Category: বাংলাদেশ

  • অবরোধে রাজধানীতে র‌্যাবের ৭০টি টহল দল কাজ করছে

    অবরোধে রাজধানীতে র‌্যাবের ৭০টি টহল দল কাজ করছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় –  ৫ নভেম্বর, ২০২৩: বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ডাকা দ্বিতীয় দফার অবরোধের সময় জনগণের জান-মাল রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে রাজধানীতে র‍্যাবের ৭০টি টহল দল কাজ করছে। আর দেশব্যাপী র‍্যাবের মোট ৩০০ টহল টিম কাজ করছে।

    আজ রবিবার (৫ নভেম্বর) র‍্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, আজ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ২ দিনের জন্য দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। জনজীবন স্বাভাবিক রাখা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুরক্ষা করতে র‍্যাব ফোর্সেস নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দেশব্যাপী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীতে ৭০টি টহল দলসহ দেশব্যাপী র‍্যাব ফোর্সেসের ১৫টি ব্যাটালিয়নের প্রায় ৩শ টহল দল নিয়োজিত থাকবে।

    তিনি আরও জানান, পাশাপাশি দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি কার্যক্রম চলমান থাকবে। কেউ যদি কোনো নাশকতা কিংবা সহিংসতার পরিকল্পনা করে তাকে সঙ্গে সঙ্গে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাব এর স্পেশাল টিম ও স্টাইকিং ফোর্স রিজার্ভ রাখা হয়েছে।

    র‍্যাবের মুখপাত্র বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে দুস্কৃতিকারী ও সন্ত্রাসীরা নাশকতা ও সহিংসতার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। যারা এ ধরণের নাশকতা ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদেরকে সিসিটিভি ফুটেজ, ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে শনাক্তপূর্বক আইনের আওতায় নিয়ে আসতে কাজ করছে র‍্যাব।

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অনলাইনে কেউ কেউ বিভিন্ন উসকানিমূলক তথ্য, মিথ্যা তথ্য বা গুজব ছড়াচ্ছে; বিভিন্ন ধরণের ভিডিও এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে জনমনে আতংঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। র‍্যাব এর সাইবার মনিটরিং টিম এ সকল দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সার্বক্ষণিক সাইবার জগতে নজরদারি রাখছে।

    অপর দিকে, নারায়ণগঞ্জের ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সতর্কতায় ।

  • মেট্রোরেলের আগারগাঁও-মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মেট্রোরেলের আগারগাঁও-মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  –  ৪ নভেম্বর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-৬ এর আগারগাঁও-মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করলেন । ফলে যানজটের নগরী ঢাকার দক্ষিণের মতিঝিল থেকে অপরপ্রান্তের উত্তরাকে এক সুতোয় বাঁধলো ঢাকার প্রথম মেট্রোরেল।

    আজ শনিবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির যানের এ অংশের উদ্বোধন করা হয়।

    উদ্বোধনের পর মেট্রোরেলে চড়ে রাজধানীর আগারগাঁও থেকে মাত্র ২৫ মিনিটে মতিঝিলে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভ্রমণকালে তিনি গণমাধ্যমকর্মী ও সফরসঙ্গীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

    মেট্রোরেলের আগারগাঁও-মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী - জাতীয় - ০৪ নভেম্বর ২০২৩ (খ)
    মেট্রোরেলের আগারগাঁও-মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী – জাতীয় – ০৪ নভেম্বর ২০২৩ (খ)

    আজ শনিবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৪১ মিনিটের দিকে বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির এ যানে আগারগাঁও থেকে যাত্রা শুরু করেন তিনি। এরপর ৩টা ৬ মিনিটে রেলের মতিঝিল প্রান্তে পৌঁছান।

    আগামীকাল রবিবার (৫ নভেম্বর) থেকে এটি সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। প্রথমে তিনটি স্টেশন চালুর মাধ্যমে এ অংশের মেট্রোরেল চলাচল শুরু হবে। স্টেশনগুলো হলো- মতিঝিল, বাংলাদেশ সচিবালয় ও ফার্মগেট।

    আগারগাঁও-মতিঝিল অংশের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে নগরবাসী ২০.১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারবেন মাত্র ৩১ মিনিটে। এতে বাঁচবে ওই পথ ব্যবহারকারী মানুষের কর্মঘণ্টা, অর্থনীতির চাকা ঘুরবে আরও দ্রুত।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৫ নভেম্বর থেকে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলাচল করা ট্রেনগুলো উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিল পর্যন্ত উভয় দিকে চলাচল করবে। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে পরবর্তী ট্রেনগুলো শুধু উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল করবে। এ সময় মতিঝিল পর্যন্ত কোনো ট্রেন আর চলাচল করবে না।

    ডিপো থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের ২১.২৬ কিলোমিটার রেলপথে মোট স্টেশন থাকছে ১৭টি। স্টেশনগুলো হচ্ছে- উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর ১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, মতিঝিল ও কমলাপুর।

    বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬ উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশ গত বছরের ডিসেম্বরে চালু হয়। ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ২১ দশমিক ২৬ কিলোমিটার এলিভেটেড মেট্রো লাইন নির্মাণের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার।

  • নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপে অংশ নিয়েছে আওয়ামী লীগসহ ১৩ দল

    নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপে অংশ নিয়েছে আওয়ামী লীগসহ ১৩ দল

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  –  ৪ নভেম্বর, ২০২৩: তফসিলের ঘোষণার আগে প্রথম ধাপের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাথে সংলাপে অংশ নিয়েছে আওয়ামী লীগসহ ১৩ দল অংশ নিয়েছে। দিনব্যাপী দুই ধাপের সংলাপে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো আসবে না বলে জানিয়েছে ইসিকে।

    আজ শনিবার (৪ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নেয়।

    এ ছাড়া বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, ইসলামী ঐক্য জোটের একাংশসহ অন্য দলগুলো অংশগ্রহণ করে।

    ইসির জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে, প্রথম ধাপের ২২টির মধ্যে ১৩টি দলের দুজন করে প্রতিনিধি অংশ নিয়েছে।

    শেষবারের মতো সকালে ২২টি, বিকেলে ২২টি দলের সঙ্গে সংলাপের জন্য চিঠি দেয় ইসি। এতে আওয়ামী লীগসহ ২২টিকে সকালে ও বিএনপিসহ ২২টিকে বিকেলে বসার জন্য আমন্ত্রণ জানায় সংস্থাটি। সকালে ১৫টি দল আসার কথা জানালেও সংলাপে অংশ নেয় ১৩টি দল। আসেনি এলডিপি, বিজেপি, সিপিবি, কল্যাণ পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বিএমএল, মুসলিম লীগ, খেলাফত মজলিশ ও গণতন্ত্রী পার্টি।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে সংলাপে অন্য কমিশনারসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

  • পোশাকশিল্পের ক্ষতি করার চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা

    পোশাকশিল্পের ক্ষতি করার চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা

    www.HelloBangla.News – জাতীয়  –  ৪ নভেম্বর, ২০২৩: শ্রমিক আন্দোলন পুঁজি করে কোনো ধরনের নাশকতা-সহিংসতার মাধ্যমে পোশাকশিল্পের ক্ষতি করার চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে, র‌্যপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। ,

    আজ শনিবার (০৪ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে র‌্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কার্যালয়ে পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা রোধে পোশাক কারখানাগুলো পরিদর্শন, র‌্যাবের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

    খন্দকার মঈন বলেন, ‘আশির দশকের গোড়ার দিকে বাংলাদেশে পোশাকশিল্পের যাত্রা শুরু হয়। এখন বাংলাদেশের পোশাকশিল্প বিশ্বের দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। আর বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের অধিকাংশ উপার্জন পোশাকশিল্প থেকে আসছে। এই শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়ার জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল বা দুষ্কৃতিকারীরা উঠে পড়ে লেগেছে। গত ২৮ অক্টোবর থেকে আমাদের দেশের শান্তিপ্রিয় পোশাক শ্রমিকরা তাদের বেতন বৃদ্ধির যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। বিষয়টি সরকারের দপ্তর, বেসরকারি সংস্থা, মালিকদের সংগঠন সবাই আমলে নিয়ে মঞ্জুরি কমিটি গঠন করে একটি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

    মিডিয়া উইংয়ের এই পরিচালক বলেন, ‘গত কয়েকদিন যাবৎ মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও মিরপুরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে পোশাক শ্রমিকরা লাগাতার বিক্ষোভ করছেন। এরই মধ্যে গত ৩১ অক্টোবর জোসনা নামে এক পোশাক শ্রমিককে মিরপুর থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং তাকে গুম করা হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে পহেলা নভেম্বর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মিরপুরে বেশকিছু সহিংসতা ও নাশকতা হয়। পরবর্তীতে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিধানিক দল জোসনাকে তার নিজ বাসায় পরিবারের সদস্যদের মাঝে খুঁজে বের করে।’

    তিনি বলেন, ‘যারা এই শান্তিপ্রিয় শ্রমিক ভাইদের নিয়ে নাশকতা, সহিংসতার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় দুষ্কৃতিকারীরা হামলা ও সহিংসতা করছে। তাদের বিরুদ্ধেও আমাদের আইনানুগ ব্যবস্থা চলমান রয়েছে। র‌্যাব ফোর্সেস এই চলমান সহিংসতা প্রতিরোধে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’

    লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পদক্ষেপের মধ্যে  আছে গোয়েন্দা কার্যক্রম ও সাইবার ওয়ার্ল্ডে নজরদারি বাড়ানো।

  • জেল হত্যা দিবসে জাতির পিতা ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা

    জেল হত্যা দিবসে জাতির পিতা ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০৩ নভেম্বর, ২০২৩: আজ ৩ নভেম্বর কলঙ্কজনক জেল হত্যা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনগুলো।

    দিবসটি উপলক্ষে আজ শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    বাংলাদেশের ইতিহাসে ৩ নভেম্বর কলঙ্কময় ও বেদনাবিধুর একটি দিন। রাষ্ট্রের নিরাপদ প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতা হত্যার দিনটি ‘জেল হত্যা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার পর ৩ নভেম্বর তার ঘনিষ্ঠ চার সহকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে কারাগারের নিরাপদ প্রকোষ্ঠে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

    দিনটি উপলক্ষে সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ধানমন্ডিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। পরে তিনি আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এর পর সকাল ৮টায় দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ওবায়দুল কাদের যান বনানী কবরস্থানে। সেখানে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এবং পরে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। রাজশাহীতে কামারুজ্জামানের কবরেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও মোনাজাতেও অংশ নেন দলের নেতাকর্মীরা।

    ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান, শাহজাহান খান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও  জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মির্জা আজম, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমদ, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।

    দিনের কর্মসূচির শুরুতে ভোরে বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়; উত্তোলন করা হয় কালো পতাকা।

    সূত্র: বাসস

  • বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় –  ৩ নভেম্বর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং মানুষের ভোটের অধিকার যা অনেক সংগ্রামের মধ্যদিয়ে অর্জিত সেই অধিকার যাতে নিশ্চিত থাকে, মানুষ যেন তার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে দিতে পারে- সেই পরিবেশ রাখতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতির ভাষণে এসব কথা বলেন।

    বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্রের পিছনে অনেকের হাত রয়েছে এবং তারা অনেক উপায়ে চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, আমাদের শক্তি হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ।

    নির্বাচনে আসলে ক্ষমতায় যেতে পারবেনা ভেবে নেতৃত্ববিহীন দল বিএনপি সারাদেশে সন্ত্রাস-নৈরাজ্য-জ্বালাও-পোড়াও করতে মেতে উঠেছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান আগুন সন্ত্রাসী ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারিদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা যে আদর্শ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন, জাতীয় চারনেতা জীবন দিয়েছেন, স্ইে আদর্শ নিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। ঐ সমস্ত দুস্কৃতিকারি কয়েকজনের লাফালাফি এদেশে কোনদিনও নির্বাচন বানচাল করতে পারবেনা। এই দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবেনা।

    তিনি বলেন, ওরা জানে (বিএনপি) যে নির্বাচন করলে ক্ষমতায় আসতে পারবেনা। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা ৩শ’ সিটের মধ্যে  মাত্র ৩০টি সিট পেয়েছিল। আর ওদের অপকর্মের জন্য মানুষতো আরো ওদের প্রতি বিমুখ।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি আসলে সিট পাবেনা দেখে নির্বাচন করবে কিনা সন্দেহ। আর নির্বাচনে আসলেও আসবে ঐ নমিনেশন বাণিজ্য করার জন্য।

    শেখ হাসিনা বলেন, তারা নির্বাচন কাকে নিয়ে করবে?  নির্বাচন করলে ওদের নেতা কে? কাকে প্রধানমন্ত্রী করবে? কাকে দিয়ে মন্ত্রিসভা করবে? বিএনপির চেয়ারপার্সন (খালেদা জিয়া) এতিমের অর্থআত্মসাতের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার সাজাপ্রাপ্ত, মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এবং ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী। সে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আর রাজনীতি করবেনা বলে মুচলেখা দিয়ে দেশ থেকে পালিয়ে যায়। শোনা যায়, লন্ডনে বসে জুয়া খেলে নাকি কোটি কোটি পাউন্ড কামাই করে। এটাই তার সোর্স অব ইনকাম। আর সেখানে বসে তাঁর করে দেওয়া ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে জ¦ালাও পোড়াওয়ের নির্দেশ দেয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বিএনপি’র অগ্নিসন্ত্রাসে তাদের বীভৎস চেহারা রেরিয়ে এসেছে। তারা পিটিয়ে পিটিয়ে পুলিশ হত্যা করে। একজন নিরীহ পুলিশ সে চাকরি করছে, তার কি অপরাধ ছিল যে তাকে ঐ অমানবিকভাবে হত্যা করলো? এটা শুধু একবারই নয়, ২০১৩ সালে, ২০১৪ সালে নির্বাচন বানচালের জন্য এবং ২০১৫ সালেও একই ঘটনা তারা ঘটিয়েছে। কিন্তু তারপরেও নির্বাচন থামাতে পারে নাই।

    সরকার প্রধান বলেন, হাজার হাজার মানুষ হত্যা, মানুষকে আগুনে পোড়ানো, যানবাহন,স্কুল-অফিস-আদালত, রেল, লঞ্চ, গাছ ধ্বংস, রাস্তা কেটে একটা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। এই বাংলাদেশের জনগণ যখন প্রতিরোধ করেছে তখনই তারা থেমেছে। তিনি বলেন, আজকেও আমি বলবো এখন সময় এসে গেছে এই অগ্নি সন্ত্রাসী যে যেখনেই থাকুক, যারাই এভাবে আগুন দেবে, জনগণের ওপর অত্যাচার করবে এবং গাড়ি-বাস-ট্রাক সহ যানবাহনে আগুন দেবে, সাথে সাথে তাদের প্রতিরোধ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, এখানে কারো ওপর নির্ভর করলে হবেনা। জনগণকেই এগিয়ে আসতে হবে। অগ্নিসন্ত্রাস যারা করে, তাদের ধরে যে হাতে আগুন দেয় ওই হাত পুড়িয়ে দিতে হবে। যেমন কুকুর তেমন মুগুর। তা না হলে তাদের শিক্ষা হবে না।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু এই ঢাকা শহর নয়, প্রত্যেক এলাকায় এই প্রতিরোধ গড়তে হবে। যেখানেই তারা অগ্নিসন্ত্রাস করবে সেই এলাকায় কত বিএনপি বা জামায়াত আছে খুঁজে বের করতে হবে। সন্ত্রাসীদের ধরিয়ে দিতে হবে। আর মানুষের জানমালের যেন ক্ষতি করতে না পারে তাদেরকে সুরক্ষা দিতে হবে, এটাই আওয়ামী লীগের দায়িত্ব। কারণ আমাদের আর কিছু নাই, আমাদের কোন মুরুব্বি নাই। আমাদের আছে বাংলাদেশের জনগণ। সেই জনগণ নিয়েই আমাদের চলতে হবে।

    দ্রব্যমূল্য নিয়ে নানাভাবে চক্রান্ত হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব কিছুর উৎপাদন বেড়েছে তাহলে কীসের অভাব হবে। এগুলির পেছনে কারা আছে? মজুদ করে রেখে  দেবে কিন্তু বাজারে আনবে না। না এনে দাম বাড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলবে। মালপত্র থাকা সত্ত্বেও বাজারে না এনে যারা জনগণের পকেট কাটার চেষ্টা করে এদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। উৎপাদন এতটুকু কমেনি। সবকিছুর উৎপাদন বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অতিরিক্ত দাম দিয়ে আমরা কিনে নিয়ে আসছি। কিন্তু সেটা মানুষের কাছে পৌঁছাবে না কেন?

    ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ফিলিস্তিনে আজ কী হচ্ছে? হাসপাতালে বোমা মেরেছে। আর এখানে কী দেখলাম এই বিএনপি জামায়াত পুলিশ হাসপাতালে আগুন দেয়, অ্যাম্বুলেন্স পোড়ায়। ভাংচুর করে। এরা কোথা থেকে কী শিক্ষা পাচ্ছে? সেটাই আমাদের প্রশ্ন। ফিলিস্তিনে জনগণের ওপর যখন অত্যাচার আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু এদের (বিএনপি) মুখে একটাও কথা নেই। তারা কী একটা প্রতিবাদ করেছে? করেনি। তাহলে কাদের তাবেদারী তারা করে? কাদের পদলেহন করে লাফালাফি করে সেটাই প্রশ্ন?

    ৩রা নভেম্বরের শহীদ জাতীয় চারনেতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে শেখ হাসিনা বলেন, আসুন আজকের দিনে সকলে মিলে এই প্রতিজ্ঞা করি যে রক্ত দিয়ে লাখো শহীদ আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন সেই লাখো শহীদ এবং আমাদের লাখো নির্যাতিতা মা-বোন, ৭৫ এ জাতির পিতা ও বঙ্গমাতা সহ সকল শহীদ, দেশের সকল গণ আন্দোলনের শহীদ এবং অগ্নিসন্ত্রাসে নিহত ও নির্যাতিতদের কথা স্মরণে রেখে শপথ নিয়ে জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করে সুষ্ঠু নির্বাচন করে দেশে গণতান্ত্রিক ধারাটা অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা গ্রহণ করি। যাতে এই দেশের অগ্রযাত্রা আর কেউ ব্যাহত করতে না পারে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, দলের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম ও তাজউদ্দিন আহমেদের কন্যা সিমিন হোসেন রিমি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দলের কার্যনির্বাহী সদস্য এবং হবিগঞ্চ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম কন্যা ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মান্নাফী ও উত্তর সভাপতি শেখ বজলুর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

    দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং উপপ্রচার সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম স্মরণসভাটি সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদদের স্মরণে সকলে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন।

    সূত্র: বাসস

  • সাংবাদিকদের উপর নির্যাতনের ঘটনা খুবই ন্যক্কারজনক: প্রধানমন্ত্রী

    সাংবাদিকদের উপর নির্যাতনের ঘটনা খুবই ন্যক্কারজনক: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: সাংবাদিকদের উপর নির্যাতনের ঘটনা খুবই ন্যক্কারজন, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিন আরও বলেন, যারা এ ধরনের ঘটনাটি ঘটিয়েছে, সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে তাদের আহত করেছে, পুলিশকে হত্যা করেছে, তাদের ওপর আক্রমণ করেছে, শাস্তি এদের পেতেই হবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানে আসতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। করোনা শুরু হওয়ার পর বাইরে যাওয়া একবারে বন্ধ ছিল। সাক্ষাৎকার বন্ধ ছিল। মনে হয় এখনো একটা বড় জেলে বন্দি। আজ আসতে পেরেছি, সেজন্য শুকরিয়া।’

    তিনি বলেন, ‘বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে যেন দাঁড়াতে পারে, এটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য। জাতির পিতার সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করার লক্ষ্য নিয়ে আমি দেশে ফিরে আসি। তিন বছর সাত মাস তিনি সময় পেয়েছিলেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে তিনি স্বল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চেয়েছিলেন।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দেশের সাংবাদিক এবং কলাকৌশলীসহ মানুষের কর্মসংস্থান যাতে ব্যাপকহারে হয় তার জন্য বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করে দিই। আমাদের একটি মাত্র টেলিভিশন ছিল। যারা সরকারের থাকত তাদেরই অধীন ছিল। কে আমার গুণগান গাইল, কে আমার গুণগান গাইল না, সেটা আমি দেখি না। আমি সব কিছু মুক্ত করে দিই। ২০০৯ সালে যখন আমরা সরকারে আসি তখন তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করি। তথ্য কমিশন গঠন করি, অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা প্রণয়ন করি।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে মানুষ যত বেশি, ‘সংবাদপত্রও তত বেশি। অনেক উন্নত দেশ কিংবা ধনী দেশেও এত সংবাদপত্র নেই। বর্তমানে আমাদের পত্রিকার সংখ্যা ৩২৪১টি। অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল রয়েছে ৩৮৭টি। বাংলাদেশ টেলিভিশনের পাশাপাশি ৩৩টি টেলিভিশন সম্প্রচারে রয়েছে।’

    টেলিভিশন মালিকদের উদ্দেশ করে সরকারপ্রধান কলেন, ‘টেলিভিশনের মালিকরা কিন্তু টেলিভিশন চালাচ্ছে। এত সহজ করে দিলাম মালিকরা কেন কল্যাণ ট্রাস্টে অনুদান দেয় না, সেটাই আমার প্রশ্ন। কয়েকজন দিয়েছে কিন্তু বেশির ভাগ মালিকই দেয়নি। সেটা হিসাব করা যায়– কারা দিল, কারা দেয়নি। না দিলে বন্ধ করে দিতে পারি, সেটা করতে চাই না।’

    আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যারা আছেন—সামান্য ঘটনা হলেও বড় বড় বিবৃতি দেন; তারা এখন কোথায়? তাদের তো এখন আমরা দেখি না, সুশীল বাবুরা এখন কোথায়?’

    সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। সম্মেলন সঞ্চালনা করেন বিএফইউজে মহাসচিব দীপ আজাদ।

  • ২০২৪ সালের হজের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার

    ২০২৪ সালের হজের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৪ সালের হজের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ প্যাকেজে খরচ পড়বে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৯২ হাজার ৪৫০ টাকা কম।

    এবার একটি বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এই হজ প্যাকেজে খরচ পড়বে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা।

    ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান আজ বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে হজ প্যাকেজ-২০২৪ ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মসচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) সভাপতি এম. শাহাদাত হোসাইন তসলিমসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    বিশেষ হজ প্যাকেজের বৈশিষ্ট্য নিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানান, এতে প্যাকেজ আপগ্রেডেশন, অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে মক্কার হোটেলে ২ ও ৩ সিটের রুমের সুবিধা, মক্কায় হারাম শরিফের চত্বর থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ মিটারের মধ্যে উন্নতমানের হোটেলের ব্যবস্থা, মদিনায় মারকাজিয়া এলাকায় আবাসন ব্যবস্থা, এক রুমে সর্বোচ্চ চার সিট, মিনায় ‘এ’ ক্যাটাগরির তাঁবুতে আবাসন ও বুফে খাবার ব্যবস্থা এবং মিনা-আরফাহ মুজদালিফা-মিনায় যাতায়াতে প্রত্যেক হজযাত্রীর জন্য বাসে সিট নিশ্চিত করা হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৪৪৫ হিজরি ৯ জিলহজ চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০২৪ সালের ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৪ সালে হজযাত্রীর কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। সরকারি মাধ্যমের কোটা ১০ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি এজেন্সির কোটা ১ লাখ ১৭ হাজার।

    সরকারি মাধ্যমের হজ প্যাকেজের বৈশিষ্ট্য নিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, সাশ্রয়ী মূল্যে সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমের সাধারণ প্যাকেজ, সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের সাধারণ প্যাকেজের মূল্য এবং সুযোগ-সুবিধা সমান, প্রতি রুমে সর্বোচ্চ ৬ সিট থাকবে, প্যাকেজ আপগ্রেডেশনের সুবিধায় অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে মক্কার হোটেলে ২ ও ৩ সিটের রুম নেওয়া যাবে।

    সরকারি মাধ্যমের সাধারণ প্যাকেজ মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) বেসরকারি মাধ্যমের হজযাত্রীদের জন্য হজ প্যাকেজ ঘোষণা করবে এবং হজযাত্রীদের জন্য অনুরূপ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে। উন্নতমানের বাড়ি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে এজেন্সি একাধিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে।

    প্রতিমন্ত্রী জানান, সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ২০২৩ সালের হজের চেয়ে ৯২ হাজার ৪৫০ টাকা কমানো হয়েছে এবং বিমানভাড়া ২ হাজার ৯৯৭ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    হাব সভাপতি জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেসরকারি প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে। আগামী রবিবার সংবাদ সম্মেলনে তা ঘোষণা করা হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, দ্রুত বিজ্ঞপ্তি প্রচারের মাধ্যমে হজযাত্রীর নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করা হবে। ২০২৪ সালের ১ মার্চ থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হবে এবং ৯ মে হজ ফ্লাইট শুরু হবে।

  • প্রধানমন্ত্রী ৪ নভেম্বর মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করবেন

    প্রধানমন্ত্রী ৪ নভেম্বর মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করবেন

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়মী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, আগামী শনিবার (৪ নভেম্বর) মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    তিনি আরও জানান, আগামী রবিবার (৫ নভেম্বর) থেকে উত্তরা-মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের ট্রেন প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশে মেট্রোরেলের যেসব ট্রেন চলবে সেগুলো শুধু তিনটি স্টেশনে থামবে। স্টেশনগুলো হলো- মতিঝিল, বাংলাদেশ সচিবালয় ও ফার্মগেট। এসব স্টেশনে হেডওয়ে হবে ১০ মিনিট। বেলা সাড়ে ১১টার পর মতিঝিল-আগারগাঁও অংশে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ওবায়দুল কাদের।

    মন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেলের আগারগাঁও-মতিঝিল অংশ উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার (৪ নভেম্বর) উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশের বাণিজ্যিক চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া আগের মতো শুক্রবারও মেট্রো ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।

    ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, শনিবার আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশ এবং ঢাকা মহানগরীর প্রথম পূর্ব-পশ্চিম এমআরটি করিডোর ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫) নর্দার্ন রুটের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের দৈর্ঘ্য ৮ দশমিক ৭২ কিলোমিটার।

    আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে মোট ছয়টি লাইনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। আর ২০২৮ সালের মধ্যে হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার পাতাল রেল এবং ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়াল সড়কসহ মোট ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের কাজ শেষ হবে। এর আগে কমলাপুর স্টেশনে পূর্বাচলে এমআরটি লাইন-১ উদ্বোধন করা হয়েছে। মোট ৩১ কিলোমিটার লাইনের ২১ কিলোমিটার পাতাল রেল। যা আগামী বছর শেষ হবে কমলাপুর পর্যন্ত।

    এছাড়া এমআরটি লাইন ৫- নর্দার্ন রুট নির্মাণের লক্ষ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডি ও বেসিক ডিজাইন শেষ হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন সার্ভে সমাপ্ত হয়েছে। অক্টোবর পর্যন্ত বিস্তারিত নকশার অগ্রগতি ৯৪ শতাংশ। প্রকল্পটি মোট ১০টি প্যাকেজে বিভক্ত করে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিভিন্ন প্যাকেজের চূড়ান্ত ডিজাইন ও আন্তর্জাতিক দরপত্র দলিল প্রণয়নের কাজ চলমান। হেমায়েতপুর ডিপো ও ডিপো এক্সেস করিডোর নির্মাণের জন্য ৯৯ দশমিক ২৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

    ৪ নভেম্বর পুরো মেট্রোরেল প্রকল্প উদ্বোধন উপলক্ষে মতিঝিলে একটি জনসমাবেশে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

  • কলঙ্কজনক জেলহত্যা দিবস আগামীকাল

    কলঙ্কজনক জেলহত্যা দিবস আগামীকাল

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: আগামীকাল ৩ নভেম্বর কলঙ্কজনক জেলহত্যা দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর  আর এক বিভিষিকাময় এই দিনটি।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকান্ডের পর চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামারুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাঠানো হয়। তিন মাসেরও কমসময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চার সংগঠক ও বীর সেনানীকে কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

    জাতি আগামীকাল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টি স্মরণ করবে। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনের উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে পালিত হবে শোকাবহ এই দিনটি।

    বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রী সভার সবচাইতে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ এবং বঙ্গবন্ধুর দুই খুনি কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান এবং লে. কর্নেল (বরখাস্ত) খন্দকার আব্দুর রশীদ জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার এ পরিকল্পনা করেন। এ কাজের জন্য তারা আগে ভাগে একটি ঘাতক দলও গঠন করে। এ দলের প্রধান ছিল রিসালদার মুসলেহ উদ্দিন। সে ছিল ফারুকের সবচেয়ে আস্থাভাজন অফিসার। ১৫ আগস্ট শেখ মনির বাসভবনে যে ঘাতক দলটি  হত্যাযজ্ঞ চালায় সেই দলটির নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলেহ উদ্দিন।

    বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার পর পরই পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে জাতির জনককে তাঁর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। পরে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময় সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের সমধিক পরিচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ একটি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোটি কোটি বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর অপর  ঘনিষ্ঠ সহযোগী এএইচএম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতা হত্যার তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল লন্ডনে। এসব হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন ও বিচারের প্রক্রিয়াকে যে সমস্ত কারণ বাধাগ্রস্ত করেছে সেগুলোর তদন্ত করার জন্য ১৯৮০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। তবে সেই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সরকারের অসহযোগিতার কারণে এবং কমিশনের একজন সদস্যকে ভিসা প্রদান না করায় এ উদ্যোগটি সফল হতে পারেনি।

    অধ্যাপক আবু সাইয়িদের ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ফ্যাক্টস এন্ড ডুকমেন্টস’ গ্রন্থে এই কমিশন গঠনের বর্ণনা রয়েছে। এতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা, মনসুর আলীর পুত্র মোহাম্মদ সেলিম এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামের পুত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের আবেদনক্রমে স্যার থমাস উইলিয়ামস, কিউ. সি. এমপি’র নেতৃত্বে এই কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়। বাংলাদেশ ও বিদেশে অনুষ্ঠিত জনসভাসমূহে এ আবেদনটি ব্যাপকভাবে সমর্থিত হয়।

    ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যায় যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল তা প্রমাণিত হয়েছে বলে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বলা হয়েছে। জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলায় (জেল হত্যা) পলাতক দুই আসামী এলডি (দফাদার) আবুল হাসেম মৃধা ও দফাদার মারফত আলী শাহকে নিম্ন আদালতের দেয়া মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেয়া ২৩৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় ২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হয়।

    এর আগে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যার পরদিন তৎকালীন উপ-কারা মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই ঘটনায় মামলা দায়েরের ২৩ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. মতিউর রহমান রায় ঘোষণা করেন।

    বিচারিক আদালত রায়ে রিসালদার মোসলেম উদ্দিন (পলাতক), দফাদার মারফত আলী শাহ (পলাতক) ও এল ডি (দফাদার) আবুল হাসেম মৃধাকে (পলাতক) মৃত্যুদন্ড দেয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত চার আসামী সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা ও একেএম মহিউদ্দিন আহমেদসহ ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়। সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা কেএম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ও তাহেরউদ্দিন ঠাকুরকে খালাস দেয়া হয়।

    সূত্র: বাসস