Category: বাংলাদেশ

  • চীনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    চীনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ জানুয়ারি, ২০২৪: চীনের আন্তর্জাতিক বিভাগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপমন্ত্রী মিস. সুন হাইয়ানের নেতৃত্বে চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে গণভবনে গিয়ে প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে মসৃণ করতে অতীতের চেয়ে চীন আরও বেশি সহযোগিতা করতে পারে।”

    বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচরাইটার এম. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।

    সান হাইয়ান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে তার দেশের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের অভিনন্দন জানান।

    তিনি বলেন, “দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনের সংগ্রাম এবং বাংলাদেশি জনগণের প্রতি ভালোবাসা ও মমতার কারণে শি জিংপিং প্রধানমন্ত্রীর পুনর্নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন।”

    সান হাইয়ান আরো বলেন, “শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে শি নিশ্চিত ছিলেন, কারণ দেশ ও জনগণের প্রতি তাঁর দেশপ্রেম এবং তিনি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন।”

    চীনের ভাইস মিনিস্টার চীন সরকার ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান।

    এছাড়া সান হাইয়ান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র কন্যা সায়মা ওয়াজেদকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    তিনি আশা করেন, “সায়মা ওয়াজেদ বিশ্বব্যাপী অটিজম নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।”

    সান সাইয়ান আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং দেশকে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশে রূপান্তরিত করার কাজ দ্রুত গতিতে চলবে।

     

     

     

    এ প্রেক্ষিতে চীনের উপমন্ত্রী ১৯৯১ সাল থেকে তার একাধিক বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, “এ সময় আমি বাংলাদেশের অভূতপূর্ব ও অবিশ্বাস্য উন্নয়ন এবং দেশবাসীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের প্রচেষ্টা প্রত্যক্ষ করেছি।”

    জবাবে, প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে কারণ, তিনি সফলভাবে দেশবাসীর মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়েছেন যে ‘আমরা করতে পারি।”

    প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ সময়ের জন্য সরকারের ধারাবাহিকতাকেও কৃতিত্ব দিয়ে বলেছেন সরকারের ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে।

    শেখ হাসিনা সান হাইয়ানকে বাংলাদেশের “প্রকৃত পরিবর্তন’ দেখতে গ্রামীণ এলাকা ঘুরে দেখার পরামর্শ দেন।”

    চীনের ভাইস মিনিস্টার চীন এবং বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।

    বৈঠকেকালে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে এবং দেশবাসীকে উন্নত জীবন দিয়ে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের এখনই সময়।”

    এ জন্যে তিনি চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন।

    চীনের ভাইস মিনিস্টার ক্রমবর্ধমান কর্মসূচিগুলো আরো বাড়ানোর মাধ্যমে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ এম. জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এম. তোফাজ্জেল হোসেন এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • ‘শরীফ ও শরীফা’র গল্প সপ্তম শ্রেণির বই থেকে বাদ দিতে আইনি নোটিশ

    ‘শরীফ ও শরীফা’র গল্প সপ্তম শ্রেণির বই থেকে বাদ দিতে আইনি নোটিশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ জানুয়ারি, ২০২৪: ‘শরীফ ও শরীফা’র গল্প সপ্তম শ্রেণির বই থেকে বাদ দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবির) চেয়ারম্যানকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান এ নোটিশ পাঠান।

    নোটিশে বলা হয়, সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে শরীফার গল্প বলা হয়েছে। এখানে শরীফ আহমেদ একজন ছেলে এবং তার সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ অনুযায়ী সে একজন ছেলে। কিন্তু সে মনে করে যে, সে এক জন মেয়ে। তাই তার নাম পরিবর্তন করে রেখেছে শরীফা। এখানে স্বীকার করা হয়েছে যে, শরীফ আহমেদের শারীরিক কোনো পরিবর্তন হয়নি। শুধুমাত্র মানসিকভাবে মনে করে সে একজন মেয়ে।

    আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, এই গল্পের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ট্রান্সজেন্ডারের প্রতি আকৃষ্ট করা হয়েছে। সুকৌশলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে ট্রান্সজেন্ডারদের প্রতি প্রেরণা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া এক নয়, এদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। হিজড়ারা জন্মগতভাবেই কিছুটা বিকৃত অঙ্গ নিয়ে জন্মায়। এটা সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডারদের শারীরিক কোনো ত্রুটি থাকে না, তারা মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত। উদাহরণস্বরূপ একজন ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ মনে করে সে একজন নারী। অপরদিকে একজন একজন নারী ট্রান্সজেন্ডার মনে করে সে একজন পুরুষ।

    এই ট্রান্সজেন্ডাররা বিকৃত যৌনাচারে লিপ্ত হয়। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এই ট্রান্সজেন্ডারদের বিকৃত যৌনাচার সম্পূর্ণ অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দণ্ডবিধির (Penal Code) এর ৩৭৭ অনুযায়ী পুরুষ-পুরুষ, নারী-নারী তথা প্রাকৃতিক নিয়মের বিরুদ্ধে যৌন সহবাসের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থ দণ্ড। এক্ষেত্রে উভয় পক্ষের সম্মতি থাকলেও এই ধারায় শাস্তিযোগ্য হবে। এক্ষেত্রে বিএলসি ১৯(এইচ ডি)১৭১ এর প্যারাগ্রাফ ৮ তে হাইকোর্ট বলেছেন দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় অপরাধের ক্ষেত্রে উভয়ের সম্মতি থাকলেও ছাড় পাবে না ।

    আইনি নোটিশে বলা হয়, সপ্তম শ্রেণির পাঠ্য পুস্তকে এই বিকৃত যৌন রুচির ও মানসিক বিকারগ্রস্ত ট্রান্সজেন্ডারদের প্রতি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই মানসিক বিকারগ্রস্ত ট্রান্সজেন্ডারদের কার্যকলাপ সুকৌশলে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করে দেশে প্রচার করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে করে দেশের আপামর মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২-ক অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হলো ইসলাম। অপরদিকে সংবিধানের মৌলিক অধিকার অনুচ্ছেদ ৪১(১) অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম অবলম্বন ও পালন করার অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে দেশের পাঠ্য পুস্তকে ট্রান্সজেন্ডারদের কার্যকলাপ প্রচারের মাধ্যমে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করা হচ্ছে। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী বিকৃত যৌনাচার, সমমৈথুন (Same Sex) কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তাই মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মবিশ্বাসে আঘাতের মাধ্যমে দণ্ডবিধির ২৯৫-এ ধারা লঙ্ঘিত হয়েছে যা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই থেকে শরীফা ও শরীফার গল্প বাদ দেওয়া সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বইয়ের দোকান থেকে এই বই প্রত্যাহার করতে হবে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সংশোধিত বই সরবরাহ করতে হবে। অন্যথায় এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে  হাইকোর্টে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলে জানান আইনজীবী।

  • প্রকল্প বাস্তবায়নে মানুষের লাভের কথা ভাবতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রকল্প বাস্তবায়নে মানুষের লাভের কথা ভাবতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: প্রকল্প বাস্তবায়নে মানুষের লাভের কথা ভাবতে হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অযথা দেরি করা যাবে না। নতুন প্রকল্প গ্রহণের সময় বিবেচনা করতে হবে, তা থেকে মানুষ লাভবান হবে কি না। কতোটা লাভবান হবে। অর্থনীতিতে কী যুক্ত হবে।

    আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    বৈঠকে কমিশনের বিকল্প চেয়ারপারসন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, ভাইস চেয়ারপারসন পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা এবং গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি পরিকল্পনা কমিশনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    বৈদেশিক ঋণনির্ভর প্রকল্প যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেজন্য মুখ্য সচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি দুই মাস পর রিভিউ করবে। বৈদেশিক ঋণ বা অনুদানের প্রকল্পগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, সঠিকভাবে টাকা ছাড় হচ্ছে কি না, এসব বিষয় দেখভাল করবে এ কমিটি।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কিছু অনুশাসন দিয়ে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে বিশেষ নজর দিতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অর্থাৎ প্রকল্প পরিচালকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের কারণে যে সময় ব্যয় হয়েছে তা মেটাতে আরও বেশি কাজ করতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। এজন্য সর্বক্ষেত্রে ডিজিটাল সিস্টেম আরও কার্যকরভাবে চালু করতে হবে। বৈদেশিক ঋণ বা অনুদান যেন দ্রুত ছাড় পাওয়া যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগের দিকে অধিকতর নজর দিতে হবে।”

    সরকারপ্রধান বলেন, “দেশের ভেতরে সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখতে হবে। জমি অনাবাদি রাখা যাবে না। উৎপাদন বাড়াতে হবে। গবেষণা বাড়াতে হবে। পরনির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আত্মমর্যাদা নিয়ে চলতে হবে। প্রকল্প পরিচালক প্যানেল করে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া যায়। এ বিষয়ে একটি গাইড লাইন করা যায়। এর নাম ‘বিশেষজ্ঞ প্যানেল’ হতে পারে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে খুব বেশি আউট সোর্সিংয়ের ওপর নির্ভর করা যাবে না। পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, আইসিটি, ডিজিটাল ডিভাইস ইত্যাদিতে নজর দিতে হবে। পানি ও নৌ-পরিবহন খাতে নজর দিতে হবে।

    বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম বলেন, “এটা প্রথম সভা। এটা অনেকের জন্য নতুন সভা। ৯ বছর আগে সবশেষ এ সভা হয়েছিল। প্রথম সভায় এজেন্ডা দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী কথাবার্তা বলেছেন। শেখ মুজিবের আদর্শ বাস্তবায়ন ও নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনকে উন্নয়নের মেরুদণ্ড বলা হয়। উন্নয়ন ধরে রাখতে হবে। এগুলো তথ্য পর্যায়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের কিছু বিষয়ে বার্তা দিয়েছে, আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করবো।”

    প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “দেশের জন্য প্রয়োজন এমন পরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রকল্প নিতে হবে। অহেতুক নতুন প্রকল্প নেওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষ কতটুকু লাভবান হবে সেটা দেখতে প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন।”

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইসি’র প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইসি’র প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: ইউরোপীয় কাউন্সিলের (ইসি) প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ।

    শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি লিখেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সম্প্রতি আপনি পুন-নিয়োগ পাওয়ায় আমি আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।”

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের একটি নির্ভরযোগ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদী অংশীদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সাথে টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন এবং অন্যান্য সকল অভিন্ন স্বার্থের বিষয়ে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    মিশেল বলেন, “আমাদের সহযোগিতাকে বিস্তৃত এবং আধুনিকীকরণের উদ্দেশে একটি অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির আলোচনা শিগগির শুরু হবে।”

    তিনি আরো বলেছেন, “এই চুক্তি আগামী বছরগুলোতে আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি শক্ত কাঠামো তৈরি করবে।”

    তিনি আরও বলেছেন, “বাংলাদেশের সাথে আমাদের দীর্ঘ মেয়াদী অংশীদারিত্বের কাঠামোর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের অংশীদারিত্বকে সমুন্নত রাখতে এবং অগ্রসর করতে এই সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করে যাবে।”

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সাফল্য কামনা করে তিনি চিঠিটি শেষ করেছেন এই বলে, “প্রিয় প্রধানমন্ত্রী দয়া করে আমার সর্বোচ্চ বিবেচনার আশ্বাস গ্রহণ করুন।”

    সূত্র: বাসস

  • ১০০ দিনের কর্মসূচিতে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী

    ১০০ দিনের কর্মসূচিতে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, বায়ুদূষণ কমাতে আগামী ১০০ দিনের কর্মসূচি হিসেবে পরিবেশ মন্ত্রণালয় ঢাকার আশপাশের এক হাজার অবৈধ ইটভাটার মধ্যে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।

    আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি মাসদুপুইয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী বলেন, “আমরা বায়ু দূষণের উৎসগুলো চিহ্নিত করছি। উৎস কি সেটা না জানলে ব্যবস্থা নেয়া যাবে না। আরেকটা বিষয় হলো বায়ুরমান যখন খারাপ পর্যায়ে চলে যায় তখন আমরা একটা এলার্ট ইস্যু করতে চাই। জনসাধারণকে বলতে চাই আজকে আমাদের বায়ুর যে মান আছে সেটা স্বাস্থ্যের জন্য প্রচণ্ড ঝুঁকি। সুতরাং তাদের যদি জরুরি কাজ না থাকে তাহলে যেন ঘরের বাইরে না যায়। এছাড়া ডব্লিউএইচও বলছে মাস্ক পরতে হবে। এখন সরকারের পক্ষ থেকে একটা ঘোষণা এটা আমাদের দায়িত্ব।”

    তিনি বলেন, “বাযুদূষণের উৎসগুলোর বিপরীতে কি ব্যবস্থা নিতে পারি। আপনারা এরই মধ্যে লক্ষ্য করেছেন ঢাকার আশপাশে যে অবৈধ ইটের ভাটা আছে সেগুলো গুঁড়িয়ে দিচ্ছি। সেটা দিয়ে পুরো সমস্যা সমাধান হবে না। ঢাকা শহরে সিমেন্ট, বালি পরিবহন হয়, নির্মাণ কাজ হচ্ছে সেগুলো কভার করে বা ঢেকে রাখার নিয়ম আছে। এজন্য সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা যে কাজটা করতে চাই, সেটা হলো এখন যে বায়ুর মান আছে সেটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। এখানে আমাদের অবশ্যই কিছু করতে হবে। এজন্য সময়ের প্রয়োজন। আগামীকাল আমরা ১০০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করবো। সেখানে এসব বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আদালতের হিসেবে ২ হাজারের মতো অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। আমরা প্রথমে ঢাকার আশপাশে স্থায়ী চিমনিগুলো চিহ্নিত করছি। ১০০ দিনের কর্মসূচিতে দিনে গড়ে তিন থেকে চারটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেবো। অথ্যাৎ ১০০ কর্ম দিবসে লক্ষ্য হচ্ছে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেবো। ঢাকার চারপাশে এক হাজার অবৈধ ইটভাটা রয়েছে৷ আসলে এ ধরনের ইটভাটার জন্য সম্পূর্ণ অবৈধ। আরেকটা আছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি।”

    সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, “এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড ঘিরে দুর্নীতি হয়। অবৈধকে বৈধ করতে নানা ধরনের লেনদেন হয়। আমরা চাচ্ছি এটাকে নির্মূল করতে। আমরা চাই না এ ধরনের ইটভাটা থাকুক। ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্লক ইট নিয়েও ভাবতে হবে উৎসাহিত করতে হবে। আর ১০০ দিনের কর্মসূচি একশ দিনে শেষ হয়ে যাচ্ছে না।  আসরা সূচনা করছি, আসরা এ বার্তাটা দিতে চাচ্ছি কোনো ধরনের অবৈধ ইটভাটা আমরা এখানে রাখতে চাচ্ছি না।”

    বাড়ি নির্মাণ ক্ষেত্রে বা বালি, সিমেন্ট পরিবহন, গাড়ির ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে ক্ষেত্রে কি ব্যবস্থা নেবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এজন্য আমাদের সিটি করপোরেশন আছে তাদের সহায়তা আমাদের নিতে হবে। একই সঙ্গে আমাদের জরিমানাগুলো নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। গাড়ির ধোঁয়া নিয়ে আমাদের বিআরটিএ আছে, যেসব গাড়ির ফিটনেস নেই তাদের বিরুদ্ধে তো আমরা ব্যবস্থা নিতে পারবো না। শব্দদূষণ বিষয়েও বিআরটিএ দেখে। আমরা শুধু পরিবেশের মান মাত্র নির্ধারণ। তবে এটা কার্যকর করার দায়িত্ব শুধু আমাদের না সবার দায়িত্ব।”

    ফ্রান্সের সঙ্গে কি আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আছে তার একটা অন্যতম দিক হচ্ছে জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট যখন বাংলাদেশে এসেছিলেন তখন বলে গিয়েছিলেন একটা জলবায়ু অভিযোজন চুক্তি ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে করতে আগ্রহী। আজকে আমরা মূলত সেই চুক্তির মধ্যে কোন বিষয়গুলো থাকবে, অগ্রাধিকার দেওয়া হবে কোন বিষয় সেটা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।”

    সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, “চুক্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনের যে প্রভাব সেখানে বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষার বিষয়টা কীভাবে নিশ্চত করতে পারি। আরেকটা হচ্ছে জীববৈচিত্র্য যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তারা আমাদেরকে অর্থায়নের মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়াতে হয় সেটার মাধ্যমে সহায়তা করবে। আমরা আশা করছি চুক্তির যে খসড়া সেটা আগামী এক মাসের মধ্যে চূড়ান্ত করবো। তারপর আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট দুইজনে মিলে সই করবেন বলে আমার ধারণা।”

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ফরাসি দূতাবাস ঢাকার ফার্স্ট কাউন্সিলর এবং ডেপুটি হেড অব মিশন গুইলাম অড্রেন ডি কেরড্রেল, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা জুলিয়েন দেউর, বাংলাদেশে এএফডি কান্ট্রি ডিরেক্টরের ডেপুটি সিসিলিয়া কর্টেস উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য এক সঙ্গে কাজ করবে: সারাহ কুক

    বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য এক সঙ্গে কাজ করবে: সারাহ কুক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য এক সঙ্গে কাজ করবে, বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেন, “আমরা যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্ক শক্তিশালী করা, ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নিরাপত্তা অংশীদারত্ব জোরদার করার বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করার প্রসঙ্গে আলোচনা করেছি। জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন এবং রোহিঙ্গাদের কল্যাণের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এক সঙ্গে কাজ করা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।”

    আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    সারাহ কুক বলেন, “আপনারা জানেন যে যুক্তরাজ্য সরকার নির্বাচন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করে ৮ জানুয়ারি একটি বিবৃতি দিয়েছে। এ বিষয়গুলো নিয়ে সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইতিবাচকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাব।”

    প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয়  নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু মানদণ্ড অনুযায়ী হয়নি। আর নির্বাচনে সব দল অংশ না নেওয়ায় মানুষের ভোট দেওয়ার যথেষ্ট বিকল্প ছিল না বলেও অভিমত প্রকাশ করেছে দেশটি। বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাজ্যের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি, বুধবার সেটাই ইঙ্গিত দেন সারাহ কুক।

    বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আমরা আগে থেকেই জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে কাজ করছি। আগামীতে এই কাজের পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে শুরু থেকে যুক্তরাজ্য আন্তরিক সহযোগিতা করছে।”

  • নির্বাচন বর্জন করাটা বিএনপির জন্য চরম ভুল হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    নির্বাচন বর্জন করাটা বিএনপির জন্য চরম ভুল হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: নির্বাচন বর্জন করাটা বিএনপির জন্য চরম ভুল হয়েছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “বিএনপির মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। আজ পুরো পৃথিবী নতুনভাবে নির্বাচিত হওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। এতে তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে, তাই আবোল-তাবোল বকছে। তারা এখন উপলব্ধি করছে নির্বাচন বর্জন করা তাদের জন্য আত্মাহুতির শামিল হয়েছে।”

    আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) পুরান ঢাকার বকশিবাজারের নবকুমার ইনস্টিটিউটে গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মতিউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, “আমার যখন ২০০৯ সালের সরকার গঠন করি, এরপর যখন উপজেলা নির্বাচন হয় তখন কিন্তু প্রতীক ছিল না। প্রতীক দেওয়ার বিধান পরে চালু হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বরাবরই প্রতীকবিহীন হয়েছে। আমরা আগের সেই পদ্ধতির কথাই বলেছি। সেখানে সবাই উপস্থিত থাকবে এবং যে যার মতো নির্বাচন করবে। যারা বিজয়ী হবেন, তারা উপজেলা চেয়ারম্যান হবেন। এটা নতুন কিছু না।”

    তিনি বলেন, “বহু শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে জাতির পিতার নেতৃত্বে আমাদের স্বাধীনতা এসেছে। স্বাধীনতা কারো হুইসেল বাজানোর মাধ্যমে আসেনি। বহু সংগ্রাম, বহু রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা এসেছে। আমাদের এই স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে মতিউর রহমানের আত্মদান রয়েছে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আজ অনেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বিকৃতি করে। বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতা সংগ্রাম বিকৃত করে। বলার চেষ্টা করে একটি হুইসেল বাজানোর মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা সংগ্রাম তারা অস্বীকার করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ঘুমন্ত বাঙালি জাতিকে পলে পলে আন্দোলিত করে এক সাগর রক্ত পাড়ি দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা এসেছে।”

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীর – ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৪) সকালে গণভবনে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি মাসদুপুই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    রাষ্ট্রদূত আবারো নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত ৭ জানুয়ারি (রবিবার) সম্পন্ন হয়। এর পর গত ১০ জানুয়ারি (বুধবার) নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর ১১ জানুয়ারি ( বৃহস্পতিবার) নতুন মন্ত্রি ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। ২১ জানুয়ারি (রবিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।

  • বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে কাজ করতে হবে: পর্যটনমন্ত্রী

    বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে কাজ করতে হবে: পর্যটনমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪: বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে কাজ করতে হবে, বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের কারণে দেশে অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি আনন্দের কথা। এখন আমাদেরকে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে। বিদেশি পর্যটকেরা যেন বাংলাদেশের পর্যটন আকর্ষণ সম্পর্কে জানতে পারে সেজন্য উদ্ভাবনী প্রচার কৌশল কাজে লাগাতে হবে।”

    মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে অবস্থিত বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও পর্যটন কর্পোরেশন পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

    মন্ত্রী বলেন, “বিদেশি পর্যটকদের জন্য ভিসা সহজিকরণ, তাদের দ্রুততম সময়ে ভিসা প্রদান, অন অ্যারাইভাল ভিসার আওতা বৃদ্ধি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া, তাদের জন্য এয়ারপোর্টে বিশেষ সার্ভিস চালুকরণ ও দক্ষ ট্যুর গাইড তৈরির বিষয়েও মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেন।”

    ফারুক খান বলেন, “বাংলাদেশের পর্যটনের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পর্যটন খাতের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এ শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবেই।”

    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সংস্কৃতিকে ঠিক রেখেই বিদেশি পর্যটকদের কাছে দেশের পর্যটন আকর্ষণকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। আমাদের পর্যটন গন্তব্যগুলো জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। পাশাপাশি ইকো ট্যুরিজম,  অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম ও কালিনারি ট্যুরিজমের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। সেবার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন নতুন সেবা চালু করতে হবে।”

  • বিতর্ক হলে ‘শরীফা’ গল্পে পরিবর্তন আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    বিতর্ক হলে ‘শরীফা’ গল্পে পরিবর্তন আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪: বিতর্ক হলে ‘শরীফা’ গল্পে পরিবর্তন আনা হবে, বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনে বলেন, ‘শরীফা’ গল্পটি নিয়ে গতবারও বিতর্ক উঠে ছিল, এ বিষয়ে তিনি বলেন, সেটা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সঙ্গে আলোচনা করব। যদি গল্পটির মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া হয়, কেন হচ্ছে সেটাও খতিয়ে দেখতে হবে।

    আজ মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপুইর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা করেন।

    ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া পাঠ্যবইয়ের শরীফা গল্পের বিতর্ক প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, “ব্র্যাকের বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মাধ্যমে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আলোচনা করব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা একটি ভিডিও দেখেছি।”

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে একটি গোষ্ঠী বিভিন্ন বিষয়ে ধর্মকে ব্যবহার করে হোক বা ধর্মীয় অনুভূতি হোক নানা সময়ে অরাজকতা করা বা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার একটি প্রবণতা তাদের আছে। গতবছরও সেটা ছিল। একটি সংগঠন থেকে কিছু দিন আগে আমার কাছে কিছু সুপারিশ দেওয়া হয়েছিল, কওমি মাদ্রাসার কিছু শিক্ষক এসেছিলেন। সেখানে তারা দাবি করেছেন যে, এখানে ট্রান্সজেন্ডার শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে। যখন আলোচনা করেছি তখন দেখেছি শব্দটা ট্রান্সজেন্ডার নয়, শব্দটা থার্ডজেন্ডার। সেটাতো আইনত স্বীকৃত যে, তৃতীয় লিঙ্গ, যারা সমাজে হিজড়া নামে পরিচিত। তারা দেশের নাগরিক। তাদের নাগরিক অধিকার রয়েছে। তবে গল্প উপস্থাপনার ক্ষেত্রে যদি এমনভাবে উপস্থাপন হয়ে থাকে যেখানে এ ধরনের বিভ্রান্তি এবং বিতর্ক সৃষ্টির প্রয়াস থেকে থাকে, তাহলে এ গল্প উপস্থাপনা পরিবর্তন করা যায় কি না এই বিষয়ে আমরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করব।”