Category: অর্থনীতি

  • এডিবির কাছে আরও বাজেট সহায়তা চাওয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

    এডিবির কাছে আরও বাজেট সহায়তা চাওয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২ এপ্রিল, ২০২৪: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কাছে আরও বাজেট সহায়তা চাওয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, “এডিবির কাছে আরও বাজেট সহায়তা চাওয়া হয়েছে। এডিবির সঙ্গে সম্পর্ক ডেভেলপ করছে ৫০ বছর ধরে। এটা আরও ভালো হবে, আরও শক্তিশালী হবে। তার জন্যই আমরা সন্তুষ্ট। বাজেট সাপোর্টও দেবে। ওরা আসছেই তো এ জন্য।

    আজ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে এডিবি ভাইস প্রেসিডেন্ট (সেক্টর ও থিমস) ফাতিমা ইয়াসমিনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সহায়তা চাওয়া হয়।

    এ সময় অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা এডিবির বার্ষিক সম্মেলনে যাচ্ছি। সেখানে আরও আলোচনা হবে। কিন্তু সো ফার আমরা খুবই হ্যাপি। যেভাবে উন্নত হচ্ছে এবং আমাদের আন্ডারস্ট্যান্ডিং, তারা আমাদের প্রয়োজন বুঝতে পারছে। আমরা খুবই সন্তুষ্ট।”

    আমাদের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এডিবি প্রতিনিধিদলের কোনো অবজারভেশন আছে কি, এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “না কোনো অবজারভেশন নেই। ওরা খুব খুশি।”

    এ সময় অর্থসচিব বলেন, “এডিবি আমাদের ৫০ বছরের বন্ধু। আমরা এডিবির কাছ থেকে ফান্ড পেয়ে আসছি, ভবিষ্যতে যেন আরও পাই, সে জন্য স্যার (অর্থমন্ত্রী) রিকুয়েস্ট করেছেন। বিশেষ করে বাজেট সাপোর্ট আমাদের নতুন উইন্ডো, বাজেট সাপোর্টে এডিবি আমাদের অনেক হেল্প করেছে।”

    তিনি বলেন, “করোনার সময় আমাদের বাজেট সাপোর্টে দেওয়ায় আমরা অর্থনীতি দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে পারছি। এই বাজেট সাপোর্ট যাতে আরও বাড়ে, সে জন্য স্যার রিকোয়েস্ট করেছেন।”

    বাজেটে আরও সহযোগিতা চাওয়ার প্রেক্ষিতে এডিবির পক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে জানতে চাইলে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাতেমা ইয়াসমিন বলেন, আলোচনা করছি আমরা।

    চলতি বছরের জন্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে ৪০ কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় চার হাজার কোটি টাকার বেশি) বাজেট সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এডিবি। গত বছরের ১১ ডিসেম্বরে এ বিষয়ে চুক্তি সই হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকেও ৯ কোটি ডলারের বাজেট সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকার ১৭৬ কোটি ডলার, ২০২২১-২২ অর্থবছরে ২৫৯ কোটি এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ১০৯ কোটি এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১০০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা নেয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেট সহায়তার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৫ কোটি ডলার।

  • প্রবৃদ্ধি অর্জনে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে বাংলাদেশ

    প্রবৃদ্ধি অর্জনে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে বাংলাদেশ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২ এপ্রিল, ২০২৪: বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে বছর শেষে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে বাংলাদেশ। এই ক্ষেত্রে প্রথমেই থাকছে ভারতের নাম।

    আজ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সংস্থাটির ঢাকা অফিসে ‌‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিশ্বব্যাংক জানায়, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে ভারত। এরপরই জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দেশ হবে বাংলাদেশ। অর্থবছর শেষে বাংলাদেশ ৫.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। এরপর ভুটান ৪.৯ শতাংশ, মালদ্বীপ ৪.৭ শতাংশ, নেপাল ৩.৩ শতাংশ, শ্রীলঙ্কা ২.২ শতাংশ এবং পাকিস্তান ১.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে।

    দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ফ্রানজিস্কা ওনসর্গ এই প্রতিবেদনে জানান, ‘দক্ষিণ এশিয়া তার জনশক্তিকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হচ্ছে। যেটি একটি হাতছাড়া সুযোগের মতো। যদি এই অঞ্চলটি অন্যান্য উদীয়মান বাজার এবং উন্নয়নশীল অর্থনীতির মতো কর্মক্ষম বয়সের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ নিযুক্ত করে, তবে এর আউটপুট ১৬ শতাংশের বেশি হতে পারে।

    দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইসার জানান, দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা স্বল্পমেয়াদে উজ্জ্বল থাকবে। কিন্তু ভঙ্গুর আর্থিক অবস্থান এবং ক্রমবর্ধমান জলবায়ু ধাক্কায় কালো মেঘ থাকবে। এজন্য প্রবৃদ্ধি আরও বাড়াতে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি জোরদার করতে হবে।

    তিনি জানান, এই অঞ্চলের দেশগুলোকে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য নীতি গ্রহণ করতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ার, কর্মক্ষম বয়সের জনসংখ্যা বৃদ্ধি অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের অঞ্চলের তুলনায় বেশি। ২০০০ সাল থেকে কর্মরত কর্মজীবী ​​জনসংখ্যার অংশ হ্রাস পাচ্ছে। অন্যান্য উদীয়মান উন্নয়নশীল অর্থনীতি অঞ্চলে ৭০ শতাংশের তুলনায় ২০২৩ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় কর্মসংস্থানের অনুপাত ছিল ৫৯ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়াই একমাত্র অঞ্চল যেখানে কর্মরত বয়সী পুরুষদের হার গত দুই দশকে কমেছে এবং এই অঞ্চলে সবচেয়ে কম কর্মজীবী নারী রয়েছে।

  • ফেনীতে এখন টপটেন মার্ট বড় পরিসরে

    ফেনীতে এখন টপটেন মার্ট বড় পরিসরে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১ এপ্রিল, ২০২৪: দেশের অন্যতম লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড টপটেন মার্ট এবার চালু হলো ফেনীতে। শহীদ শহীদুল্লাহ্ কায়সার সড়কে কাজী প্যালেসে নতুন শো রুমটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল খান। তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের তরুণ তারকা অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

    উদ্বোধন শেষে তামিম ইকবাল বলেন, আমি সত্যিকার অর্থে এই ধরনের ব্র্যান্ডের জিনসপ্যান্ট টি-শাট পছন্দ করি। আশাকরি আশা করি তাদের এই প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িকভাবে সফল হবে। ফেনী শহরে আসা হয়নি, এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে আমরা যদি এভাবে সকল জেলা শহর উন্নয়ন হয় দেশ অনেক এগিয়ে যাবে।

    এ সময় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ফেনী পৌরসভার মেয়র মো. নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পারভেজুল ইসলাম হাজারী, টপটেন মার্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হোসেনসহ কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

    টপটেন মার্টের এক ছাদের নিচে পাচ্ছেন ছেলে ও মেয়েদের সম্পূর্ণ লাইফস্টাইল আউটফিট। ছেলেদের জন্য রয়েছে শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, স্যুট ব্লেজার জুতা ইত্যাদি। রয়েছে মেয়েদের শাড়ি, লেহেঙ্গা, থ্রি পিস, টপস, অর্নামেন্টস, জুতা ইত্যাদি। ব্রাইডাল কালেকশনে রয়েছে শেরওয়ানি ও লেহেঙ্গা ইত্যাদি। মেয়ে বা ছেলেদের পোশাকের লাক্সারি কালেকশন রয়েছে এখানে।সবার জন্য পছন্দের জুতাও কেনা যাবে এখানে।

    টপটেন মার্টের যেকোনো স্টোর থেকে পণ্য কিনলে মিলবে ৭ শতাংশ ছাড়। তবে অনলাইন কেনা এই ছাড় মিলবে না। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এই ছাড় চলবে। তবে কসমেটিক্স ও প্রেসিডেন্ট ব্রান্ডের পণ্যে থাকছে না এই ছাড়।

    https://www.facebook.com/toptenmart?mibextid=ZbWKwL

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টের বৈঠক

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টের বৈঠক

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩১ মার্চ, ২০২৪: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করতে আরও জোরালো সমর্থন চেয়েছেন। এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (সেক্টর অ্যান্ড থিম) ফাতিমা ইয়াসমিন আজ রবিবার (৩১ মার্চ) গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করতে গেলে তিনি এই সমর্থন কামনা করেন।

    বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা লেখক মো. নজরুল ইসলাম শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রগতি। কারণ সরকার গ্রামীণ জনগণের উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।”

    প্রধানমন্ত্রী এডিবি ভাইস প্রেসিডেন্টকে বলেন, “তাঁর সরকার দেশের জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করেছে। কারণ এটি শিল্পায়ন প্রসারিত ও আরও কাজের সুযোগ তৈরি করতে সহায়তা করবে।”

    শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, কৃষি, নদী খনন ও পুনরুদ্ধারের মতো খাতে এডিবির সহায়তা চেয়েছেন।

    তিনি এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টকে আরও জনকেন্দ্রিক প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানান- যাতে করে বিপুল সংখ্যক মানুষ উপকৃত হতে পারে।

    প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৬-২০০১ সালে বেসরকারী খাতে বিভিন্ন শাখা খোলার জন্য তাঁর সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন, যাতে এটিকে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং প্রাণবন্ত করে তোলে- যার ফলে কর্মসংস্থান সম্প্রসারিত হয়।

    ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, “বাংলাদেশ এডিবির অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকারের দেশ এবং ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে এডিবি’র সহায়তা পাঁচ গুণ বেড়ে ৩.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।”

    তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আরও বলেন, “এডিবি নদী পুনরুদ্ধার, নদী ভিত্তিক পর্যটন, বিনোদন কেন্দ্র ও সেচের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহী। কারণ এটি জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, মানব ও সামাজিক উন্নয়ন, কারিগরি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।”

    এসময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব কেটে গেছে: অর্থমন্ত্রী

    অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব কেটে গেছে: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩১ মার্চ, ২০২৪: অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব কেটে গেছে, বলে জানিছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, “অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব কেটে গেছে। যারা দেশকে শ্রীলঙ্কা হবে বলে ভেবেছিল, তাদের ধারণা ভুল প্রমাণ হয়েছে। অর্থনীতির ওপরে একটা সন্দেহ ছিল, দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল; সেগুলো কেটে গেছে। তারপর এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) প্রতিনিধি এসেছিল, তারা বলেছে, আমরা অপেক্ষা করছি তোমাদের প্রস্তাবনার জন্য। তোমরা আগে প্রস্তাবনা দাও টাকা আমরা দেব, টাকার কোনো অভাব নেই। কাজেই এরকম একটা নিশ্চয়তা পাওয়ার পর আর তো কোনো সন্দেহ নেই। কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই। যেভাবে বাজেট তৈরি হয়, বাজেট তৈরি হচ্ছে।”

    আজ রবিবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে প্রাক বাজেট বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ কথা বলেন।

    বৈঠকে ইআরএফ সভাপতি রেফায়েত উল্লা মৃধা ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বেশ কিছু বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবগুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন অর্থমন্ত্রী।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রতিপক্ষ বলেছিল এই তো হয়ে গেল, শ্রীলঙ্কা হলো বলে। শ্রীলঙ্কা হয়েছে? হয় নাই তো। আমরা টিকে আছি এবং আগামী বাজেট প্রণয়নের কাজ চলছে। আপনারা অনেকগুলো বিষয় বলেছেন, সেগুলো আমরা অবশ্যই বিবেচনা করব।”

    তিনি বলেন, “দেশ তো চলছে। দেশের মানুষের যেসব পণ্য দরকার সেগুলো সবই আসছে। সেগুলো পাওয়া যাচ্ছে। হ্যাঁ, দামটা নিয়ে একটু বেশি আছে। কোনোটা বাড়ছে, কোনোটা কমছে। সেগুলো তো আছে। মুক্ত বাজার অর্থনীতি যেভাবে চলে সেভাবে চলছে।”

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যে উপদেশগুলো দিয়েছেন তার সবগুলোই ভালো। তবে কাজে পরিণত করা যাবে কতোটা সেটা বলা মুশকিল। আমরা নতুন কি করতে পারি দেখা যাক।”

  • একনেকের বৈঠকে ১১টি প্রকল্প অনুমোদন

    একনেকের বৈঠকে ১১টি প্রকল্প অনুমোদন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৮ মার্চ, ২০২৪: একনেক সভায় ‘২০ মিটার গেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ১৫০ মিটার যাত্রীবাহী গাড়ি সংগ্রহসহ ১১টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়।

    প্রায় ৮ হাজার ৪২৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত একটি মেয়াদ বৃদ্ধিসহ মোট ১১টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক-এর চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৭ হাজার ৯৩৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ৪৮৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

    রাজধানীর শেরে বাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম।

  • বাংলাদেশ থেকে ফল, সবজি ও পাটজাত পণ্য আমদানিতে আগ্রহী চীন

    বাংলাদেশ থেকে ফল, সবজি ও পাটজাত পণ্য আমদানিতে আগ্রহী চীন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৮ মার্চ, ২০২৪: আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল। আম উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। পাট আমাদের সোনালী আঁশ, আর আলু দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সবজি। সেই সঙ্গে চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনেও বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। এখন এই সব পণ্য বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশ আমদানি করছে।

    এই অবস্থায় চীন বাংলাদেশ থেকে আম, কাঁঠাল, আলু, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা এ তথ্য জানান।

    বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো লক্ষ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সই করতে যৌথভাবে খসড়া সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন বিনিময় নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “বাংলাদেশে চীনের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। এখন চীন বাংলাদেশে দ্বিতীয় বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। এফটিএ সই হওয়ার পর বিনিয়োগ আরও বাড়বে। বাংলাদেশ চীনে আম, কাঠাল, আলু, পাটপণ্য, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে পারে।”

    এফটিএ কবে সই হতে পারে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, “এখনো চুক্তি হয়নি। এখন আলোচনা শুরু হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারলে ভালো। যদি না হয় আমাদের আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। আলোচনা শেষ না হলে ততদিন যেন আমাদের এলডিসি হিসাবে এই সুবিধাগুলো দেয় তার জন্য বলব।”

    চুক্তির ফলে বাংলাদেশ কী ধরনের সুবিধা পাবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, “আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য গার্মেন্টের বাইরে আরও কিছু পণ্য আছে। রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে যখন আলাপ করছিলাম, তিনি জানিয়েছেন আমের অনেক সম্ভাবনা আছে। পাটজাত পণ্যের অনেক সম্ভাবনা আছে। তারপর হস্তশিল্পের বিষয় আছে।”

    তিনি বলেন, “এর বাইরে আরও পণ্য আছে। আমরা ইতোমধ্যে চামড়া রপ্তানি করছি। আমরা কোয়ালিটি সম্পন্ন চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে পারি। চীনে ১৪০ কোটি মানুষ। সেখানে যদি আমরা বৈচিত্র্য পণ্য নিয়ে যেতে পারি হিউজ বাজার। চুক্তি হয়ে গেলে বিনিয়োগ বাড়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।”

    তপন কান্তি ঘোষ বলেন, আমরা প্রধানত তৈরি পোশাক রপ্তানি করি। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমরা চীনে ৬৭৭ মিলিয় ডলার রপ্তানি করেছি। বিপরীতে চীন থেকে ২২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার আমদানি করা হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। এ অর্জন বিশ্বে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টির পাশাপাশি বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি করবে।

    যার মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে পণ্য রপ্তানির সময় শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা ২০২৬ সালের পরে হারানো এবং মূল্য সংযোজনের হার অন্যতম। এর ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যকে ওই সব দেশের বাজারে প্রবেশের সময় সাধারণভাবে আরোপিত শুল্কের সম্মুখীন হতে হবে। এতে ওই সকল দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সংকোচনের সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ডিসি-ইউএনওদের সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে কাজ শুরু করতে নির্দেশনা

    ডিসি-ইউএনওদের সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে কাজ শুরু করতে নির্দেশনা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৪ মার্চ, ২০২৪: সরকার সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে কাজ শুরু করতে দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে । প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সম্প্রতি এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়, সর্বজনীন পেনশন স্কিম মাঠ পর্যায়ে সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনা করতে হবে।

     

    ১। উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম:

    ১.১। সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে জনগণকে সম্যকভাবে অবহিত ও আগ্রহী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে সভা-সমাবেশ, র‍্যালি, উদ্বুদ্ধকরণ মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। এ উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যম কর্মী ও কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

    ১.২। জেলা ও উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাস্তবায়ন অগ্রগতি’ শীর্ষক এজেন্ডা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

    ১.৩। অধিক জনসমাগম হয় এমন স্থান যেমন: হাট-বাজার, গ্রোথ সেন্টার, গ্রামীণ মেলা ইত্যাদি জায়গায় জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিসের মাধ্যমে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের বিজ্ঞাপন, জিঙ্গেল, ভিডিও নিয়মিত প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    ১.৪। সম্ভাব্য টার্গেট জনগোষ্ঠীর মাঝে সর্বজনীন পেনশন স্কিম সংক্রান্ত লিফলেট, বুকলেট, ফ্লায়ার ইত্যাদি বিতরণ করা এবং এ স্কিমের সুফল সম্পর্কে ধারণা প্রদান করতে হবে।

    ১.৫। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়সহ জেলা-উপজেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে হেল্পডেস্ক, ফ্রন্টডেস্কের মাধ্যমে আসা সেবা গ্রহীতাদের সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে ধারণা ও অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে। এসকল হেল্পডেস্ক, ফ্রন্টডেস্ক থেকে সেবা প্রার্থীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কিত তথ্যাদি সরবরাহ করতে হবে।

    ১.৬। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে প্রয়োজনে সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কিত পৃথক ডেস্ক স্থাপন করে সমরূপ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

    ১.৭। বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দাপ্তরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

    ১.৮। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল এনজিওকে এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে হবে।

    ১.৯। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারি দপ্তরকে এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে হবে।

    ১.১০। উঠান বৈঠক, তথ্য আপা, কমিউনিটি ক্লিনিক ইত্যাদি মাধ্যমে প্রচারণার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। স্থানীয় ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে টিভি স্কুল প্রদর্শনের উদ্যোগ গ্রহণ করা। সিনেমা হলগুলোতে শো শুরু হওয়ার পূর্বে এবং মধ্য বিরতিতে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের ভিডিও প্রদর্শনের নির্দেশনা দিতে হবে।

    ১.১১। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে সচেতন করে তাদের মাধ্যমে অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, রচনা লিখন প্রতিযোগিতা ইত্যাদির আয়োজন করতে হবে।

    ১.১২। ইমাম/পুরোহিতদের মাধ্যমে মসজিদ/ উপসনালয়ে সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে বয়ান/ খুতবা কিংবা আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে।

    ১.১৩। সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে জনগণকে সম্যকভাবে অবহিত ও আগ্রহী করার লক্ষ্যে বহুমুখী প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

    ১.১৪। এসব নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে স্থানীয়ভাবে প্রযোজ্য অন্যান্য যেকোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে।

     

    ২। নিবন্ধন কার্যক্রম: 

    ২.১। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের নিবন্ধনের জন্য উপযুক্ত করে তোলার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সকল ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকেই যেন জনগণ বিভিন্ন স্কিমে নিবন্ধন করতে পারে তার সকল ব্যবস্থা রাখতে হবে।

    ২.২। ডাক বিভাগের ডিজিটাল পোস্ট অফিসের আউটলেটের মাধ্যমে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

    ২.৩। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলোর শাখা ফ্রন্ট অফিস হিসেবে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের নিবন্ধন ও অর্থ জমা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। অর্থ জমা দেয়ার প্রক্রিয়ায় কোন সমস্যার উদ্ভব হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; প্রয়োজনে বিষয়টি জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

    ২.৪। নিবন্ধন কার্যক্রম জোরদার করতে প্রয়োজনে সময়ে সময়ে বিশেষ ক্যাম্পেইন ও ভ্রমমাণ বুথের মাধ্যমে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

    ২.৫। নিবন্ধন সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতার উদ্ভব হলে তা জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করতে হবে।

     

    ৩। মনিটরিং কার্যক্রম:

    ৩.১। মাঠ পর্যায়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোথাও কোন সমস্যা পরিলক্ষিত হলে জাতীয় বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটির পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

    ৩.২। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ নিজস্ব সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনায় যথাপদ্ধতিতে সার্বিক মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

    ৩.৩। যথাযথভাবে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে যথোপযুক্ত ডিজিটাল পরিকাঠামো চালু করাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

  • আনুষ্ঠানিকভাবে এক্সিম ও পদ্মা ব্যাংক একীভূত

    আনুষ্ঠানিকভাবে এক্সিম ও পদ্মা ব্যাংক একীভূত

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৮ মার্চ, ২০২৪: আনুষ্ঠানিকভাবে একীভূত হতে শরিয়াভিত্তিক বেসরকারি এক্সিম ব্যাংক ও প্রচলিত ধারার পদ্মা ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন হলো। এখন থেকে পদ্মা ব্যাংকের আমানতকারীরা এক্সিম ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবেন; করতে পারবেন অন্যান্য লেনলেন।

    সোমবার (১৮ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকে পদ্মা ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক একীভূত হওয়ার বিষয় সমঝোতা চুক্তি সই হয়। এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন ও পদ্মা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক রিয়াজ খান তাতে সই করেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুল রউফ তালুকদার, চার ডেপুটি গভর্নর, এক্সিম ব্যাংক ও বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের এমডি আফজাল করিমসহ তিন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে।

    এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন “এই সমঝোতা চুক্তির ফলে পরিচালনা পর্ষদে সব ধরনের সিদ্ধান্ত নেবে এক্সিম ব্যাংকের পরিচালকরা। দুই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সে বিষয়ে প্রক্রিয়া চলছে। তবে পদ্মা ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তার-কর্মচারীই চাকরি হারাবেন না।”

    তিনি বলেন, “এক বছরের মধ্যে পদ্মা ব্যাংক ভালো হয়ে যাবে। চাইলে পদ্মা ব্যাংকের যে কোনো ব্যক্তিগত আমানতকারী তার টাকা এক্সিম ব্যাংক থেকেই তুলে নিতে পারবেন। পদ্মা ব্যাংকের সকল দায়ভার এখন থেকে গ্রহণ করল এক্সিম ব্যাংক।”

    একই দিনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক জানান, মার্জার (একীভূত) প্রক্রিয়ায় এখনো শেষ হয়নি। শেষ হলে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা করবে। এরপর থেকে তারা একত্রে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এই প্রক্রিয়ার পরেই পদ্মা ব্যাংকের আমানতকারীরা এক্সিম ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবেন।

    তিনি বলেন, “কোনো ব্যাংক অপর ব্যাংকে মার্জার (একীভূত) করতে হলে তিন সংস্থার (বাংলাদেশ ব্যাংক, আদালত ও বিএসইসি) সমন্বয়ে লাগে। ব্যাংকের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আমরা কোর্টে যাব। এরপর আমাদের সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমতির প্রয়োজন হবে। এভাবেই সব ব্যাংকের মার্জার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”

    এর আগে এক্সিম ব্যাংক ও চতুর্থ প্রজন্মের পদ্মা ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে ভিন্ন ভিন্ন দুই ব্যাংকের পর্ষদে অনুমোদন হয়।

    সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে জানান, আমানতকারীদের সুরক্ষা দিতে দুর্দশাগ্রস্ত পদ্মা ব্যাংককে অন্য ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করা হ‌বে।

    উল্লেখ্য, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক একীভূত (মার্জার) করতে একটি রোডম্যাপ ঠিক করার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোকে এক বছর সময় দিয়ে ‘প্রম্পট কারেক্টিভ অ্যাকশন’ বা পিসিএ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার, মূলধনের পর্যাপ্ততা, নগদ অর্থের প্রবাহ, ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের তথ্যকে প্রাধান্য দিয়ে আর্থিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সূচক ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

    দ্য ফারমার্স ব্যাংক নামে ২০১৩ সালে পদ্মা ব্যাংক যাত্রা শুরু করে। কিন্তু শুরু থেকেই ব্যাপক অনিয়মের কারণে ২০১৮ সালের প্রথম দিকে সরকারের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন ব্যাংকটিকে বাঁচাতে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রুপালী ব্যাংক এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ৭১৫ কোটি টাকা মূলধন জোগান দেওয়া হয়। দ্য ফারমার্সের নাম পরিবর্তন করে পদ্মা ব্যাংক করা হয়।

    সার্ব-অডিনেট বন্ড জারি ও স্থায়ী আমানত রাখার মতো অন্যান্য সহায়তার আকারেও প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পদ্মা ব্যাংকে বিনিয়োগ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো। অভ্যন্তরীণ কিছু সংস্কার ও ক্ষুদ্র আকারে ব্যাংকটির যাত্রা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসছিল না।

    মূলত পদ্মা ব্যাংক খেলাপি ঋণ আদায়ে বড় ধরনের সাফল্য দেখাতে না পারার কারণে সহায়তা দিয়েও ব্যাংকটির মূলধন ক্ষয় ঠেকানো যায়নি।

    শেষে সরকারের বর্তমান মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘোষিত দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূত করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে পদ্মা ব্যাংককে শরিয়াভিত্তিক বেসরকারি এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভুত হওয়ার চুক্তি সম্পন্ন হলো।

  • আমরা সমন্বয় করে বাজার মনিটরিং করবো: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    আমরা সমন্বয় করে বাজার মনিটরিং করবো: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৭ মার্চ, ২০২৪: আমরা সমন্বয় করে বাজার মনিটরিং করবো, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।তিনি বলেন, “কৃষি বিপণন অধিদপ্তর পণ্যের একটা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের নিজস্ব জেলা, উপজেলা এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কমিটি আছে। আমরা সমন্বয় করে মনিটরিং শুরু করবো। প্রাইস ডিসকভারিটা হুট করে হয় না। আমাদের দায়িত্ব হবে উৎপাদক পর্যায়ে থেকে পাইকারি এবং পরে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত বাজার মনিটরিং করা এবং এটাকে এস্টাব্লিশ করা।”

    আজ রবিবার(১৭ মার্চ) দুপুর ১২টায় রাজধানীর টিসিবি ভবনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ১০৪তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “একটা জিনিস আপনি যখন যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করবেন, সঙ্গে সঙ্গে এটি বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। আগে এটা নির্ধারণ করা জরুরি ছিল। অনেকদিন ধরে আইনটা ছিল কিন্তু করা হয় নাই। এখন সমন্বিতভাবে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, ভোক্তা অধিদপ্তর, ইউএনও, ডিসি সবাই মিলে সমন্বয় করবে। আশা করি এটা একটা যৌক্তিক পর্যায়ে চলে আসবো।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা যেখানে যাচ্ছি বাজার কমিটিকে নিয়ে বসছি, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসছি, তাদের উৎসাহিত করছি। তাদের সমস্যার সমাধান করে এটা (সঠিক দামে পণ্য বিক্রি) আমরা বাস্তবায়ন করছি। আমরা কোনো জায়গায় কোনো দোকান বন্ধ করে দিচ্ছি না বা তালাবদ্ধ করে দিচ্ছি না। যারা একেবারেই আইন মানছেন না যেমন পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে যখন বিক্রি করতে হবে তখন আপনাকে রিসিটটা রাখতে হবে। আপনি যখন পাইকারি চালান করবেন তখন আপনাকেও রিসিট দিতে হবে। এই জিনিসগুলোকে বলে একেবারে মিনিমাম কমপ্লায়েন্স। এই জিনিসগুলো না করলে আমরা শাস্তির আওতায় আনবো।”

    এর আগে টিসিবি ভবনের অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীর আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। এসময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষসহ মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্ত বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।