Category: বাংলাদেশ

  • রেলের নিরাপত্তায় দুই হাজার ৭০০ আনসার নিয়োগ

    রেলের নিরাপত্তায় দুই হাজার ৭০০ আনসার নিয়োগ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩: হরতাল-অবরোধে রাজধানীর তেজগাঁয়ে একটি ট্রেনে আগুন দিয়ে চার ব্যক্তির মৃত্যু ও দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে লাইন কেটে দিয়ে নাশকতা করার ফলে ট্রেন ব্যবস্থাপনায় অস্থিরতা দেখো দেয়। তাই সরকার হরতাল-অবরোধে নাশকতা এড়ানোর লক্ষ্যে রাতে চলাচলরত অ-গুরুত্বপূর্ণ চারটি ট্রেন চলাচল বন্ধ এবং আন্তঃনগর যমুনা এক্সপ্রেসের যাত্রা সংক্ষিপ্ত করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। একইসঙ্গে নাশকতা এড়াতে টহল ইঞ্জিন চালু এবং রেলের নিরাপত্তায় দুই হাজার ৭০০ আনসার নিয়োগ করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার(২১ ডিসেম্বর) কমলাপুর রেলস্টেশনে ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার শফিকুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, নাশকতা এড়াতে ঢাকা থেকে প্রতিটি ট্রেন চালুর আগে একটি টহল ইঞ্জিন চালু করা হবে। রেলের নিরাপত্তায় দুই হাজার ৭০০ আনসার নিয়োগ করা হয়েছে। এরইমধ্যে তারা কাজ শুরু করেছেন। দুই হাজার আনসার রেলওয়ে পুলিশ ও ৭০০  আনসার সদস্য রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) অধীনে নিয়োগ করা হয়েছে।

    রেলওয়ে সূত্র জানায়, রাতে যে ট্রেনগুলো চলাচল করে এবং যেসব রুটে ঝুঁকিপূর্ণ স্পট বেশি, সেসব রুটের ট্রেনগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হবে। এরইমধ্যে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ রাজশাহী থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত উত্তরা এক্সপ্রেস এবং ঈশ্বরদী থেকে রহনপুর পর্যন্ত কমিউটার ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে ।

    নাশকতা এড়াতে রাতের পশ্চিমাঞ্চলের তিন-চারটি ট্রেন বন্ধ হবে বলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার এর আগে বাংলানিউজকে জানিয়েছিলেন।

  • লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা

    লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩: ব্যক্তি পর্যায়ের লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ঘোষণা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া নির্দেশনা আলোকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখার উপ-সচিব ইসরাত জাহানের বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ঘোষিত তফসিল অনুসরণে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।

  • প্রধানমন্ত্রী আজ ভার্চুয়ালি ৫ জেলার নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন

    প্রধানমন্ত্রী আজ ভার্চুয়ালি ৫ জেলার নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) পাঁচটি জেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ ও বক্তব্য রাখেন তিনি।

    ভার্চুয়ালি ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা দেশের আর্থসামাজিক উন্নতি করতে পেরেছি। মুজিববর্ষে ঘোষণা দিয়েছি, এদেশে কেউ গৃহহীন-ভূমিহীন থাকবে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প শুরু করেছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় আমরা মানুষকে মাথা গোঁজার ঠাই করে দিচ্ছি। আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এলে দেশের প্রতিটি জেলার প্রতিটি গৃহহীন মানুষ নিজের ঠিকানা পাবে।’

    বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি ৫ জেলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী সমাবেশে দেওয়া ভাষণে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। জেলাগুলো হলো পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, নাটোর, পাবনা এবং খাগড়াছড়ি। পাশাপাশি ঢাকা জেলাও যুক্ত হয় তেজগাঁওস্থ কার্যালয় থেকে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপির সময় জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করা হয়েছিল। জনগণের অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে; এই প্রত্যয় নিয়েই সংগ্রাম করছি। অনেক সংগ্রাম, প্রতিঘাত আমাদের পার করতে হয়েছে। আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মীকে অত্যাচারের শিকার হতে হয়েছে, কারাগারে যেতে হয়েছে, তারপরও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা ২১ বছর পরে ক্ষমতায় আসি। জনগণের সেবক হিসেবে যাত্রা শুরু করি। ৯৬ থেকে ২০০১ সাল, ৭৫ এর পরে বাংলাদেশের মানুষের জন্য স্বর্ণযুগ।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা খাদ্য সেবা নিশ্চিত করি, চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নিই, শিক্ষার ব্যবস্থা করি, বিনামূল্যে বই দেওয়ার ব্যবস্থা করি। আমরা এ দেশের রাস্তাঘাট-পুল ব্রিজ নির্মাণের কাজ হাতে নিই, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করি। ১৬০০ থেকে ৪৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করি। প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেব সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করি। কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে পারলাম না। কারণ, একটা বড় দেশ থেকে গ্যাস বিক্রির প্রস্তাব ছিল, আমি বলেছিলাম এটা জনগণের সম্পদ আমি বিক্রি করতে পারি না। কিন্তু খালেদা জিয়া রাজি হয়ে যান।’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে ভার্চুয়াল জনসভা সফলভাবে শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

  • জাতীয় পার্টির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    জাতীয় পার্টির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩: ‘শান্তির জন্য পরিবর্তন, পরিবর্তনের জন্য জাতীয় পার্টি ‘ এই শ্লোগান সামনে রেখে ২৪ দফার জাতীয় পার্টির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা কর হচ্ছে।। ইশতেহার ঘোষণা করছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

    আজ বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে বনানীস্থ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে  নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে এ কথা জানান জাপার মহাসচিব।

    নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণায় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    ইশতেহার থেকে উল্লেখ করে চুন্নু বলেন, জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় গেলে নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার করবে। শুধু তাই নয়, উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ, দুর্নীতি দমন, সব আইন যুগোপযোগী, কালো আইন বাতিল, বিদেশি শ্রম ও বাজার তৈরি এবং শিল্পায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    ইশতেহারে বলা হয়েছে- ক্ষমতায় গেলে জাতীয় পার্টি দেশে প্রাদেশিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করবে। আট বিভাগকে আটটি প্রদেশে উন্নীত করা হবে। নাম হবে– উত্তরবঙ্গ প্রদেশ, বরেণ্য প্রদেশ, জাহাঙ্গীরনগর প্রদেশ, জাহানাবাদ প্রদেশ, জালালাবাদ প্রদেশ, চন্দ্রদ্বীপ প্রদেশ, ময়নামতি প্রদেশ, চট্টলা প্রদেশ। সরকার কাঠামো হবে দুই স্তরবিশিষ্ট। কেন্দ্রীয় সরকারকে বলা হবে ফেডারেল সরকার। থাকবে ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য। আর প্রদেশ চালাবে প্রাদেশিক সরকার। থাকবে প্রাদেশিক সংসদ সদস্য। প্রতিটি উপজেলা কিংবা থানাকে প্রাদেশিক সরকারের আসন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ঢাকা থেকে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ সদর দপ্তর প্রাদেশিক রাজধানীতে স্থানান্তর করা হবে।

    এতে আরও বলা হয়েছে- নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার করবে জাতীয় পার্টি। বর্তমান ব্যবস্থার বদলে ভোটের আনুপাতিক হারে জয়-পরাজয় নির্ধারণের ব্যবস্থা করা হবে। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হবে ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’।

    উপজেলা আদালত ও পারিবারিক আদালতসহ পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ব্যবস্থা চালু করে স্থানীয় সরকার কাঠামো শক্তিশালী করতে চায় জাতীয় পার্টি। উপজেলার ক্ষমতা উপজেলা চেয়ারম্যানদের কাছে হস্তান্তর করবে তারা।

    জাতীয় পার্টি বিচার বিভাগ ও ইসিকে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত রাখবে। বাজেট ও সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব ছাড়া ৭০ ধারা সংশোধনের মাধ্যমে সব প্রতিনিধিকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আওতায় এনে সংসদ কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

    ক্ষমতায় গেলে নিবর্তনমূলক কালো আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন বাতিল করবে জাতীয় পার্টি। নিম্ন আদালত ও বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো হবে। বিচারকদের সব প্রকার সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।

    প্রশাসন থেকে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণভাবে পৃথক করতে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে। বিচার প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থার অনিয়ম, দুর্নীতি, দীর্ঘসূত্রিতা ও অব্যবস্থার মূল কারণ উদঘাটন করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে গঠন করা হবে কমিশন, যা ছয় মাসের মধ্যে তাদের সুপারিশ দেবে। দেশের বিজ্ঞ আইনজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় আইন কমিশন গঠন করবে দলটি।

    জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা ব্যাপক প্রসার ঘটানো হবে। গ্রাম ও শহরে ওয়ার্ড পর্যায় থেকে বেকার তরুণ-তরুণীদের তালিকা প্রণয়ন করা হবে। যোগ্যতা অনুসারে বেকারদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র নিরূপণ করা হবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর বেকার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত সরকারিভাবে তাদের ভাতা দেওয়া হবে।

    আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ সেবা নিশ্চিত করতে ও জনসংখ্যা বাড়ার হার শতকরা একের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করবে দলটি।

    সাধারণ শিক্ষার চেয়ে কর্মমুখী শিক্ষায় বেশি জোর দেওয়া হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর, ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে বিজ্ঞান শিক্ষার সমন্বয় করাবে জাপা। কমানো হবে শিক্ষা উপকরণের দাম। দাখিল-আলিম-ফাজিল-কামিল পাসের মান এসএসসি, এইচএসসি, বিএ ও এমএ’র সমপর্যায়ে করবে দলটি।

    ক্ষমতায় গেলে দলটি কোরআন ও সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন প্রণয়ন করবে না। সরকারকে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়ার উদ্দেশে দেশের বিশিষ্ট আলেম ও ইসলামী চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবীদের সমন্বয়ে একটি ইসলামিক কমিশন গঠন করবে, রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামী মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখবে দলটি। এ ছাড়া বিশ্ব ইজতেমা প্রাঙ্গণে ১০ লাখ লোকের স্থান সংকুলানের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা করবে দলটি।

    সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানে থাকবে দলটি। কৃষিভিত্তিক শিল্প নগরী গড়ে তোলা হবে। খাদ্যে ভেজাল, বিষাক্ত পদার্থ মেশানোর বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন সংশোধন করে মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হবে।

    নতজানু নীতি পরিহার করে সমঝোতাপূর্ণ কূটনৈতিক দক্ষতা দেখাতে চায় দলটি। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে নারীর জন্য সংরক্ষিত আসন পর্যায়ক্রমে বাড়াতে চায় দলটি।

    দেশ এখন ভয়াবহ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে উল্লেখ করে দলটি ইশতেহারে বলেছে-  গোটা বিশ্ব এখন নতুন শতাব্দীতে পদার্পণ করছে। এ সময় বিশ্বের দেশসমূহ নতুন তথ্যপ্রযুক্তি, অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের আর পিছিয়ে পড়ে থাকার অবকাশ নেই। জাতীয় পার্টি নয় বছরের শাসন দেশের কল্যাণ ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছিল। আজ সেই কারণে জনসাধারণের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সামগ্রিক জীবনে সেই সময় স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। জাতীয় পার্টি এখন সুখী, সমৃদ্ধ ও আধুনিক দেশ গড়ার লক্ষ্যে অঙ্গীকারবদ্ধ।

    নানা নাটকীয়তার পর গত ১৭ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণের চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়। এবার দলটি এককভাবে ২৮৭টি আসনে প্রার্থী দিলেও ২৬টি আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের সমঝোতা হয়েছে। তবে এরই মধ্যে ১৬টি আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছন।

  • জন্মগতভাবে বিএনপি গণতন্ত্র হত্যাকারী নির্বাচনবিরোধী দল: সেতুমন্ত্রী

    জন্মগতভাবে বিএনপি গণতন্ত্র হত্যাকারী নির্বাচনবিরোধী দল: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩: জন্মগতভাবে বিএনপি গণতন্ত্র হত্যাকারী নির্বাচনবিরোধী দল, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘আসলে বিএনপি একটি ডামি দল। বাংলাদেশে প্রথম কিংস পার্টির নাম বিএনপি। তারাই তো ডামি দল। ভুঁইফোর, প্যাড সর্বস্ব, দুর্নীতিবাজদের নিয়ে জিয়াউর রহমান বিএনপি বানিয়েছে।’

    আজ বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম, উপ দপ্তর সায়েম খান, কার্যানির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, আনোয়ার হোসেন, তারানা হালিম প্রমুখ।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘যে দল আন্দোলনের আসর থেকে পালিয়ে গেছে সেই দল অসহযোগ আন্দোলন ডাকে। জনগণ ইতোমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে অসহযোগ শুরু করেছে। তার প্রমাণ হচ্ছে হাট-বাজার সব খোলা।’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি নেতারা বলতেন শেখ হাসিনা পালিয়ে যাচ্ছে, মন্ত্রীরা পালিয়ে যাচ্ছে, আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাচ্ছে, পালাবার জন্য কোনো অলিগলিও খুঁজে পাবে না। শেষ পর্যন্ত দেখা গেল পল্টনে ২৮ তারিখে কি যে দৌড় বিএনপি নেতাদের, এখানে গিয়ে পরে, ওখানে গিয়ে পরে। পলাতক দল এখন আবার অসহযোগ আন্দোলন ডাকে। যে দল আন্দোলনের আসন থেকে পালিয়ে গেল এখন সেই দল অসহযোগ করবে। জনগণ তাদের বিরুদ্ধে অসহযোগ শুরু করেছে। বিএনপি জামায়াত নির্বাচন বিরোধীদের বিরুদ্ধে অসহযোগ শুরু হয়েছে। তার প্রমাণ হাটবাজারে যান, রাস্তাঘাটে যান, দোকান পাটে যান, জীবনযাত্রা স্বাভাবিক।’

    তিনি বলেন, ‘বিএনপির ডাকে জনগণ সাড়া দেয়নি। বিএনপি নির্বাচন বিরোধী গুপ্ত সন্ত্রাস করছে, অগ্নি সন্ত্রাস করছে, ট্রেনে আগুন দিচ্ছে, বাস পোড়াচ্ছে। মানুষ আজকে নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে।’

    বর্তমান সরকারকে এখন থেকে আর কোনো সহযোগিতা না করতে প্রশাসন ও দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    অসহযোগে সরকারকে সকল প্রকার কর, খাজনা, পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল দেওয়া স্থগিত রাখার অনুরোধ জানায় বিএনপি। পাশাপাশি আগামী ৭ জানুয়ারির ভোট বর্জনের আহ্বানও জানায় দলটি।

  • ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

    ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩: ২০২৪ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার আজ বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তপন কুমার সরকার জানান, এ বছর পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময়সূচি (রুটিন) আজই প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে ২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ৩০ এপ্রিল। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখের বেশি। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মাথায় গত ২৮ জুলাই এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়।

    জাান গেছে, এসএসসি পরীক্ষার রুটিন আজই প্রকাশ করা হবে।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়।

    প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১২ মার্চ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে।

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয় গত ৩০ অক্টোবর। দুই দফায় সময় বাড়িয়ে ফরম পূরণ প্রক্রিয়া গত ১৯ নভেম্বর শেষ হয়। তবে ঠিক কতজন শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছে, তা এখনো জানায়নি শিক্ষা বোর্ডগুলো।

    তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩ থেকে ২৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

     

    নির্দেশিকা :

    পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন নিতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নিতে হবে।

    প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

    পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কমপক্ষে তিনদিন আগে সংগ্রহ করবে।

    শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়সমূহ এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

    পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

    পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

  • আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মাঠ প্রশাসন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইসির মতবিনিময়

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মাঠ প্রশাসন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইসির মতবিনিময়

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩: আগামী ৭ জানুয়ারি (২০২৪) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাঠ প্রশাসন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫ মিনিটে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এই সভা শুরু হয়। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

    মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার মো. সাবিরুল ইসলাম, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

    আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, ঢাকা অঞ্চলের জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনার জেলা পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহ পরানের মাজার জিয়ারত করেছেন

    প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহ পরানের মাজার জিয়ারত করেছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহ পরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    আজ বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৬০১ এর একটি ফ্লাইটে বেলা ১১টা ৩৩ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এরপর তিনি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে পৌঁছে জিয়ারত করেন।

    হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার একটাই কথা, আওয়ামী লীগ সরকারে এলে জনগণের কল্যাণ হয়। ২০০৯-২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিল। আজকে সিলেটে এসেছি, এখানে কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষ নেই। প্রত্যেকটি মানুষকে ঘর করে দিয়েছি। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করে যাচ্ছি। বাকিগুলো অচিরেই পূরণ করব ইনশাহআল্লাহ। ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জনগণ যদি ভোট দেয়। আমরা যদি আবার সরকার গঠন করতে পারি। তাহলে পুরো বাংলাদেশটাকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ হিসেবে গড়তে পারব। কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না। বাংলাদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। ইতোমধ্যে আমরা উন্নত বিশ্বের মর্যাদা পেয়েছি। ক্ষমতায় আসার পরেই সেটি কার্যকর করতে হবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘তারা নির্বাচন করবে না, আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারে, আগুন দিয়ে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে। এটা জনগণের সম্পত্তি। রেললাইন অ্যাক্সিডেন্ট করিয়ে মানুষ হত্যা করে। এটা হচ্ছে জঙ্গিবাদী কাজ। এই কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি জামায়াত জোট। বিএনপির একটাই কাজ মানুষ পুড়িয়ে মারা। ২০১৩ ও ২০১৪ তেও দেখেছি তারা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। এটা কি ধরনের আন্দোলন।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই কাজ করি। এদিকে রেলে আগুন দিল, একাটা মা-সন্তান পুড়িয়ে মরলো। এর চেয় কষ্টের কি হতে পারে? কি করে তারা মানুষ হত্যা করে। পুলিশ, সাংবাদিক, বিচারক, জনগণের ওপর হামলা করে। এটা কি ধরনের খেলা। একজন লন্ডন বসে হুমুক দেয়। আর দেশে কিছু চ্যালা আছে আগুন দেয়। মানুষ মেরে ভীতি সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল করতে চেষ্টা করছে।

    এর আগে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

    সিলেট সফর শেষে আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি বরিশাল, গোপালগঞ্জ জেলা সফর করবেন। এছাড়া বেশ কয়েকটি জেলায় ভার্চ্যুয়ালি সংযুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি।

    আগামী ২১ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট, রাজশাহী বিভাগের নাটোর ও পাবনা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের খাগড়াছড়িতে ভার্চ্যুয়ালি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    ২৯ ডিসেম্বর বরিশাল সফরে যাবেন শেখ হাসিনা। এদিন বিকেল ৩টায় বরিশাল জেলা সদরে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

    এরপর আগামী ৩০ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর জেলা সফর করবেন আওয়ামী লীগ প্রধান। এদিন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া) আসন নিজের নির্বাচনী এলাকায় জনসভায় বক্তব্য দেবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। এ ছাড়া এদিন মাদারীপুর-৩ আসনেও আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন শেখ হাসিনা।

  • রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে সিইসির মতবিনিময়

    রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে সিইসির মতবিনিময়

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩: দ্বাদশ জাতয়ি সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাংগীর আলম, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আনিসুর রহমান ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুল ইসলামসহ নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজশাহীর স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

    আজ বুধবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা শেষে সিইসি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

    এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাররা কেন্দ্রে ভোট দিতে আসবেন। সেই পরিবেশই থাকবে। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রার্থীদের বার্তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রার্থীদের পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রেখে আচরণবিধি মেনে অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সব ধরনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

    সিইসি সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘কোথাও যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়ে থাকে, তাৎক্ষণিকভাবে যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন ব্যবস্থা নেয়, সেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আপনারা বিশ্বাস রাখুন, নির্বাচন সুন্দর হবে।’

    তিনি বলেন, ‘সবার প্রয়াসে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। আপনারাও (সাংবাদিকরা) কিন্তু সব সময়ই স্বচ্ছতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে থাকেন। আপনাদের চেষ্টায়, আমাদের চেষ্টায়, প্রার্থীদের চেষ্টায় এবং ভোটারদের চেষ্টায় এ নির্বাচন সফল হবেই। আজকের মতবিনিময় সভায় আলোচনা শেষে আমরা সবাই এ আশাবাদ ব্যক্ত করেছি’।

    তিনি বলেন, ‘মতবিনিময় সভায় প্রার্থীদের সবাইকে আচরণবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তারাও যথেষ্ট আন্তরিক। তবে কিছু সমস্যার কথা এসেছে। আমরা শুনেছি। স্থানীয় প্রশাসন কথা বলেছে। সমস্যাগুলো কীভাবে নিরসন করা যায়, সে গাইডলাইনও আমরা দিয়েছি। আশা করি, তারা আমাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত তা তারা আন্তরিকভাবে পালনের চেষ্টা করবেন।’

    এ সভায় প্রার্থীদের অনেকে নানা অভিযোগ তুলে ধরেছেন বলে তারা জানিয়েছেন। সিইসি এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সার্কিট হাউজে মতবিনিময় শেষে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন সিইসি।

  • গণভবনে কাতারের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

    গণভবনে কাতারের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশে নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত সেরায়া আলী মাহদি সাইয়্যেদ আল-কাবতানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। এই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ফিলিস্তিনের গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনভুক্ত (ওআইসি) দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

    আজ মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) গণভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

    পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    সাক্ষাতে গাজা ইস্যু নিয়ে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ওআইসিভুক্ত দেশগুলোকে এক হয়ে কাজ করা উচিত।’

    গাজা ইস্যুতে কাতারের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘তার দেশ কাতার এ বছর ১৮ ডিসেম্বর জাতীয় দিবস উদযাপন করেনি। এর জন্য বরাদ্দ  ৫০ মিলিয়ন ডলার গাজার জনগণকে দিয়েছে।’

    ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য বাংলাদেশও শুকনা খাবার, কাপড়সহ অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    বাংলাদেশে পড়াশোনা করতে আসা ফিলিস্তিনি চিকিৎসকদের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফিলিস্তিনের যে চিকিৎসকরা বাংলাদেশে গ্র্যাজুয়েশন করেছেন, তারা যেন সংঘাতকালেও মানুষের সেবা করতে পারেন, সে জন্য এখানে তাদের নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ চিকিৎসকরা এখন ফিলিস্তিনের হাসপাতালগুলোতে কাজ করছেন।’

    কাতারের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘সারা বিশ্বের মানুষ যেন গাজার পরিস্থিতি জানতে পারে, সে জন্য কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা নিউজ নেটওয়ার্ক গাজা ইস্যুতে নিবিড়ভাবে সংবাদ পরিবেশন করছে।’

    গাজা ইস্যুতে বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য কাতার সরকারকে ধন্যবাদ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সাক্ষাৎকালে কাতারের রাষ্ট্রদূত ২০২৪ সালের ৪-৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অষ্টম দোহা আন্তর্জাতিক মেরিটাইম ডিফেন্স এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্স (ডিআইএমডিইএক্স) অংশগ্রহণ করতে একটি আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন।

    আমন্ত্রণপত্র নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে জয়লাভ করলে তিনি এ প্রদর্শনীতে যোগ দেবেন।

    কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির উদ্যোগে প্রতি দুই বছর পর পর এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

    ২০২৪ সালে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির বাংলাদেশে সফর প্রত্যাশা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কাতারের আমিরকে স্বাগত জানানোর জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি।

    ২০২০ সালের মে মাসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে করা আমন্ত্রণ নিয়েছেন কাতারের আমির।