Category: বাংলাদেশ

  • আজ থেকে মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনী

    আজ থেকে মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সারা দেশে মাঠে নেমেছে সশস্ত্র বাহিনী।

    আজ বুধবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে রাজধানীর বনানী, মহাখালী, নাবিস্কো, মালিবাগ ও খিলগাঁ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দেখা গেছে।

    মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভোটগ্রহণের আগে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার জন্য ৩-১০ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন/স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করবে সশস্ত্র বাহিনী।

    আইএসপিআর জানায়, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বাহিনীসমূহ এলাকাভিত্তিক মোতায়েন সম্পন্ন করছে।

    সেনাবাহিনী ৬২টি জেলায় নিয়োজিত হয়েছে। সমতলে সীমান্তবর্তী ৪৫টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও সীমান্তবর্তী ৪৭টি উপজেলায় সেনাবাহিনী বিজিবির সঙ্গে এবং উপকূলীয় ০৪টি উপজেলায় কোস্ট গার্ড এর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় দুটি জেলাসহ (ভোলা ও বরগুনা) সর্বমোট ১৯টি উপজেলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।

    বাংলাদেশ বিমান বাহিনী হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে। জরুরি প্রয়োজনে নির্বাচনী সহায়তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যৌথ সমন্বয় সেল স্থাপন করা হয়েছে, যা ১০ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত কার্যকরী থাকবে।

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ উপলক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সশস্ত্র বাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে।

  • ফরিদপুরে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিলেন শেখ হাসিনা

    ফরিদপুরে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিলেন শেখ হাসিনা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২ জানুয়ারি, ২০২৪: আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) নৌকা মার্কার প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইতে ফরিদপুর আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠের জনসভায় উপস্থিত হন তিনি।

    জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ফরিদপুর-৩ আসনের নৌকার প্রার্থী শামীম হকের সভাপতিত্বে জনসভায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরিদপুর-১ আসনে নৌকার প্রার্থী আব্দুর রহমান, ফরিদপুর-২ আসনে প্রার্থী শাহাদাব আকবর লাবু চৌধুরী, মাগুরা-১ আসনের প্রার্থী সাকিব আল হাসান, রাজবাড়ী-১ আসনের প্রার্থী কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ আসনের প্রার্থী ঝিল্লুল হাকিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    জনসভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আমি জাতির পিতার কন্যা। কারও কাছে মাথা নত করি না, মাথা নত করব না। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসেছিল গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে। আমি গ্যাস বিক্রি করতে চাইনি বলে ষড়যন্ত্র করে আমাকে আসতে দেয়নি।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছে সরকার বিনামূল্যে বই পৌঁছে দিয়েছে।”

    তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেশকে আধুনিক প্রযুক্তিতে গড়ে তুলতে কাজ করছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০০৮ সালের নির্বাচনে আমরা জয়ী হই। আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৩৩টি আসনে জয়লাভ করে। আর এই বিএনপি বড় বড় কথা বলে, লম্পঝম্প করে, তারা পেয়েছিল মাত্র ৩০টি সিট। যে কারণে তারা ২০১৪ তে নির্বাচন করেনি। ২০১৮ তে নির্বাচনে প্রার্থী বাণিজ্য, মনোনয়ন বাণিজ্য করে নিজেদের মধ্যে গোলমাল করে সরে যায়।”

    তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ জনগণের সমর্থন নিয়ে ২০০৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ১৫ বছর ক্ষমতায় আছে। আমরা ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ঘোষণা দিয়েছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। আজকে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। ৮ হাজারের ওপরে ডিজিটাল সেন্টার আজকে আমাদের দেশের মানুষকে সেবা দিচ্ছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেকটা মানুষের হাতে হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছে দিয়েছি। ওয়াইফাই কানেকশন দিয়ে দিয়েছি।”

    অনুষ্ঠানে সাকিব আল হাসান বলেন, “আমি মাঠের মানুষ ভাষণ দিতে পারি না। তাই শুধু বলতে চাই প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নৌকাকে বিজয়ী করার বিকল্প কিছু নেই। তাই আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।”

    ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফের সঞ্চালনায় জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র অমিতাভ বোস, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, মাসুদুল হক, সাইফুজ্জামান সেলিম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল ও ফরিদপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহদাব আকবর প্রমুখ।

    এর আগে দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফরিদপুর পৌঁছে সার্কিট হাউসে আসেন। সেখানে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে বিকেল ৩টা ১৩ মিনিটে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে জনসভায় যোগ দেন।

  • সংসদ নির্বাচনের দিন গণপরিবহন চলবে

    সংসদ নির্বাচনের দিন গণপরিবহন চলবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২ জানুয়ারি, ২০২৪: আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার এবং আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী। এদিকে নির্বাচনের দিন নির্বাচনের দিন গণপরিবহন চলবে। তবে বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল, দূরপাল্লার বাস।

    আজ মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এসব তথ্য জানান জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজার রহমান।

    তিনি বলেন, “নির্বাচনে ভোটারদের যাতায়াত সুবিধার জন্য ভোটের দিন গণপরিবহন, প্রাইভেট কার, সিএনজি ও অটোরিকশা চলাচল করার অনুমতি দেওয়া হবে। তবে আগের মতো এবারো মোটরসাইকেল ও দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। শিগগিরই এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।”

    এক্সিকিউটিভ (নির্বাহী) মেজিস্ট্রেটদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় কোনো ছবি তুলবেন না। এগুলো বাহাদুরি করার কোনো বিষয় নয়। মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবেন না। মাঠ পর্যায়ে সব বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবেন।”

    এছাড়া অস্ত্র আইনের বিধান অনুযায়ী লাইসেন্সধারী কোনো ব্যক্তি যেকোন ধরনের অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন করতে পারবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল— ৬ জানুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ৭ জানুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) ট্যাক্সি, পিক আপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে।

    নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনিছুর রহমান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার বিভাগের সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান।

  • নির্বাচনে ২৮টি দলের প্রার্থী আছে এটাই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন: সেতুমন্ত্রী

    নির্বাচনে ২৮টি দলের প্রার্থী আছে এটাই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২ জানুয়ারি, ২০২৪: নির্বাচনে ২৮টি দলের প্রার্থী আছে এটাই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “নির্বাচনে ২৮টি দলের প্রার্থী আছে। এটাই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য যথেষ্ট বলে মনে করি। আশা করি ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। যদিও অশান্তির উপাদান আছে। ইতোমধ্যে অগ্নিসন্ত্রাস, বাস-ট্রেনে আগুন দেওয়া হচ্ছে, যাতে জনগণ আতঙ্কগ্রস্ত হয়, তারা যেন ভোট দিতে না যায়, এজন্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম বিএনপি চালিয়ে যাচ্ছে।”

    আজ মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় রাজধানীর ধানমন্ডি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপি এখন লিফলেট বিতরণের নামে কিছুটা নীরবতা দেখাচ্ছে। তবে হঠাৎ করেই তারা সশস্ত্র হয়ে মাঠে নেমে পড়বে। তাদেরকে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ আছে। হঠাৎ করে তারা গুপ্ত হামলা, ভয়ংকরভাবে ঝুঁকে পড়তে পারে। শুনেছি এজন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে ৭ জানুয়ারি নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা দেশে প্রচারণা চলছে। জনসভাগুলোতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। এখানে নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের যে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, এতেই স্পষ্ট ৭ জানুয়ারি নির্বাচন হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন থেকে পিছিয়ে পড়ার কোনো সুযোগ নেই। ৫ বছর পর ৭ জানুয়ারি যে নির্বাচন হবে। যতো বাধাই আসুক, লিফলেট বিতরণ করে জনগণের মধ্যে ভয় দেখানো হোক, কোনোভাবেই নির্বাচন বানচাল করা যাবে না।”

    ড. ইউনূসের সাজা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, “আদালতের রায়েই তিনি দন্ডিত হয়েছেন। এখানে আওয়ামী লীগের কোনো দায় নেই। যে শ্রমিকদের পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছেন তারাই মামলা করেছেন। এখানে আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা কেন?”

  • ১৪ জানুয়ারি থেকে জাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু

    ১৪ জানুয়ারি থেকে জাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২ জানুয়ারি, ২০২৪: আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হবে। আবেদন চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

    আজ মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন।

    এরআগে, গত সোমবার (১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    জানা গেছে, ১৪ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২২ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের ২২, ২৫, ২৭, ২৮ ও ২৯ তারিখে ভিন্ন ভিন্ন ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গতবারের মতো এবারও শিফট পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে কি না সে সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত নয়।

    ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘এ’ ইউনিট (গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদ এবং ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি- আইআইটি), ‘বি’ ইউনিট (সমাজবিজ্ঞান ও আইন অনুষদ), ‘সি’ ইউনিট (কলা ও মানবিক অনুষদ এবং বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট), ‘ডি’ ইউনিটের (জীববিজ্ঞান অনুষদ) জন্য আবেদন ফি ৯০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ‘সি১’ ইউনিট (নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ এবং চারুকলা বিভাগ) ও ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) বিবিএ প্রোগ্রামের জন্য আবেদন ফি ধার্য করা হয়েছে ৬০০ টাকা। এছাড়া ‘ই’ ইউনিটের (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ) আবেদন ফি ৭৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সেনাবাহিনীর সিজিএস ও পিএসও এর সাক্ষাৎ

    বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সেনাবাহিনীর সিজিএস ও পিএসও এর সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ জানুয়ারি, ২০২৪: রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের  সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনীর নবনিযুক্ত চিফ অফ জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট  জেনারেল ওয়াকার -উজ-জামান এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম।

    আজ সোমবার বছরের প্রথম দিনে ( ১ জানুয়ারি) বঙ্গভবনে  এই সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়।

    রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন জানান, সাক্ষাৎকালে তারা সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কর্মকা- সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

    এসময় নতুন  সিজিএস এবং পিএসও দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতির  দিকনির্দেশনা  কামনা করেন।

    নতুন  সিজিএস এবং পিএসওকে অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি  বলেন, সেনাবাহিনীর উন্নয়নে তাদের মেধা, শ্রম ও দক্ষতা গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখবে।

    দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশ ও জনগণের কল্যাণে বেসামরিক প্রশাসনের কার্যক্রমে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে রাষ্ট্রপ্রধান আশা করেন ।

    রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

     

  • কলাবাগান মাঠে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিলেন শেখ হাসিনা

    কলাবাগান মাঠে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিলেন শেখ হাসিনা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ জানুয়ারি, ২০২৪: রাজধানীর কলাবাগান মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার (১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ১৭ মিনিটে মঞ্চে উপস্থিত হন তিনি। এসময় স্লোগান স্লোগানে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান নেতাকর্মীরা। বাংলাদেশের পতাকা হাতে স্লোগানের জবাব দেন তিনি। পাশাপাশি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান পৃথকভাবে আওয়ামী লীগ সভাপতিকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

    ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের নৌকার প্রার্থী আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা-১০ আসনের নৌকার প্রার্থী নায়ক ফেরদৌস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস প্রমুখ।

    ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রধান অতিথির ভাষণে শেখ হাসিনা বলেন, “৭৫ এর পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল। তারা ক্ষমতায় এসেছিল অস্ত্র হাতে নিয়ে। মানুষের ভাগ্য গড়েনি। এই দেশটাকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়। যে জয় বাংলা স্লোগানে দেশের মানুষ তাজা রক্ত দিয়েছিল, সেটিও নিষিদ্ধ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সম্পূর্ণ জলাঞ্জলি দিয়ে দেয়।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেদিন বাংলাদেশে ফিরে আসি। আমার ফেলে রাখা আপনজনদের পাইনি। পেয়েছি, হাজার হাজার মানুষ। সেদিন ঘোষণা দিয়েছিলাম, এ বাংলাদেশের মানুষই আমার পরিবার। তাদের মধ্যেই আমি খুঁজে পাবো, বাবা-মা ভাইবোনের স্নেহ। হ্যাঁ, এটা পেয়েছি। একটা প্রত্যয় ছিল, সবার মুখে খাদ্য তুলে দেবো। কেউ গৃহহীন ভূমিহীন থাকবে না। সবাইকে উন্নত জীবন দেবো। ক্ষমতায় এসে সেই কাজ শুরুও করেছিলাম। কিন্তু গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিইনি বলে ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারিনি।”

    তিনি আরও বলেন, “তবে তাদের দুর্নীতির কারণে ২০০৮ সালে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা ২৩৩ আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছি। ২০১৩-১৪ সালে আগুনে মানুষ পুড়িয়েছে, কিন্তু নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি। ২০১৮ সালে নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। তারেক জিয়া দেয় নমিনেশন, গুলশান থেকে ফখরুল দেয় নমিনেশন, পল্টন অফিস থেকে রিজভী দেয়। ওইভাবে নমিনেশন বিক্রির ফলে তাদের নির্বাচন ভেস্তে যায়।”

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “অথচ আওয়ামী লীগ ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। ভোট ও ভাতের অধিকারের জন্য আমাদের নেতাকর্মীরা অত্যাচার সয়েছে, জেলে খেটেছে। এখন আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন করে দিয়েছে।”

    ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ বলেন, “আজ আমাদের মাঝে দখিনের বাতাস হয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আমাকে এই মর্যাদাপূর্ণ ঢাকা-১০ আসনে মনোনীত করেছেন। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও এই ঢাকা আসনের মানসম্মান ধরে রাখবো।”

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, “খেলা হবে, হবে খেলা, বিএনপি কোথায়? মাঠে আছে? কোথায় গেছে? পালিয়ে গেছে? খেলা থেকে বাদ, ফাউল করে লাল কার্ড খেয়েছে। লাল কার্ড খেয়ে ২৮ তারিখেই বাদ। ফাইনাল খেলা ৭ জানুয়ারি।”

    তিনি আরও বলেন, “এদেরকে লাল কার্ড দেখিয়ে বের করে দিতে হবে। বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী, লুটতরাজ, দুর্নীতিবাজ ষড়যন্ত্রকারী। তাদের স্থান বাংলার মাটিতে হবে না। যারা আমার প্রিয় জন্মভূমি পাকিস্তান বানাতে চায়, আফগানিস্তান বানাতে চায়, তাদের স্থান বাংলার মাটিতে হবে না। খেলা হবে। জোরদার খেলা হবে। আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে খেলা হবে। লুটপাটের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে খেলা হবে, অবরোধের বিরুদ্ধে খেলা হবে।”

    গত বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্কমকর্তা সাবিরুল ইসলামের সই করা এক চিঠিতে এ জনসভার অনুমতি দেওয়া হয়।

  • নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই: সিইসি

    নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই: সিইসি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ জানুয়ারি, ২০২৪: নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই, বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, “অনেকেই বলেন ওনারা (কমিশন) নির্বাচনটা তিনমাস পিছিয়ে দিলে ভালো হতো। কারণ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়নি। নির্বাচন তিনমাস পিছিয়ে দেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই। অনেকে মনে করেন নির্বাচন কমিশন আসল ক্ষমতার অধিকারী। প্রয়োজনে তিনমাস তিন বছর বা ত্রিশ বছর পিছিয়ে দিতে পারে। এগুলো সত্য নয়। যারা রাজনীতিবিদ তারা অবশ্য অবহিত আছেন একটা নির্ধারিত সময়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করতে পারে।”

    আজ সোমবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

    সিইসি বলেন, “আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেকোনো মূল্যে ভোট কেন্দ্রের পরিস্থিতি সুন্দর রাখতে হবে। সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি বলেন, “যখনই নির্বাচনের প্রশ্নটা আসে অনেকেই এটাকে হালকা করে নেয়। এটা হালকা করে নেওয়ার বিষয় না। আমাদের কাজ কিন্তু সরকার গঠন করা নয়। আমাদের কাজটা খুব সীমিত, নির্বাচন আয়োজন করে দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার ব্যবস্থা করা।”

    একই দিনে ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে সিইসি বলেন, “সর্বোচ্চ দায়িত্বটা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কখনোই তার একক শক্তিতে নির্বাচন আয়োজন করতে পারে না। এ কারণেই সংবিধানে আরপিওয়ে সুষ্পষ্ট করে বলা আছে, নির্বাচন পরিচালনায় কমিশন যেভাবে চাইবে রাষ্ট্র বা সরকার তা দিতে বাধ্য।”

    তিনি আরও বলেন, “এরপরও এটা ঐতিহাসিক সত্য বাংলাদেশের নির্বাচনটা আজ অবধি একটি স্থিতিশীল অবস্থানে এসে থিতু হতে পারেনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ের নির্বাচন দেখেছি। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে না বা হয় মোটামুটি যদি গ্রহণযোগ্য হয় সেটা নির্বাচন। কারণ নিরুঙ্কুশ অর্থে সামান্যতম অনিয়ম যে হবে না এটা কখনোই বলা যাবে না।”

    ২০১৪ সালের নির্বাচন সার্বজনীন হয়ে ওঠেনি উল্লেখ করে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “১৮ সালের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সেই নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। পাবলিক পারসেপশনটা ইতিবাচক হয়নি। নির্বাচন শুধু সুষ্ঠু হলে হবে না। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে, অবাধ হয়েছে— ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন সেটা বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে। এই বিশ্বাসযোগ্যতা যদি না থাকে তাহলে পাবলিক পারসেপশন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের চেষ্টা করতে হবে যতদূর সম্ভব নির্বাচনটাকে দৃশ্যমানভাবে স্বচ্ছ করে তুলতে হবে। দৃশ্যমানতার মাধ্যমে জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে।”

    তিনি বলেন, “আমাদের চেষ্টা করতে হবে যতদূর সম্ভব নির্বাচনকে দৃশ্যমানভাবে স্বচ্ছ করে তুলতে হবে। দৃশ্যমানতার মাধ্যমে জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে।”

    সিইসি বলেন, “দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইন্টারন্যাশনাল ডাইমেনশন আছে। সেটাকে খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। কারণ ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির কাছে দেখাতে হবে নির্বাচনটা অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। সহিংসতাকে কোনোভাবেই বরদাস্ত করা উচিত না, এটা জনমনে ভীতির সৃষ্টি করে।

    দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটা অংশ নির্বাচন বর্জন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, “তারা শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনের বিপক্ষে বক্তব্য রাখছেন। সেটা অসুবিধা নেই; তারা জনমত সৃষ্টি করতে পারেন। কিন্তু সহিংস পন্থায় যদি এটার বিরুদ্ধাচরণ করা হয় বা যারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তাদের যদি বাধা দেওয়া হয় তাহলে অবশ্যই সংকট দেখা দেবে। সেই সংকট মোকাবিলা আমাদের করতে হবে। ”

    নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.), নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান।

  • বছরের শুরুতে নতুন বই পাচ্ছে ৩ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৪ জন শিক্ষার্থী

    বছরের শুরুতে নতুন বই পাচ্ছে ৩ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৪ জন শিক্ষার্থী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ জানুয়ারি, ২০২৪: বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বছরের শুরুতে স্কুল শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার রেওয়াজটি অভিনন্দনযোগ্য একটি ইভেন্ট। অর্থাৎ নতুন বছেরের প্রথম দিনেই কোমলমতি শিশুরা আকৃষ্ট হয় নতুন বইয়ের ঘ্রাণে। এটা তাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার।

    আজ সোমবার (০১ জানুয়ারি) পাঠ্যপুস্তক বিতরণের মাধ্যমে ‘বই উৎসব’ উদ্‌যাপন করা হচ্ছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড জানিয়েছে, তিন কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৪ জন শিক্ষার্থী পাবে বিনামূল্যে নতুন বই। বই উৎসবে মোট ৩০ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৭টি বই বিতরণ করা হবে।

    নির্বাচনকালীন সরকারের সময়ে উৎসব হলেও কিছু নির্দেশনা মেনে বই বিতরণ করতে বলেছে নির্বাচন কমিশন। গত ২৪ ডিসেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবকে এক চিঠিতে ১ জানুয়ারি বই উৎসবের অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচনকালীন এ অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল।

    ইসির সম্মতিপত্রে উল্লেখ করা হয়, অন্যান্য বছরের ন্যায় ১লা জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে শিক্ষাবর্ষ শুরুর দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে সমগ্র দেশে নতুন পাঠ্যবই বিতরণ সংক্রান্ত ‘বই উৎসব’ সরকারের রুটিন কাজ।

    মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট সকলে নিজ নিজ কর্মস্থলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যথানিয়মে বই বিতরণ করবেন। প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ কার্যক্রম শুরুর সদয় সম্মতি প্রদান করলে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে বই উৎসব করা হচ্ছে।

    বই উৎসবে প্রাক-প্রাথমিক থেকে এসএসসি ও সমমান পর্যন্ত তিন কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৪ জন শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে বই দেওয়া হবে।

    বই উৎসবে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের প্রাক প্রাথমিকের ৩০ লাখ ৮০ হাজার ২০৫ জন, প্রাথমিক স্তরের এক কোটি ৮২ লাখ ৫৫ হাজার ২৮৪ জন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৮৫ হাজার ৭২২ জন, ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৬০৮ জন, মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির এক কোটি চার লাখ ৯০ হাজার ১০৭ জন, দাখিলের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ২৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৮ জন, ইংরেজি ভার্সন ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির এক লাখ ৭৩ হাজার ৮৫৫ জন, কারিগরির ট্রেড বই ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির দুই লাখ ৭১ হাজার ৯৫২ জন, দাখিল ভোকেশনালের ছয় হাজার ১৫ জন ও ব্রেইল পদ্ধতির ৭২৪ জন; এই মোট তিন কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৪ জন শিক্ষার্থী পাবে বিনামূল্যে নতুন বই।

    বই উৎসবে মোট ৩০ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৭ টি বই বিতরণ করা হবে। এরমধ্যে শিক্ষক সহায়িকা রয়েছে ৪০ লাখ ৯৬ হাজার ৬২৮টি।

    আজ সোমবার (১ জানুয়ারি) প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর মাঝে নতুন বছরের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম ‘বই বিতরণ উৎসব-২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর মিরপুরের ন্যাশনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত।

    প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, “আমরা নতুন আঙ্গিকে, নতুন সম্ভাবনায়, নতুন উদ্দীপনায় মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে নব উদ্যমে ২০২৪ সালে পদার্পণ করেছি। মুক্তির বিশাল ভুবনে নিজেকে আবিষ্কার করতে হলে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার আলোয় সেটি সম্ভব। বর্তমান সরকার তাই শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে।”

    তিনি বলেন, “অত্যন্ত স্বচ্ছতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার জন্য শারীরিক শিক্ষকদের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। পদোন্নতি চালু করা হয়েছে। শিক্ষক ঘাটতির কারণে শিক্ষক নিয়োগের কাজ গ্রহণ করেছি। বিদ্যালয়কে শিশুদের কাছে আকর্ষণীয় করার জন্য ঢাকা মহানগরের ৩৪২টি স্কুলকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য দশমাসব্যাপী যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বছরের ১৫ জানুয়ারি থেকে এই প্রশিক্ষণ শুরু করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আপনাদের সকলের সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততা চাই।”

    জানা গেছে, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে এবার নতুন কারিকুলামে বই যাবে। এই বইয়ের পাণ্ডুলিপি তৈরিতে দেরি হওয়ায় এই দুটি বইয়ের ছাপা কাজ মাত্র শুরু হয়েছে। তাই এই দুটি শ্রেণির বই পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বই প্রায় শতভাগ উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিকের কোনো শিক্ষার্থী হয়ত দুই শ্রেণির বই পাবে না, কিন্তু একদম খালি হাতে ফিরে যাবে না।

    এরআগে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন তিনি।

    এ সময় সেখানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ২০২৪ সালে নতুন বছরের মহেন্দ্রক্ষণে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    ২০২৪ সালে নতুন বছরের মহেন্দ্রক্ষণে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ জানুয়ারি, ২০২৪: ডেঙ্গু, বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, রাজনৈতিক নানা অস্থিরতার মতো জাতীয় সমস্যার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সমস্যার মধ্যে ছিলো করোনা মহামারির প্রভাব, অর্থনৈতিক সংকট,  ইউক্রেন যুদ্ধ ও সবশেষে গাজায় যুদ্ধের সংকটকে পাশ কাটিয়ে আমরা ২০২৪ সালের নতুন বছরে যাত্রা শুরু করেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন বছর উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, “আজ আমরা যে সময়কে পেছনে ফেলে নতুন দিনের আলোয় উদ্ভাসিত হতে যাচ্ছি, সে সময়ের যাবতীয় অর্জন আমাদের সম্মুখ যাত্রার শক্তিশালী সোপান হিসেবে কাজ করছে। তাই নতুন বছরের এই মাহেন্দ্রক্ষণ সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নতুন নতুন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উন্নতির নতুন শিখরে আরোহণের সোপান রচনা করার অনুপ্রেরণা।”

    নতুন বছর-২০২৪ উপলক্ষ্যে আজ দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, “নতুন বছরে মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরো জোরদার হোক, সকল সংকট দূরীভূত হোক, সকল সংকীর্ণতা পরাভূত হোক এবং সকলের জীবনে আসুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি এই প্রার্থনা করি।”

    ২০২৩ সাল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের এক স্বর্ণযুগ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা গত ২০২২ সালের ২৫ জুন নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর সেতুতে রেল যোগাযোগের শুভ উদ্বোধন করেছি। ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর উত্তরা-আগারগাঁও রুটে মেট্রোরেল চালুর পর ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল সেবা সম্প্রসারণ করেছি।”

    আমাদের অন্যান্য মেগা ও মাঝারিসহ সকল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজও পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু করেছি। ৫ অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহ করেছি। ফলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবহারকারী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ৭ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং ১৯ অক্টোবর দেশের ৩৯টি জেলায় ১৫০টি সেতু এবং ১৪টি ওভারপাস একসাথে উদ্বোধন করেছি। ২৮ অক্টোবর দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম চট্টগ্রামে কর্ণফুলি নদীর তলদেশে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দিয়েছি। ১১ নভেম্বর দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ঢাকা-কক্সবাজার সরাসরি রেল চালু করেছি।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করে। আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচন হতে পরপর তিন দফা জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে গত ১৫ বছরে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছি।”

    তিনি বলেন, “করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশের অর্থনীতিও কিছুটা মন্থর হয়েছিল। সেই ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক অবরোধ ও পাল্টা অবরোধ সারা পৃথিবীতে নিরীহ মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা এরই মধ্যে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলের আগ্রাসন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছি। আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারই দেশের যেকোনো সংকট আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আমরা প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সাথে ছিটমহল বিনিময় করেছি। মিয়ানমারে গণহত্যা থেকে আত্মরক্ষার্থে পালিয়ে আসা প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছি। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দেশের ৩৩টি জেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেছি। শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় নিয়ে এসেছি। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং বিনামূল্যে ৩০ প্রকারের ঔষধ দিচ্ছি। ২ কোটি ১০ লাখ কৃষককে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রদান করেছি। ২ কোটি ৫৩ লাখ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি-উপবৃত্তি দিচ্ছি।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট চারটি ক্যাটেগরিতে ১০ কোটি মানুষের জন্য সার্বজনীন পেনশন চালু করেছি। আওয়ামী লীগ সরকার ২০১০ সাল থেকে বছরের প্রথম দিন ছাত্রছাত্রীদের হাতে বিনামূল্যে বই পৌঁছে দিচ্ছে। এই বই উৎসব বাংলাদেশে ইংরেজি নববর্ষ উদ্যাপনের ক্ষেত্রেও এক নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে।”

    ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাস্তবায়ন শুরু করেছি জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী দক্ষ জনসম্পদ সৃষ্টি করছি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছি। ২০২১ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনের সময় জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ ঘোষণা করেছে। আমরা ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছি।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলেই দেশের উন্নয়ন হয় এবং জনগণের মঙ্গল হয়। কারণ, একমাত্র আওয়ামী লীগই স্বাধীনতার সুমহান আদর্শকে ধারণ করে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করে।”

    দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  “আসুন আমরা মানুষের সার্বিক কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি, অগ্নিসন্ত্রাস প্রতিহত করে মানুষের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করি এবং সর্বোপরি গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলি।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের মহান নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানিদের পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করি। স্বাধীনতা অর্জনের পর মাত্র নয় মাসেই তিনি আমাদের একটি সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন।”

    তিনি বলেন, “১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ৭ এপ্রিল প্রথম অধিবেশন বসেছিল। ২০২৩ সালের ৬ এপ্রিল মহান জাতীয় সংসদের ৫০ বছরপূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে ২২তম/বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই অধিবেশনে আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শূন্য হাতে সদ্যস্বাধীন দেশকে যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ থেকে টেনে তুলেছিলেন। তখন ব্যাংকে কোন রিজার্ভ মানি ছিল না, কোনো কারেন্সি নোট ছিল না। সেই অবস্থায় গণতন্ত্রের মজবুত ভিত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করেছিলেন।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরকার গঠনের পর ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই থেকে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরেই তিনি বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশে উন্নীত করেছিলেন এবং জাতিসংঘ  সেই স্বীকৃতি দিয়েছিল।”

    সূত্র: বাসস