Category: লিড নিউজ

  • ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড লেভারকুসেনের

    ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড লেভারকুসেনের

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: একটানা ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত থেকে নতুন রেকর্ড গড়লো জার্মানের দল বায়ার লেভারকুসেন। গত ম্যাচের জয়ে দলটি ছুঁয়ে ফেলেছিল বায়ার্ন মিউনিখের ৩২ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড। আর গতকাল রাতে মাইনজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের জয়ের রেকর্ড গড়ে বায়ার্নকে টপকেছে তারা।

    এর আগে ২০১৯ ও ২০২০ সালে দুই মৌসুম মিলিয়ে সব প্রতিযোগিতায় ৩২ ম্যাচে অপরাজিত ছিল হানসি ফ্লিকের বায়ার্ন। মাইনজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলতে নেমে তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় লেভারকুসেন। গ্রানিত জাকার গোলে এগিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই মাইনজ সমতায় ফেরে। তবে এই সমতা ধরে রাখতে পারেনি তারা। বিরতির পর ৬৮তম মিনিটে রবার্ট আন্ডরিখের গোলে এগিয়ে যায় লেভারকুসেন। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে জয় ও রেকর্ড নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলোনসোর শিষ্যরা।

    এ জয়ে ২৩ ম্যাচে লেভারকুসেনের পয়েন্ট এখন ৬১। এক ম্যাচ কম খেলা বায়ার্নের পয়েন্ট ৫০। এই মুহূর্তে লিগ জয়ের দৌড়ে বায়ার্নের চেয়ে ১১ পয়েন্টে এগিয়ে আছে লেভারকুসেন।

  • অনুমতি ছাড়া হজ পালন করলে জেল ও জরিমানা হবে

    অনুমতি ছাড়া হজ পালন করলে জেল ও জরিমানা হবে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আসন্ন হজ মৌসুমে অনুমতি ছাড়া হজ পালন থেকে বিরত থাকার জন্য পর্যটক এবং বাসিন্দাদের সতর্কতা দিয়েছে সৌদি আরব।

    আর যারা এ আইন ভঙ্গ করবেন তাদের ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে। যা বাংলাদেশি অর্থে প্রায় ১৫ লাখ টাকার সমান। এছাড়া হতে পারে ছয় মাসের কারাদণ্ড

    গতকাল শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গালফ নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন ও সুন্দরভাবে হজ মৌসুম শেষ করতে এমন সব কঠোর শাস্তির বিধান রেখেছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

    হাজিদের পরিবহন সেবা দানকারীদেরও সতর্ক করে দিয়েছে মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, যে বা যারা অনুমতিবিহীন ব্যক্তিদের মক্কায় পরিবহন করার সময় ধরা পড়বেন তাদেরকেও ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে। প্রবাসীদের বেলায় শাস্তি আরও কঠোর করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী হজ মৌসুমের এই আইন ভঙ্গ করবেন, তাদের ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে। কারাভোগের পর নিজ দেশে তাদের ফেরত পাঠানো হবে এবং পরবর্তী ১০ বছরে সৌদিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।

    এছাড়া শাস্তির আওতায় আসা ব্যক্তিদের পরিচয় স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। যাতে জনসাধারণ তাদের চিহ্নিত করে রাখতে পারে।

  • প্রাণবন্ত জীবনের জন্য এই দশটি বই পড়া খুবই জরুরি

    প্রাণবন্ত জীবনের জন্য এই দশটি বই পড়া খুবই জরুরি

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আর এক সপ্তাহ পরেই শেষ হবে আমাদের বাংলা সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় বিচরণক্ষেত্র অমর একুশে “বইমেলা” । এই বইমেলা আমাদের মধ্যে এমন এক সৃজনের সৃষ্টি করে যার পেক্ষিতে আমরা চেতনাকে পৌঁছে দিতে পারি বিশ্ব দরবারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন বই হচ্ছে আমাদের আমাদের সবচেয়ে বড় বন্ধু। বই পড়ে শুধু জ্ঞান অর্জন করা যায়না। বই মানুষের মধ্যে বিবেকবোধ জাগ্রত করে। শানিত করে চেতনা, বাড়ায় দেশপ্রেম। বিশ্ব দরবারে এমন কিছু বই আছে যা পড়াটা খুব জরুরি । এমন কিছু বইর পরিচিতি এখানে তুলে ধরা হলো।

    তবে এটা জেনে আপনি খুমি হবেন যে, ই-রিডারের যুগে হাজার হাজার-শব্দ আপনি মোবাইলেও পড়তে পারেন।

     

    ১. হারম্যান মেলভিলের ‘মোবি-ডিক (দ্য হোয়েল)’

    ৭২০ পৃষ্ঠার বই টি, আমেরিকান লেখক মেলভিলের এক অনবদ্য সৃষ্টি। মোবি-ডিকের গল্প তার কেন্দ্রীয় চরিত্র আহাবকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। আহাব হলেন, হোয়েলিং শিপ ‘পিকোড’এর ক্যাপ্টেন।

    তিনি একটি বিশালাকার হোয়াইট স্পার্ম তিমির বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। কারণ এই তিমি তার হাঁটুর নীচ থেকে পায়ের অংশ নিয়ে গেছে। এজন্য তিনি পাগলের মতো সাগরে সেই তিমির অনুসন্ধান করে চলেন। গল্পের বর্ণনাকারী হলেন ইসমায়েল নামে এক নাবিক। এবং এই সাহিত্যে অন্যতম জনপ্রিয় প্রথম লাইনটি হল: “আমাকে ইসমায়েল বলে ডাকুন।”

    বইটি অদ্ভুত, পাণ্ডিত্যপূর্ণ, মজার, গভীর অর্থবহ এবং আমেরিকার অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস হিসাবে বিবেচিত।

     

    ২. হানিয়া ইয়ানাগিহারার ‘আ লিটল লাইফ’

    ৭৩৬ পৃষ্ঠার এই বইটি ম্যান বুকার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিল। উপন্যাসটি গড়ে উঠেছে চার বন্ধুর জীবনের গল্পকে ঘিরে। কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করে তারা অনেক বড় স্বপ্ন নিয়ে নিউ ইয়র্ক সিটিতে যায়। জেবি হলেন শিল্পী, উইলিয়াম একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী অভিনেতা এবং ম্যালকম একজন স্থপতি। তবে জুড – নিজের ক্ষতি করতে চাওয়া একজন আইনজীবী। যার রয়েছে একটি রহস্যময় অতীত- বইটি জুডের এই গল্পেই দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে।

    গল্পটি যতোই এগিয়ে যায়. জুডের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি ততোই প্রকাশ পেতে থাকে। গল্পটি মারাত্মক কষ্টের এবং মন খারাপ করে দেয়ার মতো। যেখানে কয়েক দশকের ঘটনা বলা হয়েছে এবং বইটির শেষ পৃষ্ঠাগুলো পড়ার সময় আপনার চোখ বেয়ে কান্না আসবেই।

     

    ৩. জর্জ এলিয়টের ‘মিডলমার্চ’

    ৮৮০ পুষ্ঠার এই বইটি এলিয়টের মাস্টারপিস হিসাবে বিবেচিত, উপন্যাসটি’ মিডলমার্চ’ নামে একটি কাল্পনিক শহরের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের জীবন নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে। ভদ্র সম্প্রদায়ের ভূমি মালিক থেকে শুরু করে খামার শ্রমিক বা কারখানার শ্রমিক পর্যন্ত সবার কথাই জায়গা পেয়েছে এই বইটিতে। তবে মূল ফোকাস ছিল দুটি চরিত্রকে ঘিরে, একজন হলেন জেদি এবং দৃঢ়-ইচ্ছাশক্তি সম্পন্ন ডোরোথিয়া ব্রুক এবং অপরজন আদর্শবাদী টারটিয়াস লিডগেট। তারা দুজনেই বিপর্যস্ত বৈবাহিক জীবনের শিকার ছিলেন। বইটি ১৯শতকে লেখা হলেও এতে রয়েছে অবিশ্বাস্যরকম আধুনিকতা বোধ। কারণ বইটিতে স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির সীমাবদ্ধতা এবং এই ত্রুটিপূর্ণ দুনিয়ায় একজন নৈতিক ব্যক্তি হয়ে ওঠার পথে নানা সংগ্রামের মতো বড় থিমগুলো ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

     

    ৪. চার্লস ডিকেন্সের ‘ব্লিক হাউস’

    ৯২৮ পৃষ্ঠার ‘ব্লিক হাউস’ হল ডিকেন্সের দীর্ঘতম উপন্যাস। বইটি জার্নডাইস পরিবারের গল্পকে ঘিরে লেখা হয়েছে। যাদের আশা উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদ পাওয়া। কিন্তু সেই স্বপ্ন বার বার ব্যর্থতার মুখে পড়ে। কারণ জার্নডাইস অ্যান্ড জার্নডাইস মামলাটি দীর্ঘকাল ধরে আইনি মারপ্যাঁচের মধ্যে চলছে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। মামলাটি এতোটাই জটিল হয়ে পড়েছে যে এখন বেঁচে থাকা উত্তরাধিকারদের কেউ এই মামলার কিছু বুঝতে পারে না। ডিকেন্স এই বইটিতে ‘কোর্ট অব চ্যান্সেরি’ নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন, এই আদালতে একটি মামলা কয়েক দশক ধরে চলতে পারে। উপন্যাসটিতে রয়েছে অসংখ্য চরিত্র এবং বেশ কয়েকটি পার্শ্ব কাহিনিও রয়েছে।

     

    ৫. মিগুয়েল ডি সার্ভান্তেসের ‘ডন কিয়োটে’

    ‘ডন কিয়োটে’ বিইটি ৯৭৬ পৃষ্ঠার। ডন কিয়োটে একজন মধ্যবয়সী স্প্যানিশ ভদ্রলোক, যিনি বীরদের অনেক রোম্যান্স গাঁথা পড়েন। সেই থেকে তিনি তলোয়ার তুলে একজন ভবঘুরে বীর হয়ে ওঠার সিদ্ধান্ত নেন। নিজের পুরানো ঘোড়া এবং বাস্তববাদী মানসিকতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী অভিযাত্রার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। ।

    ডন কিয়োটের “বীরত্বপূর্ণ” কাজের মধ্যে রয়েছে উইন্ডমিলের সাথে লড়াই করার চেষ্টা করা, যেগুলোকে তিনি দৈত্য ভেবে ভুল করেছিলেন এমনকি তিনি এক পাল ভেড়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামেন। এই প্রভাবশালী সাহিত্যকে প্রায়শই প্রথম আধুনিক উপন্যাস হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

     

    ৬. ডেভিড ফস্টার ওয়ালেসের ‘ইনফিনিট জেস্ট’

    ‘ইনফিনিট জেস্ট’ বইটি ১০৭৯ পৃষ্ঠার। ডেভিড ফস্টার ওয়ালেসের এই মহাকাব্যটি অদূর ভবিষ্যতের ডিস্টোপিয়াকে ঘিরে লেখা হয়েছে যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো এই তিন দেশ উত্তর আমেরিকান জাতিগত সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হয়। ডিস্টোপিয়া হল সাহিত্যের একটি শাখা। যেখানে এমন একটি কাল্পনিক রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো নিয়ে কথা বলা হয় যেখানে কেবল দুর্ভোগ আর অবিচারের রাজত্ব। মূল গল্পটি শুরু হয় একটি টেনিস একাডেমি এবং মাদকাসক্ত নিরাময় সংস্থাকে কেন্দ্র করে।

    মূল প্লট লাইনটি হল “ইনফিনিট জেস্ট” শিরোনামের একটি চলচ্চিত্র দেখার আকাঙ্ক্ষা। যা দর্শকদের অনুভূতিহীন শিথিল অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। বইটি, এর পরীক্ষামূলক কাঠামোর জন্য বেশ জনপ্রিয়: এখানে ৩৮৮টি এন্ডনোটস রয়েছে যার মধ্যে কয়েকটির নিজস্ব পাদটীকা রয়েছে।

     

    ৭. লিও টলস্টয়ের ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’

    ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’ বইটি ১২৯৬ পৃষ্ঠার। টলস্টয়ের মহাকাব্যটি রাশিয়ার নেপোলিয়ন যুগকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্র এবং হোম ফ্রন্টের মধ্যে তিনটি কুখ্যাত চরিত্রকে ঘিরে গল্প এগিয়ে যায়।

    চরিত্র তিনটি হল: পেরে বেজুখভ, একজন কাউন্টের অবৈধ পুত্র যিনি নিজের উত্তরাধিকারের জন্য লড়াই করছেন; প্রিন্স আন্দ্রেই বলকনস্কি, যিনি নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তাঁর পরিবারকে ছেড়ে চলে এসেছেন; এবং নাতাশা রোস্তভ, একজন অভিজাত ব্যক্তির সুন্দরী অল্পবয়সী মেয়ে। টলস্টয় একইসাথে সেনাবাহিনী এবং অভিজাতদের উপর যুদ্ধের প্রভাব কেমন হয়, সেটা ফুটিয়ে তুলেছেন।

     

    ৮. স্টিফেন কিং এর ‘দ্য স্ট্যান্ড’

    ১৩৪৪ পৃষ্ঠার দ্য স্ট্যান্ড বইটি হল একটি পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক হরর-ফ্যান্টাসি ঘরানার বই। যেখানে বায়োলজিক্যাল ওয়ারফেয়ার বা জৈব যুদ্ধের জন্য বিভিন্ন অসুখ বিসুখের দ্রুত পরিবর্তনশীল জীবাণু নিয়ে গবেষণা করার কথা বলা হয়। দুর্ঘটনাক্রমে সেই জীবাণুগুলো একদিন একটি সুরক্ষিত গবেষণাগার থেকে বের হয়ে যায়। এবং এই মহামারীতে বিশ্বের ৯৯% এরও বেশি মানুষ মারা যায়। বইটির দুটি বিকল্প সমাপ্তি রয়েছে। ১৯৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত ৮০০-পৃষ্ঠার মূল সংস্করণে সমাপ্তি ছিল এক রকম। সেই সময় প্রকাশকরা এর চাইতে বড় পাণ্ডুলিপি মুদ্রণ করতে পারতেন না। তবে ১৯৯১ সালের পরে, কিং-এর পূর্ণ, অপরিবর্তিত সংস্করণ প্রকাশ করা হয়, যা ভক্তদের মধ্যে আরও আশার সঞ্চার করে। একটি বিষয় অবশ্যই নিশ্চিত যে, আপনি যে সংস্করণটি পড়েন না কেন, সেজন্য আপনাকে দীর্ঘ সময় সিটে বসে থাকতে হবে।

     

    ৯. বিক্রম শেঠের ‘এ সুটেবল বয়’

    ‘এ সুটেবল বয়’ বইটি ১৫০৪ পৃষ্ঠার। বিক্রম শেঠ-এর বিশাল উপন্যাসটি ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে, স্বাধীনতা-উত্তর, ভারতবর্ষ বিভাজনের পরের প্রেক্ষাপট নিয়ে লেখা হয়েছে। যেখানে চারটি একান্নবর্তী পরিবারের ১৮ মাসের গল্প তুলে ধরা হয়। গল্পের চরিত্র মিসেস রুপা মেহরার একমাত্র মেয়ে লতার জন্য একজন “উপযুক্ত পাত্র” খুঁজে পাওয়ার প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে গল্প এগিয়ে যায়।

     

    ১০. মার্সেল প্রুস্টের ‘ইন সার্চ অব লস্ট টাইম’

    হ্যাঁ, আপনি এটি সঠিকভাবে পড়েছেন। প্রাউস্টের মহাকাব্য ‘আ লা রিচার্চে দু টেম্পস পারদু’ (মূল ফরাসী শিরোনাম) বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি। যাকে ১৩টি ভলিউমে ভাগ করা হয়েছে। বইটির মোট শব্দ সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখের মতো।

    মূলত, এটি এখন পর্যন্ত দীর্ঘতম উপন্যাস হিসাবে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে। এই বইটির সারসংক্ষেপ দেয়ার চেষ্টা করাও হবে ভুল।তবে সংক্ষেপে বলতে গেলে বইটির গল্প লেখকের শৈশবের স্মৃতি এবং যৌবনের অভিজ্ঞতাগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। লেখক তার পুরো গল্পে সব সময় উদ্বিগ্ন থাকেন এই ভেবে যে তার সময় প্রতিনিয়ত হারিয়ে যাচ্ছে এবং এই পৃথিবীর আসলে কোনও অর্থ নেই। এই বইটি পড়তে আপনাকে অনেক, অনেক বেশি সময় দিতে হবে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • রান্না সুজি গাজরের হালুয়া

    রান্না সুজি গাজরের হালুয়া

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আসছে পবিত্র রামজান মাস। তার আভাস নিয়ে  এলো পবিত্র শবে ই বরাত বা লাইলাতুল বারাত। আমাদের নানি দাদিরা এই দিনটি আসলে বিভিন্ন দরধের হালুয়া রুটি বানাতেন এবং পাড়া প্রতিবেশি ও আত্মীয় স্বজনদের বাসায় মজার সব হালুয়া পাঠাতেন। ইদানিং  এই প্রথা কম দেখা গেলেও একেবারে হারিয়ে যায়নি।

    এই লাইলাতুল বারাতে আমার একটি মজার রেসিপি থাকছে। আপনারা ট্রাই করে দেখবেন। খুব মজার  এই হালুয়ার নাম সুজি গাজরের হালুয়া। চলুন এর মূল রেসিপি টি দেখে আসি।

    রেসিপি দিয়েছেন-শামিমা ইসলাম মুন্নি (২)
    রেসিপি দিয়েছেন-শামিমা ইসলাম মুন্নি (২)

     

    উপকরণ:

    ঘি-২ টেবিল চামচ, গাজর কুচি-২ কাপ, সুজি- ১/২ কাপ, গুড়ো দুধ-২ টেবিল চামচ, দারুচিনি-১টি, তেজপাতা-১টি, এলাচ-২ টি, চিনি-স্বাদ মতো,তরল দুধ-১ কাপ।

     

    প্রস্তুত প্রণালী:

    চুলায় লো মিডিয়াম আঁচে প্যান বসিয়ে ২ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে দিন। গরম মসলা সামান্য ভেজে গাজর কুচি দিয়ে দিন। গাজর ভালো ভাবে ভাজা হলে দিয়ে দিন সুজি আর দুধে গুড়ো। সবকিছু ভালো ভাবে ভেজে এতে যোগ করুন ১ কাপ তরল দুধ। অনবরত নাড়তে থাকুন। সবশেষে যোগ করুন চিনি। প্যান থেকে উঠে আসতে শুরু করলে নামিয়ে ঘি ব্রাশ করা মোল্ডে ঢেলে দিন। ঠাণ্ডা হলে বরফি আকারে কেটে পরিবেশন করুন।

    ব্যাস এভাবে তৈরি হয়ে যাবে মজাদার সুজি গাজরের হালুয়া।

    রেসিপি দিয়েছেন : শামিমা ইসলাম মুন্নি

  • বিচারকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    বিচারকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বিচারকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে, বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।তিনি বলেন, “দেশ, জনগণ ও সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

    আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে দুইদিন ব্যাপী ‘একবিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবিধানিক আদালত: বাংলাদেশ ও ভারত থেকে শিক্ষা’ শীর্ষক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “ক্ষমতার সঙ্গে দায়িত্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দায়িত্ব পালনের জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে। আবার ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে এবং ক্ষমতার যাতে অপব্যবহার না হয় সেদিকে কঠোরভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

    তিনি বলেন, “বিচারপ্রার্থীরা অত্যন্ত কম খরচে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ন্যায় বিচার পাবেন এবং বিচারকগণ তাদের মেধা ও মননশীলতার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “সরকার বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিতের জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ এবং ভারত উভয় দেশই এমন দৃষ্টান্ত প্রত্যক্ষ করেছে যেখানে বিচার বিভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায়, পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন এবং সুশাসনের নীতিগুলোকে সমুন্নত রাখতে হস্তক্ষেপ করেছে।”

    তিনি বলেন, “দুই দেশের বিচার বিভাগ, বিচারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় দেশের বিচার বিভাগ, বিচারক ও জনগণ উপকৃত হতে পারে।”

    বাংলাদেশ ও ভারতের সাংবিধানিক আদালতগুলোকে মামলা জট নিরসন, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার এবং বিচারিক জবাবদিহিতার মতো বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিচার বিভাগের উন্নয়নে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন রাষ্ট্রপতি।

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের সাংবিধানিক আদালতগুলোকে ন্যায়বিচারের প্রবেশ অধিকার এবং বিচারের জবাবদিহিতার মতো বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিচার বিভাগের উন্নয়নের সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে ভারতের প্রধান বিচারপতি ড.ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড় উপস্থিত হয়ে সম্মেলনকে আন্তর্জাতিক বহুমাত্রিকতা দিয়েছেন।”

    রাষ্ট্রপতি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিসহ অন্যান্য সকল অতিথিদের স্বাগত জানান।

    মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, ভারতের প্রধান বিচারপতি ড. ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির এবং আপিল বিভাগের বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ।

    অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিগণ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিগণ, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিগণ, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্য ও বিজ্ঞ আইনজীবীরা।

  • রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট হবে না: প্রধানমন্ত্রী

    রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট হবে না: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট হবে না, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেন, ‘রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় প্রণ্যের অভাব হবে না। ইতোমধ্যেই সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোন সমস্যা হবে না।’

    প্রধানমন্ত্রী আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সাম্প্রতিক জার্মানী সফর সম্পর্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ছোলা, খেজুর, চিনিসহ পর্যাপ্ত পরিমাণ পণ্য আমদানির ব্যবস্থা রয়েছে।সুতরাং, এটি নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না কারণ আমরা অনেক আগেই এর জন্য ব্যবস্থা করেছি।”

    তিনি বলেন, “আগামী পাঁচ বছর কাজ হবে যেহেতু আমাদের উন্নয়নশীল দেশের যাত্রা শুরু হবে ২০২৬ থেকে কাজেই যে সময়টুকু পাব সেটাকে কাজে লাগিয়ে যথাযথভাবে এগিয়ে যাওয়া এবং সেদিকে আমরা মনোযোগ দিয়েছি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন কমিটি গঠন করে আমরা সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।”

    উন্নয়ন টেকসই করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী পাঁচ বছরে সরকারের প্রধান গুরুত্বই থাকবে আমাদের আর্থ-সামাজিক উন্নতির যেটা হয়েছে সেটা যেন টেকসই হয়। কারণ, যে পর্যায়ে থেকে আমরা উঠে এসেছি সেটা টেকসই করে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। একটা হচ্ছে জাতিসংঘের এসডিজি বাস্তবায়ন ২০৩০ সালের মধ্যে, সেটা আমরা সময় পেয়েছি ২০৩২ সাল পর্যন্ত এবং এরমধ্যে যেগুলো আমাদের দেশের জন্য প্রযোজ্য সেগুলো আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।”

    জার্মানীর মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে মূলত, রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও এনজিও নেতৃবৃন্দ, মিডিয়া, সুশীল সমাজ, সরকারি এবং বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। এটি সমকালীন ও ভবিষ্যত নিরাপত্তার স্বার্থে উচ্চ-পর্যায়ের নিয়মিত আলোচনার একটি শীর্ষস্থানীয় ফোরাম হিসেবে বিবেচিত। এ বছরের ফোরামে ৩৫ জনেরও বেশী রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান অংশগ্রহণ করেছেন।”

    সফরকে ফলপ্রসু উল্লেখ করে লিখিত বক্তৃতায় তিনি বলেন, “মিউনিখে আমার এই ফলপ্রসূ সফরের ফলে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের শান্তি, সার্বভৌমত্ব ও সর্বাঙ্গীন নিরাপত্তার প্রতি অঙ্গীকার বলিষ্ঠরূপে প্রতিফলিত হয়েছে। দেশের আকার নয় বরং নীতির শক্তিতেই যে মানবতার রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক মুক্তি, এবারের সম্মেলনে আমি এই বার্তাই বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছি।”

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বিষয় হচ্ছে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশ উন্নত হয়। যে কারণে গত ১৫ বছরে আমরা দেশের উন্নতি করতে পেরেছি। মানুষের  আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে, তাদের মন মানসিকতার পরিবর্তন হয়েছে, শিক্ষা-দীক্ষা সব দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক উপরে উঠে আসতে সক্ষম হয়েছে। আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি।”

    তিনি বলেন, “রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আসলে রাজনৈতিক দলের অভাব রয়েছে বাংলাদেশে। আওয়ামী লীগ ১৯৪৯ সালে গঠিত হয়। গণমানুষের কথা বলে এবং আন্দোলন সংগ্রাম করেই আওয়ামী লীগ এগিয়ে গেছে। আমি যদি আমার প্রতিপক্ষ কয়েকটি দল দেখি, একটাতো যুদ্ধাপরাধীদের দল জামাতে ইসলামী। তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়। সংবিধান সংশোধন করে এদেরকে ভোটের অধিকার দিয়েছে, এমনকি পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে যে ফিরে গিয়েছিল তাকেও আবার ফিরিয়ে এনেছে এবং তাদেরকে দল করার অধিকার দিয়েছে। জাতির পিতার হত্যাকারীদের জনগণের ভোট চুরি করে খালেদা জিয়া সংসদে বসিয়েছিল। মিলিটারি ডিক্টেটরদের  পকেট থেকে দুটো পার্টি হয়েছে।একটি বিএনপি, আরেকটি জাতীয় পার্টি। ক্ষমতার উচ্চ আসনে বসে যে দলগুলো তৈরি হয় সেগুলোরতো আসলে মাটি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক থাকে না। তাদের শিকড়ের সন্ধান কোথায়। কাজেই তাদের চিন্তা চেতনায় থাকে এমন একটা পরিবেশ হোক কেউ তাদেরকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে। সেটা করতে গিয়ে তারা প্রথম ধরা খেলো ২০০৮ সালের নির্বাচনে। এ নির্বাচন নিয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন করতে পারেনি । সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৩৩টি আসন পেল আর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় ঐক্য জোট পেল ৩০ টি আসন। এরপর থেকেই শুরু হলো এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা। বারবার সে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কিন্তু আমরা যেভাবে পারি সেখান থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে পেরেছি্।”

    তিনি বলেন,যে গণতান্ত্রিক ধারা আমরা স্থায়ী করেছি, তার শুভ ফল দেশবাসী পাচ্ছে। তাদের জীবন মান উন্নত হয়েছে । এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা এগিয়ে যাব। ইতোমধ্যে আমরা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১ থেকে ২০৪১ ঘোষণা করেছি। এতে প্রতিটি মানুষের জীবনমান আরো উন্নত হবে এবং বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু আমাদের প্রতিপক্ষরা জ্বালাও পোড়াও, মানুষ খুন, ট্রেন ও বাসে আগুন দেয়া,মা ও শিশুকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে যাচ্ছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, রাজনীতি যদি জনগণের জন্য হয় সে রাজনীতি জনগণের জন্যই এবং জনগণের কল্যাণেই কাজ করে । আর রাজনীতি যদি হয় শুধু ক্ষমতা দখল আর ক্ষমতা উপভোগ করা তাহলে তো মানুষ কিছু পাবে না।

    তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তার পরনের শাড়িটি ফ্রেঞ্চ  শিফন  নয় (খালেদা জিয়ার বহুল ব্যবহৃত  দামি শাড়ি)  শফিপুর আনসার একাডেমি  থেকে কেনা একটি তাঁতের শাড়ি, যাকে তিনি শফিপুর শিফন বলে পরিচয় করিয়ে দেন।

    ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের পর বিভিন্ন সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানরা তাঁকে যেমন অভিনন্দিত করেছেন তেমনি মিউনিখ সম্মেলনে গিয়েও অভিনন্দনে ভ’ষিত হয়েছেন এবং নির্বাচন নিয়ে কেউ যেমন কোন উদ্বেগ প্রকাশ করেনি তেমনি কোন প্রশ্ন তোলা হয়নি বলেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান।

    আর মিয়ানমারের ব্যাপারে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমি আগেই বলেছি ধৈর্য ধরে এগোনো এবং তাদের সাথে আলোচনাও করছি। দেখা যাক কি হয়।

    সংবাদ সম্মেলন আর উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, দলের সভাপতি মন্ডলীর সদস্যগণ, সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী ।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম।

    সূত্র: বাসস

  • স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।তিনি বলেন, “স্বাস্থ্যসেবা শুধু শহর কেন্দ্রিক নয়, এর পরিধি একেবারে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সেটাই চান। আমরা স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ শুরু করেছি।”

    আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘পিএইচএ গ্লোবাল সামিট-২০২৪’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন ।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদেরকে স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে কাজ করতে হলে চিকিৎসকদের সুযোগ-সুবিধাগুলোও নিয়েও ভাবতে হবে। নার্সদেরকে নিয়ে আমাদের আরো পরিকল্পনা করতে হবে। আজকের এই আয়োজন সরকারের কাজকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। এই প্রোগ্রাম শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।”

    তিনি বলেন, “চিকিৎসা প্রশিক্ষণার্থী বিনিময় কর্মসূচির মতো উদ্যোগগুলি শুধু আন্তঃসাংস্কৃতিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করবে না বরং আমাদের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সম্মিলিত অভিজ্ঞতাকেও সমৃদ্ধ করবে। দেশে এবং দেশের বাইরে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার জন্য এ ধরনের কর্মকা- সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।”

    আয়োজকরা জানান, সামিট-২০২৪ এ দুই হাজারের অধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও মেডিক্যাল শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। স্পিকার হিসেবে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ৫০ জন চিকিৎসা বিজ্ঞানী এবং দেশের ১০০ জনেরও অধিক খ্যাতিমান চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ। নয় দিনের সম্মেলনে থাকছে ৩০টির বেশি কোর্স এবং সাইন্টিফিক সেশন। দেশে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত এই সম্মেলন শুধু বাংলাদেশেই নয় দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম।

    পিএইচএ গ্লোবাল প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়া (পিএইচএ) এর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান, বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ইউনাইটেড হেলথ কেয়ারের সিইও ডা. মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি. এর ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়া (পিএইচএ) এর ট্রাস্টি ডা. নাসির খান।

    সভাপতির বক্তব্যে প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়া (পিএইচএ) এর চেয়ারপারসন ডা. তাসবিরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের মেডিক্যাল চিকিৎসার শিক্ষাক্রমে যথেষ্ট দুর্বলতা রয়েছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমাদের মেডিক্যাল শিক্ষা চার থেকে পাঁচ বছর পিছিয়ে রয়েছে। একারণে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। আমরা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে মিলে কারিকুলাম উন্নয়নের চেষ্টা করছি। আশাকরি ৪-৫ বছরের মধ্যে একটি কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।”

    সম্মেলনে রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস লন্ডন, রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস এডিনবার্গ, রয়েল কলেজ অফ অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্ট, ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন, ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন, আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি এর প্রেসিডেন্টবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কৃতরা হলেন- রংপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ বায়েজিদ সরকার, রংপুর মেডিকেল কলেজের সজিব মিয়া, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পলাশ হোসেন, পাবনা মেডিকেল কলেজের তাহসিন আহমেদ আলভী, রংপুরের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের মাহবুব আলম।

    এদিকে ২০২৩ সালে শিক্ষা, চিকিৎসা শাস্ত্রে, স্বাস্থ্য সেবা তথা জনস্বার্থে বিশেষ অবদানের জন্য ৮ জন চিকিৎসককে অনারারি ফেলোশীপ দিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস্ এন্ড সার্জনস্। অনারারি ফেলোশীপ পাওয়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসকগণ হলেন ডা. সারাহ ক্যাথরিন ক্লার্ক, অধ্যাপক টিমোথি গ্রাহাম, ডা. রানী ঠাকুর, ডা. ফ্রাজ মীর, ডা. রোয়ান বার্নস্টেইন, অধ্যাপক ডেভিড ট্যাগার্ট, ডা. জগৎ নরুলা এবং ডা. সার্জিও লারাচ।

  • প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুসারে রেলের আরও সম্প্রসারণ হবে: রেলমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুসারে রেলের আরও সম্প্রসারণ হবে: রেলমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুারে রেলের আরও সম্প্রসারণ হবে, বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম। তিনে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন রেলের আরও সম্প্রসারণ হবে।”

    আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজবাড়ী রেল স্টেশনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন রেলমন্ত্রী।

    রেলমন্ত্রী বলেন, “কিছুদিনের মধ্যে ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন (নির্মাণকাজ) চালু করা হবে। রেলে মাল পরিবহন ও যাত্রীদের সস্তায় সার্ভিস দিয়ে থাকে। প্রত্যেকটি জেলায় রেলের কানেক্টিভিটি তৈরি করা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “রেলের অনেকগুলো কোচ ও ইঞ্জিন ও আমদানি হয়েছে। আরও কিছু আমদানি হবে। রাজবাড়ী রেলের শহর, রাজবাড়ীতে ১০৫ একর জমি নিয়ে রেলের সবচেয়ে বড় কারখানা নির্মাণ করা হচ্ছে। এই কারখানায় রিপেয়ারিং, মেইনটেনেন্সসহ বগি তৈরি করা হবে। এটা আমাদের রাজবাড়ীবাসীর জন্য সবচেয়ে সুখের খবর।”

    এছাড়াও রেলমন্ত্রী রাজবাড়ী নতুন একটি আধুনিক রেলস্টেশন করার ঘোষণা দেন।

  • মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

    মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে, বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।তিনি বলেন “সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ একত্রে মিলেমিশে কাজ করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। প্রগতিশীল, কল্যাণময় বাংলাদেশ গড়তে মেধার বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে নয়; জ্ঞান, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে।”

    আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহার মিলনায়তনে অতীশ দীপংকর, বিশুদ্ধানন্দ, শুদ্ধানন্দ এবং পণ্ডিত বনরত্ন শান্তি স্বর্ণ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার সকল ধর্মের মানুষের শান্তি ও সম্প্রীতিতে পূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিতে কাজ করছে।”

    তিনি বলেন, “এই পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বৌদ্ধধর্ম ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাদের কাজ অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল; ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েনসিল এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লায়ন চিত্ত রঞ্জন দাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরো।

    ভারতের নগাওয়াং তেনজিং গিয়াতসো, বাংলাদেশের ড. প্রণব কুমার বড়ুয়া, সিঙ্গাপুরের পিটার কোহ এর পক্ষে জাকির হোসেন খান এবং বাংলাদেশের হাজী মোশারফ আলী ফাউন্ডেশন যথাক্রমে অতীশ দীপংকর, বিশুদ্ধানন্দ, শুদ্ধানন্দ এবং পণ্ডিত বনরত্ন শান্তি স্বর্ণ পুরস্কার পেয়েছেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় সম্মানিত হয়েছেন।

    অনুষ্ঠানের পর পরিবেশমন্ত্রী বৌদ্ধ মন্দিরে ধর্মরাজিক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

  • ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো: প্রধানমন্ত্রী

    ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চক্রান্ত হয়েছিলো। বলা হয়েছিলো আমি নাকি ভুল বলছি। তখন এম আর আখতার মুকুলের মাধ্যমে আবারো সত্যানুসন্ধান করে আমি প্রমাণ করেছি, মহান ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২২ফেব্রুয়ারী) বিকেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশের কিছু আঁতেল এক সময় বলেছে, শেখ মুজিব ভালো প্রশাসক ছিলেন না। অথচ, যে সেক্টরে হাত দিয়েছি, দেখেছি মূল কাজটা বঙ্গবন্ধু করে দিয়ে গেছেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার কাজ করেছেন। স্বল্পোন্নত দেশ করে দিয়ে গেছেন। তার দেখানো পথেই আমরা এগিয়েছি।”

    বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “তাদের কাছ থেকে গণতন্ত্রের সবক শুনতে হয়। অথচ তারা নানান উপায়ে বঙ্গবন্ধুকে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে চলে যায় আমাদের পতাকা। ইনডেমনিটি দিয়ে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করেছে। খুনিদের পুনর্বাসন করে নানান জায়গায় পদায়ন করেছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছে আমাদের দেশের পতাকা।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইতিহাস বিকৃতির কতো ঘটনা তারা ঘটিয়েছে। কোন এক মেজর নাকি তেলের ড্রামে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিয়েছিলো, আর তাতেই নাকি দেশ স্বাধীন হয়ে গিয়েছিলো। এতোসব বিকৃতি করেও তারা বঙ্গবন্ধুর অবদানকে খাটো করতে পারেনি।”

    তিনি বলেন, “জাতির পিতা সেই সময়ে একটার পর একটা পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেটিই ছিল আমাদের পাথেয়। সেগুলোর পথ ধরেই আমরা এগিয়ে গেছি। ভাষার ওপর একটার পর একটা আঘাত আসে। তখন বাংলার মানুষ প্রতিবাদ করেছে।”

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধু তার সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে যে চেতনা, তার থেকেই আমাদের স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আসে। জাতির পিতা এটি তার আত্মজীবনীতেও লিখেছেন, ৫২ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন একাত্তরের স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।”

    এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আতাউর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মো. নুরুল হুদা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমেদ প্রমুখ।