www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ অক্টোবর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সাত বিভাগে ২৮ জেলার ৬৫ উপজেলায় ৬৫টি কমিউনিটি আই সেন্টারের শুভ উদ্বোধন করেছেন ।
আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভার্চু্যয়াল মাধ্যমে তিনি এ কমিউনিটি আই সেন্টারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
কমিউনিটি আই সেন্টারের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জীবনকে সুন্দর রাখে স্বাস্থ্যসেবা। একজন মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তার চোখ, যা দিয়ে মানুষ এই সুন্দর পৃথিবী ও প্রকৃতি এবং আপনজনকে দেখতে পারে, নিজের জীবনে শিক্ষা দীক্ষায় উন্নত করে সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারে। অন্ধত্ব দূর করতে আমরা অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, করোনাকালে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের প্রতিটি নার্স-চিকিৎসককে আলাদা করে ভাতা দিতে হয়েছে। কারণ সেই সময়ে ভয়ে কেউই এগিয়ে আসতে চায়নি। এমনকি তাদের সুরক্ষায় পিপিইসহ বিভিন্ন ধরনের সুরক্ষা সামগ্রী কিনে দিতে হয়েছে। করোনার টিকা দেওয়ার জন্য ভলান্টিয়ার তৈরি করতে হয়েছে। পৃথিবীর অনেক দেশে লাখ লাখ মানুষ মারা গেছে, আল্লাহর রহমতে আমাদের তেমন ক্ষতি হয়নি।
শেখ হাসিনা বলেন, ধনী দেশগুলোও বিনামূল্যে করোনার টিকা দেয়নি। কোটি কোটি টাকা খরচ করে আমরা বিনামূল্যে টিকা দিয়েছি। তখন আমাদের রিজার্ভও ভালো ছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমরা ১০ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছি। এসব কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রথম ৪ হাজার যখন চালু করি, তখন সেগুলো ৭০ ভাগের মতো সাফল্য অর্জন করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারিনি। খালেদা সরকার ক্ষমতা এসেই কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দেয়। কারণ, এখানে যারা কাজ করবে, যারা সেবা নেবে, তারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবে, সুতরাং এগুলো বন্ধ করে দিতে হবে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।
এছাড়াও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা আবুল বাসার খুরশিদ আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, ন্যাশনাল আই কেয়ার লাইন ডিরেক্টর এবং জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফাসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে তিন ধাপে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় ১৩৫টি কমিউনিটি আই সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন ৬৫টি কমিউনিটি আই সেন্টারের উদ্বোধনের মাধ্যমে সারাদেশে মোট ২০০টি কমিউনিটি আই সেন্টারের যাত্রা শুরু হলো।










