Category: রাজনীতি

  • কারো লাঠিয়াল না কি রাজনৈতিক দল হবে, বিএনপিকেই সে সিদ্ধান্ত নিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

    কারো লাঠিয়াল না কি রাজনৈতিক দল হবে, বিএনপিকেই সে সিদ্ধান্ত নিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপিকেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে তারা কি সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপারে বসে থাকা কারো লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহৃত হবে, না কি একটি  রাজনৈতিক দল হিসেবে টিকে থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, কোনো গণমানুষের সংগঠন যদি ক্রমাগতভাবে নির্বাচন বিমুখ থাকে, নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে, সেই সংগঠন আর গণমানুষের সংগঠন থাকে না, কর্মীনির্ভর স্বার্থরক্ষার সংগঠন হয়ে দাঁড়ায়। আসলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন চান তাদের স্বার্থরক্ষার জন্য বিএনপি একটা লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে থাক। সে কারণেই তিনি বিএনপিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দিতে চান না।’

    রোববার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকরা আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এ কথা বলেন।

    ঈদের পরে বিএনপির আন্দোলনের ঘোষণা প্রসঙ্গে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির এ ধরণের বাগাড়ম্বর ১৪ বছর ধরে শুনে আসছি। মানুষের কাছেও এগুলো হাস্যকর কৌতুক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপির এ ধরণের হুমকি-ধমকি তাদের কর্মীরাও বিশ্বাস করে না, আস্থাও রাখে না। গত বছর ১০ ডিসেম্বরের পর বিএনপির ভেতরে আলোচনা হচ্ছে, আন্দোলন এভাবে মাঠে মারা গেলো কেন। মাঠে মারা যাওয়া আন্দোলনকে তারা আবার জীবিত করতে পারবে না।’

    ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনে বিশ্বাস করে না’ বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্য খন্ডন করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সবসময় নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতায় গেছে। আমরা জনগণের শক্তিতে, জনগণের রায়ে বিশ্বাস করি। বরং বিএনপিই নির্বাচনে বিশ্বাস করে না, সে জন্য তারা নির্বাচন বর্জন করছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পর্যন্ত তারা বর্জন করেছে। তারা ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করেছে, প্রতিহত করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। ২০১৮ সালেও তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যেই অংশগ্রহণ করেছিলো। বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি করবে না, সেটি তাদেরই সিদ্ধান্তের ব্যাপার।’

    বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে বিএনপির সাম্প্রতিক বক্তব্য সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তাদের পরিকল্পনার অংশ হচ্ছে খালেদা জিয়াকে অসুস্থ দেখানো। খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন। কিছুদিন আগে বিএনপির নেতারা বলেছিল যে, খালেদা জিয়াকে যদি বিদেশ না নেয়া হয় তাহলে তার জীবন শঙ্কা আছে। সেটি বলার মধ্যেই আমরা দেখতে পেলাম, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েই ভালো হয়ে চলে গেছেন এবং বলেছেন যে, তিনি খুব ভালো আছেন। বিএনপিরই আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে খালেদা জিয়াকে অসুস্থ বানিয়ে রাখা, অসুস্থ দেখানো, রাজনৈতিক ফায়দা লাভের উদ্দেশ্যে বিএনপি সেটি করে আসছে।’

  • পার্বত্য জেলায় হাসি ফোটাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    পার্বত্য জেলায় হাসি ফোটাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসকারী মানুষের জীবনের মান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের কাজ করা হচ্ছে। দেশের পার্বত্য তিন জেলা অপার সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, পাহাড়ে হাসি ফোটাতে সরকার কাজ করছে।

    শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন পাহাড়িদের প্রীতি সম্মিলনী ও আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ঢাকার পাহাড়ি বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ও সাংক্রান পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটি এর আয়োজন করে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ে ঝর্না থেকে শুরু করে উর্বর ভূমি রয়েছে। কিন্তু কষ্টের জায়গাটা হলো, যখন দেখি তারা পিছিয়ে পড়েছে; যখন দেখি তারা অনেক সুবিধা বঞ্চিত। তবে সেই জায়গাটিতে কাজ করার জন্য আমরা সব সময় চেষ্টা করি।

    আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন ধর্মের ও সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করেন। তারা সবাই মিলেমিশে চলেন। এখানকার ঐক্য ইউনিক, এটা আমি লক্ষ্য করেছি। আমরা কাজ করছি, যাতে আপনাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারি।

    পাহাড়িদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সাংবিধানিকভাবে আপনাদের সংস্কৃতি, আপনাদের ভাষা ধরে রাখা আমাদের কাজ। এটা নিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। আপনারা বুক উঁচু করে বলবেন- আমরা চাকমা উপজাতি, আমরা মারমা উপজাতি, আমরা ত্রিপুরা উপজাতি। আমরা সেই আবর্তেই আপনাদের রাখব।

    শৈলজ বিকাশ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মিজ বাসন্তী চাকমা, শিল্পকলা একাডেমির দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সালাউদ্দিন আহম্মদ, ঢাকা ওয়াসার সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ক্যসাচিং মারমা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক কিরীটি চাকমা প্রমুখ।

  • শেখ জামাল হত্যার ‘মাস্টারমাইন্ড’ জিয়াউর রহমান : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

    শেখ জামাল হত্যার ‘মাস্টারমাইন্ড’ জিয়াউর রহমান : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, মেধাবী তরুণ শেখ জামালের হত্যাকারীদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিএনপি এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন এই হত্যাকান্ডের অন্যতম ‘মাস্টারমাইন্ড’। দুঃখজনক হলেও সত্য আজও তারা আস্ফালন করে।

    আজ সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র শহীদ শেখ জামালের জন্মদিন উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    শেখ জামাল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে ঘাতকদের হাতে নিহত হন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে শহীদ শেখ জামালের শুভ জন্মদিন। জন্মদিনে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। শহীদ শেখ জামাল ১৯৭১ সালে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেলের সাথে পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। সেই বন্দিদশা থেকে তিনি পালিয়ে গিয়ে পায়ে হেঁটে নানাভাবে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে আগরতলা গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।’

    হাছান মাহমুদ বলেন, শেখ জামাল পুরো নয় মাস মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সম্মুখ সমরে থেকে যুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তীতে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তিনি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হয়েছিলেন। বিশ্ব বিখ্যাত সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ব্রিটেনের ‘স্যান্ডহার্স্ট’ থেকে তিনি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি একজন মেধাবী তরুণ ছিলেন। একইসঙ্গে সংস্কৃতিমনা মানুষ ছিলেন, সংস্কৃতি চর্চা করতেন। খেলাধুলার প্রতি ছিল তার গভীর অনুরাগ।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ জামালের হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একজন মেধাবী তরুণকে হারিয়েছিল। একজন সম্ভাবনাময় তরুণ যিনি দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতেন, দেশ গঠনে অবদান রাখতে পারতেন, তাকে হত্যা করা হয়েছে।

    আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আওলাদ হোসেন শামিম, দলের জাতীয় কমিটির সদস্য বলরাম পোদ্দার ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • চলন্ত বিমানে পলকের সেলফিতে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা

    চলন্ত বিমানে পলকের সেলফিতে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিমানে উঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি সেলফি শেয়ার করেন। ছবিতে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে।

    মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সফরসঙ্গীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট রাজধানীর হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়।

    সবার কাছে দোয়া চেয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘মহান আল্লাহ আমাদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর তৌফিক দান করুন। আমিন।’

    জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে মেট্রোরেলের সমীক্ষা, জাহাজভাঙা শিল্পের আধুনিকায়ন, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ আধুনিকায়ন, শিল্পের মানোন্নয়নের অংশীদরিত্ব এবং শুল্ক খাতের সমন্বয়সহ ৮টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

    ক্যাপশনে পলক লিখেছেন, ‘আকাশে শান্তির নীড়! বাংলাদেশ বিমানে জাপানের পথে!’

    জাপান থেকে আগামী ২৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর আগামী ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংকের সদর দফতরে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের পার্টনারশিপ প্রোগামের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ২ মে সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। ৪ মে প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করবেন।

    এরপর আগামী ৪ থেকে ৮ মে যুক্তরাজ্য সফর করবেন শেখ হাসিনা। ৬ মে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের অভিষেক অনুষ্ঠান। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শেখ হাসিনা ওয়াশিংটন থেকে লন্ডন যাবেন। সেখানে লন্ডনের একটি হোটেলে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন তিনি। সফর শেষে আগামী ৯ মে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

  • বিএনপি রাষ্ট্রের পর রাষ্ট্রপতি নিয়েও হতাশ: তথ্যমন্ত্রী

    বিএনপি রাষ্ট্রের পর রাষ্ট্রপতি নিয়েও হতাশ: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, বিএনপি রাষ্ট্র নিয়ে হতাশ, তাই তারা এর পর রাষ্ট্রপতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করবে- এটাই স্বাভাবিক। তাদের আশা প্রকাশের কোনো কারণ নেই।

    রাষ্ট্র নিয়ে বিএনপি হতাশ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

    তিনি বলেন, ‘বিএনপি বাংলাদেশ রাষ্ট্র নিয়ে হতাশ বলেই নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়েও হতাশা ব্যক্ত করেছে।’

    সচিবালয়ে মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    হাছান মাহমুদ বলেন, আমি মনে করি, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি একজন বিচক্ষণ, প্রাজ্ঞ ও বুদ্ধিমান মানুষ। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে, তিনি রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে অতীতের মতোই সুচতুর ও সুচিন্তিতভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। মির্জা ফখরল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগে অনেক ভালো নেতা ছিল। তাদের রেখে একজন অচেনা মানুষকে রাষ্ট্রপতি করা হয়েছে- এ বক্তব্যকে উসকানিমূলক মনে করছেন কি না জানতে চাইলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ কাকে মনোনয়ন দেবে, সেটি কি বিএনপি ঠিক করে দেবে।

    হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ওনারা যখন ইয়াজউদ্দিন সাহেবকে রাষ্ট্রপতি বানায়, তখন তাকে কয়জন চিনত। আব্দুর রহমান বিশ্বাস ১৯৭১ সালে শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন, তাকে কয়জন চিনত। জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতা দখল করেন, জিয়াকে কয়জন চিনত। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলারস (আইএজিএস)। এ বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, আমি মনে করি, আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএজিএস যে ঘোষণা দিয়েছে, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধে যে গণহত্যা হয়েছে, আন্তর্জাতিকভাবে সেটির স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে এটি সহায়ক হবে।

    তিনি জানান, আমাদের দেশে ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ মানুষ শহিদ হয়েছেন। রুয়ান্ডাসহ বিভিন্ন দেশে গণহত্যা হিসেবে যেসব স্বীকৃতি পেয়েছে, সেখানে এত মানুষ মারা যায়নি। কিন্তু সেগুলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

    সম্প্রতি ইউরোপ সফরে কয়েকটি চুক্তি হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদেরকে তারা ১৫৬টি ডকুমেন্ট হস্তান্তর করবে। সেগুলো আমরা কিনে নিচ্ছি। সংগ্রহের পর এগুলো যখন কম্পাইল করা হবে, তখন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কারও সুযোগ আর থাকবে না।

  • আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে: তথ্যমন্ত্রী

    আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে: তথ্যমন্ত্রী

    আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।’ সেক্ষেত্রে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন বিচক্ষণতার পরিচয় দেবেন বলেও মনে করেন ড. হাছান মাহমুদ।

    এ বছর দেশের মানুষ শান্তিপূর্ণ এবং স্বস্তিদায়ক ঈদ উদযাপন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    সোমবার (২৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    এসময় মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিদায় প্রসঙ্গে বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের এই প্রথম একজন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ১০ বছর সসম্মানে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশে গণতন্ত্র অব্যাহত ছিল বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু গেলো কয়েক বছরে অনেকবার দেশের গণতন্ত্রকে নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে। সেটা সম্ভব হয়নি শেখ হাসিনার কঠোর গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য।’

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সেই নির্বাচনে সরকারের ভূমিকা খুবই গৌণ। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।’ সেক্ষেত্রে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন বিচক্ষণতার পরিচয় দেবেন বলেও মনে করেন ড. হাছান মাহমুদ।

    এসময় বিএনপির সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে রাজনৈতিক দল দেশের বিষয় নিয়ে বিদেশিদের কাছে ধরনা দেয়, সেটা দেশবিরোধী অপরাধ। তাই বিএনপি যখন বলে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সমস্যা বিদেশিরা সমাধান করবেন, সেটা তারা রাষ্ট্রবিরোধী কথা বলছেন। নিজেদের দেশের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করার জন্য যথেষ্ট আন্তরিক সরকার। বিএনপিরও এই আন্তরিকতা থাকতে হবে।’

    ‘যে দেশে দ্রব্যমূল্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মানুষ পদদলিত হয়ে মারা যায়, সেই পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে কথা বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম প্রমাণ করেছেন তিনি নিজেই পাকিস্তানি’, মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

  • বিএনপি যখন আন্দোলনের কথা বলে তখন জনগণ কিছুটা হলে শঙ্কিতবোধ করে: শিক্ষামন্ত্রী

    বিএনপি যখন আন্দোলনের কথা বলে তখন জনগণ কিছুটা হলে শঙ্কিতবোধ করে: শিক্ষামন্ত্রী

    বিএনপির ঈদ পরবর্তী আন্দোলন সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ আন্দোলন করেছে, আন্দোলনের ফসল হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ভাষার অধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পেয়েছি এবং উন্নয়ন পাচ্ছি। আর বিএনপি ও তাদের দোসর জামায়াত, তারা যখন আন্দোলনের কথা বলে তখন জনগণ কিছুটা হলে শঙ্কিতবোধ করে। কারণ তাদের পদ্ধতি হচ্ছে অগ্নিসন্ত্রাস, দেশের সম্পদ ধ্বংস করা, মানুষের জান মালের ওপর হামলা করা। আমরা জানি বাংলাদেশের মানুষ এই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ চায় না। দেশকে অস্থিতিশীল করবার যত অপচেষ্টা তার কোনোটাই মানুষ চায় না।

    রোববার বিকালে চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার কদমতলা মন্ত্রীর নিজস্ব বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিএনপি আন্দোলনের কথা বলে প্রায়শই। কিন্তু তারাতো শিখেছে হত্যা, খুন ও ষড়যন্ত্র। এটাই হচ্ছে তাদের পদ্ধতি। আন্দোলন হচ্ছে গণমানুষের দল, আওয়ামী লীগ বা আমাদের যারা সমমনা দল আছে অথবা যেসব দল মানুষের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জন্ম হয়েছে। সেসব দল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করে।

    দীপু মনি বলেন, বিএনপি যতই আন্দোলনের হুমকি দিক না কেন, আন্দোলন কখনো কোনো জনবিচ্ছিন্ন দল আন্দোলন করতে পারে না। আন্দোলন করতে হলে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন লাগে। জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন বঙ্গবন্ধু কন্যার সঙ্গে। কারণ বাংলাদেশের বর্তমান যে অবস্থান, সেখানে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বেই এসেছে। মানুষ বিশ্বাস করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে এগিয়ে যাবে, সত্যিকারের সোনার বাংলা হবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।

    মন্ত্রী বলেন, এখন  বৈশ্বিক অর্থনৈতিক যে একটি চাপ রয়েছে, সে চাপের ফলে আমাদের এখানেও হয়ত একেবারে নিম্ন আয়ের মানুষ, তারা কিছুটা চাপের মধ্যে আছে। কিন্তু আমরা বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে খাদ্য উৎপাদন বাড়াচ্ছি। যে কারণে অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় এখনো আমরা একটি স্বস্তিকর জায়গায় আছি। আমাদেরকে সে জায়গা ধরে রাখতে হবে এবং আরও ভালো জায়গায় যেতে হবে। আর সেটা সম্ভব শেখ হাসিনার নেতৃত্বের মাধ্যমে। অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী দলের মাধ্যমে এটি সম্ভব নয়। যারা হাওয়া ভবন খোয়া ভবন করে তাদের দিয়ে কখনো দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়।

    তিনি বলেন, দেশের যিনি নেতা হন, তিনি যদি এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করে তাকে দিয়ে দেশের উন্নয়ন হয় না। আর বিদেশে বসে রিমোট কন্ট্রোলে দল চালানো যারা আছেন, কিংবা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করবার জন্য বিদেশে বসে নির্দেশ দেন, ষড়যন্ত্র করেন, তাদেরকে দিয়ে কোনদিন দেশের উন্নতি হবে না। এটি দেশের মানুষ বুঝে এবং জানে। অতএব জনগণের সমর্থন জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আছে, থাকবে ইনশাআল্লাহ। আগামী নির্বাচনে জনগণের সমর্থন নিয়ে শেখ হাসিনা আবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন এটাই আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এক্ষেত্রে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

    এ সময় চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. জে আর ওয়াদুদ টিপু, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসুদুর রহমান, পুরাণ বাজার কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান বাবুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জহির উদ্দিন মিজিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঈদে দেশের অব্যাহত অগ্রযাত্রা ও বিশ্ব মুসলিমের কল্যাণ কামনা তথ্যমন্ত্রীর

    ঈদে দেশের অব্যাহত অগ্রযাত্রা ও বিশ্ব মুসলিমের কল্যাণ কামনা তথ্যমন্ত্রীর

    পবিত্র ঈদ উল ফিতরে দেশের অব্যাহত অগ্রযাত্রা ও বিশ্বের মুসলমানদের কল্যাণ কামনা করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    আজ শনিবার সকালে চট্টগ্রামে নিজ নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়ায় নিজগ্রাম সুখবিলাসের জামে মসজিদে ঈদের জামাতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ প্রার্থনা করেন। নামাজ শেষে হাছান মাহমুদ এলাকাবাসীর সাথে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন।

    ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকারের নানাবিধ ব্যবস্থার কারণে মজুতদার ও অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর রমজান মাসে ঈদ উপলক্ষে যেভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর চেষ্টা করে এবার সেভাবে বাড়াতে পারেনি। এবারের ঈদযাত্রাও অনেক স্বস্তিদায়ক হয়েছে। মানুষ অনেক শান্তিপূর্ণভাবে স্বস্তির সাথে ঈদযাত্রা করতে পেরেছে।’

    চট্টগ্রাম ৭ আসনের সংসদ সদস্য হাছান মাহমুদ বলেন, ‘পবিত্র ঈদের এই দিনে মহান ¯্রষ্টার কাছে ফরিয়াদ হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের দেশ আজ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, এই অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে।

    সেইসাথে দেশ থেকে ষড়যন্ত্র, সংঘর্ষ, হিংসা ও ঘৃণার রাজনীতি যেন চিরতরে দূরীভূত হয় এবং আমরা সবাই মিলে যেন দেশের স্বার্থকে সবার ওপরে তুলে ধরতে পারি সেই প্রার্থনা করি।’

    তিনি বলেন, ‘বিশ্বের যেসব জায়গায় মুসলমানরা অসহায় নির্যাতনের শিকার, যেমন ফিলিস্তিনে যেন তাদের দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, মায়ানমার থেকে বিতাড়িত মুসলিমদের মায়ানমার সরকার যেন ফেরত নিয়ে যায়, সেজন্য মহান আল্লাহতা’লার কাছে প্রার্থনা করি।’

  • কোন ঈদের পর বিএনপির আন্দোলন : প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রীর

    কোন ঈদের পর বিএনপির আন্দোলন : প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রীর

    ‘বিএনপি কোন ঈদের পর আন্দোলন করবে’  প্রশ্ন রেখেছেন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    সরকারি কাজে ইউরোপ সফর শেষে ফিরে শুক্রবার সকালে মন্ত্রী রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় মন্ত্রী সবাইকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানান ও নিরাপদ যাত্রা কামনা করেন।

    এ সময় ঈদের পরে বিএনপি মহাসচিবের আন্দোলনের ঘোষণা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ঈদের পরে, শীতের পরে, গ্রীষ্মের পরে, স্কুল ছুটির পরে, কুরবানির পরে, বর্ষার পরে -এ সব কথা চৌদ্দ বছর ধরে শুনে আসছি। মির্জা ফখরুল সাহেবের এ সব কথা মানুষ হাস্যকর বক্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে। আর তিনি ‘ঈদের পরে’ বলেছেন, কিন্তু কোন ঈদের পরে সেটি বলেননি। আমার প্রশ্ন- কোন ঈদের পরের কথা তারা বলছেন?’

    সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ প্রশ্নে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি এই নির্বাচন বর্জন করার কথা বললেও তাদের নেতারা যে এতে অংশ নিতে চায়, সেটি স্পষ্ট। অন্য নির্বাচনেও তাদের নেতারা স্বতন্ত্রভাবে অংশ নিয়েছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের জন্যও নেতারা ছুটোছুটি করছেন,তাদের অন্দরমহলে নান আলোচনা হচ্ছে। নির্বাচনে আসলে আমরা বিএনপিকে স্বাগত জানাই। আমার ধারণা তাদের অনেকেই মুখোশ লাগিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন। আমরা চাই, তারা মুখোশ ছাড়াই অংশ নিক।’

    ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যদি বিএনপি অংশ না নেয়, তাদের নেতাদের অংশগ্রহণ তারা ঠেকাতে পারবে না’  উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন আয়োজন করবে নির্বাচন কমিশন এবং আনন্দমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সরকার সকল সহযোগিতা দেবে, সব পর্যবেক্ষক নির্বাচন দেখবেন। এবং আমরা আশা করি, বিএনপি অংশ নেবে। কারণ নির্বাচন থেকে এভাবে পালিয়ে যেতে এক সময় বিএনপি দলটাই পালিয়ে যাবে, তখন আর তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

    সদ্যসমাপ্ত ইউরোপ সফর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জানান, যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম সেরা আর্কাইভ ব্রিটিশ পাথে এবং ডাচ সংস্থা রেডঅরেঞ্জের সাথে মুক্তিযুদ্ধের অডিও-ভিজুয়াল ফুটেজ সংগ্রহের বিষয়ে দু’টি চুক্তি হয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আর্কাইভের সমন্বয়কারী ব্রাসেলসভিত্তিক সংস্থা, এসোসিয়েটেড প্রেস এবং অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকেও ফুটেজ সংগ্রহের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে যা, দেশের ইতিহাসকে  আরো সমৃদ্ধ করবে ও বিকৃতি থেকে রক্ষা করবে।

    এ সময় সাংবাদিকরা ‘ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পেজ থেকে র‍্যাপিড একশন ব্যাটেলিয়ন-র‍্যাব নিয়ে ডয়েচেভ্যালের একটি সংবাদ শেয়ার করা বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর অবগত নয় এবং তারা ঢাকাস্থ দূতাবাসকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছে’ -এ  প্রশ্ন করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখানকার মার্কিন দূতাবাস যে বিভিন্ন ধরনের ছুটোছুটি করে, নানাজনের সাথে বিভিন্ন সময়ে বৈঠক করে, যেগুলো নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, সেগুলোর সাথে যে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের অনেক ক্ষেত্রেই সংশ্রব নেই, সেটি মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের বক্তব্যেই পরিস্কার। দূতাবাসের কোনো ব্যক্তিবিশেষ এটি শেয়ার করেছেন এবং বিরোধী দল এর প্ররোচনা দিয়েছে। আমাদের বিরোধী দলের লোকজন রাত-বিরাতে দূতাবাসে গিয়ে তাদের হাত-পা ধরে তাদেরকে যে প্ররোচিত করে, যেটা আমরা আগে থেকেই বলে আসছি, এ ঘটনায় সেটিই স্পষ্ট হয়েছে।’

  • সাবেক সভাপতি জাফর আহমেদের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

    সাবেক সভাপতি জাফর আহমেদের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

    চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক ভিপি জাফর আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    আজ ভোরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬৫ বছর বয়সে তার ইন্তেকালের সংবাদে শোকাহত মন্ত্রী প্রয়াত জাফর আহমেদের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য তথ্যমন্ত্রী হাছান তার শোকবার্তায় বলেন, ‘চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার উত্তর এওচিয়া খান বাড়ির মরহুম হাজী ছৈয়দ নূরের পুত্র জাফর আহমেদ তার জীবদ্দশায়  চট্টগ্রাম কলেজের ভিপি, নগর ছাত্রলীগের সভাপতি এবং পলোগ্রাউন্ড বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা সবাই তার আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করি।’