Category: খেলাধুলা

  • সাবারাবিক্রমার লড়াইর কাছে হেরেছে হৃদয়ের লড়াই

    সাবারাবিক্রমার লড়াইর কাছে হেরেছে হৃদয়ের লড়াই

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে ভুল করেনি বাংলাদেশ। দারুণ বোলিং করেছে বোলাররা। সামারাবিক্রমার লড়াইর সুবাদে শ্রীলঙ্কা যে রান করেছিলো সেটা খুব একটা আহামরি নয়। তাই জেতা উচিত ছিলো বাংলাদেশের। কিন্ত্র হৃদয়ের একার লাড়াই যথেষ্ট ছিলোনা। বাংলাদেশ ২১ রানে হেরে ছিটকে পড়লো এশিয়া কাপ থেকে।

    শ্রীলঙ্কার ২৫৭ রান তাড়া করতে গিয়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হলেও যথারীতি ব্যর্থ হন টপ-অর্ডাররা। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে হৃদয়ের জুটি আশা জাগিয়েছিল। পরে হৃদয়ের একার লড়াইও টেনে নিতে পারেননি শেষ অবধি।

    শনিবার কলম্বোয় এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে ২১ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। শুরুতে ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৭ রান করে লঙ্কানরা। জবাব দিতে নেমে ১১ বল আগেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।

    রান তাড়ায় নেমে শুরুটা দারুণ হয়েছিল বাংলাদেশের। ৯ ম্যাচ পর পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ, রান আসে ৪৭। মেহেদী হাসান মিরাজ বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুললেও সেটি করতে পারছিলেন না নাঈম শেখ।

    মিরাজ অবশ্য আউট হয় ৪ চারে ২৯ বলে ২৮ রান করে। পুরো ইনিংসজুড়ে ভুগতে থাকা নাঈম শেখ আউটও হয়েছেন দৃষ্টিকটুভাবে। শানাকার শর্টবল পুল করতে গিয়ে কিপারের হাতে সহজ ক্যাচ দেন নাঈম। ৪৬ বলে ২১ রানের ইনিংস শেষ হয় তার।

    পরে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারেননি সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস। পাথিরানার অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বল জায়গায় দাঁড়িয়ে ব্যাট চালান ।৭ বলে ৩ রান করেন তিনি।

    তিনে নামা লিটনও স্পিনার ওয়ালালগের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি। পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারানো বাংলাদেশ ২৮ রানে চার উইকেট হারিয়ে বেশ বিপদে পড়ে যায়।

    এরপর দলের হাল ধরেন তাওহীদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। দুজনের জুটির শুরুটা ধীরস্থির হলেও আস্তে আস্তে হাত খুলছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু এমন সময়ই হুট করে আউট হন মুশফিকুর রহিম। শানাকার বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ভাঙে হৃদয়ের সঙ্গে তার ১২২ বলে ৭২ রানের জুটি।

    মুশফিকের ফেরার পর উইকেটে আসেন শামীম পাটোয়ারী। কিন্তু তিনি ভালো করতে পারেননি। ১০ বলে ৫ রান করে মাহেশ থিকসেনার বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। শামীমের ফেরার পর দলের হয়ে একা লড়েন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু তিনিও শেষ অবধি যেতে পারেননি।

     

    আউট হওয়ার আগের বলেও থিকসেনার ফ্রি হিট বলে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরের বল তার প্যাডে লাগলে আম্পায়ার এলবিডব্লিউ আউট দেন। রিভিউ নিলেও আম্পায়ারস কলে সাজঘরে ফিরতে হয় হৃদয়কে। মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়েন হৃদয়। এরপর বাংলাদেশের হার ছিল স্রেফ সময়ের ব্যাপার।

    যদিও শেষ উইকেট জুটিতে ফের হাসান মাহমুদ ও নাসুম আহমেদ সামান্য আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু রানটা তাদের জন্য ছিল একটু বেশিই। শেষ উইকেট জুটিতে ১২ বলে ২০ রান যোগ করেন তারা। কিন্তু নাসুম বোল্ড হলে ম্যাচ জিতে নেয় শ্রীলঙ্কা।

    এর আগে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ের শুরুর দিকে রান আসছিল, কিন্তু বাংলাদেশের বোলাররা দুর্দান্ত করছিলেন। ষষ্ঠ ওভার করতে এসে প্রথম দুই বলে দুটি বাউন্ডারি হজম করেন হাসান মাহমুদ। কিন্তু তৃতীয় বলেই তিনি পান উইকেট। তার দারুণ এক বলে উইকেটের পেছনে দিমুথ করুণারত্নের ক্যাচ নেন মুশফিকুর রহিম। এরপরের কিছুটা সময় ছিল বাংলাদেশের জন্য বেশ হতাশার। শুরুতে মুশফিকুর রহিম ও পরে শামীম পাটোয়ারী দুটি ক্যাচ ছাড়েন। মেন্ডিসের ক্যাচ ছেড়ে শামীম দেন ছক্কা।

    পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ৫১ রান খরচ করে ১ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। সাকিব আল হাসান এর মধ্যেই ব্যবহার করে ফেলেন পাঁচ বোলার। অল্প সময় পরপর বোলিং বদলাচ্ছিলেন তিনি, সেটি অবশ্য কাজেও এসেছে। যদিও উইকেট না পাওয়ার হতাশা কাটছিল না। গত কয়েক ম্যাচে শরিফুল ইসলাম নতুন বলে ভালো করছিলেন, এদিন তেমন সুযোগ পাননি।

    তবে তিনিই বাংলাদেশকে এনে দেন দ্বিতীয় উইকেট। ৬০ বলে ৪০ রান করা পাথুম নিশাঙ্কাকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন তিনি। এরপর আরেক সেট ব্যাটার কুশল মেন্ডিসকেও সাজঘরে ফেরান শরিফুল। তার বাউন্সার থার্ড ম্যানের উপর দিয়ে মারতে গিয়ে তাসকিন আহমেদের হাতে ক্যাচ দেন ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৭৩ বলে ৫০ রান করা মেন্ডিস। দ্রুত দুই সেট ব্যাটারকে ফিরিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শরিফুল।

    এরপর বাংলাদেশের বোলাররা রীতিমতো চেপে ধরেন শ্রীলঙ্কান ব্যাটারদের। নাসুম ওভারপ্রতি রান দিচ্ছিলেন তিনের নিচে, সাকিবও তাই। আরেকদিকে উইকেট এনে দেন পেসাররা। তাসকিন আহমেদ ২৩ বলে ১০ রান করা চারিথ আশালাঙ্কাকে আউট করেন। ১৬ বলে ৬ রান করা ধনঞ্জয়া ডি সিলভা হাসান মাহমুদের বলে ক্যাচ দেন মুশফিকুর রহিমের হাতে।

    ততক্ষণে ক্রিজে চলে এসেছেন সাদিরা সামারাবিক্রমা। তিনি স্পিন খেলছিলেন খুব ভালো, ইনিংস এগিয়ে নিয়েছেন দারুণভাবে। তার সঙ্গে যোগ দেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা। ৪০তম ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা। তারা ছিল বেশ চাপেও। এরপর ধীরে ধীরে দলকে তুলে আনার চেষ্টা করেন সামারাবিক্রমা ও শানাকা।

    পরের ৫ ওভারে ৪৩ রান তুলে শ্রীলঙ্কা রানটাকে বেশ ভালো অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার আভাস দেয়। কিন্তু এরপর আবারও বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান বোলাররা। সাকিব ৪৪তম ওভারে ৪ রান দেওয়ার পর ৪৬তম ওভারে এসে ৫ রান দেন। এর ঠিক পরের ওভারেই দুর্দান্ত বোলিং করেন হাসান মাহমুদ, দেন কেবল ৩ রান। ওই ওভারেই দাসুন শানাকাকে বোল্ডও করেন হাসান।

     

    তবুও হাল ছাড়েননি সামারাবিক্রমা। সাকিবের করা ৪৮তম ওভারে ১১ রান নেওয়ার পরেরটিতে হাসান মাহমুদকে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান। তাসকিন আহমেদের শেষ ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ওই ওভারেও একটি চার ও ছক্কা হাঁকান। ৮ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসে ৭২ বল খেলে ৯৩ রান করেন সামারাবিক্রমা।

    বাংলাদেশের তিন পেসারের মধ্যে তাসকিন ১০ ওভারে ৬৩ রান দিয়ে তিন, শরিফুল ৪ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে দুই ও হাসান মাহমুদ ৯ ওভারে ৫৭ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন। ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে সাকিব ও ১০ ওভারে ৩১ রান দিয়ে নাসুম উইকেটশূন্য ছিলেন। ৩ ওভারে ১৪ রান দেওয়া মিরাজও উইকেট পাননি।

  • বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে থাকছেন সৈকত

    বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে থাকছেন সৈকত

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আইসিসি ওয়ানডে পুরুষ বিশ্বকাপে ম্যাচ। উক্ত বিশ্বকাপে লিগ রাউন্ডের জন্য আজ ঘোষিত ২০ জন আম্পায়ারের তালিকা।উক্ত তালিকায় প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ম্যাচ  পরিচালনা করবেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহিদ  সৈকত।

    জানা গেছে, ৫ অক্টোবর আহমেদাবাদে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বর্তমানে আইসিসির ইর্মাজিং আম্পায়ার প্যানেলে থাকা সৈকত।

    বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, ‘আগামী ৫ অক্টোবর আহমেদাবাদে গত বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচের রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন শ্রীনাথ। অন ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন মেনন এবং ধর্মসেনা। টিভি আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন পল উইলসন এবং চতুর্থ আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করবেন সৈকত।’

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘লিগ পর্বের জন্য ম্যাচ অফিসিয়ালদের নাম ঘোষনা করা হয়েছে। সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল ম্যাচের অফিসিয়ালদের নাম যথাসময়ে ঘোষনা করা হবে।’

    খেলোয়াড়ী জীবনে বাঁ-হাতি স্পিনার সৈকত এ পর্যন্ত  ৯টি টেস্ট এবং ৪৩টি টি-টোয়েন্টিতে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। যা বাংলাদেশি আম্পায়ারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। ৫২টি ওয়ানডেতেও আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সৈকত। যা বাংলাদেশি আম্পায়ারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

    আইসিসির ক্রিকেট মহাব্যবস্থাপক ওয়াসিম খান বলেছেন, ‘এই ধরনের ইভেন্ট পরিচালনার জন্য সব ক্ষেত্রেই সেরা পারফরমেন্স করা ব্যক্তিদের প্রয়োজন। আইসিসি এলিট প্যানেলের আম্পায়ার, রেফারি এবং ইর্মাজিং গ্রুপের আম্পায়াররা বিশ্বকাপে দক্ষতা-অভিজ্ঞতা এবং মানসম্পন্ন হয়ে আসবে। এই টুর্নামেন্টের জন্য আমরা যে দলটিকে একত্রিত করেছি সেটির জন্য আমরা আনন্দিত।’

    সূত্র: বাসস

  • সুপার ফোরে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারাল পাকিস্তান

    সুপার ফোরে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারাল পাকিস্তান

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : এশিয়ন কাপে শেষ ম্যাচে শান্ত অসাধারণ এক সেঞ্চুরি করে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। বড়ো রান করার সুবাদে সুপার ফোর নিশ্চিত হয়। সেই ম্যাচে অপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতে নেমে সেঞ্চুরি করে মিরাজ সঙ্গে এক উইকেট।হয়েছিলেন ম্যাচসেরা।সেই শান্ত যখন আহত হয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেনে তখন মিরাজ কোন রান না করেই আউট হয়ে গেলেনে। শুরুতেই চার উইকেট হারিয়ে লিড়েছেন অধিনায়ক সাকিব ও মুশফিক।কিন্তু জেতার মতো সংগ্রহ করতে পারেনি। শুরুতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৯৩ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। জবাব দিতে নেমে ৬৩ বল হাতে রেখেই জয় পায় পাকিস্তান।

    বুধবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ।

    ছোট লক্ষ্যে খেলতে নেমে সাবধানী শুরু করে পাকিস্তান। সুইংয়ের দারুণ ব্যবহারে দুর্দান্ত বল করেন শরিফুল ইসলাম। যদিও উইকেটের দেখা মিলছিল না। ইনিংসের নবম ওভারে গিয়ে প্রথম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ, সেটিও এনে দেন শরিফুলই। তার বলে আউট হওয়ার আগে ৩১ বলে ২০ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে যান তিনি।

    শেষে অবশ্য উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ, তবে সাজঘরে ফেরেন বাবর আজম। ২২ বলে ১৭ রান করা বাবর আজমকে বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। তিনি তার পুরো স্পেলজুড়েই করেন দুর্দান্ত বোলিং। কিন্তু ইমাম-উল-হকের উইকেট যতক্ষণে যায়, ততক্ষণে ম্যাচ হাত থেকে বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশের।

    ৩৩তম ওভারের পঞ্চম বলে গিয়ে আউট হন ইমাম। তখন পাকিস্তানের রান ১৫৯। ৮৪ বলে ৭৮ রান করা ইমামকে বোল্ড করেন মিরাজ। দলকে বাকি পথ টেনে নেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও আগা সালমান। ৭৯ বলে ৬৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান।

    এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের হতাশার শুরু হয় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই। আগের ম্যাচে মেক শিফট ওপেনার হয়ে খেলতে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ হাঁকিয়েছিলেন সেঞ্চুরি। তাকে এ ম্যাচেও নামানো হয়েছিল উদ্বোধনী ব্যাটার হিসেবে। কিন্তু নাঈম শেখ প্রথম ওভার মেডেন দেওয়ার পর দ্বিতীয়টিতে এসে মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই আউট হয়ে যান মিরাজ। প্যাডে আসা বল স্কয়ার লেগে অপ্রত্যাশিতভাবে ক্যাচ দেন তিনি।

    জ্বরের কারণে আগের দুই ম্যাচে না থাকা লিটন দাস একাদশে ফেরেন হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তর জায়গায়। উইকেটে এসে দারুণ কিছু শটও খেলেন তিনি। কিন্তু পা দেন শাহিন শাহ আফ্রিদির ফাঁদে। কয়েকটি বল ব্যাটে খেলিয়ে, স্লোয়ার দিয়ে, হুট করেই জোরের ওপর বাউন্সার করেন তিনি। সেটি বুঝতে না পারা লিটনের ব্যাটের কানায় বল লেগে চলে যায় উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসে। আউট হয়ে সাজঘরে ফিরতে ৪ চারে ১৩ বলে ১৬ রান করে।

    নাঈম শেখও কিছু শটে আত্মবিশ্বাসের ছাপ রাখছিলেন। কিন্তু এই ব্যাটারও বড় করতে পারেননি ইনিংস। ৪ চারে ২৫ বলে ২০ রান করে হারিস রউফের বলে পুল করতে যান তিনি। টাইমিং ঠিকঠাক মতো হয়নি, নিজেই সহজ ক্যাচ নেন রউফ। এরপর হারিস রউফের গতিতে পরাস্ত হন তাওহীদ হৃদয়ও। ৯ বলে ২ রান করে তিনি হয়ে যান বোল্ড।

    পাওয়ার প্লের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলকে ধীরে ধীরে টেনে তোলেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান। দুজনই দারুণভাবে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দলকে। আশাও বাড়ছিল বড় রানের। এর মধ্যে জুটির একশর সঙ্গে সাকিবের হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ হয়। কিন্তু এরপরই যেন বিভ্রান্ত হয়ে যান সাকিব। তার পেটের কাছে থাকা বলে পুল করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন তিনি। ফাহিম আশরাফের বলে আউট হওয়ার আগে ৫৭ বলে ৫৩ রান করেন সাকিব।

    দলের বিপদ এরপর কেবল বেড়েছেই। শামীম পাটোয়ারীকে সাত নম্বরে পাঠানো হয়। তিনি একটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কাও হাঁকান। কিন্তু ইফতেখার আহমেদের বলে ২৩ বলে ১৬ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। মুশফিকুর রহিমও তিলে তিলে তৈরি করা ইনিংসের শেষটা করতে পারেননি ঠিকভাবে।

    ৫ চারে ৮৭ বলে ৬৪ রান করে মুশফিক রউফের বলে মারতে গিয়ে রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দেন। আট ব্যাটার নিয়ে খেলতে নামা বাংলাদেশের শেষ স্বীকৃত ব্যাটার ছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু তিনি নাসিম শাহের শট বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১১ বলে ১২ রান করেন। বাংলাদেশের টেল গুটাতে এরপর আর সময় নেয়নি। হারিস রউফ চার, নাসিম শাহ তিন ও শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন এক উইকেট।

    বাংলাদেশ একাদশ

    নাঈম শেখ, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, শামীম পাটোয়ারী, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও শরীফুল ইসলাম।

    পাকিস্তান একাদশ-

    বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান (সহ-অধিনায়ক), ফখর জামান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলী আগা, ইফতিখার আহমেদ, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), ফাহিম আশরাফ, নাসিম শাহ, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফ।

    ম্যাচ সেরা হয়েছেন, হারিস রউফ।

    সূত্র: বাসস

  • লড়াই করে মাত্র ২ রানে হেরেছে আফগানিস্তান

    লড়াই করে মাত্র ২ রানে হেরেছে আফগানিস্তান

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : বাংলাদেশ আফগানিস্তানকে বিশাল রানের ব্যবধানে হারিয়ে দেওয়ার পর, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের খেলার সরিমকারণ হয়ে পড়ে খুব কঠিন।এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় প্রথমে ব্যাটিং করে শ্রীলংঙ্কা সংগ্রহ করে ২৯২ রান।আর সুপার ফোরে খেলেতে হলে আফগানিস্তানকে এই রান করতে হতো ৩৭ ওভার ১ বলে।

    দ্বিতীয় হাফে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা খুব ভালো হয়নি আফগানিস্তানের।কিন্তু মোহাম্মদ নবী ঝড় তোলেন মাঝে এসে, বাকি ব্যাটাররাও রাখেন অবদান। কঠিন সমীকরণের কাছেও চলে আসে আফগানিস্তান। শেষ সাত বলে তাদের দরকার হয় ১৫ রান। ৩৭তম ওভারে রশিদ নেন ১২ রান। এরপর সমীকরণ ছিল এক বলে তিন রানের। কিন্তু মুজিব উর রহমান হয়ে যান আউট। ধারাভাষ্যকারদের দাবি অবশ্য ছিল, তখনও সুযোগ ছিল আফগানদের। ছক্কা মেরে তাদের সংগ্রহটাকে নিয়ে যেতে হতো ২৯৫তে, তাহলেই সুপার ফোরে পৌঁছে যেতো তারা। কিন্তু উইকেটে থাকা রশিদ খানের প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হয়নি তিনি জানতেন সেটি।

    মঙ্গলবার ( ৫ সেপ্টেম্বর) লাহোরে শ্রীলঙ্কার কাছে শেষ অবধি ম্যাচটি ২ রানে হেরেছে আফগানিস্তান। শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯১ রান করে শ্রীলঙ্কা। জবাব দিতে নেমে দুই রান আগেই অলআউট হয় আফগানরা। এ জয়ে বি গ্রুপ থেকে সুপার ফোরে বাংলাদেশের সঙ্গী হয়েছে শ্রীলঙ্কা।

    টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি তারা। ১১তম ওভারের তৃতীয় বলে দলটির প্রথম ব্যাটার হিসেবে দিমুথ করুণারত্নেকে সাজঘরে ফেরান গুলবাদিন নাইব। স্লোয়ারে বিভ্রান্ত হয়ে কাভারে দাঁড়ানো মোহাম্মদ নবীর হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে  করুণারত্নে ৩৫ বলে ৩২ রান করেন । ৪০ বলে ৪১ রান করা আরেক উদ্বোধনী ব্যাটার পাথুম নিশাঙ্কাকেও ক্যাচ আউট করেন গুলবাদিন।

    ৮ বলে ৩ রান করে তার ওভারেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন সাদিরা সামারাবিক্রমা। ৮৬ রানে তিন উইকেট হারানো দলের হাল ধরেন কুশল মেন্ডিস ও চারিথ আশালাঙ্কা। ৪৩ বলে ৩৬ রান করা আশালাঙ্কার ক্যাচ নিজের বলে নিজেই নেন রশিদ খান। আর ৮৪ বলে ৯২ রান করে কুশল মেন্ডিস হন রান আউট। এক পর্যায়ে অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল লঙ্কানরা। ২২৭ রানে তারা হারায় ৭ উইকেট।

    কিন্তু আট ও নয় নম্বরে ব্যাট করতে নামা দিমুথ ওয়ালালাঙ্গে ও মাহেশ থিকসেনা করেন দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ বলে ২৮ রান করে আউট হন থিকসেনা। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৯ বলে ৩৩ রান করে শেষ অবধি অপরাজিত থাকেন ওয়ালালগে।

    জবাব দিতে নেমে শুরুতে কিছুটা ধাক্কা খায় আফগানিস্তান। তাদের দুই ওপেনারই আউট হয়ে যান অল্পতে। দুজনেই শিকার হন কাসুন রাজিথার। ৮ বলে ৪ রান করে রহমানউল্লাহ গুরবাজ ক্যাচ ও ১৪ বলে ৭ রান করে বোল্ড হন ইবরাহিম জাদরান। দুই উদ্বোধনী ব্যাটারের বিদায়ের পরও হাল ছাড়েনি আফগানরা। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে সমীকরণ মেলানোর চেষ্টা করতে থাকে তারা। রহমত শাহ ৪০ বলে ৪৫ ও গুলবাদিন নাঈব ১৬ বলে ২২ রান করে আউট হয়ে যান।

    আফগানদের রান বাড়ান মূলত মোহাম্মদ নবী। শ্রীলঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হন তিনি, আরেক প্রান্ত ধরে রাখেন হাশমাতুল্লাহ শহিদী। দুজনের জুটিতে আসে ৪৭ বলে ৮০ রান। ৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৩২ বলে ৬৫ রান করে থিকসেনার বলে ক্যাচ আউট হন নবী। এরপর ৬৬ বলে ৫৯ রান করে ওয়ালালগের বলে আউট হয়ে যান হাশমাতুল্লাহ শাহিদীও।

    তারপরও দলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন নাজিবউল্লাহ জাদরান ও রশিদ খান। ১ চার ও ২ ছক্কায় ১৬ বলে ২৭ রান করে আউট হয়ে যান নাজিবউল্লাহ। কিন্তু শেষ অবধি আশা বাঁচিয়ে রাখেন রশিদ খান। ওয়ালালগের ৩৭তম ওভারে তিনটি চার হাঁকান তিনি। কিন্তু মুজিব ও ফজল হক ফারুকী আর স্ট্রাইকই দিতে পারেননি তাকে। দুজনেই হয়ে যান আউট। দারুণ এক লড়াই করার পরও ম্যাচ হারে আফগানরা। তবে লাহরের দর্শকরা ম্যাচের প্রতিটি বল উপভোগ করেছে। বিশেষ ভাবে ম্যাচের শেষ পাঁচ ওভার টান টানা উত্তেজনা ছিলো খেলায়। এই ম্যাচ জিতলে আফগানিস্তান বাংলাদেশের সাথে সুপার ফোরে খেলার সুযোগ পেতো।

    সুপার ফোরের চারটে দল হচ্ছে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ।

  • এশিয়া কাপে নেপালকে হারিয়ে সুপার ফোরে ভারত

    এশিয়া কাপে নেপালকে হারিয়ে সুপার ফোরে ভারত

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : উদ্বোধনী জুটিতে রোহিত শর্মা ও শুভমান গিলের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ১৭ বল হাতে রেখেই নেপালকে গুঁড়িয়ে দেয় তারা।বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ডিএলএস মেথডে ১০ উইকেটের দাপুটে জয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোর নিশ্চিত করলো ভারত। অন্যদিকে প্রথমবার এশিয়ার মঞ্চে এসে খালি হাতেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে নেপালকে। এর আগে প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ২৩৮ রানের বড় ব্যবধানে হারে তারা।
    ‘এ’ গ্রুপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টির কারনে পরিত্যক্ত হয়েছিলো। এতে ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে পিছিয়ে থেকে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে থেকে সুপার ফোরে খেলবে ভারত। ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে এগিয়ে থেকে টেবিলের শীর্ষে থেকে সুপার ফোর খেলবে পাকিস্তান।
    পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্বান্ত নেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ব্যাট হাতে নামা নেপাল ইনিংসের প্রথম পাঁচ ওভারে তিনটি ক্যাচ ফেলে ভারতীয় ফিল্ডাররা। এই সুযোগে দলকে দারুন সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার আসিফ-কুশল ভুর্টেল। ৫৯ বলে ৬৫ রানের সূচনা গড়েন তারা।
    দশম ওভারে ভুর্টেলকে ৩৮ রানে শিকার করে ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার শারদুল ঠাকুর। ভুর্টেলের বিদায়ের পর স্পিনার রবীন্দ্র জাদেজার ঘুর্ণিতে পড়ে ১০১ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় নেপাল। এর মধ্যে ৩ উইকেট নেন জাদেজা।
    সতীর্থরা ফিরলেও অন্যপ্রান্তে দলের রানের চাকা সচল রাখেন আসিফ। ২৮তম ওভারে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দশম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ন করতে ৮৮ বল খেলেন তিনি। হাফ-সেঞ্চুরির পর ইনিংস বড় করতে পারেননি আসিফ। ৩০তম ওভারে দলীয় ১৩২ রানে আসিফকে প্যাভিলিয়নে ফেরান পেসার মোহাম্মদ সিরাজ। ৫৮ রানের ইনিংস খেলার পথে ৯৭ বল মোকাবেলায় ৮টি বাউন্ডারি আসিফ।
    ১৪৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতন হলে দ্রুত গুটিয়ে যাবার শঙ্কায় পড়ে নেপাল। কিন্তু সপ্তম উইকেটে ৫০ রানের জুটি গড়ে নেপালের রান ২শর কাছে নিয়ে যান কামি ও দিপেন্দ্র সিং আইরি। ব্যক্তিগত ২৯ রানে আইরিকে শিকার করে ভারতকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন হার্ডিক পান্ডিয়া।
    এরপর নেপালের রান ২শ পার করেন কামি। হাফ-সেঞ্চুরির দোড়গোড়ায় গিয়ে ৪৮তম ওভারে অষ্টম ব্যাটার হিসেবে মোহাম্মদ সামির বলে আউট হন থামেন তিনি। ১টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫৬ বলে ৪৮ রান করেন কামি। শেষ পর্যন্ত ১০ বল বাকী থাকতে ২৩০ রানে অলআউট হলেও সম্মানজনক সংগ্রহ পায় নেপাল। ভারতের জাদেজা ও সিরাজ ৩টি করে উইকেট নেন।
    ২৩০ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ২ দশমিক ১ ওভারে বিনা উইকেটে ১৭ রান তুলে ভারত। এরপর বৃষ্টিতে প্রায় ২ ঘন্টা খেলা বন্ধ থাকে। এম অবস্থায় বৃষ্টি আইনে জয়ের জন্য ২৩ ওভারে ১৪৫ রানের নতুন টার্গেট পায় ভারত।
    নতুন টার্গেটে শুরু করে ১৩তম ওভারে নিজের মুখোমুখি হওয়া ৩৯তম বলে ওয়ানডেতে ৪৯তম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ন করেন রোহিত। ১৪তম ওভারে ভারতের রান এক’শতে পৌঁছায়। ১৬তম ওভারে নিজের মুখোমুখি হওয়া ৪৭তম বলে ওয়ানডেতে সপ্তম অর্ধশতক পূর্ণ করেন গিল।
    ২১তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি মেরে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন গিল।
    সূত্র: বাসস

  • আফগানিস্তানকে ৮৯ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ

    আফগানিস্তানকে ৮৯ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে পরাজয়ের পর আজকের ম্যাচটিতে জয় ছাড়া কোন বিকল্প ছিলোনা বাংলাদেশের। তিনটি পরিবর্তন ও দুটি সেঞ্চুরির সুবাদে সহজেই আফগানিস্তানকে পরাজিত করে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের হারের হতাশা কাটিয়ে আফগানিস্তানকে ৮৯ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
    আজ রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর)লাহোরে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৩৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে ২৪৫ রানের বেশি করতে পারেনি আফগানরা। এ জয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের।
    এ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচ উইকেট হেরে যাওয়া ম্যাচের একাদশে আসে তিন পরিবর্তন। বদলে যায় উদ্বোধনী জুটিও।
    ফারুকীর করা প্রথম ওভারেই আসে ১৪ রান। রানের গতি পাওয়ার প্লে জুড়েই ছিল ওভার প্রতি ছয়ের ঘরে। দশম ওভারের শেষ বলে এসে নাঈম শেখ বোল্ড হন মুজিব উর রহমানের বলে, তখন বাংলাদেশের রান ৬০। ৫ চারে ৩২ বলে ২৮ রান করেন নাঈম। ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আসে এরপরও।
    তিনে খেলতে পাঠানো হয় তাওহীদ হৃদয়কে, এ জায়গায় থিতু হওয়া শান্তর বদলে। হৃদয় অবশ্য ফেরেন নিজের দ্বিতীয় বলেই, অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো ইব্রাহিম জাদরানের হাতে। হুট করে দুই উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর রানের গতিটাও কিছুটা কমে আসে। পাওয়ার প্লের পরের দশ ওভারে আসে কেবল ৪৮ রান। মিরাজ বেশিই ডট বল খেলছিলেন। এক সময় ৪৬ বলে তার রান ছিল ২৮। কিন্তু এই ব্যাটার ছিলেন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সময়ের সঙ্গে হাত খুলেছেন তিনি। মাঝে ফজল হক ফারুকীর ৩৩তম ওভারে ১৭ রান নেন শান্ত।
    ক্রমেই বড় হতে থাকে মিরাজের সঙ্গে তার জুটি। দুজন হাঁটেন সেঞ্চুরির দিকেও। ৪৪তম ওভারের চতুর্থ বলে গুলবাদিন নাঈবের বলে সিঙ্গেলস নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মিরাজ, ১১৫তম বলে এসে। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পাওয়ার পর ড্রেসিংরুমের দিকে ছুটে গিয়ে নিজের জার্সি নম্বর দেখিয়ে উদযাপন করেন।
    মিরাজ অবশ্য সাজঘরে ফেরেন আউট না হয়েই। ৪৩তম ওভারের প্রথম বলে মুজিব উর রহমানকে ছক্কা মারেন তিনি, তখনই ব্যথা পান হাতে। তার জায়গায় উইকেটে আসেন মুশফিকুর রহিম। নট আউট থেকে ক্রিজ ছাড়া মিরাজ ১১৯ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ১১২ রান করেন। শান্তর সঙ্গে তার জুটি ছিল ১৯০ বলে ১৯৪ রানের।
    মিরাজ উঠে যাওয়ার দুই বল পরই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শান্তও। ওয়ানডেতে পঞ্চমবারের মতো একই মাচে জোড়া সেঞ্চুরি দেখে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেঞ্চুরি তোলেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার তিন অঙ্কের মাইফলক স্পর্শ করেন। ২০২০ সালে তামিম ইকবাল ও লিটন দাস একই ম্যাচে পেয়েছিলেন সেঞ্চুরি।
    মিরাজের মতো শান্তও তার সেঞ্চুরি ছুয়ে বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হওয়ার আগে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ১০৫ বলে ১০৪ রান করেন তিনি। তবে দুই সেঞ্চুরিয়ানের বিদায়ের পরও দারুণভাবে ইনিংস টানে বাংলাদেশ। ১ চার ও ছক্কায় ১৫ বলে ২৫ রান করে মুশফিকুর রহিম রান আউট হলেও ৪ চার ও ১ ছক্কায় ১৮ বলে ৩২ রান করেন সাকিব।
    অভিষিক্ত শামীম হোসেন নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম বলেই হাঁকান ছক্কা। ৬ বলে ১১ রান করা এই ব্যাটারও হন রান আউট। তবে বাংলাদেশের রান তিনশ ছাড়িয়েও যায় অনেক দূর। ৬ ওভার করা ফারুকী ৫৩ রান ও রশিদ খান ১০ ওভারে ৬৬ রান দিয়ে থাকেন অপরাজিত। আফগানদের পক্ষে দুটি উইকেট নেন মুজিব ও গুলবাদিন নাঈব।
    বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় আফগানিস্তান। প্রথম ওভারে স্রেফ এক রান দেন তাসকিন আহমেদ। পরের ওভারে শরিফুল করেন দুর্দান্ত বল। কোনো রান না দিয়েই তিনি তুলে নেন রহমানউল্লাহ গুরবাজের উইকেট। আগে একবার বাংলাদেশ রিভিউ না নেওয়ায় বেঁচে যাওয়া এই ব্যাটার ৭ বলে ১ রান করে এলবিডব্লিউ হন। এ দফায় নিজে রিভিউ নিলেও বাঁচতে পারেননি।
    এরপর অবশ্য দুটি জুটি গড়ে উঠে আফগানদের। ৭৮ রানের জুটি এবার ভাঙেন দ্বিতীয় স্পেলে করতে আসা তাসকিন আহমেদ। তার অফ কাটারে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন রহমত শাহ। তার বিদায়ের পর ইবরাহিমের সঙ্গী হন হাশমাতুল্লাহ শাহিদী। এবার তাদের ৫২ রানের জুটি ভাঙেন হাসান মাহমুদ।
    তাতে অবশ্য বড় কৃতিত্ব উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো মুশফিকুর রহিমের। হাসানের ফিফথ স্টাম্পে করা বল ইবরাহিমের ব্যাটের কানায় লাগে, ডানদিকে শরীরের পুরোটা ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন মুশফিক। ইনিংসে আফগানদের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ইবরাহিম ১০ চার ও ১ ছক্কায় ৭৪ বলে ৭৫ রান করে আউট হন।
    তার বিদায়ের পর একরকম ধ্বসেই পড়ে আফগানদের ব্যাটিং। হাশমাতুল্লাহ শাহিদীও ৬ চারে ৬০ বলে ৫১ রান করে আউট হয়ে যান, শরিফুল ইসলামের বলে তার ক্যাচ নেন হাসান মাহমুদ। এরপর দলটির কোনো ব্যাটারই সেভাবে হাল ধরতে পারেননি। শেষদিকে ১৫ বলে ২৪ রান করে চেষ্টা করেছিলেন রশিদ খান। কিন্তু শেষ ব্যাটার হিসেবে তাসকিনের শিকার হন তিনি।
    তাসকিন ৮ ওভার ৩ বল হাত ঘুরিয়ে ৪৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া ৯ ওভারে ১ মেডেনসহ ৩৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। একটি করে উইকেট পেয়েছেন হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
    বাংলাদেশ একাদশ : মোহাম্মদ নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ।
    আফগানিস্তান একাদশ : রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), ইবরাহিম জাদরান, রহমত শাহ, হাশমাতুল্লাহ শাহিদী, নাজিবউল্লাহ জাদরান, মোহাম্মদ নবী, গুলবাদিন নাঈব, কারিম জিনাত, রশিদ খান, ফজল হক ফারুকী ও মুজিব উর রহমান।

  • টসে জিতে ব্যাটিং করছে ভারত

    টসে জিতে ব্যাটিং করছে ভারত

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এশিয়া কাপের গুরুত্বপূর্ণ খেলাটি।ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অনুষ্ঠিত এই খেলায় টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রোহিত বাহিনী। ভারত ওয়ানডে দল হিসেবে পাকিস্তানের থেকে শক্তিশালি হলেও দুই দলের খেলা সব সময় প্রতিদন্দিতাপূর্ণ হয়ে থাকে।তবে শ্রীলংঙ্কার আকাশ মেঘে ঢাকা। তাই বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে খেলায়। কমতে পারে ওভারও। পাল্লেকেলের খেলা শুরুর আগেও গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
    তবে বৃষ্টির শঙ্কা মাথা নিয়ে নির্ধারিত সময়েই টস করেছেন দুই অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও বাবর আজম। হাই-ভোল্টেজ দ্বৈরথে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছে ভারত। বৃষ্টিতে বিলম্ব না হলে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
    ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর ১৯ ঘণ্টা আগেই একাদশ ঘোষণা করে চমক দেখিয়েছিল বাবর আজমের পাকিস্তান। এর আগে এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচের একদিন আগেই নেপালের বিপক্ষে একাদশ দিয়েছিল পাকিস্তান। নেপালের বিপক্ষের দল নিয়ে ভারতের বিপক্ষে নামছে পাকিস্তান। একদিকে পাকিস্তানের বাঁ-হাতি ফাস্ট বোলার আছে দুরুণ ফর্মে। অপর দিকে ভারতের ব্যাটিং লাইন অনেক শক্তিশালী। দলে আছে পান্ডিয়া ও জাদেজার মতো বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তাই দলগত শক্তির বিচারে ভারত এগিয়ে।

    পাকিস্তানের একাদশ
    বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান (সহ-অধিনায়ক), ফখর জামান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলী আগা, ইফতিখার আহমেদ, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নওয়াজ, নাসিম শাহ, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফ।

    ভারত একাদশ
    রোহিত শর্মা, শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, ইশান কিশান, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, শার্দুল ঠাকুর, জসপ্রীত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ এবং কুলদীপ যাদব।

  • প্রথম খেলায় বাংলাদেশ হেরেছে শ্রীলংকার কাছে

    প্রথম খেলায় বাংলাদেশ হেরেছে শ্রীলংকার কাছে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ পরাজিত হয়েছে। ক্যান্ডির পাল্লেকেলেতে বৃহস্পতিবার এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার কাছে ৫ উইকেটে হারেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান পরাজয়ের কারন হিসেবে ব্যাটিং ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন।
    শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সাকিব বলেন, ২২০-২৩০ হলে আমাদের সুযোগ থাকতো। আমরা দল হিসেবে ভালো ব্যাটিং করিনি।’
    টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৪২ দশমিক ৪ ওভারে ১৬৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে একাই লড়ে সর্বোচ্চ ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
    ১৬৫ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুতে চাপে পড়ে শ্রীলংকা। ১০ ওভারে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা।কিন্তু এত অল্প পুজি নিয়ে লড়াই করাটা কঠিন। কেননা খেলা হচ্ছে শ্রীলংকার মাটিতে।
    চতুর্থ উইকেটে ৭৮ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে লড়াই থেকে ছিটকে দেন শ্রীলংকার দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার সাদিরা সামাবিক্রমা ও চারিথ আসালঙ্কা। সামারাবিক্রমা ৫৪ ও আসালঙ্কা অপরাজিত ৬২ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৬৬ বল বাকী রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে শ্রীলংকা।
    সাকিব বলেন, ‘৪৩ রানে ৩ উইকেট পতনের পর আমাদের আরও দু’টি উইকেট দরকার ছিল। আমরা উইকেট পেরেছি। কিন্তু বোর্ডে আমাদের পর্যাপ্ত রান ছিলো না।’
    তিনি আরও বলেন, ‘শরুতেই আমরা বেশ চাপে ছিলাম। অনেক ছেলেই প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ খেলছে। ভালো ক্রিকেট খেলছে বলেই তারা ড্রেসিংরুমে আছে।’
    ম্যাচে চার নম্বরে ৫ রানে আউট হন সাকিব। তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে ব্যাটার হিসেবে নিজের আরও দায়িত্ব নেয়া উচিত ছিলো মনে করছেন সাকিব।
    লাহোরে রবিবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে ঘুড়ে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সাকিব।
    বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয়ে রেকর্ড গড়েছে শ্রীলংকা। নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি টানা ১১ ম্যাচ জয়ের নজির গড়েছে লংকানরা।
    দলের পারফরমেন্সে খুশি শ্রীলংকার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। তিনি বলেন, ‘বোলারদের পারফরমেন্সের জন্য অবশ্যই তাদেরকে কৃতিত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে থিকশানা দারুন করেছে। ধনঞ্জয়া এবং পাথিরানাও ভালো বোলিং করেছেন। এটি কঠিন উইকেট ছিলো। সাদিরা যেভাবে ব্যাট করেছে, আজ তার দিন ছিল। গত দুই বছর ধরে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করছে আসালঙ্কা। এটি শ্রীলংকার ক্রিকেটের জন্য ভালো লক্ষণ।’
    সূত্র: বাসস

  • এশিয়া কাপে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে বাংলাদেশ

    এশিয়া কাপে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে বাংলাদেশ

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩১ আগস্ট, ২০২৩ : এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল ৩০ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে এশিয়া কাপ। গতকাল পাকিস্তান সহজে হারায় নেপালকে। নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ মিশন শুরু হয়েছে। দলের নিয়মিত অধিনায়ক ও নির্ভরযোগ্য ব্যাসটম্যান তামিম ইনজুরির কারণে দলে নেই। অপর দিকে আর অসুস্থ থাকার কারণে শেষ মুহূর্তে দল থেকে ছিটকে গেছে লিটন দাশ। তার পরেও বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক আশা বিক্রেক বোদ্ধাদের।
    বাংলাদেশের পক্ষে এ ম্যাচে অভিষেক হচ্ছে উদ্বোধনী ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিমের।
    গত কয়েক বছরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের লড়াই বেশ উত্তাপ ছড়িয়েছে। দুই দলের এই লড়াইকে অনেকে ‘দ্বৈরথ’ হিসেবেও দাঁড় করিয়েছেন। যদিও ম্যাচের আগের দিন দু দলের অধিনায়কই বলেছেন উল্টো কথা।
    এখন পর্যন্ত এশিয়া কাপে ১৫ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। জয়ের পাল্লাটা লঙ্কানদেরই ভারি, ১২ ম্যাচে জিতেছে তারা। যদিও বাংলাদেশের তিন জয় এসেছে শেষ ম্যাচে। ওয়ানডেতে এখন অবধি ৫১ বারের দেখায় ৪০টি জিতেছে শ্রীলঙ্কা, টাইগারদের জয় নয়টিতে।
    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক অভিষেক হচ্ছে তানজিদ হাসান তামিমের। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ১৪৩তম ক্রিকেটার এই উদ্বোধনী ব্যাটার। শেষ মুহূর্তে এনামুল হক বিজয়কে উড়িয়ে নিলেও নাঈম শেখের ওপরই আস্থা রেখেছে বাংলাদেশ।
    লঙ্কানদের বিপক্ষে তিন পেসারের সঙ্গে সমান সংখ্যক স্পিনার নিয়ে নামছে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে রয়েছেন শেখ মেহেদী হাসান।
    বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, শেখ মেহেদি হাসান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।
    বাংলাদেশের অপর ম্যাচটি আফগানিস্তানের বিপক্ষে।

  • এশিয়া কাপে লিটনের বদলি হিসেবে দলে বিজয়

    এশিয়া কাপে লিটনের বদলি হিসেবে দলে বিজয়

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩০ আগস্ট, ২০২৩ : বেশ কয়েক দিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন বাংলাদেশ দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাস। ভাবা হয়ছিল এশিয়া কাপের আগে সুস্থ হয়ে উঠবেন।কিন্তু লিটন সেরে উঠেনি। তাই তার বদলি হসেবে দলে নেওয়া হয়েছে এনামুল হক বিজয়।
    বুধবার (৩০ আগস্ট) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
    জ্বরের কারণে রবিবার দলের সঙ্গে যেতে পারেননি লিটন দাস। শেষ পর্যন্ত আর শ্রীলঙ্কা যাওয়া হলো না তার। জ্বরের কারণে প্রথম দফায় দলের সঙ্গে লঙ্কার ফ্লাইট মিস করেন তিনি। পরের দুইদিনেও শারীরিক অবস্থায় ছিল না উন্নতির খবর। বাধ্য হয়েই তাই বিকল্প ওপেনার বেছে নিতে হয়েছে নির্বাচকদের।
    লিটনের জন্য অবশ্য শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করছিল টাইগার টিম মানেজমেন্ট। কিন্তু ভাইরাস জ্বর থেকে এখনো সেরে উঠতে পারছেন না তিনি। যে কারণে লিটন পুরো এশিয়া কাপ থেকেই ছিটকে গেছেন। তার বদলে দলে ফেরানো হয়েছে আরেক ডানহাতি ব্যাটার এনামুল হক বিজয়কে।
    এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিজয়কে অন্তর্ভুক্ত করার প্রসঙ্গে বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, ‘বিজয় আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করেছে, বিসিবির পর্যবেক্ষণেও ছিল। লিটন এশিয়া কাপে খেলতে পারছে না, তাই বিজয়কে আমরা স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেছি।’
    অবশ্য এর আগে লিটনের বিকল্প হিসেবে ভাবা হচ্ছিল সাইফ হাসানের নাম। তবে তার ডেঙ্গু ধরা পড়ায় আর বিবেচনা করা যায়নি। এরপর জাকির হোসেনের নামটাও এসেছে জোরেশোরে। সেই পথেও হাঁটেনি বিসিবি।
    শেষ পর্যন্ত অবশ্য বিজয়ের দ্বারস্থ হয়েছে ক্রিকেট বোর্ড। ৩০ বছর বয়েসী বিজয় এর আগে বাংলাদেশের হয়ে ৪৪ টি ওয়ানডে খেলেছেন। সবশেষ তাকে দেখা গিয়েছিল ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে। জাতীয় দলে নিয়মিত না হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যাট হাতে রীতিমত রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন তিনি।
    এশিয়া কাপে অবশ্য বিজয়ের পরিসংখ্যান বেশ ভাল। মাত্র এক আসর খেলেই জায়গা করে নিয়েছেন উইজডেনের বাংলাদেশ একাদশে। খেলেছিলেন কেবল ২০১৪ সালে। সেবার বাংলাদেশ দল ভাল কিছু করতে ব্যর্থ হলেও বিজয় ছিলেন দারুণ ছন্দে। ৪ ম্যাচে ৫৬ দশমিক ৭৫ গড়ে করেছিলেন ২২৭ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০০ আর ভারতের বিপক্ষে ছিল ৭৭ রানের দারুণ দুই ইনিংস। এই সব্ মাথায় রেখে বিজয়কে দলে নেওয়া হয়েছে।
    সূত্র: বাসস