www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩: ২০২৪ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার আজ বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তপন কুমার সরকার জানান, এ বছর পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময়সূচি (রুটিন) আজই প্রকাশ করা হবে।
এর আগে ২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ৩০ এপ্রিল। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখের বেশি। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মাথায় গত ২৮ জুলাই এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়।
জাান গেছে, এসএসসি পরীক্ষার রুটিন আজই প্রকাশ করা হবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১২ মার্চ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয় গত ৩০ অক্টোবর। দুই দফায় সময় বাড়িয়ে ফরম পূরণ প্রক্রিয়া গত ১৯ নভেম্বর শেষ হয়। তবে ঠিক কতজন শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছে, তা এখনো জানায়নি শিক্ষা বোর্ডগুলো।
তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩ থেকে ২৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্দেশিকা :
পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন নিতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নিতে হবে।
প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কমপক্ষে তিনদিন আগে সংগ্রহ করবে।
শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়সমূহ এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।
পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।










