Category: লিড নিউজ

  • প্রথম ২ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

    প্রথম ২ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৪ মে, ২০২৪: প্রথম ম্যাচে খুব ভালো খেলতে পারেনি। হেরে যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। ভাবা হয়ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে জিতে সমতা ফেরাবে বাংলাদেশ। কিন্তু ২য় ম্যাচে আরও হতাশার ডুবিয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং বোলিং দুই বিভাগেই ব্যর্থ। বাংলাদেশকে ৬ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিতে নিলো বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকরা যুক্তরাষ্ট্র।

    যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটে এটা ইতিহাস। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ ছিল এটি। আর প্রথম দেখাতেই টেস্ট খেলুড়ে দলকে হারিয়ে সিরিজ জিতে নিলো দেশটি।

    বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ছিল ১৪৫ রানের। শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন সৌম্য সরকার। দলীয় ১ রানের মাথায় গোল্ডেন ডাকে ফেরেন বাঁহাতি এই ওপেনার।

    তানজিদ হাসান তামিম শুরুটা করেছিলেন ভালো। কিন্তু ১৫ বলে একটি করে চার-ছক্কায় ১৯ করে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত উইকেটে থাকেন অনেকটা সময়। তবে তার ইনিংসটি ঠিক টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানানসই ছিল না।

    ৩৪ বলে ২ চার আর ১ ছক্কায় ৩৬ রান করে তাওহিদ হৃদয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে তিনি হন রানআউটের শিকার। ২১ বলে এক ছক্কায় ২৫ রানের বেশি এগোতে পারেননি হৃদয়ও। ইনসাইডেজে তিনি বোল্ড হন অ্যান্ডারসনের বলে। এর এক ওভার পর অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহও (৪ বলে ৩) বোল্ড হলে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ১০৬ রানে হারায় ৫ উইকেট।

    আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটার সাকিব আল হাসান হাল ধরেন। দল যখন জয় থেকে ২১ রান দূরে, ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন জাকের আলি (৫ বলে ৪)। ৪ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

    ২৩ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৩০ রান করে আলি খানের বলে ইনসাইডেজে বোল্ড হয়ে যান সাকিবও। অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার ফেরার পরই সব আশা শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৯.৩ ওভারে ১৩৮ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা।

    যুক্তরাষ্ট্রের আলি খান ২৫ রান দিয়ে নেন তিনটি উইকেট।

    এর আগে ৬ উইকেটে ১৪৪ রান তুলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। প্রেইরি ভিউতে ব্যাট করতে নেমে রয়েসয়ে খেলে তারা। কঠিন বল পেলে খেলেছে রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে, আর খারাপ বল পেলেই হাঁকিয়েছে বাউন্ডারি কিংবা ছক্কা।

    মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব ও শরিফুল ইসলামকে দেখেশুনে খেলে উদ্বোধনী জুটিতে ৪৪ রান করেন দুই ওপেনার স্টেভেন টেইলর ও মোনাঙ্ক প্যাটেল। সপ্তম ওভারে বল করতে এসেই জুটি ভাঙেন রিশাদ হোসেন। দুই বলে দুই উইকেট শিকার করেন এই অফস্পিনার।

    ওভারের চতুর্থ বলে রিশাদকে লংঅন অঞ্চলে উড়িয়ে মারেন টেইলর। সেখানে ফিল্ডিং করছিলেন তানজিদ হাসান তামিম। সুযোগ মিস করলেন না তিনি। টেইলরের (২৮ বলে ৩১) সহজ ক্যাচটি মুষ্ঠিবদ্ধ করেন তিনি।

    পরের বল গুডলেন্থের করেন রিশাদ। নতুন ব্যাটার গাউস (১ বলে ০) কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাইরের দিকে বেরিয়ে যাওয়া বলটি ব্যাটে স্পর্শ করিয়ে দেন। সহজ ক্যাচ নেন উইকেটরক্ষক জাকের আলি।

    এরপর তৃতীয় উইকেটে আবার জুটি করেন স্বাগতিক দলের দুই ব্যাটার প্যাটেল ও জোনস। দেখেশুনে খেলে ৫৬ বলে ৬০ রানের জুটি করেন তারা। অবশেষে তাদের সেই জুটি ভাঙেন মোস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি এই পেসারকে লংঅনে উড়িয়ে মারার চেষ্টা করেন জোনস (৩৪ বলে ৩৫)। বাউন্ডারি লাইন থেকে দ্রুত গতিতে দৌড়ে এসে তাকে সহজ ক্যাচ বানান মাহমুদউল্লাহ।

    এদিন কোরি অ্যান্ডারসনকে সুবিধা করতে দেননি পেসার শরিফুল। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে তাকে বোল্ড করে দেন বাঁহাতি পেসার। ১০ বলে ১১ রান করেন অ্যান্ডারসন। এ্কই ওভারের চতুর্থ ফিফটির পথে হাঁটতে থাকা প্যাটেলকেও (৩৮ বলে ৪২) বোল্ড করেন শরিফুল।

    প্রথম টি-টোয়েন্টির দিনের ম্যাচসেরা হারমিত সিংয়ে আজ রানের খাতাই খুলতে দেননি মোস্তাফিজ। তাকে সাকিবের হাতে ক্যাচ বানিয়েছেন তিনি। আর ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন নীতিশ কুমার।

    বাংলাদেশের হয়ে দু্টি করে উইকেট শিকার করেন রিশাদ, শরিফুল ও মোস্তাফিজ।

    বাংলাদেশ শুধু সিরিজ হারের লজ্জাই পায়নি, দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি হারের পর আরেকটি লজ্জার রেকর্ডে ঢুকে পড়েছে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে ১০০ ম্যাচ হারের রেকর্ড গড়েছে টাইগাররা।

    ক্রিকেট জগতে নবাগত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সিরিজ হারের পর বাংলাদেশ দল নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে নিউজ মিডিয়া ও সামাজিক যেগাযোগ মাধ্যমে।

  • কুলফি: বাদামের ফ্লেবারে কুলফি মালাই

    কুলফি: বাদামের ফ্লেবারে কুলফি মালাই

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৪ মে, ২০২৪: এখন গরম তাই এই সময় চাই এমন খাবার যা সুস্বাদু ও ঠান্ডা। এই ধরনের একটি স্বাস্থ্যকর খাবার হচ্ছে কুলফি মালাই। বাদামের ফ্লেবারে কুলফি মালাইটি পাঠিয়েছে কলকাতার রন্ধন শিল্পী সুতপা দে। আপনি ইচ্ছা করলে ঘরেই তৈরি করতে পারেন এই রেসিপি।

    Culinary artist Sutpa Dey
    Culinary artist Sutpa Dey

    উপকরণ:

    তরল দুধ ৫০০ গ্রাম, পাউডার দুধ-২ কাপ, ফ্রেশ ক্রিম বা হেভি ক্রিম-হাফ কাপ (যেকোনো ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে বা সুপারশপে পেয়ে যাবেন), পেস্তা বাদাম কুঁচি-২ চামচ, কাজু বাদাম কুঁচি-২ চামচ, চিনি-১ কাপ।

     

    প্রণালী:

    প্রথমে তরল দুধ জ্বাল করে ঘন করে নিন। এবার গুঁড়া দুধ আস্তে আস্তে যোগ করুন ও নাড়তে থাকুন।দুধ ঘন ও হলুদ হয়ে গেলে এতে চিনি ও ফ্রেশ ক্রিম বা হেভি ক্রিম দিয়ে ভালোভাবে নাড়াচাড়া করুন।এবার পেস্তা ও কাজু বাদাম ব্লেন্ডারে গুঁড়া করে নিন কিংবা মিহি করে কুঁচি করেও নিতে পারেন। দুধের মিশ্রণে বাদাম কুঁচি দিয়ে আইসক্রিমের মোল্ডে বা কাপে ঢেলে দিন। এবার ডিপ ফ্রিজে রাখুন। ঠান্ডা হয়ে জমে গেলেই রেডি সুস্বাদু কুলফি মালাই! জাফরান আর বাদাম কুঁচি ছড়িয়ে সার্ভ করতে পারেন।

     

    রেসিপি দিয়েছেন: সুতপা দে

  • রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেয়েছে ২০টি প্রতিষ্ঠান

    রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেয়েছে ২০টি প্রতিষ্ঠান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মে, ২০২৪: দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২১’ পেল ছয় ক্যাটাগরির ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের মালিক/প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

    শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ ও এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী পরিকল্পনা ও নীতি এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে শিল্পখাতে উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগের অংশ হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয় নিয়মিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার’, ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’, ‘সিআইপি (শিল্প) কার্ড’, ‘প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রভৃতি পুরস্কার দিয়ে আসছে।

    শিল্পমন্ত্রী বলেন, “এ ধরনের স্বীকৃতি শিল্প উদ্যোক্তাদের নিজ নিজ কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের উৎকর্ষ সাধনে অনুপ্রাণিত করবে। এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে নবীন শিল্প উদ্যোক্তারাও নিজেদের পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন এবং বিশ্বমানের শিল্প স্থাপনে উজ্জীবিত হবেন। ফলে দেশে গুণগত মানসম্পন্ন শিল্পায়নের ধারা বেগবান হবে।”

    তিনি বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম শর্ত। বিগত ১৫ বছরে এটি বহাল ছিল বলে শিল্পায়ন বেগবানসহ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে। বাংলাদেশ নিজেই একটি বড় বাজার। অভ্যন্তরীণ বাজারসহ বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা বাড়াতে আমাদের গুণগতমানের পণ্য উৎপাদনের দিকে নজর দিতে হবে।”

    এ সময় বিশ্বমানের গুণগত পণ্য উৎপাদনে শিল্পোদ্যোক্তাদের সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

    নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ৩১টি পণ্যকে জিআই সনদ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ১০ বছর মেয়াদি ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, “আধুনিক ও যুগোপযোগী শিল্প কারখানা স্থাপনসহ শিল্পায়নের ধারাকে বেগবান করতে ‘জাতীয় শিল্পনীতি-২০২২’ ও ‘এসএমই নীতিমালা-২০১৯’ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় শ্রমঘন শিল্পায়নে মনোনিবেশসহ শিল্পখাতে গতিশীলতা অব্যাহত রাখতে শিল্প মন্ত্রণালয় নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন, পুরাতন কারখানার আধুনিকায়ন এবং যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপনের কাজ করছে। শিল্পখাতে উন্নয়নের চলমান অভিযাত্রা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়ের আগেই শিল্প সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হবে।”

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেন, “কৃষি উৎপাদনে ঈর্ষণীয় সাফল্য থাকা সত্ত্বেও আমরা কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও রপ্তানিতে অনেকটা পিছিয়ে আছি। প্রক্রিয়াজাতকরণের কম সুযোগ ও সংরক্ষণাগারের অভাবে আমাদের উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূলের প্রায় ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, ভোক্তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হন।”

    শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ০৬ (ছয়) ক্যাটাগরির মোট ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোক্তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৬টি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৩টি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৪টি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৩টি, কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে ০৩টি এবং হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে ০১টি।

    বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে সম্মিলিতভাবে প্রথম হয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে- ইকোটেক্স লি., প্রাণ ডেইরি লি. ও মীর আক্তার হোসেন লি.। দ্বিতীয় হয়েছে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লি., যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে স্নোটেক্স আউটারওয়্যার লি. ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লি.।

    মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাক লি., দ্বিতীয় হয়েছে বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লি. এবং তৃতীয় হয়েছে এপিএস অ্যাপারেলস লি.।

    ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে দ্য রিলায়েবল বিল্ডার্স ও কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লি., দ্বিতীয় হয়েছে রংপুর ফাউন্ড্রি লি. এবং তৃতীয় হয়েছে গুনজে ইউনাইটেড লি.।

    মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ফারিহা গ্রিন মুড লেদারস লি., দ্বিতীয় হয়েছে এ.বি.এম ওয়াটার কোম্পানি এবং তৃতীয় হয়েছে ডিপলেড ল্যাবরেটরিজ লি.।

    কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ব্লু-স্টার এগ্রো প্রোডাক্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, দ্বিতীয় হয়েছে প্রীতি বিউটি পার্লার এবং তৃতীয় হয়েছে লেহাজ সালমা যুব মহিলা কল্যাণ সংস্থা।

    হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছে বিজ সল্যুশনস লি.।

    জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতে অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, প্রণোদনা সৃষ্টি, সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রত্যয় হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী ২০১৩’ অনুযায়ী ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ দেওয়া শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এই বছর সপ্তমবারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২১’ দেওয়া হয়েছে।

  • শহর অঞ্চলের যে নদী সেগুলো ক্ষমতাসীনরা দখল করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    শহর অঞ্চলের যে নদী সেগুলো ক্ষমতাসীনরা দখল করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মে, ২০২৪: শহর অঞ্চলের যে নদী সেগুলো ক্ষমতাসীনরা দখল করেছে, বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “আমি ছোটবেলায় যে নদীর পাড়ে খেলা করতাম, সেই নদী আর এখন নেই, বালুচরও নেই। কারণ নদী শুকিয়ে গেছে। আর এর পেছনের কারণ হচ্ছে নদীতে বিভিন্ন রাবার ড্যাম তৈরি হয়েছে, তাই নদীর উজানে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এটি সারা দেশের চিত্র। আর শহর অঞ্চলের যে নদী সেগুলো ক্ষমতাসীনরা দখল করেছে। এখন নদী শুকানোর পাশাপাশি আবার সরু হয়ে যাচ্ছে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নোঙর ট্রাস্ট আয়োজিত ‘২৩ মে, জাতীয় নদী দিবস ঘোষণার দাবিতে’ ঢাকা নদী সম্মেলন প্রস্তুতি সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশের মানুষ এখন উন্নয়ন মানেই বোঝে রাস্তা, ব্রিজ ও বিল্ডিং বানানো। এটাকেই মানুষ উন্নয়ন মনে করে। এই উন্নয়নের সঙ্গে আমি দ্বিমত পোষণ করি। রাস্তা বানাতে গিয়ে যেটা হচ্ছে খাল-বিল-নদী-নালার ওপরে ব্রিজ বানানো হচ্ছে, কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে। আমরা যদি শুরু থেকে নদীর নাব্যতা রক্ষা করে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতাম তাহলে কিন্তু আজকে নদীর এই অবস্থা দাঁড়াতো না।”

    নগরায়নের প্রভাব পরিবেশে পড়েছে জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, “গত ৫০ বছরে পৃথিবীতে মানুষ ৩০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় তিনগুণের কাছাকাছি। মানুষ বাড়ছে, আগে মানুষ দুই এক বালতি পানি দিয়ে গোসল করত। কিন্তু এখন সেটা করে না। এখন আবার অনেকে বাথটাব ব্যবহার করে। তাই মানুষ বাড়ার কারণে পানির ব্যবহার বেড়েছে। আবার ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের কারণে, নগরায়নের কারণে পানির ব্যবহার বাড়ছে। এগুলোর একটা ইফেক্ট পরিবেশের ওপর, নদীর ওপরে পড়েছে। আবার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার, সারফেস ওয়াটার এবং নদীর ওপর প্রভাব পড়েছে। কিন্তু সেটাকে প্রোপারলি ম্যানেজ করার জন্য সবাইকে সমন্বয় করে যে রিজিওনাল কো-অপারেশন দরকার ছিল, সেটা নাই।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি মনে করি সবার জন্য নদীর পানির ন্যায্যতা নিশ্চিত করার জন্য অর্থাৎ নদীর অববাহিকায় যারা বসবাস করে সবার জন্য সুষমভাবে পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা দরকার। আমাদের যৌথ নদী কমিশন আছে, কিন্তু আমি মনে করি এটাকে আরও ইফেক্টিভ করা দরকার। আমাদের একটি আঞ্চলিক সহযোগিতার ফোরাম গঠন করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। কারণ নদীর উৎপত্তি নেপালে, তারপর ভারতের ওপর দিয়ে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে সাগরে গিয়ে মিশে। এখানে কয়েকটি দেশ জড়িত। অতএব সবাই মিলে যদি আমরা একটা আঞ্চলিক ব্যবস্থাপনা দাঁড় করাতে পারি তাহলে সবার জন্যই এটি সুবিধা হবে।”

    ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আওলাদ হোসেন বলেন, “এক সময় এই ঢাকার মধ্যেই অনেক পালতোলা নৌকা চলাচল করত। এক সময় ঢাকা গড়েই উঠেছিল নদীকে কেন্দ্র করেই। নদী পথে পণ্য পরিবহন করা যায় কম খরচে। তাই এর গুরুত্ব অপরিসীম। তাই আমাদের পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় নদীকে রক্ষা করতে হবে।”

    নোঙর ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সুমন শামসের সভাপতিত্বে দৈনিক সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ খান ও সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

  • আনারের মৃতদেহ উদ্ধারে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    আনারের মৃতদেহ উদ্ধারে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মে, ২০২৪: আনারের মৃতদেহ উদ্ধারে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, “আমরা মৃতদেহটা এখন উদ্ধার করতে পারিনি। আপনারা যা শুনেছেন, আমরা সেগুলোই শুনেছি। যে পর্যন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করতে না পারব, সে পর্যন্ত অফিসিয়ালি আপনাদের কিছু বলতে পারছি না। এ বিষয়ে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। আনোয়ারুল আজীম আমাদের ঝিনাইদহ-৪ আসনের তিনবারের এমপি, ওই বর্ডার এলাকাটা সন্ত্রাস কবলিত। সে এলাকারই তিনি এমপি। কী কারণে হত্যাকাণ্ড হয়েছে সে বিষয়ে আমরা সুনিশ্চিত না হয়ে কিছুই বলা ঠিক হবে না। আমরা আগে সুনিশ্চিত হই, তারপর আপনাদের বিস্তারিত জানাব।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এখন পর্যন্ত নতুন কিছু আমাদের কাছে আসেনি। আমাদের পুলিশ, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা, ভারতের পুলিশ এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা মিলে আমরা কাজ করছি; যাতে আরও কিছু তথ্য বেরিয়ে আসে। আমরা সুনিশ্চিত হয়েছি তাকে হত্যা করা হয়েছে। যারা হত্যা করেছে, তাদের মুখ থেকে আমরা এগুলো শুনেছি। তবে, মৃতদেহ এখনো উদ্ধার করতে পারেনি। আমরা মৃতদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করা যাচ্ছি।”

    তিনি আরও বলেন, “তদন্তের খাতিরে আমরা আপনাদেরকে বলেছিলাম, তদন্তটা মোটামুটি গুছিয়ে এনে আপনাদেরকে জানাব। আমরা এখন নতুন কিছু আপডেট এই মুহূর্তে দিতে পারছি। এই মুহূর্তে আর কোনও সংবাদ আমরা পাইনি। এটুকু বলতে পারি, প্রায় আমরা চিহ্নিত করেছি।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  “একজন মাননীয় সংসদ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে এ বিষয়টি আমরা খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বিষয়টি। আশা করছি খুব অল্প সময়ে আমরা আপনাদের কিছু জানাতে পারব।”

  • মন্ত্রণালয় থেকে ক্রোড়পত্র ডিএফপির লিস্ট দেখে দিচ্ছি না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    মন্ত্রণালয় থেকে ক্রোড়পত্র ডিএফপির লিস্ট দেখে দিচ্ছি না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মে, ২০২৪: মন্ত্রণালয় থেকে ক্রোড়পত্র ডিএফপির লিস্ট দেখে দিচ্ছি না, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, “মন্ত্রণালয় থেকে ক্রোড়পত্র দেই, তা কিন্তু ডিএফপির লিস্ট দেখে দিচ্ছি না। আমি কিন্তু একটি লিস্ট বানিয়েছি, বিশেষ সোর্সের মাধ্যমে। যেটি আমাকে মোটামুটি সঠিক একটি সার্কুলেশনের চিত্র দিয়েছে, তার ভিত্তিতে আমি এখন সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছি। কারা কত ক্রোড়পত্র পেয়েছে, তা এক্সেল সিটের মাধ্যমে মেইন্টেইন করি। কাছাকাছি সার্কুলেশনের দুটি পত্রিকার মধ্যে একটি পত্রিকা কম পেলে পরে তা ব্যালেন্স করার চেষ্টা করি। আমি ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করি।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বিএসআরএফ বার্তা’র মোড়ক উম্মোচন ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) পত্রিকার সার্কুলেশন সংখ্যা প্রকাশ করে, সেটা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরাফাত বলেন, “বিষয়টি নিয়ে আমি ইতোমধ্যে কাজ করছি। বিষয়টি একটু জটিল। জটিল এই কারণে যে, সংখ্যা নির্ণয় করার যে ফর্মুলাটা আছে, তার মধ্যেও কিছু গলদ আছে, সেটিকেও ম্যানুপুলেট করা যায়। যদি বলি ফর্মুলা অলরেডি আছে, সেটি দিয়ে সঠিক তালিকা করে ফেলব, এরমধ্যেও দেখা যাবে সঠিক হয়তো অনেক কিছু হবে না। কারণ পেছন দিকে ম্যানুপুলেশন সমস্যা। যে কারণে আমি ফর্মুলাটা নিয়ে কাজ করছি।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “৬০-৭০ শতাংশ সিদ্ধান্ত সার্কুলেশনের ওপর ভিত্তি করে নেই। কারণ এখানে সরকারের স্বার্থ আছে, বেশির ভাগ মানুষের হাতে এটি আমি পৌঁছাতে চাই। কিছু পত্রিকা আছে সার্কুলেশনের চ্যালেঞ্জ আছে, কিন্তু তার একটি ইতিহাস ঐতিহ্য আছে, কিছু পত্রিকা আছে সার্কুলেশনের চ্যালেঞ্জ থাকলেও সেখানে নামকরা সম্পাদক আছেন, যার নিজের ইতিহাস-ঐতিহ্য ব্র্যান্ডিং আছে, এগুলোকে যাচাই বাছাই করে ব্যালেন্স করে ক্রোড়পত্র দিয়েছি, কোনো ব্যক্তির সুপারিশে ক্রোড়পত্র দেইনি। সুপারিশ করেছে নিয়েছি, দেখেছি, কিন্তু দিন শেষে আমার যে ফর্মুলা সেটি অ্যাপ্লাই করেছি।”

    ডিএফপিতে নতুন ডিজি নিয়োগ দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, “যারা সার্কুলেশনের কাজ করে তাদের নিয়ে আমি বসব। ফর্মুলাকে একটি ফাইন টিউন করে একটি ফর্মুলা আনার যে সত্যিকার অর্থে সার্কুলেট, অর্থাৎ শুধু প্রিন্ট করলে হবে না, বিক্রিত নম্বরটা আমরা পাওয়ার ফর্মুলা বের করব, যেখানে ম্যানুপুলেশনের সুযোগ থাকবে না। আমার কাছে আসল লিস্টটা যাতে থাকে। সব জায়গায় আমি এক ধরনের স্বচ্ছতা ও অবজেকটিভিটি আনার চেষ্টা করছি। আপনারা সবার সামনে যে বিষয়টি বলবেন, আমাকে একা পেলেও সেই কথাটিই বলবেন।”

    সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বেঁধে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটি নিয়ে এ মুহূর্তে আমি বলতে পারব, আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এ মুহুর্তে আমি গণমাধ্যমকর্মী আইন নিয়ে কাজ করছি। গণমাধ্যমকর্মী আইন পাস হলে এটি মোটামুটি সবকিছু কাভার করে ফেলবে। কারণ এখানে অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মোটামুটি সবকিছুই কাভার করবে। গণমাধ্যমের সমস্যাগুলোর সমাধান হবে।”

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শ্রম আইনের অধীনে যত সুরক্ষা দেওয়া আছে সেগুলোকে রেখে বাকি বিষয়গুলো গণমাধ্যমকর্মী আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের দাবির প্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনার কাজ করা হচ্ছে।”

    বিটিভির দিকে নজর দেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, “বিটিভিসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ১৫টি ডিপার্টমেন্টের দিকেই তাকাব। সব জায়গায় কিছু না কিছু পরিবর্তন আপনারা দেখতে পাবেন।”

  • ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ খচিত স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ শুরু

    ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ খচিত স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ শুরু

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মে, ২০২৪: ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’খচিত স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ শুরু করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে তিনি এসব কার্ড বিতরণ করেন। প্রথমদিন সারাদেশের ১০৪ জনকে এই জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হয়। এরপরে পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এই কার্ড দেওয়া হবে।

    নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অব মো. আহসান হাবিব খান, বেগম রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর, মো. আনিছুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী প্রমুখ।

    উল্লেখ্য গত ৭ মে (মঙ্গলবার) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে এ পরিচয়পত্র হস্তান্তরের মাধ্যমে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এদিন দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ খচিত জাতীয় পরিচয়পত্রটি হস্তান্তর করেন।

  • ইন্টারনেটের ধীরগতি কাটিয়ে উঠতে আরও দুই সপ্তহ সময় লাগবে

    ইন্টারনেটের ধীরগতি কাটিয়ে উঠতে আরও দুই সপ্তহ সময় লাগবে

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৩ মে, ২০২৪: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় স্থাপিত সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগে সারাদেশে প্রায় এক মাস ধীরগতি পাচ্ছেন গ্রাহকরা। । পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিকল্প উপায়ে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসিও (বিএসসিপিএলসি)। তবে ইন্টারনেটের স্বাভাবিক গতি ফিরতে আরও প্রায় দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

    বিএসসিপিএলসি বলছে, ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় সমুদ্রের তলদেশে ফাইবার ক্যাবল কাটা পড়ে। সেখানে মেরামতের কাজ শুরুর প্রক্রিয়াটা দীর্ঘ। অনুমোদন মিলেছে, এখন কনসোর্টিয়ামের জাহাজের অপেক্ষা।

    মেরামত শেষে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও অন্তত দুই সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ দেশে ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক হতে পারে।

    জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টার দিক থেকে সারাদেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি দেখা দেয়। বিএসসিপিএলসি জানতে পারে সিঙ্গাপুরে জলসীমায় কোথাও ফাইবার ক্যাবল কাটা পড়েছে।

    পরে আরও অনুসন্ধানে জানা যায় সিঙ্গাপুর নয়, ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় সমুদ্রের তলদেশে ক্যাবল ‘ব্রেক’ করেছে। এতে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের (সিমিউই-৫) সংযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

    বিএসসিপিএলসি কতৃপক্ষি আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে জানিযেছেন, সিমিউই-৫ (দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল) দিয়ে বাংলাদেশে প্রায় এক হাজার ৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ হয়। সেটা এখন পুরোপুরি বন্ধ। আমরা ওই ব্যান্ডউইথ এখন সিমিউই-৪ দিয়ে সরবরাহের চেষ্টা করছি। অন্তত ৬০ শতাংশ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে। এটা দিয়ে বিকল্প উপায়ে সারাদেশে ইন্টারনেট সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে এটা (ইন্টারনেটের ধীরগতি) ঠিক হয়ে যাবে।’

    তবে ক্যাবল কাটা পড়ে সিমিউই-৫-এর সংযোগ বিচ্ছিন্নের কারণে যে সমস্যা হয়েছিল, তার পাশাপাশি অন্য একটি সমস্যার কথাও জানিয়েছেন ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে বিটিআরসি রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ ইন্টারনেট সরঞ্জামের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। এতে অবৈধ অনেক আইএসপি প্রতিষ্ঠান, অনেকে ক্যাবল টিভি ও ইন্টারনেট সংযোগ চালায়, তাদের যন্ত্রপাতি জব্দ করেছে। ক্যাবল অপারেটরদের ইন্টারনেট সার্ভিস দেওয়ার কথা না। তারা দিচ্ছে, এ জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করছে বিটিআরসি। সবমিলিয়ে ইন্টারনেটের গতিতে এবং সংযোগে প্রভাব পড়েছে। সেজন্যই কিছু এলাকায় বেশি সমস্যা।’

    বিএসসিপিএলসি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে মোট ব্যান্ডউইথের ব্যবহার পাঁচ হাজার জিবিপিএসের বেশি। এর অর্ধেকেরও বেশি প্রায় দুই হাজার ৭০০ জিবিপিএস আন্তর্জাতিক টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) লাইসেন্সের মাধ্যমে আসে, যা ভারত থেকে স্থলপথে ব্যান্ডউইথ আমদানি করতে ব্যবহৃত হয়।

  • এমপি আনোয়ারুল হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ভারতীয় পুলিশ আসছে ঢাকায়

    এমপি আনোয়ারুল হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ভারতীয় পুলিশ আসছে ঢাকায়

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মে, ২০২৪: ভারতের কলকাতায় গিয়ে পরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার। এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তের জন্য ঢাকায় আসছে ভারত পুলিশের একটি স্পেশাল টিম।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) তাদের ঢাকায় এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

    ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খ. মহিদ উদ্দিন জানান, আজ দুপুর ২টা নাগাদ ভারতীয় পুলিশের দুইজন সদস্য ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন। তারা আনোয়ারুল আজীমের হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন। তারা এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশে গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন তিন আসামিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

    সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম গত ১২ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভারতের কলকাতায় গিয়ে তার পূর্বপরিচিত বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের বাসায় ওঠেন। ১৩ মে দুপুর ২টার দিকে তিনি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা বলে গোপালের বাসা থেকে বের হন।

    কিন্তু এরপর আজীম আর বাসায় না ফেরায় ১৮ মে কলকাতার বরাহনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন গোপাল বিশ্বাস।

    গতকাল বুধবার (২২ মে) জানা যায়, কলকাতার নিউটাউন এলাকায় বহুতল সঞ্জীবা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের আনোয়ারুল আজীম খুন হয়েছেন। তবে সেখানে তার মরদেহ মেলেনি।

  • আগামী ৪ঠা জুলাই যুক্তরাজ্যের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলেন ঋষি সুনাক

    আগামী ৪ঠা জুলাই যুক্তরাজ্যের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলেন ঋষি সুনাক

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৩ মে, ২০২৪: আগে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের জন্য অক্টোবর কিংবা নভেম্বরের কথা ভাবা হয়েছিলো।কিন্তু যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক হঠাৎ করেই আগামী ৪ঠা জুলাই দেশটির নতুন সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। দেশটির বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা কেইর স্টারমার এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন ‘এ মুহূর্তটির জন্যই দেশ অপেক্ষা করছে’।

    জনমত জরিপে উঠে এসেছে ২০২২ সালের অক্টোবরের পর থেকে তার দল কনজারভেটিভ পার্টির অবস্থান সবচেয়ে নিম্নে। মি. সুনাক তার পরেও নির্বাচন ঘোষণা করলেন। বিরোধী লেবার পার্টি তাদের চেয়ে একুশ শতাংশ এগিয়ে আছে।

    দশ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দাড়িয়ে এক বিবৃতিতে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে সুনাক বলেছেন তার সরকার শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে যা অর্জন করেছে তাতে তিনি গর্বিত। ঋষি সুনাক ও স্যার কেইর স্টারমার উভয়েই শুক্রবার জনসমক্ষে আসবেন।

    ব্রিটেনে প্রায় পাঁচ বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার ধারাবাহিকতায় কনজারভেটিভ পার্টির এমপিদের সমর্থনে দলের নেতা নির্বাচিত হয়ে ২০২২ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন মি. সুনাক।

    অবশ্য এর আগে মিথ্যা বলার কেলেঙ্কারিতে পড়ে বরিস জনসন প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে বাধ্য হওয়ার পর নেতৃত্বের নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন ঋষি সুনাক। কিন্তু তাকে হারিয়ে তখন কনজারভেটিভ পার্টির যে নেতা প্রধানমন্ত্রী হন, সেই লিজ ট্রাস মাত্র দেড় মাস ক্ষমতায় থাকার পর পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। এরপর আবারও নেতৃত্বের জন্য তার প্রার্থিতা ঘোষণা করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়ে দলের নেতা ও পরে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন মি. সুনাক।

    নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর শুক্রবারই স্থগিত হবে পার্লামেন্ট। মি. সুনাক বলেছেন তিনি ‘প্রতিটি ভোটের জন্য লড়াই’ করবেন।

    অনেকেই ধারণা করেছিলো যে নির্বাচনটি শরৎকালে হবে কারণ সেটি হলে লেবার পার্টির সঙ্গে জনমতের যে পার্থক্য তা কিছুটা ঘুচিয়ে আনা সহজ হতো । স্যার কেইর স্টারমার বলেছেন ‘টোরিদের নৈরাজ্য’ থেকে সরে পরিবর্তনের সময় এটাই। জাতীয় জনমতগুলোতে লেবার বেশ বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছে এবং এখন তারা পূর্ণ প্রচারণায় নেমে পড়তে প্রস্তুত। শুক্রবার সংসদ স্থগিত হয়ে যাবে। এর আগে বৃহস্পতিবার এর কার্যক্রম বন্ধ হবে। তারপর পাঁচ সপ্তাহের নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে। এর মানে হলো গুরুত্বপূর্ণ কোনো আইন থাকলে তা পাশের জন্য মাত্র দুদিন সময় আছে। ফলে সরকারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হয়তো পড়েই থাকবে।

    যদিও এর আগে নির্বাচনের জন্য অক্টোবর কিংবা নভেম্বরের কথা ভাবা হয়েছিলো। েকিন্তু বুধবার সকালে যখন মূল্যস্ফীতি তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় তখনি গুঞ্জন শুরু হয়।

    এমনকি হাউজ অব কমন্সে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরের সময়েও ঘোষণাটি আসবে কি না তা পরিষ্কার ছিল না।

    পরে ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দেয়া বিবৃতিতে মি. সুনাক মূল্যস্ফীতির কথা উল্লেখ করেন এবং নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। কিছুদিন ধরে জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির পর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের বিষয়টিকে ঘিরেই যে তিনি প্রচারণা চালাবেন এটি তারই লক্ষণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    মূল্যস্ফীতি কমে আসা এবং মন্দা থেকে উত্তরণের কথা উল্লেখ করে মি. সুনাক বলেছেন, ‘এগুলো প্রমাণ করে যেসব পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকার নেয়া হয়েছিলো সেগুলো ঠিক মতো কাজ করেছে’।

    তবে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত কিছু তিনি বলেননি। কনজারভেটিভ পার্টির একাংশের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়টি নিয়ে দ্বিধা কাজ করছিলো।

    “আমি বিষয়টি বুঝতে পারছি না,” একজন এমপি বলছিলেন বিবিসিকে। “অর্থনীতির অবস্থা ভালো হচ্ছে। তাহলে আরও সময় নেয়া হবে না কেন?”

    বৃষ্টির মধ্যেও মি. সুনাকের ভাষণ দেয়াতে বিরক্ত হয়েছেন একজন সিনিয়র মন্ত্রী। “লেবার এমপিরা খুশি। আমরা নই।”

    ওদিকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার কিছু সময় পরেই টিভিতে দেয়া বিবৃতিতে স্যার কেইর বলেন টোরিদের ‘নৈরাজ্য’ দেশের অর্থনীতির ক্ষতি করেছে। তিনি বলেন দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার জন্য নির্বাচন তার দলের কাছে একটি সুযোগ।

    “এটা পরিবর্তনের সময়,” বলছিলেন তিনি। এসময় কনজারভেটিভ সরকারের তীব্র সমালোচনাও করেন তিনি।

    “টোরিদের আরও পাঁচ বছর সময় দিলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে। ব্রিটেন এর চেয়ে ভালো কিছু ডিজার্ভ করে।”

    ওদিকে এসএনপি নেতা জন সুইনি, যিনি স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টারের দায়িত্ব নিয়েছেন চলতি মাসেই, তিনি বলেছেন ‘টোরি সরকার সরানো এবং স্কটল্যান্ডকে প্রথমে রাখা’র জন্য নির্বাচন একটা সুযোগ।

    লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা স্যার এড ড্যাভি বলেছেন ঋষি সুনাকের বাজে সরকারকে সরানোর এটাই একটি সুযোগ হতে পারে।

    আর রিফর্ম ইউকে নেতা রিচার্ড টাইস বলেছেন টোরিরা ‘ব্রিটেনকে ভঙ্গুর করেছে কিন্তু লেবার করবে দেউলিয়া ব্রিটেন’।

    ঋষি সুনাক নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা দিয়ে নিজ সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের কথা উপস্থাপন করেন। একই সঙ্গে ভোটারদের কাছে ভোটের আহ্বান করেন। জানান―তাকে ভোট দিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা হলে ব্রিটেনের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন তিনি।

    গত ১৪ বছর ধরে যুক্তরাজ্য শাসন করছে ঋষি সুনাকের দল কনজারভেটিভ পার্টি। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর অনেকেই ধারণা করছেন, এ নির্বাচনে ব্রিটেনে আবারও লেবার পার্টি ক্ষমতায় আসবে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা