Category: অর্থনীতি

  • প্রায় ৫০৭ কোটি টাকার তেল, ডাল, চিনি ও গম কিনবে সরকার

    প্রায় ৫০৭ কোটি টাকার তেল, ডাল, চিনি ও গম কিনবে সরকার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৪ মার্চ, ২০২৪: ৫০৬ কোটি ৯৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার তেল, ডাল, চিনি ও গম কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। আর এই সব পণ্য কেনা হবে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে । এর মধ্যে ১৫৩ কোটি ৯৭ লাখ ২৫ হাজার গম, ১০৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার চিনি, ১৬৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকার মসুর ডাল ও ৭৭ কোটি ৯৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার সয়াবিন তেল কেনা হবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান জানান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এর প্রতিষ্ঠান গ্রিনফ্লাওয়ার ডিএমসিসির কাছ থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    সচিব বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুদ সুসংহত করতে এ গম আমদানি করা হবে। প্রতি মেট্রিক টন গমের মূল্য ধরা হয়েছে ২৭৯.৯৫ মার্কিন ডলার। ফলে এ গম আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১৫৩ কোটি ৯৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রতিকেজি গমের মূল্য পড়বে ৩০ টাকা ৭৯ পয়সা।”

    তিনি বলেন, “আজকের বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মসুর ডাল কেনার দুটি প্রস্তাব, সয়াবিন ও চিনি কেনার দুটি পৃথক প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়। চারটি প্রস্তাই অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।”

    এর মধ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৬ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ৬২ কোটি ৯৪ লাখ টাকায় কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বরগুনার রয় অ্যাগ্রো ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের কাছ থেকে এ মসুর ডাল কেনা হবে। প্রতিকেজি মসুর ডালের দাম পড়বে ১০৪ টাকা ৯০ পয়সা।

    অপর এক প্রস্তাবে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ১০৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকায় কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইজি জেনারেল ট্রেডিং থেকে ৬ হাজার টন এবং নাবিল নাবা ফুড লিমিটেড থেকে ৪ হাজার টন মসুর ডাল কেনা হবে। প্রতিকেজির দাম পড়বে ১০৪ টাকা ৪৪ পয়সা। টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডধারী ১ কোটি পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির লক্ষ্যে এসব মসুর ডাল কেনা হবে।

  • চলতি অর্থবছরে ২ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মসূচি

    চলতি অর্থবছরে ২ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মসূচি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১২ মার্চ, ২০২৪: চলতি অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (আরএডিপি) অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)। এই ক্ষেত্রে সড়ক পরিবহন, যোগাযোগ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

    অনুমোদিত আরএডিপি চলতি অর্থবছরের মূল এডিপির আকার ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকার চেয়ে ১৮ হাজার কোটি টাকা বা ৬.৮৪ শতাংশ কম।

    আজ মঙ্গলবার (১২ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে এনইসি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনইসি সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

    সভার পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার বলেন, মোট সংশোধিত আরএডিপি ২ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ১ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা স্থানীয় উৎস থেকে এবং ৮৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিদেশী উৎস থেকে আসবে।

    ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালাম ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. শহীদুজ্জামান সরকার বক্তব্য রাখেন।

    সত্যজিৎ বলেন, চলতি অর্থবছরের জন্য আরএডিপিতে মোট প্রকল্পের সংখ্যা ১৫৮৮টি নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৩৪৫টি বিনিয়োগ প্রকল্প, ৩৬টি সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্প, ১১৫টি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প এবং ৯২টি স্ব-অর্থায়ন প্রকল্প রয়েছে।

    পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী সভায় বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    তিনি বলেন, প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী যেসব প্রকল্প শেষ পর্যায়ে এবং ন্যূনতম তহবিলে সম্পন্ন হতে পারে এবং যেগুলো থেকে তাৎপর্যপূর্ণ ফল আসতে পারে, সেসব প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

    সালাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন পর্যায়ে বিলম্বের স্বাভাবিক প্রবণতা এড়াতে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ওপর জোর দিয়েছেন।

    তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগকে (আইএমইডি) মনিটরিং করার বিশেষ উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে যাতে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সময়মতো সম্পন্ন হয়, সময় ও ব্যয় বেড়ে না যায়।

    পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সামাজিক সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের মতো খাতে বরাদ্দ ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর সভায় জোর দেওয়া হয়েছে।

    এক প্রশ্নের জবাবে সালাম বলেন, সামর্থের অভাব এবং অন্যান্য কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু মন্ত্রণালয় ও বিভাগ প্রায়ই আরএডিপিতে কম বরাদ্দ দেখতে পায়।

    তিনি বলেন, আরএডিপি বাস্তবায়নে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে তাদের সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    চলতি অর্থবছরে এডিপি ব্যবহারের ধীরগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে শুরু হওয়া চলতি অর্থবছরে অনেক প্রতিকূলতার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হয়েছে, যা উন্নয়নের গতির জন্য ক্ষতিকর।

    গত সাধারণ নির্বাচন নিয়ে সব জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহসহ সব অর্থনৈতিক সূচকও বাড়ছে।

    ‘স্থিতিশীলতা উন্নয়নের পূর্বশর্ত এবং এটি এখন বিরাজমান’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন এখন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

    পরিকল্পনা মন্ত্রী আরও জানান, ৯ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ ও পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খসড়া তৈরি করা হবে।

    এডিপির আকার হ্রাস করার স্বাভাবিক প্রবণতা সম্পর্কে অপর এক প্রশ্নের উত্তরে সালাম বলেন, এডিপি সংশোধন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া এবং এটি অব্যাহত থাকবে।

    পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. শহীদুজ্জামান সরকার জানান, বর্তমান ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সামান্য কিছু পরিবর্তন করে চলতি অর্থবছরের জন্য আরএডিপি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, সভায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বেশি জোর দিয়েছেন।

    পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রকল্প পরিচালকদের সক্ষমতা বাড়ানো এবং একটি পুল তৈরির মাধ্যমে তাদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর উপায় সংক্রান্ত একটি রোডম্যাপ জমা দিতে বলেছেন।

    এ বিষয়ে সত্যজিৎ বলেন, রোডম্যাপ ও গাইডলাইন পাওয়া গেলে, বাস্তবায়নে ধীরগতির প্রবণতা ও সামর্থের অভাবকে সামগ্রিকভাবে মোকাবেলা করার জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা হবে।

    তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে শেষ পর্যায়ে থাকা প্রায় ৩৩০টি প্রকল্প চলতি অর্থবছরে শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

    পরিকল্পনা সচিব বলেন, ৩৩০টি প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, দেশি-বিদেশি তহবিল প্রস্তুত থাকায় ওই প্রকল্পগুলো সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।

    এক প্রশ্নের জবাবে সত্যজিৎ বলেন, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অনুযায়ী বরাদ্দে কিছু অমিল থাকলেও প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা, পরিবেশ, নারীর উন্নয়ন খাতে আরও মানসম্মত প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।

    চলতি অর্থবর্ষের আরএডিপি অনুযায়ী, পরিবহন ও যোগাযোগ খাত সর্বোচ্চ ৬৩,২৬৩.৩১ টাকা (২৫.৮২%) বরাদ্দ পেয়েছে, তারপরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৭,৮৯৬.৭৩ কোটি টাকা (১৫.৪৭%), গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধা ২৮,০০২.১৫ কোটি টাকা (১১.৪৩%), স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ১৯,৯৬৯.৭১ কোটি টাকা (৮.১৫%), শিক্ষা ১৭,২২৯.৯১ কোটি টাকা (৭.০৩%), পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ ১৪,৩৯১ কোটি টাকা (৫.৮৭%), স্বাস্থ্য ১২,০৬৬.৭৬ কোটি টাকা (৪.৯৩%), কৃষি ১০,৩১৭.৭৬ কোটি টাকা (৪.২১%), শিল্প ও অর্থনৈতিক পরিষেবা ৪,৬৩০.৪৩ কোটি টাকা (১.৮৯%) এবং বিজ্ঞান ও আইসিটি ৩,৬৩৭.১২ কোটি টাকা (১.৪৮%)।

    সর্বোচ্চ বরাদ্দ গ্রহীতা মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে, স্থানীয় সরকার বিভাগ ৪২,৭০০.৭৬ কোটি টাকা (১৭.৪৩%) নিয়ে তালিকার শীর্ষে, তারপরে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ২৭,৮০৩.৪৫ কোটি টাকা (১১.৩৫%), বিদ্যুৎ বিভাগ ২৭,১২৭.৪৫ কোটি টাকা (১১.০৭%), রেল মন্ত্রণালয় ১৩,১১৭.৬২ কোটি টাকা (৫.৩৫%), পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ১২,১৯২.৭৫ কোটি টাকা (৪.৯৮%), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ১১,৪১৫.৫১ কোটি টাকা (৪.৬৬%), স্বাস্থ্য পরিষেবা বিভাগ ৯,৩৪৫.৪৯ কোটি টাকা (৩.৮১%) পেয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • রমজানে খেজুর ও চিনির মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার

    রমজানে খেজুর ও চিনির মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১২ মার্চ, ২০২৪: রমজানে অতি প্রয়োজনীয় দুটি খাদ্যপণ্য হচ্ছে চিনি ও খেজুর।তাই সরকার রমজানে খেজুর ও চিনির মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। এই হিসেবে প্রতি কেজি অতি সাধারণ খেজুরের দর ঠিক করা হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬৫ টাকা এবং কেজিপ্রতি চিনির মূল্য ১৪০ টাকা ধার্য করা হয়েছে।

    গতকাল সোমবার (১১ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফুয়ারা খাতুনের সই করা এক সার্কুলারে এসব তথ্য জানা গেছে।

    এতে বলা হয়, নিম্নমানের খেজুরের দাম ধরা হয়েছে কেজিতে ১৫০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর বহুল ব্যবহৃত জাইদি খেজুরের কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা।

    পাশাপাশি প্রতি কেজি চিনির মূল্য ১৪০ টাকা ঠিক করা হয়েছে। তাছাড়া প্যাকেটজাত চিনির সর্বোচ্চ দর ধার্য করা হয়েছে ১৪৫ টাকা। এসব দামে খেজুর ও চিনি বিক্রি করতে ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে নিম্নমানের খেজুরের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দামি খেজুরের দাম ঠিক করে দেয়া হয়নি।

    তিনি আরও জানান, ভারত থেকে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। আশা করি, শিগগিরই তা দেশে আসবে। এতে মসলাজাতীয় পণ্যটির দরও কমে যাবে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নিত্যপণ্যের দাম কমানোর চেষ্টায় করছে। বাজারে কোনো পণ্যের স্বল্পতা নেই। চালের দরম নিয়েও অস্বস্তি নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে মনিটরিং হচ্ছে।

  • রমজানে ৩০ স্থানে সুলভ মূল্যে পাওয়া যাবে দুধ, ডিম ও মাংস

    রমজানে ৩০ স্থানে সুলভ মূল্যে পাওয়া যাবে দুধ, ডিম ও মাংস

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১০ মার্চ, ২০২৪: রমজান মাসে জনসাধারণ যেন সহজেই প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মেটাতে পারে সে লক্ষ্যে মাসব্যাপী সুলভ মূল্যে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিপণন ব্যবস্থা চালু করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

    এ কর্মসূচির আওতায় তরল দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৯০০ টাকা, ড্রেসড ব্রয়লার প্রতি কেজি ২৫০ টাকা এবং ডিম প্রতিটি ৯.১৭ টাকা (১ ডজন ১১০ টাকা) দরে বিক্রয় করা হবে।

    আজ রবিবার (১০ মার্চ) রাজধানীর ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ বাজারে সুলভ মূল্যে ডিম, দুধ, মাংস বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হয়েছেন আব্দুর রহমান।

    অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১ম রমজান থেকে শুরু হয়ে ২৮ রমজান পর্যন্ত এ ভ্রাম্যমাণ বিপণন ব্যবস্থা রাজধানী ঢাকার ২৫টি স্থানে পরিচালিত হবে। এছাড়া স্থায়ী বাজারসহ আরো ৫টি স্থানে মোট ৩০টি পয়েন্টে এই বিক্রয় ব্যবস্থা চালু থাকবে।

    ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রগুলো হলো : (১) নতুনবাজার (বাড্ডা), (২) কড়াইল বস্তি (বনানী), (৩) খামারবাড়ী (ফার্মগেট), (৪) আজিমপুর মাতৃসদন (আজিমপুর), (৫) গাবতলী, (৬) দিয়াবাড়ী (উত্তরা), (৭) জাপান গার্ডেন সিটি (মোহাম্মদপুর), (৮) ষাটফুট রোড (মিরপুর), (৯) খিলগাঁও (রেল ক্রসিংয়ের দক্ষিণে), (১০) সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গনি রোড), (১১) সেগুন বাগিচা (কাঁচা বাজার), (১২) আরামবাগ (মতিঝিল), (১৩) রামপুরা, (১৪) কালসী (মিরপুর), (১৫) যাত্রাবাড়ী (মানিকনগর গলির মুখে), (১৬) বসিলা (মোহাম্মদপুর), (১৭) হাজারীবাগ (সেকশন), (১৮) লুকাস (নাখালপাড়া), (১৯) আরামবাগ (মতিঝিল), (২০) কামরাঙ্গীর চর, (২১) মিরপুর ১০, (২২) কল্যাণপুর (ঝিলপাড়া), (২৩) তেজগাঁও, (২৪) পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার) (২৫) কাকরাইল।

    স্থায়ী বাজার : (২৬) মিরপুর শাহ আলি বাজার, (২৭) মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট (২৮) নতুন বাজার (১০০ ফুট), (২৯) কমলাপুর, (৩০) কাজি আলাউদ্দিন রোড (আনন্দবাজার)।

    প্রতি গাড়িতে থাকবে ২০০ লিটার দুধ, ডিম ৪ হাজার পিস, গরুর মাংস ১০০ কেজি, খাসির মাংস ১০ কেজি। এছাড়া রাজধানীর ৮টি জায়গায় মাছ বিক্রি করা হবে। প্রতি গাড়িতে ৩০০ কেজি করে থাকবে।

    অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, প্রাণিজাত পণ্যগুলো বিক্রয়ের জন্য সুসজ্জিত পিকআপ কুলভ্যান ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি বিক্রয় কেন্দ্রে সকাল নয়টার মধ্যে প্রাণিজাত পণ্য নিয়ে কুলভ্যানগুলো পৌঁছে যাবে এবং সকাল ১০টা থেকে বিপন্ন শুরু হবে।

    কার্যক্রমটি তদারকি এবং মনিটরিং করার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবে। পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

  • রমজানে ব্যবসায়ীদের সততার সঙ্গে ব্যবসা করতে হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    রমজানে ব্যবসায়ীদের সততার সঙ্গে ব্যবসা করতে হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১০ মার্চ, ২০২৪: রমজানে ব্যবসায়ীদের সততার সঙ্গে ব্যবসা করতে হবে, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।  তিনি বলেন, “সংযুক্ত আরব আমিরাতে দেখলাম ১৮টি অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের রাষ্ট্রীয় সার্কুলার দিয়ে দিয়েছে। এই পণ্যগুলোর দাম কেউ এ মাসে (রমজান) বাড়াতে পারবে না। আমরা এবার হয়তো পারি নাই। ইনশাআল্লাহ আমাদের সাপ্লাই চেইন ইম্প্রুভ করে পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ ইম্প্রুভ করব। এছাড়া ব্যবসায়ীদের একটু সততার সঙ্গে ব্যবসাটা করতে হবে। ধর্মীয় অনুভূতিটাকে প্রাধান্য দিয়ে যাতে আমরা ব্যবসাটা করি।”

    আজ রাবিবার (১০ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে কৃষিপণ্য সরবরাহে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এবং রাশিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয়ের ‘প্রোডিনটর্গ’ এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আগামীতে কেবিনেটের অনুমোদন নিয়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের একটা কমপ্লিটলিস্ট তৈরি করব।”

    তিনি বেলেন, “আমরা ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে কৃষি পণ্যের সর্বোচ্চ একটা মূল্য নির্ধারণ করে দিতে।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই যারা রোজার অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আমদানি ও উৎপাদন করেন তাদের সঙ্গে বসেছি। আমদানি এবং উৎপাদন পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে, এটা আমরা নিশ্চিত হয়েছি।”

    তিনি বলেন, “গত দেড় মাসে চালের বাজারে একটা অস্থিরতা ছিল। সেটা আল্লাহর অশেষ রহমতে স্থিতিশীল পর্যায়ে আছে। চালের দাম নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। ‌তেলের দাম আমরা নির্ধারণ করে দিয়েছি। ‌ রমজান উপলক্ষে আজকে থেকে বাজার তদারকি আরও বাড়াব। যাতে কেউ বোতলজাত সয়াবিন তেলের প্রতি লিটার ১৬৩ টাকা ও খোলা তেল প্রতি লিটার ১৪৯ টাকার ওপরে কেউ বিক্রি না করে। সেই ব্যাপারে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নেব। কোনোভাবে যাতে এটার ব্যত্যয় না হয়, সেই চেষ্টা করব। রমজান উপলক্ষে আজকে থেকে আমরা বাজার পরিদর্শন শুরু করব।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রীও কিন্তু নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও কিন্তু নির্দেশ দিয়েছেন বাজারে সরবরাহ চেইনে কেউ যদি ব্যাঘাত ঘটায়, তাহলে শক্ত পদক্ষেপ নেয়া হবে। আমরা পদক্ষেপগুলো নিচ্ছি। একেবারে যে উন্নতি হয়নি তা নয়। ভারত থেকে পেঁয়াজ আনার জন্য তাদের সম্মতি আমরা পেয়েছি। দু-একদিনের মধ্যে পেঁয়াজও ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে ঢুকবে।”

    তিনি আরও বলেন, “যখন কাঁচা বাজারের গেলাম তখন দেখলাম প্রত্যেকটি জিনিসের দাম নির্ধারিত দামের চেয়ে দুই-তিন টাকা বেশি। একেবারে খুচরা পর্যায়ে কাঁচাবাজারগুলো অস্থায়ীভাবে থাকে, ওইগুলো আমরা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করব সেটা এখন বের করতে হবে। প্রথমে আমাদের উদ্দেশ্য ছিল একটাই- সরবরাহ নিশ্চিত করা, কোনোভাবেই যেন সরবরাহে ঘাটতি না হয়। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা সরবরাহ নিশ্চিত করতে পেরেছি। বাজার মনিটরিং ইনশাল্লাহ আমরা বাড়াব।”

    হঠাৎ দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, “হঠাৎ করে শুনলাম লেবুর দাম বেড়ে গেছে। শসার দাম, পেঁয়াজের দামও (বাড়তি)। এটি কিন্তু সারা দেশের তুলনায় ঢাকার কয়েকটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই বলব। এটি কিন্তু গুটিকয়েক জায়গায়। সারা দেশের পরিস্থিতি কিন্তু এটা না। অনেক সময় হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যায়। দেখা যাবে আজকে বা কালকে সবাই বাজারে ঝাঁপিয়ে পড়বে ১০/২০ দিনের সাপ্লাই একদিনে কিনে ফেলবে। ডিমান্ড বেড়ে গেলে হয়তো ওই অনুযায়ী সাপ্লাইটা আসে না। এজন্যও (আকস্মিক দাম বৃদ্ধি) হতে পারে।”

    রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা এখন চালের স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও গম, ভুট্টা, ডালের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারিনি। এগুলো আমাদের বিভিন্ন জায়গা থেকে আনতে হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গমের উৎস হলো রাশিয়া। আজকে যে প্রোডাক্টগুলো তারা সাইন করল। রাশিয়ান ফেডারেশন থেকে তারা যদি সাপোর্ট দিতে পারে তাহলে আমাদের ফুড সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটির একটা বড় বাফার (মুল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য মজুদ দ্রব্য) স্টক আমরা তৈরি করতে পারব।”

    ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন টিসিবির মাধ্যমে ১ কোটি পরিবারকে সাবসিডাইজ প্রাইজে পণ্য দিচ্ছি। সেটা দেওয়া সম্পূর্ণ শুরু হলে এতেও বাজারে একটা চাপ কমে যাবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পরবর্তীতে ফেয়ারপ্রাইজে মাল্টিপল প্রোডাক্ট সরবরাহ করব, যদি আমাদের এই রকম সোর্স থাকে। শুধু রাশিয়া থেকে নয় কয়েকটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আনতে আমরা ভারতের সঙ্গেও একটি চুক্তি করার জন্য সক্রিয়ভাবে চেষ্টা করছি। মিয়ানমারের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

  • চিনির দাম বাড়ছে না

    চিনির দাম বাড়ছে না

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৭ মার্চ, ২০২৪: প্রতিকেজি চিনির দাম ৭০ টাকাতেই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারি বিপণন সংস্থা (টিসিবি)। গতকাল  বুধবার (৬ মার্চ) ভর্তুকি মূল্যের চিনির দাম এক লাফে কেজিতে ৩০ টাকা বাড়িয়ে ১০০ টাকা করার পর সমালোচনার মুখে পড়ে সরকারি সংস্থাটি। এর একদিন পর আজ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) আগের দামেই চিনি বিক্রির সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

    এ বিষয়ে টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির গণমাধ্যমকে জানান, চিনির নতুন নির্ধারিত দাম বাতিল করে আগের দাম পুনর্বহাল রাখা হয়েছে। অর্থাৎ এখন প্রতিকেজি চিনি ৭০ টাকা কেজি দরে কিনতে পারবেন ক্রেতারা।

    এর আগে ফ্যামিলি কার্ডধারীদের কাছে ৭০ টাকা কেজি দরে চিনি বিক্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর গত রমজানে প্রতিকেজি চিনির দাম ছিল আরও ১০ টাকা কম, প্রতিকেজি ৬০ টাকা।

    এদিকে চিনির দাম বাড়িয়ে মার্চ মাসের মাসিক কর্মসূচি এবং পবিত্র রমজানের বিক্রি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ থেকে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

    এ দফায় একজন ফ্যামিলি কার্ডধারী ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল এক কেজি চিনি ও এক কেজি খেজুর কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম রাখা হবে ১শ টাকা, প্রতিকেজি চিনি ১শ টাকা ও মসুর ডাল ৬০ টাকা, খেজুর ১৫০ টাকা ও চাল ৩০ টাকায় বিক্রি করবে টিসিবি।

  • বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় এআইআইবি

    বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় এআইআইবি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৫ মার্চ, ২০২৪: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)। ব্যাংকটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান রজত মিশ্র বলেছেন, আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হতে চাই। বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো লিমিট নেই, আমরা অবশ্যই এটি বাড়ানোর চেষ্টা করব।

    আজ মঙ্গলবার (০৫ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

    বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ শেষে সংবাদমাধ্যমকে এআইআইবির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হতে চাই। কারণ দেশটির অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। মেট্রোরেলসহ নানান ক্ষেত্রে তাদের সফলতা মুগ্ধ করেছে। হয়তো সামনে আরও সমৃদ্ধ হবে। আমরা কিছু ঝুঁকিপূর্ণ এরিয়াতে কাজ করি যেমন জলবায়ুতে অর্থায়ন। আমরা ক্লাইমেট ফাইন্যান্সের জন্য পলিসি তৈরির জন্য বসেছি। আমরা একটি প্রকল্প নিতে চাই যেটি বৈশ্বিক জলবায়ুতে এআইআইবির প্রথম অর্থায়ন। তাই এটি আমাদের জন্য মূল্যবান অংশীদারত্ব।”

    এআইআইবি ১৭ প্রকল্পে ৩.৩৫ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করেছে, সেটি কি সামনে বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রজত মিশ্র বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো লিমিট নেই। আমরা অবশ্যই এটি বাড়ানোর চেষ্টা করব। আমরা পলিসি গ্রহণের জন্য কাজ করছি, একই সাথে আমরা প্রকল্পগুলো নিয়েও কাজ করছি।

    নতুন কোনো সেক্টরে সহযোগিতা চাওয়া প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, “তারা বলেছেন, যেটাই হোক আপনারা বের করুন, আমরা সহযোগিতা করার চেস্টা করব। তারা পলিসি নিয়েও কাজ করছে, একই সাথে প্রয়োজনের বিষয়টিও আসছে। ওনারা একই সাথে দুইটা কনসিডার করবেন। এটা কিছুটা নতুন। আমরা খুবই খুশি।”

    অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, “অবকাঠামোগত খাতে তারা বেশি যুক্ত হতে চান। আমরা সে ব্যাপারে সম্মত। আমরা বাজেট সাপোর্ট প্রোগ্রাম আরও দেওয়ার অনুরোধ করেছি। তারা বললেন, এটাই তাদের প্রথম বৈশ্বিক জলবায়ুতে অর্থায়ন।”

  • সরকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে মাছ ও মাংস বিক্রি করবে

    সরকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে মাছ ও মাংস বিক্রি করবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৪ মার্চ, ২০২৪: সরকারর মজান মাসে রাজধানী ঢাকায় সাশ্রয়ী মূল্যে মাছ ও মাংস বিক্রি করবে ।  আগামী ১০ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত রাজধানীর ৩০টি জায়গায় তা পাওয়া যাবে।

    আজ সোমবার (০৪ মার্চ) দুপুরে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৪’ এর দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশনে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্য অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান।

    প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, রমজান উপলক্ষে গরুর মাংস ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৯০০ টাকা ও সলিড ব্রয়লার ২৮০ টাকায় বিক্রি করা হবে। এছাড়া ডিম বিক্রি হবে প্রতিটি ১০ টাকা ৫০ পয়সায়। এটাই হলো আমাদের একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা। আগামী ১০ মার্চ সেটা উদ্বোধন করা হবে।

    প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, “ঢাকায় ত্রিশটি জায়গায় এটা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সামর্থ্য অনুসারে এ ব্যাপারগুলো আরও বেশি জায়গায় প্রসারিত করার চেষ্টা করব। ঢাকার বাইরে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করার তাগিদ আছে। ব্যবসায়ীদের কাছে অনুরোধ, আপনারা মানুষকে কষ্ট দিয়ে অধিক মুনাফা লাভের চেষ্টা করবেন না।”

    ইলিশ সংরক্ষণ বিষয়ে তিনি বলেন, “জাটকা ধরার জায়গা থেকে মৎস্যজীবীদের সরিয়ে আনতে হবে। এটা বন্ধ হলে ইলিশ উৎপাদন বাড়বে। যতক্ষণ পর্যন্ত মাছটি নদীতে থাকতে পারবে, ততই এর বৃদ্ধি ঘটবে।”

    প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, “মাছ উৎপাদন, প্রাণিসম্পদে আমরা সন্তোষজনক অবস্থায় আছি। এটার প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদের মাথায় আরও কিছু পরিকল্পনা আছে। আমাদের চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে আছে, কারেন্ট জাল। এটা দিয়ে যত্রতত্র মাছ ধরা হয়। যেই মাছ থেকে মাছের বিস্তার হবে, সেটাও কারেন্ট জাল দিয়ে ধরা হয়। এ বিষয়টা আমরা ডিসিদের বলেছি। মাইকিং করে জালগুলো তুলে ফেলতে হবে। না করলে জেলাপ্রশাসকদের নেতৃত্ব আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে জালগুলো আটক করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “জাটকা নিধন বন্ধে কিছুদিন ইলিশ ধরা বন্ধ রেখেছি। আগামী ১১ মার্চ থেকে এটা শুরু হবে। এই মধ্যবর্তী সময়ে যারা মৎস্যজীবী আছেন, তাদের একটা সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে তাদেরকে রেশনিংয়ের মধ্যে নিয়ে আসার ব্যবস্থার কথা বলেছি। কারণ ওই সময়টায় তাদের যদি একটা প্রণোদনা দিই, তাহলে মাছ না ধরার কারণে তাদের ক্ষতি তারা পুষিয়ে নিতে পারবে।”

  • আমাদের সবগুলো সূচকই-তো বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

    আমাদের সবগুলো সূচকই-তো বাড়ছে: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৪ মার্চ, ২০২৪: আমাদের সবগুলো সূচকই-তো বাড়ছে, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে আমরা আজ সর্বোচ্চ স্থানে এসে দাঁড়িয়েছি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। আমাদের যে সূচকগুলো আছে উন্নয়নের, সেগুলো বাড়ছে। ফেব্রুয়ারি মাসের রেমিট্যান্স ২১৬ মিলিয়ন ডলার। আমাদের সবগুলো সূচকই-তো বাড়ছে। কাজেই আমদের এখানে অনিশ্চয়তার কিছু নেই, হতাশারও কিছু নেই। এগুলো নিয়ে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। এটা চলছেই, যে কিছু হয়নি। যেমন বিএনপির যিনি মহাসচিব, তিনি তার জায়গা থেকে বলেছেন যে তিনি কোনো উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছেন না। ওরা তো এসব কথাই বলে “

    আজ সোমবার (৪ মার্চ) দুপুর সোয়া ১২টায় ওসমানী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিএনপির যিনি প্রধানমন্ত্রী (সাবেক) ছিলেন বেগম জিয়া, তিনি বলেছেন এ ব্রিজ (পদ্মা সেতু) ভেঙে পড়বে। এসব কথাবার্তা সিরিয়াস কোনো কিউরিসিজম না। এটা কীভাবে বলেন, উনি সিরিয়াসলি বলেছেন, এ ব্রিজ আওয়ামী লীগ বানিয়েছে, এটা ভেঙে পড়তে পারে। কাজেই আপনারা উঠবেন না পদ্মা সেতুতে। এগুলো থেকে সত্যিকার যেটা আসল চিত্র, সেটি তুলে ধরার জন্য ডিসিদের আহ্বান করা হয়েছ। তাহলেই মানুষ বুঝতে পারবে কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ উন্নয়নের ধারায় এসে দাঁড়িয়েছে। এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ স্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। আজ শেখ হাসিনার যে ডেল্টা প্ল্যান ২১০০, সেটি ধরে বাংলাদেশ এগুচ্ছে। বাংলাদেশের যে অব্যাহত উন্নতি মানুষের মধ্যে যে আশার সঞ্চার হয়েছে সেটি আপনি রাস্তায় ঘুরলেই দেখতে পাবেন। মেট্রোরেলে চড়লেই বুঝতে পারবেন মানুষ কতটা খুশি হয়েছে, আশ্বস্ত হয়েছে। নারীরা কীভাবে একা চলতে পারেন মেট্রোতে, তারা সন্তুষ্ট।”

    মূল্যস্ফীতির ব্যাপারে ডিসিদের কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, “খালি ইনফ্লেশনটাই কনসার্ন হয়ে গেলো! আর কিছু না? এক কোটি লোককে কার্ড দেওয়া হয়েছে, তারা সস্তা দামে পাচ্ছে।”

    আয়কর আদায়ে ডিসিদের নির্দেশনা দিয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, “হ্যাঁ দিয়েছি। তারা সহায়তা করবেন। তারা যেটা করছেন সেটা করবেন। আরও ভালো করে করবেন, মন দিয়ে করবেন।”

  • নতুন প্রতিমন্ত্রী পেয়েছি কাজের গতি বাড়বে: অর্থমন্ত্রী

    নতুন প্রতিমন্ত্রী পেয়েছি কাজের গতি বাড়বে: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩ মার্চ, ২০২৪: নতুন প্রতিমন্ত্রী পেয়েছি কাজের গতি বাড়বে, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী । তিনি বলেন “নতুন একজন প্রতিমন্ত্রী পেয়ে ভালো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি আরও বাড়বে।”

    আজ রবিবার (৩ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাজারে জিনিসপত্রের দাম কমে আসছে, এটা আরও কমবে। ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসছে ভারত থেকে, এগুলো আসলে দাম আরও কমে যাবে।”

    অর্থনীতি কি ভালো অবস্থায় আছে, মানুষ কি ভালো আছে? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “দেশের মানুষকে জিজ্ঞেস করেন। আমি তো মনে করি ভালো আছে।”

    এসময় নতুন অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা বলেন, “অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আজকে আমি প্রথম আসলাম। স্বাধীনতার মাসে এই যে পবিত্র দায়িত্ব পালন করতে পারছি, এটা আমার জন্য অনেক গর্বের বিষয়। আর সৌভাগ্যের বিষয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেশ অনেক বছর ধরে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে আমাকে সুযোগ দিয়েছেন। সেটার পরে এখন এই দায়িত্ব। সব দায়িত্বই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থ মন্ত্রণালয় কাজ করার বিষয়টি আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সবকিছুর সঙ্গেই অর্থ মন্ত্রণালয় জড়িত। সারা বিশ্বের সব কিছুর সঙ্গে অর্থ জড়িত।”