Category: লিড নিউজ

  • যারা অবরোধ-হরতাল দিচ্ছে তারাই এই নাশকতার চালাচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

    যারা অবরোধ-হরতাল দিচ্ছে তারাই এই নাশকতার চালাচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩: যারা অবরোধ-হরতাল দিচ্ছে তারাই এই নাশকতার চালাচ্ছে, বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান। তিন বলেন, আমি মনে করি যারা অবরোধ-হরতাল দিচ্ছে তারাই এই নাশকতার সঙ্গে জড়িত। এর আগেও তারা এভাবে ট্রেনে নাশকতা করেছে। গাজীপুরে রেললাইন কেটে ফেলা হয়েছিল এবং সেখানে একজনকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া তেজগাঁওয়ে রেলের আগুনকেও আমি হত্যা বলতে চাই।

    আজ মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তেজগাঁওয়ে ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ও আহত দেখতে এসে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘একজনকে আমরা আহত পেয়েছি, তিনি হাসপাতালে ভর্তি। তার কাছ থেকে যতটুকু জানা গেছে, ট্রেনের ভেতর যারা ছিল তারাই আগুন দিয়েছে। তিনি দেখেছেন প্রথমে একটি সিটে আগুন দেওয়া হয়। সেই আগুন ধীরে ধীরে ছড়িয়ে ধোঁয়ায় চারদিক আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এসময় যাত্রীরা যে যেদিকে পারেন ছোটাছুটি করতে থাকেন। কেউ জানালা দিয়ে, কেউবা দরজা দিয়ে লাফ দিয়ে বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

    তিনি বলেন, ‘ভোরে ঘটনা ঘটায় অনেক যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। একজন মা নাদিরা আক্তার পপি, যিনি তিন বছরের শিশুসন্তানকে জড়িয়ে ধরে ছিলেন। মা ও সন্তান উভয়ই বাঁচার চেষ্টা করছিলেন।’

    হাবিবুর রহমান বলেন, ‘যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা কোনো অবস্থাতেই পার পাবে না। অতীতেও পার পায়নি। বাস-ট্রেনে জ্বালাও-পোড়াওয়ের প্রত্যেকটি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা স্বীকারোক্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে ও রাজনীতি টিকিয়ে রাখার স্বার্থে এই কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।

    ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ‘যারা হরতাল-অবরোধ দিচ্ছে, জ্বালাও-পোড়াও করছে, যারা নাশকতা করছে, তাদের বিদেশি নেতাদের দেশীয় এজেন্ট-অনুসারীদের দিয়ে এসব কাজা করানো হচ্ছে, যা দিবালোকের মতো স্পষ্ট।’

    তিনি আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে বাকি দুজনের ডিএনএ সংগ্রহ করে অচিরেই তাদের পরিচয় জানা সম্ভব হবে। এরপর পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

    উল্লেখ্য যে, রেলপথে সরাসরি আক্রমণের প্রথম ঘটনা ঘটে গত ১৬ নভেম্বর। টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের ২টি কোচে ব্যাপক ক্ষতি হয়। এরপর ১৯ নভেম্বর জামালপুরের সরিষাবাড়িতে যমুনা এক্সপ্রেসে পরিকল্পিত নাশকতা করা হয়েছে। এ দুই ঘটনায় কোনো প্রাণহানি না হলেও বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ২২ নভেম্বর সিলেটে উপবন এক্সপ্রেসে আগুন ধরানো হয়। ১৩ ডিসেম্বর গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে বিশফুট রেলওয়ে ট্র্যাক কেটে ফেলা হয়। এ ঘটনায় একজন যাত্রী মারা যায়, ৫০ জন আহত হয়। আরও অনেক বেশি হতাহত হতে পারতো, যদিও ঘন কুয়াশার কারণে ট্রেন আস্তে চলছিল বলে রক্ষা পাওয়া যায়।  এরপর আজ বিমানবন্দর স্টেশন ছেড়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন যখন তেজগাঁও আসে তখন আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ৪ জন মারা গেছে।

  • তেজগাঁও স্টেশনে পুড়ে যাওয়া ট্রেন থেকে ৪ মরদেহ উদ্ধার

    তেজগাঁও স্টেশনে পুড়ে যাওয়া ট্রেন থেকে ৪ মরদেহ উদ্ধার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩: রাজনীতির নামে নাশকতায় এবার রাজধানীর তেজগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনের ভয়াবহতায় ট্রেনের কয়েকটি বগি পুড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা একটি বগি থেকে চারটি মরদেহ উদ্ধার ।

    আজ মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর থেকে মিডিয়া সেল থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    জানা জায়, ভোর ৪টা চার মিনিটের দিকে ট্রেনে আগুনের সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে তেজগাঁও ফায়ার স্টেশন থেকে তিনটি ইউনিট পাঠানো হয়। এই ঘটনায় একটি বগি থেকে চারটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আগুন নির্বাপণ করা হয় সকাল পৌনে ৭টার দিকে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বগিগুলোয় তল্লাশি চালিয়ে একটি বগি থেকে চারটি মরদেহ উদ্ধার করেন। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার কাজ শেষ করেছেন।

    এরআগে, গত ১৩ ডিসেম্বর ভোরে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার প্রহল্লাদপুর ইউনিয়নের বনখড়িয়ার চিলাই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ঢাকাগামী মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়। দুর্বৃত্তরা রেললাইন কেটে ফেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই দুর্ঘটনায় এক যাত্রী নিহত এবং ট্রেনের লোকোমাস্টার ও সহকারী লোকোমাস্টারসহ বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন।

    বিজয়ের মাসে এই ধরণের নাশকতায় সাধারন মানুষ আতঙ্কে রয়েছে।

  • বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কামিন্স আইপিএলে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়

    বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কামিন্স আইপিএলে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩: এবার আইপিএলের সবেচেয়ে দামি বিদেশী খেলোয়াড় অস্ট্রেরিয়ার ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।  সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জিতেছেন আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, অ্যাশেজ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপ। অথচ এর আগের মৌসুমে আইপিএলে ডাকা হয়নি ডানহাতি এই পেসারকে। আর এবার ডাকা হলো রেকর্ড দামে। আইপিএলের ইতিহাসে বিদেশী কোন খেলোযাড় মূল্য পায়নি। তবে বিশ্বকাপ জেতার পর ডানহাতি অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের তারকাখ্যাতি আরও উপরে ওঠে। সেজন্যই আইপিএলের আগামী মৌসুমের জন্য তাকে রেকর্ড সাড়ে ২০ কোটি রুপিতে কিনে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

    আইপিএলের নিলামের ইতিহাসে কামিন্সই এখন সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়। আগের রেকর্ডটি ছিল স্যাম কারানের। গত আসরের নিলামে তাকে সাড়ে ১৮ কোটি রুপি দিয়ে কিনে নেয় পাঞ্জাব কিংস। কারানের চেয়ে দুই কোটি রুপি বেশি দাম কামিন্সের। আইপিএলে এর আগে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন অজি অধিনায়ক।

    কামিন্সের আগেও হায়দরাবাদ দলে ভিড়িয়েছে আরও এক বিশ্বকাপজয়ীকে। ফাইনাল ও সেমিফাইনালে ম্যাচসেরা হওয়া ট্রাভিস হেডকে ৬ কোটি ৮০ লাখ রুপি দিয়ে কিনেছে তারা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৭.৪ কোটিতে রভম্যান পাওয়েলকে রাজস্থান রয়্যালস, ৪ কোটিতে হ্যারি ব্রুককে দিল্লি ক্যাপিটালস, ৫ কোটিতে জেরাল্ড কোতজিয়াকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, দেড় কোটিতে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে হায়দরাবাদ, ১.৮ কোটিতে রাচিন রবীন্দ্রকে চেন্নাই সুপার কিংস ও ১১.৭৫ কোটিতে হার্শাল প্যাটেলকে দলে ভিড়িয়েছে পাঞ্জাব কিংস।

  • পদ্মা সেতুর ঋণের পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তির টাকা পরিশোধ

    পদ্মা সেতুর ঋণের পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তির টাকা পরিশোধ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও ঘাত প্রতিঘাত উপেক্ষা করে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হয় দেশের সর্ববৃহৎ অবকাঠামো পদ্মা সেতু। ফলে সেই অবকাঠামোটি হয়ে ওঠে আমাদের অহংকারের অনন্য প্রতীক। শুধু তাই নয় দক্ষিণাঞ্চল ঘিরে গতি পায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। সেতু নির্মাণ প্রকল্পের জন্য নেওয়া ঋণের পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তি পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

    আজ সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মো. মনজুর হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ বিভাগের সচিবের কাছে ঋণের পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তির ৩১৫ কোটি ৭ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪২ টাকা হস্তান্তর করেন।

    সেতু বিভাগ জানায়, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে দেশের সর্ববৃহৎ অবকাঠামো, আমাদের অহংকার, গর্ব, সক্ষমতা ও মর্যাদার প্রতীক পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৩২ হাজার ৬০৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় পুরো অর্থ বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে ঋণ হিসেবে দেয় অর্থ বিভাগ।

    গত ২০২২ সালের ২৬ জুলাই সরকারের অর্থ বিভাগের সঙ্গে সংশোধিত ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। ঋণ চুক্তি অনুযায়ী ১% সুদসহ ৩৫ বছরে ঋণের টাকা ফেরত দেবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

    ঋণ পরিশোধের শিডিউল অনুযায়ী প্রতি অর্থবছরে চারটি কিস্তি করে সর্বমোট ১৪০টি কিস্তিতে সুদ-আসল পরিশোধ করা হবে।

    এর আগে গত ৫ এপ্রিল প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ মোট ৩১৬ কোটি ৯০ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা এবং গত ১৯ জুন তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তি বাবদ ৩১৬ কেটি ২ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। গত অর্থবছরে সর্বমোট ৬৩২ কোটি ৯৩ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৩ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

    পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তিসহ এ নিয়ে মোট পরিশোধ হয়েছে ৯৪৮ কোটি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৫ টাকা। ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত উক্ত টোলের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাবদ পরিশোধিত হয়েছে ১৪৯ কোটি ৪৭ লাখ ৯৬ হাজার ৭২১ টাকা।

    চুক্তি অনুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে সেতুটির ঋণ পরিশোধ শুরু হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারের এ ঋণ পরিশোধের জন্য ২০৫৬-৫৭ অর্থবছর পর্যন্ত সময় পাবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

    ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সংগৃহীত টোলের পরিমাণ ১ হাজার ১৬৫ কোটি ১৩ লাখ ৪১ হাজার ৩৪১ টাকা।

    কিস্তি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, সেতু বিভাগ-বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ, অর্থ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • গণভবনে কসোভোর বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

    গণভবনে কসোভোর বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশে কসোভোর রাষ্ট্রদূত গুনার উরেয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজ সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন।

    এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে এবং কসোভো সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত মানের তৈরি পোশাক এবং ঔষধ বাংলাদেশ থেকে আমদানি করে ব্যাপকভাবে উপকৃত হতে পারে।’

    বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    শেখ হাসিনা তাঁর দেশের প্রথম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে কসোভো’র রাষ্ট্রদূতের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

    কসোভো রাষ্ট্রদূত গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ভবিষ্যতে বিশ্ব মঞ্চে বড় অর্থনীতির দেশ হবে।’

    রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে তার মেয়াদ সফলভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র দপ্তরকেও ধন্যবাদ জানান।

    তিনি বলেন, কসোভোতে ১৯ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছেন।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ এম জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • আমরা বলেছি নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে: সিইসি

    আমরা বলেছি নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে: সিইসি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: আমরা বলেছি নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘আমাদের ডোনার দেশগুলো দেখতে চাচ্ছে নির্বাচন। সেটাকে চাপ বলেন বা সেনসেটাইজেশন বলেন, ওরা সমস্ত দৌড়ঝাপগুলো করছে। আমরা দেখেছি। যার ফলে সরকারও বারবার বলেছে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে। আমাদের তরফ থেকেও আমরা বলেছি নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু হবে। বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটিতে একটা মেম্বার এবং কমিটি অব নেশনসে আমরা সদস্য। আন্তর্জাতিকভাবেও নির্বাচনটা সুন্দর হোক, স্বচ্ছ হোক, সবার কাছে বহির্বিশ্বের কাছেও নির্বাচনটা একটা ভালো গ্রহণযোগ্যতা পাক সেই প্রত্যাশা সবার মধ্যে, আমাদেরও আছে। আমাদের দিক থেকে ফ্রি ফেয়ার এবং পিসফুল নিশ্চিত করার জন্য আমরা জোর দিচ্ছি।

    আজ সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন।

    সিইসি বলেন, ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ দল তারা (বিএনপি) অংশ নিলে ভালো হতো। আমরা প্রথম থেকে তাদের আহ্বান জানিয়েছি, আমন্ত্রণ জানিয়েছি, তারা সাড়া দেয়নি।’

    বিএনপি না আসায় গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে সমস্যা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, সে বিষয়ে আমি কোনো কথা বলবো না। সেটা নির্বাচনের পরে দেখা যাবে।’

    ভোট বর্জনকারীরা নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা প্রসঙ্গে জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘প্রতিহত যদি উনারা করতে চান এটা উনাদের রাজনৈতিক পলিসি। সেটার নিয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। আমরা কেবল নির্বাচনটা পিসফুললি করতে চাই।’

    সিইসি আরও বলেন, ‘অস্বস্তি বা স্বস্তি কোনোকিছুই আমার মধ্যে নেই। আমার দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচনটা যেভাবে করতে হয়, আমরা সরকারের সহায়তা নিয়ে হোপফুলি প্রশাসন সবার সহায়তা নিয়ে নির্বাচনটা করতে চাচ্ছি। আমার ব্যক্তিগত স্বস্তি, অস্বস্তি তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে এটা ঠিক, একটা গুরুত্বপূর্ণ দল তারা অংশ নিলে অনেক ভালো হতো।’

    এর আগে জাপানের পর্যবেক্ষক পাঠানো নিয়ে দেশটির রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেন সিইসি।

    জাপানের কোনো পরামর্শ ছিল কিনা? জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘না, এ ব্যাপারে জাপানের কোনো পরামর্শ ছিল না।’

  • একতরফা নয় ২৭টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে: সেতুমন্ত্রী

    একতরফা নয় ২৭টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: একতরফা নির্বাচন নয় ২৭টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।  তিনি বলেন, ‘যে বুদ্ধিজীবীরা আজ জ্বালাও-পোড়াও, হরতাল-অবরোধ সাপোর্ট করছেন তারা আসলে বিএনপির দালাল। ২৭টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, তারপরও তারা বলছেন একতরফা নির্বাচন। আসলে বিএনপির জন্য তাদের মন কাঁদে। জনগণের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তারা দেশের জনগণকে নিয়ে ভাবে না। তারা কায়েম করতে চায় বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ, যারা বাংলাদেশের জন্মের চেতনাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তি।’

    সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলে তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে আসেনি। সেহেতু এখানে জোট করার প্রয়োজনীয়তা নেই। জাতীয় পার্টির সঙ্গে আমাদের সমন্বয় হয়েছে। এটা আমাদের নির্বাচনী কৌশল। তবে বিএনপি নির্বাচনে থাকলে নির্বাচনী কৌশল ভিন্ন হতো।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আজ দলীয় প্রার্থীসহ সব প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করছে। তারপর শুরু হচ্ছে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা। আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার জন্য, আমাদের দলীয় কর্মীদের আহ্বান জানাচ্ছি।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল ও শাহ পরানের মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে সিলেটে নির্বাচনের প্রথম জনসভা করবেন।’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা নেতৃত্বে আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে।’

    তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ২৭টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আমরা জাতীয় পার্টির জন্য ২৬ আসন থেকে নৌকার প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিয়েছি। শরিক দলের প্রার্থীরা ছয়টি আসনে নৌকা নিয়ে নির্বাচন করবেন। সবমিলিয়ে ২৬৩ জন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ১৪ দলসহ নৌকার প্রতীকে থাকছেন ২৭০ জন।’

    দেশের জনগণ ভোট প্রদানের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে— মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন পর্যন্ত ১৮৮৬ জন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। স্বতন্ত্র আছে ৩৫৭ জন। নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি চলছে। আশা করি, একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    বিএনপির নেতা নজরুল ইসলাম খানের প্রতি ইঙ্গিত করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নেতা নজরুল সাহেব বলেছেন, সোমবারের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে কারা এমপি হচ্ছেন। এ ধরনের ভাগবাটোয়ারা করে নির্বাচন বিএনপির আমলেই সম্ভব। তারা তো বঙ্গবন্ধুর খুনি রশিদ, নূর, হুদা ছাড়া প্রার্থীই পাননি। উনি এখন জ্যোতিষী, গণকের ভূমিকা নিচ্ছেন। এতই যদি ভবিষ্যৎ পড়তে পারেন, তাহলে জানান কবে তারেক রহমান দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হবে।’

    তিনি আরও বলে, ‘ঢালাওভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। গাজীপুরে রেল লাইন কাটার নাশকতার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে একজন কাউন্সিলর। গ্রেপ্তার হওয়ার সাতজনই বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী।’

    সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন দেওয়ার কথা বলেছেন ৪০ বুদ্ধিজীবী। এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি ৪০ জন নাগরিককে বলব, আপনারা কেন জ্বালাও-পোড়াওয়ের বিরুদ্ধে বিবৃতি দেননি।  দেশে যে নাশকতা হচ্ছে, গাজীপুরের ট্রেন লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে, পুলিশকে মারা হলো, আনসারকে মারা হলো, কোর্টের এজলাসে গিয়ে হামলা চালানো হলো, এতগুলো বাসে আগুন দেওয়া হলো, ট্রেনের ফিশপ্লেট খুলে ফেলা হলো— এসব ব্যাপারে ৪০ নাগরিক নীরব কেন?’

    জাতীয় পার্টির সাথে আসন সমঝোতা হলে প্রতিপক্ষ কারা— জবাবে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ থেকে তারা সাপোর্ট চেয়েছে। আরও বড় সংখ্যায় আসন চেয়েছিল। আমরা ২৬টি আসনে সমঝোতা করতে পেরেছি। সেজন্য আমরা নৌকার প্রার্থী প্রত্যাহার করেছি। বাকি আসনগুলোতে তারা লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিযোগিতা করবে। আসন সমঝোতা নতুন কিছু নয়। ২০১৪ ও ২০১৮-এর নির্বাচনেও এমন সমঝোতা হয়েছিল। তবে, এবার আমরা খুব কমই সহযোগিতা করতে পেরেছি।’

    জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের ছেড়ে দেওয়া ২৬টি আসনে নৌকার প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২৬টি আসনে নৌকা প্রত্যাহার করেছি। তারা তাদের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে। তারা তো নৌকা চায়নি।’

    আওয়ামী লীগ দলগতভাবে নির্বাচনে যাচ্ছে কি না— জবাবে তিনি বলেন, ‘যেহেতু প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে আসেনি। সেহেতু এখানে জোট করার প্রয়োজনীয়তা নেই। জাতীয় পার্টির সাথে আমাদের সমন্বয় হয়েছে। এটা আমাদের নির্বাচনী কৌশল। আমরা কৌশলটা এভাবেই ঠিক করেছি। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে আমরা রাজনৈতিকভাবে বেশি আলোচনা করেছি। এজন্য আমরা আসন সমঝোতা করেছি। এ নির্বাচনে এত প্রার্থী, এত দল; তারপরও এটাকে তারা একতরফা নির্বাচন বলছে। যা নির্লজ্জ মিথ্যাচার।’

    ‘নির্বাচনে অংশ নিলে বিএনপি নেতাদের মুক্তি’— কৃষিমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা তার ব্যক্তিগত। আওয়ামী লীগ কোনো দেউলিয়া দল নয়। আওয়ামী লীগ দলীয় নিয়মনীতি ভঙ্গ করে এ ধরনের উদ্ভট প্রস্তাব বিএনপিকে দেবে, এটা সঠিক নয়। এ ধরনের কোনো প্রস্তাব আমাদের সরকারও দেয়নি, আমাদের দলও দেয়নি।’

  • সড়ক দুর্ঘটনার কবলে জো বাইডেন ও জিল বাইডেন

    সড়ক দুর্ঘটনার কবলে জো বাইডেন ও জিল বাইডেন

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: জো বাইডেন এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন প্রচারণা কর্মীদের সঙ্গে একটি গাড়ি বহর নিয়ে যাওয়ার সময় একটি গাড়ির সংঘর্ষ হয়। ডেলাওয়্যারের উইলমিংটনে রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, তারা দুজনই অক্ষত আছেন।

    বহরে থাকা গাড়িটি হঠাৎ একটি মোড়ে থামার চেষ্টা করলে এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় বাইডেনের সিক্রেট সার্ভিসের কর্মীরা ওই গাড়িটিকে অস্ত্র দিয়ে ঘিরে ফেলে এবং চালককে তার হাত উপরে রেখে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়।

    হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রী দুজনই ভালো আছেন।

    সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র স্পেশাল এজেন্টের স্টিভ কোপেক বলেছেন, রবিবার রাত ৮টা ৯ মিনিটে উইলমিংটনে প্রেসিডেন্টের গাড়ি বহরে থাকা সিক্রেট সার্ভিসের একটি গাড়িকে অপর একটি গাড়ি আঘাত করে। এতে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কোনো হুমকিতে পড়েনি, পরে প্রেসিডেন্টের গাড়ি বহর নিরাপদে চলে যায়।

  • যুব এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলকে রাষ্ট্রপতি  ও প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    যুব এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।  টুর্নামেন্টে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে বাংলাদেশ হারায় রেকর্ড ১৯৫ রানে। এশিয়া কাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, কোচ এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    গতকাল রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) পৃথক বার্তায়  অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

    অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করে বলেন, ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজয়ের মাসে এ জয় আমাদের খেলোয়াড়দের আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে।

    দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ২৮৩ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে ৮৭ রান তুলতেই সব উইকেট হারিয়ে ফেলে আমিরাতের যুবারা।  ফলে বাংলাদেশ জয় পায় ১৯৫ রানে।

    সবমিলিয়ে আসরের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হলো টাইগার যুবারা। সেটিও রেকর্ড গড়ে। যুব এশিয়া কাপ ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় জয়। আগেরটি ছিল আফগানিস্তানের, ২০১৭ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৮৬ রানে জিতেছিল তারা।

    এখানে উল্লেখ থাকে যে বাংলাদেশ দল সেমিফাইনালে সবথেকে ফেবারিট শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।  অপর দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত সেমিফাইনালে হারায় পাকিস্তানকে। যোগ্য দল হিসেবে বাংলাদেশ রেকর্ড রানে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে উন্নয়নের বর্তা দিয়েছে। বিজয়ের মাসে এই জয় অবশ্যই অনেক গুরুত্ব বহন করে।

  • আজ থেকে প্রচার শুরুর পর যা মানতে হবে প্রার্থীদের

    আজ থেকে প্রচার শুরুর পর যা মানতে হবে প্রার্থীদের

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক পেয়েছেন প্রতিটি প্রার্থী। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, প্রতীক নিয়েই প্রচার শুরু করতে পারেন প্রার্থীরা। আর তা শেষ হয় ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা পূর্বে।

    প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন আজ সোমবার (১৮ ডিসেম্বর)। আর প্রচার শেষ হবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টায়। এই হিসেবে প্রার্থীরা প্রচারের সময় পাচ্ছেন ১৯ দিন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারের একই সময় দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সকাল ৮টায়। সে বছর ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হলে সেখানে থেকে ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রচার চলেছে। সে হিসেবে সেবার প্রার্থীরা ১৯ দিন প্রচারের সময় পেয়েছিলেন।

     

    প্রচারে যা মানতে হবে প্রার্থীদের:

    পোস্টার রঙিন করা যাবে না। পোস্টারে প্রার্থী ছাড়া দলীয় প্রধানের ফটো ব্যবহার করা যাবে, তবে তা দড়িতে ঝুলিয়ে প্রচার করতে হবে। ৪’শ বর্গফুট এলাকার বেশি বড় কোনো প্যান্ডেল করে প্রচার চালানো যাবে না। কাপড়ের তৈরি ব্যানার করে প্রচার চালানো গেলেও ডিজিটাল ডিসপ্লে ব্যবহার করা যাবে না। জনসাধারণের চলাচলের অসুবিধা হয়, এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবে হবে।

    সভা করতে হলে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে অবহিত করে অনুমতি নিতে হবে। এক্ষেত্রে সভার দিন, সময় ও স্থান সম্পর্কে উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে।

    মাইকে প্রচার হতে হবে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা মধ্যে। নির্বাচনী এলাকায় প্রতি ইউনিয়ন আর পৌর ও সিটি এলাকার ওয়ার্ড প্রতি নির্বাচনী ক্যাম্প করতে হবে একটি। ক্যাম্পে ভোটারদের কোনো কোমল পানীয় বা খাদ্য পরিবেশন বা কোনোরূপ উপঢৌকন দিতে পারবেন না। প্রার্থী তার নির্বাচনী এলাকা বা অন্যত্র অবস্থিত কোনো প্রতিষ্ঠানে চাঁদা বা অনুদান প্রকাশ্যে বা গোপনে দিতে পারবেন না। এমনকি অঙ্গীকার করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। প্রচারের জন্য কোনো গেট, তোরণ নির্মাণ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকবে হবে। নির্বাচনী ক্যাম্প এমন স্থানে তৈরি করতে হবে যেন জনসাধারণের চলাচলে অসুবিধা না হয়।

    মোটরসাইকেলসহ যে কোনো মোটরগাড়িতে করে মিছিল, মশাল মিছিল বা শোভাযাত্রা একদম নিষিদ্ধ। বিদ্যুৎ ব্যবহার করে কোনো প্রকার আলোকসজ্জা করা যাবে না। নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতীক হিসেবে জীবন্ত কোনো প্রাণীর ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে।

    পোস্টারের সাইজ দৈর্ঘ্যে ৬০ সেন্টিমিটার ও প্রস্থে ৪৫ সেন্টিমিটার এবং ব্যানার কোনোভাবেই তিন মিটারের বেশি হবে না। প্রচারের অংশ হিসেবে যে কোনো প্রকার দেয়াল লিখন, পোস্টানো সাঁটানো দণ্ডনীয় অপরাধ।

    প্রচারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অন্য কোনো প্রার্থী বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সম্মানহানিকর কিছু করতে পারবে না। কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না। উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, বিস্ফোরক বহনও থেকে বিরত থাকতে হবে।

    সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সকল সুবিধা ত্যাগ করে প্রচার কাজে অংশ নিতে হবে। কোনো ডাক বাংলা ব্যবহার, সরকারি গাড়ি ব্যবহারসহ প্রোটোকল ছাড়তে হবে। এছাড়া সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না তারা। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ আইনে অনুমতি থাকায় নিরাপত্তার কারণে প্রটোকল পাবেন।

    বন্ধ রাখতে হবে অনুদানের ঘোষণা, প্রকল্প, ফলক উন্মোচন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনও। সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশনের মেয়ররাও সুবিধাভোগের বাইরে থাকবেন। তবে সরকারি কাজে তারা সরকারি সুবিধা পারেন। কিন্তু সরকারি কাজে গিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন না।

    দলীয় প্রধান ছাড়া অন্য কেউ হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। কিন্তু যাতায়াতের সময় হেলিকপ্টার থেকে লিফলেট, ব্যানার বা অন্য কোনো প্রচার সামগ্রী প্রদর্শন বা বিতরণ করতে পারবেন না।

    এছাড়া দেওয়াল, দালান, থাম, বাড়ি বা ঘরের ছাদ, সেতু, সড়কদ্বীপ, রোড ডিভাইডার, যানবাহন বা অন্য কোনো স্থাপনায় প্রচারণামূলক কোনো লিখন বা অংকন করতে পারবেন না কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি। পোস্টার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল সিটি ও পৌর এলাকার দালান, দেওয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি বা অন্য কোনো দণ্ডায়মান বস্তুতে, সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনাসমূহে এবং যানবাহনে সাঁটাতে পারবেন না। অন্য কোনো প্রার্থীর পোস্টারের ওপর নিজের পোস্টার লাগানো বা অন্যের প্রচার সামগ্রী নষ্ট করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

    প্রার্থীকে আইনে নির্ধারিত ব্যয়সীমা মধ্যে থেকে প্রচারে নির্বাচনী ব্যয় করতে হবে। এবার ভোটার প্রতি ব্যয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ১০ টাকা। তবে কোনো আসনে ভোটার সংখ্যা যাই হোক না কেন সর্বোচ্চ ২৫ লাখ ব্যয় করতে পারবেন প্রার্থীরা। এই ব্যয় একটি নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাব থেকে বহন করতে হবে। প্রতিদিনের ব্যয় ভাউচারসহ সংরক্ষণ করে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তারা কাছে জমা দিতে হবে সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের।

    কোনো প্রার্থী আইনে নির্ধারিত এই সকল নির্দেশনা মানলে ছয়মাসে জেল বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হবে। আর কোনো দল এই নির্দেশনা না মানলে দলের জরিমানা হবে ৫০ হাজার টাকা।

    ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ বিষয়ে বলেছেন, সকল প্রার্থীকে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা মেনে চলতে হবে। অন্যথায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ইসির আইন শাখা জানিয়েছে, নির্বাচনী আচরণ বিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করার জন্য মাঠে থাকছেন নির্বাহী হাকিম। ইতিমধ্যে ৮০২ জন নির্বাহী হাকিম মাঠে নেমেছেন। আর ভোটের দু’দিন আগে থেকে পাঁচদিনের জন্য মাঠে নামবেন ৬৫৩ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। তারা সংক্ষিপ্ত বিচারকাজ সম্পন্ন করবেন।

    আগামী ৭ জানুয়ারি (২০২৪) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ২৭টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৯৬ জন। তবে উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা এলে এই সংখ্যা আরো বাড়তে বা কমতে পারে।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ১০৩টি। আর ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন এবং নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। আর হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮৫২ জন।

    চার লাখ ছয় হাজার ৩৬৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, দুই লাখ ৮৭ হাজার ৭২২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৪৪৩ জন পোলিং অফিসার, মোট নয় লাখ নয় হাজার ৫২৯ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।

    ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, ভোটের আগে পরে ১৩ দিন নিয়োজিত থাকবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আনসারের পাঁচ লাখ ১৬ হাজার সদস্য, কোস্টগার্ডের ২ হাজার ৩৫০ জন, বিজিবির ৪৬ হাজার ৮৭৬ সদস্য, পুলিশের (র‌্যাবসহ) থাকবে ১ লাখ ৮২ হাজার ৯১ জন সদস্য। অর্থাৎ সাত লাখ ৪৭ হাজার ৩২২ জন সদস্য ভোটের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনীও।