Category: বাংলাদেশ

  • পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩: ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন তিনি।

    শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে নতুন বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

    এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “আমরা বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে গড়তে চাই। একমাত্র শিক্ষাই পারে। শিক্ষিত জাতি ছাড়া দারিদ্র্যমুক্ত হয় না। এজন্য আমরা শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা বাজেটেও বেশি টাকা রাখি। সেটাকে বহুমুখী করার ব্যবস্থাটা করে দিচ্ছি।”

    নিয়ম অনুযায়ী, নতুন বছরের প্রথম দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে কেন্দ্রীয় পাঠ্যবই উৎসব উদযাপন করবে।

    জানা গেছে, ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে মোট ৩ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৪ শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে ৩০ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৭টি পাঠ্যবই ও শিক্ষক সহায়িকা (টিজি) বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিকে ৩০ লাখ ৮০ হাজার ২০৫ শিক্ষার্থী পাবে ৬১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৮টি পাঠ্যবই। প্রাথমিকে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১ কোটি ৮২ লাখ ৫৫ হাজার ২৮৪ জনকে দেওয়া হবে ৮ কোটি ৭৪ লাখ ৪ হাজার ৬৯৭ পাঠ্যবই। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৮৫ হাজার ৭২২ শিক্ষার্থীর জন্য বরাদ্দ রয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৩১টি বই। এ ছাড়া মাদ্রাসার ইবতেদায়ি প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৬০৮ শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে ২ কোটি ৭১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৭৬ পাঠ্যবই।

    মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ১ কোটি ৪ লাখ ৯০ হাজার ১০৭ শিক্ষার্থী পাবে ১৩ কোটি ২৩ লাখ ৬১ হাজার ৭৬৭ পাঠ্যবই। মাদ্রাসার ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ২৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৮ জনের মাঝে বিতরণ করা হবে ৪ কোটি ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪২টি পাঠ্যবই।

    এ ছাড়া ইংরেজি ভার্সনের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৫৫ শিক্ষার্থী ১১ লাখ ৭২ হাজার ৫৭টি, কারিগরিতে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৩৪ শিক্ষার্থী ৩৪ লাখ ৯৪ হাজার ৭০২টি, এসএসসি ভোকেশনালের ৬ হাজার ১৫ শিক্ষার্থী ১ লাখ ৭৯ হাজার ২৯৫ পাঠ্যবই এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে ৭২৮টি বই। শিক্ষকদের জন্য সহায়িকা দেওয়া হবে ৪০ লাখ ৯৬ হাজার ৬২৮টি।

     

  • নির্বাচন ইন্টারন্যাশনাল ডাইমেনশন পেয়েছে: সিইসি

    নির্বাচন ইন্টারন্যাশনাল ডাইমেনশন পেয়েছে: সিইসি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩: নির্বাচন ইন্টারন্যাশনাল ডাইমেনশন পেয়েছে, বলে জনিয়েছেন্ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, “আমরা জাতিসংঘের সদস্য। পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র, তাদের আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। সরকার এবং আমাদের সঙ্গে তারা বারবার সাক্ষাত করছেন। তাদের প্রত্যাশা তারা ব্যক্ত করেছেন, তারা আশা করেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনটা অবাধ, সুষ্ঠু হবে। তারা যখন আশা করেন, বুঝতে হবে খুব শক্তভাবেই আশা করেন। তাদের আশাটা অন্যায় নয়। আমরা যেহেতু গ্লোবাল কমিউনিটিতে বসবাস করি। আমরা গ্লোবাল কমিউনিটির সদস্য।”

    আজ রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশ্যে তিনি এই বক্তব্য দেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    তিনি বলেন, “সংসদ নির্বাচনে ২ হাজারের মতো অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবে। এবারে নির্বাচনের আন্তর্জাতিক ডাইমেশনটা দেশের অর্থনীতি, সামাজিক স্বার্থে আমাদের মাথায় রাখতে হবে। কোনো রকম যদি অনাচার ধরা পড়ে, সেটা অবশ্যই ক্ষমতা দিয়ে প্রতিবিধান করবেন।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্র। প্রজাতন্ত্র মানে হচ্ছে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে সরকার পরিচালিত হবে। নির্বাচনে যারা সংসদে বসবেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ যারা তারাই সংবিধান গঠন করবেন। নির্বাচন আমাদের দ্বারপ্রান্তে। নির্বাচন নিয়ে দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের যেমন বাগবিতণ্ডা হচ্ছে, সহিংসতাও হয়েছে। আমাদের নির্বাচনে আরেকটি কারণে মনোযোগী হতে হবে, কারণ রাজনৈতিক একটা অংশ নির্বাচন বর্জন করেছে। সাধারণত নির্বাচন খুব উৎসবমুখর হয়।”

    সিইসি বলেন, “১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের সময় নির্বাচনটা পরিচালনা করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সে নির্বাচনে মুসলীম লীগের ভরাডুবি হয়েছিল। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। এরপর সব সময়ই নির্বাচন উৎসমুখর হয়েছে। সে বিষয়টা এবার বিঘ্নিত হয়েছে, যেহেতু একটা অংশ নির্বাচন বর্জন করেছে। ১৪ সালে নির্বাচন বর্জন হয়েছিল, সহিংসতা হয়েছিল। সেটাও একটা চ্যালেঞ্জ, আপনারা জানেন। ১৮ সালের নির্বাচন নিয়েও কিছু বিতর্ক হয়েছে। নির্বাচন সার্বিকভাবে অংশগ্রহণমূলক ছিল। কোনো চ্যালেঞ্জ ছিল না। পরবর্তীতে সেটা নিয়ে কিছু বিতর্ক হয়েছে। যার ফলে আমাদের দেশে প্রচলিত যে নির্বাচনটা নিয়ে সার্বিক গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হয়েছে।”

    কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “এবারের নির্বাচনটা যে কোনো মূল্যে আমাদের প্রমাণ করতে হবে যে একটি সরকার তার দায়িত্বে থেকে নির্বাচন আয়োজন করতে পারে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে, নির্বাচন কমিশন ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডি, সরকার সেখানে সাংবিধানিকভাবে সাহায্য করতে বাধ্য। আবার সরকারের সহায়তা ছাড়া আমরা নির্বাচন করতে পারি না। ১৬ লাখ লোক ভোটের কাজে নিয়োজিত হবে। এতে আট লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, আট লাখ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য।”

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশ্যে সিইসি বলেন, “নির্বাচনে নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু হতে হবে। সেখানে আপনাদের যে দায়িত্বটা, সেটা আপনারা খুব স্পষ্টভাবে বুঝে নেবেন। যে দায়িত্বটা আরোপ করা হবে, সে দায়িত্বটা যদি ভালোভাবে বুঝে নেন, তাহলে দায়িত্ব পালন ও ক্ষমতা প্রয়োগে অনেক বেশি দক্ষ হবেন।”

    তিনি বলেন, “নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেটে দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনে ভোটের দিন, ভোটের আগে আচরণ বিধি প্রতিপালনে কিছু অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা হয়। যেমন সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরে দেওয়া, কেন্দ্র দখল হয়ে যাওয়া, এতে ভোটাররা ভোটটাকে প্রত্যাখ্যান করেন। আপনাদের  দায়িত্ব হচ্ছে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে আস্থা, বিশ্বাস গড়ে তুলবে হবে যে, নির্বাচনের পরিবেশ আছে, আপনারা নির্ভয়ে ভোটা দিতে পারবেন।”

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, “কোনো অবাঞ্ছিত লোককে কেন্দ্রে ঢুকতে দেবেন না। গণমাধ্যমের প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষকরা অবাধে প্রবেশ করতে পারবেন। তারা স্বাধীনভাবে প্রবেশ করে অবাধে বিচরণ ও প্রচার করতে পারবে।”

  • মেট্রোরেলের কারওয়ান বাজার ও শাহবাগ স্টেশন খুলেছে আজ

    মেট্রোরেলের কারওয়ান বাজার ও শাহবাগ স্টেশন খুলেছে আজ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩: মেট্রোরেল রাজধানীবাসীর জীবনের গতি নিয়ে এসেছে। দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল এই রুটের গণপরিবহনের যাত্রীদের এখন ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় অপেক্ষা করতে হয়েনা। মেট্রোরেল খুব সহজে অল্প সময়ে পৌঁছে দিচ্ছে গন্তব্যে। প্রাথমিক পর্যায়ে সব স্ট্রেশন চালু করা সম্ভব হয়নি।

    মেট্রোরেলের কারওয়ান বাজার ও শাহবাগ স্টেশনের মধ্যে দিয়ে খুলেছে আগারগাঁও-মতিঝিল অংশের সব স্টেশন।

    আজ রবিবার  (৩১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে মেট্রোরেলের এই দুই স্টেশনে যাত্রী চলাচল শুরু করে।

    এর মাধ্যমে এমআরটি ৬ লাইনের দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ১৬ স্টেশনই চালু হলো।

    এর আগে ১৩ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ও ১৪তম স্টেশন হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিজয় সরণি চালু হয়। বছরের শেষ দিনে চালু হলো আরও দুটি স্টেশন।

    আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মেট্রোরেল খোলা থাকবে। আর উত্তরা- আগারগাঁও অংশে ট্রেন চলছে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত।

    ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল)  ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), ৩১ ডিসেম্বর থার্টিফার্স্ট নাইটে এবং ইংরেজি নতুন বছর উপলক্ষে মেট্রোরেলের রুট অ্যালাইনমেন্টের এক কিলোমিটারের মধ্যে ফানুস না ওড়ানোর জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

  • বাংলাদেশকে নিয়ে বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চাই: শেখ হাসিনা

    বাংলাদেশকে নিয়ে বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চাই: শেখ হাসিনা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশকে নিয়ে বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চাই, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘‘এই বাংলাদেশেকে নিয়ে যে স্বপ্ন ছিল আমার বাবার, আমি প্রাণপণ চেষ্টা করে গেছি, আমি নিজের দিকে তাকাইনি।”

    আহ শনিবার (ডিসেম্বর ৩০) টুঙ্গিপাড়ার সরকারি শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখানে অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে চলতে হয়েছে, তারপরও আপনারা আমাকে আগলে রেখেছেন। সেজন্য আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আল্লাহ যদি দিন দেয়, আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসতে পারলে- ওই লন্ডনে বসে হুকুম দেবে আর দেশের মানুষের ক্ষতি করবে, দেশের মানুষ মারবে সেটা হতে পারে না। দরকার হলে ওটাকে ওখান থেকে ধরে এনে শাস্তি দেওয়া হবে; ধরে এনে শাস্তি দেব।”

    তিনি বলেন, “তারেক জিয়া হুকুম দিচ্ছে- রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সের ওপর হামলা হচ্ছে। সাংবাদিক, পুলিশের ওপর হামলা হচ্ছে। পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা করা বাংলাদেশে এ সমস্ত দুর্বৃত্তায়ন চলবে না।”

    আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, “আমরা এটাই চাই এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হতে হবে। আগামী নির্বাচন যাতে না হয় তার জন্য যে চক্রান্ত চলছে, সে চক্রান্তের সমুচিত জবাব ৭ জানোয়ারি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা দেব। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “বারবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে আমাকে। মানবঢাল করে আওয়ামী লীগ আমাকে রক্ষা করেছে।”

    বিএনপির চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তাদের আন্দোলন হলো মানুষ পোড়ানোর, ক্ষতি করার। বিএনপি হচ্ছে খুনিদের পার্টি আর জামায়াত হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের পার্টি।”

    এর আগে, বেলা সোয়া ১১টায় জনসভা স্থলে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা, সঙ্গে ছিলেন বোন শেখ রেহানা। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জনসভাস্থলে হাজির হতেই লাখ লাখ মানুষ স্লোগান আর করতালিতে তাকে স্বাগত জানান। মঞ্চে উঠে হাত উঁচু করে উপস্থিত জনতার প্রতি সাড়া দেন প্রধানমন্ত্রী।

    এদিকে শেখ হাসিনার নিজের নির্বাচনী এলাকার (টুঙ্গিপাড়া-কোটালিপাড়া) এ জনসভায় যোগ দিতে শনিবার (ডিসেম্বর ৩০) ভোর থেকে এ মাঠে জড়ো হন এখানকার মানুষ।

     

    ঢাক-ঢোল, বাদ্যযন্ত্রের তালে নেচে-গেয়ে উৎসব করতে করতে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মাঠে আসেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, সমর্থকরা। বেলা ১০টা নাগাদ পুরো মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়।

    নেতাকর্মী, আওয়ামী লীগ সমর্থকদের রঙিন পোশাক, হাতে লাল-সবুজ পতাকায় বর্ণিল সাজে সেজেছে শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ মাঠ ও আশপাশের এলাকা।

    নিজের পিতৃভূমিতে বঙ্গবন্ধু কন্যার আগমনে গোটা গোপালগঞ্জ, টুঙ্গিপাড়া-কোটালিপাড়ায় উৎসবের আমেজ।

    সমাবেশস্থল নৌকার আদলে বিশাল মঞ্চ নির্মাণ করা হয়। আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার জনসভা শেষে কোটালিপাড়ায় যান শেখ হাসিনা। সেখানে একটি নির্বাচনী জনসভায় যোগদান শেষে মাদারীপুরে আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। পরে সেখান থেকে ঢাকায় ফিরবেন শেখ হাসিনা।

    এর আগে দুই দিনের সফরে গতকাল শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) সড়ক পথে বরিশাল যান শেখ হাসিনা। বিকেলে বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জনসভায় যোগদান শেষে সন্ধ্যায় নিজের পিতৃভূমিতে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। নির্বাচনী এ সফরে শেখ হাসিনার সঙ্গে আছে তার ছোট বোন শেখ রেহানা।

    শুক্রবার (ডিসেম্বর ৩০) সন্ধ্যায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা।

    গত ২০ ডিসেম্বর ২০ সিলেটে হজরত শাহজালাল ও হজরত শাহ পরানের মাজার জিয়ারত এবং  এরপর সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনী জনসভার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন আওয়ামী লীগ প্রধান।

    জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, রেড ক্রিসেন্টের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন, অভিনেতা মীর সাব্বির, অভিনেত্রী তারিন জাহান প্রমুখ।

    জনসভায় সভাপতিত্ব করেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ আবুল বশার খায়ের। সঞ্চালনা করেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বাবুল শেখ।

  • নির্বাচনে আমরা সহিংসতা চাই না: সেতুমন্ত্রী

    নির্বাচনে আমরা সহিংসতা চাই না: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩: নির্বাচনে আমরা সহিংসতা চাই না, “বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, “প্রার্থীরা যদি সংঘর্ষে জড়ায়, তার দায় আমরা নেব না। নির্বাচন কমিশন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে যার জন্য যে শাস্তি নির্ধারণ করবে, সেখানে আমাদের কোনো আপত্তির কিছু নেই। এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করবে। এটাই আমাদের নিয়ম। এটাই আমাদের সংবিধান। নির্বাচন কমিশন এখন শাস্তি দেয়ার মালিক, তারা পরিচিতি পর্যবেক্ষণ করে, খোঁজখবর নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। এটাই আমরা প্রত্যাশা করি।”

    আজ শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, উপ দপ্তর সায়েম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচিসহ অন্যান্যরা।

    ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “বিএনপি স্বাভাবিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নাশকতার দিকে গেছে। আমরা খবর পাচ্ছি, লন্ডন থেকে বার্তা দেওয়া হচ্ছে, প্রয়োজনে গুপ্ত হত্যা চালাবে। তারা আরো ভয়ংকর গুপ্ত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”

    তিনি বলেন, “আমরা আমাদের প্রার্থীদেরকে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য আহ্বা‌ন জানাব। নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগ বিতর্কে জড়াবে না। নির্বাচনের আচরণবিধি সবাইকে মানতে হবে। আচরণবিধি লংঘন যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিবে। আমরা সম্পূর্ণভাবে এটা সমর্থন করি।”

    সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, “সব আন্দোলনে তারা ব্যর্থ, গত ডিসেম্বর থেকে তারা যে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করেছিল, তারা স্বাভাবিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে, নাশকতার দিকে গেছে। এখনও আমরা খবর পাচ্ছি, লন্ডন থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, গুপ্ত হত্যার দিকে তারা যাবে। এ নির্বাচনকে ঘিরে হয়তো দেখা যাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ নেতা বা প্রার্থীকে লাশ বানানোর চক্রান্ত তাদের আছে। আমরা সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। খুবই ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে তারা আগাচ্ছে। সবকিছু ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এখন লিফলেট বিতরণ করছে। এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে আরও ভয়ংকর কোনো হামলার। গুপ্তহত্যার পথে তারা যাচ্ছে আমরা সেই খবর পাচ্ছি।”

    তিনি বলেন, “তারা লাশ বানিয়ে জনগণকে আতঙ্কিত করতে পারে, এই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো সতর্ক হতে হবে।

  • থার্টিফার্স্ট নাইটে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ডিএমপির ১২ নির্দেশনা

    থার্টিফার্স্ট নাইটে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ডিএমপির ১২ নির্দেশনা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩: ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে থার্টিফার্স্টে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নগরবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে অংশগ্রহণ করবে। তবে এই উৎসবের নামে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি ঐতিহ্যবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে হয়। দেখা গেছে কিছু ব্যক্তি পটকাবাজি, আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো, অশোভন আচরণ, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালানোর মাধ্যমে রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়। ক্ষেত্র বিশেষে প্রকাশ্যে অভদ্রজনোচিত আপত্তিকর আচরণ করে থাকে। নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থি কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি করে।

    এ অবস্থায় ঢাকার নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন।

    শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) এসব নির্দেশনা মেনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।

     

    নির্দেশনাসমূহ নিম্নরূপ:

     

    ১. ঢাকা মহানগরের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলার স্বার্থে রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, রাস্তায় এবং প্রকাশ্যে স্থানে কোন ধরনের সভা-জমায়েত বা উৎসব করা যাবে না।

    ২. উন্মুক্ত স্থানে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে কোন ধরনের অনুষ্ঠান, সমাবেশ, নাচ, গান ও কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।

    ৩. কোথাও কোনো ধরনের আতশবাজি, পট্কা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো বা ক্রয় বিক্রয় করা যাবে না।

    ৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পরে বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবে।

    ৫. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে স্ব-স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন এবং রাত ৮টার পর প্রবেশের ক্ষেত্রে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে।

    ৬. গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতরা প্রবেশ করতে পারবে না। তবে ওই এলাকায় বসবাসরত সম্মানিত নাগরিকরা নির্ধারিত সময়ের পর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং দিয়ে পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবে।

    ৭. একইভাবে উপর্যুক্ত সময়ে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যে সব নাগরিক বসবাস করেন না তাদের বর্ণিত এলাকায় গমনের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হলো।

    ৮. হাতিরঝিল এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কোনো সমাবেশ বা অনুষ্ঠান করা যাবে না এবং কোনো যানবাহন থামিয়ে অথবা পার্কিং করে কেউ অবস্থান করতে পারবে না।

    ৯. গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত সম্মানিত নাগরিকদের ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে স্ব-স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করা হলো।

    ১০. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকা মহানগরীর কোনো বার খোলা রাখা যাবে না।

    ১১. আবাসিক হোটেলগুলো সীমিত আকারে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান করতে পারবে।

    ১২. ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা হতে ১ জানুয়ারি ভোর ৫ টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সব প্রকার লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না।

     

    এছাড়াও সম্মানিত নগরবাসীকে নিম্নোক্ত ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো:

     

    ১. ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে পরদিন ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় যানবাহনযোগে প্রবেশের জন্য কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।

    ২. রাত ৮টা থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে মহাখালী এলাকা-ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নম্বর রোড ক্রসিং, চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিং, ঢাকা গেট, শুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, ডিওএইচএস বারিধারা-ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং ও নতুন বাজার ক্রসিং এলাকাগুলোতে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে ওই এলাকা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে এসব ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।

    ৩. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ব্যতিত অন্য যেকোন ব্যক্তি বা যানবাহন কেবলমাত্র পুরনো হাইকোর্ট-দোয়েল চত্বর-শহীদ মিনার-জগন্নাথ হলের দক্ষিণ গেট-পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। ওই এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যান্য সব ক্রসিং বন্ধ থাকবে।

    ৪. ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে শাহবাগ, নীলক্ষেত ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, বক্শীবাজার ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং চাঁনখারপুল/শহিদুল্লাহ হল ক্রসিং দিয়ে কোনো প্রকার যানবাহন প্রবেশ করবে না।

    ৫. সড়ক ব্যবহার সংক্রান্তে যে কোন জরুরি প্রয়োজনে ফোন করুন : ডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬০, এডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬১, এসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৭২, এসি ট্রাফিক (মহাখালী) ০১৩২০-০৪৪৩৭৫, এসি ট্রাফিক (বাড্ডা) ০১৩২০-০৪৪৩৭৮, ডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬০, এডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬১, ডিসি (গুলশান) ০১৩২০-০৪১৪২০ ও ডিসি (রমনা) ০১৩২০-০৩৯৪৪০।

    যে কোন অনাকাঙিক্ষত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সম্মানিত নাগরিকদের কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সাহায্য গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হলো। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ইংরেজি নববর্ষ-২০২৪ উদযাপন নির্বিঘ্ন করতে সম্মানিত নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।

  • নির্বাচনী প্রচারে বরিশালে শেখ হাসিনা

    নির্বাচনী প্রচারে বরিশালে শেখ হাসিনা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর পর বরিশালে পৌঁছেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে তার বরিশাল সফরের কথা থাকলেও পরে তা স্থগিত করা হয়।

    আজ শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় ঢাকা থেকে সড়ক পথে বরিশালে এসে পৌঁছান তিনি। সেখানে পৌঁছে তিনি বরিশাল সার্কিট হাউজে যান। কিছু সময় বিশ্রাম শেষে বিকেলে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রয়েছেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা। সিভাস্থলে বিপুল জনতার সমাবেশ ঘটেছে।বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর সভাপতিত্ব করেন।

    এদিকে আওয়ামী লীগ সভাপতির সফরকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে এখন উৎসবের আমেজ। শুধু বরিশাল নগরেই নয়, বিভাগজুড়ে সাজ সাজ রব।

    শেখ হাসিনার নির্বাচনী সমাবেশস্থল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে নৌকার আদলে বিশাল মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    শেখ হা‌সিনার জনসভায় যোগ দি‌তে সকাল থে‌কেই বঙ্গবন্ধু উদ‌্যা‌নে আসতে শুরু করেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। নানা রঙের শাড়ি, রঙিন ক্যাপ-পোশাক পরে মাঠে আসেন তারা।

    বেলা ১১টা ৪০ মি‌নি‌টে জাতীয় সংগী‌তের মধ্যদিয়ে সমা‌বেশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    বেলা বাড়ার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু উদ্যান এবং আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী-সমর্থক জড়ো হন।

    এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে বরিশাল নগর সেজেছে নবরূপে। রাস্তাঘাট, অলিগলি সহ নগরের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য সব চলার পথ পরিচ্ছন্ন ও সংস্কার করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে পুরো ব‌রিশা‌লে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জিহাদুল কবির জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরজুড়ে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।

    সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু উদ্যানেই জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের এক জনসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন।

    বরিশালে জনসভা শেষে বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া যাবেন। সেখানে তিনি শনিবার সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

    শনিবার দিনব্যাপী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, কোটালিপাড়া এবং মাদারীপুরে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় যোগদান শেষে ঢাকায় ফিরবেন শেখ হাসিনা।

    ২০ ডিসেম্বর সিলেটে হজরত শাহজালাল ও হজরত শাহ পরানের মাজার জিয়ারত এবং এরপর সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী জনসভার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন আওয়ামী লীগ প্রধান।

  • নির্বাচনে থাকবে ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন বিজিবি

    নির্বাচনে থাকবে ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন বিজিবি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩: আগামী ৭ জানুয়ারি (২০২৪)অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। উক্ত নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানীসহ সারাদেশে ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার ( ২৯ ডিসেম্বর) বিজিবি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার এর আওতায় আজ ২৯ ডিসেম্বর থেকে আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকাসহ সারাদেশের নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃংখলা রক্ষার্থে বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

  • যারা সাংবাদিকদের পিটিয়েছে তাদের শাস্তি অবধারিত: প্রধানমন্ত্রী

    যারা সাংবাদিকদের পিটিয়েছে তাদের শাস্তি অবধারিত: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: যারা সাংবাদিকদের পিটিয়েছে তাদের শাস্তি অবধারিত, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “ইতোমধ্যেই মামলা দেওয়া হয়েছে। বিএনপির কিছু নেতা বলেন, এত হাজার মামলা হয়েছে! মামলা হবে না তো কী হবে? যারা সাংবাদিকদের পেটাবে, পুলিশ মেরে ফেলবে, বাসে-ট্রেনে আগুন দেবে, তাদের আমরা কি গলার মালা দিয়ে বাহবা দেবো? যারা এসব করছে, তাদের শাস্তি তো অবধারিত।”

    ২৮ অক্টোবর সন্ত্রাসী হামলায় আহত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার (ডিসেম্বর ২৮) গণভবনে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “যারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেছে, তাদের কাউকে ছাড়া হবে না। যে হুকুমদাতা, তাকেও ছাড়া হবে না।”

    তিনি বলেন, “যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে, তারা যদি মনে করে পার পেয়ে যাবে, সেটা তারা পার পাবে না। ছবি দেখে দেখে, ফুটেজ দেখে দেখে প্রত্যেককে খুঁজে খুঁজে বের করে সব কয়টাকে শাস্তি দিতে হবে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে, কিন্তু এভাবে সাংবাদিকদের একসঙ্গে পেটানো, সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারা, যেভাবে আঘাত করল, ঠিক মাথায় আঘাত করা, জীবনটা নিয়ে নেওয়ার মতো একটা অবস্থা সৃষ্টি করা, এর নিন্দা করার ভাষা আমার নেই।”

    অগ্নিসন্ত্রাসীদের বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নেন।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন একাত্তর টেলিভিশনের এডিটর-ইন-চিফ ও এডিটরস গিল্ডের প্রেসিডেন্ট মোজাম্মেল বাবু এবং একাত্তর টিভির হেড অব নিউজ শাকিল আহমেদ।

    সঞ্চালনা করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত।

  • বিএনপির লিফলেট বিতরণে কারো সাড়া নেই: তথ্যমন্ত্রী

    বিএনপির লিফলেট বিতরণে কারো সাড়া নেই: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: বিএনপির লিফলেট বিতরণে কারো সাড়া নেই, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “বিএনপি নির্বাচন বর্জন করার জন্য যাদের দরজায় গিয়ে ধরনা দিত এখন তাদের দরজা বিএনপির জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করার যে আহ্বান জানিয়েছে, সেটিতে কারো কোনো সাড়া নেই। এখন তারা লিফলেট বিতরণ করা শুরু করেছে। এ লিফলেট বিতরণে কারো কোনো সাড়া নেই।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপি-জামায়াতের মানবাধিকার লঙ্ঘন, অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, “বিএনপির অনেক কর্মী-সমর্থকরাও নির্বাচন করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। তৃণমূল বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিএনপির বহু নেতা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। বিএনপির ভোট বর্জনের তর্জন-গর্জন কেউ শোনেনি, সেটি গাড়ির হর্নের মধ্যে হারিয়ে গেছে।”

    তিনি আরও বলেন, “সমগ্র বাংলাদেশে নির্বাচনী ঝড় বইছে। মানুষ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। বিশ্ববাসীও এই নির্বাচনকে গ্রহণ করেছে। তারা নির্বাচনকে গ্রহণ করার কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশে পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, ওআইসি পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, সার্কভুক্ত দেশগুলো পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে এবং দেশগুলো পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে।”

    হাছান মাহমুদ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় টিম আগামী ৫ তারিখ বাংলাদেশে আসবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে। বিভিন্ন সিভিল সোসাইটির বড় একটি বেসরকারি টিম দেশে আসবে। সমগ্র পৃথিবী এই নির্বাচনকে নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সে কারণেই বিভিন্ন দেশ থেকে এদেশে পর্যবেক্ষক পাঠানো হচ্ছে।”

    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন ঘোষণা দিয়েছে। নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড, নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “নির্বাচন বর্জন করার জন্য এবং নির্বাচনের বিরুদ্ধে লিফলেট বিতরণ এবং মাঝেমধ্যে চোরাগোপ্তা যে মিছিল করা হয়, এগুলো নজরে এনে আশা করি নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে তাদের শক্তি, দৃঢ়তা ও সক্ষমতা প্রকাশ করেছে।”

    বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জিন্নাত আলী খান জিন্নাহর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন টয়েল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদসহ অন্য নেতাকর্মীরা।