Author: Hello Bangla News

  • রান্না: চিকেন শামি কাবাব

    রান্না: চিকেন শামি কাবাব

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২২ নভেম্বর, ২০২৩: কাবাব মানেই লোভনীয় খাবার। আর সব রকম কাবাবের মধ্যে চিকেন শামি কাবাব ও অনেক  জনপ্রিয় । দেখে নেওয়া যাক এর তৈরি করার পদ্ধতি।

    রান্না চিকেন শামি কাবাব - লাইফস্টাইল - ২২ নভেম্বর ২০২৩ (খ) (2)
    রান্না চিকেন শামি কাবাব – লাইফস্টাইল – ২২ নভেম্বর ২০২৩ (খ) (2)

    উপকরণ:

    বিফ কিমা-১ কেজি, বুটেরডাল-২০০ গ্রাম, আদাবাটা-২ টেবিল চামচ, রসুনবাটা-১ টেবিল চামচ, পেয়াজ-               ২৫০ গ্রাম, শুকনামরিচ-৫/৬ টি, তেজপাতা-একটা, পোস্তদানা-১ টেবিল চামচ, কাচামরিচ-৬/৭ টি, লেবু-               ১ টি, সরিষার তেল-২ টেবিল চামচ, তেল-পরিমান মতো, পুদিনাপাতা-১ মুঠ, ডিম-২ টা, গরম মসলা-২ টেবিল চামচ, বেরেস্তা-১ কাপ, লবন-স্বাদমত, পানি-হাফকাপ

     

    প্রস্তুত প্রণালি:

    কিমা, ডাল, আদা রুসূন বাটা, পেয়াজ, তেল, সামন্য লবন, তেজপাতা, পোস্তদানা, দিয়ে মাখিয়ে পানিতে সেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হলে বেটে নিবো।

    এখন এতে বেরেস্তা,  গরম মসালা , লেবুর রস ,  কাচামরিচ কুচি, পুদিনা পাতা কুচি, ডিম  দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিবো। গোল করে চ্যাপ্টা ভাবে টিকিয়া বানাতে হবে।

    কড়াইতে তেল গরম কর কাবাব গুলি ভেজে নিবো। গরম পোলাও বিরিয়ানি খিচুড়ির সাথে পরিবেশন করুন এই মজার কাবাব।

    রেসিপি দিয়েছেন: রাজিয়া সুলতানা

  • বিশ্বের ১০৯টি শহরের মধ্যে বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান প্রথম

    বিশ্বের ১০৯টি শহরের মধ্যে বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান প্রথম

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২২ নভেম্বর, ২০২৩: আবারও ঢাকার বাতাসের মান চরম অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় এসেছে। বিশ্বের ১০৯টি শহরের মধ্যে বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান প্রথম। আজ বুধবার (২২ নভেম্বর) সকালে ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় আছে।

    আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ২৪৫ একিউআই (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স) স্কোর নিয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান প্রথম। এই তালিকায় একই স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ভারতের দিল্লি।

    আজকের দূষিত শহরের বায়ুর তালিকায় ঢাকা-দিল্লির পরে রয়েছে কলকাতা, লাহোর ও করাচি। এ তিন শহরের স্কোর যথাক্রমে ২১৬, ২০৫ ও ১৯৮।

    একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০ হলে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। এদিকে ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোর ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়।

    বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩)।

    দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

    ২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো— ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

    প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোনো ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়। বয়স্ক ও শিশুরা এই দূষণে নানা ধরনের শারীরিক অসুস্থতায় পড়তে পারে।

    জাতিসংঘের তথ্যমতে, বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন দূষিত বাতাসে শ্বাস নেন এবং বায়ু দূষণের কারণে প্রতি বছর প্রধানত নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশে আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে।

  • বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে আর্জেন্টিনার কাছে হেরেছে ব্রাজিল

    বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে আর্জেন্টিনার কাছে হেরেছে ব্রাজিল

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২২ নভেম্বর, ২০২৩: বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলায় দেশের মাটিতে ব্রাজিল ১-০ গোলে হেরেছে আর্জেন্টির কাছে। ম্যাচের আগে গ্যালারিতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন সমর্থকরা। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের পুলিশের লাঠিপেঠা থেকে বাঁচাতে গ্যালারিতে ছুটে যান ফুটবলররা, লিওনেল মেসির ইশারায় তারা ফিরে যান ড্রেসিংরুমেও। ফলে ম্যাচ শুরু হয় প্রায় ৩০ মিনিট দেরিতে।

    এরপর সাদামাটা প্রথমার্ধের পর খেলার রঙ ছড়ায় দ্বিতীয়ার্ধে। আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেন নিকোলাস ওতামেন্দি। লাল কার্ড দেখেন ব্রাজিলের ওয়েলিংটন।

    পুরো ম্যাচে গোল হয়েছে একটিই। ৬৩ মিনিটে জিওভানি লো সেলসোর কর্নার থেকে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী গোল করেন নিকোলাস ওতামেন্ডি। তাতেই নির্ধারিত হয় বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ব্রাজিলের টানা তৃতীয় হার।

    মারাকানায় ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনার ম্যাচ শুরু হওয়ার সব আনুষ্ঠানিকতা শেষেই শুরু হয় প্রথম ঝামেলা। ব্রাজিলের মারাকানায় উপস্থিত আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে ব্রাজিলের সমর্থকরা। দ্রুতই সেখানে ছুটে যান স্থানীয় পুলিশের সদস্যরা। ঘটনার জের ধরে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি পুরো দল নিয়ে চলে যান ড্রেসিংরুমে।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান ম্যাচের লাইভ বিবরণীতে জানায়, ‘আর্জেন্টিনার জাতীয় সংগীত চলাকালে ব্রাজিলের সমর্থকেরা দুয়ো দিতে শুরু করলে ঝামেলার শুরু হয়। আর্জেন্টিনা দলের সদস্যরা এবং ব্রাজিলের অধিনায়ক মার্কিনিওস দর্শকদের শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এরপর মেসির সঙ্গে আর্জেন্টিনার বাকি খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে চলে যান।

    ম্যাচের সময়েও ছিল এই উত্তেজনার রেশ। শুরুর ১৫ মিনিট যেন শারীরিক ভাষা প্রয়োগেই ব্যস্ত ছিলেন দুই দলের খেলোয়াড়রা। এরমাঝে ব্রাজিলের খেলোয়াড়রাই অবশ্য চড়াও হয়েছেন বেশি। ম্যাচের ১৫ মিনিট না গড়াতেই কড়া ট্যাকল করে কার্ড দেখেন ব্রাজিলের গ্যাব্রিয়েল জেসুস এবং রাফিনহা। ৩৪ মিনিটে আবার কার্ড দেখেন ব্রাজিলের কার্লোস অগাস্টো।

    ম্যাচের সেরা সুযোগ এসেছে একেবারে শেষের আগে। ব্রাজিলের গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি এদিন শুরু থেকেই ছিলেন দুর্দান্ত। ৪৪তম মিনিটে তিনিই এগিয়ে দিতে পারতেন দলকে। দারুণ এক হাফভলিতে বল জালেই জড়াতে পারতেন। তবে গোললাইন থেকে তা ক্লিয়ার করে দলকে বিপদমুক্ত রাখেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার কুটি রোমেরো।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা দুর্দান্ত ছিল ব্রাজিলেরই। এমারসন রয়্যালের ক্রস আর্জেন্টিনার রক্ষণে কাঁপন ধরিয়েছিল বটে। তবে গ্যাব্রিয়েল জেসুস ছিলেন অনেকটা দূরে। বিপদটাও তাই আর বাড়েনি। যদিও খানিক পরেই আবার ফিরে আসে ব্রাজিল। এবার হুমকির নাম গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি। গ্যাব্রিয়েল জেসুস একাই গিয়েছিলেন বক্সে। জটলার মাঝ থেকে বল পেয়ে যান মার্টিনেলি। তবে দুর্বল শটে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমি মার্টিনেজকে পরাস্ত করা হয়নি তার।

    বরং খেলার ধারার বিপরীতে ৬৩ মিনিটে প্রথম গোল পায় আর্জেন্টিনা। নাহুয়েল মলিনার ক্রস ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার রয়্যালের পায়ে লেগে চলে যায় গোললাইনের বাইরে। এরপরই কর্নার থেকে লিড নেয় সফরকারী দলটি।

    জিওভানি লো সেলসোর কর্নার থেকে লাফিয়ে হেড করেন নিকোলাস ওতামেন্ডি। বল ঠেকাতে ব্যর্থ অ্যালিসন। মারাকানার মাঠে তখন পুরোপুরি নিঃস্তব্ধতা। গোল খেয়ে আর বসে থাকেনি ব্রাজিল। আক্রমণের ধার আরও বাড়ানোর তাগিদ ছিল কোচ দিনিজের। মরিয়া হয়েই ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েলকে তুলে নামানো হয়েছিল জোয়েলিংটনকে। কিন্তু তাতে লাভের লাভ হয়নি কিছুই। বরং ম্যাচের ৮১তম মিনিটে রদ্রিগো ডি পলকে মুখে আঘাত করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড। শেষের সময়টা ব্রাজিলকে খেলতে হয়েছে ১০ জনের দল নিয়ে।

    ব্রাজিলের দুঃসময় বেড়েছে তাতে। টানা তৃতীয় হারের তেতো স্বাদ পাওয়া ফের্নান্দো জিনিসের দল নেমে গেল ষষ্ঠ স্থানে। বলার অপেক্ষা রাখে না, বাছাইয়ের পথচলা রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের জন্য কঠিন হয়ে গেল।

  • ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে চার দিনের যুদ্ধ বিরতির চুক্তি

    ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে চার দিনের যুদ্ধ বিরতির চুক্তি

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২২ নভেম্বর, ২০২৩: গাজায় ৫০ জন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে ইসরায়েল এবং হামাস চার দিনের মানবিক যুদ্ধ বিরতির একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ বুধবার (২২ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই চুক্তিতে ইসরায়েলি কারাগারে আটক থাকা ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুদের মুক্তির বিনিময়ে গাজা উপত্যকায় বর্তমানে বন্দী ৫০ জন বেসামরিক নারী ও শিশুর মুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চুক্তি বাস্তবায়নের পরবর্তী পর্যায়ে বন্দী মুক্তির সংখ্যা বাড়ানো হবে।

    ইসরায়েল সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর হলে সেখানকার বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মধ্যে অন্তত ১৫০ জনের মুক্তি প্রত্যাশা করছে গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস। এই ফিলিস্তিনিদের সবাই নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরী।

    গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে গোষ্ঠীটির হাইকমান্ড।

    গত সপ্তাহে কাতার এবং মিসরের মধ্যস্থতার ভিত্তিতে ইসরায়েলের কাছে যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছিল কাতারে অবস্থানরত হামাসের হাইকমান্ড। সে প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, যদি ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় চার দিনের যুদ্ধবিরতি, কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তি, উপত্যকায় ত্রাণপণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে প্রবেশ এবং আহত বেসামরিকদের উপত্যকার বাইরে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণের অনুমতি দেয়। তাহলে নিজেদের হাতে থাকা জিম্মিদের মধ্যে ৫০ জনকে মুক্তি দেবে হামাস।

    ইসরায়েল প্রথমে এই প্রস্তাব মানতে চায়নি, তবে সেখানকার জনগণ ও জিম্মিদের পরিবারের সদস্যদের চাপে মঙ্গলবার প্রস্তাবে সায় দিয়েছে ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা।

    গত ৭ অক্টোবর ভোরে ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায় গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা। উপত্যকার উত্তরাঞ্চলীয় ইরেজ সীমান্ত বেড়া ভেঙে ইসরায়েলে প্রবেশ করে নির্বিচারে সামরিক-বেসামরিক লোকজনকে হত্যা করে তারা। সেই সঙ্গে জিম্মি হিসেবে গাজায় ধরে নিয়ে যায় ২৪২ জনকে।

    ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, এই জিম্মিদের মধ্যে ইসরায়েলিদের সংখ্যা ১০৪ জন। বাকি ১৩৮ জনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া ও ইউক্রেনের নাগরিকরা রয়েছেন।

    সূত্র: বাসস

  • সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতির  শ্রদ্ধা

    সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ নভেম্বর, ২০২৩: সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন ।

    সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্র প্রধান শ্রদ্ধা জানানোর পর কিছুক্ষণ সেখানে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    এ সময় তাঁকে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল অভিবাদন জানায়। এসময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

    পরে শিখা অনির্বাণ চত্বরে রাখা দর্শনার্থী বইতেও স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্র প্রধান।

    এরআগে শিখা অনির্বাণে পৌঁছালে তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান।

    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে সেনাবাহিনী, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ চালায়।

    দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই ঐতিহাসিক দিনটিকে প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

    মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

  • একজন মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কোনো কিছু অর্জন করা যায় না: প্রধানমন্ত্রী

    একজন মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কোনো কিছু অর্জন করা যায় না: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ নভেম্বর, ২০২৩: একজন মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কোনো কিছু অর্জন করা যায় না, বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘অর্জন করতে হলে জনগণের শক্তি দরকার হয়। জনগণ পাশে থাকতে হয়। জনগণের কল্যাণ করতে হয়। জনগণের অকল্যাণ করে পুড়িয়ে মেরে কোনো কিছু অর্জন করা যায় না।’

    আজ মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা দেওয়া এবং ২০২২-২৩ সালে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্ত সদস্যদের পদকে ভূষিতকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘সবার কল্যাণ কামনা করি, শান্তি কামনা করি। আমি জানি অগ্নিসন্ত্রাস বা জ্বালাও-পোড়াও মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তোলে। আমি জানি না একটা মানুষ কীভাবে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এটা করতো।’

    সরকারপ্রধান বলেন,‘ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসার ঘটিয়ে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। আজকের বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটা ধরে রেখেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা, সেজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করি।’

    স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য শান্তিকালীন কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শান্তিকালীন পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অকুতোভয় সদস্যরা এবং বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ সম্মিলিতভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণ সূচনা করে। সেই আক্রমণের ফলে আমাদের বিজয় ত্বরান্বিত হয় এবং ফলশ্রুতিতে আমরা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জন করি।

    তিনি এসময় মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে তাঁর সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের উল্লেখ করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারই প্রথম ২০০০ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বর্তমানে ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৪৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁদের উত্তরাধিকারীকে মুক্তিযোদ্ধা সম্মানি ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীদের বছরে দু’টি উৎসব ভাতা, বিজয় দিবস ভাতা এবং নববর্ষ ভাতা তাঁদের নিজ নিজ একাউন্টে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরাসরি প্রদান করা হচ্ছে। যুদ্ধাহত ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সম্মানী ভাতা ও উৎসব ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।’

    এছাড়াও বিশেষ আবেদনের প্রেক্ষিতে ভাতাপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকে শিক্ষা ভাতা, কন্যা বিবাহ অনুদান এবং দেশে-বিদেশে চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। ২০২১-২২ অর্থ বছর হতে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করার পাশাপাশি সকল মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনিদেরকে মেধাভিত্তিক স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ছাত্রবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ের উপর প্রতি বছর পিএইচডি ডিগ্রির জন্য বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    এরসঙ্গে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিজ জেলা ব্যতীত সার্কিট হাউস অথবা ডাক বাংলোয় অবস্থান, সরকারি পরিবহনসমূহে সর্বোচ্চ শ্রেণিতে ফ্রি চলাচল, বাংলাদেশ বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটে বছরে একবার ফ্রি যাতায়াত এবং আন্তর্জাতিক যে কোন রুটে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারসহ বিনা ভাড়ায় বছরে দুইবার যাতায়াত করতে পারছেন। খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বহনকারী গাড়ি টোল ফ্রি, পর্যটন কর্পোরেশের হোটেল/মোটেলে বিনা ভাড়ায় বছরে একবার দুই রাত্রি যাপন এবং জেলা পরিষদ ডাক বাংলোতে সপরিবারে অবস্থান করার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার উত্তরাধিকারীগণ রেশন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সশস্ত্র বাহিনী হতে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘বর্হিবিশ্বের যে সকল বরেণ্য রাষ্ট্রনায়ক, রাজনীতিবিদ, দার্শনিক, শিল্পী-সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সংগঠন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে ঐতিহাসিক অবদান রেখেছেন তাঁদেরকে সম্মাননা প্রদানের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ‘বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা’, ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ এবং ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ প্রদান করা হচ্ছে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গতি অব্যাহত রেখেই দেশকে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

    তিনি বলেন, ‘ইতিহাস থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে এবং ভবিষ্যতের দিকে আমরা এগিয়ে যাব জ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে আমরা শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়ে যাব। বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বে আমাদের স্থান করে নেব। ’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ, আমাদের উন্নয়ন শহর কেন্দ্রিক নয়, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যায় পর্যন্ত আমরা উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দিতে পেরেছি।’

    তিনি বলেন, ‘তাঁর সরকার নানা ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিতে পেরেছে।’

    বাংলাদেশ ২০২৬ সাল থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এর প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

    শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট দেশে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

    এসময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং তিন বাহিনীর প্রধানগণ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

    সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

    সূত্র: বাসস

  • দেশের বিরুদ্ধে গুজব রটনাকারীদের পয়সা দেয় একটি দল: তথ্যমন্ত্রী

    দেশের বিরুদ্ধে গুজব রটনাকারীদের পয়সা দেয় একটি দল: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২১ নভেম্বর, ২০২৩: দেশের বিরুদ্ধে গুজব রটনাকারীদের পয়সা দেয় একটি দল, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। এসময় তিনি বলেন, ‘ দেশের বিরুদ্ধে গুজন রটানোর জন্য যদি একটি রাজনৈতিক দল গুজব রটনাকারীদের পয়সা দেয় এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না। আমরা তাদের চিহ্নিত করেছি যারা এ ধরনের গুজব রটায়। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অনেক জায়গায় তাদের নোটিফাই করা হয়েছে ‘

    আজ মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে গুজব প্রতিরোধ সেল এবং ফ্যাক্টস চেকিং কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিং ও মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশে বসে নানা ধরনের গুজব অনেকে ছড়ায়। আমরা এসব বিষয়ে ওয়াকিবহাল। আগের তুলনায় অনেকটা কমেছে।’

    তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক বিষয় হলো এ গুজব ছড়ানোর জন্য বিএনপি-জামায়াত তাদের নিয়মিত পয়সা দেয়। এগুলো তাতের এজেন্ট। আবার পয়সা না দেওয়া ও কম দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে, সেটির অডিও ভাইরাল হয়েছে।’

    মন্ত্রী বলেন, ‘কোনো কোনো ক্ষেত্রে কয়েক জায়গায় তাদের নামে মামলাও হয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দেশের সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী মামলা করতে আমাদের দলের নেতাদের বলা হয়েছে। কেউ যদি মনে করেন, বিদেশে বসে বসে গুজব ছড়াবেন এবং তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবেন, তা হবে না।’

    হাছান মাহমুদ বলেন, গুজব রটালে দুটি চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবেলা করি। দেশের মধ্যে থেকে যখন কেউ গুজব রটায় তখন তার বিরুদ্ধে মামলা হয় আইসিটি আইনে। সেখানে মামলা হলে অনেকেই চেঁচামেচি করেন, যে কেন মামলা হলো এবং গ্রেপ্তার করলে তো আরও বেশি কথাবার্তা হয়। তিনি কী করেছেন, সেটি তখন ঢাকা পড়ে যায়। এটি বড় চ্যালেঞ্জ। আরেকটি হলো আমাদের বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যে দীর্ঘসূত্রতা রয়েছে। যেকোনো মামলা পাঁচ-সাত বছরের আগে শেষ হয় না। দ্রুত বিচার আইনে মামলা করলেও এক দুই বছর লাগে। এটা যে শুধু আমাদের দেশে তা নয়, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশেই এমন। কারো কারো শাস্তি হয়নি তা নয়। তবে বিচার প্রক্রিয়া যেহেতু দীর্ঘ, তাই একটু সময় লাগে।’

    মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ জানাব, কেউ যদি সত্যিকার অর্থে অপরাধ করে থাকেন তার তো বিচার হওয়া প্রয়োজন, তা না হলে এ অপরাধ কোনোদিন বন্ধ বা কমানো যাবে না। আপনারা জানেন আইন সংশোধন করা হয়েছে। অনেক সহজীকরণ করা হয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ভারত আইন করেছে, সব সার্ভিস প্রোভাইডার বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে নিবন্ধিত হতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউকে আইন করেছে সেখানে নিবন্ধিত হতে হবে। আমাদের দেশে আইনটি এখনও হয়নি। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি। বার বার তাগিদ দিচ্ছি এবং এখানে অফিস খোলার কথা বলছি। পাশাপাশি বাংলাদেশি আইনে নিবন্ধিত হওয়ার কথা বলছি। কিন্তু আমাদের এখানে নিবন্ধিত হতেই হবে, সে বাধ্যবাধকতা আরোপের আইনটি এখনও হয়নি। সেটি করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমি আইনমন্ত্রীর  সঙ্গে কথা বলেছি, এখন তো আইন করার সময় নেই। আগামী সংসদে এ বিষয়ে আইন হবে বলে আমি আশা করছি ‘

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে একটি গুজব যখন ছড়ায়, তখন বুঝতে পেরেও কাউন্টার পোস্ট কেউ দেয় না। ফলে এটি ছড়াতে থাকে। গুজব তো দুই-তিনজনে ছড়ায়। সবাই মিলে কাউন্টার পোস্ট দিলে গুজব ছড়াবে না। সে বিষয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন।’

    এ সময় প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়াসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • শত প্রচেষ্টার পরেও অবৈধভাবে লোক বিদেশে যাচ্ছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    শত প্রচেষ্টার পরেও অবৈধভাবে লোক বিদেশে যাচ্ছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ নভেম্বর, ২০২৩: শত প্রচেষ্টার পরেও অবৈধভাবে লোক বিদেশে যাচ্ছে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

    আজ মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-জিএফএমডি ১৪তম সামিট উপলক্ষে জাতীয় প্রস্তুতিমূলক সভার যৌথভাবে আয়োজন করে পররাষ্ট্র, প্রবাস কল্যাণ ও  বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম।

    অনুষ্ঠানে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘অভিবাসন একটি জটিল ইস্যু। তবে বৈশ্বিক জিডিপির ১০ শতাংশই আসে অভিবাসন খাত থেকে। আমরা নিরাপদ ও টেকসই অভিবাসন নিশ্চিত করতে চাই। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে শত প্রচেষ্টার পরেও অবৈধভাবে লোক বিদেশে যাচ্ছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘নিরাপদ অভিবাসনের লক্ষ্যে জিএফএমডি কাজ করছে। জিএফএমডির ১৪তম সামিটে আমাদের চিন্তার প্রতিফলন ঘটাতে চাই।’

    অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশের অভিবাসীরা কঠোর পরিশ্রমী। তবে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমরা আন্তর্জাতিকমানের দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।’

    প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনীরুস সালেহীন বলেন, ‘জলবায়ু ঝুঁকির ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বে অভিবাসী বাড়ছে। দেশের মধ্যে জলবায়ু ঝুঁকি প্রবণ এলাকায় কর্মীদের দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়াতে  উদ্যোগ  নিতে হবে।’

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে, ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি মাসদুপুই ও বাংলাদেশে আইওএম মিশন  প্রধান আবদুসাত্তোর ইসব বক্তব্য রাখেন ।

  • হামাস নেতা যুদ্ধবিরতি চাইছেন

    হামাস নেতা যুদ্ধবিরতি চাইছেন

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২১ নভেম্বর, ২০২৩: প্রায় দেড় মাস ধরে চলা হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধে ১৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। ধংস হয়েছে বহু স্থাপনা ও হাসপাতাল। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশন শিশু ও নারী। এই পেক্ষিতে টেলিগ্রামে পোস্ট করা একটি বিবৃতিতে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াহ আজ মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) বলেছেন, তার সংগঠন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ইসরায়েলের সাথে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে।

    পোস্টে হানিয়াহ বলেছেন, ‘আমরা যুদ্ধবিরতির একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর কাছাকাছি।’

    ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হামলার সময় ৭ অক্টোবরে আটক প্রায় ২৪০ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য মধ্যস্থতাকারিরা একটি চুক্তি স্বাক্ষর করার জন্য কাজ করছে।

    হামাসকে ধ্বংস এবং জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েল গাজায় অবিরাম বোমা হামলা এবং স্থল অভিযান শুরু করে।

    গাজার হামাস সরকারের মতে, যুদ্ধে ১৩ হাজার ৩শ’ জনেরও বেশি বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি নারী ও শিশু।

    কাতারের মধ্যস্থতায় জোর আলোচনা চলছে। সেখানে হামাসের একটি রাজনৈতিক কার্যালয় রয়েছে এবং ইসমাইল হানিয়াহ সেখানে অবস্থান করছেন।

    কাতারের প্রধানমন্ত্রী গত রবিবার বলেছেন, একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে কিছু জিম্মিকে মুক্ত করার একটি চুক্তি এখন ‘সাধারণ কিছু’ ব্যবহারিক বিষয়ের উপর নির্ভর করছে।

    সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন জিম্মিদের মুক্ত করার জন্য আলোচনা এখন একটি চুক্তির কাছাকাছি পেীঁছেছে।

    জিম্মি মুক্তির চুক্তি কাছাকাছি কি-না জানতে চাইলে বাইডেন বলেন, ‘আমি তাই বিশ্বাস করি।’

    আলোচনার সাথে সম্পর্কিত দু’টি সূত্র এএফপি’কে জানিয়েছে, একটি অস্থায়ী চুক্তির মধ্যে রয়েছে পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতি, যার মধ্যে রয়েছে স্থলভাগে যুদ্ধবিরতি এবং দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলার সীমাবদ্ধতা।

    বিনিময়ে, হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ গ্রুপের কাছে বন্দী ৫০ থেকে ১শ’ বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে।

    তাদের মধ্যে ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক এবং অন্যান্য জাতীয়তার বন্দীরা থাকবে। তবে কোন সামরিক কর্মী থাকবে না।

    প্রস্তাবিত চুক্তির অধীনে প্রায় ৩শ’ ফিলিস্তিনিকে ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে। যাদের মধ্যে মহিলা এবং শিশু রয়েছে।

    হোয়াইট হাউস বলেছে, আলোচনা ‘শেষ নাটকীয় পর্যায়ে’ ছিল, তবে আরও বিস্তারিত জানাতে অস্বীকার করে বলেছে,এটি একটি সফল ফলাফলকে বিপন্ন করতে পারে।

    পৃথকভাবে, রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটি সোমবার বলেছে, রেড ক্রসের প্রেসিডেন্ট ‘ইসরায়েল ও গাজায় সশস্ত্র সংঘাত সম্পর্কিত মানবিক সমস্যাগুলোকে এগিয়ে নিতে’ হামাসের হানিয়াহর সাথে দেখা করতে কাতারে গিয়েছিলেন।

    এক বিবৃতিতে জেনেভা-ভিত্তিক সংস্থাটি বলেছে, যে এটি ‘সংঘাতে সমস্ত ক্ষতিগ্রস্থদের জরুরী সুরক্ষার জন্য এবং গাজা উপত্যকায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতির প্রশমনের জন্য আবেদন করা অব্যাহত রেখেছে’।

    এদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে হাসপাতালে বোমাবর্ষণ করে গাজাবাসীদের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে ইসরায়েল।

    হামাস ও ইসরায়েল যুদ্ধে ইতোমধ্যেই ১৩ হাজার ৩০০ জনে পৌঁছেছে। নিহত এসব ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যাই সাড়ে ৫ হাজারের বেশি। এছাড়া হামলায় নিহতদের মধ্যে তিন হাজারেরও বেশি নারী রয়েছেন। ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৩০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

    অপর এক খবরে জানা গেছে, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন মোট ৬৮ জন ইসরায়েলি সেনা।

    সূত্র: বাসস

  • সশস্ত্র বাহিনী দিবসে বীর শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর  গভীর শ্রদ্ধা

    সশস্ত্র বাহিনী দিবসে বীর শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ নভেম্বর, ২০২৩: সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

    আজ মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল এসময় গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

    পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত শেখ হাসিনা শিখা অনির্বাণ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

    এরআগে শিখা অনির্বাণে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম. নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

    পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যান। সেখানে তাঁর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং তিন বাহিনীর প্রধানরগণ তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পৌঁছলে পিএসও এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মহাপরিচালকরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

    ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এই দিনে সেনাবাহিনী, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় এবং তারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে যা মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে ত্বরান্বিত করে।

    দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ঐতিহাসিক এই দিনটি প্রতিবছর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

    সূত্র: বাসস