Category: বাংলাদেশ

  • প্রকল্পের কাজে মানুষের আস্থা-বিশ্বাস সব থেকে বেশি দরকার: প্রধানমন্ত্রী

    প্রকল্পের কাজে মানুষের আস্থা-বিশ্বাস সব থেকে বেশি দরকার: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: প্রকল্পের কাজে মানুষের আস্থা-বিশ্বাস সব থেকে বেশি দরকার, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমরা অনেক প্রকল্প দিই, কাজ করি। সেই কাজগুলো যাতে যথাযথভাবে হয়, মানুষ যেন গালি না দেয়। কাজ দেখে যেন মানুষের আস্থা-বিশ্বাস আনতে পারি সেই ব্যবস্থা করবেন। এই আস্থা-বিশ্বাস সব থেকে বেশি দরকার।”

    আজ বুধবার দুপুরে গণভবনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ নির্দেশ দেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “১৯৭৫ সালের পর গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “আমি মনে করি, বাংলাদেশে সেই ’৭৫ সালের পর থেকে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে সেখানে সব থেকে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এবারের নির্বাচন হয়েছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “নির্বাচনের আগে অনেক চক্রান্ত ছিল, ষড়যন্ত্র ছিল । তিনি এ সময় স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের হাতে তৈরি দল বিএনপি’র জ্বালাও পোড়াও নৈরাজ্য এবং সন্ত্রাসের কঠোর সমালোচনা করেন।”

    তিনি বলেন, “তারা মানুষ পুড়িয়ে মারা, রেলের ফিসপ্লেট খুলে রেলের বগি ফেলে দেওয়া, রেলে আগুন দেওয়াসহ নানা অপকর্ম করে নির্বাচন ঠেকাতে চেয়েছিল। কিন্তু, এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় কথা হল জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়েছে এবং ভোট দিয়েছে। জনগণ তাদের ভোটের অধিকার যে ফিরে পেয়েছে সেটা এবার তারা যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পেরেছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৭ জানুয়ারি আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়ে গেছে। নির্বাচনের সময় সভা করেছি। নির্বাচনের পরেও টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েছিলাম, আপনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। এরপর আমি মনে করলাম আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে কোথায় পাঠালেন সেই জায়গাটা তো আপনাদের একটু দেখতে হবে। সেজন্যই আজকে আমার এখানে আপনাদের দাওয়াত, সেজন্যই আপনারা এখানে এসেছেন। তিনি গণভবন সবাইকে ঘুরে দেখারও আমন্ত্রণ জানান। কারণ, এটা তাদেরই ঘর।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে কিন্তু আপনাদের এখানে কোন রাজনীতি করতে ডাকিনি। আমি মনে করি আজকে টুঙ্গিপাড়ার থেকে এখানে উপস্থিত হয়েছেন, এই গণভবনের মাটি আজকে ধন্য হয়েছে। নির্বাচনে জয়ী হয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। সেটাও আমি মনে করি, আপনাদেরই অবদান। কারণ, আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া সেটা কখনো সম্ভব ছিল না। সেজন্য আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।”

    তিনি বলেন, “আমি এটুকুই চাই টুঙ্গিপাড়া এবং কোটালীপাড়ায় আমি বারবার প্রার্থী হয়েছি, আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, আপনারা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। আমি জানি, ’৭৫ এর পর এই সমস্ত অঞ্চলের মানুষ অত্যন্ত কষ্ট ভোগ করেছেন। যাহোক আওয়ামী লীগ সরকারি আসার পর থেকে আমরা ব্যাপকভাবে উন্নয়ন করেছি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পেরেছি। তাঁর সরকারের ভূমিহীন-গৃহহীণকে ঘর করে দেওয়াসহ জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পদক্ষেপের উল্লেখ করে নিজেদের এলাকায় ভূমিহীন-গৃহহীণ থাকলে খুঁজে বের করার আহ্বান জানান। কেননা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলায় একটি মানুষও আর ঠিকানাবিহীন থাকবে না।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে সংসদের অধিবেশনে রয়েছে। যেখানে তাঁর প্রশ্নোত্তর পর্ব রয়েছে, যেটা তিনিই চালু করেছিলেন। কারণ, তিনি মনে করেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নিজেরও একটা জবাবদিহিতা থাকা দরকার। তিনি পর্যায়ক্রমিক ভাবে তাঁর এলাকার জনগণকে ভাগ ভাগ করে সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষ করার সুযোগ করে দেবেন বলেও উল্লেখ করেন।”

    তিনি সময় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবনের স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটির উল্লেখ করে বলেন, “তিনি এবং ছোট বোন শেখ রেহানা বাড়িটিকে দান করে দিয়েছেন। যেটি একটি একটি জাদুঘরে রুপান্তরিত করা হয়েছে। যেখানে দেশ-বিদেশের মানুষ আসেন সেটা দেখার জন্য।”

    তিনি বলেন, “আমি মনে করি, আমাদের এলাকার লোকজনেরও এটা দেখার দরকার। কারণ, আপনারা এমন একটা জায়গা থেকে এসেছেন যেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই ঘুমিয়ে আছেন। কাজেই তার জীবন যাপন, ৭৫ এর মর্মান্তিক হত্যাকান্ড, যেখান থেকেই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন-এসব অনেক কিছুই জানতে পারবেন আপনারা সেই বাড়িতে গেলে।”

    তিনি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন কাজেই আমার একটাই দায়িত্ব এই দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো আর মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। আর সেই কাজটা আমি যে নিশ্চিন্তে করতে পারছি, সেটা করতে পারছি কেবল আপনাদের জন্য। কারণ, আপনারা আমাকে সেই সুযোগটা করে দিয়েছেন। আমার সব দায়িত্বতো আপনারাই নিয়েছেন। আমার কোন কষ্ট নেই। আমার মনে হয়, এই দায়িত্বটা যদি আপনারা না নিতেন- বাবা মা ভাই হারিয়েছি, আমার জন্য আমার হয়ে বলার কে আছে? কিন্তু আজকে আপনারা আমাকে সেই সাহস দিয়েছেন, শক্তি দিয়েছেন। যার জন্য আমি নিশ্চিন্ত মনে দেশের কাজ করতে পারছি। দেশের মানুষের কাজ করতে পারছি ।”

    তিনি বলেন, “আমার এলাকায় নির্বাচন পরিচালনার জন্য কমিটি করা থেকে শুরু করে যেভাবে আপনারা কাজ করেছেন এটা সারা বাংলাদেশের সমস্ত প্রার্থীর জন্য একটা দৃষ্টান্ত হয়ে গেছে এবং আমাদের অনেক প্রার্থী ও তা অনুসরণ করেছেন।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “এটা বাস্তব যে এই ১৫ বছরে বাংলাদেশকে আমরা বদলে দিতে পেরেছি। সব থেকে বড় কথা আজকে পদ্মা সেতু হয়ে গিয়েছে বলেই সকলে খুব সহজেই আপনারা (গোপালগঞ্জ সহ দক্ষিণবঙ্গ থেকে) চলে আসতে পারছেন।”

    জাতির পিতা কন্যা বলেন, “বিশ্ব ব্যাংক ভুয়া দুর্নীতির অভিযোগ দিয়েছিল। সেটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে প্রমাণ করেছেন যে এখানে কোন দুর্নীতি হয়নি এবং নিজের টাকায় পদ্মা সেতু করে বিশ্বকে দেখিয়েছেন যে আমরাও পারি।”

    তিনি বলেন, “সামনে আমাদের যাত্রা পথ এত সহজ নয়। আমাদেরকে অনেক বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করতে হয়। অনেক চক্রান্তই বাংলাদেশটাকে ঘিরে আছে।”

    প্রধানমন্ত্রী এ সময়, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ফ্রিলান্সার তৈরী করায় সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন। যাতে ঘরে বসেই দেশ- বিদেশে কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায় এবং উদ্যোক্তা তৈরীতে তাঁর সরকারের পদক্ষেপ ও বিনা জমানতে ঋণ সুবিধা প্রদান সহ সরকার প্রদেয় বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার উল্লেখ করেন।

    কোনরকম পরীক্ষায় একটা পাশ করে চাকরির পেছনে না ছুটে যুব সমাজকে নিজের বস নিজে হবার মাধ্যমে আরো ১০ জনের কর্মসংস্থানে এগিয়ে আসার জন্য আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাবারও আহ্বান জানান তিনি ।

    ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধসহ বিশ্বব্যাপী যুদ্ধাবস্থার জন্য খাদ্য ক্রয়মূল্য এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতির কারণে নির্দিষ্ট আয়ের মানুষদের অসুবিধা হবার কথা উল্লেখ করে সারাদেশের প্রতি ইঞ্চি জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনার মাধ্যমে সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোয় তাঁর আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার জনগণও পিছিয়ে থাকবেনা মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাসের পাশপাশি বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবার আহ্বানও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, “যারা নির্বাচিত চেয়ারম্যান মেম্বাররা আছেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, আমরা অনেক প্রকল্প নেই এবং কাজ করি, সেই কাজগুলো যাতে যথাযথভাবে হয়। মানুষ যেন এই কাজের সুফল পেতে পারে এবং এর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই স্থানীয় সরকারের যে কাজগুলো সেগুলো আপনারা করবেন। কাজের মানটা যেন ঠিক থাকে এবং কাজগুলো যেন যথাযথভাবে হয়। যেভাবে কাজ করলে পরে দেশের মানুষের কল্যাণ হবে, দেশের মানুষের উন্নতি হবে।”

    শেখ হাসিনা জানিয়েছে, তাঁর একটাই আকাক্সক্ষা শেষ জীবনে তিনি টুংগীপাড়ায় থাকবেন। যেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘুমিয়ে আছেন।

    সূত্র: বাসস

  • যারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন তাদের ফেরত নেবে মিয়ানমার: সেতুমন্ত্রী

    যারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন তাদের ফেরত নেবে মিয়ানমার: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: যারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন তাদের ফেরত নেবে মিয়ানমার, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “মিয়ানমারের সংকটের কারণে তাদের বর্ডার গার্ড পুলিশের সদস্যসহ ৩ শতাধিক সেনা সদস্য বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। ঢাকায় নিয়োজিত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেছেন, যারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন তাদের ফেরত নেবে মিয়ানমার।”

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বনানীতে সেতুভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মলনে তিনি এ কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “রোহিঙ্গাদের নতুন করে অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে আগের মতো উদারতা দেখাবে না বাংলাদেশ।”

    তিনি বলেন, “মিয়ানমারের সঙ্গে যারা জড়িত, বিশেষ করে চীন ও ভারতের সঙ্গে কথা হচ্ছে। চীনের সঙ্গে কথা বলা হবে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত সফরে আছেন, সেখানেও কথা উঠবে। এর আগে অজিত দোভাল এ ব্যাপারে কথা বলে গেছেন।”

    বিএনপির করা এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপির সকল আন্দোলনে ব্যর্থ হওয়া, নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার পর তারা এখন হতাশার মধ্যে আছে। এখন তাদের কথা বলার অন্য কোনো বিষয় নেই। এই হতাশা থেকে বিএনপি আবোল তাবোল বকছে। তাদের এ কথার জবাব দেওয়ার মতো সময় আমার কাছে নেই।”

  • সীমান্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: মহাপরিচালক বিজিবি

    সীমান্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: মহাপরিচালক বিজিবি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: সীমান্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। তিনি বলেন, “সীমান্তে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদা তৎপর রয়েছে।”

    আজ বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিজিবির কক্সবাজার অঞ্চলের আওতাধীন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    বিজিবি মহাপরিচালক বুধবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা ও আশেপাশের বিজিবি ফাঁড়ি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের খোঁজ-খবর নেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন।

    বিজিবি’র মহাপরিচালক বলেন, “মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতে সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এতে বিজিবি সর্বোচ্চ ধৈর্য ধারণ করে মানবিক ও আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করে যাচ্ছে।”

    পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি), সেনাবাহিনী, ইমিগ্রেশন সদস্য, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সকল সদস্যদের খোঁজ খবর নেন এবং আহত অবস্থায় চিকিৎসারত বিজিপি সদস্যদের দেখতে যান।

    পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিজিবি’র নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মেনে ধৈর্য ধারণ করে, মানবিক থেকে এবং আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, অবৈধভাবে আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।”

    বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয়রতদের বিষয়ে বিজিবি প্রধান বলেন, “তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় মিয়ানমারের সাথে আলাপ আলোচনা করে যাচ্ছে। যারা আশ্রয় নিয়েছেন তাদের সাথে আলাপ করেছি। তারাও দ্রুত ফেরত যেতে আগ্রহী।”

    সীমান্তে সংঘর্ষের জের ধরে বিচ্ছিন্নভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গুলি ও মর্টার শেল এসে পড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে- মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, “সংঘর্ষে গোলাগুলির ঘটনায় সীমান্ত অতিক্রম করে গুলি ও মর্টার শেল আসা এবং হতাহতের বিষয়টি প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ও মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমরা চাই, এপারে যাতে গুলি এসে পড়া শূণ্যের কোটায় এসে পৌছায়।”

    পরিস্থিতি সার্বিক নজরদারী, স্থানীয় প্রশাসনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলকে অবহিত করা হচ্ছে মন্তব্য করে- বিজিবি প্রধান বলেন, “বিজিবি সর্বোচ্চ সজাগ ও ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সীমান্তে বসবাসকারীদেরও সর্তক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।”

  • দেশীয় খেলাগুলো আবার চালু করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

    দেশীয় খেলাগুলো আবার চালু করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

     www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: দেশীয় খেলাগুলো আবার চালু করা উচিত, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমাদের ছেলে-মেয়েরা মেধাবী। সুযোগ করে দিলে তারা আরো ভালো করতে পারবে। সব ধরনের খেলাকে আমাদের হাতে আনতে হবে। আমাদের কিছু দেশীয় খেলা, সেই ডাংগুলি থেকে শুরু করে, বিভিন্ন খেলাধুলা আগে প্রচলিত ছিল। সেগুলো আমাদের আবার চালু করা উচিত। আমাদের নিজস্ব দেশীয় খেলাগুলো, হাডুডু থেকে শুরু করে সবগুলো খেলা সক্রিয় রাখতে উদ্যোগ নিতে হবে। আমাদের ছেলে-মেয়েরাসহ সবাই মিলে উদ্যোগ নেবেন যেন দেশীয় খেলাগুলো হারিয়ে না যায়।”

    আজ বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি রাজশাহীতে ৫২তম শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির পিতা নিজেই খেলাধুলার প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন। আমি মনে করি, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে বলে আমাদের ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলার ব্যাপক সুযোগ পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পর্যন্ত তাদের দক্ষতা প্রমাণ রাখতে পারছে। জাতির পিতার উদ্যোগে স্বাধীনতার পর এই শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল। আমাদের পরিবার সবসময় খেলাধুলার সঙ্গে জড়িত ছিল। আমার দাদা নিজেই ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন, আমার বাবাও ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন এবং আমার ভাই জামাল, কামাল, রাসেল সবাই স্পোর্টসের সঙ্গে জড়িত ছিল। এমনকি কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লু উপাধি পেয়েছিল। জামালের স্ত্রী পারভীন জামালও খেলাধুলার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। খেলাধুলার উন্নতি করাই আমাদের লক্ষ্য।”

    তিনি বলেন, “আমাদের ছেলে-মেয়ের নাতিপুতিটাও ফুটবল খেলে। ফুটবল হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা, তার সঙ্গে আমাদের দেশীয় অন্যান্য খেলাধুলাও বেশি আকর্ষণ করে গড়ে তোলা উচিত। দেশীয় খেলাকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। খেলাধুলার মধ্য দিয়ে শারীরিক চর্চা হয়, খেলাধুলার মধ্য দিয়ে বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি হয়। প্রতিযোগিতার পাশাপাশি বন্ধুত্বের একটা সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। সে কারণে খেলার প্রতি আরো দৃষ্টি দেওয়া উচিত। আমরা সরকার গঠনের পর থেকে খেলাধুলার প্রতি আরো মনোযোগী হয়েছি। যে কারণে প্রাইমারি স্কুলে মেয়েদের বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট, ছেলেদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু করি। পাশাপাশি আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতা যেমন শুরু হয়েছে। শুধু ফুটবল ক্রিকেট না, সব ধরনের খেলাধুলার দরকার। আন্তঃস্কুল, আন্তঃকলেজ, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয়ে খেলাধুলার প্রতিযোগিতা গড়ে তোলা দরকার। তাহলে খেলাধুলার মধ্যে আমাদের ছেলেমেয়েদের যেমন শরীর চর্চা হবে, মন-মানসিকতার উন্নতি ঘটবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের ছেলে-মেয়েদের আরও উন্নত প্রশিক্ষণ দরকার। সেজন্য প্রশিক্ষক তৈরি করা একান্তভাবে দরকার। আমরা প্রত্যেকটা বিভাগে একটি করে ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলব, বিকেএসপি আটটা বিভাগে আটটা হবে। যেখানে আমাদের ছেলে-মেয়েরা ছোটবেলা থেকে খেলাধুলায় আরো পারদর্শী হবে। আজকে আমাদের ভালো খবর হলো যে ভুটানকে আমরা চার গোলে হারিয়েছি। ফুটবলে আমাদের মেয়েরা খুব ভালো করছে। খেলাধুলার দিক দিয়ে মেয়েরা একটু বেশি এগিয়ে যাচ্ছে মনে হচ্ছে, ছেলেরা পিছিয়ে নেই তবে আরও এগিয়ে যাবে। ছোটবেলা থেকে যদি ভালো ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে পারি তাহলে তারা তাদের দক্ষতার পরিচয় দিতে পারবে।

    সরকারপ্রধান আরও বলেন, “আমরা প্রত্যেকটা উপজেলা পর্যন্ত খেলার মাঠ, মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করছি। আমাদের বেশ কয়েকটা হয়ে গেছে আরো বাকি আছে। এটা তৈরি করার উদ্দেশ্য হলো আমাদের ছেলে-মেয়েরা যেন সারা বছর খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।”

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী সিটি করপোরেশন মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। অনুষ্ঠানটি রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

  • বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে

    বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার ও ট্রাস্টি মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস পাঠানো শুভেচ্ছা পত্রে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন মেয়াদ শুরু করায় তাঁকে শুভকামনা জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, “আমি বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সকলের সাথে যোগ দিয়েছি যে, আমরা বাংলাদেশের সাথে আমাদের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বকে কতটা মূল্যায়ন করি তা প্রকাশ করার জন্য। আমরা এসডিজি এবং সরকারের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোকে সমর্থন অব্যাহত রাখার আশা করছি।”

    মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস বলেন, “বাংলাদেশ প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনা গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক উদাহরণ হতে প্রস্তুত। আমরা দূরদর্শী ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগসহ আপনার আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যগুলোর জন্য চলমান সহায়তা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    তিনি বলেন, “একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল আর্থিক ইকোসিস্টেম বিকাশে এটুআই ও আইসিটি’র সাথে আমাদের ফাউন্ডেশনের অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং আমরা ২০৪১ সালে আপনার স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশনে অবদান রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে সহযোগিতা করছি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের ফাউন্ডেশন সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে শরিক হয়েছে।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের মুখে ধানের প্রজনন আধুনিকায়ন এবং উৎপাদনশীলতা বজায় রাখতে তারা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাথে কাজ করছেন।”

    বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার ও ট্রাস্টি পুষ্টি বিষয়ে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা সফলভাবে সম্পন্ন করা এবং জাতীয় খাদ্য ও নিরাপত্তা নীতি ২০২০-২০৩০ পাস করায় শেখ হাসিনা সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, “ফাউন্ডেশনের পুষ্টি দল বৃহৎ আকারের খাদ্য মজুদকরণের মাধ্যমে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি দূর করার দিকে মনোনিবেশ করছে। আমি আশা করি আমরা আপনার সরকারের সাথে আমাদের সহযোগিতা বাড়াতে পারব।”

    তিনি বলেন, “তারা ডিপিএইচই এবং এটুআই এর সাথে বাংলাদেশে একটি স্যানিটেশন ডেটা কমান্ড সেন্টার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম।”

  • রোহিঙ্গা সমস্যার আন্তর্জাতিক সমাধানের চেষ্টা চলছে: সেতুমন্ত্রী

    রোহিঙ্গা সমস্যার আন্তর্জাতিক সমাধানের চেষ্টা চলছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: রোহিঙ্গা সমস্যার আন্তর্জাতিক সমাধানের চেষ্টা চলছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। রোহিঙ্গা ইস্যুতে যে সমস্যা সেটা আন্তর্জাতিকভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে। তাদের সঙ্গে যুদ্ধের কোনো কারণ নেই। মিয়ানমার নয় শুধু, কারো সঙ্গে আমরা যুদ্ধে জড়াতে চাই না।”

    আজ মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এর আগে তিনি সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রির বুথ পরিদর্শন করেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আমরা একে অন্যের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত না। তাদের ইন্টারনাল কনফ্লিক্ট এসে সীমান্তে গড়াচ্ছে। ছিটকে এসে পড়ছে আমাদের সীমান্তে। একজন নারী ও পুরুষ মারা গেছে। এসব ব্যাপারে আমাদের ফরেন মিনিস্ট্রি মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকেছে।”

    তিনি আরো বলেন, “মিয়ানমারের সংঘাতের সঙ্গে সেন্টমার্টিন বা বঙ্গোপসাগরের ভূরাজনৈতিক কোনো সম্পর্ক আছে, সেটা আমি মনে করছি না। এই সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাদের ৫৪টির মতো এথনিক কমিউনিটি আছে। এই এথনিক কমিউনিটিগুলো ইতোমধ্যে বিভিন্ন জায়গা দখলে নিয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের অভ্যন্তরীণ সংঘাত। আমাদের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ নেই।”

    এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, “আগামী শনিবার আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের আমাদের দলের প্রার্থী বাছাই একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়। এখন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ চলছে। সময় তিনদিন। কেউ চাইলে ফরমটি পূরণ করে সঙ্গে সঙ্গে জমা দিতে পারবেন। আমরা আশা করছি নির্বাচন কমিশন এর ভেতরেই দিন ঘোষণা করবে। তারপর আমরা আমাদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করব।”

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।

  • মিয়ানমারের বিষয়টি স্বাভাবিক কারণে আলোচনায় আসবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    মিয়ানমারের বিষয়টি স্বাভাবিক কারণে আলোচনায় আসবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: ভারত সফরে মিয়ানমারের বিষয়টি স্বাভাবিক কারণে আলোচনায় আসবে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।তিনি বলেন, “আমরা সবসময় ভারতের সহযোগিতা চেয়ে এসেছি। মিয়ানমার থেকে যাদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের সহায়তা আমরা বহু আগে থেকেই চেয়েছি। সুতরাং এ বিষয়গুলো স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় উঠবে।”

    আজ মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়া‌রি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে আয়োজিত এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে তিনি এ তথ‌্য জান‌ান।

    তিন দি‌নের সফ‌রে আজ দি‌ল্লি যাওয়ার কথা র‌য়ে‌ছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। সফ‌রে মিয়ানমার প‌রি‌স্থি‌তি তোলা হ‌বে কিনা-জান‌তে চান সাংবা‌দিকরা। জবা‌বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব‌লেন, “ভারতে গিয়ে আমার সেই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও নিরাপত্তা উপ‌দেষ্টার স‌ঙ্গে দেখা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে আমরা সার্বিক বিষয়গুলো আলোচনা করব, যেহেতু মিয়ানমার ভারতেরও প্রতিবেশী রাষ্ট্র, আবার আমাদেরও প্রতিবেশী রাষ্ট্র।”

    মিয়ানমা‌রের রাষ্ট্রদূত‌কে তলবের প্রস‌ঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব‌লেন, “আজ মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডাকা হয়েছিল। ডেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তাদের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে আমাদের দেশে তাদের মানুষদের প্রবেশ… একইসঙ্গে তাদের গোলাবারুদ আমাদের এখানে এসে পড়া ছাড়াও আমাদের দেশের মানুষের আহত-নিহত হওয়ার বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে যেখানে আমরা কাজ করছি। সেই প্রেক্ষাপটে এ ঘটনা অনভিপ্রেত, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য। এটা আমরা জানিয়েছি।”

    মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ‌কে প্রবেশ করতে দেওয়া হ‌চ্ছে কিনা-জান‌তে চাইলে হাছান মাহমুদ ব‌লেন, “ওপার সীমান্তে যেসব বিজিপি সদস্য পরিবারসহ থাকত, তারা এসেছে। এই বাইরে কেউ নয়। গতকাল এবং আজ মিয়ানমার সিমান্ত অতিক্রম করে ২৬৪ জন বিজিপি সদস্য এসেছে। এর মধ্যে আর এসেছে কিনা জানি না। তবে আসার সম্ভবনা আছে। মিয়ানমার থে‌কে বাংলা‌দেশ সীমা‌ন্তে ৩০টির মতো মর্টার‌শেল এবং দুইজনের নিহত হওয়ার তথ‌্যও তু‌লে ধ‌রেন তিনি।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও ব‌লেন, “আজ আমরা কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি। এটি গ্রহণযোগ্য নয়, সেটি জানিয়েছি। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত তার সরকারের কাছে আমাদের কড়া প্রতিবাদের বার্তাটি পৌঁছে দেবেন বলে জানিয়েছেন।”

    তিনি ব‌লেন, “তারা তাদের নাগরিকদের (চলমান প‌রি‌স্থি‌তির কার‌ণে যারা বাংলা‌দে‌শে প্রবেশ ক‌রেছে) নিয়ে যাবে— সেই মর্মে আমাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় রয়েছে। তারা নৌরুটে তাদেরকে নিয়ে যাবে বলে প্রেফার করছে।”

  • দূষণ রোধে পরিবেশ ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে: পরিবেশমন্ত্রী

    দূষণ রোধে পরিবেশ ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে: পরিবেশমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: দূষণ রোধে পরিবেশ ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, বলে জানিয়েছে বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, মানুষের জীবন নির্ভর করে পরিবেশের ওপর। বায়ু ও শব্দদূষণ, প্লাস্টিক দূষণ রোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে আর্থ বা পরিবেশ ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

    তিনি আজ মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, “একটি কল্যাণময়, অসাম্প্রদায়িক এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। বিশ্বে জায়গা পেতে জাতিকে নারী পুরুষ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডেও অংশগ্রহণ করতে হবে।”

    প্রতিষ্ঠানটিতে সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজে সোলার প্যানেল স্থাপনের ঘোষণা দেন।

    ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মো. সাবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী,  গভর্নিং বডির সদস্য আনোয়ার কবির ভূইয়া, শিক্ষক প্রতিনিধি চাঁদ সূলতানা ও ডক্টর ফারহানা খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও অতিথিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে স্কুলের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে। এ সময় তারা প্রতিষ্ঠানে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক ব্যবহার না করার অঙ্গীকার করে।

  • অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা হবে, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, অনলাইন পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণে নীতিমালা থাকা দরকার। এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে।

    আজ মঙ্গলবার (৬ ফিব্রুয়ারী) রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডের তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা জানান।

    চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা বেগমসহ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে। বিগত দিনে যখন সামরিক শাসন ছিল ও সামরিক শাসন থেকে উদ্ভূত দল যখন এ দেশ শাসন করেছে এবং তাদের সাথে বিভিন্ন সময় যখন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি ছিল সে সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার যে বাস্তবতা ছিল, সে জায়গা থেকে এখন আমরা কতটুকু এগিয়েছি, কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, সংখ্যাগত দিক থেকে এবং গুণগত দিক থেকে, এ তুলনামূলক বিষয়গলো নিয়ে প্রকাশনা বের করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম দেশের মানুষের কাছে এবং বিশ্ববাসীর কাছে আরো কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এখন প্রযুক্তি অনেক অগ্রসর হয়ে গেছে, মানুষের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন এসেছে। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে অধিদপ্তরের কাজে নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করতে হবে।”

    ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন ১৯৭৩ প্রয়োজনবোধে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও মতবিনিময়কালে জানান প্রতিমন্ত্রী।

    এর আগে তিনি চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্র, জাদুঘর ও গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন।

  • মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে আলোচনা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে আলোচনা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যদের তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে আলোচনা হয়েছে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “মিয়ানমার থেকে আসা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) সদস্যদের ফিরিয়ে নেবে দেশটির সরকার। ইতোমধ্যে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।”

    আজ সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

    ঢাকায় নিযুক্ত থাইল্যান্ড ও লিবিয়ার রাষ্ট্রদূতেরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে সেদেশের ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার আমাদের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তারা তাদের সীমান্তরক্ষীদের ফিরিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কীভাবে ফিরিয়ে নেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।”

    তিনি জানান, “এর আগে মিয়ানমার থেকে ভারতেও আশ্রয় নিয়েছিল মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীরা। তাদেরও ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।”

    এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত ৯৫ জন বিজিপির সদস্য বাংলাদেশে এসেছেন। আরও আসতে পারেন। তবে আমাদের সীমান্ত অরক্ষিত নয়। সেখানে আমাদের বিজিবি সজাগ রয়েছে।