Category: বাংলাদেশ

  • সন্ত্রাসী সংগঠনে চূড়ান্ত রূপ ধারণ করেছে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

    সন্ত্রাসী সংগঠনে চূড়ান্ত রূপ ধারণ করেছে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ অক্টোবর, ২০২৩: সন্ত্রাসী সংগঠনে চূড়ান্ত রূপ ধারণ করেছে বিএনপি, বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘বিএনপি এখন আর রাজনৈতিক দলে নেই। বিএনপি এখন সন্ত্রাসী দল, সন্ত্রাসী সংগঠনে চূড়ান্ত রূপ ধারণ করেছে। যারা রাষ্ট্রের বেদিমূলে আঘাত হানে, প্রধান বিচারপতির বাড়িতে যারা হামলা চালায়, অর্থাৎ বিচার ব্যবস্থার ওপর হামলা চালায়, যারা হাসপাতালে হামলা চালিয়ে অ্যাম্বুলেন্স পুড়িয়ে দেয়, যারা পুলিশ হত্যা করে, তারা কখনও রাজনৈতিক দল হতে পারে না।’

    তথ্যমন্ত্রী আজ সোমবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘সংবাদপত্রে বঙ্গবন্ধু ৭ম খণ্ড’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন শেষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে করে বিএনপির অবরোধ ঘোষণা প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এতেই প্রমাণিত হয় বিএনপি নেতারা আসলে কতটা ভীতু। ২৮ অক্টোবর কর্মীরা যাওয়ার আগেই নেতারা পালিয়ে গেছেন। নেতারা পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্মীরাও পালিয়ে গেছেন। আমরা বিরোধী দলে ছিলাম, সারা জীবন বিরোধী দলের কর্মী ছিলাম। আমরা রক্তাক্ত হয়েছি, পালিয়ে যাইনি।

    হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি এখন কোনো রাজনৈতিক দল নয়, তারা সন্ত্রাসী সংগঠনের চূড়ান্ত রূপ ধারণ করেছে। তাদের সঙ্গে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না।’

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২৮ অক্টোবর বিএনপি যে তাণ্ডব চালিয়েছে, তা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই, রবিবার তারা সারা দেশে হরতাল ডেকেছিল। হরতাল সফল করার জন্য পুরনো আগুন সন্ত্রাসের খেলায় ফিরে গেছে বিএনপি-জামায়াত। ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে গাড়িচালকদের হত্যা করা হয়েছে। শনিবার রাতেও ডেমরায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দিয়েছে, সেই আগুনে বাস ও বাসের হেলপার পুড়ে গেছে।

    তিনি বলেন, আমরা সারা দেশে শান্তি সমাবেশের ডাক দিয়েছিলাম। ঢাকায় কমপক্ষে দেড়-দুই লাখ মানুষের সমাবেশ হয়েছে। এত উসকানির মধ্যেও আমাদের নেতাকর্মীরা কোনো উসকানিতে পা দেননি। তারা আমাদের মহিলা কর্মী থেকে শুরু করে অনেককে মারধর করেছেন।

    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, লালমনিরহাটে আমাদের নেতাকর্মীরা শান্তি মিছিল করছিলেন, সেখানে জাহাঙ্গীর হোসেন নামে একজন শ্রমিক লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন। মোহাম্মদপুরে বাসে আগুন দিতে গিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বিএনপি কর্মী একটি ভবনে উঠেছিলেন, সেখান থেকে লাফ দিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে, বিএনপি বলে শহীদ হয়েছে। গাড়িতে আগুন দিতে গিয়ে ধাওয়া খেয়ে বিল্ডিংয়ে উঠেছিলেন, বিল্ডিং থেকে লাফ দিয়ে মারা গেছেন। এক দুষ্কৃতকারী মারা গেছে, বিএনপির ভাষায় শহীদ হয়েছে।

    তিনি বলেন, গত শনিবারের সহিংসতার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিন্দা জানিয়েছে। আমরা মনে করি সহিংসতা বন্ধ করার ক্ষেত্রে এটি সহায়ক হবে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে এটিও বলা হয়েছে সহিংসতার ভিত্তিতে ভিসা নীতি নিয়েও তারা ভাববে। যারা হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে, পুলিশ হত্যা করেছে, জনগণের সম্পত্তি পুড়িয়েছে, হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স জ্বালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

    খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত এক প্রসঙ্গে  হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি তো বলেছিল খালেদা জিয়াকে বিদেশ না নিলে তাকে রক্ষা করা যাবে না। এখন আমেরিকা থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এসেছেন, খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি আগের তুলনায় অনেক ভালো আছেন। এজন্য আমিও স্বস্তি প্রকাশ করছি। সরকারই মার্কিন চিকিৎসকদের আসার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তাদের যে মতামত, খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল, এতেই প্রমাণিত হয় বিএনপি খালেদা জিয়াকে রাজনীতির গুটি বানিয়েছে এবং তার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করেছে।

  • স্বাধীনতার সুফল প্রতিটি ঘরে ঘরে আমরা পৌঁছে দেব: প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতার সুফল প্রতিটি ঘরে ঘরে আমরা পৌঁছে দেব: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ অক্টোবর, ২০২৩: স্বাধীনতার সুফল প্রতিটি ঘরে ঘরে আমরা পৌঁছে দেব, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলাম, সেটি বাস্তবায়ন করেছি। এখন আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব।

    আজ রবিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে আমরা সরকার ক্ষমতায় আছি। এটি এখন এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আজকের ছাত্র-ছাত্রীরা উপলব্ধি করতে পারবে না ২০ বছর আগে কেমন বাংলাদেশ ছিল। সেখানে ক্ষুধা-দারিদ্র ছিল, বৈজ্ঞানিক কোনো কিছু ছিল না। আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বিজ্ঞান ও কম্পিউটার শিক্ষা চালু করি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার একটাই লক্ষ্য ছিল, ক্ষমতা হবে জনগণের কল্যাণ সাধন করার। জাতির পিতা যেভাবে চেয়েছেন সেভাবেই দেশকে গড়ে তোলা। সেই প্রচেষ্টাই আমি চালিয়ে যাচ্ছি। জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে পথ চলায় আজকে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা আমরা পেয়েছি। যা বাস্তবায়ন হবে ২০২৬ সাল থেকে। জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে যদি রাষ্ট্র পরিচালনা হয়, তাহলে এই বাংলাদেশ আর পেছনে ফিরে তাকাবে না। অনেক দেশই আমাদের সঙ্গে হয়েছিল, অনেকেই পিছিয়ে গেছে। আমরা কিন্তু পিছিয়ে যাইনি।’

    সরকার প্রধান বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর আমাদের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছিল। অনেক ইতিহাস মুছে ফেলা হয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা শুরু করি। ১৫ আগস্টের পর থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু আমাদের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই ভাষণ বাঁজিয়েছিল এবং তা মানুষকে শুনিয়েছিল। আমি জানি না পৃথিবীর কোনো দেশে কোনো ভাষণ এতবার শোনা হয়েছে কি না। আজকে সেই ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্ব প্রামাণ্য দলিলে মানুষকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। যা বাঙালি জাতির ভাবমূর্তি বিশ্বে উজ্জ্বল করেছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা এই বাংলাদেশের জন্য যে মহান আত্মত্যাগ করে গেছেন, সেটি আমাদের ভুললে চলবে না।’

    প্রধানমন্ত্রীর বলেন, ২০১০ সালের ১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় জাতির পিতার প্রতি যে বহিষ্কারাদেশ ছিল, প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। আজকে জাতির পিতাকে ডক্টর অব লজ ভূষিত করেছেন, আমি জানি না আপনাদেরকে কীভাবে ধন্যবাদ জানাবো। আমি কন্যা হিসেবে কৃতজ্ঞতা জানাই।

    শেখ হাসিনা বলেছেন, এ জাতিকে নিয়ে সবসময় একটা স্বপ্ন ছিল জাতির পিতার। তিনি নিজের জন্য কিছু চাননি,এই জাতির জন্য চেয়েছেন সবসময়। অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়লে তার সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যাবে। আমি চাই সকল শিক্ষার্থীরা যেন এই বইগুলো ভালোভাবে পড়ে। এই বইগুলো পড়লে একদিন আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং আমাদের দেশের অবস্থানও জানতে পারবেন।

    অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মরণোত্তর সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি প্রদান করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ সমাবর্তনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বঙ্গবন্ধুকন্যা ও সমাবর্তন বক্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বঙ্গবন্ধুর এই ডিগ্রি তুলে দেন।

  • বিএনপি দেশের মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে আবার হরতাল ডাকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বিএনপি দেশের মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে আবার হরতাল ডাকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ অক্টোবর, ২০২৩: বিএনপি দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত করে আবার হরতাল ডাকে, বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল । তিনি বলেন, এ পর্যন্ত তারা (বিএনপি) ১০টির বেশি বাসে আগুন দিয়েছে। এমনকি ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতেও তারা অগ্নিসংযোগ করেছে। আজ তারা আবার হরতালের ডাক দিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুলিশ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এদেশের সাধারণ মানুষ। যারা নিজেরাই এই ঘটনা ঘটাল, তারাই আবার হরতাল ডাকে।

    আজ রবিবার (২৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতির বাসায় হামলার ঘটনায় মামলা হবে। আমরা মামলাগুলো নেব। পুলিশ হত্যার ঘটনায় শনাক্তকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলা শুরু হয়েছে। মামলা আরও অনেকে দেবে।

    তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করা হয়েছে, মামলা তো হবেই। আমরা শনাক্ত করছি, যারা যারা সেখানে ঢুকেছিলেন, তাদের অবশ্যই আইনের মুখোমুখি হতে হবে। হাসপাতালে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ যারা করেছেন, তাদের নামেও মামলা হবে। একজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। দুজন আনসার সদস্য মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।

    ‍স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমাবেশের সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা যেখানে গেছে, সেখানেই জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। এর আগে ২০১৪ সালে আমরা এমন ঘটনা দেখেছি। তখন যাত্রীসহ গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে তারা। এখন তারা কেবল পেট্রোল দিয়েই অগ্নিসংযোগ করছে না, বিস্ফোরক নিয়ে আসছে, যাতে খুব সহজেই আগুনের বিস্তার ঘটে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যতগুলো অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, আমরা পরীক্ষা করলে জানতে পারবো কী ধরনের দাহ্য পদার্থ তারা ব্যবহার করেছে। পেট্রোলের বদলে সেই দাহ্য পদার্থ তারা ছড়িয়ে দিয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, আবার বিদেশ থেকে একজন এসে নাকি তাদের সমর্থন করছে। আমরা তার পরিচয় জানি না। একজন আমেরিকান, যার সঙ্গে নাকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সরাসরি কথা হয়, বিএনপির প্রথম সারির নেতাদের সঙ্গে তিনি গোপনীয় বৈঠক করেছেন। তিনি কীভাবে এসে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে গোপনীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তিনি কে? তিনি যদি এই ধরনের (জো বাইডেনের) উপদেষ্টা হয়ে থাকেন, তাহলে আমাদের প্রশ্ন রয়েছে। আমাদের পররাষ্ট্র নীতি কতখানি লঙ্ঘিত হয়েছে, আমাদের সেই প্রশ্ন রয়েছে।

  • সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিন্নাতুন্নেসা তালুকদারের ইন্তেকাল

    সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিন্নাতুন্নেসা তালুকদারের ইন্তেকাল

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ অক্টোবর, ২০২৩: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিন্নাতুন্নেসা তালুকদার আজ সকালে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। পারিবারিক সূত্র জানায়, জিন্নাতুন্নেসা হার্ট ও ফুসফুসের রোগে ভুগছিলেন।তিন রাজশাহীল আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

    তিনি দুই ছেলে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, ভক্ত ও রাজনৈতিক অনুসারী রেখে গেছেন।

    জিন্নাতুন্নেসা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৯৯৬-২০০১ সরকারের আমলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং তারপর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    তিনি সপ্তম ও নবম সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন (রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    ২০১৮ সালে তিনি বেগম রোকেয়া পদকে ভূষিত হন।

    জিন্নাতুন্নেসা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি রাজশাহী আওয়ামী লীগের শহর ও জেলা উভয় ইউনিটেই গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

    আগামী মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর তাকে রাজশাহী হেতেম খা কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    সূত্র: বাসস

  • সরকার বাংলাদেশকে আজ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    সরকার বাংলাদেশকে আজ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ অক্টোবর, ২০২৩: সরকার বাংলাদেশকে আজ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে, বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় তিনি আরও বলেন, ‘আজকে বিএনপি সরকারের পতন ঘটাবে—নানা রকমের আন্দোলনের হুমকি দেয়। একটা কথা স্পষ্ট বলতে চাই, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে বাংলাদেশকে আজ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে। ওই সমস্ত ভয়-ভীতি আওয়ামী লীগকে দেখিয়ে কোনো লাভ নেই।’

    আজ শনিবার (অক্টোবর ২৮) দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কোরিয়ান ইপিজেড মাঠে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

    কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম টানেল ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ উদ্বোধন উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরা দেশকে গড়ে তুলছি। আমি আপনাদের কাছে একটা উপহার নিয়ে এসেছি। নদীর তল দিয়ে গাড়ি চলে। ঘুটঘুট করে বাড়ি চলে যাবেন। এ প্রকল্পে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যারা জড়িত ছিলেন, দিনরাত পরিশ্রম করেছেন, সবাইকে আমি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আরও ১১টি প্রকল্প আপনাদের জন্য উপহার হিসেবে উদ্বোধন করে দিলাম। আজকের এ উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে গত নির্বাচনে আপনারা ভোট দিয়েছিলেন বলে। নৌকা যখনই সরকারে এসেছে, দেশ ও মানুষের উন্নয়ন করেছে।

    তিনি বলেন, আমি তো সবই হারিয়েছি ৭৫-এর ১৫ আগস্ট। ছয় বছর দেশে আসতে দেয়নি জিয়াউর রহমান। একরকম জোর করেই দেশে ফেরা। আসার পর থেকে বাংলাদেশে মানুষের জন্য কাজ করছি। চাই, কীভাবে দেশের মানুষকে ভালো রাখা যায়। এ চট্টগ্রামের কত নেতা ছিলেন, যারা জীবন দিয়ে সংগ্রাম করেছেন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর জনসভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন ও ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

    এর আগে বেলা ১১টার পর হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম নেভাল একাডেমিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়ক পথে পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর পশ্চিম তীরে পৌঁছান। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু টানেলের একটি ফলক উন্মোচন করেন। সেখান থেকে টোল দিয়ে টানেল পার হন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীরা।

  • বহুল প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বহুল প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ অক্টোবর, ২০২৩: অবশেষে অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বহুল কাঙ্ক্ষিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গে সুড়ঙ্গ দিয়ে খুলল আরেক দুয়ার।

    আজ শনিবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে নগরের পতেঙ্গা প্রান্তে টানেলের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন তিনি।

    টানেল উদ্বোধন উপলক্ষে দেশি-বিদেশি অতিথিরাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    উদ্বোধনের পরপরই গাড়ি বহর নিয়ে টানেলে পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারায় যান প্রধানমন্ত্রী। এসময় টানেল পার হওয়ার সময় নিজের হাতে টোল দেন তিনি।

    এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। টানেল উদ্বোধনের পর আতশবাজি পুড়িয়ে আনন্দ উদ্‌যাপন করা হয়। এ সময় উপস্থিত অতিথিরা করতালি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

    সকালে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে এসে টানেলের পতেঙ্গা প্রান্তে যান। এরপর প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িবহর টানেল এলাকায় প্রবেশ করে। টানেল দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারা টোল প্লাজায় যান। সেখানে টোল প্লাজা কমপ্লেক্স ও টানেলের স্মার্ট মনিটরিং কক্ষ পরিদর্শন করেন। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী পৌনে ১২টায় পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে টোল প্লাজায় টোল দিয়ে টানেল হয়ে আনোয়ারা প্রান্তে যাত্রা করেন। এরপর সেখানে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন।

    আগামীকাল রবিবার(২৯ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে যান চলাচলের জন্য টানেলটি খুলে দেওয়া হবে। টানেলের নিরাপত্তায় লাগানো হয়েছে অত্যাধুনিক ১১০টি সিসিটিভি ক্যামেরা। আনোয়ারা প্রান্তে স্থাপন করা হয়েছে মনিটরিং সেন্টার। যেখান থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পুরো টানেলে নজরদারি চালানো হবে। টানেলের প্রতিটি টিউবে রয়েছে লম্বা একটি হিট সেন্সর। যেখানে অগ্নিকাণ্ড বা কোনো কারণে তাপ লাগা মাত্র অটোমেটিক সিসিটিভি ক্যামেরা ঘটনাস্থলের দিকে ঘুরে যাবে। এছাড়া কোনো দুর্ঘটনা হলে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে নজরদারি চালানো হবে।

    নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চীনের কমিউনিকেশন ও কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিসি) আগামী পাঁচ বছর টানেলের যাবতীয় বিষয় দেখভাল করবে। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা তাদের কুইক রেসপন্স টিম থাকবে। টানেলের ভেতরে যেকোনো সমস্যায় দ্রুত কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় সেই টিম ছুটে যাবে। তাদের সঙ্গে নৌবাহিনী, পুলিশ নিরাপত্তার কাজ করবে। এছাড়া ট্রাফিক পুলিশ কাজ করবে যানবাহন চলাচল নিয়ে। অগ্নি দুর্ঘটনায় ঠেকাতে টানেলের দুই প্রান্তে স্থাপন করা হচ্ছে প্রথম শ্রেণির দুটি ফায়ার স্টেশন।

    কি-পয়েন্ট ইনস্টলেশন (কেপিআই) স্থাপনা বিবেচনায় নিরাপত্তায় থাকবে টানেল। প্রবেশমুখে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা হচ্ছে চারটি অত্যাধুনিক স্ক্যানার। বর্তমানে দুই প্রান্তে দুটি স্ক্যানার বসানোর হয়েছে। স্ক্যানার দিয়ে টানেলের ভেতর দিয়ে যাওয়া পণ্যবাহী ভারী গাড়িগুলোতে চালক ও পণ্য রাখার অংশ আলাদা রঙের রশ্মি দিয়ে পরীক্ষা করা হবে। এছাড়া টানেলের ভেতর দিয়ে চলাচলকারী বাস, কার, মাইক্রোবাস অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রে স্ক্যানারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে ইউভিএসএস (আন্ডারভেহিকেল স্ক্যানিং সিস্টেম)। ইউভিএসএস দিয়ে যানবাহনের নিচের অংশে বিস্ফোরকজাতীয় সরঞ্জাম আছে কি না, তা যাচাই করা হবে।

    জানা গেছে, ব্রিটেন থেকে আনা স্ক্যানারগুলো টানেলের ভেতর দিয়ে যাওয়া পণ্যবাহী ভারী গাড়িগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। ১৩ টন ওজনের প্রতিটি স্ক্যানার প্রায় ৫০ মিটার লম্বা ও প্রশস্ত ১০ মিটার।

    নির্মাণের আগে করা সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানেল চালুর পর এর ভেতর দিয়ে বছরে ৬৩ লাখ গাড়ি চলাচল করতে পারবে। সে হিসাবে দিনে চলতে পারবে ১৭ হাজার ২৬০টি গাড়ি। ২০২৫ সাল নাগাদ টানেল দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ২৮ হাজার ৩০৫টি যানবাহন চলাচল করবে। যার মধ্যে অর্ধেক থাকবে পণ্যবাহী পরিবহন। ২০৩০ সাল নাগাদ প্রতিদিন গড়ে ৩৭ হাজার ৯৪৬টি এবং ২০৬৭ সাল নাগাদ এক লাখ ৬২ হাজার যানবাহন চলাচলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে।

    টানেল নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয় ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে চার হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। বাকি পাঁচ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা দিচ্ছে চীন সরকার। চীনের এক্সিম ব্যাংক ২ শতাংশ হারে ২০ বছর মেয়াদি এ ঋণ দিয়েছে। চীনের কমিউনিকেশন ও কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিসি) টানেল নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন

  • প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বঙ্গবন্ধু টানেলে টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বঙ্গবন্ধু টানেলে টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ অক্টোবর, ২০২৩: কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’উদ্বোধনের পর নিজের গাড়ি বহর নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ শনিবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করেন তিনি।

    উদ্বোধনের পরপরই গাড়ি বহর নিয়ে টানেল পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে আনোয়ারায় যান প্রধানমন্ত্রী। টানেল পার হতে তিনি নিজের হাতে টোল দেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে টানেলের টোল কালেকশন করেন ঝুমুর আক্তার।

    টোল গ্রহণ শেষে ঝুমুর আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী টানেলের প্রথম টোল প্রদানকারী ব্যক্তি। তার কাছ থেকে টোল নিতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। বাংলাদেশ আজ নতুন গৌরবময় এক অধ্যায়ে পা রাখছে। এর মধ্য দিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিমসহ অন্যান্যরা।

    দুপুরে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কোরিয়ান ইপিজেড মাঠে জনসমাবেশে যোগ দেবেন।

    ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারের ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব ও এক ঘণ্টা সময় কমিয়েছে বঙ্গবন্ধু টানেল। টানেলটি পার হতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক মিনিট।

    দুটি টিউবের চার লেনের সড়কের মাধ্যমে নদীর তলদেশ দিয়ে পাঁচ মিনিটে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে যাওয়া যাবে আনোয়ারায়।

    আগামীকাল রবিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সর্বসাধারণের যান চলাচলের জন্য টানেলটি খুলে দেওয়া হবে।

    দেশের বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামকে চীনের সাংহাই শহরের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ করবে প্রকল্পটি। চট্টগ্রামের নতুন শহর গড়ে উঠবে নদীর অপর প্রান্তেও। চট্টগ্রাম নগরীর অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক আকার হবে দ্বিগুণ।

    দুই টিউব সংবলিত মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এ দুই টিউব তিনটি সংযোগ পথের (ক্রস প্যাসেজ) মাধ্যমে যুক্ত থাকবে। বিপদের সময় অন্য টিউবে গমনের জন্য এ ক্রস প্যাসেজগুলো ব্যবহার হবে। টানেল টিউবের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার ও ভেতরের ব্যাস ১০ দশমিক ৮০ মিটার।

     

    টানেল কর্ণফুলী নদীর পতেঙ্গা নেভাল একাডেমি আর অপর প্রান্তের চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা (সিইউএফএল) প্রান্তকে যুক্ত করেছে।

  • আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মহা-সমাবেশের কারণে ঢাকায় গণপরিবহন সংকট

    আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মহা-সমাবেশের কারণে ঢাকায় গণপরিবহন সংকট

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ অক্টোবর, ২০২৩: আজ রাজধানীতে ঢাকায় দেশের বৃহৎ দুই দল- আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মহাসমাবেশকে ঘিরে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে জনমনে।সকাল থেকে গণপরিবহন চরম সংকট দেখা দিয়েছে। সড়কে দেখা মিলছে না কোনো গণপরিবহন।ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষেরা। তারা অফিসের কাজে কিংবা প্রয়োজনীয় কাজের জন্য রাস্তায় বের হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু বাসের দেখা পাচ্ছেন না। গন্তব্যে পৌঁছাতে কেউ যাচ্ছেন রিকশা, মোটরসাইকেল কিংবা সিএনজি করে। আবার কেউ কেউ যাচ্ছেন পায়ে হেঁটে হেঁটে।

    বাস ছাড়াও সিএনজি, রাইড শেয়ারিং-এর কার, ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য বাহনও তেমন দেখা যাচ্ছে না। ফলে সকাল থেকেই ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী যাত্রীরা। বাইরে কোনো যানবাহন না পেয়ে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেকে অপেক্ষার পরে কোনো উপায় না পেয়ে বাসায় ফেরত যাচ্ছেন।

    আজ শনিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে রামপুরা, খিলক্ষেত, বনানী, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, কুড়িলসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে এমন চিত্র।

    তবে অনেকক্ষণ পর অন্য রুটের একটি বাস আসা মাত্র, সে রুটের যাত্রীরা সবাই হুড়োহুড়ি করে ওঠার চেষ্টা করছেন ।

    বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা বলছেন রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। রাস্তায় বাস নেই বললেই চলে। আধা ঘণ্টা পর পর একটা করে বাসের দেখা মিলছে। তাও সব রুটের বাস নেই।

    তবে গণপরিবহন না থাকার সুযোগে সিএনজিচালিত, অটোরিকশা, রিকশা চালকরা দ্বিগুণ-তিনগুণেরও বেশি ভাড়া হাঁকাচ্ছেন।সব মিলিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী সাধারণ যাত্রীরা।

    ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সূত্রে জানা গেছে, বড় দুই দলের সমাবেশকে ঘিরে এমনিতেই সংঘাতের সম্ভাবনা আছে। এ জন্য চালকরা রাস্তায় যানবাহন কম নামিয়েছেন। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলো অনেক বাস ভাড়া করেছে, সে কারণেও বাসের সংখ্যা কম। তবে যানবাহন কম চালানোর বিষয়ে মালিক সমিতি কোনো নির্দেশনা দেয়নি বলে জানা গেছে।

    এদিকে দুপুর ২টায় নয়াপল্টনের দক্ষিণ গেটে বিএনপির মহাসমাবেশ শুরু হবে। অন্যদিকে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। দুপুর ২টায় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে তারা সমাবেশ শুরু করবে। এছাড়া অনুমতি না পেলেও জামায়াতে ইসলামী রাজধানীর শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে।

    কারওয়ান বাজার এফডিসি সংলগ্ন এলডিপি কার্যালয়ের সামনে বিকেল ৩টায় সমাবেশ করবে এলডিপি, বিকেল ৩টায় মালিবাগ মোড়ে সমাবেশ করবে এনডিএম ও বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড়ে দুপুর ২টায় সমাবেশ করবে ১২ দলীয় জোট।

    এছাড়া বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড়ে বেলা ১১টায় সমাবেশ করবে গণঅধিকার পরিষদ (নুরুল হক), পুরানো পল্টন আলরাজী কমপ্লেক্সের সামনে দুপুর ২টায় সমাবেশ করবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, পুরানো পল্টন কালভার্ট এলাকায় বিকেল ৩টায় সমাবেশ করবে গণঅধিকার পরিষদ (রেজা কিবরিয়া) ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দুপুর ১২টায় সমাবেশ করবে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য।

    জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিকেল ৩টায় সমাবেশ করবে গণতন্ত্র মঞ্চ, মতিঝিল নটর ডেম কলেজের উল্টো দিকে দুপুর ১২টায় সমাবেশ করবে গণফোরাম ও পিপলস পার্টি ও পুরানো পল্টন মোড়ে বিকেল ৪টায় সমাবেশ করবে লেবার পার্টি

  • ব্রাসেলস থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    ব্রাসেলস থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ অক্টোবর, ২০২৩:  ‘গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম’ সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশ যোগদান উপলক্ষে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসিলস সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ শুক্রবার (২৭ অক্টোবর ) বেলা ১১টা ৫১ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। গত ২৪ অক্টোবর ব্রাসেলসে যান প্রধানমন্ত্রী।

    দেশে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রী বিমানে ঘুরে ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

    এর আগে ব্রাসেলস সময় রাত ১০ টা ১০ মিনিটে বিমান এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস জাভেনটেম বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

    ইউরোপীয় কমিশনের (ইসি) প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের আমন্ত্রণে ২৫-২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে যোগ দেন তিনি।

    সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ফোরামের সাইডলাইনে ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি বৈঠক করেন।

    ২৫ অক্টোবর সকালে, তিনি ইসির নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ইউরোপীয় বাণিজ্য কমিশনার ভালদিস ডোমব্রোভস্কিসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ইসি প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

    এই বৈঠকের পর, বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ৩৫০ মিলিয়ন ইউরোর একটি ঋণ সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

    ইউরোপীয় কমিশন ও ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের মধ্যে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ৪৫ মিলিয়ন ইউরোর একটি অনুদান চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    একইসঙ্গে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য বাংলাদেশ সরকার ও ইসির মধ্যে একটি ১২ মিলিয়ন ইউরোর অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

    এছাড়া, এই সফরে বাংলাদেশ সরকার এবং ইসি বাংলাদেশের সামাজিক খাতে ৭০ মিলিয়ন ইউরোর পাঁচটি ভিন্ন অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    শেখ হাসিনা একই দিন ২৫ অক্টোবর গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের উদ্বোধনী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে যোগ দেন এবং বক্তৃতা করেন।

    বিকেলে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ড. ওয়ার্নার হোয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।

    ইসি কমিশনার ফর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট জেনেজ লেনারসিক এবং ইসি কমিশনার ফর ইন্টারন্যাশনাল পার্টনারশিপ জুটা উরপিলাইনেনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

    সন্ধ্যায়, প্রধানমন্ত্রী গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে উরসুলা ভন ডের লেয়েনের দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেন।

    ২৬ অক্টোবর সকালে, তিনি বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডি ক্রুর সঙ্গে এবং লুক্সেমবার্গের প্রধানমন্ত্রী জেভিয়ার বেটেলের সঙ্গে দুটি বৈঠক করেন।

    একই দিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রী গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের সমাপনী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে যোগ দেন।

    শেখ হাসিনা পরে বেলজিয়ামে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের দেওয়া সংবর্ধনায় যোগ দেন। টিভি চ্যানেল ‘ইউরো নিউজ’ এবং ‘পলিটিকো’ যথাক্রমে ২৫ ও ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার নেয়।

    বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।

  • দেশবাসীকে আবারও নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    দেশবাসীকে আবারও নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ অক্টোবর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা, দেশবাসীকে আবারও নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ যেন নির্বাচন ভন্ডুল ও প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে—সতর্ক থাকুন।’

    বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে বৃহস্পতিবার তার সম্মানে বাংলাদেশি কমিউনিটি আয়োজিত এক সংবর্ধনায় ভার্চ্যুয়ালি দেওয়া বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘অপপ্রচারের যথার্থ জবাব হিসেবে গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশে যে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড করেছে তা জনগণের কাছে তুলে ধরুন।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘খুনি-সন্ত্রাসীদের কেউ যেন পুনরায় জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

    দেশের চলমান উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করেছে। আন্তরিকতা, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং সে অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কারণে আমরা বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি।’

    আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন করলেও ১৯৭৫-১৯৯৬ এবং ২০০১-২০০৯ পর্যন্ত ২৯ বছরে বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যান্য সরকার বাংলাদেশের উন্নয়নে কী করেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ২৯ বছর দেশের জনগণের জন্য অন্ধকার ও কষ্টের সময় ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাদের হাতে বাংলাদেশের কোনো ভবিষ্যৎ নেই এবং তারা বাংলাদেশের জনগণের কথা চিন্তা করে না।’

    ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধসহ সব সংগ্রামে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা স্মরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    সরকার রেমিট্যান্সে ৫ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে জানিয়ে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর অনুরোধ জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করায় বাংলাদেশে অতি দরিদ্র থাকবে না।’

    তিনি জানান, তার সরকার ইতোমধ্যেই সারাদেশে ৮ লাখ ৪০ হাজার গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে বিনামূল্যে বাড়ি নির্মাণ করে দিয়েছে। দেশকে অতি দারিদ্র্য মুক্ত করতে সরকার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আরও ১১ হাজার বাড়ি নির্মাণ করছে। এ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছে।