Author: Hello Bangla News

  • দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৭ জানুয়ারি

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৭ জানুয়ারি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ নভেম্বর, ২০২৩: আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৪ (রবিবার) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণের মাধ্যমে আজ বুধবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

    তফসিল অনুযায়ী আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৪ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৩ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর শুক্রবার থেকে সোমবার মনোনয়ন যাচাই-বাছাই হবে, রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি হবে ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর রোববার। রিটার্নিং অফিসাররা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর সোমবার।

    সিইসি জানান, নির্বাচনী প্রচারণা চলবে আগামী ১৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৭ জানুয়ারি রবিবার ।

    সিইসি আরও জানান, নির্বাচনের জন্য ৬৬ জন রিটার্নিং অফিসার ও ৫৯২ জন সহকারি রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। দেশের ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের ২ লাখ ৬২ হাজার বুথে এবার প্রায় ১১ কোটি ৯৭ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

    সূত্র: বাসস

  • আমরা জনগণের ভোটে বারবার নির্বাচিত হয়ে এসেছি: প্রধানমন্ত্রী

    আমরা জনগণের ভোটে বারবার নির্বাচিত হয়ে এসেছি: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ নভেম্বর, ২০২৩: আমরা জনগণের ভোটে বারবার নির্বাচিত হয়ে এসেছি, বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দীর্ঘসময় সরকারে থাকার কারণেই আমরা যেভাবে উন্নয়ন পরিকল্পনা করেছিলাম সেভাবে করতে পেরেছি।

    আজ মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) গণভবন থেকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে দেখে এখন আর কেউ বলতে পারবে না এদেশ দরিদ্র দেশ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ, হাত পেতে চলার দেশ। আমরা এখন একটা মর্যাদাশীল দেশে পরিণত হয়েছি। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল।

    শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান জাতির পিতার হত্যাকারীদেরকে ইনডেমনিটি জারি করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে। বিচারের হাত থেকে তাদেরকে মুক্ত রাখে। যুদ্ধাপরাধী, নারী ধর্ষণকারী, লুটপাটকারী, গণহত্যাকারী, অগ্নিসংযোগকারী, যেসব যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরু হয়েছিল তাদেরকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়। যারা স্বাধীন বাংলাদেশ চায়নি, পাসপোর্ট নিয়ে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিল তাদেরকেও ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসায়।

    তিনি বলেন, ভোট চুরির কালচার বিএনপি শুরু করে। আমি ধন্যবাদ জানাই উচ্চ আদালতকে, অবৈধ ক্ষমতার দখলকে অবৈধ ঘোষণা করার জন্য।

    তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠানে যারা উপস্থিত রয়েছেন সবাইকে এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যারা সংযুক্ত রয়েছেন, যাদের আমি দেখতে পাচ্ছি, আর যাদের দেখতে পাচ্ছি না সবার জন্য আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি। চোখে না দেখলেও মনে রাখবেন, বাংলাদেশের জনগণ যে যেখানে থাকেন আপনারা আমার হৃদয়ে আছেন। আমার হৃদয়ে আপনাদেরকে ধারণ করি। আপনাদের কল্যাণে আমি কাজ করতে চাই।

    ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১৫৭টি প্রকল্পের আওতায় দেশব্যাপী ১০ হাজার ৪১টি অবকাঠামোর সমন্বিত উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব প্রকল্প উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে আগামীকাল জানাবে ইসি

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে আগামীকাল জানাবে ইসি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ নভেম্বর, ২০২৩: নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেছেন, কবে, কখন, কীভাবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত হবে তা আগামীকাল বুধবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় আমি প্রেস ব্রিফিং করে জানাবো।

    আজ মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুর ২টায় নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ইসি সচিব।

    সাধারণত প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণের মাধ্যমে ঘোষণা করেন। এবারও সে রেওয়াজ অব্যাহত থাকবে। অতীতে সব নির্বাচনে সিইসির ভাষণ রেকর্ড করে তা বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারে সন্ধ্যায় সম্প্রচার করা হতো।

    এবার তফসিল সংক্রান্ত সিইসির ভাষণ সন্ধ্যায় ‘লাইভ’ সম্প্রচার হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়টিও, সত্যিকার অর্থে আমার ওপর বিশ্বাস রাখেন, কাল সকাল ১০টায় জানিয়ে দেব।

    বাংলাদেশের প্রধান তিন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিকে চিঠি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। এই চিঠি তফসিল ঘোষণার বিষয়ে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

    ইসি সচিব আরও বলেন, ডোনাল্ড লুর চিঠি সংলাপের কি না এই বিষয়ে কমিশন অবগত নয়। কমিশন তার নিজস্ব গতিতে সাংবিধানিক আলোকে যেভাবে রোডম্যাপ প্রস্তুত করেছে সেভাবে কাজ করবে।

  • বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা

    বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ নভেম্বর, ২০২৩: বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। প্রথম প্যাকেজের (সাধারণ) খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা। দ্বিতীয় প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮১৮ টাকা। ২০২৩ সালের চেয়ে ২০২৪ সালের হজের সাধারণ প্যাকেজের খরচ কমেছে ৮৩ হাজার ২০০ টাকা। এর আগে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ঘোষণা করে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

    আজ মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে হাবের পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের ‘বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ঘোষণা’ করেন হাবের সভাপতি এম‌ শাহাদাত হোসেন তসলিম।

    এর আগে গত ২ নভেম্বর সরকারিভাবে ২০২৪ সালের হজের সাধারণ ও বিশেষ দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক। সরকারিতে সাধারণ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা। আর বিশেষ প্যাকেজের মূল্য ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিশেষ হজ প্যাকেজের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- প্যাকেজ আপগ্রেডেশন, অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে মক্কার হোটেলে ২ ও ৩ সিটের রুম নেওয়া যাবে। মক্কায় হারাম শরীফের চত্বর থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ মিটারের মধ্যে উন্নতমানের হোটেল। মদিনায় মারকাজিয়া এলাকায় আবাসন ব্যবস্থা। এক রুমে সর্বোচ্চ ৪ সিট থাকবে। মিনায় ‘এ’ ক্যাটাগরির তাঁবুতে আবাসন ও বুফে খাবার ব্যবস্থা। মিনা-আরফাহ মুজদালিফা-মিনায় যাতায়াতে প্রত্যেক হজযাত্রীর জন্য বাসে সিট নিশ্চিত করা হবে।

    এদিকে বুধবার (১৫ নভেম্বর) থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার (হজ এজেন্সি) হজযাত্রীরা থেকে নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে পারবেন। নিবন্ধনের টাকা জমা নেওয়া হবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে।

  • গাজায় ইসরায়েলি স্থল বাহিনীর ৪৬ সেনা নিহত

    গাজায় ইসরায়েলি স্থল বাহিনীর ৪৬ সেনা নিহত

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৪ নভেম্বর, ২০২৩: গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি স্থল বাহিনীর ৪৬ জন সেনা নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

    সর্বশেষ যে দুই সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন এরা হলেন স্কোয়াড কমান্ডার রোয়ি মারোম (২১) এবং মাস্টার সার্জেন্ট রাজ আবুলাফিয়া (২৭)।

    ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যে যুদ্ধ চলছে, তাকে ১৯৫৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর ওই অঞ্চলের সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ বলে বিবেচনা করছেন আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকরা। ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের অতর্কিত হামলার মধ্যে দিয়ে এই যুদ্ধের সূত্রপাত।

    ওই দিন ভোর বেলায় গাজার উত্তরাঞ্চলীয় ইরেজ সীমান্ত এলাকার বেড়া ভেঙে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে প্রবেশ করে শত শত হামাস যোদ্ধা। তারপর সেখানে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে শত শত মানুষকে হত্যার পাশাপাশি ২৪২ জন ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিকদের ধরে নিয়ে যায় যোদ্ধারা।

    আকস্মিক এই হামলার জবাবে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। তার সাত দিন পর ১৪ অক্টোবর থেকে অভিযানে নামে স্থল বাহিনীও।

    এদকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণায়ের তথ্য অনুযায়ী ইসরায়েলি বাহিনীর গত ৩৭ দিনের বিরতিহীন অভিযানে উপত্যকায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। এই নিহতদের প্রায় অর্ধেকই নারী এবং শিশু।

    অপর এক তথ্যে জানা গেছে মাত্র ৩৬৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের গাজা উপত্যকায় বসবাস করেন প্রায় ২৩ লাখ ফিলিস্তিনি।

  • মেট্রো ট্রেন চলাচলের সময় বাড়ল

    মেট্রো ট্রেন চলাচলের সময় বাড়ল

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ নভেম্বর, ২০২৩: ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় মেট্রো ট্রেন চলাচলের নতুন সময়সূচির প্রকাশ করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরা উত্তর মেট্রোরেল স্টেশন থেকে মতিঝিল মেট্রো রেলস্টেশন পর্যন্ত সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে বেলা ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ১০ মিনিট পরপর ট্রেন চলাচল করবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সকাল ৭টা ১০ মিনিটে এবং সকাল ৭টা ২০ মিনিটে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে দুটি ট্রেন মতিঝিলের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। মেট্রো ট্রেন দুটি বর্তমানে চালু সব স্টেশনে থামবে। এমআরটি বা র‍্যাপিড পাস ব্যবহার করে ট্রেন দুটিতে ভ্রমণ করা যাবে।

    এরপর বেলা ১১টা ৪০ মিনিট, ১১টা ৫০ মিনিট, দুপুর ১২টা ও দুপুর ১২টা ১২ মিনিটে চারটি অতিরিক্ত মেট্রো ট্রেন মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ সচিবালয়, ফার্মগেট এবং পরবর্তী প্রতিটি স্টেশনে নেমে উত্তরা উত্তর স্টেশন যাবে।

    তবে এ চারটি মেট্রো ট্রেনে উঠতে পারবেন শুধুমাত্র এমআরটি/র‍্যাপিড পাস ব্যবহারকারীরা। ভ্রমণের দিন বেলা ১১টা ৩০ মিনিটের আগে কেনা সিঙ্গেল জার্নি টিকিটে এসব ট্রেনে ভ্রমণ করা যাবে। ১১টা ৩০ মিনিটের পর এ তিনটি স্টেশনে থেকে সিঙ্গেল জার্নি টিকিট কেনা যাবে না।

    বিজ্ঞপ্তিতে উত্তরা উত্তর মেট্রোরেল স্টেশন থেকে আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনের বিষয়ে বলা হয়েছে, বেলা ১১টা ৩১ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফ পিক আওয়ারে হেডওয়ে ১২ মিনিট। বিকেল ৪টা ১ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পিক আওয়ারে হেডওয়ে ১০ মিনিট।

    রাত ৮টা ১৫ মিনিট এবং রাত ৮টা ৩০ মিনিটে দুটি মেট্রো ট্রেন আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে প্রতিটি মেট্রোরেল স্টেশনে থেমে উত্তরা উত্তর মেট্রোরেল স্টেশন পর্যন্ত চলছে।

    উল্লেখ্য মেট্রো ট্রেন দুটিতে শুধুমাত্র এমআরটি পাস অথবা র‍্যাপিড পাস এবং ভ্রমণের দিন রাত ৭টা ৪৫ মিনিটের আগে কেনা সিঙ্গেল জার্নি টিকিটের যাত্রীরা ভ্রমণ করতে পারবেন। রাত ৭টা ৪৫ মিনিটের পর সব টিকিট বিক্রয় অফিস ও টিকিট বিক্রয় মেশিন বন্ধ হয়ে যায়।

    শুক্রবার মেট্রো ট্রেন বন্ধ থকাবে।

  • বেশি মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয় না বলছেন চিকিৎসকরা

    বেশি মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয় না বলছেন চিকিৎসকরা

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১৪ নভেম্বর, ২০২৩: আমরা অনেকে জানি মিষ্টি বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়। আসলে এটা একটা ভুল ধারণা। চিকিৎসকরা বলছেন চিনি বা মিষ্টি বেশি খাওয়ার সঙ্গে ডায়াবেটিস হওয়ার সরাসরি কোনও যোগসূত্র নেই। তবে চিনি বা মিষ্টি খাওয়ার সঙ্গে ডায়াবেটিস হওয়ার যেমন সরাসরি সম্পর্ক নাই- এটা যেমন সত্য, যদি বেশি মিষ্টি খেতে অভ্যস্ত হন, তাহলে মুটিয়ে যেতে পারেন। আর মুটিয়ে গেলে ডায়াবেটিস হতে সাহায্য করে।

    যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট মেডিক্যাল নিউজ টুডে’তে বলা হয়েছে, প্রচুর চিনি খাওয়ার কারণে সরাসরি ডায়াবেটিস হয় না। কিন্তু এটি স্থূলতা, হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ফলে ওই ব্যক্তি সহজেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে।

     

    যে সব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হতে হবে:

    ডায়াবেটিস হলে সাধারণত মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে এর নির্দিষ্ট কোন লক্ষণ না থাকলেও শরীরে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি ডায়াবেটিসের জানান দিতে পারে।

     

    যেমন:

    (১) ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া ও পিপাসা লাগা

    (২) দুর্বল লাগা ও ঘোর ঘোর ভাব আসা

    (৩) ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া

    (৪) সময়মতো খাওয়া-দাওয়া না হলে রক্তের শর্করা কমে যাওয়া

    (৫) মিষ্টি জাতীয় জিনিসের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যাওয়া

    (৬) কোন কারণ ছাড়াই ওজন অনেক কমে যাওয়া

    (৭) শরীরে ক্ষত বা কাটাছেঁড়া হলেও দীর্ঘদিনেও সেটা না সারা

    (৮) চামড়ায় শুষ্ক, খসখসে ও চুলকানি ভাব

    (৯) বিরক্তি ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠা

    (১০) চোখে কম দেখতে শুরু করা

     

     

    ডায়াবেটিস ঠেকানোর কিচু পরামর্শ

    ডায়াবেটিস ঠেকানোর কিচু পরামর্শ দিয়েছেনর চিকিৎসকরা। কেউ যদি বংশগতভাবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়, তবে খুব বেশি কিছু করার থাকে না। তবে পারিপার্শ্বিক প্রভাবের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মেনে চললে ডায়াবেটিস ঠেকানো যেতে পারে।

     

    যেমন:

    ১. প্রতিদিন এক ঘণ্টা হাঁটা:

    বর্তমান সময়ে জীবনযাপনের ধরনের কারণে খুব কম সংখ্যক মানুষ কায়িক পরিশ্রম করেন। আর এই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবার প্রবণতাকে উসকে দেয়।

    এজন্য প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত এক ঘণ্টা হাঁটতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। খেলাধুলা বাড়ানো যেতে পারে।

     

    ২. জীবনধারা বদলানো:

    এছাড়া যাদের পরিবার বা বাবা-মায়ের ডায়াবেটিস হওয়ার ইতিহাস রয়েছে, তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগেই জীবনযাপনের ধরন পাল্টানো উচিত।

    যেমন- নিয়মিত খাবার খাওয়া, নিয়ম মেনে সকালে ঘুম থেকে ওঠা এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়া, যানবাহন ব্যবহার কমিয়ে হাঁটাচলা বাড়ানো, মিষ্টি জাতীয়, ফাস্টফুড ও তৈলাক্ত খাবার পরিহার করা ইত্যাদি।

     

    ৩. ধূমপান ও মদ্যপান ছেড়ে দেয়া:

    ডায়াবেটিস রোগ ঠেকাতে যেসব খারাপ অভ্যাস সবার আগে বাদ দিতে হবে, তার মধ্যে রয়েছে ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস। কারণ এগুলো ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দেয়।

     

    ৪. অস্বাস্থ্যকর খাবার বাদ দেয়া:

    সাধারণ মিষ্টিজাতীয় খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, ভারী খাবার স্থূলতার ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীরের ওজনের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে কোনভাবেই অতিরিক্ত ওজন বা মুটিয়ে যাওয়া না হয়।

    এজন্য বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।

    এছাড়া এক বেলা পেট ভরে না খেয়ে পরিমাণে অল্প অল্প করে বিরতি দিয়ে খাওয়া।

     

    ৫. রক্তে চিনির মাত্রার ওপর নজর রাখুন:

    যাদের শিশুর ঘনিষ্ঠ স্বজনদের ডায়াবেটিসের ইতিহাস রয়েছে, তাদের বছরে অন্তত একবার করে পরীক্ষা করাতে হবে। সেই সঙ্গে বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল ও রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রাও পরীক্ষা করে দেখতে হবে।ফলে ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলেও দ্রুত তা শনাক্ত হবে।

    তবে সব চেষ্টা সত্ত্বেও কারও কারও ডায়াবেটিস হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি ডায়াবেটিসকে সম্পূর্ন নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাহলে তিনি একদম সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • পরিসংখ্যান বলছে সেমিফাইনাল ম্যাচটি ভারতের জন্য কঠিন পরীক্ষা

    পরিসংখ্যান বলছে সেমিফাইনাল ম্যাচটি ভারতের জন্য কঠিন পরীক্ষা

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৪ নভেম্বর, ২০২৩: চলতি বিশ্বকাপে ভারত নয় ম্যাচের সবকটিতে জয় নিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে। কোনও দলই তাদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি। কিন্তু সেমিফাইনালেই অপেক্ষা করছে ভারতের কঠিনতম পরীক্ষা। সামনে শক্তিশালী নিউজ়িল্যান্ড, যাদের কাছে গত বার হেরেছে ভারত। তবে এটাই শুধু নয়, পরিসংখ্যান বলছে এক দিনের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের রেকর্ড ভাল নয়। মোট সাত বার তারা উঠেছে শেষ চারে। কিন্তু সেই ধাপ পেরিয়ে ফাইনালে উঠেছে মাত্র তিন বার। অর্থাৎ সাফল্যের হার অর্ধেকেরও কম। তিন বার ফাইনালে উঠে দু’বার ট্রফি জিতেছে তারা। অর্থাৎ ফাইনালে গেলে ভারতের ট্রফি জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি থাকবে।

    আগামীকাল বুধবার (১৫ নভেম্বর) বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ভারত ও নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হচ্ছে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেডে স্টেডিয়ামে, বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটায়। ভারত নয় ম্যাচের সবকটিতে জয় নিয়ে সেমিফাইনালে এসেছে, অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের জয় পরাজয়ের মধ্যে থেকে শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় ব্যবধানের জয় দিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা পাকা করেছে।

    তবে নিউজিল্যান্ড যখন প্রতিপক্ষ তখন ভারতের দলটার মনের কোণে একটা ভয়ের জায়গা থাকাই স্বাভাবিক। আবার নিউজিল্যান্ড গত তিন বিশ্বকাপেই কোনও না কোনও স্বাগতিক দলের বিপক্ষে হেরেছে নকআউটে কিংবা ফাইনালে।

    ২০১৫ ও ২০১৯ টানা দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্বাগতিক দলের কাছে হেরে শিরোপা থেকে দূরে থাকতে হয়েছে নিউজিল্যান্ডকে। তাই এবারে ভারত ও নিউজিল্যান্ড তাই উভয়েই সতর্ক।

    গুরুত্ব পাবে ম্যাচের প্রথম ১৫ ওভার। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেডে স্টেডিয়াম ব্যাটারদের জন্য স্বর্গ বলেই বিবেচিত। কিন্তু এখানে মাঠে নেমেই আগ্রাসী হওয়া বিপজ্জনক হতে পারে দলগুলোর জন্য। কারণ এই মাঠের বেশ কিছু ব্যাপার রয়েছে, যার প্রভাব পড়তে পারে দলের ফলাফলের ওপর।

    যেমন ওয়াংখেডে স্টেডিয়ামে ২০২৩ বিশ্বকাপে শুরুতে ব্যাট করে গড় রান এসেছে ৬ উইকেটে ৩৫৭, কিন্তু পরে ব্যাট করে এসেছ ৯ উইকেটে ১৮৮। এর মধ্যে আবার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সেই ডাবল সেঞ্চুরিও আছে, যা এখন ক্রিকেট ইতিহাসের একটা স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে থাকবে।

    এর কারণ নতুন বল ফ্লাডলাইটের আলোর নিচে বেশি সুইং পাচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় এর প্রভাব থাকছে। যে কারণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া ৯১ রান তুলতে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। প্রথম ইনিংসে গড় পাওয়ারপ্লে স্কোর যেখানে ৫২/১, দ্বিতীয় ইনিংসে সেটা ৪২/৪।

    ব্যাটাররা প্রথম ইনিংসে যে সুবিধা পান সেটা দ্বিতীয় ইনিংসে পাওয়াটা কঠিনই। যেহেতু ম্যাক্সওয়েল প্রতিদিন এমন ইনিংস খেলবেন না এবং সব দলে ম্যাক্সওয়েল নেই। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করবেন যারা তাদের খেলতে হবে টেস্ট ম্যাচের মতো। বিশেষত প্রথম ১৫টা ওভার, যখন বল সবচেয়ে বেশি সুইং পাবে। এই সময়ের মধ্যে ২ উইকেটের বেশি না হারানোর চেষ্টা করবে রান তাড়া করতে নামা দল।

    এক্ষেত্রে ভারত যদি টসে হেরে গিয়ে পরের ব্যাট করতে বাধ্য হয়, ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবারের বিশ্বকাপে যে কায়দায় ব্যাট চালাচ্ছেন সেটা হয়তো তিনি পারবেন না বা করবেন না।

    নিউজিল্যান্ডের স্যান্টনার ভারতের জন্য ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন। রোহিত শর্মা দ্রুত আউট হয়ে গেলে ভারতের জন্য কঠিন একটা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের দলে ডান হাতি ব্যাটারদের ছড়াছড়ি এবং নিউজিল্যান্ডের অন্যতম সেরা অস্ত্র এই বিশ্বকাপে বাহাতি মিচেল স্যান্টনার।

    মিচেল স্যান্টনারের বল আপাত দৃষ্টিতে নিরীহ মনে হতেই পারে, খুব রহস্যের কিছু নেই, খুব বড় টার্নও তিনি করাননা। স্যান্টনারের মূল শক্তি লাইন লেন্থ ঠিক রাখা এবং ব্যাটারের মনে ঢুকে পড়া।

    ২০১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্যান্টনার ভারতের বিপক্ষে ৩৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট নিয়েছিলেন, ১০ ওভারে দিয়েছিলেন ২টি মেইডেন ওভার। এবারও গ্রুপ পর্বের দেখায় ১০ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন এই বাহাতি স্পিনার।

    এবারের বিশ্বকাপে ১৬ উইকেট নিয়েছেন স্যান্টনার যার মধ্যে ১৫জনই ডান হাতে ব্যাট করেন। ভারতের এই ব্যাটিং লাইন আপে রাভিন্দ্রা জাদেজার আগে কোনও বাহাতি ব্যাটার নেই।

    ভারতের ব্যাটাররা চেষ্টা করবেন স্যান্টনারের হাতে উইকেট না দিতে ।

    অপর দিকে জাদেজার দিকে তাকিয়ে থাকবে ভারত। কেননা স্যান্টনার ও রাভিন্দ্রা জাদেজা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দল চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে খেলেছেন একসাথে। শেষবার যখন দুজন একসাথে চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে ধসিয়ে দিয়েছিলেন প্রায়, ৮ উইকেটের ৫টিই নিয়েছিলেন জাদেজা-স্যান্টনার জুটি।

    স্যান্টনার ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “জাদেজা খুব সহজ কাজ করে ব্যাটারদের বোকা বানায় এটা অনেক সময়ই টেনশনের বিষয়। একই জায়গায় বলের পর বল করে যেতে পারেন, কিছুটা স্কিড করে বল, কিচুটা স্পিন, তাতেই কাজ হয়ে যায়”।

    বিশ্বকাপে যারা ওভারপ্রতি চারের নিচে রান দিচ্ছেন তারা সবাই ভারতের। জাদেজা তাদেরই একজন, তিনি এবারের বিশ্বকাপে ৩.৯৭ ইকোনমি রেটে বল করে ১৬ উইকেট নিয়েছেন। বড় ম্যাচে বড় উইকেট নেয়ার ক্ষেত্রে জাদেজা পটু। ইনিংসের বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যাটারদের ওপর আধিপত্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে ভারতের বোলাররাই এবারের বিশ্বকাপে সেরা।

    অপর দিকে ম্যাট হেনরিকে মিস করবে নিউজিল্যান্ড। কেননা ২০১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের স্মৃতি ভারতের ক্রিকেটারদের মনে এখনও দগদগে ক্ষত হিসেবেই রয়েছে। সেদিন ২৪০ রান তাড়া করতে নেমে ভারত ৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছিল। খেলাটি দুই দিন ধরে হয়েছিল বৃষ্টির কারণে। এই ম্যাচে ভারতের ব্যাটিংয়ের টপ অর্ডারে ভাঙ্গন ধরিয়েছিলেন ম্যাট হেনরি।

    এবারের বিশ্বকাপেও ম্যাট হেনরি দারুণ শুরু করেছিলেন কিন্তু তিনি চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন। তার জায়গায় খেলবেন টিম সাউদি। চলতি বিশ্বকাপে টিম সাউদি বা ট্রেন্ট বোল্ট কেউই তাদের সেরাটা দিতে পারেননি।

    টানা পঞ্চম ওয়ানডে বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলতে নামা নিউজিল্যান্ডের ফাস্ট বোলার লকি ফার্গুসন বলেন, ম্যাট হেনরির না থাকাটা হতাশাজনক। তবে সাউদির অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে দেবে, তিনি টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক ভারতে অনেক ম্যাচ খেলেছে”।

    তবে নিউজিল্যান্ডের বেটিং লাইন অনেক শক্তিশালী। অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসন। আছেন রাচিন এবার বিশ্বকাপে সবার দৃষ্টি কেড়েছেন এই ব্যাটসম্যান। এরপর ড্যারিল মিচেল, মার্ক চাপম্যানের ৩৯, গ্লেন ফিলিপসে, স্যান্টনার, ক্রনওয়ে । দারুণ ব্যাটিং করছেন। তবে ভারতের স্পিন বোলারদের সামনে রাচিন ও উইলিয়ামসন ছাড়া কতটা কে খেলতে পারবে তা কালকেই দেখা যাবে।

    জসপ্রিত বুমরাহ যে কোন দলের ব্যাটারের জন্য কঠিন।  বিশ্বের যে কোনও ব্যাটারই তার বলের মুখোমুখি হওয়ার আগে খানিকটা বাড়তি সতর্ক থাকবেন। ২০২৩ বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচ বল করেছেন তিনি ৩.৬৫ ইকোনমি রেটে। এই যুগের ক্রিকেটের হিসেবে অবিশ্বাস্য একটা সংখ্যা এটা। পাওয়ারপ্লে হিসাব করলে সংখ্যাটা আরও কমে আসে,২.৯৫ রান দিয়েছেন তিনি প্রথম দশ ওভারে। ওয়ানডে ক্রিকেট দূরের কথা, এই সংখ্যাগুলো এখন টেস্ট ক্রিকেটেও অনেক সময় দেখা যায়না। একই সাথে তিনি ৯ ম্যাচেই উইকেট পেয়েছেন। প্রায় ৭৩ ওভার বল করে জসপ্রিত বুমরাহ ২৬৬ রান দিয়ে ১৭টি উইকেট নিয়েছেন।

    বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে সেমিফাইনালের জন্য এক দিন করে রিজার্ভ দিন রাখা হয়েছে। যদি কোনও কারণে বুধবার খেলা না হয়, তা হলে বৃহস্পতিবার রিজার্ভ দিন হিসাবে রয়েছে। দু’টি দিনের মধ্যে দু’লকে অন্তত ২০ ওভার করে ব্যাট করতে হবে। তা হলেই খেলার ফলাফল ঠিক হয়ে যাবে। বৃষ্টিতে ওভার কমলে সেখানে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়ম কাজে আসবে।

    যদি কোনও ভাবেই দু’দিন ধরে দু’টি দলের ২০ ওভার করে ব্যাটিং না হয় সে ক্ষেত্রে খেলা ভেস্তে যাবে। যদি খেলা ভেস্তে যায় তা হলে লিগ পর্বে পয়েন্ট তালিকায় যে দল উপরে ছিল সেই দল ম্যাচ জিতবে। তাই বৃষ্টির কারণে ম্যাচ ভেস্তে গেলে ফাইনালে উঠবে ভারত।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গান নিয়ে বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গান নিয়ে বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৪ নভেম্বর, ২০২৩: কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি। অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের কাছে কবি নজরুল খুবই জনপ্রিয়। কবিকে বলা হয় বিদ্রোহী কবি, মানবতা ও সাম্যের কবি। কিন্তু আমাদের জাতীয় কবির একটি গানকে ভারতের একটি হিন্দি ছবিতে ব্যবহার করার পর শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। সেখানে বলা হয়েছে ছবিটিতে গানটির সুর বিকৃত করা হয়েছে। ‘পিপ্পা’ নামের সেই ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজা কৃষ্ণ মেনন। অপর দিকে গানটির সুর দিয়েছেন ভারতের অন্যতম সুরকার এ আর রহমান। পিপ্পা ছবিটি মুক্তি পেয়েছে গত শুক্রবার। এ ছবিতে কাজী নজরুল ইসলামের ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটিতে সুর বিকৃতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে এক যোগে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। বিগত কয়েকদিনে বাংলার সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট জনেরা বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কিন্তু রাবিবার পর্যন্ত ছবির নির্মাতা বা রহমান কারও পক্ষ থেকেই কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    তবে সোমবার বিকেলে এই বিতর্ককে মাথায় রেখে বিবৃতি দিলেন ‘পিপ্পা’ ছবির অন্যতম প্রযোজক সিদ্ধার্থ রায় কাপুর (রায় কাপুর ফিল্মস)।  এই প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট তারা লিখেছেন, “এই গানকে ঘিরে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে প্রযোজক, পরিচালক এবং সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আমরা নজরুল পরিবারের থেকে প্রয়োজনীয় স্বত্ব নেওয়ার পরেই শিল্পের খাতিরে গানটিকে তৈরি করেছি। ”

    এরই সঙ্গে নির্মাতারা লিখেছেন, “কাজী নজরুল ইসলাম এবং তার সৃষ্টির প্রতি আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। ”

    এরই সঙ্গে নজরুলের পুত্রবধূ কল্যাণী কাজী এবং তার পুত্র কাজী অনির্বাণের থেকে যাবতীয় নিয়ম মেনে যে এই গানের স্বত্ব নেওয়া হয়েছিল সে কথাও ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে নজরুল পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে অনির্বাণ জানান, গানের কথা ব্যবহার করা হলেও সুর বদলানো যাবে না এই মর্মেই তারা নির্মাতাদের স্বত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু বিবৃতিতে রায় কাপুর ফিল্মস জানিয়েছে- গানটির ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে শ্রদ্ধা জানানোই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল। গানের কথা ব্যবহার এবং সুরের পরিবর্তন চুক্তি অনুযায়ী করা হয়েছে।

    সব শেষে ওই বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘‘আমরা মূল গানটিকে ঘিরে শ্রোতাদের আবেগকে সম্মান করি। শিল্প যে হেতু ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির উপর নির্ভরশীল, সেখানে আমাদের পদক্ষেপ যদি কারও আবেগে আঘাত করে থাকে, তার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’’

    নির্মাতাদের তরফে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। আগামী দিনে স্বয়ং রহমান এই বিতর্কে কোনও প্রতিক্রিয়া দেন কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

    এদিকে অত্যান্ত জনপ্রিয় এই গানটির সুর বিকৃত করার কারণে বাংলাদেশে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে চলছে প্রতিবাদ। অনেকে অবিলম্বে গানটিকে ‘পিপ্পা’ ছবি থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছে।

    এখানে উল্লেখ থাকে যে বিশিষ্ট পরিচালক জহির রায়হান ১৯৭০ সালে নির্মান করেন বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’। ছবিটিতে প্রাসঙ্গিক ভাবেই তিনি ব্যবহার করেছিলেন ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি। এতে একদিকে যেমন ছবিটির আবেদন অনেকাংশে বেড়ে যায় তেমনি ভাবে নজরুরের গানটিও তৎকালিন গণ জাগরণে বিরাট ভুমিকা  রাখে।

  • খুলনায় ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    খুলনায় ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ নভেম্বর, ২০২৩: প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার ২৯টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ সোমবার (নভেম্বর ১৩) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী এসব উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

    এর পর খুলনায় আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী । বিকেল ৩টা ১৬ মিনিটে তিনি সাকিট হাউস মাঠে আয়োজিত আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সমাবেশে উপস্থিত হন। এরপর সেখানে তিনি ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    এর আগে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে হেলিকপ্টারে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত সার্কিট হাউসে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

    হনসভায় শেখ হাসিনা বলেন, আগামীতে ইলেকশন হবে। এই ইলেকশনের সময় একটা বিষয় সবাইকে নজরে রাখতে হবে। ওই বিএনপি-জামায়াত ২০০৮ এইমাত্র ২৯ আসন পেয়েছিল। তারা জানে, তাদের নেতা নেই, মুণ্ডুহীন দল। তাদের এক নেতা পলাতক আসামি, এক নেতা কারাগারের আসামি।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সেই দল (বিএনপি-জামায়াত) এই দেশে নির্বাচন হতে দিতে চায় না। অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, কেউ যদি গাড়িতে আগুন বা মানুষের জীবনে আগুন দিয়ে পোড়াতে চেষ্টা করে, ওই হাত ওই আগুনে পুড়িয়ে দেবেন, উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে দেবেন, যেন আর কেউ সাহস না পায় দেশের মানুষের ক্ষতি করতে।

    এর মধ্যে খুলনার বিভিন্ন এলাকায় বাস্তবায়িত প্রায় ২ হাজার ৩৬৯ কোটি ৬২ লাখ টাকার ২৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ২২০ কোটি ৮২ লাখ টাকার ৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

     

    উদ্বোধন হওয়া ২৪টি উন্নয়ন প্রকল্প:

    ১. ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের ভবন নির্মাণ কাজ।

    ২. সিভিল সার্জনের অফিস ভবন ও বাসভবন নির্মাণ।

    ৩. ‘৪০টি উপজেলার ৪০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও চট্টগ্রামে ১টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় ১টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

    ৪. ‘ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনাস্থ শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ দপ্তরসমূহ সংস্কার ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় খুলনা শিক্ষানবিশি প্রশিক্ষণ দপ্তর সংস্কার ও আধুনিকায়ন কাজ।

    ৫. ‘চট্টগ্রাম এবং খুলনায় বিএসটিআই এর আঞ্চলিক অফিস স্থাপন ও আধুনিকায়ন (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের’ আওতায় ১০তলা ভিত্তিসহ ১০তলা ভবন (সিভিল, স্যানিটারি ইন্টারনাল রোড, সার্ফেস ড্রেন এবং বৈদ্যুতিক কাজ)।

    ৬. ‘বিটাক চট্টগ্রাম, খুলনা ও বগুড়া কেন্দ্রে নারী হোস্টেল স্থাপন (২য় সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিটাক, খুলনা কেন্দ্রে ১০তলা বিশিষ্ট নারী হোস্টেল ভবন নির্মাণ।

    ৭. ‘দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় রেজিস্ট্রি ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভবন নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পাইকগাছা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভবন নির্মাণ (সিভিল, স্যানিটারি ও বৈদ্যুতিক)।

    ৮. ‘সুন্দরবনে পরিবেশবান্ধব পর্যটন (ইকোট্যুরিজম) সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত শেখেরটেক ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র।

    ৯. ‘১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন ( সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ডুমুরিয়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ৫ তলা একাডেমিক কাম ৪-তলা প্রশাসনিক ও ওয়ার্কশপ ভবন নির্মাণ।

    ১০. ‘নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বয়রা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬-তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ।

    ১১. ‘নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের ৬-তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ।

    ১২. ‘সরকারি কলেজসমূহে বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সরকারি এলবিকে ডিগ্রি মহিলা কলেজের ৬-তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ।

    ১৩. ‘সরকারি কলেজসমূহে বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের ৬-তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ।

    ১৪. ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চালনা বাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬-তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ।

    ১৫. ‘নির্বাচিত মাদরাসাসমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় তালিমুল মিল্লাত রহমাতিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ৬-তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ।

    ১৬. ‘নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নজরুল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৬-তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ।

    ১৭. ‘নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আর আর এফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ।

    ১৮. ‘নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আগড়ঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪-তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ।

    ১৯. ‘২০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পাইকগাছা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ৫ তলা একাডেমিক কাম ওয়ার্কশপ ও ৪-তলা প্রশাসনিক ভবন।

    ২০. ‘উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়কে দীর্ঘ সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় ডুমুরিয়া উপজেলাধীন বসুন্দিয়াডাঙ্গা বাজার -মাগুরখালী ইউপি অফিস (চরচরিয়া শিবনগর সড়ক) সড়কে ২ হাজার ৪৯০ মিটার চেইনেজে ভদ্রা নদীর ওপর ৩১৫ দশমিক ৩০ মিটার লম্বা পিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ।

    ২১. ‘খুলনা সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা উন্নয়ন ও পুনর্বাসন প্রকল্প’ এবং ‘খুলনা শহরে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প’ এর আওতায় খালিশপুর বিআইডিসি রোডে চেন, ফুটপাথ নির্মাণসহ রাস্তা প্রশস্তকরণ ও পুনর্নির্মাণ।

    ২২. ‘গোপালগঞ্জ, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)’ এর আওতায় দৌলতপুর, খুলনাতে অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনা অঞ্চল, খুলনা এর ৬-তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত অফিস ভবন

    ২৩. ‘কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলোর কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দৌলতপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট খুলনার ৪ তলা ভিতের ৪ তলা ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ (সিভিল, স্যানিটারি ও বৈদ্যুতিক)।

    ২৪. ‘২০টি ভেজারসহ সহায়ক যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জামাদি সংগ্রহ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত খুলনা ড্রেজার বেইজ ভবন।

     

    পাঁচ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন:

    ১. ‘খুলনা সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণ, মাথাভাঙ্গা, খুলনা।

    ২. ‘উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন (২য় পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দিঘলিয়া টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এর ৫ তলা একাডেমিক কাম ৪-তলা প্রশাসনিক ও ওয়ার্কশপ ভবন নির্মাণ কাজ।

    ৩. ‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পাইকগাছা উপজেলাধীন জিসি-লস্কর বাজার-বাইনতলা বাজার- বগুলারচর বাজার-শুড়িখালী বাজার ডান্ডারপোল বাজার-গালাবাড়ি জিসি সড়কে ২৩০০ মিটার চেইনেজে কুবুলিয়া নদীর উপর ৭৪৮.৯০ মিটার ব্রিজ নির্মাণ কাজ।

    ৪. ‘আকলিমা খাতুন টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, পাইকগাছা, খুলনা স্থাপন’ প্রকল্প

    ৫. বসন্তপুর নদী বন্দর, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা।