www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২০ মে, ২০২৪: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদে মনোয়ার হোসেন ডিপজলকে দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সমিতির নির্বাচনে অনিয়মের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেন।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (২০ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
একইসঙ্গে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অনিয়মের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এর আগে গত বুধবার (১৫ মে) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদি নির্বাচন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নাসরিন আক্তার নিপুণ। রিটে মিশা-ডিপজলের নেতৃত্বাধীন কমিটির দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।
বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি দায়ের করেন তিনি।
নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে এ ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল রিটে। পাশাপাশি নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার নির্দেশনাও চাওয়া হয়।
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৭ মে, ২০২৪: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ। সকাল ১১.০০টায় জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্টিত হয় এ আয়োজন। বিজয়ীদের সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন বরেণ্য ফটোসাংবাদিক এ বি এম রফিকুর রহমান এবং লিয়াকত আলী লাকী, মহাপরচিালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। ‘উন্নয়নের বাংলাদেশ, নান্দনিক বাংলাদেশ’ শীষক এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় ২০২৩ সালে। আজ সমাপনী আয়োজনে বিজয়ীদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। এতে ১ম পুরস্কার পেয়েছেন মো. রেজওয়ানুল হাসান, ২য় হয়েছেন সৈয়দ মেহেদী হাসান এবং ৩য় হয়েছেন আব্দুল গণি এছাড়াও সম্মান সূচক পুরস্কার পেয়েছেন আরো ১০ জন আলোকচিত্র শিল্পী তারা হলেন, শোয়েব ফারুকী, মো. সাইফুল ইসলাম খান, মো. আহনাফ আল ইয়াছির, আজিম খান রনি, উশৈশিং মারমা, লুৎফর রহমান, মো. খোরশেদ আলম, দীপু মালাকার, মোহাম্মদ রুবেল এবং সবুজ হাওলাদার।
Prize Distribution of Photography Competition – Entertainment – 17 May 2024 (2)_1
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম। কৃতজ্ঞতা বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সচিব সালাউদ্দিন আহাম্মদ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বরেণ্য ফটোসাংবাদিক এ বি এম রফিকুর রহমান। সভাপতির বক্তব্যে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী ফটোসাংবাদিকদের ভুমিকা তুলে ধরে বলেন, “ফটোগ্রাফি এখন বিশ্বব্যাপী সমাদৃত, বর্তমানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যত ধরনের চারুকলা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় তাতে অসাধারণ ভূমিকা পালন করে এই ফটোগ্রাফি”। ধর্মের সাথে শিল্পচর্চার কোন বিরোধ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, “অনেকে শিল্পের সঙ্গে ধর্মের একটা সংঘর্ষের কথা বলে, ধর্মকে নানানভাবে অপব্যাখ্যা করে, ধর্মকে কলুষিত করে। যা শিল্পের সাথে কোনভাবেই সাংঘর্ষিক নয়।”
শিল্প সংস্কৃতি চর্চা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর নানান বক্তব্য ও তাঁর ভূমিকা তুলে ধরেন মহাপরিচালক। বলেন, “শিল্প চর্চা করা মানেই বিশ্ব শিল্পীর কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিকে সকলের ঘরে পৌছে দিবো আমরা। সবাই শিল্প পরিবার এর মাধ্যমেই আমরা শিল্প সমাজ গড়ে তুলতে চাই”।
পরে বিজয়ী আলোকচিত্র শিল্পীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন তিনি।
উল্লেখ্য যে সংস্কৃতি চর্চার সাথে সম্পৃক্ত যে কোনো ইতিবাচক কর্মকান্ডকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি উৎসাহিত করে থাকে, তারই অংশ হিসেবে ‘উন্নয়নের বাংলাদেশ, নান্দনিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় অনলাইনে ৩১৪ জন আলোকচিত্র শিল্পীর ৬৩৮টি আলোকচিত্র জমা পরে, পরে বিচারকদের বিচার বিশ্লেষনের মাধ্যমে ২২৯জন আলোকচিত্র শিল্পীর ২৩৫টি আলোকচিত্র এই প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচন করা হয়। এতে বিচারকমন্ডলী হিসেবে ছিলেন জনাব এ বি এম রফিকুর রহমান, জনাব আবির আবদুল্লাহ, জনাব এস এম গোর্কি এবং মনির উজ্জামান। আলোকচিত্র প্রদর্শনী ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১১টা হতে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার ২ নম্বর গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়।
বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবিকে উপস্থাপনার লক্ষ্যে প্রথম আয়োজিত আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ‘উন্নয়নের বাংলাদেশ, নান্দনিক বাংলাদেশ” এর এই সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখারও ঘোষণা দেয়া হয়।
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৬ মে, ২০২৪: সংস্কৃতি চর্চার সাথে সম্পৃক্ত যে কোনো ইতিবাচক কর্মকান্ডকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি উৎসাহিত করে থাকে, তারই অংশ হিসেবে ‘উন্নয়নের বাংলাদেশ, নান্দনিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর আয়োজন করা হয়।
প্রতিযোগিতায় অনলাইনে ৩১৪ জন আলোকচিত্র শিল্পীর ৬৩৮টি আলোকচিত্র জমা পরে, পরে বিচারকদের বিচার বিশ্লেষনের মাধ্যমে ২২৯জন আলোকচিত্র শিল্পীর ২৩৫টি আলোকচিত্র এই প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচন করা হয়। প্রতিযোগিতায় ১৩ জন আলোকচিত্র শিল্পীকে পুরস্কার এর জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এতে বিচারকমন্ডলী হিসেবে ছিলেন জনাব এ বি এম রফিকুর রহমান, জনাব আবির আবদুল্লাহ, জনাব এস এম গোর্কি এবং মনির উজ্জামান। প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী সমন্বয় করেন জনাব মো: মাহাবুবুর রহমান, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী), চারুকলা বিভাগ। আলোকচিত্র প্রদর্শনী ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১১টা হতে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার ২ নম্বর গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবিকে উপস্থাপনার লক্ষ্যে প্রথম আয়োজিত আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ‘উন্নয়নের বাংলাদেশ, নান্দনিক বাংলাদেশ” এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল শুক্রবার (১৭ মে) সকাল ১১টায়। জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্টিতব্য আয়োজনে পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম ঘোষনা ও সনদপত্র বিতরণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে থাকবেন এ বি এম রফিকুর রহমান, বরেণ্য ফটোসাংবাদিক এবং সভাপতিত্ব করবেন লিয়াকত আলী লাকী, মহাপরচিালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। কৃতজ্ঞতা জানাবেন একাডেমির সচিব সালাউদ্দিন আহাম্মদ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম।
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৪ মে, ২০২৪: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনী নানা ঘটনায় বৈচিত্রপূর্ণ। ছোটবেলা থেকে নানা সংঘাতের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। যৌবনে বিন্দ্রোহী আবার প্রেমের পূজারী। মাঝে কিছুদিন সৈনিক হয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি। গান গেয়েছেন সুর দিয়েছেন, অভিনয় করেছেন। সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় করেছেন বিচরণ। সেই বিদ্রোহী কবি আমাদের জাতীয় কবিকে নিয়ে অনেক আগেই বায়োপিক হওয়া উচিৎ ছিলো। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। কবীর জীবনই এবার উঠে আসছে সিনেমার পর্দায়। প্রথমবারের মতো নির্মিত হতে যাচ্ছে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বায়োপিক। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা। তাই কলকাতায় (টালিউডে) নির্মিত হবে কবীর বায়োপিক।
জানা গেছে, আব্দুল আলিমের পরিচালনায় এতে নজরুলের চরিত্রে অভিনয় করছেন কিঞ্জল নন্দ। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই প্রথম নজরুলের জীবন নিয়ে বায়োপিক হচ্ছে। নজরুলের পুরো জীবনকেই তুলে ধরা হবে সিনেমাটিতে। আমি সত্যিই উত্তেজিত এই সুযোগ পেয়ে। প্রথমে এর চিত্রনাট্য পড়ে দেখি আমি। চরিত্রটা খুব চ্যালেঞ্জিং। যার নাম শুনে বড় হয়েছি, তাকে নিয়ে এমন একটা সিনেমা হচ্ছে, যার কেন্দ্রীয় চরিত্রে আমি, ভাবতেই কেমন লাগছে! এটুকু বলতে পারি, আমরা নজরুল সম্পর্কে যেটুকু জানি, তার থেকে অনেক বেশি কিছু আছে এতে।’
চরিত্রটি পর্দায় ফুটিয়ে তোলার জন্য বর্তমানে নজরুল সম্পর্কে পড়াশোনা করছেন কিঞ্জল। তিনি বলেন, পরিচালকের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিছু বই পড়ছি। চিত্রনাট্য চূড়ান্ত হলে সৌগতদার (চিত্রনাট্যকার সৌগত বসু) সঙ্গেও আলোচনা করব। কারণ নজরুল সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি, তাই চরিত্রটিকে ফুটিয়ে তোলা বেশ কঠিন কাজ।
টালিউডে নির্মিত নজরুলের এই বায়োপিকে বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করছেন খরাজ মুখোপাধ্যায় (ফজলুল হক), কাঞ্চনা মৈত্র (বিরজাসুন্দরী দেবী)-সহ আরও অনেকে। অন্য শিল্পীদের মধ্যে থাকতে পারেন বাংলাদেশের ফজলুর রহমান বাবু (আলি আকবর খান), শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় (সজনীকান্ত দাস)। এছাড়া বাংলাদেশের আরোও কয়েকজন অভিনেতাও এই সিনেমায় অভিনয় করতে পারেন বলে কিঞ্জল জানিয়েছেন।
নজরুলের উপস্থিতি মানে সেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রসঙ্গ আসাটাই স্বাভাবিক। এই সিনেমাতে কবিগুরুর চরিত্রে অভিনয় কে করবেন, তা নিয়ে নির্মাতারা আলোচনার স্তরে রয়েছেন। তবে সেখানেও পরিচালক বড় চমক দিতে চলেছেন।
সিনেমাটিতে কবিগুরুর চরিত্রে কে অভিনয় করবেন, তা নিয়ে আলোচনা করছেন নির্মাতারা। আপাতত চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত কে এই চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করবেন, সেটা সময়ই কথা বলবে।
প্রসঙ্গত, আগামী শীতে শুরু হবে সিনেমাটির শুটিং। বহু ঐতিহাসিক চরিত্র জীবন্ত হয়ে উঠবে এই সিনেমায়। বায়োপিকটির সংগীত পরিচালনা করবেন জয় সরকার। আগামী কয়েক মাস চলবে কাস্টিংয়ের কাজ। এটি প্রযোজনা করছে জেবি প্রোডাকশন।
দুই বাংলার মানুষের জন্য বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যাকে বলা যায় হৃদয়ের বন্ধন। তাই নজরুলের বায়োপিক অবশ্যই দুই বাংলায় দর্শকপ্রিয়তা পাবে।
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১১ মে, ২০২৪: বাংলা চলচ্চিত্রে চিত্র নায়িকা রোজিনার আর্বিভাব এই মাধ্যমে এক নতুন মাত্রার সৃষ্টি করেছিলো। তিনি সামাজিক, বিনোদন, এ্যাকশন, রোমান্টিক ও রূপকথাধর্মী সব ধরনের ছবিতে সমান ভাবে অভিনয় করে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিলেন।২০২২ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা আশি ও নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা রোজিনা।বিষয়টি অবশ্যই অভিনন্দনযোগ্য। তাই ‘সম্পূর্ণা বাংলাদেশ’ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য যে অ্যাওয়ার্ড দিচ্ছেন সেই অনুষ্ঠানটি এই গুণী চিত্র নায়িকা উদ্বোধন করবেন। আগামীকাল রবিবার (১২ মে) বিকাল তিনটায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি এবং স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রপ্ত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
সম্পূর্ণা বাংলাদেশ নারীদের জন্য এমন একটি প্লাটর্ফম যা নারীদের সুপ্ত প্রতিভাকে প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দিচ্ছে। শুধু তাই নয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল নারীদের প্রতি বছর সম্মানীত করছে। “আমি নরী আমি সম্পূর্ণা” এই শ্লোগানকে ধারন করে চলা এই নারী সংগঠনটি দ্বিতীয় বারের মতো দিতে যাচ্ছে ‘গ্রীন-ই সম্পূর্ণা অ্যাওয়ার্ড।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্বাবধানের দায়িত্বে থাকবেন, সম্পূর্ণা বাংলাদেশের সভাপতি স্বর্নলতা দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক তাহমিনা আহমেদ রোজি ও প্রতিষ্ঠাতা সুব্রত দে।
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১০ মে, ২০২৪: আজ শেষ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান। ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আজ শুক্রবার(১০ মে)সমাপনী দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে সকাল ১০.০০টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে।
আজ‘সোনার বাংলার স্বপ্ন ও বাস্তবতা: রবীন্দ্রনাথ থেকে বঙ্গবন্ধু’ প্রতিপাদ্যে আলোচনায় স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: শাহ্ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব খলিল আহমদ এবং সভাপতিত্ব করেন প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান এমপি। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আয়োজনে অতিথিদের স্বাগত জানান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
Rabindranath Tagore Birth Anniversary Celebrations at National Level – Entertainment – 10 May 2024 (2)
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারত সরকারের পদ্মশ্রী সম্মাননা প্রাপ্ত, বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী ড. রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন, “বঙ্গবন্ধু রবীন্দ্রনাথ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে সবসময় রবীন্দ্র রচনাবলী থাকতো। রবীন্দ্রনাথের দর্শন, মানবতা বোধ নানাভাবে বঙ্গবন্ধু তার বক্তৃতায় উচ্চারণ করেছেন, যখনই প্রয়োজন হয়েছে তিনি রবীন্দ্রনাথের আশ্রয় নিয়েছেন। একইভাবে অজানাকে জানার রহস্যটা রবীন্দ্রনাথের কাছে পরিপূর্ণ হয়েছে পূর্ববঙ্গে এসে। বাউলদের চিন্তা দর্শন, তাদের গান, আধ্যাত্মবাদ কবিকে পরিপূর্ণ করে। তাদের সাহচর্যে এবং পূর্ববঙ্গের ধানক্ষেত, মাঠ, কৃষক, প্রাকৃতিক পরিবেশে কবি নিজেকে খুঁজে পেয়েছিলেন।”
তিনি আরো বলেন “কবির আধ্যাত্ম ভাবনা, দার্শনিকতা, মানবতা ও বিশ্বভাবনায় ছাপ ফেলেছিলো পূর্ববঙ্গ, বাংলাদেশ যেমন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কাছে ঋণী তেমনি তিনিও পূর্ববঙ্গের কাছে ঋণী”।
সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান এমপি বলেন “কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কেবল বিশেষ দিনগুলোতে স্মরণে সীমাবদ্ধ না রেখে আমাদের দৈনন্দিন যাপিত জীবনে তার দর্শন, সাহিত্য ভাবনা অনুসরণ ও চর্চা করতে হবে।”
এরপর সমাপনী সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় সমবেত সংগীত ‘সখা মোদের বেঁধে রাখো প্রেমডোরে’ এবং ‘আমি মারের সাগর পাড়ি দেব’ পরিবেশন করে সুরের ধারা। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশন করে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নৃত্যনাট্য ‘চিত্রাঙ্গদা’। ১ ঘন্টার এ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৩ দিনব্যাপী আয়োজন।
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৯ মে, ২০২৪: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে চলছে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা। জাতীয় পর্যায়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার আজ বৃহস্পতিবার ( ৯ মে) ২য় দিনে সকাল ১১.০০টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আলোচনা ও রবীন্দ্র পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘সোনার বাংলার স্বপ্ন ও বাস্তবতা: রবীন্দ্রনাথ থেকে বঙ্গবন্ধু’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনায় আজ প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।
Rabindranath Tagore Birth Anniversary 2nd Day Performance – Entertainment – 9 May 2024 (2)
তিনি বলেন, “বাঙালীর জাগরণ তিনটি, উনিশ শতকের নবজাগরণ, ভাষা আন্দোলন এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। উনিশ শতকে রবীন্দ্রনাথকে বলা হয় শ্রেষ্ঠ প্রতিবাদী। রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্যই রচনা করেননি পাশাপাশি সেটির প্রত্যেকটি শব্দের ব্যাখ্যাও প্রদান করেছেন। আমাদের দেশে বর্তমান সময়ে অনেক লেখক আছেন যারা নিজেদের কবিতাও ভালো করে ব্যাখ্যা করতে পারেননা, গানও না, আর ছন্দ বুঝাতো দূর”।
তিনি আরো বলেন “বরীন্দ্রনাথ এক সময় ইংরেজি কবিতা ও সাহিত্যের খুব ভক্ত ছিলেন। কিন্তু যখন দেখলেন ইংরেজদের দ্বারা এই বাংলার নিরীহ মানুষগুলো নিপিড়ীত হচ্ছে তখন তাদের প্রতি তাঁর ঘৃণা সৃষ্টি হয়। তিনি স্বপ্ন দেখেন এই পূর্ব দিগন্তে একজন মানবের আগমন। যার মাধ্যমে মুক্ত হতে পারে এই দেশ। আর তার স্বপ্নের মানবই হয়তো ছিলো এই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।”
বাংলাদেশ ও ভারত—দুই দেশের শিল্পকলা, ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাসের মেলবন্ধন অটুট রাখা এবং শিক্ষা বিষয়ক অধ্যয়ন ও গবেষণা করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে ও অর্থায়নে নানামুখী কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন তিনি।
অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন জনাব ফকরুল আলম, সাবেক অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব জনাব খলিল আহমদ।
সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।
তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো এ ধরনের অনুষ্ঠানের ভিতর দিয়ে যেন চিত্তের উৎকর্ষ সাধিত হয়, স্বপ্ন তৈরি হয়। রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু; আমাদের জীবনে তাদের যে বিশাল প্রভাব, সেখান থেকে আমাদের প্রজন্মকে ঋদ্ধ করে যেতে হবে। রবীন্দ্রনাথ শুধু কবি, গীতিকার, সুরকার, নাট্যকার, অভিনেতা বা চিত্র শিল্পী তা নন, তিনি একটি দর্শন। যে দর্শনে আমাদের সামনে এগোতে হবে । তিনি ভাষা সাহিত্যে আমাদের সমাজকে, জীবনকে সাজিয়ে গেলেন আর রাজনৈতিকভাবে সেটা পরিপূর্ণ করে গেলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান” ।
তিনি আরো বলেন, “সবকিছু মিলে রবীন্দ্রনাথকে আমাদের জীবনে অত্যন্ত প্রয়োজন, বলা হয় ইংরেজদের বাড়িতে দুটি বই থাকে একটি হলো তাদের পবিত্রগ্রন্থ বাইবেল এবং অন্যটি হলো সেক্সপিয়ারের রচনাবলী। আমাদের ঘরে আমাদের ধর্মগ্রন্থের পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল আরো অনেকে আসতে পারে, তবে এ দুজনকেতো অবশ্যই স্থান দিতেই হবে।”
২য় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় রবীন্দ্র পরিবেশনা। শুরুতেই যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন ইফতেখার আনোয়ার এবং যন্ত্রশিল্পীবৃন্দ ‘তোমার খোলা হাওয়া’। এরপর ‘এসো শ্যামল সুন্দর’ সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল নৃত্যদল। গান ও কবিতা পরিবেশন করেন সামিউল ইসলাম পুলক এবং মাহনাজ করিম হোসেন ‘প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ’। একক সংগীত পরিবেশন করেন অনিমা রায় এবং ফাহিম হোসেন চৌধুরী ‘আজি প্রণমি তোমারে’, ‘তোমারেই করিয়াছি’, ‘জীবনের ধ্রুবতারা’। একক সংগীত পরিবেশন করেন জনাব জান্নাত আরা হেনরি। এরপর সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু-কিশোর সংগীত দল ‘আজি ধানের ক্ষেতে’; এবং ‘ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি’; সবশেষে ‘বাল্মিকী প্রতিভা’ নৃত্যনাট্য পরিবেশন করে পি.এফ.ডিএর ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের শিশুরা।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় ২৫শে- ২৭ বৈশাখ ১৪৩১/ ৮-১০ মে ২০২৪ পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন। আগামিকাল ১০ মে ২০২৪ সকাল ১০ টায় সমাপনী অনুষ্ঠিত হবে।
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৯ মে, ২০২৪: প্রায় প্রতিবার ঈদে নতুন ছবি নিয়ে আছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। কিন্তু এবার তার ব্যাতিক্রম ঘটেছে। তাই হতাশ হয়েছেন সালমানের ভক্তরা। তবে পরের বছর আর হতাশ করতে চাননা ভক্তদের। ২০২৫ সালের ঈদে ‘সিকান্দার’ সিনেমা নিয়ে হাজির হচ্ছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো একসঙ্গে জুটি বাঁধছেন দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় নায়িকা রাশমিকা মান্দানা।
ঈদের দিন নতুন ছবির ঘোষণা করেছিলেন সালমান খান। এ বার ‘সিকান্দার’ ছবিতে অভিনেতার নায়িকার নামও প্রকাশ্যে আনলেন। এই ছবির মাধ্যমেই এই প্রথম দক্ষিণী পরিচালক এ আর মুরুগাদসের সঙ্গে কাজ করতে চলেছেন সালমান। গত বছর ‘অ্যানিম্যাল’ ছবিতে অভিনয় করে দ্রুত প্রচারের আলোয় চলে আসেন রাশমিকা। এখন সালমারেনর বিপরিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন তাই তাকে নিয়ে শুরু হেয়ে গেছে চর্চা।
বলিউডের অনেকেই বলছেন, এই সুযোগ অভিনেত্রীর কেরিয়ারের অন্যতম বড় সুযোগ হতে চলেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ মে) সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুখবরটি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন রাশমিকা। ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে তিনি লেখেন, ‘‘আপনারা আমার পরবর্তী কাজের জন্য বহু দিন অপেক্ষা করছিলেন। আমি ‘সিকান্দার’-এর অংশ হতে পেরে সত্যিই কৃতজ্ঞ।’’
প্রত্যেক বছর ইদে নিজের ছবি নিয়ে আসার চেষ্টা করেন সালমান। কিন্তু এই বছর ঈদে মুক্তি পায় অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘বড়ে মিঞা ছোটে মিঞা’ ও অজয় দেবগন অভিনীত ‘ময়দান’। ভক্তদের নিরাশ করেননি ভাইজান। তিনি ‘সিকান্দার’-এর ঘোষণা করেন। তার পর থেকেই এই ছবিতে সালমানের নায়িকা কে হবেন, তা নিয়ে সবার আগ্রহ ছিলো। ২০২২ সালে ‘গুডবাই’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন রাশমিকা। ‘অ্যানিম্যাল’ তার কেরিয়ারে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। ছবিতে রণবীর কপূরের সঙ্গে তার রসায়নও দর্শকদের পছন্দ হয়েছিল। এ বার সালমানের সঙ্গে তার জুটি কী চমক হাজির করে দেখা যাক। আগামী বছর ঈদে মুক্তি পাবে ‘সিকান্দার’। আর এর মাধ্যমে রাশমিকার কেরিয়ারে মোড় ঘুরে যাবে এমনটাই আশা করছে ভক্তরা।
২০২৫ সালের ঈদে মুক্তি পাবে সিকান্দার সিনেমাটি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামা জানিয়েছে, এই সিনেমা হতে যাচ্ছে সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় বাজেটের সিনেমা। বলিউডের অন্যতম বড় বাজেটের সিনেমার তালিকায় থাকবে সিকান্দার।
প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াওয়ালা ও পরিচালক এআর মুরুগাদসের সঙ্গে পরের ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন সালমান। দর্শক কিভাবে নিবে সেই ছবি সেটা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছরের পর্যন্ত।
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৮ মে, ২০২৪: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় ২৫ শে বৈশাখ ১৪৩১ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী উদ্যাপন শুরু হয়েছে আজ বুধবার (৮ মে) থেকে। এবছর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উদ্যাপনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সোনার বাংলার স্বপ্ন ও বাস্তবতা: রবীন্দ্রনাথ থেকে বঙ্গবন্ধু’। আজ সকাল ১১.০০ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি।
অনুষ্ঠানে শুরু হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সদ্য প্রয়াত শিল্পী সাদী মুহম্মদকে স্মরণে শিল্পীর রেকর্ড থেকে যন্ত্রসংগীতের করুণ সুর বাজানো হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: শাহ্ আজম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব খলিল আহমদ। স্মারক বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জনাব রামেন্দু মজুমদার এবং স্বাগত বক্তব্য রাখবেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।
রবীন্দ্র পরিবেশনা:
রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর এ আয়োজনে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শুরু হয় সমবেত সংগীত ‘হে নতুন দেখা দিল আর বার” পরিবেশনার মাধ্যমে। পরিবেশন করবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়; এরপর আবারো সমবেত সংগীত ‘ঐ মহামানব’; পরিবেশন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর ভাস্বর বন্দোপাধ্যায় পরিবেশন করেন আবৃত্তি। সমবেত সংগীত ‘ও আমার দেশের মাটি’ পরিবেশন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়; এরপর নৃত্যনাট্য পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিশু শিল্পীরা ‘হৃদয় আমার নাচেরে আজিক ’। ‘সবার তুমি আনন্দধন’ গান ও কবিতা পরিবেশন করেন সামিউল ইসলাম পুলক এবং মাহনাজ করিম হোসেন। এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন বরেণ্য শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।
‘রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ নৃত্যালেখ্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদল । অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন তামান্না তিথি এবং নুরুল হাসনাত জিলানী।
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৫ মে, ২০২৪: সোনাক্ষী সিনহা বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা। ইতিমধ্যে মুম্বাই ফিল্ম জগতের নিজের যোগ্যতা প্রমান করে নিদের অভিনয় দক্ষতার প্রমান রেখেছেন। বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতি শুরু করেন। তিনি বর্তমানে লোকসভার সংসদ সদস্য। শত্রুঘ্ন সিনহার পরিবারে শুধু তিনি একাই নন, তার দুই যমজ ছেলের মধ্যে এক ছেলে রাজনীতিতে পা রেখেছেন। স্ত্রী পুনমও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এমনকী লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণার আগে সোনাক্ষীরও রাজনীতিতে আসার খবর রটেছিল। যদিও তেমন কিছুই হয়নি। তবে ভবিষ্যতে অভিনেত্রীর রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনা নিয়ে সোনাক্ষী সাফ জানিয়েছেন, তিনি বাবার মতো নন। রাজনীতির প্রতি আগ্রহ নেই তার।
সোনাক্ষী ২০১০ সালে সালমান খানের বিপরীতে দাবাং ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র শিল্পে আত্মপ্রকাশ করেন, যেটি ২০১০ সালের বলিউডের সর্বোচ্চ ব্যবসা সফল ছবির মর্যাদা লাভ করে। সোনাক্ষী তার অভিনয়ের জন্য ইতিবাচক মন্তব্য লাভ করেন; এছাড়াও শ্রেষ্ঠ নারী চরিত্রে অভিষেকের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। সিনহার বেশকিছু ব্যবসা সফল ছবির মধ্যে রাউডি রাঠোর (২০১২) এবং দাবাং ২ (২০১২) অন্যতম। সিনহা এরপর লুটেরা (২০১৩) সিনেমায় অভিনয়ের দক্ষতার জন্য সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিলেন। তাই অভিনয় জগতে নিজের স্থান পাকা করে নিয়েছেন। তাই তিনি বাবারে মতো রাজনীতিতে যেতে চননা।
এমনিতেই তারকার সন্তানেরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিনয়কে পেশা হিসাবে বেছে নেন। তাতে অবশ্য প্রতিনিয়ত তাদের বাবা বা মা’কে স্বজনপোষণের বিতর্ক তাড়া করে। অভিনয় জগতে এসে সোনাক্ষীকে বিভিন্ন সময় এমন নানা কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে।
তবে সোনাক্ষী জানান, তার বাবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালবাসেন। আর সোনাক্ষী সব কিছু ব্যক্তিগত রাখতে পছন্দ করেন। অভিনেত্রীর কথায়, ‘‘রাজনীতিতে এলে গোটা দেশের জনগণের জন্য ভাবতে হয়। সেই ক্ষমতা আমার মধ্যে নেই।’’
অভিনেত্রীর ধারণা, রাজনীতির জন্য যে ধরনের জীবনবোধের প্রয়োজন, সেটা একেবারে ভিন্ন তার ভাবনাচিন্তার থেকে। পরিশেষে সোনাক্ষী বলেন, ‘‘ কোনও কিছু করতে গেলে ‘বুড়ি ছোঁয়ার’ মতো করে লাভ নেই।’
তাই ধরেই নেওয়া যায় রাজনীতিতে সোনাক্ষীর খুব একটা আগ্রহ নেই।