Category: লিড নিউজ

  • এবার বিশ্বকাপের অনুষ্ঠানে থাকছেনা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

    এবার বিশ্বকাপের অনুষ্ঠানে থাকছেনা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ০৪ অক্টোবর, ২০২৩: আজ আইসিসির দেওয়া সূচিতে জানানো হয়েছে এবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান না হওয়ার শঙ্কা। সেটিই সত্যি হলো। আজ বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

    জমকালে আয়োজনের মধ্য দিয়ে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে পর্দা ওঠার কথা ছিল বিশ্বকাপের। এই অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি সঙ্গীত শিল্পী আশা ভোসলে ছাড়াও গান গাওয়ার কথা ছিল অরিজিত সিং, শ্রেয়া ঘোষালের। এছাড়াও বলিউড তারকা রণবীর সিং এবং তামান্না ভাটিয়ারও পারফর্ম করার কথা ছিল। কিন্তু সেটি আর হচ্ছে না।

    আইসিসির দেওয়া সূচিতে দেখা যায় আগামীকাল (৪ অক্টোবর) নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড দলের অনুশীলন থাকবে। পাশাপাশি দলের অধিনায়করা এদিন কথা বলবেন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে।

    এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে কেবল ১০ অধিনায়ককেই পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। থাকবে লেজার শো। এর বাইরে বিস্তারিত আয়োজনের পথে হাঁটবে না বিসিসিআই। এর পরিবর্তে ১৪ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হতে পারে। এছাড়া ১৯ নভেম্বর ফাইনালের আগেও থাকবে বর্ণিল অনুষ্ঠান।

    প্রতি বছর বিশ্বকাপের আগের দিন জমজমাট অনুষ্ঠান থাকে। কিন্তু আবর বিভন্ন কারণে সূচির পরিবর্তন হয়েছে। এবং থাকছেনা কোন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে ‘সারাবাংলা-৮৮ ফাউন্ডেশনে’র মশারি বিতরণ

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে ‘সারাবাংলা-৮৮ ফাউন্ডেশনে’র মশারি বিতরণ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০৪ অক্টোবর, ২০২৩: ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি বেসিরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে দেশে দ্রুত প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ‘সারাবাংলা-৮৮ ফাউন্ডেশন’ নামে একটি বন্ধু সংগঠন।

    সংগঠনের সদস্যরা মঙ্গলবার উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টর পার্কের দক্ষিণ গেটে হতদরিদ্র, অসহায় দুঃস্থদের মাঝে ৫শ’টি মশারি বিতরণ করেছে। এর আগেও রাজধানীর মোহাম্মদপুর, উত্তরা ও কেরানীগঞ্জের কিছু বস্তি এবং কয়েকটি হাসপাতালে দরিদ্রদের মাঝে ২শ’টি মশারি বিতরণ করেছে সংগঠনটি।

    সংগঠনের সদস্যরা জানান, ‘সারাবাংলা ৮৮ সুখে-দুঃখে পাশাপাশি’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে জনহিতকর কার্যক্রম নিয়ে এগিয়ে চলছে সংগঠনটি। এই সংগঠনের কাজ ও লক্ষ্য হলো বন্ধুত্ব এবং একে অপরকে সহযোগিতা করা। চ্যারিটি তাদের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশে বর্তমানে দিন দিন ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    সারাদেশে এডিস মশার আক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে মঙ্গলবার পর্যন্ত ১ হাজার ৩০ জন মারা গেছেন। যার মধ্যে শিশুও রয়েছে অনেক। আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ জন। যারমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৪৫৫ জন। দুর্যোগ ও বিপদে দুস্থ মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায় সারাবাংলা-৮৮ ফাউন্ডেশন নামে এই বন্ধু সংগঠন।

    সূত্র: বাসস

  • পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন জন

    পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন জন

    www.HelloBangla.News –  আন্তর্জাতিক –  ৩ অক্টোবর, ২০২৩ : পদার্থবিজ্ঞানে ২০২৩ সালে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন, মার্কিন বিজ্ঞানী পিয়ের আগোস্তিনি, হাঙ্গেরীয় বিজ্ঞানী ফেরেন্স ক্রাউজ ও ফরাসি বিজ্ঞানী অ্যান লিয়ের।রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস পুরস্কারের জন্য তাদের তিনজনের নাম ঘোষণা করে।

    পদার্থের ইলেকট্রন গতিবিদ্যা অধ্যয়নের জন্য আলোর অ্যাটোসেকেন্ড স্পন্দন তৈরি করে, এমন পরীক্ষামূলক পদ্ধতির জন্য রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস তাদের নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে।

    মঙ্গলবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

    পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল দেওয়া শুরু হয় ১৯০১ সালে। এরপর থেকে ১১৬ বার এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২২২ জন সম্মানজনক এ পুরস্কার জিতেছেন। এরমধ্যে মার্কিন পদার্থবিদ জন বার্ডেন একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে দুইবার এই পুরস্কার জেতার বিরল কীর্তি গড়েছিলেন।

    পদার্থবিজ্ঞানে অনবদ্য অবদান রাখায় গতবছর যৌথভাবে এ পুরস্কার পেয়েছিলেন ফ্রান্সের অ্যালাইন অ্যাসপেক্ট, যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ ক্লজার ও অস্ট্রিয়ার অ্যান্টন জেলিঙ্গার।

    আগামীকাল বুধবার (৪ অক্টোবর) রসায়নে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এরপর বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) সাহিত্যে এবং শুক্রবার (৬ অক্টোবর) শান্তিতে নোবেলজয়ীর নাম জানা যাবে। দুদিন বিরতি দিয়ে ৯ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীর নাম।

    এদিকে নোবেল পুরস্কার ঘোষণার ক্ষেত্রে খুবই গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়। যে বা যারা এ পুরস্কার পান— আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাত্র কয়েক মিনিট আগে তাদের এ ব্যাপারে অবহিত করা হয়।

  • সরকার সবসময় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের  পাশে থাকবে: রাষ্ট্রপতি

    সরকার সবসময় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের পাশে থাকবে: রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ৩ অক্টোবর, ২০২৩ : দেশের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘আপনাদেরকে দুর্নীতি এবং অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এসময় তিনি আরও বলেন যে কোনো পরিস্থিতিতে সরকার সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে – উৎসাহ যোগাবে।’

    আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার ২০২২’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ আহবান জানান।

    রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, দেশের শিল্পোন্নয়নে বিদ্যমান সকল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যেই ‘উন্নত বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে সক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ইতিমধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে সনাতনী থেকে ডিজিটাল কর্মসূচিতে পদার্পণের ছোঁয়া পরিলক্ষিত হয়েছে এবং ডিজিটাল থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট কর্মসূচিতে পদার্পণে বেশি সময় লাগবে না।

    তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের স্লোগান হবে টেকসই শিল্পায়ন স্মার্ট বাংলাদেশের দর্শন।’

    রাষ্ট্রপতি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণে  অবদান  রাখারও তাগিদ দেন।

    দেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিদ্যমান- উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিল্প খাতের দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য সরকার ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলেছে।

    রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, অল্পকিছু লোকের অপকর্মের দায়ভার গোটা ব্যবসায়ী সমাজের হতে পারে না।

    শ্রমিকদের কল্যাণের পাশাপাশি দুস্থ মানবতার সেবায় দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

    শ্রমিকদের নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতি হচ্ছে উল্লেখ করে, রাষ্ট্রপতি বলেন, কিছু দুষ্টচক্র দু-একজনকে বেছে নেয় এবং এদেরকে মানবাধিকারের কথা বলে দেশ-বিরোধী চক্রান্ত করায়।

    তিনি শিল্প-কারখানায় শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা ও অধিকার প্রদানকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করারও অনুরোধ জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

    আজকের অনুষ্ঠানে ৬টি ক্যাটাগরিতে- ভারী, মাঝারি, ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও কুটির এবং উচ্চ প্রযুক্তির শিল্প ইউনিটের মালিকসহ  ১২ জন শিল্পোদ্যোক্তাকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে তাদের অসামান্য অবদানের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু শিল্প পুরস্কার ২০২২’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড প্রথম, জাবের এন্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেড এবং বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেড এবং মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করে নিতা কোম্পানি লিমিটেড এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নোমান টেরি টাওয়েল মিলস লিমিটেড।

    ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে হযরত আমানত শাহ স্পিনিং মিলস লিমিটেড প্রথম, বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড দ্বিতীয় এবং টেকনো মিডিয়া লিমিটেড তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

    এছাড়া মাইক্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ক্যাটাগরিতে গ্রীন জেনেসিস ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড এবং কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে শামসুন্নাহার টেক্সটাইল মিলস নির্বাচিত হয়েছে।

    ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে এবং সুপার স্টার ইলেকট্রিক্যাল এক্সেসরিজ লিমিটেড ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, শিল্প উদ্যোক্তা বা প্রতিষ্ঠানের জন্য এই পুরস্কার একটি অনন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি যা তাঁদেরকে টেকসই শিল্পায়নে বিনিয়োগ ও নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উৎসাহ এবং প্রেরণা যোগাবে ।

    তিনি আশা করেন যে, তাদেরকে (পুরস্কার প্রাপ্তদের) অনুসরণ করে অন্যান্য ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও রপ্তানিকারকগণ আগামী দিনে দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে উৎসাহিত ও উদ্যোগী হবেন।

    রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা চলছে। তাই বাংলাদেশ সরকার বৈশ্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের রপ্তানি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

    দেশের উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান অবস্থায় বাংলাদেশের রপ্তানি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়তে পারে- তা চিহ্নিত করতে হবে এবং ঝুঁকি ও সম্ভাবনা বিবেচনা করে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।

    তথ্যপ্রযুক্তি ও নতুন নতুন উদ্ভাবনের ফলে ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্যে দ্রুত পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সকল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, চাহিদা, সরবরাহ ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে আপনাদেরকেও পদক্ষেপ নিতে হবে।’

    ব্যবসায়ীদেরকে ধ্যান-ধারণায় তথ্যপ্রযুক্তিতে জ্ঞান-সম্পন্ন আধুনিক হওয়ার ও উপদেশ দেন রাষ্ট্রপতি। এর পাশাপাশি পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেদেরকে খাপ খাইয়ে নেয়ার জন্য তাগিদ দেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিল্প মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, এমপি। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- কৃষি মন্ত্রী  ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, এমপি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, এমপি, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড (এফবিসিসিআই) এর সভাপতি মাহবুবুল আলম, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ এর চেয়্যারম্যান এসএম  নুরুল আলম রেজভী এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা।

    অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কিত একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়। রাষ্ট্রপতি নিজ আসনে বসে তা অবলোকন করেন।

    সূত্র: বাসস

  • নৃশংসতার মতো ঘটনা ঘটলে আর ক্ষমা করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী

    নৃশংসতার মতো ঘটনা ঘটলে আর ক্ষমা করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ৩ অক্টোবর, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আন্দোলনের নামে আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে অগ্নিসংযোগ এবং অমানবিক নৃশংসতার মতো ঘটনা ঘটলে আর কোনো সহনশীলতা দেখানো হবে না। মানুষের জীবন নিয়ে এমন কোনো চেষ্টা করা হলে কোনো ক্ষমা করা হবে না।

    লন্ডনের মেথোডিস্ট সেন্ট্রাল হল ওয়েস্টমিনস্টারে তার সম্মানে আয়োজিত একটি কমিউনিটি সংবর্ধনায় তিনি বলেন, ” আন্দোলনে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। সন্ত্রাসবাদে অগ্নিসংযোগ করে মানুষ হত্যা এবং দেশের সম্পত্তি নষ্ট করা তাদের আন্দোলন। এর আগে ২৯ জন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছে। দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের জীবন নিয়ে এমন কোনো চেষ্টা করা হলে কোনো ক্ষমা করা হবে না।”

    প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেন যে বিএনপি-জামায়াত জোট ২০১৩-১৪ সালে যাত্রীবাহী বাস, ট্রেন ও লঞ্চসহ বহু ধরনের যানবাহনে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে জনগণকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করে, সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করে সারাদেশে তান্ডব চালিয়েছিল। তথাকথিত আন্দোলনের নামে।

    যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজেদুর রহমান ফারুক।

    আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, গণতন্ত্রের কথা বলা বিএনপির পক্ষে শোভা পায় না কারণ তারা জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে ধোকাবাজি খেলেছে।

    ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি একটি প্রহসনমূলক নির্বাচন করে এবং নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যেই দেশের জনগণ তাদের ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে।

    তিনি বলেন, দেশের জনগণ কখনই ভোট কারচুপিকারীদের ক্ষমতায় বসতে দেয় না।

    প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিএনপি-জামায়াত জোট ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার নিয়ে ভোটার তালিকা তৈরি করে এবং সেই তালিকা দিয়ে নির্বাচন করার চেষ্টা করে।

    উল্টো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের অনেকেই তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে, তার সরকার নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের জন্য আইন প্রণয়নের পাশাপাশি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য সমস্ত সংস্কার করেছে।

    তিনি বলেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তারা স্বচ্ছ ব্যালট বক্স চালু করেছে এবং ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরি করেছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি এখন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর আন্দোলন করছে।

    তিনি বলেন, সরকার প্রধান হিসেবে তার ওপর ন্যস্ত নির্বাহী ক্ষমতা দিয়ে এতিমদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতির মামলায় কারাদন্ড স্থগিত করার পর খালেদা জিয়াকে তিনি বাড়িতে থাকতে দিয়েছেন।

    খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে তার কিছুই করার নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি আইন অনুযায়ী যা করতে পারেন তাই করেছেন।

    ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সালের হত্যাকান্ড, ২১ আগস্ট, ২০০৪ গ্রেনেড হামলা, শেখ রেহানার বাড়িটিকে একটি পুলিশ ফাঁড়িতে পরিণত করা, যা তিনি জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য প্রণীত আইনের অধীনে পেয়েছিলেন এবং তা বিএনপি সরকারের লংঘনের ঘটনা উল্লেখ করেন। ছেলে কোকোর মৃত্যুর পর তাকে (শেখ হাসিনা) খালেদা জিয়ার বাড়িতে প্রবেশের অনুমতি না দেবার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তারা কীভাবে খালেদা জিয়ার জন্য আমার কাছ থেকে আরও সহানুভূতি আশা করে।”

    তিনি  প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানান, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাদের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

    চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পটভূমিতে, অনুমোদন এবং পাল্টা নিষেধাজ্ঞা, তিনি খাদ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভরতা কমাতে এক ইঞ্চি জমি ছেড়ে না দেওয়ার জন্য সবাইকে বলেন।

    বাংলাদেশকে আর্থ-সামাজিকভাবে উন্নত করতে তার সরকারের পদক্ষেপের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, তারা বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল ও ডিজিটাল দেশে রূপান্তরিত করেছে এবং এখন ২০৪১ সালের মধ্যে এটিকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছেন।

    অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ।

    সূত্র: বাসস

  • বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাংলাদেশে বেশ বড় ধরণের ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাংলাদেশে বেশ বড় ধরণের ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে

    www.HelloBangla.News –  প্রযুক্তি –  ৩ অক্টোবর, ২০২৩ : গতকাল সোমবার (২ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, রিখটার স্কেলে এর ছিল মাত্রা ৫.২। তবে গুগলের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫.৩ বলে জানানো হয়। তবে ভূমিকম্পের মাত্রা যাই হোকনা কেন এতে ক্ষয়ক্ষতির কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। এর উৎপত্তিস্থল ভারতের মেঘালয়ের রেসুবেলপাড়া নামক স্থান থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টা ৪৫ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাংলাদেশ বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়ে যা বড়ো ভূমিকম্পের আভাস দিচ্ছে। বিজ্ঞানিরা বলছেন মাটির নিচে যে অনেক শক্তিশালী উত্তাপ লুকিয়ে আছে একদিন না একদিন তা বেরিয়ে আসবে। তখনি দেখো দিবে বড়ো কম্পনের। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হবে রাজধানী ঢাকার।

     

    গত পাঁচ মাসে যত ভূমিকম্প:

    এরআগে গত সেপ্টেম্বরে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গত ০৯ই সেপ্টেম্বর সিলেট ও এর আশপাশের এলাকায় ৪.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসামে।

    গত ১৭ই সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে ৪ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিলো ঢাকা থেকে ৬০ কিলোমিটার দুরে টাঙ্গাইলের একটি এলাকায়।

    এর আগে চলতি বছরের মে মাস থেকে শুরু করে আগস্ট পর্যন্ত চার মাসে মোট তিন বার ছোট থেকে মাঝারি আকারের ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যার মধ্যে প্রায় প্রতিটির উৎপত্তিস্থল ছিল দেশের সীমানার ভেতর বা আশেপাশে।

    ১৪ই আগস্ট রাত ৮টা ৪৯ মিনিটের দিকে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় রাজধানীসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায়।

    মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৫.৫, যা মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প। আর এর উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের সিলেটের কানাইঘাট এলাকায়। গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

    এর আগে, গত ১৬ই জুন রাজধানীসহ সারা দেশে ৪.৫ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জ।

    আর চলতি বছরের মে মাসের পাঁচ তারিখে আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছে ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায়।

    যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এর হিসেব অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৩। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার কাছে বিক্রমপুরের দোহার থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। এটিরও গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

    ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা তখন বলেছিলেন, বার্মিজ প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেটের পরস্পরমুখী গতির কারণেই এ ধরণের ভূমিকম্প হচ্ছে।

    তারা জানান, এই দুটি প্লেটের সংযোগস্থলে প্রচুর পরিমাণে শক্তি জমে রয়েছে যেগুলো বের হয়ে আসার পথ খুঁজছে। আর সে কারণেই ঘন ঘন এমন ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে।

     

    কত বছর পর পর হয় ভূমিকম্প:

    বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় দেখেছেন সাবডাকশন জোনে বড় আকারের দুটো ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ বছর।

    ময়নামতি পাহাড়ে বৌদ্ধ বিহারের যে স্থাপনা আছে, ওই এলাকা থেকে লোকজন অভিবাসন করে চলে গিয়েছিল ৮০০ থেকে ১,০০০ বছর আগে। তাদের ওই অভিবাসনের সঙ্গে ভূমিকম্পের সম্পর্ক ছিল।

    “তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি এখানে যে শক্তি সঞ্চিত ছিল সেটা ৮০০ বা ১০০০ বছর আগে ছেড়ে দিয়েছে এবং নতুন করে শক্তি সঞ্চিত হচ্ছে,” বলছিলেন ঢাকায় ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ হুমায়ুন আখতার।

    তাই আরেকটা বড় মাপের ভূমিকম্পের আশংকা আছেও বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

     

    বাংলাদেশে বড় ভূমিকম্পের ইতিহাস:

    বাংলাদেশের সিলেট, চট্টগ্রাম এবং ঢাকায় ১৫৪৮, ১৬৪২, ১৬৬৩, ১৭৬২, ১৭৬৫, ১৮১২, ১৮৬৫, ১৮৬৯ সালে ভূমিকম্প হওয়ার ঐতিহাসিক উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে এসবের মাত্রা কত ছিল তা জানা যায় না।

    এছাড়া ১৮২২ ও ১৮১৮ সালে সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ৭.৫ ও ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। অবশ্য এর ক্ষয়ক্ষতির তেমন বর্ণনা পাওয়া যায় না।

    গবেষকদের মতে বাংলাদেশে গত ১২০-২৫ বছরে মাঝারি ও বড় মাত্রার প্রায় শতাধিক ভূকম্প অনুভূত হয়েছে।

    তবে এসবের মধ্যে রিখটার স্কেলে সাত বা তার চেয়ে বড় মাত্রার ভূমিকম্পের সংখ্যা খুব বেশি নয়।

    যদিও বাংলাদেশ ভূমিকম্প-প্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত এবং এর নিচে যে পরিমাণ শক্তি জমা হয়ে আছে তা বের হলে বাংলাদেশে বেশ বড় ধরণের ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেন।

    তাই আমাদের বিল্ডিং কোডের নিয়ম মেনে বাড়ি তৈরি করতে হবে। তাকতে হবে অন্যান্য ব্যবস্থা। যাতে বড় ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি সহজে পুষিয়ে নেওয়া যায়।

    সূত্র: বিবিসি

  • হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩য় টার্মিনালের উদ্বোধন ৭ অক্টোবর

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩য় টার্মিনালের উদ্বোধন ৭ অক্টোবর

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ৩ অক্টোবর, ২০২৩ : আগামী ৭ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (এইচএসআইএ)-র তৃতীয় টার্মিনালের

    উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নতুন এই টার্মিনালের প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

    এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের (ক্যাব) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান বলেন, ‘টার্মিনালটির আংশিকভাবে আগামী ৭ অক্টোবর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত আছে।’

    তিনি বলেন, অধিকাংশ সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত পুরো টার্মিনাল ভবনটি এখন দৃশ্যমান এবং অভ্যন্তরীণ সজ্জা ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে।

    মফিদুর রহমান বলেন, ‘আংশিক উদ্বোধনের জন্য আমাদের ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা দরকার। এখন পর্যন্ত ৮৯ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।’

    তিনি বলেন, আগামী বছরের শেষের দিকে টার্মিনালটি যাত্রীদের ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি চালু হবে এবং ৭ অক্টোবর থেকে এয়ারলাইন্সগুলো টার্মিনালের নতুন পার্কিং লট ব্যবহার করতে পারবে।

    ক্যাব প্রধান বলেন, ‘নতুন টার্মিনালটি বিশ্বমানের সব সুযোগ-সুবিধা ও যাত্রী পরিষেবা দিয়ে দেশের চিত্র পাল্টে দেবে।’

    তিনি আরো বলেন, আংশিক উদ্বোধনের পর সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন এবং ক্যালিব্রেশনের কাজ শুরু হবে এবং আগামী আট মাসের মধ্যে এটি শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    তৃতীয় টার্মিনালের ডাবল এন্ট্রি ব্রিজসহ ১২টি বোর্ডিং গেট আগামী বছরের মধ্যে চালু হবে এবং পরবর্তী ১৪টি বোর্ডিং ব্রিজ পরবর্তীতে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    তৃতীয় টার্মিনালের পূর্ণাঙ্গ চালুর পর, এইচএসআইএ’র বার্ষিক যাত্রী হ্যান্ডলিং ক্ষমতা দাঁড়াবে ২০ মিলিয়ন- যা এখন মাত্র ৮ মিলিয়ন।

    ৩৭টি নতুন এয়ারক্রাফট পার্কিং এরিয়া এবং এপ্রোন এলাকায় সংযোগকারী দুটি ট্যাক্সিওয়ের নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।

    তৃতীয় টার্মিনালের সম্পূর্ণ কার্যক্রম শুরুর প্রাক্কালে বিভিন্ন বিদেশী এয়ারলাইন্স ঢাকা বিমানবন্দর থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে চায়, যা দেশের এভিয়েশন সেক্টরকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি বড় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর শুরু হয়। প্রকল্পটিতে মোট ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা নির্মাণ ব্যয়ের মধ্যে সরকার প্রদান করেছে ৫ হাজার কোটি টাকা। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) প্রকল্পটিতে অবশিষ্ট অর্থায়ন করবে।

    মোট ৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গ মিটার এলাকা জুড়ে তৃতীয় টার্মিনালটি ফ্লোর স্পেস ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার। যেখানে রয়েছে ১৭৭টি চেক-ইন কাউন্টার, ৬৪টি ডিপার্চার ইমিগ্রেশন ডেস্ক এবং ৬৪টি আগমন ইমিগ্রেশন ডেস্ক।

    ৩য় টার্মিনাল আংশিক চালুর পর যাত্রী ব্যবস্থাপনার মান অনেকাংশে বেড়ে যাবে বলে জানিয়েছ কতৃপক্ষ।

    সূত্র: বাসস

  • সেপ্টেম্বর জাপানের ইতিহাসে সবথেকে উষ্ণতম মাস

    সেপ্টেম্বর জাপানের ইতিহাসে সবথেকে উষ্ণতম মাস

    www.HelloBangla.News –  আন্তর্জাতিক –  ৩ অক্টোবর, ২০২৩ : জাপানে চলতি বছর সেপ্টেম্বর ছিল সবচেয়ে উষ্ণ মাস। ১২৫ বছর আগে রেকর্ড সংরক্ষণ শুরুর পর দেশটির এখন এই তাপমাত্রাই  সর্বচ্চ । জাপানের আবহাওয়া সংস্থা এ কথা জানিয়েছে।

    এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ডের কারনে সভ্যতার ইতিহাসে ২০২৩ সাল উষ্ণতম বছর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সোমবার জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, দেশটিতে  সেপ্টেম্বর মাসের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২.৬৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস (৩৬.৭৮ ডিগ্রী ফারেনহাইট) বেশি ছিল।

    সংস্থাটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘১৮৯৮ সালে তাপমাত্রার রেকর্ড সংরক্ষণ শুরুর পর থেকে এটি ছিল দেশটির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।’

    ধারনা করা হচ্ছে, বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন ত্বরান্বিত হওয়ায় চলতি বছরটি হবে মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম।

    অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, পোল্যান্ড এবং সুইজারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ তাদের দেশের তাপমাত্রার ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বরকে উষ্ণতম বলে ঘোষণা দিয়েছে।

    এদিকে ১৮৮৪ সালে তাপমাত্রার রেকর্ড সংরক্ষণ শুরুর পর থেকে যুক্তরাজ্যেও চলতি বছরের সেপ্টেম্বর ছিল সবচেয়ে উষ্ণ মাস।

    সূত্র: বাসস

  • ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১০ দলের কোচ ও স্টাফের তালিকা

    ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১০ দলের কোচ ও স্টাফের তালিকা

    www.HelloBangla.News –  খেলাধুলা –  ৩ অক্টোবর, ২০২৩ : আধুনিক যুগে ক্রিকেট টিমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা ধরণের বিষয়ের সংশ্লিষ্টতা। প্রধান কোচের সঙ্গে যুক্ত থাকে আরও অনেকে। কেননা মাঠের খেলার ধরণে কোন জিনিষটি সঠিক আবার কোন জিনিসটি ভুল সেটা পরিক্ষার পর কিভাবে নিজেকে আরও সংশোধন করা যায় সব কিছুই এখন ঠিক করে দেন টিম ম্যানেজমেন্ট। আবার প্রতিপক্ষ টিমের খেলোয়াড়ের বিষয়গুলোও পর্য়ালোচনা করতে হয়। তাই বেড়ে যায় টিমের কোট ও স্টাফের সংখ্যা।

    বিশ্বকাপের আসরে খেলোয়াড়দের পাশাপাশি নজর থাকবে এসব কোচদের উপরেও। এবারের বিশ্বকাপে ক্রিকেট জগতের অনেক কিংবদন্তিকেই দেখা যাবে কোচের ভূমিকায়। রাহুল দ্রাবিড়, অ্যালান ডোনাল্ড, মরনে মরকেল, গ্রাহাম গুচরা থাকবেন ড্রেসিংরুমের মাস্টারমাইন্ড হয়ে।

    তবে অবাক করা বিষয় এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি কোচ নিয়ে হাজির হচ্ছে বাংলাদেশ। ১৫ জনের দলের সঙ্গে আছেন ৮জন কোচ। তবে বেশিরভাগ দলেই কোচের সংখ্যা ৪।

     

    বিশ্বকাপের ১০ দলের কোচ ও স্টাফের তালিকা এখানে দেওয়া হলো।

     

    বাংলাদেশ:

    হেড কোচ: চন্ডিকা হাথুরুসিংহে

    অ্যাসিস্টেন্ট কোচ: নিক পোথাস, ফাস্ট বোলিং কোচ: অ্যালান ডোনাল্ড, স্পিন বোলিং কোচ: রঙ্গনা হেরাথ, ফিল্ডিং কোচ: শেন ম্যাকডারমট

    অ্যাসিস্টেন্ট ফিল্ডিং কোচ: ফয়সাল হোসেন, টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট: শ্রীধরন শ্রীরাম, টিম ডিরেক্টর: খালেদ মাহমুদ সুজন।

    পাকিস্তান:

    হেড কোচ: গ্রান্ট ব্রাডবার্ন

    ব্যাটিং কোচ: অ্যান্ড্রু পুটিক, বোলিং কোচ: মরনে মরকেল, ফিল্ডিং কোচ: আফতাব খান

    ডিরেক্টর: মিকি আর্থার, অ্যাসিস্টেন্ট কোচ: আবদুল রেহমান।

    ইংল্যান্ড:

    হেড কোচ: ম্যাথিউ মট

    ব্যাটিং কোচ: গ্রাহাম গুচ, ফাস্ট বোলিং কোচ: নিল কিলিন, স্পিন বোলিং কোচ: জিতেন প্যাটেল, ফিল্ডিং কোচ: কার্ল হপকিনসন।

    আফগানিস্তান:

    হেড কোচ: জনাথন ট্রট

    ব্যাটিং কোচ: মিলাপ মেওয়াদা, বোলিং কোচ: হামিদ হাসান, অ্যাসিস্টেন্ট কোচ: রইস আহমাদজাই, ফিল্ডিং কোচ: রিয়ান মারন

    ভারত:

    হেড কোচ: রাহুল দ্রাবিড়

    ব্যাটিং কোচ: বিক্রম রাঠোর বোলিং কোচ: পরশ মামব্রে, ফিল্ডিং কোচ: টি দিলীপ

    অস্ট্রেলিয়া:

    হেড কোচ: অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড

    ব্যাটিং কোচ: মাইকেল ডি ভেনুতো, বোলিং কোচ: ড্যানিয়েল ভেট্টোরি, ফিল্ডিং কোচ: আন্দ্রে বরোভেচ

    নিউজিল্যান্ড:

    হেড কোচ: গ্যারি স্টেড

    ব্যাটিং কোচ: লুক রঙ্কি, বোলিং কোচ: শেন জার্গেনসন, ফিল্ডিং কোচ: জেমি ফোস্টার

    সাউথ আফ্রিকা:

    হেড কোচ: রব ওয়াল্টার

    ব্যাটিং কোচ: জেপি ডুমিনি, বোলিং কোচ: এরিক সিমন্স, ফিল্ডিং কোচ: ওয়ান্দিল গাভু

     

    শ্রীলঙ্কা:

    হেড কোচ: ক্রিস সিলভারউড

    ব্যাটিং কোচ: নাভিদ নওয়াজ, স্পিন বোলিং কোচ: পিয়াল উইজাতুঙ্গে, ফিল্ডিং কোচ: অ্যান্টন রক্স

    নেদারল্যান্ডস:

    হেড কোচ: রায়ান কুক

    অ্যাসিস্টেন্টস: হেইনো কুন, রায়ান ভ্যান নিকার্ক, শেন বার্গার

  • করোনার টিকা আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসায় নোবেল পেলেন দুজন

    করোনার টিকা আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসায় নোবেল পেলেন দুজন

    www.HelloBangla.News –  আন্তর্জাতিক –  ২ অক্টোবর, ২০২৩ : অত্যাধুনিক এমআরএনএ করোনা টিকা আবিষ্কারে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ২০২৩ সালে চিকিৎসা খাতে নোবেল পুরস্কার জয় করলেন ক্যাথিলন কারিকো এবং ড্রিউ ওয়েইসম্যান। আজ সোমবার (২ অক্টোবর) সুইডেনের নোবেল অ্যাসেম্বলি চিকিৎসায় চলতি বছরের নোবেলজয়ী হিসেবে এই দুই বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করেছে।

    চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেলেন দুই বিজ্ঞানী। তারা এমন এক প্রযুক্তি তৈরি করেন, যেটি এমআরএনএ কোভিড টিকা তৈরিতে অবদান রাখে। মহামারি শুরুর আগে এই প্রযুক্তি ছিল পরীক্ষামূলক। তবে এখন এই প্রযুক্তিতে তৈরি টিকা এখন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে দেওয়া হয়েছে।

    ক্যানসারসহ অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে একই ধরনের এমআরএনএ প্রযুক্তি নিয়ে এখন গবেষণা চলছে।

    নোবেল কমিট বলছে, আধুনিক যুগে মানবস্বাস্থ্যের বড় হুমকির সময়ে এই দুই বিজ্ঞানী নজিরবিহীন হারে টিকা তৈরিতে অবদান রাখেন। টিকা মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমকে প্রশিক্ষণ দেয়, যাতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার মতো হুমকি শনাক্ত করতে পারে এবং এদের বিরুদ্ধে লড়তে পারে।

    প্রচলিত টিকা প্রযুক্তি প্রকৃত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার মৃত বা দুর্বল সংস্করণ ব্যবহার করে বা সংক্রামক এজেন্টের টুকরো ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। বিপরীতে এমআরএন টিকাগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে।

    করোনা মহামারির সময়ে মডার্না ও ফাইজার/ বায়োনটেক টিকাগুলো এমআরএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।

    ক্যারিকো ও ওয়েইসম্যান ১৯৯০ এর দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনির্ভার্সটি অব পেনসেলভেনিয়ায় প্রথম একত্রে কাজ করতে শুরু করেন।

    করোনা টিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নাম ম্যাসেঞ্জার আরএনএ বা এমআরএনএ। মার্কিন কোম্পানি ফাইজার ও মডার্নার করোনা টিকা এমআরএনএ প্রযুক্তির। এই প্রযুক্তিতে টিকা প্রস্তুতে মৃত বা বিশেষভাবে প্রক্রিয়াজাত জীবাণু ব্যবহার করা হয় না। বরং ব্যবহার করা হয় এক ধরনের প্রোটিন, যা দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর কোনো নির্দিষ্ট জীবাণুর বিরুদ্ধে মানবদেহের সহজাত প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।

    এই এমআরএনএ প্রযুক্তিকে কার্যকর করতে মানবকোষের প্রধান অংশ নিউক্লিয়াসের অনুপুঙ্খ গবেষণা জরুরি ছিল। এই দুই বিজ্ঞানী সেই কাজটিই করেছেন। তাদের ‘নিউক্লিওসাইড বেইজড মডিফিকেশন’ গবেষণার সাফল্যই এমআরএনএ করোনা টিকার আগমনের পথ সুগম করে।

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম সার্স-কোভ-২ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। পরে সাধারণভাবে এই ভাইরাসটি পরিচিতি পায় নতুন বা নভেল করোনাভাইরাস নামে। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল উহানেই।

    তারপর অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়তে থাকায় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও); কিন্তু তাতেও কাজ না হওয়ায় অবশেষে ওই বছর ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি ঘোষণা ডব্লিউএইচও।

    বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসের সংক্রমণে মারা গেছেন ৬৯ লাখ ২১ হাজার ৮১৯ জন। এই মৃতের মিছিলে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৭৭ জন।

    ক্যাথিলন কারিকো ১৯৫৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি হাঙ্গেরির সেজড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পেরেলম্যান স্কুল অফ মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক। ড্রিউ ওয়েইসম্যান ভ্যাকসিন গবেষণার অধ্যাপক এবং পেন ইনস্টিটিউট ফর আরএনএ ইনোভেশনের ডিরেক্টর।