Category: লিড নিউজ

  • ৪ আরব শীর্ষ কূটনীতিকের সঙ্গে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের বৈঠক

    ৪ আরব শীর্ষ কূটনীতিকের সঙ্গে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের বৈঠক

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৫ মে, ২০২৪: ইসরায়েলের পাশাপাশি একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠন এবং গাজায় যুদ্ধ বন্ধের উপায় নিয়ে এক বৈঠক করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী, সৌদি আরব, জর্ডান ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা । একথা জানিয়েছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের দপ্তর ।

    ইসরায়েলের গণহত্যার যুদ্ধ নিয়ে ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক উদ্বেগ জাতিসংঘের আদালতে রাফাহতে হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘন্টার পর ম্যাঁক্রো এই বৈঠকের আয়োজন করেন।

    তাদের আলোচনায় বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ‘দ্বিরাষ্ট্র’সমাধান প্রচেষ্টা শুরু এবং গাজায় মানবিক সহায়তার বিষয় তাদের আলোচনায় প্রধান্য পায়।

    এলিসি প্রসাদের বিবৃতিতে বলা হয়, তারা গাজার সব ক্রসিংগুলো খোলা ও চালু করার সব বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এতে আরও বলা হয়, ইসরায়েল রাষ্ট্রের শান্তি ও নিরাপত্তার গ্যারান্টি দান এবং সেই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের বৈধ আকাঙ্খা পূরণে ৫টি দেশ নিজেদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছে।

    গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল গাজায় হামলা শুরু করে। ২৩৩তম দিন আজ শনিবার (২৫ মে)। অবরুদ্ধ গাজায় উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যার শিকার হয়েছেন ৩৫,৮৫৭ জন, যাদের অধিকাংশ নবজাতক, শিশু ও নারী। আহত হয়েছেন ৮০,২৯৬ জন। আর ধ্বংসস্তুপের নীচে চাপা পড়ে আছে আরও ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। গাজায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও ওষুধ সংকট।

  • ১৫ সদস্যের পাকিস্তান দলের নাম ঘোষণা করেছে পিসিবি

    ১৫ সদস্যের পাকিস্তান দলের নাম ঘোষণা করেছে পিসিবি

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৫ মে, ২০২৪: আর এক সপ্তাহ পর শুরু হতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণকারী সব দেলের নাম ঘোষণা হয়েছে। তবে অনেক নাটকীয়তার পর বাবর আজমের নেতৃত্বে বিশ্বকাপের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

    দল ঘোষণায় দেরি করলেও, আগে জানা গিয়েছিল আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সিরিজের জন্য ১৮ সদস্য থেকেই তাদের ১৫ জনকে চূড়ান্ত করা হবে বিশ্বকাপের জন্য। তাই পাকিস্তানের বিশ্বকাপ কেমন হবে তা কিছুটা আগে জানা গিয়েছিল।

    বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দলটিতে তেমন চমক নেই। প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার ডাক পেয়েছেন সাইম আইয়ুব, উসমান খান, আজম খান ও আব্বাস আফ্রিদি।

    আগামী ২ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর শুরু হবে। ২৫ মে স্কোয়াড চূড়ান্ত করার শেষ দিন। তার আগেরদিনই জরুরি বৈঠকের পর পাকিস্তান স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। এর আগে অবশ্য এ নিয়ে কম নাটকীয়তা হয়নি।

    নিজেদের প্রথম ম্যাচে আগামী ৭ জুন স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলবে বাবরের দল। এরপর ৯ জুন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত, ১২ জুন কানাডা ও ১৬ জুন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানের শেষ ম্যাচ।

    পাকিস্তানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড: বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান, ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, আবরর আহমেদ, উসমান খান, আজম খান, ইফতেখার আহমেদ, শাদাব খান, ইমাদ ওয়াসিম, হারিস রাউফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, আব্বাস আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আমির।

  • এমপি আনার হত্যার তদন্তে হারুনের নেতৃত্বে ডিবির টিম যাচ্ছে কলকাতায়

    এমপি আনার হত্যার তদন্তে হারুনের নেতৃত্বে ডিবির টিম যাচ্ছে কলকাতায়

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ মে, ২০২৪: মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিম ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ড তদন্তে কলকাতা যাচ্ছে । ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ এই দলের নেতৃত্বে থাকছেন।

    আজ শনিবার (২৫ মে) রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হারুন।

    ডিবিপ্রধান হারুন বলেন, “ভারতীয় পুলিশের একটি টিম ২-৩ তিন ধরে আমাদের এখানে আছে। তারা আমাদের হাতে থাকা গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। আজ-কালের মধ্যে আমিসহ ডিবির ২-৩ জন অফিসার তদন্তের কাজে কলকাতা যাব। আমাদের সরকারিভাবে জিও হয়েছে, আইজিপি নির্দেশ দিলেই আমরা যাব।”

    হত্যাকাণ্ডের মোটিভের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মোটিভ অনেকগুলো হতে পারে। পূর্ব শত্রুতার জেরে হতে পারে, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত হতে পারে, রাজনৈতিক বিষয়ও থাকতে পারে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এটি এখনই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব না।

    হারুন অর রশীদ বলেন, “হত্যার তদন্তে আমাদের পাশাপাশি কলকাতার টিমও কাজ করছে। তবে বাংলাদেশে যারা এসেছেন তাদের কাজ এখনও শেষ হয়নি। তাদের কাজ শেষ হলে আমরা রওনা হব। তারা আজ ৩টার দিকে ডিবিতে আবারও আসবেন। এরপর পুলিশ কমিশনারের সাথে কথা বলব, তারপর আমরা যাব। সেটি আজ রাতেও হতে পারে আগামীকাল ভোরের মধ্যেও হতে পারে।”

  • রান্না: হাড়িয়া কাবাব

    রান্না: হাড়িয়া কাবাব

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৫ মে, ২০২৪: রন্ধন শিল্পীরা রান্নায় নিয়ে এসছে ভিন্নতা। আজ দেওয়া হয়েছে হলো একটি ভিন্ন ধর্মি খাবার “হাড়িয়া কাবাব” এর রেসিপি। আপনি্ ইচ্ছা করলেই ঘরে বসেই সহজে রান্না করতে পারবেন এই মজাদার খাবারটি।

    Recipe given by Umme Salma
    Recipe given by Umme Salma

    উপকরণ:

    মাংস ছোট টুকরা করে কাটা-৩ কাপ, পিঁয়াজ কুচি হাফ কাপ, আদা বাটা হাফ চা চামচ, রসুন বাটা ১চা চামচ, জিরা গুঁড়া হাফ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া হাফ চা চামচ, টক দই হাফ কাপ, লিকুইড দুধ এক কাপ, চিন এক চা চামচ, লবণ পরিমাণ মত, ঘি দুই টেবিল চামচ, তেল হাফ কাপ, লাল মরিচের গুঁড়া দুই টেবিল চামচ, ব্রেডক্রাম ২টেবিল চামচ।

     

    প্রস্তুত প্রণালী:

    প্রথমে গ্ৰেভি টা রেডি করে নিতে হবে। চুলায় একটা প্যান বসিয়ে তার মধ্যে তেল দিয়ে দিব এবার এর মধ্যে এক এক করে পিঁয়াজ কুচি ও সব ধরনের মসলা দিয়ে টকদই ও মাংসের কিমা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিয়ে এর মধ্যে দুধ ও পানি দিয়ে ভালো করে রান্না করে নিতে হবে।রান্না যখন অর্ধেক হবে এবার বাকি ১ কাপ কিমার সাথে মরিচের গুঁড়া, ঘি, লবণ, চিনি ব্রেডক্রাম, আদা রসুন বাটা দিয়ে ভালো করে মেখে ছোট ছোট বল বানিয়ে গ্ৰেভির মধ্যে ছেড়ে দিয়ে এবার ভালো করে রান্না করে নিব। উপরে তেল চলে আসলে এক টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করব।পোলাও ভাত রুটি সব কিছুর সাথে খাওয়া যাবে।

    রেসিপি দিয়েছেন: উম্মে সালমা

  • অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন শাস্তি তাকে পেতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন শাস্তি তাকে পেতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মে, ২০২৪: অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন শাস্তি তাকে পেতেই হবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের । তিনি বলেন, “কোনো ব্যক্তি যত প্রভাবশালী হোক অপরাধ অপকর্ম করতে পারে। এখানে প্রশ্ন থেকে যায়, তাদের অপরাধ-অপকর্মে শাস্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার সৎ সাহস দেখিয়েছে কিনা। শেখ হাসিনার সরকারের সেই সৎ সাহস আছে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৪ মে) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ওবায়দুল কাদের এসব মন্তব্য করেন ৷

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। বিচার বিভাগ স্বাধীন, দুর্নীতি দমন কমিশন -দুদক স্বাধীন। সেখানে যদি কেউ অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত হয় আমরা কেন প্রটেকশন দেব?  হোক তিনি সাবেক আইজিপি কিংবা সাবেক সেনাপ্রধান। অপরাধ করলে দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তির মুখে সোপর্দ করা হবে।”

    ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, “বুয়েটে আবরার হত্যাকাণ্ডে যাদের দণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা সবাই ছাত্রলীগ। সরকার তাদের প্রটেকশন দিতে যায়নি। বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রেও সরকার কাউকে প্রটেকশন দেয়নি। ব্যক্তি অপরাধ করতে পারে। কিন্তু সরকার তাকে প্রটেকশন কেন দেবে? আমরা অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখি। সে যতই প্রভাবশালী হোক অপরাধ করলে শাস্তি তাকে পেতেই হবে।”

    মতবিনিময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

  • বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন জরুরি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন জরুরি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মে, ২০২৪: বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন জরুরি, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন জরুরি। ইসরায়েলি বাহিনী নির্বিচারে গুলি করছে। মানুষ হত্যা করছে। বিশ্বের সবখানের জনগণ এখন ফিলিস্তিনের পক্ষে। তবে জাতিসংঘে যখন এ ইস্যু তোলা হয়, তখন কোনো কোনো দেশ ভেটো দেয়।”

    শুক্রবার (২৪ মে) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘বিশ্বশান্তি ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি স্বীকৃতি’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে সাপ্তাহিক গণবাংলা-বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) চিফ প্রসিকিউটর নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির যে দাবি জানিয়েছেন, তা আমরা সমর্থন করি।”

    তিনি বলেন, “ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় সোচ্চার। তিনি ফিলিস্তিনের জন্য সাহায্য পাঠিয়েছেন। সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলছেন।”

    হাছান মাহমুদ বলেন, “বিএনপি-জামায়াত ইসলামের জন্য মায়াকান্না করলেও ফিলিস্তিনের পক্ষে কখনো একটি শব্দও বলে না। তাহলে মানুষের পাশে তারা কীভাবে দাঁড়াবে? বিএনপি-জামায়াত ইসরায়েলের দোসরে পরিণত হয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগ ও সরকার সবসময়ই ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।”

    আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল বলেন, “বাংলাদেশের অবস্থান ফিলিস্তিনের পক্ষে। বাংলাদেশ ইসরায়েলের নৃশংসতার জন্য সবসময় নিন্দা জানিয়ে আসছে। ইসরায়েল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও বাংলাদেশ তা প্রত্যাখ্যান করেছিল।

    তিনি বলেন, “ফিলিস্তিন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট। আমরা দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান চাই। আল আকসার সঙ্গে মুসলমানদের আবেগ জড়িত। আমরা সেখানে মুসলমানদের আলাদা ভূখণ্ড, দেশ ও পতাকা চাই। এ বিষয়ে আমাদের সব সমর্থন ও সহযোগিতা থাকবে।”

    সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আওলাদ হোসেন বলেন, “ফিলিস্তিনে মানবতা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। সেখানে শিশু, নারী ও পুরুষদের হত্যা করা হচ্ছে। সারা বিশ্বে এ নৃশংস হত্যাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার মা বলেই ইসরায়েলের নৃশংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছেন।”

    মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু বলেন, “ফিলিস্তিনের ওপর কী অন্যায় হয়, আপনারা জানেন। বিশ্বে যারা মানবতার কথা বলে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে তাদের মুখ বন্ধ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলে আসছেন। রোহিঙ্গাদের পক্ষেও প্রধানমন্ত্রী কথা বলে আসছেন। আমরাও সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে আছি।”

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, মিনহাজ উদ্দিন মিন্টু, এম এ করিম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য উপ-কমিটির সদস্য লায়ন মশিউর রহমান।

  • এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের মামলায় ৩ আসামি ৮ দিনের রিমান্ডে

    এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের মামলায় ৩ আসামি ৮ দিনের রিমান্ডে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মে, ২০২৪: চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে নিহত ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    আজ শুক্রবার (২৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

    রিমান্ডে যাওয়া তিনজন হলেন সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাজী ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও সিলিস্তি রহমান।

    শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটে হাজির করা হয়। এ সময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান। শুনানি শেষে বিচারক তাদের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

    গত ২২ মে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

    মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের বাসায় আমরা সপরিবারে বসবাস করি। গত ৯ মে রাত ৮টার দিকে আমার বাবা আনোয়ারুল আজীম আনার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ যাওয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন। গত ১১ মে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে বাবার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বললে বাবার কথাবার্তা কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়। এরপর বাবার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও বন্ধ পাই।

    গত ১৩ মে বাবার ভারতীয় নম্বর থেকে উজির মামার হোয়াটসঅ্যাপে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। এতে লেখা ছিল, ‘আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি, আমার সঙ্গে ভিআইপি রয়েছে। আমি অমিত সাহার কাজে নিউটাউন যাচ্ছি। আমাকে ফোন দেওয়ার দরকার নেই। আমি পরে ফোন দেব। ’

    এছাড়া আরও কয়েকটি বার্তা আসে। ক্ষুদে বার্তাগুলো আমার বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন জায়গায় বাবার খোঁজ করতে থাকি। কোনো সন্ধান না পেয়ে তার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস বাদী হয়ে ভারতীয় বারানগর পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপরও আমরা খোঁজাখুঁজি অব্যাহত রাখি।

    পরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে বাবাকে অপহরণ করেছে।

  • বিদ্রোহী কবি কে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন বঙ্গবন্ধু

    বিদ্রোহী কবি কে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন বঙ্গবন্ধু

    www.HelloBangla.News – মতামত – ২৪ মে, ২০২৪: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের রণ-সংগীতের প্রবক্তা।তিনি শুধু বিদ্রোহী কবি ছিলেননা, ছিলেন সাম্যের কবি। তাঁর সঙ্গিত স্বাধীনতা যুদ্ধে দারুণ অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলো রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের।স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৬ ডিসেম্বর দেশ যখন চুড়ান্ত বিজয় লাভ করে তখন কবি কাজি নজরুল ইসলাম ছিলেন ভারতে।

    ১৯৭২ সালে ২৪ মে স্বাধীন বাংলাদেশে এসেছিলেন কবি কাজী নজরুল। তার আগে ১৯৭২ সালের সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতে রাষ্ট্রীয় সফরে শেখ মুজিবকে রাষ্ট্রীয় অতিথির মর্যাদায় রাখা হয়েছিল কলকাতার রাজভবনে, যেটা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের বাসভবন। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল তখন এ এল ডায়াস, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রথমে কথাটা তাঁর কাছেই নজরুলকে বাংলাদেশে আনার কথা বলেছিলেন।

    নজরুল গবেষক ও প্রাবন্ধিক বাঁধন সেনগুপ্ত সেই ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন এভাবে “শেখ মুজিব মি ডায়াসকে বললেন, দেখুন আপনাদের কাছে আমার একটা অনুরোধ আছে। এই শহরেই থাকেন কাজী নজরুল ইসলাম – তিনি যেমন আপনাদের কবি, তেমনি আমাদেরও কবি।আমাদের ভাষা এক, সংস্কৃতিও এক। কবি নিজেও আগে বহুবার ঢাকায় এসেছেন। তো এবারে আমরা চাই কবিকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ধুমধাম করে তাঁর জন্মদিন পালন করতে।”

    “এ এল ডায়াস সব শুনেটুনে বললেন, অতি উত্তম প্রস্তাব – এমন তো হতেই পারে আমরা না হয় পালা করে কবির জন্মদিন পালন করলাম, একবার ঢাকায় আর পরেরবার কলকাতায়!”

    “তবে দিল্লিই পারবে এই অনুমতি দিতে, ফলে আপনি বরং সরাসরি মিসেস গান্ধীর সঙ্গেই কথা বলুন। পরদিনই মুজিবও ঠিক সেটাই করলেন”

    শুধু প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে কথা বলাই নয়, এরই মধ্যে রাজভবনে কাজী নজরুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও দেখা করলেন শেখ মুজিব। কবির দুই পুত্র, কাজী সব্যসাচী ও কাজী অনিরুদ্ধকেও তিনি জানিয়ে রাখলেন বাংলাদেশ সসম্মানে নজরুলকে নিয়ে গিয়ে সংবর্ধনা দিতে চায়।

    এরপরই শুরু হল এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক তৎপরতা – তিন দশক ধরে বোধশক্তিহীন, নির্বাক এক কবিকে ভিনদেশে পাঠানো নিয়ে চিঠি-চালাচালি, শলা-পরামর্শ আর ভাবনা-চিন্তা। ফেব্রুয়ারি থেকে মে-এই কয়েকমাসে নজরুলকে বাংলাদেশে পাঠানো নিয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আবদুস সামাদ আজাদ ও শরণ সিংয়ের মধ্যেও বেশ কয়েকদফা পত্রবিনিময় হয়েছিল।

    প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী আবার মতামত চাইলেন পশ্চিমবঙ্গের তখনকার মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর অত্যন্ত আস্থাভাজন কংগ্রেসি নেতা সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের। কবি নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অবস্থাতেই নেই, ফলে দূত পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রী কথা বললেন কবির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও।

    এই বিষয়ে বাংলাদেশে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত ভিনা সিক্রির জানিয়েছিলেন, “শেষ পর্যন্ত মৈত্রী আর বন্ধুত্বেরই জয় হল। দুটো দেশের মধ্যে যে পারস্পরিক প্রীতি ও শ্রদ্ধার সম্পর্ক, সেটার ভিত্তিতেই শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরোধ ভারত মেনে নিল। তবে এটাও ঠিক, দিল্লি ভেবেছিল কবির এই যাত্রাটা হবে সাময়িক-তিনি আবার কিছুদিন পরে ফিরে আসবেন।”

    ভিনা সিক্রি আরও বলেন, “কাজী নজরুল ইসলাম বা তাঁর পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বা তাঁকে একদিন সেখানে জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হবে – এগুলো কিন্তু তখন জানা ছিল না, আর ভাবাও হয়নি।”

    তবে ভিনা সিক্রি আজও নজরুলকেই বাংলাদেশ ও ভারতের মৈত্রীর সেরা নিদর্শন বলেই মনে করেন তিনি বলেন, “নবীন একটি দেশে তার বন্ধু প্রতিবেশী একজন কবিকে পাঠাচ্ছে – এমন দ্বিতীয় কোনও নজির বিশ্বে আছে বলে আমার জানা নেই!”

    ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, পার্লামেন্টারিয়ান ও সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সৌগত রায় মতে, “ইন্দিরার সম্মতিটাই ছিল মূল কথা। উনি চেয়েছিলেন বলেই নজরুলকে ঢাকায় পাঠানো গিয়েছিল-এর মধ্যে কোনও ভুল নেই। বাকি ফ্যাক্টরগুলো গৌণ।”

    নজরুলকে ঢাকায় পাঠানো ঠিক হবে কি না, তা নিয়ে কবির পরিবারের সদস্যদের মধ্যেই মতবিরোধ ছিল। কেননা কবির ছোট ছেলে কাজী অনিরুদ্ধ চাননি বাবাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হোক। কিন্তু বড় ছেলে কাজী সব্যসাচীর আবার এ ব্যাপারে তুমুল উৎসাহ ছিল। স্ত্রী প্রমীলার মৃত্যুর পর (১৯৬২) কবি তখন থাকতেন কলকাতার পদ্মপুকুর এলাকার ক্রিস্টোফার রোডে কাজী সব্যসাচীর পরিবারের সঙ্গেই।

    কাজী অনিরুদ্ধর কন্যা ও নজরুলের নাতনি অনিন্দিতা কাজীও এখন থাকেন আমেরিকার নিউ জার্সিতে। তিনি বলছিলেন, “আসলে কী, আমার বাবা (কাজী অনিরুদ্ধ) ছিলেন একটু শান্ত, মিতবাক ও টিমিড প্রকৃতির মানুষ। উল্টোদিকে জেঠু (কাজী সব্যসাচী) ছিলেন দাপুটে মানুষ – আর বড় ভাই হিসেবে পরিবারে তাঁর মতামতটাই প্রাধান্য পেত।”

    “অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা জাগতে পারে, মাত্র দিন সাতেকের জন্য ঢাকায় গিয়ে দাদু (কাজী নজরুল) কেন পাকাপাকিভাবে সেখানে থেকে গেলেন? আসলে কী হয়েছিল, দিনকয়েক পর শেখ মুজিব যখন জেঠুর কাছে জানতে চাইলেন তারা কী করবেন, তখন জেঠু বললেন কবি তো ঢাকায় বেশ ভালই আছেন, চিকিৎসাতেও বেশ সাড়া দিচ্ছেন মনে হচ্ছে – তো উনি থাকুন না কেন?আসলে ঢাকায় চিকিৎসার যে সুযোগ-সুবিধাগুলো পাওয়া যাচ্ছিল, কলকাতায় সেটা পাওয়া যাবে না বলেই জেঠুর মনে হয়েছিল”,

    নজরুল ইসলামের পরিবারের যে শাখাটি তাঁর জন্মস্থান চুরুলিয়া বা তার আশেপাশে এখনও বসবাস করেন, তারই একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সঙ্গীতশিল্পী সোনালি কাজী। সোনালি কাজী মনে করেন, কবিকে ঢাকায় পাঠাতে তাঁর পরিবার রাজি হয়েছিল প্রধানত উন্নত চিকিৎসার আকর্ষণে।

    তিনি বলছিলেন, “একটা জিনিস ভাবুন, তিরিশ বছর ধরে একটা মানুষ নির্বাক, তাঁর মস্তিষ্ক কাজ করছে না। কলকাতার ডাক্তাররাও একরকম জবাব দিয়ে দিয়েছেন। এই অবস্থায় একটি নতুন দেশের প্রধানমন্ত্রী বলছেন তাঁরা যথাযোগ্য মর্যাদায় কবিকে নিয়ে যাবেন এবং ভাল করে চিকিৎসা করাবেন। তখন কবির পরিবার যদি তাঁর কথায় আস্থা রাখে, তাহলে কি তাদের দোষ দেওয়া যায়?”

    তিরিশ বছর ধরে নজরুলের তখন কোনও রোজগার নেই। ভারত সরকারের চারশো রুপি আর পূর্ব পাকিস্তান সরকারের আড়াইশো রুপি মাসোহারাই ভরসা। এর ওপর বহু বছর ধরে কবির আর তাঁর স্ত্রীর চিকিৎসা, ওষুধপত্রের খরচ!ফলে রাষ্ট্রীয় সম্মানে যখন কবিকে বন্ধু দেশ সব খরচ দিয়ে নিয়ে যেতে চায়, পরিবারের তাতে রাজি হওয়াটাই তো স্বাভাবিক, বলে মনে করে অনেক ব্যক্তি। যাদের কেউ ছিরেন আমলা, বেউবা বুদ্ধিজীবী।

    ঠিক পঞ্চাশ বছর আগে ক্রিস্টোফার রোডের ফ্ল্যাট থেকে অ্যাম্বাসাডর গাড়িতে রওনা দিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম যখন ঢাকার বিমানে চাপলেন, কলকাতায় সেদিন কিন্তু সত্যিই কোনও তাপ-উত্তাপ ছিল না।

    এই প্রজন্মের তরুণ নজরুল গবেষক ও গ্রন্থকার অর্ক দেব বলেন, “আসলে ততদিনে কলকাতা শহরে নজরুল ক্রমশ বিস্মৃত হতে শুরু করেছেন। তাঁর সৃষ্টি থেমে গেছে বহু বছর আগেই, তাঁর ঘনিষ্ঠ বৃত্তের লোকজনও ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছেন। এমনকী, বাংলায় যে কমিউনিস্ট আন্দোলনকে সংহত করার ক্ষেত্রে নজরুলের বিরাট অবদান ছিল, সেই পার্টিও কিন্তু কবিকে কোনও স্বীকৃতি দিচ্ছে না। নজরুল আর তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু কমরেড মুজফফর আহমেদ ছিলেন কার্যত পার্টির জগাই-মাধাই। নজরুল স্তব্ধ হয়ে গেলেন-আর মুজফফর আহমেদ প্রয়াত হওয়ার পর কমিউনিস্টরাতো নজরুলকে পুরোপুরি ভুলেই গেল”,

    শহর কলকাতাতেও তখন চলছে একটা অস্থির পর্ব। খাদ্য আন্দোলন সবে থেমেছে, নকশালবাড়ির স্ফুলিঙ্গ মাথা চাড়া দিতে শুরু করেছে। সময়টা কলকাতারও মধুমাস ছিল না – ফলে নজরুল থাকলেন না গেলেন তা নিয়ে শহরটার ভাববারও কোনও অবকাশ হয়নি, বলে জানান তরুণ নজরুল গবেষক।

    প্রবীণ রাজনীতিবিদ সৌগত রায়েরও স্বীকার করেন, “কলকাতায় কিন্তু তখন নজরুলকে নিয়ে উন্মাদনা অনেক স্তিমিত হয়ে এসেছে। সেন্টিমেন্ট, আবেগগুলো থিতিয়ে এসেছে। ফলে তিনি যখন ঢাকায় গেলেন বা সেখানেই থেকে গেলেন, কলকাতায় কোনও হই-চই হয়েছিল বলে আমার আদৌ মনে পড়ে না!”

     

    শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগ আর কূটনৈতিক তৎপরতার পর অবশেষে বাহাত্তর সালের চব্বিশে মে একটি বিশেষ ফ্লাইটে চড়ে কলকাতা থেকে সপরিবারে ঢাকায় এসে পৌঁছেন কবি। তেজগাঁওয়ের বিমানবন্দরে সেদিন হাজার হাজার উৎসুক জনতার ভিড়।

    অনেকের মত সেদিন বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন নজরুল গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়াত শিক্ষক রফিকুল ইসলাম।

    তিনি ২০১১ সালে এক সাক্ষতকারে বলেন, “বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্পূর্ণ জনতায় ভরা আমার মনে আছে ২৪শে মে সকাল বেলা। বিমান থেকে নামলেন, পরিবার ছিল। কিন্তু জনতার ভিড় এমন যে কবিকে বিমান থেকে নামানো যাচ্ছিল না”।

    হাজারো মানুষের ভিড় ঠেলে কবিকে নেওয়া হয় ধানমন্ডিতে তাঁর জন্য নির্ধারিত বাড়িতে। সরকারের বরাদ্দ করা সেই বাড়িটি এখন নজরুল ইন্সটিটিউট।

    রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “বহু কষ্টে কবি এবং কবির পরিবারকে বিমান থেকে নামিয়ে সোজা রাস্তা দিয়ে না, রানওয়ের অপরদিক দিয়ে ঘুরিয়ে এই বাড়িতে আনা হয়। এবং এই বাড়িতে তখন তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় রাখা হয়। এখানে প্রতিদিন সকালে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হত আবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় পতাকা অবনমিত করা হত”,

    বিদ্রোহী কবিকে এক নজর দেখার জন্য বহু মানুষ ভিড় করেছিলেন ধানমন্ডির সেই বাড়িতেও।

    মানুষের ভিড়ের পেক্ষিতে প্রয়াত নজরুল সঙ্গীতশিল্পী খালিদ হোসেন ২০১১ সালের এক সাক্ষাতকারে বলেন কবি-ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের মনে হচ্ছিল “স্বপ্ন বাস্তবে ধরা দিয়েছে।সেটি একটা রত্ন হাতে পাওয়ার মত। প্রত্যেকে অত্যন্ত উৎসাহী ছিল তাকে পাওয়ার জন্য যেন এটা একটা আশাতীত প্রাপ্তি তার আসাটা”।

     

    দেশান্তরী, তবু ব্যতিক্রমী:

    পৃথিবীর বহু বিখ্যাত কবি-সাহিত্যিককে নানা কারণে স্বভূমি ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে। তাঁরা কেউ একদিন নিজের দেশে ফিরতে পেরেছেন, কেউ কখনোই পারেননি।

    রাশিয়ার আলেকজান্ডার সলঝেনিৎসিন, জোসেফ ব্রডস্কি বা বরিস পাস্তেরনাক, চেকোশ্লোভাকিয়ার মিলান কুন্দেরা বা চীনের বেই দাও – হাতের কাছেই এমন উদাহরণ অজস্র।

    পশ্চিমবঙ্গের সুপরিচিত কবি ও নজরুল একাডেমির সভাপতি জয় গোস্বামী মনে করেন, বাহাত্তর সালে কাজী নজরুল ইসলামও এক অর্থে দেশান্তরী হয়েছিলেন – তবে অন্যদের সঙ্গে তাঁর দেশান্তরী হওয়ার একটা মৌলিক পার্থক্য আছে।

    গোস্বামী বলছিলেন, “অন্যরা কেন দেশ ছেড়েছিলেন? কারণ তাঁরা ভয় পাচ্ছিলেন রাষ্ট্র তাদের লিখতে দেবে না, পুরস্কার নিতে দেবে না, এমন কী প্রাণেও মেরে ফেলতে পারে।জীবনের একটা পর্যায়ে নজরুলও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বহু লিখেছেন, তার রচনা নিষিদ্ধ হয়েছে – কিন্তু বাহাত্তরে যখন তিনি ঢাকা যাচ্ছেন তখন তাঁর ক্ষেত্রে একথাটা সত্যি ছিল না। আর দ্বিতীয় বিষয়টা হল, অন্য কবিরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন বা পালাতে বাধ্য হচ্ছেন। নজরুলকে কিন্তু অন্য দেশের রাষ্ট্রনায়ক প্রভূত সম্মান দিয়ে, বিরাট মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করে নিয়ে যাচ্ছেন! তখন তাঁর মেমোরি অব ওয়ার্ডস নেই, শব্দরা তাঁর স্মৃতি থেকে হারিয়ে গেছে, একটা লাইনও তিনি লিখতে পারেন না-তারপরও তাঁকে আপ্যায়নে, সম্মানে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক ও সাধারণ মানুষ। আর এখানেই নজরুলের অনন্যতা।”

    ১৯৭২ সালের ২৪ মে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের জন্মদিনে, যে সন্মান তিনি একজন রাষ্ট্রনায়কের কাছে পেয়েছিলেন তা ইতিহাসে বিরল। তাই তিনি বাংলাদেশেই থেকে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশের মানুষ নজরুলকে সন্মান দেখিয়েছে, ভালো বেসেছে, গবেষণা করেছে। তাই নজরুলের প্রতিভা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

    বিবিসির জরিপে সর্বকালের সেরা বাঙালীর যে তালিকা প্রকাশিত হয় তাতে তৃতীয় স্থানটি ছিল কাজী নজরুল ইসলামের। প্রথমটি ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, দ্বিতীয়টি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

    বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে ১৯৭২ এর ২৪শে মে কবি ঢাকা আসেন, যেখান থেকে কোনও দিনই তাঁর আর কলকাতায় ফেরা হয়নি।কাজী নজরুল আজ আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তার অমর সৃষ্টি আজও আমাদেরকে ভাবায়। কবি চিরকাল থাকবেন আমাদের হৃদয়ের মনিকোঠায়।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • শিল্পকলায় ৬২ জন মনীষীর জীবন ও কর্মের উপর ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’ অনুষ্ঠান শুরু

    শিল্পকলায় ৬২ জন মনীষীর জীবন ও কর্মের উপর ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’ অনুষ্ঠান শুরু

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৪ মে, ২০২৪: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষণ ও মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের নিমিত্তে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে “স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ” শীর্ষক স্মরণ অনুষ্ঠান শুরু হলো আজ। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক বাংলাদেশের বরেণ্য শিল্পী ও গুণীজনদের নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হলো আজ বিশ্ব বরেণ‌্য শিল্পী এস এম সুলতান ও কাইযুম চৌধুরীকে স্মরণের মধ‌্য দিয়ে।

    আজ উদ্বোধনী দিনের আয়োজন শুরু হয় সকাল ১০.০০ টায়। বিশ্ব বরেণ্য শিল্পী এস এম সুলতান এবং কাইয়ুম চেীধুরী স্মরণ অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন জাফর ওয়াজেদ, মহাপরিচালক, পিআইবি। “সাংস্কৃতিক বিপ্লব ও বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ গঠনে এস এম সুলতানের জীবন ও নন্দনতত্বের প্রাসঙ্গিকতা” শিরোনামে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। বক্তব‌্যে তিনি বলেন,  “শিল্পী এস এম সুলতান যে নৌকাটি ব‌্যবহার করেছেন, চিত্রা নদীর সেই ঘাটে হুবহু সেই নৌকার মতো দেখতে নৌকা আমরা বানাতে চাই যাতে শিশু তাতে করে আনন্দ করতে পারে। এছাড়া শিশু স্বর্গকে তাঁর সেই সমেয় ফিরিয়ে নিতে এরই মধ্য অনেক উদ‌্যোগ গ্রহণ করা হয়েছ”।

    তিনি আরো বলেন- “বর্তমান সোস‌্যাল মিডিয়ার যুগে অনেক ভালো কাজ নিয়ে্ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়, সেক্ষেত্রে সকলকে সজাগ থাকতে হবে। সুনাগরিক হিসেবে ভালো কাজে এগিয়ে যেতে হবে।”

     

    ২য় পর্ব:

    একই আয়োজনের ২য় পর্বে বরেণ‌্য শিল্পী কাইযুম চৌধুরী স্মরণে “কাইয়ুম চেীধুরী নান্দনিক শিল্পের রুপকার” শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন অধ্যাপক মামুন কায়সার। আলোচক হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক মইনুল হোসেন জাবের। এ পর্বে সভাপতিত্ব করেন নন্দনতত্ববিদ বুলবন ওসমান।

    বিকেলের আয়োজন

    উপমহাদেশের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব ওস্তাদ আয়েত আলী খান ও ওস্তাদ আলী আকবর খান

    বিকেলের আয়োজন শুরু হয় ৫.০০ টায়। উপমহাদেশের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব ওস্তাদ আয়েত আলী খান এর উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন রীনাত ফওজিয়া, অধ্যাপক, সেতার শিল্পী ও সংগীত গবেষক। প্রবন্ধের শিরোনাম: “ওস্তাদ আয়েত আলী খান: জীবন ও কর্ম” ।আলোচক হিসেবে ছিলেন শেখ সাদী খান বিশিষ্ট সুরকার ও সংগীত পরিচালক। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ। ২য় পর্বে ওস্তাদ আলী আকবর খান এর উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন লেখক, গবেষক,সাংবাদিক ও  নাট্য নির্মাতা ইরানী বিশ্বাস । প্রবন্ধের শিরোনাম: “মুকুটবিহীন সুরসম্রাট ওস্তাদ আলী আকবর খান” আলোচক হিসেবে ছিলেন এজাজ ফারাহ্, সঙ্গীত পরিচালক।

    আলোচকরা বলেন, “সুর ও সঙ্গীতের জগতে তারা যে অনন‌্য মাত্রায় পৌছেছেন, তাতে করেই এই বাংলা ভাষাভাষি অঞ্চল তথা উপমহাদেশের সঙ্গীত অঙ্গণে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন”

  • ইরানের মাশহাদ শহরে সমাধিস্থ হলেন ইব্রাহিম রাইসি

    ইরানের মাশহাদ শহরে সমাধিস্থ হলেন ইব্রাহিম রাইসি

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৪ মে, ২০২৪: ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তর শহর মাশহাদে সমাধিস্থ হলেন হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি।তিনি এ শহরেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

    ৬৩ বছর বয়সী এই নেতাকে গতকাল দেশটির সর্বস্তরের মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে শেষ বিদায় জানিয়েছেন। মৃত্যুর চার দিন পর শিয়াদের মূল সমাধি ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে রাইসিকে দাফন করা হয়। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির আবদুল্লাহিয়ানকে তেহরানের দক্ষিণাঞ্চল শাহর-রে শহরের শাহ আবদুল আজিম মাজারে দাফন করা হয়।

    গতকাল সকালে দক্ষিণ খোরাসান প্রদেশের বিরজান্দে নেওয়া হয় রাইসির মৃতদেহ। দাফন উপলক্ষে মাজারের আশপাশের রাস্তাগুলো রাইসির বিশাল ছবি, কালো পতাকা ও শিয়াদের বিভিন্ন প্রতীক দিয়ে সাজানো হয়েছিল। বিকেলে জানাজায় অংশ নেয় দেশটির লাখ লাখ মানুষ।  জানাজায় সিস্তান ও বেলুচেস্তান, সেমনান এবং ইয়াজদের মতো প্রদেশের মানুষও উপস্থিত ছিলেন। ইরানিরা এ সময় অশ্রুসজল চোখে ও বেদনাসিক্ত হৃদয়ে রাইসিকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

    এ সময় রাইসির পরিবারের সদস্যরাও জানাজায় অংশ নেন। তাছাড়া ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমাদ ওয়াহিদিসহ দেশটির সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন।

    সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি তেহরানে অনুষ্ঠিত জানাজায় ইমামতি করেন। এ সময় উপস্থিত থাকাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল থানি, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানী, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, আজারবাইজানের প্রধানমন্ত্রী আলি আসাদভ, রাশিয়ান ডুমার চেয়ারম্যান ব্যাচেস্লাভ ভোলোদিন, হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ, হিজবুল্লাহর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল নাইম কাসেম, হুতির মুখপাত্র মোহাম্মদ আবদুল সালাম, আফগানিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আব্দুল গান্দাব ব্র্যান্দার আখুন্দ, সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুসেইন আরনাস, তুর্কমেনিস্তানের প্রেসিডেন্ট গুরবাংগুলি বেরদিমুহামেদভ, তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কাইস বিন সাইদ, লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাবিহ বেরিসহ বিভিন্ন দেশের নেতা, রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা এই জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।

    ৫০ টিরও বেশি দেশের প্রায় ৬৮ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা তেহরানের ইরান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রেসিডেন্ট রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমিরাবদুল্লাহিয়ান এবং অন্যান্য শহীদদের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মাদ শিয়া আস সুদানি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি ও তার সফরসঙ্গীদের শাহাদাতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান। খামেনেয়ীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ।

    এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর কাছে লেখা চিঠিতে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট রায়িসি সারা জীবন দেশের কাজেই নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন। প্রেসিডেন্ট রায়িসিকে তিনি ‘চমৎকার রাজনীতিবিদ’ বলে প্রশংসা করেন এবং তার শাহাদাতের ঘটনায় ইরানের ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন।