Category: রাজনীতি

  • বিএনপি চায় নির্বাচন বাধাগ্রস্থ করতে: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপি চায় নির্বাচন বাধাগ্রস্থ করতে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৮ আগস্ট, ২০২৩ : আওয়ামী লীগ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ।

    তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি চায় নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ করতে। কাজেই নিষেধাজ্ঞা আর ভিসানীতি কার ওপর প্রয়োগ হয় তাই দেখা হবে।’

    আজ শুক্রবার (১৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, অর্থ পাচার করেছে, গণতন্ত্রকে হত্যা করে ভোট চুরির রাজনীতি শুরু করেছে। বিএনপি গণতন্ত্রের নামের লেবাসধারী ফ্যাসিস্ট। তারাই আন্তর্জাতিক মহলে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত, তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের যুদ্ধ।’

    বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিদেশীদের মাথাব্যথা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা ধমক মারে, হুমকি দেয়, এখন আবার ভিসানীতি প্রয়োগ করেছে। অথচ এমন হুমকি বিএনপির বেলায় নেই। কিন্তু নির্বাচনে বাধা দিচ্ছে বিএনপি। ফলে ভিসানীতিতে তারা পড়ে, আমরা না।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, গরুর হাট গোলাপবাগে বিএনপির কর্মীরা হতাশায় ছিল। এখন সরকারের পদত্যাগ চাওয়ার আন্দোলনে কর্মীদের ২-৫ হাজার টাকা দিয়ে আন্দোলন করাতে ঢাকায় আনা হচ্ছে। তাই তত্ত্বাবধায়ক চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে পাকিস্তানে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অনেক জায়গায় ছাত্রলীগের কমিটি নেই। অবিলম্বে কমিটি দিতে হবে। ছাত্রলীগে কারা অনুপ্রবেশকারী তাদের চিহ্নিত করে সংগঠনকে সৃজনশীল সংগঠন হিসেবে বজায় রাখতে হবে।

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন।
    সূত্র : বাসস

  • গণতন্ত্রের পথে হাঁটলেই বিএনপির লাভ: তথ্যমন্ত্রী

    গণতন্ত্রের পথে হাঁটলেই বিএনপির লাভ: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১১ আগস্ট, ২০২৩ : গণতন্ত্রের পথে হাঁটলেই বিএনপির লাভ, বলে জানিয়েছেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত সভায় সমসাময়িক প্রসঙ্গে মন্ত্রী এ অভিমত প্রকাশ করেন।
    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি এমন একটা দল, যে দল করলে সংসদ নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচন দূরে থাকুক, ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার বা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নির্বাচনও করা যায় না। তাদের নেতা-কর্মীদের আমি জিজ্ঞাসা করবো- যেই দল করলে কোনো নির্বাচনই করা যায় না, আপনাদের কি ঠেকা পড়েছে সেই দল করে তারেক রহমানের লাঠিয়াল বাহিনী হয়ে থাকার!’

    তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান যতদিন নির্বাচন করতে না পারবেন, ততদিন বিএনপির কেউ ইউনিয়ন মেম্বার নির্বাচনও করতে পারবেন না -এটিই এখন তাদের নীতি। কিন্তু বিএনপি আগামী নির্বাচন বর্জন করলে বুঝতে পারবে, তাদের নেতা-কর্মীরা বর্জন করে নাই এবং কম্বল বাছতে গিয়ে দেখবে পুরো কম্বলই উজাড় হয়ে গেছে। সুতরাং বিএনপিকে বলবো, গণতন্ত্রের পথে হাঁটলেই তাদের লাভ এবং তাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে বলবো, আর কতোদিন আপনারা চাপিয়ে দেয়া সিদ্ধান্ত অনুসরণ করবেন, এটা করে বিএনপি আজ খাদের কিনারে, আগামী নির্বাচন বর্জন করলে খাদের মধ্যেই পড়ে যাবে।’

    বিএনপির গণমিছিল সম্পর্কে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, বিএনপির গণমিছিল থেকে যদি মানুষের ওপর হামলা হয়, পুলিশের ওপর হামলা হয়, মানুষের সহায়-সম্পত্তি নষ্ট করা হয়, আমরা ছেড়ে দেবো না। আমরা জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।

    হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি গত কয়েক বছর ধরে বিদেশিদের কাছে গিয়ে অনেক অনুনয়-বিনয় করেছে। শেষে তারা দেখতে পেলো, তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতি বিদেশিরা কোনো সমর্থন জানালো না এবং তারা যা চেয়েছিলো তার কিছুই হচ্ছে না। এখন তারা ভিন্ন সুরে কথা বলা শুরু করেছে। এখন তারা বলছে, ভারত কি বললো তাতে কিছু আসে-যায় না, যুক্তরাষ্ট্র বা ইইউ কি বললো তাতেও কিছু যায়-আসে না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘তারা দেখেছে, ক’দিন আগে সফরে আসা যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা বিএনপির কোনো দাবি নিয়ে কিছু বলেননি। একই কারণে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সমন্বিত ইলেকশন মনিটরিং গ্রুপের সাথে বৈঠকটিই বিএনপি বাতিল করেছে। আশাহত বিএনপি বুঝেছে বিদেশিদের পেছনে ছুটে কোনো লাভ নেই।’

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশ বাংলাদেশের মানুষের, অন্য কারো নয়। যদি যেতে হয়, জনগণের কাছে যেতে হবে। মহিলা নেত্রীদের নিয়ে সাজগোজ করে বিদেশিদের কাছে গিয়ে বিএনপির কোনো লাভ হয়নি, জ্বালাও-পোড়াও করেও কোনো লাভ হয়নি। এই অপরাজনীতি বন্ধ হওয়া দরকার।’

    এর আগে বঙ্গবন্ধু, তার সহধর্মিনী বঙ্গমাতা ও তাদের পরিবারের সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হয়ে ওঠার পেছনে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অবদান অসামান্য।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনে বহুবার বহু সময় কারাগারে কেটেছে। তিনি যখন কারাগারের বাইরে থাকতেন, বঙ্গমাতা তখন সংসার সামলেছেন আর বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে থাকতেন, তখন বঙ্গমাতা দল এবং সংসার দু’টোই সামলেছেন।

    হাছান মাহমুদ উল্লেখ করেন সারাজীবন সাধারণ মহিলার মতো জীবন-যাপনকারী নিভৃতচারী মহীয়সী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষণগুলোতে কিভাবে তার স্বামী বঙ্গবন্ধুর পাশে দাঁড়িয়েছেন, সেগুলো আমরা বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন লেখা ও আলোচনা থেকে জানতে পারি ।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যূত্থানের পর আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন এবং তাকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দেন। বঙ্গবন্ধু নিজেই সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং রাওয়ালপিন্ডি থেকে টেলিফোনে সেটি বঙ্গমাতাকে জানান। বঙ্গমাতাও একইমত পোষণ করেন ও প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের জন্য বঙ্গবন্ধুকে ধন্যবাদ দেন।

    হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু ক্ষমতার লোভ করেননি, প্রধানমন্ত্রী হতে চাননি, বাংলার স্বাধীনতার পথে এগিয়ে গেছেন, বঙ্গমাতা পরিবার নিয়ে তার সাথে থেকেছেন। বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হয়েছে, জাতির দিকে তাকিয়ে বঙ্গমাতা অবিচল থেকেছেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিনও বঙ্গমাতা তার কন্যা শেখ হাসিনা ও তার সদ্যজাত শিশু জয়, শেখ রেহানা, শেখ রাসেলসহ পাকিস্তানিদের হাতে বন্দীত্ব সহ্য করেছেন।

    এমন কি মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে প্রথমে তার পরিবারের কাছে নয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে জনতার কাছে গেছেন স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু প্রমাণ করেছেন, সত্যিকারের রাজনীতিকের কাছে জনতাই প্রথম, পরে পরিবার এবং পরিবার তা মেনে নেয় ও পাশে থাকে।

    বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আসরারুল হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানের পরিচালনায় উক্ত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জাতীয় কমিটির সদস্য এডভোকেট বলরাম পোদ্দার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, একুশে পদকপ্রাপ্ত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল প্রমুখ । শেষে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, তাদের পরিবার এবং দেশ ও মানুষের মঙ্গল কামনা করে দোয়া পরিচালিত হয়।

    সূত্র : বাসস

  • শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে বিজয়ের বন্দরে আমরা পৌঁছাবো: সেতুমন্ত্রী

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে বিজয়ের বন্দরে আমরা পৌঁছাবো: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৬ আগস্ট, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা। এই সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শপথ নিন, প্রস্তুত হোন বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, অনেক রক্তঝরার বাংলাদেশ, এই দেশ, আমার পতাকা পাকিস্তানের বন্ধুদের হাতে আমরা তুলে দেব না, দিতে পারি না। ভয় নেই, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে বিজয়ের বন্দরে আমরা পৌঁছাবো।’

    ওবায়দুল কাদের আজ রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে; আবারও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ শত প্রতিকূলতার মাঝেও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। শেখ হাসিনা কারও কাছে মাথা নত করেন না। ভয় পাবেন না; ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।’

    তিনি বলেন, ‘বিএনপির চেয়ে আমাদের লোকবল অনেক বেশি। ভয় নেই, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে আওয়ামী লীগ। এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনা বাংলাদেশের আস্থার ঠিকানা।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশ্ব সংকটের মধ্যেও একজন শেখ হাসিনা সবকিছু শক্ত হাতে মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। এখন বাংলাদেশ পৃথিবীর অনেক দেশ থেকে ভালো অবস্থানে রয়েছে। কিছু দুঃখ আছে। দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। আমরা কষ্ট পাচ্ছি। বড় বড় দেশগুলোর জন্য দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। তবুও সব সামলিয়ে তিনি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সংকট ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা মাথা নত করতে জানেন না।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন আমরাই পারি। উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোল মডেল। নিজ দেশের টাকায় পদ্মা সেতু করে শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন, ইয়েস আমরাই পারি।

    সূত্র: বাসস

  • আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে: হাছান মাহমুদ

    আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে: হাছান মাহমুদ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী  এবং  আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে।

    তিনি গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এর আগে রাজশাহী বিএনপির আহ্বায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন এরপর সিরাজগঞ্জে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল হাসান রঞ্জন জননেত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে যে ষড়যন্ত্রটা করছে, সেটিরই বহি:প্রকাশ হচ্ছে তাদের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের এই সমস্ত বক্তব্য।’

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর স্বাধীনতাবিরোধী দেশি ও আন্তর্জাতিক অপশক্তি মিলে বঙ্গবন্ধুকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে হত্যার পথ বেছে নিয়েছিলো। আজকেও বিএনপিসহ যে রাজনৈতিক অপশক্তি বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তারা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে, পরপর তিনবার জনগণের রায় নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিলো  আজকে বিএনপি  যে সেই একই পথে হাঁটছে, একই পরিকল্পনা করছে, বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতাদের এ সমস্ত বক্তব্য তারই বহি:প্রকাশ।’

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি দুটি ষড়যন্ত্র নিয়ে এগুচ্ছে। একটি হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এলিমিনেট’ করা, আরেকটি হচ্ছে দেশে একটি অস্বাভাবিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে দেশটাকে অপশক্তির হাতে তুলে দেওয়া। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ সেটি হতে দেবে না।  সিরাজগঞ্জে যে ঘটনা ঘটেছে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। বিএনপিরই উচিত ছিলো তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সেটি না করে বরং তার পক্ষ অবলম্বন করে বিএনপি স্বীকার করে নিয়েছে এটি তাদেরই বক্তব্য।’

    বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেবকে ‘তত্ত্বাবধায়ক রোগে’ পেয়ে বসেছে। এটি মির্জা ফখরুল সাহেবের গতানুগতিক প্রতিদিনের বক্তব্য। তাদের তত্ত্বাবধায়ক  সরকারের এই দাবিটা আন্তর্জাতিকভাবে কারো সমর্থন পায়নি। এমন কি যুক্তরাষ্ট্রও তাদের এই দাবিকে সমর্থন করেনি। এটা শুধু মির্জা ফখরুল সাহেবের মুখের মধ্যেই আছে। আশা করি তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার রোগ থেকে মুক্তি লাভ করবেন।’

    মার্কিন ভিসা নীতি নিয়ে চীনের মন্তব্যের বিষয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র নীতি হচ্ছে সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের দ্বিমুখী অবস্থান আন্তর্জাতিকভাবে আমরা বিভিন্ন সময় দেখি। এই ক্ষেত্রেও চীন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি নিয়ে মন্তব্য করেছে, আমরা সেটা পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের সাথে দু’দেশেরই অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের উন্নয়ন সহযোগী, গত ৫১ বছরে আমাদের পথচলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। তাদের সাথে সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। একইসাথে চীনও আমাদের উন্নয়ন সহযোগী এবং এ দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। সুতরাং সব দেশের সাথেই আমাদের অত্যন্তভালো সম্পর্ক।’

    সূত্র: বাসস

  • পৃথিবীর একশ’রও বেশি দেশের বাজেটেই ঘাটতি থাকে: হাছান মাহমুদ

    পৃথিবীর একশ’রও বেশি দেশের বাজেটেই ঘাটতি থাকে: হাছান মাহমুদ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে বলেন, ‘বাজেট নিয়ে যে ‘পেশাদার সমালোচক’রা বলেন তারা অনেক গবেষণা করেন, বাজেটের ঘাটতিকে বড় করে দেখান, তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি  আমাদের দেশে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপির অনুপাতে ঘাটতি ৫ দশমিক ২ শতাংশ আর ভারতের ক্ষেত্রে এ ঘাটতি ৫ দশমিক ৯ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। শুধু তাই নয় পৃথিবীর একশ’রও বেশি দেশের বাজেটেই ঘাটতি থাকে। ’

    গতকাল রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ‘রাজনৈতিক সমালোচক’রা তো বাজেট না পড়েই বক্তব্য দিয়েছেন। আসলে এ বাজেট জনবান্ধব, গরিববান্ধব। কারণ বাজেটে সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি উপকারভোগী, ভাতাভোগীর সংখ্যা এবং ভাতার পরিমান বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে এবং সরাসরি ২ কোটি মানুষ সরকারের কাছ থেকে নানাভাবে অর্থসহ বিভিন্ন সহায়তা পাবে। যারা পাবে তারা সবাই দরিদ্র। তাহলে কি এটি গরিববান্ধব বাজেট নয়!’

    সাংবাদিকরা এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, আমেরিকা না গেলে কিছু আসে যায় না, পৃথিবীতে অনেক মহাদেশ আছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন ভিসা নীতি ঘোষণার পর যারা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে টেনশনে আছে, তাদের টেনশন কমানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেছেন। আমাদের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা সেই সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করতে চাই এবং সে কারণে আপনারা দেখেছেন যে, সরকার পররাষ্ট্র এবং আরো অন্যান্য বিষয়ে অনেক ইতিবাচক সিদ্ধান্ত  গ্রহণ করেছে। একই সাথে অন্যান্য দেশ-মহাদেশ যেমন, দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দূরপ্রাচ্যের আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে এবং ওশানিয়া অঞ্চলে বাণিজ্যের প্রচুর সম্ভাবনাময় এলাকায় আমরা বাণিজ্য বাড়াতে চাই। প্রধানমন্ত্রী সে কথাই বলেছেন।’

    কর আরোপ প্রসঙ্গে ড. হাছান বলেন, ‘বাধ্যতামূলক কর দিতে হবে এটা সঠিক নয়। যাদের টিন (ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) সার্টিফিকেট আছে কিন্তু ট্যাক্স ফাইল করে না, তাদের ২ হাজার টাকা ফি দিয়ে ট্যাক্স ফাইল করার কথা বলা হয়েছে।’

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য ‘সরকারের পেছনে আজরাইল দাঁড়িয়ে আছে’ এর সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘আজরাইল উনাদের পেছনেও আছে, আজরাইলের সাথে শয়তানও আছে। ফখরুল সাহেব যে বিষয়কে ইঙ্গিত করে বলেছেন, সেটি যদি আজরাইল হয় তাহলে সেই আজরাইল উনাদের অনেক বেশি কাছাকাছি কারণ যার সাথে শয়তান থাকে, আজরাইল তার কাছে আগে পৌঁছায়। মির্জা ফখরুল সাহেবকে এ জন্য বলবো, এ ধরণের বক্তব্য রেখে আত্মতুষ্টির চেষ্টা করে কোনো লাভ হবে না। আপনাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মাঠে মারা গেছে এবং সারা দুনিয়ার কোনো জায়গা থেকে সমর্থন পায় নাই। সুতরাং আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করুন।’

    বিএনপি তাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলাকারী ও সংশ্লিষ্ট পুলিশের তালিকা করছে এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও তালিকা করছি। যারা আগুন সন্ত্রাস চালিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের ওপর হামলা পরিচালনা করেছে, গাড়িঘোড়া ভাংচুর করেছে, অগ্নিসংযোগ করেছে, ভোটে বাধা দিয়েছে, তাদের এবং তাদের হুকুমদাতা, অর্থদাতাদেরও তালিকা আমরা করছি। বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে, সেগুলো এক জায়গায় করছি। আমাদের কাছ থেকে অনেকে তালিকা চেয়েছে। খুব সহসা যে সমস্ত জায়গায় দেওয়া প্রয়োজন, পৌঁছানো প্রয়োজন সে সবখানে আমরা তালিকা দেবো।’

    সূত্র : বাসস

  • দেশে আওয়ামী লীগের সমর্থন আছে কিনা দেখার জন্য বিএনপিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবেঃ তথ্যমন্ত্রী

    দেশে আওয়ামী লীগের সমর্থন আছে কিনা দেখার জন্য বিএনপিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবেঃ তথ্যমন্ত্রী

    দেশে আওয়ামী লীগের সমর্থন আছে কিনা তা দেখার জন্য বিএনপিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    শনিবার ছাত্রলীগ আয়োজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন।

    হাসান মাহমুদ বলেন, ‘ফখরুল সাহেব বলেছেন আমাদের আওয়ামী লীগের সরকার নাকি দেশ-বিদেশে সমর্থন হারিয়েছে। দেশে আমাদের সমর্থন দেখার জন্য তাদের আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানাই। আসুন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন।’

    আন্তর্জাতিক সমর্থনের বিষয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তিন দেশে সফর করেছেন। যারা সফরসঙ্গী হয়েছেন, তাদের মুখে শুনলে ভালো হয় কিভাবে জাপান প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান করেছে এবং ৩০ বিলিয়ন ইয়েন নানা প্রকল্পে সহায়তার চুক্তি করেছে। বিশ্বব্যাংক তাদের ভুল অনুধাবন করে শনিবার বন্ধের দিন প্রধানমন্ত্রীর জন্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী সময় দিতে পারছিলেন না। তিনি বলেছেন শনিবার ছাড়া সময় নেই। বিশ্বব্যাংক ২.২৫ বিলিয়ন অর্থ সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, “যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বলেছেন, ‘আপনি আমার আইডল এবং আমার স্ত্রী-মেয়েদেরও আইডল।’ ফখরুল সাহেব এগুলো বুঝতে না পারলে কানের পরীক্ষা, দেখতে না পারলে চোখের পরীক্ষা করা দরকার।”

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার সার্থকতা সেখানেই, আজকে পাকিস্তান আমাদের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। আজকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেন বাংলাদেশ পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমরা সব সূচকে, ইকোনমিক ইনডেক্স, সোশ্যাল ইনডেক্স, হিউম্যান ইনডেক্স, হেলথ ইনডেক্স সব সূচকে আমরা অনেক আগে পাকিস্তানকে অতিক্রম করেছি।’

    ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আরো বক্তব্য দেন সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুল, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

  • সরকার পতনের দিনক্ষণ জানা থাকলে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা যেত : ওবায়দুল কাদের

    সরকার পতনের দিনক্ষণ জানা থাকলে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা যেত : ওবায়দুল কাদের

    বিএনপির সরকার পতনের ঝড় লন্ডন থেকে না ঠাকুরগাঁওথেকে আসবে তার দিনক্ষণ প্রকাশ করতে মির্জা ফখরুল ইসলামের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও  সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
    তিনি বলেন, ‘সরকারকে কবে বিদায় নিতে হবে- তার দিনক্ষণ জানা থাকলে বিদায় নিতে একটি প্রস্তুতিও নিতে পারবে সরকার। বিএনপি’র পক্ষ থেকে প্রতিদিনই বলা হচ্ছে যে- সরকারের সময় শেষ। তাই, দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমি মির্জা ফখরুলের কাছে জানতে চাই দিনটা কখন। গত ১০ বছর ধরেই এই কথা শুনে আসছি।’
    ওবায়দুল কাদের আজ দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী ওলামা লীগের প্রথম ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনে এ কথা বলেন।
    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই সরকারের সময় কখন শেষ হবে তা নির্ধারণ করবে এ দেশের জনগণ। এ দেশের নেতৃত্ব আগামী দিনে কারা দেবে, তাও এ দেশের জনগণ ঠিক করবে। আওয়ামী লীগকে কচুপাতার ওপর ভোরের শিশির বিন্দু মনে করলে বিএনপি ভুল করবে।
    তিনি বলেন, বিএনপি আছে সরকার পতনের আন্দোলন নিয়ে, আর আওয়ামী লীগ আছে জনগণের জানমাল রক্ষার আন্দোলনে। দেশের মানুষ মনে করে, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ।
    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আছে সরকার পতনের আন্দোলন নিয়ে, আর আমরা আছি জানমাল রক্ষার আন্দোলন নিয়ে। আমাদের তার জন্য শান্তি সমাবেশ করতে হচ্ছে।
    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করেছেন। আমরা এখন একটি সংকটের মধ্যে আছি। যেটা আমাদের সৃষ্টি নয়। করোনা মহামারি সামলানোর পর যুদ্ধ শুরু হয়। ফলে জ্বালানি ও ডলারের দাম বেড়ে যায়। বেড়ে যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও। অনেক পণ্যই বাইরে থেকে আমদানি করে আনতে হয়। কিছু পণ্য আনা কমিয়ে দিলে মানুষের কষ্ট বাড়বে।
    তিনি বলেন, শেখ হাসিনার মতো নেত্রী আছে বলেই, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ ভালো আছে। একটি দল তাকে নিয়ে অপপ্রচার করে যাচ্ছে। অথচ সারা দুনিয়া তাকে নিয়ে প্রশংসা করছে। তিনি থাকলে দেশ পথ হারাবে না।
    বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের আহ্বায়ক ড. কে এম মোমেন সিরাজীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।

    সূত্র : বাসস

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিশ্বনেতা : তথ্যমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিশ্বনেতা : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতা নন, বিশ্বনেতায় রূপান্তরিত হয়েছেন।
    তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় বিএনপি’র মহাসচিবসহ অন্যান্য নেতারা বিশ্বময় বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে গ্রহণযোগ্যতা, তার প্রতি বিশ্বনেতৃবৃন্দের এবং বিশ্বঅঙ্গনের যে আস্থা, সেটি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন।’
    আজ দুপুরে চট্টগ্রামে বেসরকারি ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সেশন প্রারম্ভ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে বিএনপি নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে অত্যন্ত সফল সফর করে এসেছেন। পদ্মা সেতু থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া বিশ্বব্যাংক নিজেরাই বাংলাদেশকে ২.২৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রস্তাব করেছে। জাপান বিভিন্ন প্রকল্পে ৩০ বিলিয়ন ইয়েন সাহায্য করবে। আর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে বলেছেন যে, আপনি আমাদের আইডল, আমার মেয়েদেরও আইডল। আর বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়ে ১৬ মে জাতিসংঘ ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’  প্রস্তাব এনে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে, সেই প্রস্তাব বাংলাদেশের সাথে ৭১টি দেশ কো-স্পন্সর করেছে যা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।’
    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এরপর জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকারের গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বময় আছে কি না তা বলার কোনো প্রয়োজন নেই। যাদের বুদ্ধি, বোধশক্তি আছে, তারা এগুলো বুঝতে পারে, শুধু বিএনপি নেতারাই তা বোঝেন না। দৃষ্টিহীনতা ও শ্রবণহীনতার সাথে তারা বোধশক্তিহীনও হয়ে গেলেন কি না সেটি আমার বোধগম্য নয়।’
    বিএনপির আন্দোলন প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, গাড়ি বসে গেলে সেটিকে মাঝে মধ্যে যেমন স্টার্ট দিতে হয়, বিএনপির আন্দোলনের কর্মসূচিও সেরকম। কারণ বিএনপি দলটাইতো বসে গেছে। যাতে জং ধরে না যায়, সেজন্য মাঝে মধ্যে স্টার্ট দেয়ার মতো তারা আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়। এছাড়া অন্য কোন কিছু নয়।
    এর আগে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সেশন শুরু অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হাছান বলেন, ‘শুধু পাঠদান আর সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক মেধার বিকাশ ঘটানো, জীবন গড়া, জীবন সংগ্রামে উজান ঠেলে সামনের দিকে এগিয়ে জয়ী হওয়া শেখাতে হবে। আশা করি, এই বিশ্ববিদ্যালয় সেটি পারবে।’
    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সাঈদ আল নোমান। রেজিস্ট্রার সজল কান্তি বড়ুয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সূত্র : বাসস

  • শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার স্বীকৃতি জাতিসংঘেও : তথ্যমন্ত্রী

    শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার স্বীকৃতি জাতিসংঘেও : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জাতিসংঘ শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছে এবং তাঁর সরকার পরিচালনার ধরণ এবং জনগণের জন্য তাঁর যে কাজ এটিকে জাতিসংঘও স্বীকৃতি দিয়েছে।
    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিন্তাপ্রসূত কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা জাতিসংঘে ‘দি শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ শিরোনামে প্রস্তাব হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয় আজকে জাতিসংঘ  শেখ হাসিনার প্রশংসা করে এবং তাঁর সরকার পরিচালনার ধরণ এবং জনগণের জন্য তাঁর যে কাজ এটিকে জাতিসংঘও স্বীকৃতি দেয়।’
    মন্ত্রী আজ দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তারা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে এ কথা বলেন।
    তিনি বলেন, জাতিসংঘে ১৬ তারিখে যখন ‘শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ প্রস্তাবটি পাস হয়েছে, তখন আমাদের এখানে ১৭ তারিখ অর্থাৎ কাকতালীয়ভাবে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন। বিশ্বের ৭১টি দেশ বাংলাদেশের সাথে এই প্রস্তাব কো-স্পন্সর করেছে যা জাতিসংঘে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।
    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য ‘মোখা’র মতো রাজনৈতিক অঙ্গণে একটা ঝড় আসছে -এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আশ্চর্যের  বিষয়, একটি প্রাকৃতিক ঘূর্ণিঝড় আমাদের দেশের উপকূলে আঘাত হানার পূর্বক্ষণে মানুষ যখন আতংকিত-শংকিত, মানুষ যখন জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত, সে সময় কোথায় ‘মোখা’ যাতে আমাদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে সে জন্য মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা, সেটি না করে বরং সেটিকে নিয়ে রাজনীতির সাথে মেলানো এবং উপহাস করা একজন রাজনীতিবিদের সাজে না।’
    ‘আর এখন তো ‘মোখা’ পাশ কাটিয়ে চলে গেছে, ‘মোখা’র মতোই বিএনপির আন্দোলনও পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি হাঁটা শুরু করছে, হাঁটুক। উনারা কিছুদিন আগে হেঁটেছেন এখন আবার সমাবেশ করবেন বলছেন, আবার পদযাত্রা কর্মসূচিও না কি দেবেন। উনারা হাঁটাহাঁটি করলে ভালো।’
    বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘সকল কূটনীতিককে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। কিন্তু দেশে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার পর কয়েকজন কূটনীতিককে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিলো। আমাদের সরকার অত্যন্ত সফলভাবে জঙ্গিদের দমন করতে সক্ষম হয়েছে। জঙ্গি দমনে সক্ষমতায় আমরা অনেক উন্নত বড় দেশের চেয়েও বেশি সক্ষমতা দেখাতে পেরেছি। বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর থেকে এ রকম বাড়তি নিরাপত্তা কূটনীতিকদের দেওয়া হতো না। কয়েকজন কূটনীতিককে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার পর বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিলো। সেটি এখন যেহেতু প্রয়োজন নাই সে জন্য প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু তাদের নিরাপত্তা অব্যাহত আছে।’
    হাছান মাহমুদ  বলেন, ‘তদুপরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এটাও সুস্পষ্ট করেছেন, কেউ যদি বাড়তি নিরাপত্তা সরকারের কাছে চায় এবং সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করে, তাদের সেটি দেওয়া যেতে পারে। আর এ ক্ষেত্রে কোনো দেশের সাথে সম্পর্কের কোনো বিষয় নাই, এটি রুটিন ওয়ার্ক।’ সূত্র : বাসস

  • শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি : মতিয়া চৌধুরী

    শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি : মতিয়া চৌধুরী

    সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসেছিলেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি।
    তিনি বলেন, ‘সেদিন ঝড়-বৃষ্টি শেখ হাসিনাকে থামাতে পারেনি। তিনি ঠিকই গণতন্ত্রকে উদ্ধার করেছেন। তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি, মানুষের অধিকার ফিরে পেয়েছি।’
    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
    আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা যেদিন ফিরে এসেছিলেন সেদিন প্রকৃতিও অঝর ধারায় কেঁদেছিল। সেদিন এয়ারপোর্টে লাখ লাখ জনতার মুখে স্লোগান ছিল ঝড়বৃষ্টি আঁধার রাতে, শেখ হাসিনা আমরা আছি তোমার সাথে।
    মতিয়া চৌধুরী বলেন, আজকে এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কনভেনশন হলে দাঁড়িয়ে বলতে পারি চিকিৎসা সুযোগ নয়, চিকিৎসা আমার অধিকার। এভাবেই উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।
    যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা: মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
    শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছিলেন বলেই গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার হয়েছিল। তিনি ফিরে এসেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে।
    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই এদেশে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল হয়েছে। এদেশের কোন রোগী যেন বাহিরে না যায়, সে জন্য শেখ হাসিনা দেশেই উন্নতমানের চিকিৎসা ব্যবস্থা করেছেন। দেশে ১১৩টি মেডিকেল কলেজ হয়েছে, এখন দেশে চিকিৎসকের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার।  সূত্র : বাসস