Category: লিড নিউজ

  • ঝালকাঠিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত

    ঝালকাঠিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ এপ্রিল, ২০২৪: ঝালকাঠিতে সিমেন্টবাহী ট্রাক-প্রাইভেটকার-অটোরিকশার সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন।

    আজ বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে খুলনা-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের গাবখান ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বেপরোয়া একটি ট্রাক রাস্তার পাশে থাকা একটি অটোরিকশা,  মাইক্রোবাস এবং  টোল আদায়কারী ও পথচারীকে চাপা দিলে ১৪ জনের মৃত্যু হয়।   আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    সিমেন্টবাহী ওই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে আছে একটি প্রাইভেট কার। ওই গাড়িতে শিশুসহ ৬ জন আরোহী আছেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।

    ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ এপ্রিল, ২০২৪: ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ বুধবার ( ১৭ এপ্রিল) সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। এ সময় স্বাধীনতার স্থপতি এই মহান নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    পরে, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে, দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন উপলক্ষে আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হচ্ছে। পাশাপাশি বনানী কবরস্থানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ ও এম মনসুর আলীর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

    কর্মসূচির মধ্যে আজ সকালে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণসহ সারাদেশের সকল দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

    ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

  • বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে আমরা এগিয়ে যাব: সেতুমন্ত্রী

    বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে আমরা এগিয়ে যাব: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৭ এপ্রিল, ২০২৪: বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে আমরা এগিয়ে যাব, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনে বলেন, “আজকের এই দিনে আমরা শপথ নেবো- মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে ধারাবাহিক লড়াইয়ে আমরা এগিয়ে যাব। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে আমরা বয়ে নিয়ে যাব। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ এবং সেখান থেকে ২১০০ সালের বদ্বীপ বাংলায়। এটাই হোক আমাদের শপথ।”

    আজ বুধবার (এপ্রিল ১৭) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আজকের এই দিনে বিএনপিসহ স্বাধীনতা বিরোধী সন্ত্রাসী শক্তি সকল অপশক্তিকে যারা আমাদের বিজয়কে সংহত করার পথে প্রতিবন্ধক এদের আমরা পরাজিত করবো, পরাভূত করবো, প্রতিহত করবো। আমাদের লড়াইকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব বিজয়ের স্বর্ণ তরণ অভিমুখে।”

    বিএনপি দিবসটিকে প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবির বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আমি তো কোনো দাবিকে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু বলতে পারি না। মন্ত্রিসভা আছে, প্রধানমন্ত্রী আছেন। তারা এত বছর পর দাবিটা তুলছেন, কেন তুলছেন এটাও জানার দরকার আছে।”

    এর আগে, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

    ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ এপ্রিল, ২০২৪: আজ ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। ‘মুজিবনগর দিবস’ উপলক্ষ্যে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “মুজিবনগর দিবস বাঙালি জাতির পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্তির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে।

    বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করছি জাতীয় চার নেতা- শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ, শহীদ মোহাম্মদ মনসুর আলী এবং শহীদ আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামানকে। শ্রদ্ধা জানাই মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ অকুতোভয় বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি এবং ২ লাখ সম্ভ্রমহারা নির্যাতিত মা-বোনদের প্রতি।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “১৯৭০ সালের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে আওয়ামী লীগ জাতীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদে সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ যথাক্রমে ১৬৭টি এবং ২৯৮টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সকল সংসদ সদস্য রেসকোর্স ময়দানে ৬-দফার ভিত্তিতে শাসনতন্ত্র প্রণয়নের শপথ গ্রহণ করেন। ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’-সংগীত দিয়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এসময় আমার দেশ তোমার দেশ, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ শ্লোগান দেন। তিনি ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে দীর্ঘ ২৩ বছরের শাসন-শোষণ থেকে মুক্তির লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রদান করেন। তাঁর নির্দেশনাবলী সারা পূর্ব বাংলায় অক্ষরে অক্ষরে পালিত হয়। তখন থেকেই সকল প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম তাঁর নির্দেশিত পথেই পরিচালিত হতে থাকে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সৈন্যরা ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ এর নামে ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙালিদের নির্বিচারে হত্যা শুরু করে। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণাবার্তা লিখে যান, যা ইপিআর ওয়্যারলেস, টেলিগ্রাম এবং টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এর অব্যবহিত পরেই পাকিস্তানি সামরিক জান্তা শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে।”

    তিনি বলেন, “১০ এপ্রিল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি গণপরিষদ গঠনপূর্বক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কর্তৃক ইতোপূর্বে ঘোষিত স্বাধীনতার প্রতি দৃঢ় সমর্থন ও অনুমোদনের মধ্য দিয়ে মুজিবনগর সরকার একটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শতাধিক দেশি-বিদেশি সাংবাদিকের উপস্থিতিতে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে। পাশাপাশি এদিন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদিত হয়। মেহেরপুর হয়ে উঠে অস্থায়ী সরকারের রাজধানী এবং সেদিন থেকে এ স্থানটি ‘মুজিবনগর’ নামে পরিচিতি লাভ করে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার দু’ঘন্টার মধ্যেই পাকিস্তান বিমান বাহিনী বোমাবর্ষণ ও আক্রমণ চালিয়ে মেহেরপুর দখল করে। ফলে, বাংলাদেশের সরকার ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় এবং সেখান থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম চালাতে থাকে। পাকিস্তানি জান্তা সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নারকীয় তা-বলীলা ও হত্যাযজ্ঞ চালায়। ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।”

    বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার সাড়ে ৩ বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে। এরপর ৩ নভেম্বর জেলখানায় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চারনেতাকেও তারা নৃশংসভাবে হত্যা করে। সেই থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাংলাদেশে গণতন্ত্র ছিলনা। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর আমরা জাতির পিতাসহ জাতীয় চারনেতা হত্যার বিচার করেছি। পরবর্তিতে ২০০৯ সালে পুনরায় সরকার গঠনের পর ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবতা বিরোধী অপরাধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি। সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ করেছি।”

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, “আমরা দারিদ্র্যের হার ১৮ দশমিক ৭ শতাংশের নীচে নামিয়ে এনেছি। আমরা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ গ্রহণ করেছি। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি। এবারে আমাদের লক্ষ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা করা। ২০৩০ সালের মধ্যে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট’ অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি। আমরা বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ প্রণয়ন করেছি এবং এর বাস্তবায়ন করছি।’

    ঐক্যবদ্ধভাবে  সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের আশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মুজিবনগর দিবসে আমার আহ্বান-সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে হলেও ত্রিশ লাখ শহীদ ও দু’লাখ নির্যাতিত মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে হবে। জাতির পিতা যে অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সকল দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে ঐক্যবদ্ধভাবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কার্যকরি ভূমিকা রাখতে হবে। ইনশাল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ হবে-স্মার্ট জনগোষ্ঠী, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট সমাজ এবং স্মার্ট সরকার ব্যবস্থার সমন্বয়ে একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’।”

  • আগামী বছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৬ শতাংশ: আইএমএফ

    আগামী বছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৬ শতাংশ: আইএমএফ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৭ এপ্রিল, ২০২৪: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানিয়েছে চলতি বছর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। তবে আশার কথা বলেছে, ২০২৫ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে। আর ২০২৯ সালে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৭ শতাংশে।

    আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের এপ্রিল সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে চলতি ২০২৪ সালে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়। ২০২৩ সালে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিলো ৬ শতাংশ।

    আইএমএফের পূর্বাভাস অনুসারে, চলতি বছরে গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়াবে ৯ দশমিক ৩ শতাংশে। আগামী বছর তা কমে ৬ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে। তবে ২০২৯ সালে মূল্যস্ফীতি কমে সাড়ে ৫ শতাংশে নেমে আসবে।

    দেশে বর্তমানে সাড়ে ৯ শতাংশের ওপর মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। গত বছরের মার্চ মাসে ৯ শতাংশ মূল্যস্ফীতির টানা যাত্রা শুরু হয়। এরপর কোনো মাসেই মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নামেনি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে, গত মার্চে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হয়েছে। সেই হিসাবে টানা ১৩ মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে আছে।

    বিশ্বব্যাংক এ মাসেই জানিয়েছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। যদিও চলতি অর্থবছরের জন্য সরকার সাড়ে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঠিক করেছে।

  • ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বন্ধ

    ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বন্ধ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৭ এপ্রিল, ২০২৪: সিরিয়ায় ইরানি দূতাবাসে হামালার জবাবে ইরান প্রথম বারের মত নিজ ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। এই আশঙ্কায় ইরান নিজ দেশের পারমাণবিক স্থপনা বন্ধ।

    ইরানি হামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনার জন্য গত সোমবার (১৫ এপ্রিল) দ্বিতীয় দফায় ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম গুলো বলছে, ইরানে শিগগিরই পাল্টা হামলা চালানোর বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা।

    জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ প্রধান আশঙ্কার করছেন এই অবস্থায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করতে পারে ইসরায়েল । আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি বলেছেন, ইরান ‘নিরাপত্তা বিবেচনায়’ রবিবার তার পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল এবং সোমবার কয়েকটি আবার চালু হলেও যতক্ষণ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত না হচ্ছে, ততক্ষণ তিনি আইএইএ পরিদর্শকদের সেখান থেকে দূরে রাখছেন।

    ১৯৮১ সালে ইরাকের ওসিরাক পারমাণবিক চুল্লিতে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র ওই হামলার বিরোধিতা করলেও তাতে কর্ণপাত করেনি ইসরায়েল সরকার। ২০১৮ সালে ইসরায়েল স্বীকার করেছে, ১১ বছর আগে সিরিয়ার একটি পারমাণবিক চুল্লিতে বিমান হামলা চালিয়েছিল তারা। এছাড়াও ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে ‘স্টাক্সনেট’ নামের কম্পিউটার ভাইরাস ছড়িয়ে দিয়ে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ যন্ত্র ‘নিউক্লিয়ার সেন্ট্রিফিউজ’ ধ্বংস করেছিল ইসরায়েল। পরবর্তীতে এই ভাইরাস বিশ্বব্যাপী সাধারণ কম্পিউটারেও ছড়িয়ে পড়ে।

    এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি জানিয়েছেনম, স্বার্থের বিরুদ্ধে কিছু হলেই ইরান জবাব দেবে।

  • বিএনপির অনেকেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপির অনেকেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৬ এপ্রিল, ২০২৪: বিএনপির অনেকেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনে বলেন, “বিএনপি প্রকাশ্যে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের বিরোধিতা করলেও আমার জানামতে স্থানীয় পর্যায়ে তাদের অনেকেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।”

    আজ মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আগামী ৮ মে প্রথম ধাপে ১৫০টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রী-এমপিদের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার না করতে, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও অবাধ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, কেউ কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না- এটা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।”

    তিনি আরও বলেন, “প্রশাসনও কোনো রকম কোথাও হস্তক্ষেপ করবে না। নির্বিঘ্নে ভোটদানের ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন।”

    এসময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ দপ্তরসম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • অবৈধ কোন কিছু সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    অবৈধ কোন কিছু সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ এপ্রিল, ২০২৪: অবৈধ কোন কিছু সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে না, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, “নতুন কেউ অনলাইন নিউজপোর্টাল নিয়ে আসতে চাইলে তাদের নিজেদের প্রমাণ করার সময় দেওয়া দরকার। আর যারা অনিবন্ধিত, আমি মনে করি, অবৈধভাবে কোনো কিছু সঠিক না, তারা সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে না। সেগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেব। আর এটা আপনাদের (সাংবাদিক) দাবি। আমি কিন্তু বলছি না। কাজেই আমি সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আপনাদের দাবি পূরণের ঘোষণা দিচ্ছি। আমি চাই না, সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমি ঘোষণা দিলাম যে, অনিবন্ধিত অনলাইন বন্ধ করে দেব, কালকে হেডলাইন করে পরের দিন আলাপ হবে, সরকার তো গণমাধ্যমের গলা টিপে ধরছে। সেটা আমি চাই না।”

    আজ মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘অনলাইন নিউজপোর্টাল অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ওনাব) কার্যনির্বাহী সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আপনারা (সাংবাদিক) বলছেন, নজরদারি বা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সরকার যে নজরদারি বা নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং আপনারাই বলছেন কিছুটা দরকার ডিসিপ্লিনের (শৃঙ্খলা) জন্য। অর্থাৎ নিবন্ধন প্রক্রিয়ার বাইরেও অনেকে অনলাইন সংবাদমাধ্যম পরিচালনা করছেন। এখানে গণমাধ্যম এতটাই মুক্ত, উন্মুক্ত এবং স্বাধীন যে, নিবন্ধন ছাড়াও চলতে পারে এবং নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের কথা পেশাগত সাংবাদিকরাই বলছেন—এটা করা দরকার।”

    তিনি  আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সংবাদমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তবে, একইসাথে আমি মনে করি, এটা মুক্ত না, উন্মুক্ত। স্বাধীনতা এমন পর্যায়ে চলে গেছে, যেটা লিমিটলেস (সীমাহীন)। যে কারণে কিছুটা ডিসিপ্লিনের অভাবও হয়ে গেছে ।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি আবারও বলব, নিয়ন্ত্রণ কিংবা নজরদারির প্রশ্ন আসে না। আমরা এগুলোর পক্ষে না, আমরা করতে চাই না। আমরা এগুলোতে বিশ্বাস করি না। আমরা মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করি। যারা নিবন্ধিত, তাদের কিছুটা প্রণোদনা ও সহায়তা দেওয়ার দরকার আছে, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাকে প্রমোট (এগিয়ে) করার জন্য। আর অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালগুলোর মাধ্যমে অনেক চটকদার, অসত্য, মানহানিকর ও ডিসইনফরমেশন ক্যাম্পেইন হয়। এটা একটা ভালো দিক—সাংবাদিক মহলই চাচ্ছেন একটি শৃঙ্খল ডিসিপ্লিনযুক্ত সাংবাদিকতার বিকাশ। এখানে পূর্ণাঙ্গভাবে আপনাদের সাথে একমত।”

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সংবাদমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা ও সব ধরনের নজরদারির বাইরে আমরা এখানে প্রমোট করতে চাই। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, এটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অংশ। আমাদের এখন ৪২৬টি নিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল আছে। এরমধ্যে ২১৩টির মূলধারার গণমাধ্যম আছে—ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া। আর ২১৩টি কেবল অনলাইন নিউজপোর্টাল। আরও কিছু প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে।”

    এ সময়ে অনলাইন নিউজপোর্টাল অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ওনাব) সভাপতি মোল্লাহ এম আমজাদ হোসেন, সহ-সভাপতি লতিফুল বারী হামিম ও সৌমিত্র দেব, যুগ্ম সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ও আশরাফুল কবির আসিফ, কার্যনির্বাহী সদস্য নজরুল ইসলাম মিঠু, তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, রফিকুল বাসার, হামিদ মো. জসিম, মহসিন হোসেন, অয়ন আহমেদ, খোকন কুমার রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিপুরে ১৪ জন নিহত

    সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিপুরে ১৪ জন নিহত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ এপ্রিল, ২০২৪: ফরিদপুরে বাস-পিকআপ ভ্যানের মুখোমখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২ জন। জেলার সদর থানাধীন দিকনগরের কানাইপুরে উক্ত এই সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    পুলিশ জানিয়েছে, সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঢাকা থেকে মাগুরাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৭ নারী, ৩ শিশু ও ৩ জন পুরুষ রয়েছেন এবং অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি। নিহতরা সবাই পিকআপ ভ্যানের যাত্রী ছিলেন। তারা আলফাডাঙ্গা থেকে ফরিদপুর শহরে যাচ্ছিলেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের কারো পরিচয় জানা যায়নি।

    মোর্শেদ জানান, আহতদের ফরিদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

    এদিকে জেলা প্রশাসক মো.কামরুল আহসান তালুকদার জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট প্রদান করতে বলা হয়েছে।

    পুলিশ সুপার জানান, দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং আহত প্রত্যেকের পরিবারকে ৩ লাখ টাকা করে প্রদান করা হবে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তিদের দাফন কাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য নগদ ১০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হচ্ছে।

    সূত্র: বাসস

  • জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যের মধ্যে একটা জোরালো সম্পর্ক আছে: পরিবেশ মন্ত্রী

    জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যের মধ্যে একটা জোরালো সম্পর্ক আছে: পরিবেশ মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ এপ্রিল, ২০২৪: জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যের মধ্যে একটা জোরালো সম্পর্ক আছে, বলে জানিয়েছেন পরিবশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি) ২০২২ সালে চূড়ান্ত করা হয়েছিল। তারপর থেকে লক্ষ্য করেছিলাম জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যের মধ্যে একটা জোরালো সম্পর্ক আছে। আমরা যখন এনএপি চূড়ান্ত করি, তখন স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে কয়েকটা রেফারেন্স ছিল। তবে সুনির্দিষ্টভাবে আমাদের যে ১১৩টি এজেন্ডার মধ্যে স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা কোনো কাজ করিনি। এখন আমরা ভাবছি, এনএপিতে স্বাস্থ্যের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এখন পর্যন্ত যে জরিপ আমরা করেছি, বা বিভিন্ন তথ্য আমরা পাচ্ছি, বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকা ও নারীদের মধ্যে নীতিবাচক প্রভাব আছে। এতে জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি চলে আসে। আমাদের উপকূলীয় এলাকায় এমনিতেই অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। সেখানে লবণাক্ততা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সুপেয় পানির সংকট আছে, তার ওপর স্বাস্থ্যের বিষয়টিও চলে আছে।”

    আজ মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঢাকায় সুইডিশ দূতাবাসের জলবায়ু স্বাস্থ্য ও পরিবেশ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি ডা. ড্যানিয়েল নোভাকের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, সুইডিশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রোম।

    পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, “আমি মনে করি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাস্থ্যকে যে ধরনের গুরুত্ব দেওয়া উচিত, আগামীতে সেটা আমরা করতে চাই। আমরা আলাদাভাবে স্বাস্থ্যের এনএপি করব না, তবে বর্তমানে যে এনএপি আছে, তাতে স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে যোগ করতে চাই। সুইডেনের সঙ্গে আমাদের যে উন্নয়ন সম্পর্ক আছে, এই ক্ষেত্রটিকে ধরে সেটিকে আরও জোরদার করতে চাই।

    বিষয়টিতে সুইডেনের গুরুত্ব বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “অভিযোজনের মূল চিন্তাটা কী, মানে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত আমরা কীভাবে মোকাবিলা করব। আমরা হয়তো আগে ভাবতাম বন্যার কথা। সেগুলো অবশ্যই আছে। তবে বন্যা, সাইক্লোন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়া, লবণাক্ততা ও খাদ্য নিরাপত্তার কথা বলি, তার সঙ্গে আমরা এখন স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে এসেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা দেখছি, জলবায়ুর প্রভাবটা সব জায়গায়ই আছে। যেহেতু বিষয়গুলো আমাদের কাছে বেশ পরিষ্কার ও সম্পর্কটা জোরালো। আর এটা কেবল বাংলাদেশেই না, সারা বিশ্বে এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কপ-২৮ এ দুবাইতে স্বাস্থ্যের জন্য একটা দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। এটা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাংলাদেশে এটার প্রভাব বিশ্বের অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি। সেটা আমরা কীভাবে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে পারি, সেটা দেখতে হবে।”