Category: লিড নিউজ

  • সিঙ্গাপুর থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনবে সরকার

    সিঙ্গাপুর থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনবে সরকার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১১ জুন, ২০২৪: সরকার চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে ছয় মাসে সিঙ্গাপুর থেকে পাঁচটি প্যাকেজে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনতে জাহাজ ভাড়া নির্ধারণ করেছে । এতে মোট ব্যয় হবে ১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।

    আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে এই তেল আমদানি করতে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

    আাজ মঙ্গলবার (১১ জুন) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, আগামী জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে প্রতি ছয় মাস, ছয় মাস করে অনুমোদন নেওয়া থাকে যেটা জুন মাসে শেষ হয়ে যাবে। পরবর্তী জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দ্রুত কোটেশন পদ্ধতিতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি সম্ভব হয় সেজন্য একটি প্রস্তাব উপস্থাপিত হলে সেটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

    তিনি বলেন, পাঁচটি প্যাকেজের মধ্যে এ এবং ই তে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান হলো সিঙ্গাপুরের ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং বি,সি, ডি প্যাকেজের সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান হলো ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এখানে নেগোসিয়েশন হয়েছে জ্বালানি তেলের প্রিমিয়ামের ওপর। জ্বালানি তেলের মূল্য কিন্তু যখন কিনবে জাহাজীকরণের আগের দুই দিন বা পরের দুই দিন ও জাহাজীকরণের দিন দুই দিন যে মূল্য থাকে আন্তর্জাতিক বাজারে সেটাকে এভারেজ বা গড় করে মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

    আর আজ শুধু এই পাঁচ প্যাকেজে যে তেল আমদানি করা হবে সেগুলো আনতে যে জাহাজ ভাড়া লাগবে সেটার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    সচিব বলেন, জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্যাস ওয়েল, জ্যাটএ, ফার্নেস ওয়েল, মোগ্যাস, এবং মেরিন ফুয়েল আনবে এই কোম্পানির জাহাজগুলো। এতে ছয় মাসে জাহাজ ভাড়া পড়বে ১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা। যখন জ্বালানি তেল আনা হবে তখন আলাদাভাবে মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

    জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে পাঁচটি প্যাকেজে বিভক্ত করে আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হয়। সাতটি প্রতিষ্ঠান থেকে দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। তার মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হয়।

    প্রস্তাবের সকল প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশ করা রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরের ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ১৫ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে গ্যাস অয়েল ১০ লাখ মেট্রিক টন, জেট-এ-১ দুই লাখ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল দুই লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন, মোগ্যাসেএক লাখ মেট্রিক টন এবং মেরিন ফুয়েল ৩০ হাজার মেট্রিক টন আমদানি করা হবে।

    নেপালের বিদ্যুৎ আসবে ভারদের গ্রিড হয়ে

    এদিকে উক্ত কমিটি অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অবলম্বন করে ৫ বছরের জন্য ভারতের জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের দাম পড়বে ৮ টাকা ১৭ পয়সা।

    কবে নাগাদ চুক্তি হবে? সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে সচিব মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, এটা এখন চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হবে। কারণ, বিদ্যুৎ নেপালের, আসবে ভারতের সঞ্চালনা লাইন হয়ে।

    কবে নাগাদ নেপালের বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সম্ভবত প্রধানমন্ত্রীর নেপালে একটি সফর আছে। সেখানে হয় তো এই চুক্তি সম্পন্ন হবে।

    সচিব বলেন, ৫ বছরের জন্য চুক্তি করা হবে। প্রতি বছরে আনুমানিক ১৩০ কোটি টাকা লাগবে। এতে পাঁচ বছরে আনুমানিক ব্যয় হবে ৬৫০ কোটি টাকা। ভারতের গ্রিড ব্যবহার করে বাংলাদেশের ভেড়ামারায় জাতীয় গ্রিডে এই বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

    জানা গেছে, বিদ্যুৎ আমাদনির বিষয়ে গত বছরের মে মাসে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, নেপালের ত্রিশূলী প্রকল্প থেকে ২৪ মেগাওয়াট এবং অন্য একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১৬ মেগাওয়াটসহ মোট ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে। ভারত হয়ে বাংলাদেশের ভেড়ামারায় জাতীয় গ্রিডে এই বিদ্যুৎ যোগ হবে।

    নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর বৈঠকে বসে ‘বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন ও আমদানি’ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ওই কমিটির প্রধান ছিলেন। বৈঠকে তিনি নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ট্যারিফ জানতে চাইলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, নেপাল থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম দেশে কয়লাভিত্তিক উৎপাদিত বিদ্যুতের দামের তুলনায় কম পড়বে।

  • নবনিযুক্ত বিমান বাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন হাসান মাহমুদ খাঁন

    নবনিযুক্ত বিমান বাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন হাসান মাহমুদ খাঁন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ জুন, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) গণভবনে নবনিযুক্ত বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনকে র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেওয়া হয়।

    র‌্যাংক ব্যাজ পরিধানের পর নবনিযুক্ত বিমানবাহিনী প্রধানকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা, সামরিক সচিবসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    গত ২৬ মে (রবিবার) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মঞ্জুরুল করিমের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনকে প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর প্রধানদের নিয়োগ, বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাসহ ২০১৮ এর আইন অনুসারে ১১ জুন অপরাহ্ণে এয়ার মার্শাল পদবীতে পদোন্নতি দিয়ে ওই সময় থেকে তিন বছরের জন্য বিমানবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলো।

    এর আগে বিমান বাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এয়ার মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান। আজ ১১ জুন তিনি অবসরে যান।

    এয়ার ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ১৯৬৬ সালের ২০ জুন ঢাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৫ জুন ১৯৮৬ তারিখে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জিডি(পি) শাখায় কমিশন লাভ করেন। এয়ার ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন একজন ফাইটার পাইলট এবং ‘এ’ ক্যাটাগরির কোয়ালিফাইড ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর। একজন পেশাদার সুদক্ষ বৈমানিক হিসেবে তিনি এসএফ২৫ সি, পিটি-৬, ফুগা, সিএম-১৭০, টি-৩৭, এফটি-৬, এটাক-৫, এফটি-৭বি, এফ-৭এমবি, মিগ-২৯ইউবি, মিগ-২৯বি, এফ/এ-১৮ডি, এফটি-৭বিজি, এফ-৭বিজি, এফটিসি-২০০০, এল-৩৯জেডএ, কে-৮ডব্লিউ এবং বেল-২০৬ বিমান উড্ডয়ন করেছেন। তিনি মিগ-২৯ ফাইটার স্কোয়াড্রনের অগ্রগামী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    নটরডেমিয়ান এই কর্মকর্তা সামরিক বাহিনীর দীর্ঘ চাকুরী জীবনে দেশে ও বিদেশে পেশাগত বিভিন্ন কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজ মিরপুর এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি পাকিস্তান হতে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন।

    তিনি ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টরস কোর্স, জুনিয়র কমান্ড এন্ড স্টাফ কোর্স, ফিজিওলজিক্যাল ইনডক্ট্রিনেশন কোর্স, জাংগল সার্ভাইভাল কোর্স, ওয়াটারম্যানশীপ কোর্স, ফ্লাইট সেফটি কোর্স এবং ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এন্ড স্টাফ কোর্স, তুর্কি হতে পিআইসি এন্ড হাই জি টেস্ট, রাশিয়া হতে মিগ-২৯ ট্রেনিং, চীন হতে স্টাফ কোর্স, মালয়েশিয়া হতে মিগ-২৯ সিমুলেটর ট্রেনিং এবং পাকিস্তান হতে ন্যাশনাল সিকিউরিটি এন্ড ওয়্যার কোর্স সম্পন্ন করেন।

    বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বিমান বাহিনীর বিভিন্ন কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ৮ স্কোয়াড্রন, ট্রেনিং উইং, বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুর ফ্লাইং উইং এর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক, বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজার ও বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু এর এয়ার অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও, বিমান সদরের বিমান পরিচালন পরিদপ্তর, গোয়েন্দা পরিদপ্তর ও পরিকল্পনা পরিদপ্তর এর পরিচালক, প্রধান পরিদর্শক,  বিমান বাহিনী একাডেমির ডেপুটি কমান্ড্যান্ট এবং চীফ ইন্সট্রাক্টর, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজ মিরপুর এর ডেপুটি কমান্ড্যান্ট  হিসেবে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিকল্পনা) ও সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশাগত জীবনে কর্মদক্ষতা ও অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ‘বিমান বাহিনী পদক’, ‘গৌরবোজ্জ্বল উড্ডয়ন পদক’ ‘অসামান্য সেবা পদক’ এবং তিন বার বিমান বাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্র লাভ করেন।

    এয়ার ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন পেশাগত কারণে চীন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, জাপান, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, ইতালি, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেন।

    এয়ার ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং স্ত্রী সালেহা খান বিবাহিত জীবনে এক কন্যা এবং এক পুত্র সন্তানের জনক-জননী। তিনি একজন জ্ঞান-পিপাসু পাঠক এবং দক্ষ গলফার।

  • এবার ঈদে লা রিভের কালেকশন

    এবার ঈদে লা রিভের কালেকশন

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১১ জুন, ২০২৪: ঈদ উপলক্ষ্যে নারী, পুরুষ, টিন ও শিশুদের জন্য দারুন সব পোশাকের ডিজাইন নিয়ে লঞ্চ হয়েছে লা রিভ ঈদ-উল-আজহা কালেকশন ২০২৪। মৌসুমের সবচেয়ে ট্রেন্ডি ডিজাইন, কালার প্যালেট ও থিমে নতুন ঈদ কালেকশনটি সাজানো হয়েছে।

    লা রিভের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মন্নুজান নার্গিস বলেন, “এই বছরের ঈদ-উল-আজহা কালেকশনের প্রতিপাদ্য ইমারসিভ বা নিমগ্ন। বর্তমান বিশ্ব নিমগ্ন আধুনিক প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল অগ্রগতিকে ঘিরে। পৃথিবীতে বাস করলেও কোন একদিন আমরা মহাশূন্যে আবাস গড়ার স্বপ্ন দেখছি। বাস্তবতা এবং স্বপ্নের কম্বিনেশনে তৈরি এই ‘চিন্তা বা মাইন্ডসেট’ই ইমারসিভ কালেকশনের মূল উপকরণ। এই ‘ইমারসিভ মাইন্ডসেট’কে প্রকাশ করে এমন সব সামার ও ডিজিটাল কালার কম্বিনেশন, ফাঙ্কশনাল ডিটেইলস, একই সাথে গ্রীষ্ম ও বর্ষার উপযোগি কাপড় দিয়ে তৈরি হয়েছে লা রিভ ঈদ-উল-আজহা ২০২৪ কালেকশন। সাথে থাকছে কসমিক গ্ল্যামার প্রকাশ করবে এমন সব প্রিন্ট, এম্ব্রয়ডারি ও কারচুপির কাজ।“

    তিনি আরো জানান, “ইতিবাচক এনার্জি দেয় এমন সব রঙের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে কসমিক কালার প্যালেট; যাতে থাকছে পাম, মস ও লাইম গ্রিন, পিচ ব্রাউন, পিচ পিঙ্ক, বিটরুট, ল্যাভেন্ডার, ডিপ গ্রিন, ওয়াসাবি, মাস্টার্ড ইয়েলো, ডাস্টি রোজ, ফায়ার অরেঞ্জ, ডিপ স্কাই ব্লু, টিল এর মত উজ্জল রঙগুলি। সথে যোগ হয়েছে ন্যুড ও ব্লাশ কালারের কম্বিনেশন। ভারি কাজ করা পোশাকগুলিকে সাজানো হয়েছে কসমিক শিন প্রিন্টস্টোরিতে। অন্যদিকে গ্লিটার, স্পার্কল এবং নিয়ন কালারের উপস্থিতি আছে এমন স্টাইলগুলোর প্রিন্টস্টোরির নামকরণ করা হয়েছে টুইঙ্কেল ব্লাশ। ঈদ ফ্যাশনে উজ্জল রঙ এবং কারুকাজ করা স্ট্রাইপস ট্রেন্ডে উঠে এসেছে এবার। একই সাথে ডিজিটাল জিওমেট্রি কালেকশনে ডিজিটাল সার্কিটের প্যাটার্ন, বারকোড ও কিউআর কোডস থেকে ইন্সপায়ার্ড প্যাটার্ন, আরজাইল চেক এর উপস্থিতি থাকবে। ভাইন বা লতানো ফুলের মোটিফ ও নিয়ন রঙে গ্রাফিক ফ্লোরালের প্যাটার্ন নিয়ে ২রকম ফ্লোরাল প্রিন্ট নিয়ে এসেছি আমরা এবার। থাকছে আর্দি কালারগুলোর কম্বিনেশন, টাইপোগ্রাফি, কসমিক কালারে অমব্রে ইফেক্ট, পোলকা, বায়ো-মেশ থেকে অণুপ্রাণিত প্রিন্ট। সাইকাডেলিক প্রিন্টও এবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্টস্টোরি হিসেবে উঠে এসেছে।”

    এথনিক ও ক্যাজুয়াল, এই ২ ভাগে সাজানো হয়েছে ঈদের কালেকশন। নারীদের জন্য এথনিক সেকশনে রয়েছে সালোয়ার কামিজ, লং টিউনিক ও সিঙ্গেল কামিজের উৎসব-উপযোগি ডিজাইন। এক্সক্লুসিভ মসলিন শাড়ি, হাফ সিল্ক ও সুতির শাড়ির পাশাপাশি দেখা যাবে ভারি সুতা ও সিক্যুইনের কাজ করা ট্রাডিশনাল পার্টি শাড়ি। যারা লং লেংথ পছন্দ করেন তাদের জন্য থাকছে গাউন ও আবায়া ডিজাইন।”

    ঈদের সকাল এবং ক্যাজুয়াল আউটিং এর জন্য রয়েছে শ্রাগ স্টাইল, মিড-লেংথ ও শর্ট টিউনিক। শার্ট, টপস, টপ-বটম সেট ও টিশার্টের সাথে পরার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে ম্যাচিং বটমস লাইন। লা রিভের এক্সক্লুসিভ লেবেল নার্গিসাসে পাওয়া যাবে মসলিনের শ্রাগ ও গাউন কম্বো, স্কার্ট-কামিজ সেট, কেপ-স্টাইল টপ, লেয়ার্ড-লঙ টিউনিক, ফ্লেয়ার্ড ও কাফতান-কাট টিউনিক, সালোয়ার কামিজসহ অভিজাত সব পার্টি-স্টাইল। অ্যাক্সেসরিজ হিসেবে ম্যাচিং ব্যাগ ও জুতার সমাহার তো থাকছেই।

    পুরুষদের জন্য রয়েছে প্ল্যাকেটে মিনিমাল ও ভারি কাজ করা পাঞ্জাবি, শার্ট, পোলো ও টিশার্ট এবং ডেনিম ও প্যান্ট পাজামার নতুন ডিজাইন। ফ্যাশন-ফরোয়ার্ড টিন’দের জন্য রয়েছে বয়স-উপযোগি উৎসবের পোশাক। কিডস কালেকশনে পাওয়া যাবে সালোয়ার কামিজ, ঘাগরা-চোলি, ফ্রক, টিউনিক, টপ-বটম সেট, পাঞ্জাবি, পোলো ও টি-শার্ট সহ ম্যাচিং বটমসের কালেকশন। ঈদের আনন্দ আরো বাড়িয়ে দিতে থাকছে বাবা-ছেলে ও মা-মেয়ের ম্যাচিং মিনি-মি কালেকশন। পরিবারের নতুন সদস্যদের জন্য নিউ-বর্ন কালেকশনেও থাকছে ঈদ-উপযোগি পোশাক।

    লা রিভ ঈদ কালেকশন ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও ময়মনসিংহের সব স্টোরে। ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধার্থে কুমিল্লা ও বরিশালে লঞ্চ হচ্ছে আরো ২টি নতুন স্টোর। উত্তরায় শুরু হতে যাচ্ছে গ্র‌্যান্ড ফ্ল্যাগশিপ স্টোর। ঈদের কেনাকাটা সহজ করতেই লা রিভের এই প্রয়াস। এছাড়াও ঘরে বসেই ঈদ শপিং করতে ভিজিট করুন লা রিভের অনলাইন পোর্টাল www.lerevecraze.com অথবা ডাউনলোড করুন লা রিভ অ্যাপ।মেসেঞ্জারে অর্ডার প্লেস করতে লগইন করুন www.facebook.com/lerevecraze

  • বাঘ রক্ষায় সুন্দরবনে মিষ্টি পানির উৎস বাড়ানো হচ্ছে

    বাঘ রক্ষায় সুন্দরবনে মিষ্টি পানির উৎস বাড়ানো হচ্ছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ জুন, ২০২৪: খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন জানিয়েছেন বাঘ সংরক্ষণে সুন্দরবনে কেল্লা ও মিষ্টি পানির উৎস বাড়ানো হবে ।

    আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ হল রুমে বাঘ সংরক্ষণে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগ সাতক্ষীরা রেঞ্জ আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    ‌‌সুন্দরবন বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় ‘বাঘ আমাদের অহংকার, রক্ষার দায়িত্ব সবার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এম কে এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী।

    সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলে,- শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক সাঈদ-উজ-জামান সাঈদ, শ্যামনগর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আয়ুব ডলি, মুন্সীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান অসীম মৃধা, রমজানগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আল মামুন, কৈখালি ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শাহিনুর রহমান, বুড়িগোয়ালিনী প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, নীলডুমুর বিজিবির সুবেদার সুবেদার আরজুল, কোস্টগার্ডের পেটি অফিসার রফিক উদ্দিন, বনবিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা এবিএম হাবিবুল ইসলাম, কদমতলা স্টেশন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, সুন্দরবন সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মাহমুদা বেগম প্রমুখ।

    বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আরও বলেন, “বনের ভেতরে পশুপাখিদের আশ্রয়ের জন্য বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় কেল্লার সংখ্যা বাড়ানো হবে। মিষ্টি পানির উৎসের সংখ্যা বাড়ানো হবে। চোরা শিকারিদের নির্মূল করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

  • ঈদ উপহার হিসেবে গৃহহীনদের আরো ১৮,৫৬৬টি বাড়ি দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    ঈদ উপহার হিসেবে গৃহহীনদের আরো ১৮,৫৬৬টি বাড়ি দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ জুন, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকলের জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের আবাসন কর্মসূচি আশ্রয়ণ-২ এর আওতায় আজ সারাদেশে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের মাঝে আরো ১৮হাজার ৫৬৬টি বাড়ি হস্তান্তর করেন।

    শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ, কক্সবাজারের ঈদগাঁও এবং ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সুবিধাভোগীদের কাছে জমির মালিকানা দলিলসহ বাড়ি হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।

    এই সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার দেশে যারা ভূমিহীন, গৃহহীন মানুষ তাদের জন্য এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে গৃহের ব্যবস্থা, জীবিকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। এরইমধ্যে বাংলাদেশের ভূমিহীন গৃহহীন মানুষের জন্য ঘর তৈরি করে দিয়েছি। যার ফলে তাদের জীবনটা বদলে যাচ্ছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “কয়েকদিন আগে ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস হয়ে গেল। সেখানে হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরইমধ্যে আমরা তালিকা করেছি কোন কোন এলাকায় কতগুলো ঘর পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কতগুলো আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। যাদের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে তাদেরকে আমরা ঘর তৈরি করে দেব। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো নির্মাণের উপকরণ দিয়ে সহায়তা করব। প্রাকৃতিক দুর্যোগে যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদের পাশে আমরা আছি। প্রাথমিকভাবে যা যা প্রয়োজন তা দিয়ে যাচ্ছি।”

    যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের চিন্তার কোনো কারণ নেই জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “প্রত্যেকে যেন ঘর নির্মাণ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা আমি করে দেব। এরইমধ্যে সেভাবে আমার প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রত্যেক এলাকা থেকে আমরা তথ্য সংগ্রহ করেছি। সে অনুযায়ী আমরা সহায়তা পাঠাব।”

    তিনি আরো বলেন, “জাতির পিতাকে হত্যা করার পর অবৈধভাবে ক্ষমতার দখলকারীরা এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে ব্যস্ত ছিল। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জনগণের সেবক হিসেবে যাত্রা শুরু করে। তখন থেকেই ভূমিহীন মানুষদের জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তখন বাংলাদেশের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। তারপরও ভূমিহীন মানুষদের মধ্যে ঘর তৈরি করার জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প নিয়ে আমরা ঘর বানাতে শুরু করি।”

    সরকারপ্রধান বলেন, “ঘরগুলো আমরা করে দিয়েছি, সেটা কিন্তু আপনার সম্পত্তি। যে নিচ্ছেন বা পাচ্ছেন সেটা কিন্তু আপনার সম্পত্তি। এটাকে রক্ষণাবেক্ষণ, এটাকে সুন্দরভাবে রাখা, এটার যত্ন নেওয়া আপনার দায়িত্ব। বিদ্যুৎ ব্যবহার অবশ্যই আপনাকে সাশ্রয়ী হতে হবে। যারা বিভিন্ন সময়ে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত তাদেরকে আমরা সহযোগিতা করে যাচ্ছি, সহায়তা করে যাচ্ছি, তাদেরকে আরো সহযোগিতা করে যাব।”

    তিনি বলেন, “প্রত্যেকটা গ্রামকে আমরা নাগরিক সুবিধায় নিয়ে আসব। প্রত্যেকটা গ্রামের মানুষ সুবিধা পাবে। আমরা সেই নাগরিক সুবিধাও নিশ্চিত করে যাচ্ছি।”

    ভূমির মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “কোথাও যেন এক ইঞ্চি জমি অনাবাদি না থাকে। অনাবাদি জমিগুলো চাষের আওতায় আনুন। যে যা পারেন উৎপাদন বাড়ান। জলাশয় থাকলে সেখানে মাছের চাষ, জমি থাকলে ফসলের চাষ, ভিটি থাকলে সেখানে গাছ লাগান। অর্থাৎ যে যতটুকু পারেন উৎপাদন করুন। জাতির পিতা বলেছিলেন ভিক্ষুক জাতির ইজ্জত থাকে না, আমরা কারো কাছে ভিক্ষা করতে চাই না। হাত পেতে চলতে চাই না। যতটুকু আমাদের সম্পদ সেটা কাজে লাগিয়ে মাথা উঁচু করে চলব। সম্মানের সঙ্গে চলব। সেভাবেই বাংলাদেশ গড়ে তুলব। আপনাদের সহযোগিতা দরকার।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আজকের দিনটা আমার জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকতেও মিথ্যা মামলা দিয়েছিল। আবার সেই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারও মিথ্যা মামলা দেয়। আমার সহযোগী সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র, দেশের সাধারণ মানুষ সে সময় প্রতিবাদ করেছিল। আজকের দিনে অর্থাৎ ১১ জুন আমি সেই বন্দিখানা থেকে মুক্তি পেয়েছিলাম।”

    আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের পঞ্চম পর্বের দ্বিতীয় ধাপে ১৮ হাজার ৫৬৬টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে বাড়ি হস্তান্তরের পাশাপাশি তিনি ২৬ জেলার সব উপজেলাসহ আরও ৭০টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করেন।

    সরকার প্রধান লালমনিরহাটে ১ হাজার ২৮২টি, কক্সবাজারে ২৬১টি এবং ভোলায় ১ হাজার ২৩৪টি বাড়ি হস্তান্তর করেন।

    নতুন ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত জেলা ও উপজেলা নিয়ে সারাদেশে জেলার মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮টি এবং উপজেলা ৪৬৪টি।

  • এমপি আনার চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তা কখনো বলিনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    এমপি আনার চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তা কখনো বলিনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ জুন, ২০২৪: এমপি আনার চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তা কখনো বলিনি, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তা আমরা কখনোই বলিনি।

    আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত হাইওয়ে পুলিশের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা সবসময় বলে আসছি ঝিনাইদহ সন্ত্রাস-পূর্ণ একটি এলাকা। ওখানে সত্যিকারে কী হয়েছে, সেটা আমাদের জানতে হবে। আমরা তদন্ত করছি, তদন্তের পর আপনাদের সবকিছু জানাব।”

    আনোয়ারুল আজীম আনারের মেয়ে ডরিন সন্দেহজনকদের নাম বলেছেন। কাদের নাম বলেছেন তিনি– এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যখন তদন্ত চলে তখন আমাদের মন্ত্রী, আইজিপি কিংবা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের পক্ষে তদন্ত না করে কোনো কিছুই বলা সম্ভব না। আমরা মনে করি তদন্ত শেষ হলে এগুলো নিয়ে কথা বলব।”

    পুলিশের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের কাউন্সেলিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, “পুলিশের ট্রেনিংয়ের সময় মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিস্তারিতভাবে কয়েকদিন ট্রেনিং দেওয়া হয়। যাতে মেন্টাল স্ট্রেস তাদের কম থাকে। গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহতের ঘটনার কারণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী হবে সেটা নিয়ে আইজিপি রিসার্চ করছেন।”

  • ইসরায়েল-গাজার পরিপূর্ণ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব জাতিসংঘে পাস

    ইসরায়েল-গাজার পরিপূর্ণ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব জাতিসংঘে পাস

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১১ জুন, ২০২৪: ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাস হয়েছে। প্রস্তাবে শর্ত হিসেবে রাখা হয়েছে “পরিপূর্ণ যুদ্ধবিরতি”, হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্তি, মৃত জিম্মিদের দেহাবশেষ ফেরত দেয়া এবং ফিলিস্তিনি বন্দী বিনিময়।

    ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের ১৪ টি দেশই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। রাশিয়া ভোটদানে বিরত ছিল। গত ৩১ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তিন ধাপের প্রস্তাবটি উন্মোচন করেন।

    শান্তি চুক্তির জন্য সমর্থন আদায়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুসহ বেশ কয়েকটি দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের বৈঠকের পরপরই জাতিসংঘে প্রস্তাবটি পাস হওয়ার খবর পাওয়া গেলো। প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, প্রস্তাবে শর্ত হিসেবে রাখা হয়েছে- পূর্ণ যুদ্ধবিরতি, হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্তি, নিহত জিম্মিদের দেহাবশেষ ফেরত দেওয়া ও ফিলিস্তিনি বন্দি বিনিময়। ইসরায়েল এরই মধ্যে এই প্রস্তাবে রাজি আছে বলে জানানো হয়েছে। হামাসকেও এই প্রস্তাবে রাজি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

    এদিকে, পাস হওয়া যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে হামাস। সংগঠনটি বলেছে, এই প্রস্তাবের নীতিগুলো আমাদের ও ফিলিস্তিনি জনগণের দাবির সঙ্গে মেলে। তাই এই প্রস্তাবের শর্তগুলো বাস্তবায়নের জন্য মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার পাশাপাশি সহযোগিতাও করবো আমরা। জাতিসংঘে ভোটাভুটির মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই আরব নেতাদের উদ্দেশে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন বলেন, যদি যুদ্ধবিরতি চান, তাহলে হামাসের ‍উপরে চাপ দিন। ইসরায়েল এরই মধ্যে তাদের সম্মতি জানিয়ে দিয়েছে।

    এর আগে হামাস বলেছিল, তারা এই যুদ্ধবিতরতির প্রস্তাবের কিছু অংশ সমর্থন করে। ধারণা করা যায়, হামাস স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও গাজা উপত্যকা থেকে পুরোপুরিভাবে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা চাইবে।

    অবশ্য কাতারের দোহায় অবস্থানকারী হামাসের রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে প্রস্তাবটির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কর্মকর্তারা।

    প্রস্তাবটি গৃহীত হলে সংঘাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজার পুনর্নির্মাণে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের একটি খসড়া থেকে জানা যায়, তিন ধাপের মধ্যে প্রথম ধাপে জিম্মি-বন্দি বিনিময় ও স্বল্প মেয়াদের যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে। স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসান ও গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার রাখা হয়েছে দ্বিতীয় ধাপে।

    তৃতীয় ধাপটিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এটি কার্যকর হলে গাজায় কয়েক বছরব্যাপী পুনর্নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কয়েক সপ্তাহ আগেই বলেছিলেন, ইসরায়েলি জনগণ এই প্রস্তাবে রাজি। কিন্তু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এখনো এই প্রস্তাবে সমর্থন জানাননি।

    এদিকে, বাইডেন যখন শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে ইসরায়েলি প্রচেষ্টা হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছেন, একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের ভঙ্গুর জোট সরকারের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হচ্ছে। যার মধ্যে অনেকেই যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাবে যেতে অনাগ্রহী।

    ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থি মন্ত্রীরা এমন হুমকি দিচ্ছেন যে, যদি নেতানিয়াহু এই প্রস্তাবের অধীনে থাকা চুক্তিগুলো কার্যকর করেন, তাহলে তার সরকারকে অচল করে দেওয়া হবে। দেশটির যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে সাবেক জেনারেল বেনি গান্তজের পদত্যাগ সেই অস্থিতিশীলতার শঙ্কা আরও উসকে দিয়েছে।

    ইতিমধ্যে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ৩৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

  • দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বাংলাদেশ হেরেছে ৪ রানে

    দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বাংলাদেশ হেরেছে ৪ রানে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১১ জুন, ২০২৪: শেষ ২ বলে জয়ের জন্য যখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ৬ রান ঠিক তখনি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের একটি নিশ্চিত ছয় ক্যাচে পরিণত করেন মার্করাম। কেশভ মহারাজের ৫ম বলে লো ফুলটস পান মাহমুদউল্লাহ।ঠিক সেই সময় উড়িয়ে মারা ছাড়া আর কোন বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের এই গ্রেট ফিনিশারের হাতে।ছয় হতে হতে ক্যাচে পরিণত হয় বলটি। তারপর শেষ বলে তাসকিন এক রান নিতে পারে। বাংলাদেশ পরাজয় বরণ করে ৪ রানে।

    শুরুতে বোলারদের দাপট। এরপর ব্যাটিংয়ে শুরুতে বিপদে পড়লেও দলকে টেনে তোলেন তাওহীদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু অল্প রান তাড়া করেও দুর্ভাগ্য বাংলাদেশের। হারা ম্যাচ জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা আর বাংলাদেশে জেতা ম্যাচ হেরেছে।

    সোমবার নাসাউ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে জিতে ব্যাটিং করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান করে প্রোটিয়ারা। ওই রান তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। এই জয়ে প্রথম দল হিসেবে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে প্রোটিয়ারা।

    ১১৪ রান তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারে কিছুটা চাপে পড়া বাংলাদেশকে দ্বিতীয় ওভারেই ভালো কিছুর বার্তা দেন তানজিদ হাসান তামিম। টানা দুই বলে কাগিসো রাবাদকে বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। কিন্তু শেষ বলে গিয়ে আউটও হয়ে যান তানজিদ। রাবাদার বলে শট খেলতে গেলে তার ব্যাট ছুয়ে যায় ডি ককের হাতে। ৯ বলে ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ।

    এরপর লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের হাল ধরেন ওপেনিংয়ে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু তাদের ২৫ বলে ২০ রানের জুটি ভেঙে যায় পাওয়ার প্লের ঠিক পরের বলে। ১৩ বলে ৯ রান করে কাভারে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লিটন দাস। বল হাতে স্রেফ এক ওভার করা সাকিব আল হাসান ব্যাটিং এ ভালো কিছু করতে পারেননি।

    এনরিখ নরকিয়ার অফ স্টাম্পের বাইরের বাউন্সারে পুল করতে যান তিনি। কিন্তু ৪ বলে ৩ রান করে ক্যাচ দেন মিড অফে দাঁড়ানো মার্করামের হাতে। আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত করা তাওহীদ হৃদয় এদিনও ইনিংসের তৃতীয় বলেই ছক্কা হাঁকান।

    কিন্তু নরকিয়া পরের ওভারে এসে শান্তর উইকেট তুলে নিলে ফের চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ২৩ বলে ১৪ রান করে বাংলাদেশ অধিনায়কও শিকার হন নরকিয়ার বাউন্সারের। এরপর উইকেটে এসে হৃদয়ের সঙ্গী হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

    তিনি কিছুটা ভাগ্যের ছোঁয়া পান। তার বল স্লিপে অল্পের জন্য ধরতে পারেননি ইয়ানসেন। হৃদয়-রিয়াদের জুটিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে থাকে বেশ ভালোভাবে। কিন্তু আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে বদলে যায় ম্যাচের মোড়।

    ১৭তম ওভারে বর্টম্যানের বল রিয়াদের প্যাডে লেগে বল চলে যায় বাউন্ডারির বাইরে। কিন্তু এর আগেই আউট দেন আম্পায়ার। পরে রিভিউ নিয়ে মাহমুদউল্লাহ বাঁচলেও বল ডেড হয়ে যাওয়ায় চার রান পায়নি বাংলাদেশ।

    এরপর আরও একবার আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত যায় বাংলাদেশের বিপক্ষে। ১৮তম ওভারে রাবাদার অল্প আবেদনে সাড়া দিয়ে তাওহীদ হৃদয়কে এলবিডব্লিউ আউট দেন আম্পায়ার। কিন্তু পরে রিভিউতে দেখা যায়, আম্পায়ারস কলের শিকার হয়ে ফিরতে হচ্ছে হৃদয়কে। দুই চার ও সমান ছক্কায় ৩৪ বলে ৩৭ রানে আউট হন তিনি।

    তার বিদায়ের পর উইকেটে এসে টানা তিনটি ডট বল খেলেন জাকের আলি। ১৮তম ওভারে হৃদয়ের উইকেট নিয়ে স্রেফ ২ রান দেন রাবাদা। শেষ দুই ওভারে ১৮ রান দরকার হয় বাংলাদেশের। ১৯তম ওভারে কোনো বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ ও জাকের।

    শেষ ওভারে ১১ রানের সমীকরণ দাঁড়ায়। বল হাতে নেন কেশভ মহারাজ। নিজের প্রথম ৩ ওভারে ২২ রান দিয়ে ১ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। শেষ ওভারে এসে প্রথম বলেই দেন ওয়াইড।

    এরপর দ্বিতীয়টিতে সিঙ্গেলস নিয়ে দেন রিয়াদ। তৃতীয় বলে ফুলটস পেয়েও বাউন্ডারি হাঁকাতে ব্যর্থ হন জাকের। ওই বল থেকে আসে দুই রান। পরের বলে জাকের ৯ বলে ৮ রান করে আউট হয়ে যান ক্যাচ দিয়ে। পঞ্চম বলে স্ট্রাইক পাওয়ার পর ফুলটস পেয়ে যান রিয়াদ। লং অনের উপর দিয়ে তুলে মারেন তিনি।

    কিন্তু অল্পের জন্য বাউন্ডারির ঠিক সামনে থেকে দারুণ এক ক্যাচ নেন মার্করাম। শেষ বলে ফুলটস পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি তাসকিন আহমেদ। বাংলাদেশকে ম্যাচটা হারতে হয় স্রেফ ৪ রানে। লেগ বাইতে মাহমুদউল্লাহর না পাওয়া চারের গুরুত্ব আরেকটু বেশিই হয়তো টের পাওয়া গেছে ম্যাচের শেষে!

    এর আগে টস হেরে প্রথম ওভার বল করতে এসে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে ছক্কা ও চার হজম করেন তানজিম হাসান সাকিব। কুইন্টন ডি ককের কাছে বাউন্ডারি হজমের পরও অবশ্য মনোবল হারাননি তিনি। ওভারের শেষ বলেই পেয়ে যান উইকেটের দেখাও। অফ স্টাম্পের সামান্য বাইরে থাকা বলে এলবিডব্লিউ হন রেজা হেনরিকস।

    দ্বিতীয় ওভারে আসা তাসকিন আহমেদকেও ছক্কা হাঁকান ডি কক। কিন্তু পরের ওভারে এসে তাকে ফিরিয়ে দেন তানজিম। তৃতীয় বলে ডি কককে বোল্ড করেন তিনি বেশ বাইরে থেকে অনেকটুকু ভেতরে ঢোকা বলে। ১টি চার ও ২ ছক্কায় ১১ বলে ১৮ রান করেন ডি কক।

    তানজিমের পর তাসকিনও উইকেটের দেখা পান। ৮ বলে চার রান করা এইডেন মার্করামের অফ স্টাম্প ভাঙেন তাসকিন। পাওয়ার প্লের মধ্যেই বাংলাদেশকে আরও একটি উইকেট এনে দেন তানজিম। তার বাউন্সার ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারেননি ক্রিস্তিয়ান স্টাবস। কাভারে সামান্য এগিয়ে দাঁড়ানো সাকিব আল হাসান ক্যাচ নেন তার।

    পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৫ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি তাদের সর্বনিম্ন সংগ্রহ প্রথম ছয় ওভারে। কিন্তু পাওয়ার প্লের পরই প্রেক্ষাপট বদলাতে থাকে। বাংলাদেশের তিন পেসারের ওপর নির্ভরতা কমাতে বাধ্য হয়। নিয়ে আসে স্পিনারদের।

    এরপরই ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সামলে উঠতে থাকেন হেনরিখ ক্লাসেন ও ডেভিড মিলার। দুজনের জুটি বড় হতে থাকে, আসে রানও। পেসারদের বিপক্ষে কঠিন সময় কাটানো ব্যাটাররা খুঁজে পান স্বস্তি। রিশাদ হোসেন তার প্রথম দুই ওভারে দেন ২০ রান। তাকে টানা দুই বলে ছক্কা হাঁকান ক্লাসেন।

    সাকিব এক ওভারে ৬ রান দেন। এর মধ্যে শান্ত বোলিংয়ে নিয়ে আসেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। প্রথম দুই ওভারে ৭ রান দিয়ে আস্থার প্রতিদান দেন তিনি। তার করা প্রথম বলেই ডেভিড মিলারের ক্যাচ উইকেটের পেছনে ছাড়েন লিটন দাস। বাইরের দিকে যাওয়া বলটি ধরা অবশ্য বেশ কঠিন ছিল।

    এর মধ্যে জুটি বড় হতে থাকে মিলার ও ক্লাসেনের। ১৮তম ওভারে গিয়ে অবশেষে এই জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। তার ভেতরে ঢোকা দুর্দান্ত এক বলে বোল্ড হয়ে যান ক্লাসেন। ৭৯ বলে ৭৯ রানের জুটি ভাঙে, যেটি নাসাউ কাউন্টিতে সর্বোচ্চ রানের জুটি। ৪টি চার ও ৩ ছক্কায় ৪৪ বলে ৪৬ রান করে ফেরেন ক্লাসেন।

    ইনিংসের শেষ অবধি ব্যাট করতে পারেননি ডেভিড মিলারও। রিশাদের করা ১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি। এর আগে ৩৮ বলে একটি চার ও সমান ছক্কায় ২৯ রান করেন মিলার। তার বিদায়ের পর আর তেমন রান হয়নি। শেষ ওভারে চার রান দেন মোস্তাফিজ।

    বাংলাদেশের হয়ে ৪ ওভারে স্রেফ ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব। এক রান বেশি দিয়ে দুই উইকেট পান তাসকিন। ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে রিশাদ নেন এক উইকেট। কোনো উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মোস্তাফিজ দেন ১৮ রান, ৩ ওভারে ১৭ রান দেন রিয়াদ। সাকিব একমাত্র ওভারে ৬ রান দিয়েছেন।

     

    আজকে পাকিস্তুন খেলবে কানাডার বিপক্ষে

    নিউ ইয়র্কের বোলিং ফ্রেন্ডলি উইকেটে কানাডার বিপক্ষে খেলতে নামাবে পাকিস্তান। ম্যাচ শুরু হবে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।

  • রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকা চান হাইকোর্ট

    রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকা চান হাইকোর্ট

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ জুন, ২০২৪: সারা দেশে কত রোহিঙ্গাকে ভোটার করা হয়েছে তদন্ত করে তার তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৮ আগস্টের মধ্যে এ তালিকা দাখিলের জন্য নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার সচিব, কক্সবাজারের ডিসিসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিষয়ে এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    এর আগে সোমবার (১০ জুন) সারা দেশে কত রোহিঙ্গাকে ভোটার করা হয়েছে তদন্ত করে তার তালিকা দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়।

    এর আগে গত ২৪ এপ্রিল পুরো কক্সবাজারে কত রোহিঙ্গাকে ভোটার করা হয়েছে তার তালিকা চান হাইকোর্ট। কক্সবাজারের ডিসিসহ সংশ্লিষ্টদের এ তালিকা আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। একইসঙ্গে কক্সবাজারের ঈদগাঁও ইউনিয়নের ৩৮ রোহিঙ্গাকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। তার ধারাবাহিকতায় সম্পূরক আবেদন করা হয়।

    গত ২৩ এপ্রিল কত রোহিঙ্গা কক্সবাজারে নাগরিকত্ব পেয়ে ভোটার হয়েছেন তার তালিকা দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। একইসঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে রোহিঙ্গাদের বাদ দেওয়ার আর্জি জানানো হয়। এ ছাড়া ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করা পর্যন্ত ঘোষিত তফসিলে নির্বাচন ও ভোটগ্রহণ বন্ধ বা স্থগিত রাখার আর্জি জানানো হয়।

    রিটে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, কক্সবাজার জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারসহ (এসপি) সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

    স্থানীয় ভোটার মো. হামিদুর রহমানের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া এ রিট দায়ের করেন।

    সেদিন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া জানান, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়েছেন ৪০ জন রোহিঙ্গা। তাদের তালিকা যুক্ত করে রিট আবেদন করা হয়। এ ছাড়াও একই ইউনিয়নে কয়েকশ (সাড়ে তিনশ) রোহিঙ্গা নাগরিক হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলে তাদের নাগরিকত্ব বাদ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করা পর্যন্ত ওই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত রাখার আর্জি জানানো হয়েছে রিটে।

  • নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ওয়াকার-উজ-জামান

    নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ওয়াকার-উজ-জামান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ জুন, ২০২৪: সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। আগামী ২৩ জুন তিনি সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

    তিনি বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

    আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৩ জুন বিকেল থেকে বিএ-২৯০২ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)-কে জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি দেওয়াপূর্বক ওই তারিখ বিকেল থেকে তিন বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্য হিসেবে ১৩তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। সামরিক জীবনের শুরু থেকেই বিভিন্ন কোর্সে ভালো ফলাফলের ক্রমধারায় তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড ও স্টাফ কলেজ, মিরপুর থেকে সাফল্যের সঙ্গে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, যুক্তরাজ্য থেকেও গ্র্যাজুয়েট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় প্রথম শ্রেণিতে মাস্টার্স অব ডিফেন্স স্টাডিজ (এমডিএস) সম্পন্ন করেন এবং যুক্তরাজ্যস্থ কিংস কলেজ, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে মাস্টার্স অব আর্টস ইন ডিফেন্স স্টাডিজ ডিগ্রি অর্জন করেন।

    তার সুদীর্ঘ ৩৯ বছরের বর্ণাঢ্য সামরিক জীবন কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষকের অভিজ্ঞতায় পরিপূর্ণ। তিনি ২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১০ সালে ৮ জুন পর্যন্ত ১৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক ও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তিনি তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহ দমনে নিষ্ঠা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেন।

    তিনি ২০১১ সালের ২৭ জুলাই থেকে ২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত দুই বছরেরও বেশি সময় ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জিওসি হিসেবে ২০১৪ সালের ২ এপ্রিল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন বছর নবম পদাতিক ডিভিশন কমান্ড করেন। এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া ও জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) নবম পদাতিক ডিভিশন হিসেবে তিনি টানা তিন বছর সফলভাবে বিজয় দিবস প্যারেড ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ এর প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। এই বিরল কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘সেনাগৌরব পদক’ (এসজিপি) এ ভূষিত হন।

    স্টাফ হিসেবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে নিয়োজিত একটি ব্রিগেড, স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস (এসআইএন্ডটি) এবং সেনাসদরে বিভিন্ন পদবি ও নিয়োগে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি প্রশিক্ষক হিসেবে জেসিও এনসিও একাডেমি (জেএনএ), স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস ও বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস সাপোর্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিপসট) এ সুনামের সঙ্গে সব পদবির দেশি-বিদেশি সেনাসদস্যদের প্রশিক্ষণ দেন।

    সেনাসদর সামরিক সচিবের শাখায় তিনি সহকারী সামরিক সচিব, উপ-সামরিক সচিব এবং সামরিক সচিব (এমএস) হিসেবে বিভিন্ন মেয়াদে দীর্ঘদিন কর্তব্যরত ছিলেন। সেনাসদর, জিএস শাখার চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পূর্বে তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও-এএফডি) হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

    লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জাতিসংঘের ব্যানারে মিলিটারি অবজার্ভার হিসেবে এংগোলাতে এবং সিনিয়র অপারেশন অফিসার হিসেবে লাইবেরিয়াতে দায়িত্ব পালন করেন। সেনাবাহিনীতে তার কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি ‘অসামান্য সেবা পদক’ (ওএসপি) এ ভূষিত হন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে দেশে ও বিদেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কনফারেন্সে অংশগ্রহণ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন।

    ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এবং সারাহনাজ কমলিকা জামান দুই কন্যা সন্তানের (সামিহা রাইসা জামান এবং শাইরা ইবনাত জামান) জনক-জননী।