গতির শটে জালে পাঠান স্কটিশ এই মিডফিল্ডার।

    বিরতির পর আগের মতোই আধিপত্য বজায় রেখে খেলতে থাকে ইউনাইটেড। ৭১তম মিনিটে গিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মার্শিয়াল। র‌্যাশফোর্ডের পাস বক্স থেকে নিচু শটে জালে পাঠান তিনি। শেষদিকেও বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালায় ইউনাইটেড। তবে আর গোল পাওয়া হয়নি।

    এই জয়ে ২৯ ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে উঠে এসেছে ইউনাইটেড। এক ম্যাচ কম খেলে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে চারে নেমে গেছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড। ২৭ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বরে এভারটন। এর আগে, লিগে টানা তিন ম্যাচ জয়হীন থাকার পর ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে জয়ে ফিরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

  • ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল নিউজিল্যান্ড

    ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল নিউজিল্যান্ড

    কুইন্সটাউনে আজ নিউজিল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ যেন ছিল ‘থ্রিলার মুভি’। ম্যাচের রং বদলাতে থাকে ক্ষণে ক্ষণে। পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকা সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে শেষ ওভারে। ৪ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে যায় কিউইরা।

    সিরিজ নির্ধারণী রোমাঞ্চকর ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। হারিয়ে শেষ হাসিটা হাসল নিউজিল্যান্ড। কুইন্সটাউনের জন ডেভিস ওভাল স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কুশল মেন্ডিসের অর্ধশতকে ৬ উইকেটে ১৮২ রান করে লঙ্কানরা। জবাবে ১ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে ১৮৩ রান করে কিউইরা। ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জিতে নিল স্বাগতিকরা।

    উদ্বোধনী জুটিতে ৭৬ রান করেন দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস। ব্যক্তিগত ২৫ রানে ইশ সোদির শিকার হন নিশাঙ্কা। এরপর কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে ৪৬ রানের জুটি গড়েন কুশল পেরেরা। মারমুখি ব্যাটিংয়ে ২১ বলে ৩৩ রান করেন পেরেরা।

    এরপর ক্যারিয়ারের ১৩তম অর্ধশতক তুলে ৭৬ রানে আউট হন কুশল মেন্ডিস। শেষ দিকে ধনঞ্জয়া ডি সিলভার ২০ রানে চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় শ্রীলঙ্কা। কিউইদের পক্ষে বেন লিস্টার দুটি এবং ইশ সোদি ও অ্যাডাম মিলনে একটি করে উইকেট নেন।

    জবাবে টিম সেফার্টের ব্যাটিংয়ে জয়ে পথে ছিল নিউজিল্যান্ড। ৪৪ বলে ৮৮ রান করেন এই ওপেনার। তার বিদায়ে হারের শঙ্কায় পড়ে স্বাগতিকরা। পরে শেষ ওভারের নাটকীয়তায় জয় পায় নিউজিল্যান্ড। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১০ রান।

    প্রথম বলে মার্ক চাপম্যান ছক্কা হাঁকিয়ে সমীকরণ নামিয়ে আনলেন ৫ বলে ৪ রান। কিন্তু সহজ এই লক্ষ্য মেলাতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলে তারা। পরের টানা তিন বলে একটি ওয়াইডসহ তিন উইকেট হারায় কিউইরা। এরপরও জিততে পারেনি শ্রীলঙ্কা। এক বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড।

  • মুশফিক ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েই ছুঁইয়ে ফেললেন সাকিবকে

    মুশফিক ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েই ছুঁইয়ে ফেললেন সাকিবকে

    অনেক নাটকীয়তার ঢাকা টেস্ট বড় ব্যবধানে জিতে নিল বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার ম্যাচের চতুর্থ দিনের মধ্যাহ্ন বিরতির একটু পরই ৭ উইকেটে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সাকিব আল হাসানের দল। খারাপ সময় কাটিয়ে ব্যাট হাতে আবারও দুর্দান্ত রূপে ফিরেছেন মুশফিকুর রহিম। সাদা বলে ফর্ম টেনে এনেছেন লাল বলেও। আজ শুক্রবার শেষ হওয়া ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক মুশফিক। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে দারুণ সেঞ্চুরির পাশাপাশি দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেছেন ম্যাচ জেতানো ৪৮ বলে ৫১* রানের অপরাজিত ইনিংস। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তার হাতে। এর মাধ্যমেই তিনি বসলেন সাকিব আল হাসানের পাশে।

    এই নিয়ে টেস্টে ৬ বার ম্যান অব দা ম্যাচ হলেন মুশফিক। টেস্ট অধিনায়ক সাকিবও সমান ৬বার ম্যাচসেরা হয়েছেন। তবে সাকিব টেস্টে সর্বশেষ ম্যাচ সেরা হন ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে। তখন পর্যন্ত মুশফিক মাত্র ৩ বার ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৮ এবং ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন। আজ তিনি ৬ষ্ঠবারের মতো ম্যাচসেরা হলেন।

    তবে সাকিবের ৬বার ম্যাচসেরা হতে লেগেছে ৬৬ টেস্ট, আর মুশফিকের লাগল ৮৫ টেস্ট। এছাড়াও বাংলাদেশের হয়ে ৫৬ টেস্টে ৪ বার সেরা হয়েছেন মুমিনুল হক। ৭০ টেস্টে ৩ বার তামিম ইকবাল। আজ ম্যাচ শেষে মুশফিকের প্রশংসা করতে ভুলেননি সাকিব। বয়সে জুনিয়র কিন্তু বিকেএসপির একাডেমিক সিনিয়র মুশফিককে নিয়ে সাকিব বলেন, ‘মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে আমি খেলছি ২০০৩ সাল থেকে, অনূর্ধ্ব-১৫ থেকে একসঙ্গে খেলছি। তখনও যেমন দেখেছি, এখনও তেমনই।’

    ১৩৮ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম ইকবালের ওপেনিং সঙ্গী হন লিটন দাস। দলীয় ৩২ রানে প্রথম উইকেটের পতন হয়। মার্ক অ্যাডায়ারের বলে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বোল্ড হন ১৯ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় ২৩ রান করা লিটন। বল তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে শরীরে লেগে স্টাম্পে আঘাত হানে। তিনে নামানো হয় শান্তকে। প্রথম ইনিংসে ‘গোল্ডেন ডাক’ মারা শান্ত ৪ রানের বেশি করতে পারেননি। ম্যাকব্রেইনের বলে স্লিপে খুব কঠিন ক্যাচ নেন বালবার্নি। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি শান্ত। ৪৩ রানে ২ উইকেট পতনের পর উইকেটে আসেন মুশফিক। বাউন্ডারি মেরে তিনি রানের খাতা খোলেন। ৫৫ বলে ৫০ রান আসে বাংলাদেশের। মধ্যাহ্নবিরতির আগে টাইগাররা তোলে ২ উইকেটে ৯২ রান।

    মধ্যাহ্ন বিরতির পর ১৮.৩ ওভারেই বাংলাদেশের স্কোর তিন অংক স্পর্শ করে। দলীয় ১০৫ রানে বেন হোয়াইটের বল তামিম ইকবালের ব্যাটের কানায় লেগে উঠে যায়। কমিন্সের তালুবন্দি হয়ে ৩১ রানে ফিরেন তামিম। ভাঙে ৬২ রানের জুটি। ৪৭ বলে ফিফটি তুলে নেন মুশফিক। ২৮তম ওভারেই ৭ উইকেটে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। মুশফিক ৪৮ বলে ৭ চারে ৫১* রানে অপরাজিত থাকেন। আর মুমিনুল অপরাজিত থাকেন ২২ বলে ২০* রানে।

    এর আগে আজ শুক্রবার ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিনে প্রথম ব্রেক থ্রু দেন ইবাদত হোসেন। তার চোখ ধাঁধানো একটা সুইং বল ডিফেন্ড করতে গিয়েছিলেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রেইন। কিন্তু তাকে বোকা বানিয়ে বল স্টাম্পে আঘাত হানে। ১৫৬ বলে ৭২ রানের ইনিংস খেলে ফিরেন ম্যাকব্রেইন। এরপর গ্রাহাম হিউমকে (২) লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি করে আইরিশদের দ্বিতীয় ইনিংসের ইতি টেনে দেন ইবাদত। ২৯২ রানে অল-আউট হয় আয়ারল্যান্ড। ৩৭ রানে এই পেসারের শিকার ৩টি। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া তাইজুল এবার ৪২ ওভারে ১৬ মেডেনসহ ৯০ রানে নেন ৪ উইকেট। অধিনায়ক সাকিব নিয়েছেন ২টি।

    ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২১৪ রানে অল-আউট হয়েছিল আয়ারল্যান্ড। জবাবে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসে করেছিল ৩৬৯ রান। সেঞ্চুরি হাঁকান মুশফিকুর রহিম। এছাড়া সাকিব-মিরাজের ব্যাট থেকেও আসে পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস। ১৫৫ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে আয়ারল্যান্ড। এই ইনিংসে তারা রীতিমতো চমকে দেয় টাইগারদের। অসাধারণ ব্যাটিংয়ে ২৯২ রানে অল-আউট হয়ে বাংলাদেশকে জয়ের জন্য ১৩৮ রানের টার্গেট দেয়। লরকান টাকার ১০৮ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন। ম্যাকব্রেইন করেন ৭২ রান।

     

  • আইরিশদের স্বপ্নময় দিন বাংলাদেশকে হতাশায় ডুবিয়ে

    আইরিশদের স্বপ্নময় দিন বাংলাদেশকে হতাশায় ডুবিয়ে

    দ্বিতীয় দিনের শেষে দ্রুতই ৪ উইকেট হারিয়ে ইনিংস পরাজয়ের শঙ্কায় পড়েছিল আয়ারল্যান্ড। সেখান থেকে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে স্বপ্নের এক দিন কাটালো আইরিশ দল। লরকান টাকারের সেঞ্চুরি আর অ্যান্ড্রু ম্যাকব্রেনি-হ্যারি টেক্টরের ফিফটিতে ১৩১ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে বালবির্নির দল। ৮ উইকেট হারিয়ে আইরিশদের সংগ্রহ ২৮৬ রান। অ্যান্ডি ম্যাকব্রেনি ১৪৪ বলে ৭১ ও গ্রাহাম হিউম ২৩ বলে ৯ রানে অপরাজিত আছেন।

    ৬ উইকেট হাতে রেখে ১২৮ রানে পিছিয়ে আজ দিনের শুরুটা দারুণ করেছিল আয়ারল্যান্ড। প্রায় ঘন্টাখানেক পর ১৬ রানে মুরকে থামান শরীফুল ইসলাম। এরপর টেক্টর আর টাকার মিলে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলেন। ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে দুজনে তোলেন ৭২ রান। টেক্টর ৫৬ রানে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। ৭ম উইকেট জুটিতে টাকার ও অ্যান্ডি ম্যাকব্রেনি গড়েন ১১১ রানের জুটি।

    এরমধ্যেই আয়ারল্যান্ডকে লিড এনে দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন টাকার। ১৪৯ বলে ১৩ চার ও ১ ছয়ে তিন অঙ্কে পৌঁছান টাকার। দলীয় ২৩৪ রানে আউট হন এই সেঞ্চুরিয়ান। ১৬২ বলে ১০৮ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে এবাদতের বলে সাজঘরে ফিরে যান তিনি।

    এরপর ক্রিজে আসা মার্ক এডায়ারকে নিয়ে রানের খাতা সচল রাখেন ম্যাকব্রেনি। দলীয় ২৬৫ রানে এডায়ারকে (১৩) আউট করেন তাইজুল ইসলাম। এরপর ক্রিজে আসা গ্রাহাম হিউমকে সঙ্গে নিয়ে দিন শেষ করে আয়ারল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে তৃতীয় দিন শেষ করে আয়ারল্যান্ড।

    হতাশাময় দিন পার করা বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে এদিন সবচেয়ে সফল তাইজুল। এখন পর্যন্ত ৪ উইকেট নিয়েছেন। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার ছিল তার। সাকিব আল হাসান ২টি এবং এবাদত ও শরীফুল নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

  • এমসিসির আজীবন সদস্য হলেন মাশরাফি

    এমসিসির আজীবন সদস্য হলেন মাশরাফি

    প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ক্রিকেটের আইন প্রণেতা মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) আজীবন সদস্যপদ পেলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

    এর আগে সাকিব আল হাসান এমসিসির ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটিতে জায়গা পেয়েছিলেন। এ বছর ১৯ জন নতুন নারী ও পুরুষ ক্রিকেটারের তালিকা প্রকাশ করে সংস্থাটি।

    বুধবার এমসিসি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘এমসিসি বিশ্বের সেরা কিছু ক্রিকেটারকে আজীবন সদস্যপদ প্রদান করে। এই তালিকায় সর্বশেষ অন্তর্ভুক্ত সম্মানিত পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেটারদের নাম প্রকাশ করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

    সাকিব-মাশরাফিরও আগে এক বাংলাদেশি এমসিসির আজীবন সদস্য পদ পেয়েছিলেন। তিনি বিসিবির সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। ২০০৩ সালে ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে সম্মানসূচক আজীবন সদস্য করা হয়েছিল তাকে। এবারও সংগঠন হিসেবে দু’জন সদস্য হয়েছেন।

    ভারত ও ইংল্যান্ড থেকে সর্বোচ্চ ৫ জন করে সাবেক ক্রিকেটার পেয়েছেন এমসিসির আজীবন সদস্যপদ। এছাড়া জায়গা পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটাররা। দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এমসিসির আজীবন সদস্য পদ পেলেন মাশরাফি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি ও ক্রিকেট সংগঠক সাবের হোসেন চৌধুরী প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এমসিসির সম্মানসূচক আজীবন সদস্যপদ পান।

    মাশরাফি ছাড়া এবার আজীবন সদস্য হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের মেরিসা আগুইলেইরা। ভারতের এমএস ধোনি, সুরেশ রায়না, যুবরাজ সিং এবং নারী ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামী ও মিতালি রাজ। ইংল্যান্ডের কেভিন পিটারসেন, ইয়ন মরগান, জেনি গুন, লরা মার্শ ও আনিয়া শ্রাবসোল। পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ, অস্ট্রেলিয়ার রাচেল হেইনস, নিউজিল্যান্ডের অ্যামি স্যাটারথওয়েট ও রস টেইলর এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় ডেল স্টেইন আছেন তালিকায়।

  • তাইজুলের ৫ উইকেটে আয়ারল্যান্ড গুটিয়ে গেলো ২১৪ রানে

    তাইজুলের ৫ উইকেটে আয়ারল্যান্ড গুটিয়ে গেলো ২১৪ রানে

    ঘরের মাঠে সফরকারী আয়ারল্যন্ড একমাত্র টেস্টে ম্যাচের সিরিজে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২১৪ রানে অলআউট হয়ে গেছে। প্রথম ওভারেই গোল্ডেন ডাকে ফিরেছেন ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত। মার্ক অ্যাডয়ারের লেংথ বল কাট করতে গিয়েছিলেন। বলে কিছুটা মুভমেন্টও ছিল। তাতে বল ব্যাটের কানায় লেগে আঘাত করে স্টাম্পে। দ্বিতীয় ওভারেও আরেকটি উইকেট পড়তে পারতো। মুমিনুলের ক্যাচ স্লিপ ফিল্ডারের হাতে পড়ার আগে স্পর্শ করে মাটিতে। তৃতীয় ওভারে তামিমের লেগ বিফোরের আবেদন করে সাড়া না পেলে রিভিউ নিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। কিন্তু সাফল্য মেলেনি তাতে।  বল হাতে আইরিশ শিবিরকে একাই ধ্বংস করে দিয়েছেন টাইগার স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ঘুর্ণি জাদুতে ৫৮ রানে তিনি একাই ৫ উইকেট শিকার করেছেন।

    মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টেস্টের আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে আইরিশ দুই ওপেনার জেমস ম্যাককুলাম আর মুরে কমিন্স সাবধানে ইনিংস শুরু করেছিলেন। তবে তারা বেশিক্ষণ সে প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।

    একমাত্র টেস্টের সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২ ওভারে ৭/১ (তামিম ইকবাল ২*, মুমিনুল হক ৪*; নাজমুল হোসেন শান্ত ০)।

    আয়ারল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৭৭.২ ওভারে ২১৪/১০ ( বেন হোয়াইট ০*, গ্রাহাম হিউম ২*;  হ্যারি টেক্টর ৫০, কার্টিস ক্যাম্ফার ৩৪, মার্ক অ্যাডায়ার ৩২, ম্যাকব্রিন ১৯, অ্যান্ডি বালবির্নি ১৬, জেমস ম্যাককলাম ৭,  মারে কমিন্স ৫, পিটার মুর ১)।

    পঞ্চম ওভারে কমিন্সকে এলবিডব্লিউতে কাবু করে ব্যক্তিগত ৫ রানে বিদায় করেন শরিফুল ইসলাম। অধিনায়ক বালবার্নিকে নিয়ে আরও কিছুক্ষণ চালিয়ে যান ম্যাককুলাম। জুটিটা বেড়ে উঠার আভাস দিতেই অবশ্য নিভে যায়। ইবাদতের বলে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ম্যাককুলাম। ২৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় তারা।

    তৃতীয় উইকেটে বালবার্নি-টেক্টর প্রতিরোধের চেষ্টায় ছিলেন। আইরিশ অধিনায়ককে অনেকটা থিতুও মনে হচ্ছিল। প্রথম সেশনটা আর কোন বিপর্যয় ছাড়া পার করে দেওয়ার কাছে ছিলেন তারা। তবে তাইজুল ইসলামের বলে সুইপ করতে গিয়ে বিপদটা ডেকে আনেন বালবার্নি।

    ভেতরে ঢোকা বলে পায়ে লাগিয়ে এলবিডব্লিউতে কাবু হয়ে যান তিনি। ভেঙে যায় ২১ রানের ছোট্ট জুটি। ৫০ বলে ১৬ করে ফেরেন বালবার্নি। ৪৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। লাঞ্চ বিরতির আগে বাকিটা সময় টেক্টরের সঙ্গে দাঁড়িয়ে যান ক্যাম্ফার।

  • পিএসজিকে জেতাতে পারলেন না মেসি-এমবাপ্পেও

    পিএসজিকে জেতাতে পারলেন না মেসি-এমবাপ্পেও

    লিওনেল মেসি আর কিলিয়ান এমবাপ্পে মাঠে থেকেও জেতাতে পারলেন না পিএসজিকে। লিঁওর কাছে হেরে গেছে তাদের দল। আন্তর্জাতিক বিরতি থেকে ফেরার ম্যাচে ১-০ গোলে হেরেছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।

    কাতার বিশ্বকাপে একজন সেরা খেলোয়াড়, আরেকজন সর্বোচ্চ গোলদাতা। বিশ্বকাপের পর দু’জনে এক সঙ্গে মাঠে নেমেছিলেন রোববার। আগের ম্যাচে লিওনেল মেসি পিএসজিকে জিতিয়েছিলেন। এদিন মেসির সঙ্গে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও নেইমার মাঠে নেমেও ম্যাচ জেতাতে পারলেন না।

    ফরাসি লিগে পয়েন্টে টেবিলের পাঁচ নম্বরে থাকা রেনের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে পিএএসজি। ঘরের মাঠে দুরন্ত ফুটবল খেলল রেনে। হারের পর পিএসজির পয়েন্ট ১৯ ম্যাচে ৪৭।

    নিজেদের মাঠে এদিন শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিতে থাকে পিএসজি। চতুর্থ মিনিটেই এমবাপ্পের উঁচু করে বাড়ানো বল ফাঁকায় পেয়ে ক্রসবারের ওপর দিয়ে মারেন ভিতিনিয়া। এরপর আরো কিছু সুযোগ তৈরী করে এমবাপ্পে-মেসি জুটি, তবে শেষ সময়ে তাল ধরে রাখতে পারেনি।

    ম্যাচের সবচেয়ে বড় সুযোগটাই হয়তো মিস করে লিঁও। ৩৬তম মিনিটে অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন লিওঁর ফরোয়ার্ড বার্কোলা। কিন্তু শট নেয়ার আগমুহূর্তে পিছলে পড়ে যান তিনি। পাশেই থাকা লাকাজেত শট নিতে ছুটে গেলে তাকে ফাউল করে বসেন পিএসজি গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মা, পেনাল্টি পায় লিওঁ।

    তবে পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি লাকাজেত। তার শট পোস্টে লেগে চলে যায় নিকলাস তালিয়াফিকোর পায়ে। ফিরতি বলে শট নিলেও তা উপরে মেরে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই লেফট ব্যাক। ফলে ০-০ স্কোরবোর্ডেই বিরতিতে যায় উভয় দল।

    বিরতি থেকে ফিরেই গোলের দেখা পায় লিঁও। গোলটি আসে দারুণ এক আক্রমণ থেকে। থিয়াগো মেন্দেস ডান পাশ থেকে এগিয়ে যাওয়া সায়েল কুমবেদিকে ক্রস দিয়েছিলেন। কুমবেদি বলটাকে আবার ঠেলে দেন বাঁ পাশে। বদলি ফরোয়ার্ড ব্র্যাডলি বারকোলা দোন্নারুম্মাকে উল্টো পাশে ছিটকে ফেলে জালে জড়ান বল।

    এদিকে পিএসজি আরো কিছু আক্রমণের সূচনা করলেও তাতে ফল আসেনি, শেষ দিকে খেই হারিয়েছে তারা। বরং দুনারুম্মার কল্যাণে আরো কিছু গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায় ফরাসি ক্লাবটি। সুবাদে মৌসুমে পঞ্চম ও টানা দ্বিতীয় হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো দলটিকে।

    এই হারের পরও অবশ্য ফ্রেঞ্চ লিগ আঁর শীর্ষেই আছে পিএসজি। ২৯ ম্যাচে ৬৬ পয়েন্ট প্যারিসের দলটির। তবে ব্যবধান কমে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে থাকা লাঁসের সাথে। সমান ম্যাচে লাঁসের পয়েন্ট ৬০।

  • ব্রাজিলের প্রস্তাব যে কারণে ফিরিয়ে দিয়েছেন আনচেলত্তি

    ব্রাজিলের প্রস্তাব যে কারণে ফিরিয়ে দিয়েছেন আনচেলত্তি

    বিশ্বমঞ্চে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। দলটির কোচ হতে পারলে বিশ্বে নিশ্চিতভাবে মর্যাদা আরও বেড়ে যেতো। মরুর বুকে প্রথম বিশ্বকাপ থেকে শূন্য হাতেই বিদায় নেয় সেলেসাওরা। এরপর পদত্যাগ করেন দলটি কোচ প্রফেসর তিতে। তিতের পদত্যাগের পর থেকেই কোচহীন ছিল নেইমাররা। এরপর কয়েকটি গণমাধ্যমে গুঞ্জন ওঠে, আনচেলত্তিই ব্রাজিল দলের প্রধান টার্গেট।  কিন্তু সুযোগটা লুফে নেননি কার্লো আনচেলত্তি। রিয়াল মাদ্রিদেই থেকে যাওয়াকে প্রাধান্য দিয়েছেন ইতালিয়ান কোচ।

    ব্রাজিল জাতীয় দল থেকে প্রস্তাব পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন আনচেলত্তি। বিশ্বকাপ শেষে তিতে চলে যাওয়ার পর থেকে কোচহীন সেলেসাওরা। বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের দাবি, আনচেলত্তি তাদের প্রধান টার্গেট।

    রিয়াল ফরোয়ার্ড ভিনিসিউস জুনিয়র সম্প্রতি বলেন, তিনি চান তার ক্লাব কোচ ব্রাজিলের দায়িত্ব গ্রহণ করুক।

    রিয়ালের সঙ্গে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আনচেলত্তির চুক্তি রয়েছে। ২০২২ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্লাবটিতে যোগ দেন ৬৩ বছর বয়সী এই কোচ। তার অধীনেই লস ব্লাঙ্কোরা লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতে। তবে এবার লা লিগায় বার্সা থেকে ১৫ পয়েন্টে পিছনে থাকলেও চ্যাম্পিয়নস লিগ ও কোপা দেল রেতে শিরোপার সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে রিয়াল।

    অনেকের আগ্রহ আর ব্রাজিলের প্রস্তাবে অভিভূত আনচেলত্তি, ‘বাস্তবতা হলো ব্রাজিলিয়ান জাতীয় দল আমাকে চায়। আমিও ভালোবাসি সেটা। এটা উত্তেজনাকর। কিন্তু আপনার যে চুক্তি আছে সেটাকেও শ্রদ্ধা করতে হবে, যে চুক্তি আমি সম্পন্ন করতে চাই।’

    এই দুটি কাপ প্রতিযোগিতায় দলের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করছে আনচেলত্তির ভবিষ্যৎ। যদিও তিনি সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে যতদিন সম্ভব থাকতে চান। তিনি যোগ করেন, ‘সবকিছু একদম পরিষ্কার। আমি যতদিন পারি মাদ্রিদে থেকে যাবো, যতদিন তারা এখানে আমাকে চাইবে।’

  • সাকিব লিটনকে রেখেই আইপিএল খেলতে ভারতে উড়াল দিলেন মোস্তাফিজ

    সাকিব লিটনকে রেখেই আইপিএল খেলতে ভারতে উড়াল দিলেন মোস্তাফিজ

    সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসকে রেখেই আইপিএল খেলতে উড়াল দিলেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন এই পেসার। নিজের ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে জানান তিনি। দেশের ক্রিকেটের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটারের খেলার কথা রয়েছে এই টুর্নামেন্টে। শনিবার সকাল ৯টার দিনে ভারতের দিল্লীর হয়ে আইপিএল মাতাতে চার্টার্ড ফ্ল্যাইটে দেশ ছেড়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান!

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে খেলবেন না মোস্তাফিজুর রহমান। তাই টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হওয়ার পরের দিন ভারতে উড়াল দিলেন। বাংলাদেশের এই পেসার আইপিএল খেলতে দেশ ছেড়েছেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে দেশ ছাড়ার খবর নিশ্চিত করেছেন মোস্তাফিজ। ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজের ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আইপিএল ২০২৩ খেলতে ভারতের উদ্দেশে। আমার দিল্লি ক্যাপিটালস পরিবারের সঙ্গে যোগ দিতে তর সইছে না।’

    মোস্তাফিজের দল দিল্লি ক্যাপিটালস। ২ কোটি ভারতীয় রুপিতে এবারের নিলামে পুরোনো দলে ফিরেছেন তিনি। রবিবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে তার দলের প্রথম ম্যাচ। ভ্রমণক্লান্তি ও দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপার আছে, সম্ভবত দলের উদ্বোধনী ম্যাচে থাকছেন না তিনি।

    আইপিএলে এনিয়ে ষষ্ঠ আসরে খেলতে যাচ্ছেন মোস্তাফিজ। ২০১৬ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন বল হাতে। হন টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়। সব মিলিয়ে ৪৬ ম্যাচ খেলে বাঁহাতি পেসার ৪৬ উইকেট নেন। সেরা বোলিং ফিগার ১৬ রানে ৩ উইকেট।

     

  • সিরিজ সেরা পেস বোলার তাসকিন আহমেদ

    সিরিজ সেরা পেস বোলার তাসকিন আহমেদ

    আয়াল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সিরিজ সেরার পুরস্কার জিতেছেন পেস বোলার তাসকিন আহমেদ। সিরিজে ৩ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৮ উইকেট শিকার করেন এই তারকা পেসার।

    সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ১৯.২ ওভারে ২০৭/৫ রান করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৭ রানের জয় পায়। সেই জয়ের ম্যাচে ১৬ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন তাসকিন।

    দ্বিতীয় ম্যাচে ১৭ ওভারে ২০২/৩ রান করে বাংলাদেশ। বৃষ্টি বিঘ্নিত সেই ম্যাচে ২২ রানের জয়ে ২৭ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন তাসকিন।

    শুক্রবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে ১৯.২ ওভারে ১২৪ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশ ম্যাচ হারে ৭ উইকেটে।

    বাংলাদেশের পরাজয়ের ম্যাচে ২৮ রানে ১ উইকেট শিকার করেন তাসকিন। সব মিলে তিন ম্যাচে তার শিকার ৮ উইকেট