Category: বাংলাদেশ

  • নির্বাচনে সারা দেশে পাঁচ লাখ আনসার মোতায়েন

    নির্বাচনে সারা দেশে পাঁচ লাখ আনসার মোতায়েন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ জানুয়ারি, ২০২৪: জআগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্র ও ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভোটদানে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সারা দেশে পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ১৪৩ জন সদস্য মোতায়েন করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

    আজ শুক্রবার (০৫ জানুয়ারি) রাজধানীর খিলগাঁও‌য়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দফতরে আ‌য়ো‌জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক।

    সংবাদ সম্মেলনে আনসার-ভিডিপির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ্দিন, উপ-মহাপরিচালক (প্রশাসন) কর্নেল মো. তসলিম এহসান, উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন্স) মো. ফখরুল আলম, উপ-মহাপরিচালক (প্রশিক্ষণ) মো. জিয়াউল হাসান ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    আনসার বাহিনীর মহাপরিচালক ব‌লেন, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সারা দেশে ৪২ হাজার ১৪৯টি ভোট কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তা রক্ষায় পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৭৮৮ জন সাধারণ আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “ইতোমধ্যে ২৫০ প্লাটুন আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যরা এক হাজারটি সেকশনে ভাগ হয়ে গত ২৯ ডিসেম্বর থে‌কে আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন রয়েছে। উপকূলের ১৩টি উপজেলা বাদে সব উপজেলায় আনসার ব্যাটালিয়নের একটি করে স্ট্রাইকিং টিম নির্বাচনী পরিবেশ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার পরিকল্পনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়াও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই হাজার ৮৫৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন।”

    মহাপরিচালক বলেন, “নির্বাচনী কেন্দ্রের নিরাপত্তায় প্রতিটি কেন্দ্রে মোট ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের মধ্যে একজন প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) ও একজন সহকারী প্লাটুন কমান্ডারের (এপিসি) নেতৃত্বে ছয়জন পুরুষ ও চারজন মহিলা ভিডিপি সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। পিসি ও এপিসিরা অস্ত্রসহ এবং ভিডিপি সদস্যরা লাঠি হাতে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনোরূপ অবনতি ঘটলে তা দ্রুত সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন জাতিকে উপহার দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে আগ্রহভরে অত্যন্ত উৎফুল্লভাবে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে সেই জন্য আনসার ভিডিপির সদস্যরা নিরাপত্তার পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে। নির্বাচন বিরোধী যারা আছে তারা চায় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে। বিভিন্ন কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করবে। আমরা সচেতন আছি। নাশকতা নির্মূল করতে আমরা সক্ষম।”

    মহাপরিচালক বলেন, “নাশকতা রোধে অভিযান ও সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। কেপিআই স্থাপনায় আমাদের যে নিরাপত্তা ছিল সেটি মোতায়েন থাকবে। রেলের নিরাপত্তায় ১৫ হাজার ৭০০ সদস্য কাজ করে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে যারা যে দায়িত্ব পালন করেছে তারা নির্বাচনী দায়িত্বের বাহিরে।”

    নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে কি না জানতে চাইলে আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক বলেন, “নির্বাচনে শুধু আনসার না। পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনী কাজ করছে। সবার সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সমন্বয় সভা করেছেন। নিরাপত্তা সরঞ্জামের কোনো ঘাটতি নেই। সরকার ও নির্বাচন কমিশন সব সরঞ্জাম দিতে সহযোগিতা করেছে।”

  • সারাদেশে বিজিবি ৪৮৭টি বেজ ক্যাম্প থেকে দায়িত্ব পালন করছেন

    সারাদেশে বিজিবি ৪৮৭টি বেজ ক্যাম্প থেকে দায়িত্ব পালন করছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ জানুয়ারি, ২০২৪: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে এবং শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানীসহ সারা দেশে এক হাজার ১৫৫ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আমাদের জনবল সারাদেশে ৪৮৭টি বেজ ক্যাম্প থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। যেকোনো মুহূর্তে আমাদের ৭০০ পেট্রোল দিন-রাত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে।যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রস্তুত।

    শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীতে স্থাপিত বিভিন্ন নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে মিরপুর সৈয়দ নজরুল ইসলাম জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

    বিজিবির ডিজি বলেন, “বিজিবির র‌্যাপিড অ্যাকশন টিম ও ডগ স্কোয়াড কাজ করছে। এছাড়া, আমাদের কুইক রেসপন্স প্রস্তুত আছে, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় এ টিমের সদস্যদেরকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র পরিবর্তন হতে পারে। সে অনুযায়ী সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা ইউনিটের সদস্যরা সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহ করছেন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।”

    একইসঙ্গে অনলাইনে গুজব ঠেকাতেও বিজিবি অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

    বিজিবির ডিজি আরও বরেন, “নির্বাচন ঘিরে সন্দীপে প্রথমবারের মতো বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচনে দায়িত্বরত প্রতিটি সদস্য সততা ও নিষ্ঠা নিয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও প্রত্যাশা করেন।”

  • নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জানুয়ারি, ২০২৪: দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর নারায়ণগঞ্জ শহরে এলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়রি) বিকেল সোয়া ৩টায় শহরের ইসদাইর এলাকায় একেএম শামসুজ্জোহা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে পৌঁছান তিনি। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা।

    জনগণের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই নৌকায় ভোট দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছেন। এই নৌকা আজকে উন্নয়ন দিয়েছে। এই নৌকা-ই আগামী দিনে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। তাই এবারের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাদের প্রার্থীদের জয়যুক্ত করবেন।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “১৫ বছর আমরা সরকারে আছি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আমরা জয়লাভ করেছিলাম। সেবার বিএনপির নেতৃত্বে ২০ দলীয় ঐক্যজোট আর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আমাদের মহাজোট ছিল। সেই নির্বাচনে শুধুমাত্র নৌকা মার্কায় আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ২৩৩টি সিট। আর বিএনপি পেয়েছিল মাত্র ৩০ সিট। বাকিগুলো আমাদের যারা জোটে ছিল তারা পেয়েছিল। তারপর থেকে বিএনপি আর নির্বাচনে আসতে চায় না, ভয় পায়। যার জন্য তারা সন্ত্রাস করে।”

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “জ্বালাও-পোড়াও-মানুষ খুন এই তিনটি হলো বিএনপির গুণ। বিএনপি নির্বাচনে আসতে ভয় পায়। এ কারণে নির্বাচন বন্ধের জন্য তারা সন্ত্রাস করে।”

    তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নিয়েছে, আর বিএনপি পিছিয়েছে। বিএনপির দুঃশাসনে সবাই ভীত। বোমা হামলা, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ—এসবই বিএনপির কাজ।”

    জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাইয়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাতের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এর আগে বক্তব্য দেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

    নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই বলেন, “দীর্ঘদিন পর নেত্রী নারায়ণগঞ্জ শহরে এসেছেন। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। নেত্রীর আগমনে নেতাকর্মীরা অনেক বেশি আনন্দিত, অনেক বেশি উচ্ছ্বসিত।”

    শামীম ওসমান বলেন, “বঙ্গবন্ধু চলে না গেলে আমাদের রাজনীতি করার কথা ছিল না। আমরা জাপানের মতো উন্নত দেশ থাকতাম। আমাদের স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছেন শেখ হাসিনা।”

    তিনি আরও বলেন, “নেত্রীর কাছে চাওয়ার কিছু নেই। আপনি সব দিয়েছেন। আমার নারায়ণগঞ্জের মানুষ মেট্রোরেলে উঠতে চায়। সন্তান কখনও মায়ের কাছে চায় না। মা সন্তানের আবদার এমনিতেই পূরণ করে দেয়।

    এদিকে প্রধানমন্ত্রী জনসভাস্থলে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা তাকে স্লোগানে স্লোগানে বরণ করে নেন। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে জনসভাস্থলে উপস্থিত জনতাকে শুভেচ্ছা জানান। দুপুর থেকেই জনসভাস্থলে কাণায় কাণায় পূর্ণ হয়ে যায়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ মানুষের ঢল নামে। সমাবেশস্থলের আশপাশের এলাকাতেও হাজারো নেতাকর্মীর সমাগম লক্ষ্য করা গেছে। নানান রঙের ব্যানার ও ফেস্টুনসহ রঙিন পোশাক পরে সভাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা

    সমাবেশ শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন।”

  • শেখ হাসিনা নিষেধাজ্ঞার কোন পরোয়া করে না: সেতুমন্ত্রী

    শেখ হাসিনা নিষেধাজ্ঞার কোন পরোয়া করে না: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জানুয়ারি, ২০২৪: শেখ হাসিনা নিষেধাজ্ঞার কোন পরোয়া করে না, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    আজ বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে ছাত্রলীগের ৭৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি এখন অপেক্ষায় আছে, আটলান্টিকের ওপাড় থেকে স্যাংশন আসবে, নিষেধাজ্ঞা আসবে। শেখ হাসিনা ভিসানীতি তোয়াক্কা করেন না। শেখ হাসিনা আটলান্টিকের ওপাড়ের স্যাংশনকে ভয় পান না। তিনি ভয় পান একমাত্র সৃষ্টিকর্তাকে। তিনি ভালোবাসেন বাংলাদেশের জনগণকে। বাংলাদেশের মাটি, বাংলাদেশের জনগণ আমাদের শক্তির উৎস। আমরা কোনো বিদেশি শক্তির হুমকি-ধমকি পরোয়া করি না। এটি শেখ হাসিনার কথা।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “ভালো লোকেরা নির্বাচিত হলে দেশ ভালো চলবে, নয়তো দুঃশাসন অনিবার্য।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি কোথায়? ফাউল করে লাল কার্ড খেয়েছে। তারেক রহমানের নির্দেশে এখন তারা বোমা মারবে। বিএনপি ভুয়া। তাদের এক দফা আন্দোলন ভুয়া। ৩২ দল ভুয়া। অবরোধ ভুয়া। খেলা হবে। লুটপাটের বিরুদ্ধে, হাওয়া ভবনের বিরুদ্ধে, অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে খেলা হবে। দুর্নীতিবাজরা সাবধান, লুটেরারা সাবধান। ৭ তারিখ সারা দিন খেলা হবে। সুনামগঞ্জ, সুন্দরগঞ্জ, তেঁতুলিয়া, সারা বাংলায় খেলা হবে।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের স্মার্ট হতে হবে। ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু করে গতানুগতিক কথা বলে দেওয়া স্মার্টনেস নয়। সেই কথা বলতে হবে, যে কথায় নেতৃত্ব দেবে। গতানুগতিক ভাষণ নয়, কথা বলতে হবে চোখের ভাষায়, মনের ভাষায়। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের রুটিন মেনে জীবন যাপন করতে হবে। গৎবাঁধা মুখস্ত বক্তৃতা করে নেতা হওয়া যাবে না। নেতা হতে হলে নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে। রাত ৮-৯টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের অফিসে ছাত্রলীগের আড্ডা দেওয়ার দরকার নেই। পড়াশোনা করো। যতই পড়বে ততই শিখবে। নেতৃত্বের কোয়ালিটি অর্জন করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “এ দেশ ভালো লোকদের হাতে থাকলে ভালো হবে। খারাপ লোকদের হাতে থাকলে, ভালো লোকেরা না থাকলে রাজনীতি মূল্যহীন হয়ে পড়বে। রাজনীতিতে মেধাবী ও চরিত্রবানদের আসতে হবে। ভালো লোক দেশের এমপি-মন্ত্রী হলে দেশ ভালো চলবে। খারাপ লোকের হাতে গেলে দেশের ধ্বংস অনিবার্য।”

     

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সায়েম খান, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুজ্জামান শেখর, লেখক ভট্টাচার্য, গোলাম রাব্বানিসহ বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা।

    ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। পরে ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

  • দুঃখজনক হলেও সত্য বাম ভাইদের কোনো ভোট নেই: তথ্যমন্ত্রী

    দুঃখজনক হলেও সত্য বাম ভাইদের কোনো ভোট নেই: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জানুয়ারি, ২০২৪: দুঃখজনক হলেও সত্য বাম ভাইদের কোনো ভোট নেই, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনে বলেন, “বমপস্থিদের অনেক বিষয় আমি সমর্থন করি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বাম ভাইদের কোনো ভোট নেই, তারা ভোটে মানুষের সমর্থন পায় না। ঢাকা শহরে তো কেউ কেউ মেয়র নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু ৩৭ লাখ ভোটের এই ঢাকা শহরে তাদের ভোটের সংখ্যা হাজারের অংশ পার হয়নি। তাদের ভোট নেই, তারা ভোট বর্জন করুক কিংবা না করুক; তার কোনো প্রভাব নেই।”

    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “বাম ভাইদের আমি খুব সম্মান করি। কারণ তারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ও প্রগতিশীল শক্তি। আমার মধ্যেও কিছু বাম চিন্তা আছে। আমাদের দলেরও মূল স্তম্ভ সোশ্যালিজম। যে কারণে বামদের সম্মান করি।”

    আজ বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

    ব্রাসেলসভিত্তিক আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার এবারও একটি গ্রহণযোগ্য প্রতিপক্ষ ছাড়া নির্বাচন করতে যাচ্ছে, যা সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে এ পর্যন্ত কিছু কিছু ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় অনেক কম।”

    তিনি আরও বলেন, “ভারতে স্থানীয় সরকার যে অন্যান্য যে নির্বাচনে যে মাত্রায় সহিংসতা হয়, সেগুলোর চেয়ে আমাদের দেশে এ পর্যন্ত যেসব ঘটনা ঘটেছে, তা অনেক কম। নির্বাচনে কোন দল অংশগ্রহণ করবে, জনগণ ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেছে কি না; সেটা মুখ্য বিষয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনেও অনেক নামকরা দল অংশগ্রহণ করেনি, অনেক বিখ্যাত নেতা অংশ নেননি। সেই নির্বাচনে জনগণ ব্যাপকভাবে অংশ নিয়েছিল। সেই নির্বাচন আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিল। কাজেই ব্রাসেলসে বসে রিপোর্ট লেখা অনেক সহজ। কিন্তু দেশে একটু এসে দেখে যেতো, গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে যেতো, তাহলে দেখতে পেতেন, কী পরিমাণ উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।”

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, আশা করি, রিপোর্টটি তারা পরে সংশোধন করবেন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, “দেশে একটি ব্যাপক নির্বাচনী উৎসব তৈরি হয়েছে। সবাই আজ এই উৎসবে শামিল হয়েছেন। একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্কভুক্ত দেশগুলো, ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এই নির্বাচনকে ব্যাপকভাবে গ্রহণ করেছে। তারা এরই মধ্যে পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে”

    হাছান মাহমুদ বলেন, “২০০৮ সালের নির্বাচনে যেভাবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এসেছিল, ঠিক একইভাবে এবার বিদেশ থেকে পর্যবেক্ষকরা এসেছেন। নির্বাচন নিয়ে এই ব্যাপক-উৎসাহ উদ্দীপনা বলে দিচ্ছে, আন্তর্জাতিক মহলও এটিকে গ্রহণ করেছে।”

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচন প্রতিহত করতে বিএনপির ঘোষণা কার্যত জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। যে কারণে তারা এখন প্রতিহত করা থেকে সরে এসে নির্বাচন বর্জনের ডাক দিচ্ছে। অর্থাৎ বিএনপি পিছু হটেছে।”

  • সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জানুয়ারি, ২০২৪: আগামী ৭ জানুয়ারি (রবিবার) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

    গতকাল বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের শেষ জনসভা হতে যাচ্ছে। এদিন শেষার্ধে জাতির উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন।

    অপর দিকে আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ইশতেহার নিয়ে সন্ধ্যা ৭টায় শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

    নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ‍করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই অবস্থায় এসে গেছে জাতীয় নির্বাচন । তাই প্রধানমন্ত্রীর আজকে সন্ধ্যার ভাষণ নান দিক দিয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

  • বঙ্গভবনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিলেন রাষ্ট্রপতি

    বঙ্গভবনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিলেন রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই ভোটে অংশ নিলেন রাষ্ট্রপতি। বঙ্গভবনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    বঙ্গভবন প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বুধবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে পাবনা সদরের ভোটার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা বঙ্গভবনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেন।

    রাষ্ট্র প্রধান বঙ্গভবনের ক্রেডিনশিয়াল হলে ডাকযোগে ভোট দিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, “আসুন নিজে ভোট দিই এবং অন্যকে ভোট দানে উৎসাহিত করি।”

    রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী ড. রেবেকা সুলতানা ও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে দুপুর ১২টায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন,  “ভোট মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। একজন নাগরিক হিসেবে ভোট দেয়া আমাদের দায়িত্ব। ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক রায় প্রদান করে।”

    গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটই হচ্ছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    রাষ্ট্রপতি আশা করেন, সকলের অংশগ্রহণে এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধান পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে সক্ষম হন।

    নিবন্ধিত ভোটার, যারা কারাবন্দী বা আইনি হেফাজতে আছেন, প্রবাসী বাংলাদেশী এবং ভোট গ্রহণ কর্মকর্তারা, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    ভোটকেন্দ্রে যেতে অসমর্থ-এমন চার ধরনের ভোটাররা ডাকে (পোস্টাল ব্যালটে) ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে এই বিধান চালু হয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

    এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ও সচিব সংযুক্ত মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

  • ২০০১ সালের নির্বাচনে আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হই : প্রধানমন্ত্রী

    ২০০১ সালের নির্বাচনে আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হই : প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: ২০০১ সালের নির্বাচনে আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হই, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “২০০১ সালের নির্বাচনে আমি যখন গ্যাস বিক্রি করতে রাজি হইনি, তখন ষড়যন্ত্রের শিকার হই। ক্ষমতায় আসতে পারিনি। গ্যাস বিক্রি করার মুচলেকা দিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতায় এসেই তারা দুর্নীতি লুটপাত, জঙ্গিবাদ, বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা এবং আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের অকাট্য নির্যাতন শুরু করে। তাদের দুর্নীতি এমন পর্যায়ে চলে যায়, একদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আরেক দিকে তারেক, যে হাওয়া ভবন খুলে দুর্নীতির আখড়া গড়ে তোলে। ব্যবসা-বাণিজ্য সর্বক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করে। যার ফলে দেশে চরম অরাজকতার সৃষ্টি হয়। তারা জানত জনগণ তাদের ভোট দেবে না, প্রত্যাখ্যান করবে। তখন তারা এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার লিস্ট তৈরি করে। সেভাবে নির্বাচন করার প্রচেষ্টা নেয়। সেখানে তারা ব্যর্থ হয়।”

    আজ বুধবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে পাঁচটি জেলা ও একটি উপজেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আন্দোলনের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার পতন ঘটে। ৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়। তারপর পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু ওদের শিক্ষা হয়নি। তাই ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে আবারও ভোট কারচুপি, ভোট চুরি, জনগণের ভাগ্য নিয়ে খেলা শুরু করে। তাদের দুঃশাসনের কারণে দেশে ইমার্জেন্সি (জরুরি অবস্থা জারি) হয়।”

    তিনি বলেন, “২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ৩০টি সিট পেয়েছিল। আওয়ামী লীগ ২৩৩ সিটে জয়ী হয়। আর অন্য সিটগুলো আমাদের জোটের শরিকরা পেয়েছিল।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “২০০৮ সালে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ২০১৪ ও ২০১৮ সালেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকারে আসি। বাংলাদেশের ইতিহাসে ধারাবাহিকভাবে গণতন্ত্র এবং দেশের উন্নয়নের কাজ করার সৌভাগ্য আমাদের হয়। যার ফলে আজকের বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।”

    তিনি বলেন, “আমার যে লক্ষ্য স্থির করেছিলাম, আমরা বাংলাদেশকে উন্নত করব, বাংলাদেশের মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষার ব্যবস্থা করে দেব, আমরা কিন্তু সেই বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি লাভ করেছি। আজকে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে ১৮ দশমিক ৭ ভাগে আমরা নামিয়ে এনেছি। মাথাপিছু আয় আমরা বৃদ্ধি করেছি। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি। হতদরিদ্রের হার ২৫.১ ভাগ থেকে ৫.৬ ভাগে নামিয়ে এনেছি। রাস্তাঘাট, পুল, ব্রিজ বাংলাদেশের ব্যাপকভাবে উন্নয়ন করা হয়েছে। মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টির জন্য বেসরকারিখাতকে উন্মুক্ত করে দিয়ে কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৯৬ সাল থেকে যেটা শুরু করেছিলাম সেটা আরো প্রসারিত করেছে। প্রতিটি বড় বড় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। প্রতিটি উপজেলায় ভোকেশনাল ট্রেনিং এবং কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। ”

    সরকারপ্রধান বলেন, “আমরা সারাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা করবো বলেছিলাম, আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ, এখন সবার হাতে মোবাইল ফোন আছে, ওয়াইফাই কানেকশন দিয়েছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ আমরা উৎক্ষেপণ করেছি।”

    আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, “দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে একটা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আসতে পেরেছি। দুর্ভাগ্যের বিষয় বিএনপি-জামায়াতের চরিত্র হচ্ছে দুর্নীতি করা, মানুষ খুন করা। তারা অগ্নি সন্ত্রাস করে মানুষ খুন করে, এর চেয়ে জঘন্য কাজ আর কিছু হতে পারে না। ২০১৩-১৪ সালের যেমন করেছে ঠিক এ নির্বাচনের আগে  ভয়াল রূপ নিয়ে তারা মানুষের সামনে হাজির।”

    বিএনপির দুর্বৃত্তায়নের জবাব দিতে হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশে মানুষকে বিএনপির দুর্বৃত্তায়নের জবাব দিতে হবে। আপনার নৌকা ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করে এর জবাব দেবেন এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন। সেটাই আমরা চাই। বিভিন্ন জায়গায় আমাদের প্রার্থী আছে। আমরা নির্বাচনকে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। আমার ভোট আমি দেবো যাকে খুশি তাকে দেব, এটা আমাদের স্লোগান। আপনারা আপনাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দেবেন। তবে কোনোরকম গন্ডগোল আমি চাই না। আপনাদের সহনশীলতা দেখাতে হবে, কোনরকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব যেন না থাকে। নির্বাচনে যার যার ভোট সে শান্তি মতো দেবে, সেই পরিবেশটা আমাদের রক্ষা করতে হবে।”

    এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • এই মুহূর্তে জঙ্গি হামলার কোনো ঝুঁকি নেই: সিটিটিসি প্রধান

    এই মুহূর্তে জঙ্গি হামলার কোনো ঝুঁকি নেই: সিটিটিসি প্রধান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: এই মুহূর্তে জঙ্গি হামলার কোনো ঝুঁকি নেই, বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট প্রধান মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে কোনো ধরনের জঙ্গি হামলা, জঙ্গিদের মাথাচাড়া বা তাদের তৎপরতা কিংবা কোনো ঝুঁকি আমরা দেখছি না। আমাদের জঙ্গিবাদ বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত দু’দিন আগেও আমরা একটি সংগঠনের মূল ব্যক্তিসহ অপারেশনাল কমান্ডারকে গ্রেপ্তার করেছি, যারা নতুন করে সংঘটিত হওয়ার চেষ্টা করছিল। এই মুহূর্তে জঙ্গি হামলার কোনো ঝুঁকি নেই, জঙ্গিদের সেই সক্ষমতাও নেই।”

    আজ বুধবার (৩ জানুযারি) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্য ও পরিবারের জন্য ফ্রি মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এ মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করে ক্র্যাব।

    সিটিটিসি প্রধান আসাদু্জামান বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয় সে লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কাজ করছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় যেসব সংসদীয় আসন রয়েছে, কোথাও কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের আইন-শৃঙ্খলাজনিত সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে তাদের প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। উৎসবমুখর পরিবেশে বিরাজ করছে।”

    আরেক প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসি প্রধান বলেন, “ভোট দেওয়া জনগণের সাংবিধানের অধিকার। সেই অধিকার প্রয়োগে যাতে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, জনগণ যাতে নিরাপদে ও নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে সেজন্য ডিএমপির সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।”

    নির্বাচনের ঠিক আগে কিংবা পরে রাজনৈতিক সহিংসতারর একটা শঙ্কার বিষয়ে সিটিটিসি প্রধান বলেন, “এ ধরনের নাশকতা বা অরাজকতা যারা সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এগুলো প্রতিহত করার জন্য সক্ষমতা ও প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এবং তার ভিত্তিতে আমরা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এর আগে যারা নাশকতার সঙ্গে জড়িত ছিল, সেই মাস্টারমাইন্ডসহ এর পেছনে যারা জড়িত ছিল তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে, আনা হচ্ছে।”

    নির্বাচনের আগে এবার ট্রেনে নাশকতার প্রসঙ্গে ডিএমপির এ অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, “রেলে নাশকতা নিয়েও আমরা কাজ করছি। বিভিন্ন স্থানে রেলে নাশকতার ঘটনা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। এরই মধ্যে রেলে বড় দুটি নাশকতার ঘটনার একটির মাস্টারমাইন্ডসহ যারা রেললাইন কেটেছিল তাদের আমরা গ্রেফতার করেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “কোনো নাশকতাকারীকে আমরা ছাড় দেবো না, নাশকতা করে কেউ ছাড় পাবে না। বাংলাদেশ পুলিশের অনেক সক্ষমতা হয়েছে। আগামী দিনেও যেকোনো ধরনের নাশকতাকে আমরা নস্যাৎ করে দিতে পারবো।”

  • কাল জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী: সেতুমন্ত্রী

    কাল জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) আমাদের শেষ জনসভা। কাল জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন।

    বুধবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “নির্বাচনে ১১ দেশের ৮০ পর্যবেক্ষক আসবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা আগে থেকেই ঢাকায় আছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ৫০ জন বিদেশি সংবাদকর্মী এসেছেন। এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

    নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে তিনি বলেন, “এবার নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ অধিকার প্রয়োগ করতে পারছে। যেখানে তারা আচারণবিধি লঙ্ঘন দেখছে সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বিষয়ে তাদের অবস্থান দৃশ্যমান।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপি সহিংসতা করবে না বললেও সেটা সত্যি কথা কিনা সেটা বলার সুযোগ নেই। কারণ তারা বলে একটা, করে আরেকটা। খবর পাচ্ছি তারা ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে।”

    তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববাসী ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে একটা ভালো নির্বাচন প্রত্যক্ষ করবে। যেখানে জনমত বিজয়ী হবে।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “ড. ইউনূসের মামলার রায় নিয়ে বাংলাদেশের মানবতার কথা বলেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। কিন্তু ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েল যে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে সে বিষয়ে কেন কথা বলছে না। তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একটা কথাও বলেনি।”

    প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা।