Category: লিড নিউজ

  • আখের থেকে  সুগারবিট দিয়ে আরও বেশি চিনি উৎপাদন সম্ভব

    আখের থেকে সুগারবিট দিয়ে আরও বেশি চিনি উৎপাদন সম্ভব

    www.HelloBangla.News – মতামত – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: বাংলাদেশে সাধরণত আখ থেকেই চিনি উৎপাদন সম্ভব। তবে গবেষণায় দেখা গেছে সুগারবিট এমন এক ধরনের আলু জাতিয় সবজি যার মাধ্যমে চিনি উৎপাদন সম্ভব। সাধারণত দেখা যায় আখ চাষে যে সময় যায় তার থেকে অল্প সময়ের মধ্যে সুগারবিট চাষ করা সম্ভব। তাই এর উৎপাদন দ্রুত হয় এবং চিনি উৎপাদনের মাত্রাও আখের থেতে বেশি। তবে সুগার মিলে আধুনিকায়ন করার পর তবেই সুগারবিট থেকে ভালো  চিনি উৎপাদন করা সম্ভব।

    তাছাড়া আখ যখন চাষ হয় এবং চিনি উৎপদনের জন্য উপযুক্ত হয় তখন সুগার মিলগুলি সেই পরিমান আখ প্রকৃয়াজাত করে চিনি উৎপদনে সক্ষম নয়। ফলে অনেক আখ জমিতে দীর্ঘদিন ধরে থাকে এবং তা শুকিয়ে যায়। ফলে আখ চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়ে। কিন্তু সুগারবিট থেকে চিনি উৎপাদনে সেই সমম্যার সৃষ্টি হয় না।

    বাংলাদেশে যতটুকু চিনি উৎপাদন করা হয় তার পুরোটাই তৈরি হয় আখ থেকে। যদিও দেশে চালু থাকা নয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত চিনি কলে যে পরিমাণ চিনি উৎপাদন হয়, তা বাংলাদেশের বার্ষিক চাহিদার পাঁচ শতাংশেরও কম।

    কিন্তু গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এই চিত্র পরিবর্তন করা সম্ভব আখের পাশাপাশি নতুন ফসল সুগারবিট থেকে চিনি তৈরি করে।

    তবে সুগারবিট চাষের পরীক্ষামূলক প্রকল্প সফল হওয়ার পর বাণিজ্যিকভাবে চাষের প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও বাংলাদেশে শেষ পযর্ন্ত সুগারবিট চাষ ও সুগারবিট দিয়ে চিনি তৈরির কার্যক্রম আলোর মুখ দেখেনি।

     

    সুগারবিট অনেকটা মিষ্টি আলু জাতীয় একটি উদ্ভিদ, যেটির মূলে উচ্চ মাত্রায় সুক্রোজ থাকে। পৃথিবীর অনেক দেশেই সুগারবিট থেকে বাণিজ্যিকভাবে সাদা চিনি উৎপাদন করা হয়।সাদা চিনির পাশাপাশি গুড় ও লাল চিনিও তৈরি হয়ে থাকে সুগারবিট থেকে।

    সুগারবিটের মূলকে কুচি কুচি করে কেটে এটিকে পানির সাথে মিশিয়ে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় জাল দিলে এর ভেতরে থাকা চিনি নির্গত হয়ে পানির সাথে মিশে যায়। তারপর সেই পানিকে সিদ্ধ করলে এক পর্যায়ে দানাদার চিনি পাওয়া যায়।

    সুগারবিট সাধারণত শীত প্রধান দেশের ফসল হলেও নাতিশীতোষ্ণ এলাকাতেও এটি হয়ে থাকে। গবেষকরা বলছেন, আখ উৎপাদন করতে এক বছর সময় লাগলেও সুগারবিট শীতের পাঁচ মাসেই উৎপাদন করা সম্ভব। পাশাপাশি আঁখের সাথে একই জমিতে সাথী ফসল হিসেবেও সুগারবিট উৎপাদন করা সম্ভব।

    আখের তুলনায় সুগারবিট থেকে চিনি উৎপাদনে কিছুটা বেশি খরচ হয়। আখের ক্ষেত্রে ফসলের রস নিয়ে সেটিকে তাপ দিয়ে চিনি উৎপাদন করা হয়। তাপ দেয়ার ক্ষেত্রে জ্বালানি হিসেবে আখের বাকি অংশই সাধারণত ব্যবহার করা হয়। আর সুগারবিটের ক্ষেত্রে বিটকে ছোট করে কেটে সেটিতে পানি মিশিয়ে তাপ দিয়ে চিনি আলাদা করা হয়। এই প্রক্রিয়ার জন্য আলাদা যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হয়। বিশ্বের মোট উৎপাদিত চিনির ৮০ ভাগই আসে আখ থেকে। সবচেয়ে বেশি চিনি উৎপাদন করে ব্রাজিল আর ভারত।

     

    বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ২০১০-১১ থেকে প্রায় আট বছর বাংলাদেশে সুগারবিট উৎপাদনের সম্ভাব্যতা যাচাই বাছাই করে। এই সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত চিনি কলের জমিতে আখ চাষীদের সুগারবিট চাষের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

    কৃষিবিদরা জানিয়েছেন, প্রায় আট বছর তিন ধাপে গবেষণা করে আমরা সিদ্ধান্তে পৌঁছাই যে, বাংলাদেশে সুগারবিট উৎপাদন করা সম্ভব। উত্তরাঞ্চলের পাশাপাশি দক্ষিণের লবণাক্ত পানির অঞ্চলেও সুগারবিট চাষ করা যায়। দেশে ২০১০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১২টি চিনি কল এলাকায় এক হাজারের বেশি আখ চাষীকে সুগারবিট উৎপাদনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় পাইলট প্রকল্পের অধীনে। এই প্রশিক্ষণের পুরোটাই ছিল গবেষণা প্রকল্পের অংশ, তাই এ সময় আখ চাষীদের জমিতে সুগারবিট চাষ না করে চিনি কলের নিজস্ব জমিতে এই গবেষণা চালানো হয়। গবেষণার সাথে জড়িত থাকা ব্যক্তিরা বলছেন, জমিতে ফলন এবং চিনি উৎপাদনের হার – দুই হিসেবেই আখের চেয়ে বেশি লাভজনক সুগারবিট।

    এক একর জমিতে যেখানে ৩০ থেকে ৪০ টন সুগারবিট উৎপাদন করা সম্ভব, যেখানে এক একর জমিতে বাংলাদেশে ২০-২৫ টন আখ উৎপাদন করাই কঠিন হয়ে পড়ে। আখের ক্ষেত্রে এমন দেখা যায় যে, কারও জমিতে অনেক ফলন হয় আবার কারও জমিতে খুব কম ফলন হয়। কিন্তু সুগারবিট প্রায় সব জমিতেই একই ধরণের ফলন হয়।

    এছাড়া সুগারবিটে আখের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ চিনি থাকে। একশো কেজি আখ থেকে যেখানে সর্বোচ্চ সাত কেজি চিনি উৎপাদন করা সম্ভব, একই পরিমাণ সুগারবিট থেকে উৎপাদিত চিনির পরিমাণ সেখানে ১২ থেকে ১৩ কেজি হয়ে থাকে।

    কৃষিবিদরা আরও বলেন, উৎপাদনশীল জাতের আখের অভাব, সময়ের আগে বা পরে আখ কাটা, চিনি কলে পৌঁছানোর আগে আখ শুকিয়ে যাওয়া, কারখানার ভুলত্রুটি – এরকম নানা কারণে বাংলাদেশে যে পরিমাণ আখ উৎপাদন হতে পারে, সেটা তা হয় না।

    বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষকরা দুই ধরনের সুগারবিটের জাতও উদ্ভাবন করে যেগুলো বাংলাদেশের লবণাক্ত মাটিতে সহজে, কম খরচে চাষ করা যায়।

    বাংলাদেশে বিভিন্ন এলাকায় চিনি কলে পরীক্ষামূলকভাবে সুগারবিট চাষ করা হলেও কৃষকরা নিজে থেকে সুগারবিট চাষ করেননি। চাষের ক্ষেত্রে বীজ দেয়া থেকে শুরু করে চাষ পরবর্তী সার্বিক সহায়তাও সবসময় ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে। আর বাংলাদেশে এই ফসলের বাজার না থাকায় এর নির্ধারিত বাজারমূল্যও নেই। তবে কয়েকজন কৃষক নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে ধারণা পোষণ করেন যে ফসল সময়মত বিক্রি করা গেলে সুগারবিট চাষ বেশ লাভজনক হতে পারে।

    ঠাকুরগাঁও ছাড়াও গাইবান্ধা, পাবনা, সাতক্ষীরার মতো যেসব অঞ্চলে কৃষকদের সুগারবিট চাষে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল, তাদের অধিকাংশই সুগারবিট চাষ চালিয়ে যেতে আগ্রহী ছিলেন বলে জানা যায়।

    তবে সুগারবিট চাষ এবং এর থেকে চিনি উৎপাদনের জন্য চিনি কলকে আধুনিকায়ন ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। প্ফলে প্রকল্পটির আর কোনও অগ্রগতি হয়নি।

    কিন্তু বর্তমান বাজারে এখন চিনির মুল্য এতটাই বেশি যে সুগারবিট দিয়ে চিনি উৎপাদন না করলে আমাদের চিনির সমস্যা বাড়তেই থাকে। তাই সুপার মিলগুলোকে আধুনিক করে এবং কৃষকদেরকে সুগারবিট চাষে উৎসায়িত করে দেশে চিনির উৎপাদন বাড়ানো উচিত বলে মনে করছেন।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় ৩৩ জনের মৃত্যু

    আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় ৩৩ জনের মৃত্যু

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: আফগানিস্তানের দুর্যোগ র্ববস্থপনা বিভাগর তথ্য অনুসারে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় দেশটিতে অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ২৭ জন।

    মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে শত শত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হতাহতের বেশিরভাগই বাড়ির ছাদ ধসে পড়ার কারণেই ঘটেছে।

    দেশটির সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের মুখপাত্র সায়েক বলেন, গত শুক্রবার থেকে বৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে প্রচুর মানবিক ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

    তিনি আরও জানান,  প্রায় ৬০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। এই সব বাড়ির ছাদ ধসে বেশিরভাগ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও ২০০টি গবাদি পশু মারা গেছে, প্রায় ৬০০ কিলোমিটার রাস্তা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং প্রায় ৮০০ হেক্টর  কৃষি জমির ফসল বন্যায় ভেসে গেছে। পশ্চিম ফারাহ, হেরাত, দক্ষিণ জাবুল এবং কান্দাহার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

    আফগানিস্তানের বেশিরভাগ প্রদেশে সামনে আরও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া বিভাগ। আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশের মধ্যে ২০টি প্রদেশে প্রবল বৃষ্টিপাতের মুখোমুখি হয়েছে। গত শীত মৌসুমে এই প্রদেশগুলোতে অস্বাভাবিকভাবে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করছিল। ফলে কৃষকরা দেরিতে তাদের শস্য রোপণ করতে বাধ্য হয়।

    ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে, দরিদ্র দেশটিতে বিদেশি সাহায্যের প্রবাহ মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তাছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ ত্রাণ প্রতিক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।

    ফেব্রুয়ারিতে পূর্ব আফগানিস্তানে ভারী তুষারপাতের পর ভূমিধসে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছিল। আর মার্চে তিন সপ্তাহের বর্ষণে প্রায় ৬০ জন নিহত হয়।

    জাতিসংঘ গত বছর সতর্ক করে বলেছিল, আফগানিস্তান আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্মুখীন হচ্ছে।

    এদিকে ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে জানুয়ারি মাস থেকে বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে।

  • গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে গুলি ঘটনায় বিচলিত নন সালমান

    গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে গুলি ঘটনায় বিচলিত নন সালমান

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: গতকাল রবিবার ভোরে সালমান খানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে গুলির ঘটানা ঘটে। এই ঘটনায় মোটেও বলিউড সুপাস্টার সালমান খান। এমনটাই জানিয়েছেন ভাইজানের বাবা সেলিম খান। বে গুলির ঘটনায় মুম্বই বান্দ্রা এলাকায় ‘গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট’-এর দিকে নজর অনেকেরই। সেখানেই বাস অভিনেতা সালমান খানের। কেনান এখানে এক দিন আগে অভিনেতার বাড়ির সামনে চলেছিল চার রাউন্ড গুলি।

    একটি এসে লাগে অভিনেতার জানলার পাশের দেওয়ালে। তার পর থেকেই নড়েচড়ে বসে মুম্বই পুলিশ। মন্ত্রী থেকে বিধায়কদের আনাগোনা সলমনের বাড়িতে। গোটা ঘটনার দায় স্বীকার করে নিয়েছে বিষ্ণোই গ্যাং। তারা শুধু ঘটনার দায় স্বীকারই করেনি, সমাজমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে রীতিমতো হুমকি দিয়েছে অভিনেতাকে। এ বার সিসিটিভি ফুটেজে প্রকাশ্যে এল অভিযুক্তের পরিচয়। পরনে কালো জ্যাকেট, মাথায় টুপি, চাপদাড়ি। নাম বিশাল ওরফে কালু। বাইকে চেপে গুলি ছুড়ে চম্পট দেন এই ব্যক্তি।

    বিশাল গুরুগ্রামের বাসিন্দা। জেলখাটা আসামি। ২০২০ সালে প্রথম বার পুলিশের খপ্পরে পড়েন তিনি। মোটার বাইক চুরির অভিযোগে তিহাড়ে বন্দি ছিলেন বিশাল। তিনি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য। পাশপাশি, রোহিত গোধরা গ্যাংয়ের সঙ্গেও কাজ করছেন। গত বছর গুরুগ্রামে দুই বুকিকে খুনের অভিযোগে নাম জড়ায় তার। এ বার সালমানের বাড়িতে গুলি চালিয়ে রাতারাতি প্রচারের আলোয় চলে এলেন এই ব্যক্তি।

    এই মুহূর্তে জেলবন্দি গ্যাং-প্রধান লরেন্স বিষ্ণোই। গোটা ঘটনার ১২ ঘণ্টা কাটার আগেই সমাজমাধ্যমের পাতায় হুমকি পোস্ট দেন লরেন্সের ভাই আনমোল বিষ্ণোই। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমদের উপর হওয়া অত্যাচারের নিষ্পত্তি চাই। যদি তুমি সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে নামতে চাও, তা-ই সই। আজ যা হয়েছে, তা শুধুই একটা ঝলক ছিল সালমান খান। যাতে তুমি বুঝতে পারো, আমরা কত দূর যেতে পারি। এটাই ছিল তোমাকে দেওয়া শেষ সুযোগ। এর পর গুলিটা তোমার বাড়ির বাইরে চলবে না… দাউদ ও ছোটা শাকিল নামের যে দু’জনকে তুমি ভগবান মানো, সেই নামের দু’টি কুকুর পুষেছি বাড়িতে। বেশি কথা বলার লোক আমি নই। জয় শ্রীরাম।’’

    তবে গোটা ঘটনায় মোটেই বিচলিত নন সালমান কিংবা তার বাবা সেলিম খান। ঘনিষ্ঠেরা জানিয়েছেন, খান পরিবার যে এই ঘটনায় ভয় পেয়েছে তেমন নয়। বরং, সব কিছু স্বাভাবিকই রয়েছে তাদের বাড়িতে।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • সদরঘাটে রশি ছিড়ে পাঁচ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

    সদরঘাটে রশি ছিড়ে পাঁচ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: সদরঘাটে রশি ছিড়ে পাঁচ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে, বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনে বলেন, “রশি ছিড়ে পাঁচ জন নিহতের ঘটনায় তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে।”

    ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে সোমবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    সদরঘাটে জায়গা না থাকার পরও অনেক লঞ্চ গতি নিয়ে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করে- এ বিষয়ে দৃষ্টি দিবেন কিনা- জানতে চাইলে নৌপ্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটা সব লঞ্চ করে, ব্যাপারটা তা নয়। বিশেষ বিশেষ কিছু লঞ্চ করে, শক্তিশালী কোন মালিক থাকলে তাহলে এটা করে। আমরা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। মনে করেন এটার সঙ্গে মন্ত্রী বাহাদুর যুক্ত আছে বা অন্য কেউ যুক্ত আছে, তখন তার সঙ্গে স্টাফরা এই ধরনের আচরণ করে। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।”

    ঈদের দিন সদরঘাটে লঞ্চের রশি ছিঁড়ে পাঁচজন নিহত বিষয়ে তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ নৌপথে যতগুলো ঘটনা ঘটেছে, সেটা সদরঘাট হোক, ভোলায় হোক, চাঁদপুরে হোক, বরিশালে হোক, মাঝ নদীতেই হোক না কেন- প্রত্যেকটার আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বিভিন্ন ধরনের পানিশমেন্ট হয়।”

    নৌপ্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঈদের দিন আমরা উৎসবমুখর মুডে ছিলাম। সেখানে এই ধরনের একটি ঘটনা ঈদের আনন্দকে ম্লান করে দিয়েছে। আপনারা জানেন জাহাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল অনেকে কিন্তু পালিয়ে গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে।”

    তিনি বলেন, “একটা মামলা হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা এই জায়গাটায় খুবই শক্ত আছি। যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে রুট পারমিট বাতিল করা হয়েছে।”

    নাবিকদের মুক্তির জন্য ব্যাগে করে মুক্তিপণ দেওয়ার ছবি দেখা গেছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটা এখন কোন সিনেমার ছবি আমি তো জানি না। এমন ছবি তো আমরা অনেক চলচ্চিত্রে দেখি। কোন ছবি কোথায় গিয়ে কীভাবে যুক্ত হয়েছে, কোনটার সঙ্গে কোনটা এডিট হয়েছে আমি জানি না।”

    তিনি বলেন, “জানতাম পরিত্যক্ত জিনিস পানিতে ফেলে। এত দামি জিনিস (ডলার) পানিতে ফেলে জানা ছিল না।”

  • পাঁচ ম্যাচ হাতে রেখে লিগ শিরোপা নিশ্চিত লেভারকুসেনের

    পাঁচ ম্যাচ হাতে রেখে লিগ শিরোপা নিশ্চিত লেভারকুসেনের

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: জার্মান বুন্দেসলিগার প্রথমবারের মত শিরোপা জেতার কৃতিত্ব দেখিয়েছে বায়ার লেভারকুসেন। রবিবার রাতে ওয়ার্ডার ব্রেমেনকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বায়ার্ন মিউনিখের ১১ বছরের শিরোপার আধিপত্য ভাঙতে সক্ষম হয়েছে লেভারকুসেন।

    লেভারকুসেন পাঁচ ম্যাচ হাতে রেখে লিগ শিরোপা নিশ্চিত করেছে। পুরো মৌসুমে দারুন ফর্মে থাকা জাভি আলোসনোর দলটি এখনো পর্যন্ত লিগে অপরাজিত রয়েছে।

    ফ্লোরিয়ান রিটজের হ্যাটট্রিক ও ভিক্টর বোনিফেস এবং গ্রানিত জাকার গোলে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় লেভারনকুসেনের ৪৩ ম্যাচে অপরাজিত থাকার ধারা অব্যাহত থাকলো।

    পাঁচবার দ্বিতীয় স্থানে থেকে লিগ শেষ করলেও শিরোপার স্বাদ পাওয়া হয়নি। এই শিরোপার মাধ্যমে লেভারকুসেনর তাদের কুখ্যাত ‘নেভারকুসেন’ তকমা থেকেও সড়ে আসতে সমর্থ হয়েছে। কিন্ত এবার পাঁচ ম্যাচ হাতে রেখে শিরোপা জয়ের আনন্দে কাল ম্যাচ শেষের ১০ মিনিট আগেই উচ্ছসিত সমর্থকরা উদযাপন শুরু করে দেয়।

    এই জয়ে লেভারকুসেনের পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৯। জার্মান লিগ ইতিহাসে ২৯ ম্যাচ পর এটাই সর্বোচ্চ পয়েন্ট। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা বায়ার্ন ও স্টুটগার্টের থেকে লেভারকুসেন ১৬ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে।

    ম্যাচের হ্যাটট্রিকম্যান রিটজ বলেন, ‘এটা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। আমি বলতে পারবো না আমরা কি করেছি। আমার এখন ড্রেসিং রুমে ফিরে গিয়ে শান্ত হয়ে বসতে হবে। ইতোমধ্যেই আমরা সমর্থকদের সাথে পার্টি শুরু করে দিয়েছি।’

    ম্যাচ শুরুর ৯০ মিনিট আগে স্টেডিয়ামে এসে উপস্থিত হয় লেভারকুসেনের বাস। ৩০ হাজার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ঘরের মাঠ বে এরেনাতে কাল পুরোটা জুড়েই ছিল কালো-লাল জার্সিধারীদের আধিপত্য। ক্লাব কোচ জাভি আলোনসোর সম্মানে শহরের বিমসার্ক স্ট্রিটটি সমর্থকরা সাময়িক ভাবে ‘জাভি আলোনসো স্ট্রিট’ নামে আখ্যায়িত করেছে।

    শিরোপা জয় নিশ্চিত হবার পর আলোনসোর এখন মূল লক্ষ্য বৃহস্পতিবার ইউরোপা লিগে লন্ডনে ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে ম্যাচটি। ঐ ম্যাচকে সামনে রেখে গতকাল মূল একাদশে সাতটি পরিবর্তন এনেছিলেন আলোনসো। এ কারনে বদলী বেঞ্চে ছিলেন রিটজ, জেরেমি ফ্রিমপং ও এ্যালেক্স গ্রিমালডো। এদের মধ্যে মৌসুমে এই প্রথম শুরুতে খেলার সুযোগ পাননি গ্রিমালডো। তার পরিবর্তে মাঠে নামা পিয়েরো হিনকেপি শুরুতেই গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেছেন। ব্রেমেনের জুলিয়ান মালাতিনির বিপক্ষে জোনাস হফম্যানের আদায় করা পেনাল্টি থেকে বোনিফেস লেভারকুসেনকে এগিয়ে দেন। রেফারি সরাসরি পেনাল্টির নির্দেশ দিলেও পরবর্তীতে ভিএআর পরীক্ষা করে তা নিশ্চিত হতে হয়েছে। বিরতির ঠিক আগে হফম্যান আবারো গোলের সুযোগ তৈরী করেছিলেন। কিন্তু তার পাস থেকে আমিনে আদলির শট ক্রসবারে লেগে ফেরত আসে।

    দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা আগ্রাসী হয়ে খেলা শুরু করে ব্রেমেন। কিন্তু ৬০ মিনিটে বোনিফেসের পাস থেকে জাকার শক্তিশালী শটে লেভারকুসেনের ব্যবধান দ্বিগুন হলে ব্রেমেনর সব স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়।

    আদিলের পরিবর্তে মাঠে নামা রিটজ আট মিনিট পর জাকার মত প্রায় একইভাবে বল জালে জড়ান। ম্যাচ শেষের সাত মিনিট আগে রিটজ তার দ্বিতীয় গোল করেন। এরপর ৯০ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন রিটজ।

    পরের একটি খেলাতেও জিততে না পারলেও লেভারকুসেনের শিরোপা নিশ্চিত।

  • বিশ্বে বায়ুদূষণে ঢাকা শহরের অবস্থান আজ দ্বিতীয়

    বিশ্বে বায়ুদূষণে ঢাকা শহরের অবস্থান আজ দ্বিতীয়

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে বিশ্বে আজ বায়ুদূষণের ঢাকা শহরের অবস্থান দ্বিতীয়।  এই তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। সোমবার (১৫ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৬ মিনিটে সংস্থাটি রাজধানী ঢাকার এই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।

    তালিকার শীর্ষে থাকা দিল্লির দূষণ স্কোর ১৯৬ অর্থাৎ সেখানকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। এরপর রয়েছে রাজধানী ঢাকা। এই শহরটির স্কোর ১৯৩ অর্থাৎ এখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর। একই অবস্থানে রয়েছে চীনের বেইজিং।

    স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

    দক্ষিণ এশিয়ায় বায়ুদূষণ দিনদিন আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কোটি কোটি মানুষের জীবন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টায় সমন্বয়ের অভাব এই সমস্যার মূল কারণ।

    এই অবস্থায় চিকিৎসকরা মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন।

  • রান্না: মাশরুম কোপ্তা

    রান্না: মাশরুম কোপ্তা

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: ঈদ শেষ। তবুও  এর রেশ কিন্তু  রয়ে গেছে। এখোনো মেহমান বাসায় বেড়াতে আসছে। তাই ঈদ পরবর্তী মেহমানদারীর জন্য  একটা মজার রেসিপি হচ্ছে মাশরুম কোপ্তা। এর রেসিপি আজ দেওয়া হলো।

    Recipe given by - Seema Pushp (2)
    Recipe given by – Seema Pushp (2)

     

    উপকরণ:

    মাশরুম-৩০০ গ্রাম, ব্রেডকাম্ব-হাফ কাপ-পেঁয়াজ কুচি-হাফ কাপ, আদা বাটা ও  রসুন বাটা-১ চা চামচ, টমেটো-একটা, ধনিয়া পাতা-২ টেবিল চামচ, আলু সিদ্ধ-হাফ  কাপ, হলুদগুঁড়া-হাফ  চা চামচ, জিরাগুঁড়া -হাফ চা চামচ, মরিচগুঁড়া-হাফ চা চামচ-কাঁচা মরিচের কুচি-স্বাদমতো।

     

    প্রস্তুত প্রণালী :

    আলু সিদ্ধ, মাশরুম আর ব্রেড কাম্ব  মরিচের কুচি, ধনিয়াপাতা, একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে। হাত দিয়ে গোল গোল করে বলের মতো করে ভেজে নিব।

    আরেকটি পাত্রে  তেল দিব তেল গরম হলে পিয়াজকুচি  আদা রসুন বাটা  ও  হলুদ শুকনো মরিচের গুড়া  রসুন আদা বাটা ও  টমেটো এবং  লবণ দিয়ে  কষিয়ে ঢেকে নিতে হবে। কয়েকটি কাজুবাদাম দিয়ে দিব। আবার কষিয়ে নিব। এবার ভাজা বল গুলো দিয়ে ৫ মিনিটের মতো রান্না করা হলে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিব ৫ মিনিটের এত  রান্না করা হলে নামিয়ে দিব।

    এই কোপ্তা এমনি খাওয়া যায় বিকালের নাস্তা হিসাবে আবার এভাবে কোপ্তা কারী করলে পোলাও বিরিয়র সাথেও পরিবেশন করা যায়।

    রেসিপি দিয়েছেন: সিমা পুষ্প

  • ‘আমরা তো তিমির বিনাশী’ এই স্লোগানে মঙ্গল শোভাযাত্রায় ১৪৩১ বরণ

    ‘আমরা তো তিমির বিনাশী’ এই স্লোগানে মঙ্গল শোভাযাত্রায় ১৪৩১ বরণ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: অন্ধকার কাটিয়ে আলোর দিকে ধাবিত হওয়ার প্রত্যয়ে হলো ১৪৩১ সনের বাংলা নববর্ষের মঙ্গল শোভাযাত্রা। এবারের শোভাযাত্রার স্লোগান ছিল ‘আমরা তো তিমির বিনাশী’।

    আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এস এম মাকসুদ কামাল।যাত্রা শুরুর আগে প্রথমে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়েছে।

    সমাজকল্যাণমন্ত্রী দীপু মনি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও ডিএমপি কমিশনার এতে অংশ নেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ শোভাযাত্রায় অংশ নেয়।

    মঙ্গল শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা কঠোর নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো ছিল। মাঝপথে কারও শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল না। কারণ চতুর্দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে মানবপ্রাচীর গঠন করা হয়।

    শোভাযাত্রাটি শাহবাগ মোড় হয়ে শিশুপার্কের সামনে দিয়ে ঘুরে ফের শাহবাগ হয়ে টিএসসিতে গিয়ে শেষ হয়। এ আয়োজনের পরবর্তী অংশে চারুকলার বকুলতলার মঞ্চে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে বাউল গান।

    এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মঙ্গল শোভাযাত্রায় প্রদর্শনীর জন্য বিভিন্ন মুখোশ, ঘোড়া, মূর্তি, ট্যাপা পুতুল, নকশি পাখিসহ বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রার জন্য প্রস্তুত করা হয়।

    ১৯৮৯ সালে চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো বের হয়েছিল আনন্দ শোভাযাত্রা, যা দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে বাংলাশের মানুষের কাছে।

    পরে ১৯৯৬ সালে এর নাম পরির্বতন করে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ রাখা হয়। এরপর থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বাংলা বর্ষবরণের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে।

    ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায় এ শোভাযাত্রা।

  • রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গাইলেন ৮০ জন শিল্পী

    রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গাইলেন ৮০ জন শিল্পী

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র ছায়ানট ভোরে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জয়গানের মধ্য দিয়ে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে । প্রতিবারের মতো এবারো রমনার বটমূলে সুরের মাধুরীতে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে নতুন বছরকে। ভোরের আলো ফুটতেই আহীর ভৈরব রাগে বাঁশির সুরে শুরু হয় এ আয়োজন।

    এবার পুরো অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে নতুন স্নিগ্ধ আলোয় স্নাত প্রকৃতির গান, মানবপ্রেম-দেশপ্রেম আর আত্মবোধন-জাগরণের সুরবাণী দিয়ে। তাতে ছায়ানটের আহ্বানে ভোগবাদ নয়, স্বার্থপরতা নয়, মনুষ্যত্বকে পাওয়ার অভিলাষই থাকছে। প্রায় ১৭০ জন শিল্পী অংশ নিচ্ছেন এবার। বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে এ বছর প্রথমবারের মতো গাইছেন প্রায় ৮০ জন শিল্পী।

    এ অনুষ্ঠানে একক গান গাইবেন ১৮ জন শিল্পী। আর থাকবে কিছু একক পাঠ। সব মিলিয়ে ৩০টি পরিবেশনা দিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের আয়োজন।

    ভোরে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জয়গানের মধ্য দিয়ে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র ছায়ানট। প্রতিবারের মতো এবারো রমনার বটমূলে সুরের মাধুরীতে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে নতুন বছরকে। ভোরের আলো ফুটতেই আহীর ভৈরব রাগে বাঁশির সুরে শুরু হয় এ আয়োজন।

    এবার পুরো অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে নতুন স্নিগ্ধ আলোয় স্নাত প্রকৃতির গান, মানবপ্রেম-দেশপ্রেম আর আত্মবোধন-জাগরণের সুরবাণী দিয়ে।

    রমনার বটমূলে ঠিক সোয়া ৬টায় শুরু হয় বর্ষবরণের এই সুরের মাধুরী। একে একে পরিবেশন করা হয় মোট ২৯টি পরিবেশনা। রমনার বটমূলে প্রথম দিনের প্রথম প্রভাতের পরিপূর্ণ আলো পেলেন বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে আসা মানুষেরা।

    বেলা বাড়তে বাড়তে মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। রমনার সবুজের ভেতর উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে লাল-সাদা রঙের স্রোত। সবাই এসেছে বাংলা ১৪৩১-কে বরণ করে নিতে। নিরাপত্তাবেষ্টনীর জন্য অনেকটা পথ তাঁদের হেঁটে আসতে হয়েছে। তাঁরা গান শুনেছেন, কবিতা শুনেছেন, আপনজনের সঙ্গে ছবি তুলে মুহূর্তটি ধরে রেখেছেন। আর তখন পুরো সময়জুড়ে বেজে চলেছে ছায়ানটের শিল্পীদের পরিবেশনায় রবীন্দ্র, নজরুল, পঞ্চকবির গানসহ বাউল গান। কাজী নজরুল ইসলামের জীবন-বিজ্ঞান থেকে পাঠ করলেন সংস্কৃতিজন রামেন্দু মজুমদার। এর আগে রবীন্দ্রনাথের ত্রাণ ও অপমান থেকে পাঠ করে শোনালেন শিল্পী জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। চন্দনা মজুমদারের শোনালেন লালনগীতি। মোট ১৩টি একক, ১১টি সম্মেলক সংগীত এবং দুটি পাঠ, কথন ও যন্ত্রসংগীত পরিবেশনা নিয়ে সাজানো হয়েছে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি…’ জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।

    নববর্ষ কথন শোনান ছায়ানটের নির্বাহী সভাপতি সারওয়ার আলী। এবারের কথনের শেষ অংশে বলা হলো, অমানবিক এই অস্বাভাবিকতা থেকে বেরোতে হবে। নইলে বাঙালির প্রাণপ্রিয় এই নববর্ষ উদ্‌যাপনও হয়ে পড়বে কেবল একটি দিনের জন্য বাঙালি সাজবার উপলক্ষ।

    পাকিস্তান শাসনামলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের। আর ষাটের দশকের শেষে তা বিশেষ মাত্রা পায় রমনা বটমূলে ছায়ানটের আয়োজনের মাধ্যমে। এ সময় ঢাকায় নাগরিক পর্যায়ে ছায়ানটের উদ্যোগে সীমিত আকারে বর্ষবরণ শুরু হয়। আমাদের মহান স্বাধীনতার পর ধীরে ধীরে এই উৎসব নাগরিক জীবনে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে।

    পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক এবং গণতান্ত্রিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটতে থাকে। কালক্রমে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান এখন শুধু আনন্দ-উল্লাসের উৎসব নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী ধারক-বাহক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে বের হয় প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা। যা ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কো এ শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়।

  • আন্তর্জাতিক চাপ ও সোমালিয়া পুলিশের সহযোগিতায় নাবিকরা মুক্ত হয়েছেন: নৌ প্রতিমন্ত্রী

    আন্তর্জাতিক চাপ ও সোমালিয়া পুলিশের সহযোগিতায় নাবিকরা মুক্ত হয়েছেন: নৌ প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: আন্তর্জাতিক চাপ ও সোমালিয়া পুলিশের সহযোগিতায় নাবিকরা মুক্ত হয়েছেন, বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “বাংলাদেশি জাহাজ ‘এমভি আবদুল্লাহ’ ও জিম্মি ২৩ নাবিকের মুক্তিতে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কোনো মুক্তিপণ দেওয়া হয়নি। তাদের সঙ্গে (জলদস্যুদের) নেগোসিয়েশন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপ ও সোমালিয়া পুলিশের সহযোগিতায় নাবিকরা মুক্ত হয়েছেন।”

    আজ রবিবার(১৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডের তার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা তাদের সঙ্গে নেগোসিয়েশন করেছি, দীর্ঘদিন কথাবার্তা চলেছে। এখানে মুক্তিপণের কোনো বিষয় নেই। আমাদের আলাপ-আলোচনা এবং বিভিন্ন ধরনের চাপ আছে এখানে। সেই চাপগুলো এখানে কাজে দিয়েছে।”

    তিনি বলেন “কারণ আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে এটা (জাহাজ) তাদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। কাজেই জলদস্যুরাই একদম সর্বশক্তিমান, ব্যাপারটা তা নয়। এতদিন যাবত আমরা যে সময়টা নিয়েছি, ইউরোপিয়ান নেভাল ফোর্স থেকে শুরু করে অনান্য যারা আছে, এরা (জলদস্যু) ভীষণ চাপে ছিল।”

    মন্ত্রী বলেন, “বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে নাবিক উদ্ধারে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।”

    মুক্তিপণের অর্থ পাওয়ার পর ‘এমভি আব্দুল্লাহ’কে ছেড়ে দিয়েছে জলদস্যুরা- এমন খবর প্রচার হয়েছে ইতোমধ্যে।

    মিজানুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, শনিবার রাত ১২ টা মুক্তিপণের অর্থ পাওয়ার পর দস্যুরা জাহাজ থেকে নেমে যায়। রাত ১২ টায় জাহাজটি মুক্ত হওয়ার পর দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।

    গত ১২ মার্চ কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে দুবাইয়ের দিকে যাওয়ার সময় ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস‍্যুদের কবলে পড়ে  ‘এমভি আবদুল্লাহ’। ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজটিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় দস্যুরা। হেত ১ মাস ধরে মোজাম্বিকের কাছাকাছি অবস্থান করছিল জাহাজটি।