Category: বাংলাদেশ

  • ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

    ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ‘কৃষিই বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতির প্রাণ’।

    তিনি ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন।

    আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কৃষিবিদ দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সকল কৃষিবিদকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষিই বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতির প্রাণ। মানব সভ্যতার সৃষ্টি থেকেই মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে স্বাধীনোত্তরকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি শিক্ষা, গবেষণা, সম্প্রসারণ ও কৃষির উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সরকারি চাকুরিতে কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির পদমর্যাদায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু কৃষি শিক্ষা, গবেষণা ও কৃষির উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীন দেশের প্রথম বাজেটে কৃষিখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছিলেন। জাতির পিতার প্রদর্শিত পথেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষির সার্বিক উন্নয়নে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন। ফলশ্রুতিতে ‘আমরা এখন দানাদার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ’। পাশাপাশি শাকসবজি ও ফলমূলসহ মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ইত্যাদির ব্যাপক উৎপাদন জাতীয় পর্যায়ে দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ফলে দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করেও কৃষিজাত পণ্য বৈদেশিক বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে।

    জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মাথাপিছু জমির পরিমাণ ক্রমশ হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে উল্লেখ করে মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, এই চাহিদা পূরণে কৃষি বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন প্রযুক্তি এবং অধিক উৎপাদনশীল জাতের বীজ উদ্ভাবন, উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ মাছ, মাংস, ডিম, দুধ উৎপাদনে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এছাড়া, কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষক ও খামারিসহ সকলকে সচেতন হতে হবে। কৃষি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক যন্ত্রপাতি তথা কৃষি যান্ত্রিকীকরণ এবং লাভজনক কৃষিতে রূপান্তরের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিতে হবে।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, কৃষিবিদরা তাদের জ্ঞান, মেধা ও শ্রম দিয়ে ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে কার্যকর অবদান রাখবেন।

    রাষ্ট্রপতি ‘কৃষিবিদ দিবস-২০২৪’ উপলক্ষ্যে গৃহীত অনুষ্ঠানমালার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

    সূত্র: বাসস

     

  • টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই সনদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

    টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই সনদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: জিআই (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন্স) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া টাঙ্গাইলের শাড়ি, নরসিংদীর অমৃত সাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লার জিআই সনদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আজ রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রী পরিষদের সভার শুরুতে এই তিনটি পণ্যের জিআই সনদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন শিল্প মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ও সচিব জাকিয়া সুলতানা।

    এর আগে টাঙ্গাইল শাড়িকে ভারতের জিআই পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।  ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’ বাংলাদেশের একটি জেলার দীঘদিন ধরে উৎপাদন হচ্ছে এবং সেই জেলার নামানুসারে শাড়িটির নামকরণ হওয়া সত্বেও ভারত দাবি করে “টাঙ্গাইল শাড়ি’ তাদের নিজম্ব পণ্য। ভারত সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টে টাঙ্গাইল শাড়িকে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, এটি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের বহিঃপ্রকাশ।

    ওই পোস্টের নিচে অনেক বাংলাদেশি ব্যবহারকারীকে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়। তাদের বক্তব্য টাঙ্গাইল বাংলাদেশের একটি জেলার নাম এবং ওই শাড়িটির উৎপত্তি এই জেলায়। কিন্তু এই বিতর্কের প্রেক্ষাপট রচিত হয়েছে আরো এক মাস আগে। চলতি বছরের জানুয়ারির দুই তারিখে টাঙ্গাইল শাড়িকে পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক নির্দেশকপণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

    ভারতের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, ডিজাইন অ্যান্ড ট্রেড মার্কস বিভাগের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সুন্দরবনের মধুও এই রাজ্যটির নিজস্ব পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন রেজিস্ট্রি’র তথ্য বলছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হস্তশিল্প বিভাগ এর জন্য আবেদন করেছিলো ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে।

    টাঙ্গাইল শাড়িকে ধরা হয় নদীয়া ও পূর্ববর্ধমানের পণ্য হিসেবে। একইসাথে মুর্শিদাবাদের গরদ ও করিয়াল নামে আরো দুটি শাড়িও যুক্ত হয় জিআই নিবন্ধিত তালিকায়।

    বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবশ্য জিআই’র তালিকায় টাঙ্গাইল শাড়ির উপস্থিতির কথা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন।

    এই ধরনের একটি খবর প্রকাশের প্রর বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি পর্যায়ে প্রতিবাদ আসতে থাকে। এদিকে আটই ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্টস, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক বিভাগ (ডিপিডিটি) টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি জার্নাল প্রকাশ করে।

    কোনও পণ্যের জিআই সনদ পেতে হলে কোনও একটা সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানকে ডিপিডিটি বরাবর আবেদন করতে হয়। তাই, টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি পেতে গত ছয়ই ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম ডিপিডিটি’র কাছে আবেদন করেছিলেন।

    তার আবেদনে সাড়া দিয়েই ডিপিডিটি টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। এই শাড়ির ইতিহাস, ঐতিহ্য, বুনন পদ্ধতি ও নিজস্বতা তুলে ধরে প্রকাশ করে জার্নাল নং ৩২।

     

    জেলা প্রশাসকের করা আবেদনপত্রে বলা হয়েছে যে টাঙ্গাইল শাড়ি মূলত চার প্রকার এবং এখানে এই শাড়ির বৈশিষ্ট্যকে মোট ছয়টি ভাগে ভাগ ধরা হয়েছে।

    সেগুলো হলো:

    • টাঙ্গাইল শাড়ি সম্পূর্ণ হাতে বোনা হয়। তবে বর্তমানে মেশিন তাঁতেও বুনন করা হয়ে থাকে।
    • টাঙ্গাইল জেলা যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এখানকার জলবায়ু শাড়ি বোনার উপযোগী।
    • নদীর পানির বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য সুতার প্রক্রিয়াজাতকরণ (যেমন- সুতা রঙ করা, মাড় দেওয়া) ভালো হয় এবং রঙের স্থায়িত্বের পাশাপাশি কাপড়ের স্থায়িত্ব ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায়।
    • শাড়ির পাড়ের নকশায় বৈচিত্র্য রয়েছে। পুরো বুননের পর পাড়ের ও জমিনের কিছু কিছু নকশা আলাদাভাবে হাতে বুনন করা হয়।
    • আরামদায়ক একটি পরিধেয় বস্ত্র, যা যেকোনও ঋতুতে পরার উপযোগী।
    • টাঙ্গাইল শাড়ি মার্জিত, রুচিশীল ও আভিজাত্যপূর্ণ।

    টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য ও শাড়ির বর্ণনা দেয়ার জন্য এই আবেদনপত্রে ঐ অঞ্চলে প্রচলিত বিভিন্ন প্রবাদও উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, ‘নদী চর খাল-বিল গজারির বন; টাঙ্গাইল শাড়ি তার গরবের ধন’ বা, ‘চমচম, টমটম, তাঁতের শাড়ি; এই তিনে মিলে টাঙ্গাইলের বাড়ি’।

    এখানে প্রশ্ন থেকেই যায়, দু’টো দেশ থেকে একই পণ্য জিআই সনদ পেতে পারে কি-না।

    কিংবা, ভারত যদি এখন ডিপিডিটি থেকে প্রকাশিত এই জার্নালের বিরোধিতা করে, তাহলে কী হবে? অথবা, টাঙ্গাইল শাড়ি’র জিআই ফিরে পেতে বাংলাদেশের করণীয় কী হবে?

    এই আশা নিরাশার মধ্যে সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে আজ রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি), জিআই (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন্স) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া টাঙ্গাইলের শাড়িসহ তিনটি পণ্যের সনদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। বিষয়টি অবশ্যই আনন্দের ও তাৎপর্যপূণ। দেশের মানুষ এতে স্বস্তি পাবে।

     

     

     

  • আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব

    আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: গাজীপুরের টঙ্গীতে আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি, কল্যাণ কামনা করা হয়েছে। এ সময় লাখো কণ্ঠে উচ্চারিত হয় আমিন-আমিন।

    আজ রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ১৭ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয় এবং ১১টা ৪৩ মিনিটে সময় শেষ হয়। ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলবীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ আখেরি মোনাজাত শুরু করেন। চোখের পানিতে বুক ভাসিয়ে মুসল্লিরা আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানিয়েছেন, মুসলিম বিশ্বে সুখ শান্তি কামনা করেছেন।

    আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন নিজামুদ্দিনের অনুসারী ভারতের মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ কান্ধলভী। মোনাজাত শেষ হয় ১১টা ৪৩ মিনিটে।

    এ সময় আমিন আমিন ধ্বনিতে কম্পিত হয় পুরো ইজতেমা ময়দান। তুরাগ তীরে সমবেত হয়ে অশ্রুভেজা চোখে লাখ লাখ মুসল্লি দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। আল্লাহর দরবারে দুই হাত তুলে প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা চেয়ে কান্নার বুক ভাসায় দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লি। গোটা দুনিয়ায় পথভ্রষ্ট মুসলমানের সঠিক পথে চলা এবং তাবলীগের কাজে সবাইকে নিয়োজিত হওয়ার তাওফিক কামনা করে মহান আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত প্রার্থনা করা হয়। ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কল্যাণ কামনায় দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লি স্রষ্টার দরবারে কান্নাকাটি করেন। লাখো কণ্ঠে উচ্চারিত হয় আমিন-আমিন।

  • মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত শুক্রবার ( ৯ ফেব্রুয়ারি) । দুই দিন পর সব সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৩৬৯ জন। পাস করেছেন ৪৯ হাজার ৯২৩ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

    আজ রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।

    এবছর ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজের ৫ হাজার ৩৮০টি আসনে এবং ৬৭টি অনুমোদিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ৬ হাজার ২৯৫টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

    ‘বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল’ কর্তৃক প্রণীত নীতিমালার শর্তানুযায়ী ভর্তি পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর ও এসএসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ হতে প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে অর্জিত স্কোরের ভিত্তিতে মেধা ও পছন্দক্রম অনুযায়ী ৫৩৮০ জন পরীক্ষার্থীদের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মেধা কোটায় ৫ হাজার ৭২ জন, ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৫৬৯ জন ও পশ্চাদপদ জনগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত আসনের ৩৯ জন নির্বাচিত হয়েছে।

    ভর্তিচ্ছু আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার ফল ওয়েবসাইটে জানতে পারবেন। এ ছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেও ফলাফল বিষয়ক তথ্য প্রকাশ করা হবে। আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

  • আমরা চাই কৃষকরা পণ্যের ভালো দাম পাবে: প্রধানমন্ত্রী

    আমরা চাই কৃষকরা পণ্যের ভালো দাম পাবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আমরা চাই কৃষকরা পণ্যের ভালো দাম পাবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  তিনি বলেন, “অবৈধ মজুদদারি, চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। আমরা চাই কৃষক ভালো দাম পাবে। কিন্তু অবৈধ মজুদদারি এবং চাঁদাবাজি বন্ধে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।”

    আজ শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “৮১টা সংস্কার প্রস্তাব কার্যকর করে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন করে দিয়েছি। নির্বাচন কমিশন যাতে নিরপেক্ষ কাজ করতে পারে, সে ব্যবস্থা করেছি। এই সাহস আওয়ামী লীগেরই আছে। যার কারণে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। সব বাহিনী নিরপেক্ষভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।”

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, “নির্বাচন উন্মুক্ত করে দেওয়ায় দলে অনেক মন কষাকষি হয়েছে। যেটা হয়েছে ভুলে যেতে হবে। সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। যদি সমস্যা দেখা দেয়, আমরা কেন্দ্রীয় কমিটি আছি। দেখবো। নিজেরা সংঘাত করা যাবে না।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেকে চেয়েছে, নির্বাচন অবাধ ‍ও সুষ্ঠু না হোক, তাতে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে এবং স্যাংশনস দেওয়া যাবে। স্যাংশনস নিয়ে আমি বলেছিলাম, আমরাও স্যাংশনস দিতে পারি। না জেনে বলি নাই। আমি স্যাংশনসের সব জানি বলেই বলেছি।”

    বিএনপির উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারে যাতে না আসতে পারে, বারবার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। জনগণ আমাদের শক্তি, তারা চেয়েছে বলেই এসেছি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ আমাদের শক্তি। এই দলটির নেতাকর্মীদের ত্যাগের বিনিময়ে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আজ আমরা এখানে।”

    তিনি আরও বলেন, “বারবার নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত হয়েছে। সব চক্রান্ত মোকাবিলা করে আমরা ক্ষমতায় এসেছি। ২০১৪ সালে চেষ্টা করেছে, নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি। ২০১৮ সালেও এসে আবার পরাজয় জেনে সরে গেছে। নির্বাচন যেন না হয়, সে অপচেষ্টা করেছে। এবারও বানচাল করার চেষ্টা করেছে। এখনো লম্ফঝম্প করছে। কিন্তু কোনো লাভ হবে না। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে।”

    সভায় সূচনা বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

    এতে অংশ নেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জেলা, মহানগর ও উপজেলা, থানা, পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সংসদের দলীয় ও স্বতন্ত্র সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়র এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকরা।

  • আজ বিশ্ব ইজতেমায় দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত

    আজ বিশ্ব ইজতেমায় দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।আজ শুক্রবার গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগতীরে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার জামাত। নামাজে ইমামতি করবেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে ইউসুফ বিন সাদ কান্ধলভী।

    আজ শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে নামাজ শেষ হয়। দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজে শরিক হতে ইজতেমায় অংশ নেওয়া মুসল্লির পাশাপাশি গাজীপুরের আশপাশের বিভিন্ন জেলার মুসল্লিরা আজ দলে দলে ইজতেমা ময়দানে আসেন।

    জানা গেছে, শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ফজরের নামাজের পর উর্দু ভাষায় বয়ান করেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর ছোট ছেলে মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ কান্ধলভী, আর তা বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশি মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। আর সকাল ১০টায় ভারতের মাওলানা ইলিয়াস তালিম করেন এবং নামাজের আগে জুমার ফাজায়েলের ওপর বয়ান করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ।

     

    মুসল্লির মৃত্যু:

    বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে চার জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

    তারা হলেন- শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫),  দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।

    রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

  • পাকিস্তান আর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের মধ্যে অনেক পার্থক্য: সেতুমন্ত্রী

    পাকিস্তান আর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের মধ্যে অনেক পার্থক্য: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: পাকিস্তান আর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের মধ্যে অনেক পার্থক্য, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, “পাকিস্তানের গণতন্ত্র আর বাংলাদেশের গণতন্ত্র যোজন যোজন দূরের ব্যবধান। দুনিয়ার কোন দেশে তত্ত্বাবধায়ক নেই, কিন্তু পাকিস্তানের তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক ধরে রেখেছে। দুই দেশের মধ্যে পার্থক্যটা হল আমাদের দেশের নির্বাচন নিয়ে বিদেশী শক্তি বিশেষ করে পশ্চিমা বিশ্ব যেভাবে মাতামাতি করে। ভিসা নীতি মিশে থাকার বিষয় আনে কিন্তু পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এ নিয়ে মাতামাতি নেই।”

    আজ শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানী ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের নির্বাচনে সহিংসতা, ভোট কারচুপি, জালিয়াতি, ৯ জনের প্রাণহানিও ঘটেছে। দেশটির বেলুচিস্তানে বোমা বিস্ফোরণ কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়েছে্।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমরা গণতন্ত্রের ট্রু ফর্ম অনুসরণ করি। নির্বাচনে বিরোধীদল আসেনি, কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। আমরা বলছি না আমাদের গণতন্ত্র শতভাগ পারফেক্ট। গণতন্ত্রের সবক দেয় যে পশ্চিমা বিশ্ব তারাও পারফেক্ট নয়।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের দলের সুদৃঢ় ঐক্যের দরকার। গত নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। কৌশলগত কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচন করেছে। যে নির্বাচনে ৬২ জন নির্বাচিত হয়েছেন। তারাও কিন্তু আওয়ামী লীগের। অনেকে আওয়ামী লীগের পদধারীও আছে।”

    তিনি বলেন, “নির্বাচনে নিজেদের মধ্যে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি, মতবিরোধ, দ্বন্দ্ব, সংঘাতের মতো দুঃখজনক ঘটনাও ঘটেছে। এসব হানাহানি দলের অভ্যন্তরে অন্তর কলহ এসব বিষয়ের অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে দলে সুদৃঢ় ঐক্য দরকার।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “সবকিছু ভুলে গিয়ে উপজেলা নির্বাচন, মেয়র নির্বাচন পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচন কি ঘিরে যেন মনোমালিন্য কোন সংঘাত সৃষ্টি না সেজন্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সবার মধ্যে ঐক্যবদ্ধ আবহ তৈরির জন্য এই বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন।”

    বিএনপি মহাসচিব প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “যতটুকু জানি তার অনেকগুলো মামলায় জামিন হয়েছে। একটি মামলা প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় তার ক্ষেত্রে একটু অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হয়তো একটা সময় জামিন হয়ে যাবে। একজন বিনা বিচারে আটকে থাকবে এটা সরকারও চায় না। জামিন হয়নি, ভবিষ্যতে হবে না এটা ঠিক নয়।”

    তিনি বলেন, “বিএনপি নেতাদের বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। একেক জন একেক কথা বলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপি’র মুখপাত্র। তিনি বললে সেটা দলের বক্তব্য।”

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশের চিকিৎসা প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, “পারিবারিকভাবে আবেদনটা করুক। স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় কিভাবে সুপারিশ করে তারপর বলা যাবে।”

    সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম ও সুজিত রায় নন্দী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিলসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • পরবর্তী প্রজন্মের ডাক্তাররা সততার সঙ্গে কাজ করবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    পরবর্তী প্রজন্মের ডাক্তাররা সততার সঙ্গে কাজ করবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: পরবর্তী প্রজন্মের ডাক্তাররা সততার সঙ্গে কাজ করবে, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “আমি চাই দেশে সৎ ও উন্নত মানের ডাক্তার তৈরি হোক। নিজে সারাজীবন সৎ থেকেছি, এদেশের পরবর্তী প্রজন্মের প্রতিটি ডাক্তারও সততা নিয়ে, স্বচ্ছতা নিয়ে মানুষের সেবা করে জীবন পার করে দিবে আমি সেটাই চাই।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস/বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার দুটি কেন্দ্র রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ কেন্দ্র এবং  সকাল সাড়ে ১০ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলন ।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “এবারের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস/বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। সকল কেন্দ্রেই বিশেষ সতর্কতা নেওয়া ছিল। প্রতিটি প্রশ্নপত্র বহনকারী ট্রাঙ্কে একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস লাগানো ছিল, যার মাধ্যমে অধিদপ্তর হতে পরীক্ষা কেন্দ্রে আনা নেওয়া কার্যক্রম মনিটরিং করা হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “পরীক্ষাকেন্দ্রে কেন্দ্র ম্যাজিস্ট্রেট সহ কারো কাছেই কোনরকম মোবাইল যন্ত্র এলাউড ছিল না। কোন মেডিকেল কোচিং গত এক মাস খোলা ছিল না। পরীক্ষার আগের দিন ফেসবুকে কোনরকম প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানোর সুযোগ দেয়নি আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে। মোট কথা, এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় যতরকম সতর্ক থাকা যায়, আমরা থেকেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “এবছর এমবিবিএস ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনয়ন, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি মেডিকেল কলেজে বিগত কয়েক বছর অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্নকরণ এবং ডিজিটালাইজেশনের ফলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হয়েছে এবং একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।”

    স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটু মিয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, ঢাকা মেডিকেল এর অধ্যক্ষ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এসময়  মন্ত্রীর সাথে ছিলেন।

    আজ সকাল ১০টা হতে ১১ টা পর্যন্ত ০১ ঘন্টাব্যাপী দেশের ১৯টি পরীক্ষা কেন্দ্রের ৪৪টি ভেন্যুতে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজের মোট ৫ হাজার ৩৮০ টি আসনের বিপরীতে এবং বেসরকারি পর্যায়ে অনুমোদিত ৬৭ টি মেডিকেল কলেজের মোট ৬ হাজার ২৯৫ টি আসনের বিপরীতে এবছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

  • আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা

    আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আগামীকাল ৯ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজসমূহে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে । সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ১ ঘণ্টাব্যাপী দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৪৪টি ভেন্যুতে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা।

    আজ বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

    তিনি জানান, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ৫৩৮০টি আসন এবং বেসরকারি পর্যায়ে অনুমোদিত ৬৭টি মেডিকেল কলেজে মোট ৬২৯৫টি আসনের বিপরীতে এই ভর্তি পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হবে।

    মন্ত্রী বলেন, “এমবিবিএস ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি মেডিকেল কলেজে বিগত কয়েক বছর অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্নকরণ এবং ডিজিটালাইজেশনের ফলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হয়েছে এবং একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।”

    সামন্ত লাল সেন বলেন, “ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনিয়ম রোধ এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধের লক্ষ্যে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে অনলাইন প্রক্রিয়ায় শুরু হওয়ায় প্রকৃত শিক্ষার্থীদের হয়রানি, অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের পথ বন্ধ হয়েছে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় বিষয়টি জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে।”

     

    ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য :

    • প্রশ্নপত্র বহনকারী ট্রাকে একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস রয়েছে যার মাধ্যমে অধিদপ্তর হতে পরীক্ষা কেন্দ্রে আনা নেওয়া কার্যক্রম মনিটরিং করা হয়।
    • পরীক্ষার দিন কেন্দ্র/ভেন্যুর গেট খুলবে সকাল ৮টায়। পরীক্ষার দিন সকাল ৯.৩০ মিনিটের পর কোন পরীক্ষার্থী হলে প্রবেশ করতে পারবেন না।
    • পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি নিয়ে আসবেন।
    • কেন্দ্র/ভেন্যু-তে পরীক্ষার্থীদের (ছেলে ও মেয়ে) পৃথক পৃথক তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র ও বল পয়েন্ট কলম ব্যতীত অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেলক্ষ্যে মেটাল ডিটেক্টরের পাশাপাশি আর্চওয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রবেশের বিষয়টি তদারক করা হবে।
    • ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র/ভেন্যুতে সকাল ৮টা থেকে শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করতে ইনভিজিলেটরগণ (কক্ষ পরিদর্শক) সকাল ৮টা হতে পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষে অবস্থান করে প্রবেশপত্রে পরীক্ষার্থীর ছবির জলছাপ ও রঙিন ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারা মিলিয়ে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।
    • পরীক্ষার্থী, ইনভিজিলেটর ও ভেন্যুর কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মন্ত্রণালয়/অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ কোনোভাবেই মোবাইল, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্লুটুথ, এয়ারফোন, ইত্যাদি বহন করবেন না। ভর্তি পরীক্ষার হলে ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজের সঙ্গে জড়িত কেউ মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।
    • ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র/ভেন্যুতে ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারবে না।
    • ১০ জানুয়ারি ২০২৪ হতে মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টারসমূহ বন্ধের নির্দেশনার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে অফলাইন কোচিং সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও অনলাইন কোচিং বন্ধ ও সাইবার অপরাধ রোধকল্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
    • পরীক্ষার দিন পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহের আশেপাশের ফটোকপি মেশিন বন্ধ থাকবে।
    • পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রকার অসদাচরণ/প্রতারণা/গুজব ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত কাউকে চিহ্নিত করা গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
  • রমজান মাসের প্রথম ১৫ দিন স্কুল খোলা থাকবে

    রমজান মাসের প্রথম ১৫ দিন স্কুল খোলা থাকবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  – ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: শিক্ষাপঞ্জিতে এবার রমজান মাসে ছুটির তালিকায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ১৫ দিন স্কুল খোলা থাকবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। আগামী ১১ মার্চ ২০২৪ থেকে ২৫ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    এর আগে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় প্রতিষ্ঠান প্রধানের তিন দিনের সংরক্ষিত ছুটিসহ বিভিন্ন দিবস উপলক্ষ্যে মোট ৭১ দিন বন্ধ থাকবে।

    ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, জাতীয় শিশু দিবস, স্বাধীনতা দিবস, ইস্টার সানডেসহ বেশ কয়েকটি সরকারি ছুটির সমন্বয়ে টানা এক মাসের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি থাকবে। এ ছুটি শুরু হবে ১০ মার্চ থেকে চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।

    আজ ছুটির সেই তালিকায় সংশোধনী আনা হলো। সংশোধনী অনুযায়ী ১১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    অন্যদিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাত দিন এবং দুর্গাপূজা ও ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষ্যে সাত দিনের ছুটি থাকবে। তাছাড়া বছরের শেষে ১৭ ডিসেম্বর থেকে শীতকালীন ও বড়দিন উপলক্ষ্যে ১১ দিনের ছুটি চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।