Author: Hello Bangla News

  • ১০০ দিনের কর্মসূচিতে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী

    ১০০ দিনের কর্মসূচিতে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, বায়ুদূষণ কমাতে আগামী ১০০ দিনের কর্মসূচি হিসেবে পরিবেশ মন্ত্রণালয় ঢাকার আশপাশের এক হাজার অবৈধ ইটভাটার মধ্যে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।

    আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি মাসদুপুইয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী বলেন, “আমরা বায়ু দূষণের উৎসগুলো চিহ্নিত করছি। উৎস কি সেটা না জানলে ব্যবস্থা নেয়া যাবে না। আরেকটা বিষয় হলো বায়ুরমান যখন খারাপ পর্যায়ে চলে যায় তখন আমরা একটা এলার্ট ইস্যু করতে চাই। জনসাধারণকে বলতে চাই আজকে আমাদের বায়ুর যে মান আছে সেটা স্বাস্থ্যের জন্য প্রচণ্ড ঝুঁকি। সুতরাং তাদের যদি জরুরি কাজ না থাকে তাহলে যেন ঘরের বাইরে না যায়। এছাড়া ডব্লিউএইচও বলছে মাস্ক পরতে হবে। এখন সরকারের পক্ষ থেকে একটা ঘোষণা এটা আমাদের দায়িত্ব।”

    তিনি বলেন, “বাযুদূষণের উৎসগুলোর বিপরীতে কি ব্যবস্থা নিতে পারি। আপনারা এরই মধ্যে লক্ষ্য করেছেন ঢাকার আশপাশে যে অবৈধ ইটের ভাটা আছে সেগুলো গুঁড়িয়ে দিচ্ছি। সেটা দিয়ে পুরো সমস্যা সমাধান হবে না। ঢাকা শহরে সিমেন্ট, বালি পরিবহন হয়, নির্মাণ কাজ হচ্ছে সেগুলো কভার করে বা ঢেকে রাখার নিয়ম আছে। এজন্য সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা যে কাজটা করতে চাই, সেটা হলো এখন যে বায়ুর মান আছে সেটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। এখানে আমাদের অবশ্যই কিছু করতে হবে। এজন্য সময়ের প্রয়োজন। আগামীকাল আমরা ১০০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করবো। সেখানে এসব বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আদালতের হিসেবে ২ হাজারের মতো অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। আমরা প্রথমে ঢাকার আশপাশে স্থায়ী চিমনিগুলো চিহ্নিত করছি। ১০০ দিনের কর্মসূচিতে দিনে গড়ে তিন থেকে চারটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেবো। অথ্যাৎ ১০০ কর্ম দিবসে লক্ষ্য হচ্ছে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেবো। ঢাকার চারপাশে এক হাজার অবৈধ ইটভাটা রয়েছে৷ আসলে এ ধরনের ইটভাটার জন্য সম্পূর্ণ অবৈধ। আরেকটা আছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি।”

    সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, “এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড ঘিরে দুর্নীতি হয়। অবৈধকে বৈধ করতে নানা ধরনের লেনদেন হয়। আমরা চাচ্ছি এটাকে নির্মূল করতে। আমরা চাই না এ ধরনের ইটভাটা থাকুক। ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্লক ইট নিয়েও ভাবতে হবে উৎসাহিত করতে হবে। আর ১০০ দিনের কর্মসূচি একশ দিনে শেষ হয়ে যাচ্ছে না।  আসরা সূচনা করছি, আসরা এ বার্তাটা দিতে চাচ্ছি কোনো ধরনের অবৈধ ইটভাটা আমরা এখানে রাখতে চাচ্ছি না।”

    বাড়ি নির্মাণ ক্ষেত্রে বা বালি, সিমেন্ট পরিবহন, গাড়ির ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে ক্ষেত্রে কি ব্যবস্থা নেবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এজন্য আমাদের সিটি করপোরেশন আছে তাদের সহায়তা আমাদের নিতে হবে। একই সঙ্গে আমাদের জরিমানাগুলো নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। গাড়ির ধোঁয়া নিয়ে আমাদের বিআরটিএ আছে, যেসব গাড়ির ফিটনেস নেই তাদের বিরুদ্ধে তো আমরা ব্যবস্থা নিতে পারবো না। শব্দদূষণ বিষয়েও বিআরটিএ দেখে। আমরা শুধু পরিবেশের মান মাত্র নির্ধারণ। তবে এটা কার্যকর করার দায়িত্ব শুধু আমাদের না সবার দায়িত্ব।”

    ফ্রান্সের সঙ্গে কি আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আছে তার একটা অন্যতম দিক হচ্ছে জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট যখন বাংলাদেশে এসেছিলেন তখন বলে গিয়েছিলেন একটা জলবায়ু অভিযোজন চুক্তি ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে করতে আগ্রহী। আজকে আমরা মূলত সেই চুক্তির মধ্যে কোন বিষয়গুলো থাকবে, অগ্রাধিকার দেওয়া হবে কোন বিষয় সেটা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।”

    সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, “চুক্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনের যে প্রভাব সেখানে বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষার বিষয়টা কীভাবে নিশ্চত করতে পারি। আরেকটা হচ্ছে জীববৈচিত্র্য যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তারা আমাদেরকে অর্থায়নের মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়াতে হয় সেটার মাধ্যমে সহায়তা করবে। আমরা আশা করছি চুক্তির যে খসড়া সেটা আগামী এক মাসের মধ্যে চূড়ান্ত করবো। তারপর আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট দুইজনে মিলে সই করবেন বলে আমার ধারণা।”

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ফরাসি দূতাবাস ঢাকার ফার্স্ট কাউন্সিলর এবং ডেপুটি হেড অব মিশন গুইলাম অড্রেন ডি কেরড্রেল, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা জুলিয়েন দেউর, বাংলাদেশে এএফডি কান্ট্রি ডিরেক্টরের ডেপুটি সিসিলিয়া কর্টেস উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য এক সঙ্গে কাজ করবে: সারাহ কুক

    বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য এক সঙ্গে কাজ করবে: সারাহ কুক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য এক সঙ্গে কাজ করবে, বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেন, “আমরা যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্ক শক্তিশালী করা, ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নিরাপত্তা অংশীদারত্ব জোরদার করার বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করার প্রসঙ্গে আলোচনা করেছি। জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন এবং রোহিঙ্গাদের কল্যাণের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এক সঙ্গে কাজ করা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।”

    আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    সারাহ কুক বলেন, “আপনারা জানেন যে যুক্তরাজ্য সরকার নির্বাচন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করে ৮ জানুয়ারি একটি বিবৃতি দিয়েছে। এ বিষয়গুলো নিয়ে সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইতিবাচকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাব।”

    প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয়  নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু মানদণ্ড অনুযায়ী হয়নি। আর নির্বাচনে সব দল অংশ না নেওয়ায় মানুষের ভোট দেওয়ার যথেষ্ট বিকল্প ছিল না বলেও অভিমত প্রকাশ করেছে দেশটি। বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাজ্যের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি, বুধবার সেটাই ইঙ্গিত দেন সারাহ কুক।

    বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আমরা আগে থেকেই জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে কাজ করছি। আগামীতে এই কাজের পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে শুরু থেকে যুক্তরাজ্য আন্তরিক সহযোগিতা করছে।”

  • হামাস ও ইসরায়েল এক মাসের যুদ্ধবিরতিতে যাচ্ছে

    হামাস ও ইসরায়েল এক মাসের যুদ্ধবিরতিতে যাচ্ছে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: গাজা নিয়স্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলি যুদ্ধকালীন মন্ত্রীসভা গাজা উপত্যকায় এক মাসের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে উভয়পক্ষের মতপার্থক্য এখনও আছে।

    আর আগ গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে হামাসের হামলার মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের শুরু থেকে মধ্যস্থতার ভূমিকায় রয়েছে কাতার, যুক্তরাষ্ট্র এবং মিসর। এই তিন দেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামাসের হাতে থাকা ১৩০ জনেরও বেশি জিম্মি ও ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তি, গাজায় সহিংসতা স্থগিত করা এবং উপত্যকায় ত্রাণের সরবরাহ আরও বাড়াতে ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা এবং হামাস— উভয়ই এক মাসের ‍যুদ্ধবিরতিতে যেতে প্রাথমিকভাবে সম্মত হয়েছে।

    কর্মকর্তারা জানান, গত ১ ডিসেম্বর গাজায় মানবিক বিরতি শেষ হওয়ার পর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার যাবতীয় কূটনৈতিক তৎপরতা তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল। পরে ২৮ মার্চ কাতার ও মিসরের মাধ্যমে ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা বরাবর একটি প্রস্তাব পাঠায় হামাস। প্রস্তাবে গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা নিজেদের হাতে থাকা সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত রয়েছে; তবে তার বিনিময়ে ইসরায়েলকে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা, উপত্যকায় ত্রাণ সামগ্রী প্রবেশ করতে দেওয়ার পাশাপাশি ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের ছেড়ে দিতে হবে।

    কিন্তু হামাসের এই প্রস্তাবে সম্মত হয়নি ইসরায়েল। মধ্যস্থতাকারী একটি সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েলের এই অসম্মতির প্রধান কারণ হামাসের এই ‘প্যাকেজ চুক্তি’। যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা এই চুক্তিতে সম্মতি প্রদানের পরিবর্তে এ ইস্যুতে আলোচনা চালিযে যেতে আগ্রহী।

    এদিকে ইসরায়েল অসম্মতি জানানোর পর হামাসও আর এ ইস্যুতে অগ্রসর হয়নি। ‘গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা না করলে জিম্মিদের মুক্তি নয়’— এই অবস্থানে দীর্ঘসময় অনড় ছিল এই গোষ্ঠী।

    তবে পরে কাতার, মিসর এবং ওয়াশিংটনের চাপে এক মাসের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় হামাস। তবে গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে মধ্যস্থতাকারীদের নিশ্চয়তা চাওয়া হয় যে— এই বিরতির পর গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হবে।

    আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, কোনো না কোনোভাবে হামাস সেই নিশ্চয়তা পেয়েছে এবং তার ফলাফল এক মাসের যুদ্ধবিরতিতে এই গোষ্ঠীটির প্রাথমিক সম্মতি। হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি রয়টার্সকে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘গাজা উপত্যাকায় আগ্রাসন বন্ধ এবং উপত্যকা থেকে দখলদার বাহিনীকে স্থায়ীভাবে প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা দেবে— এমন যে কোনো চুক্তি-উদ্যোগ বা প্রস্তাব মেনে নিতে প্রস্তুত।’

    গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ইরেজ সীমান্তে অতর্কিত হামলা চালিয়ে সামরিক-বেসামরিক ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিকসহ ১ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করে হামাস যোদ্ধারা। সেই সঙ্গে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় আরও ২৪০ জন ইসরায়েলি এবং অন্যান্য দেশের নাগরিককে।

    ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর গত ৭৫ বছরের ইতিহাসে সেদিন প্রথম একদিনে এতজন মানুষের হত্যা দেখেছে ইসরায়েল। অভূতপূর্ব সেই হামলার জবাবে সেদিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী এবং তার এক সপ্তাহ পর বিমান বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেয় স্থল বাহিনীও।

    ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার বোমাবর্ষণে গত প্রায় সাড়ে চার মাসে গাজায় নিহত হয়েছেন ২৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন অন্তত ৬০ হাজার এবং ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণে ধসে যাওয়া বিভিন্ন ভবনের ধ্বংস্তূপের নীচে এখন ও চাপা পড়ে আছেন অন্তত কয়েক হাজার মানুষ।

    গত ২৫ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘোষিত এক মানবিক বিরতির সাত দিনে মোট ১০৮ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। বাকি ১৩২ জন এখনও তাদের হাতে আটক রয়েছে।

     

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু অবশ্য অবশ্য যুদ্ধের শুরু থেকেই বলে আসছেন যে, হামাসকে সম্পূর্ণ ধ্বসের আগ পর্যন্ত এই অভিযান চলবে, তবে বর্তমানে এই ইস্যুতে বেশ চাপে রয়েছেন তিনি। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক— উভয় দিক থেকেই চাপ বাড়ছে তার ওপর।

    অভ্যন্তরীণ চাপে থাকার প্রধান কারণ— হামাসের হাতে থাকা অবশিষ্ট জিম্মি এবং তার পরিবারের স্বজনরা। নেতানিয়াহু যদিও বলছেন, যে জিম্মিদের মুক্ত করতে গাজায় অভিযান হচ্ছে তবে সেনা অভিযানের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত কোনো জিম্মিকে মুক্ত করা সম্ভব হয়নি। উল্টো ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা ও গোলায় নিহত হয়েছেন কয়েকজন আটকে থাকা জিম্মি।

    জিম্মিদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা জিম্মিদের ফিরে আসা দাবি জানাচ্ছেন। দাবি আদায়ে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করছেন তারা, কিন্তু যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা তাদের সে দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে তাদের অভিযোগ।

    এ পরিস্থিতিতে কয়েক দিন আগে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের অধিবেশনে হামলাও চালিয়েছন জিম্মিদের স্বজনরা।

    এদিকে, ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার বোমাবর্ষণে প্রতিদিন গাজায় নিহত হচ্ছেন শত শত মানুষ। নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ২৫ হাজার। বিশ্বের দেশে দেশে ইসরায়েলি অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ দুই মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ গাজায় বেসামরিকদের হতাহত হ্রাস করার জন্য প্রতিনিয়ত চাপ দিচ্ছে।

    আবার যুদ্ধে যে ইসরায়েলি বাহিনী কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাচ্ছে— এমনও নয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত প্রায় চার মাসের যুদ্ধে হামসের মাত্র এক পঞ্চমাংশ যোদ্ধাকে শেষ করতে পেরেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

    এসব মিলিয়ে অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে নেতানিয়াহু বেশ চাপে রয়েছেন।

    তবে এই বক্তব্যকে চুড়ান্ত মনে করার কিছু নেই। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে এই যুদ্ধের ভবিষ্যত অনেকাংশে নির্ভর করছে কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর।

  • শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় পিঠা উৎসব

    শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় পিঠা উৎসব

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: বংলাদেশের পিঠার পরম্পরা অনেক প্রাচীন। সাধারণত শীতকালেই বেশি পিঠা তৈরি হয়। তবে বর্তমান সময়ে সব মৌসুমে পিঠা পাওয়া যায়। বিশেষভাবে পিঠাকে আধুনিক ধারায় এনে এক সর্বজনীন করে তুলেছে বেশ কিছু নারী উদ্যোক্তা। আগে আঞ্চলিক ভাবে পিঠা তৈরি হতো। এখনও হয়।  কিন্তু এমন কিছু পিঠা আছে যা সারাদেশেই প্রসিদ্ধ এবং জনপ্রিয়। এগুলি হচ্ছে ভাপা পিঠা, ঝাল পিঠা, ছাঁচ পিঠা, ছিটকা, চিতই, দুধ চিতই, বিবিখানা, চুটকি, চাপড়ি, চাঁদ পাকান, ছিট, সুন্দরী পাকান, সরভাজা, পুলি পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান, পানতোয়া, মালপোয়া, মালাই, মুঠি, আন্দশা, কুলশি, কাটা পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের পিঠা, ক্ষীর কুলি, গোকুল, গোলাপ ফুল পিঠা, লবঙ্গ লতিকা, রসফুল, পাকোয়ান, গুড়ি, জামদানি, ঝালপোয়া, ঝুরি পিঠা, ঝিনুক, সূর্যমুখী, নকশি, নারকেল পিঠা, নারকেলের ভাজা পুলি, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, নারকেল জেলাফি, তেজপাতা পিঠা, তেলের পিঠা, তেলপোয়া, দুধরাজ, ফুল ঝুরি, ফুল পিঠা, বিবিয়ানা, সেমাই পিঠা প্রভৃতি। পিঠা তৈরির সাধারণ উপাদান হচ্ছে চালের গুঁড়া, ময়দা, গুড় বা চিনি, নারকেল, দুধ ও তেল। অনেক সময় কিছু কিছু পিঠাতে মাংস ও সবজি ব্যবহার করা হয়।

    বাংলাদেশের এই পিঠা তৈরির শিল্পীদের উৎসাহ দিতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় শুরু হতে যাচ্ছে পিঠা উৎসব। সারাদেশব্যাপী একযোগে পিঠা উৎসব উদ্বোধন হবে ৩১ জানুয়ারি। একযোগে ৬৪ জেলায় ৩ দিনব্যাপী পিঠা উৎসব চলবে ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আর বাংলাদেশ শিল্পকলায় পিঠা উৎসব চলবে ১০ ফিব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    যারা পিঠা তৈরী করেন তারা মেলায় “পিঠাশিল্পী” হিসেবে অংশ নিতে পারবেন। যারা পিঠা তৈরী ও ক্যাটারিং উদোক্তা হিসেবে কাজ করছেন তারাও অংশ নিতে পারবেন। আবেদন ফরম ডাউনলোড করুন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ওয়েবসাইট থেকে। আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নিম্নে উল্লেখিত ঠিকানায় জমা দিন অথবা মেইল করুন।

    অংশগ্রহণ করতে ফরম সংগ্রহ করুন ওয়েবসাইট থেকে: www.shilpakala.gov.bd. স্থান : তথ্যকেন্দ্র, প্রশিক্ষণ ভবন (নীচতলা), বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

    অথবা ইমেইল: info@shilpakala.gov.bd

  • নির্বাচন বর্জন করাটা বিএনপির জন্য চরম ভুল হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    নির্বাচন বর্জন করাটা বিএনপির জন্য চরম ভুল হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: নির্বাচন বর্জন করাটা বিএনপির জন্য চরম ভুল হয়েছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “বিএনপির মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। আজ পুরো পৃথিবী নতুনভাবে নির্বাচিত হওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। এতে তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে, তাই আবোল-তাবোল বকছে। তারা এখন উপলব্ধি করছে নির্বাচন বর্জন করা তাদের জন্য আত্মাহুতির শামিল হয়েছে।”

    আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) পুরান ঢাকার বকশিবাজারের নবকুমার ইনস্টিটিউটে গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মতিউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, “আমার যখন ২০০৯ সালের সরকার গঠন করি, এরপর যখন উপজেলা নির্বাচন হয় তখন কিন্তু প্রতীক ছিল না। প্রতীক দেওয়ার বিধান পরে চালু হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বরাবরই প্রতীকবিহীন হয়েছে। আমরা আগের সেই পদ্ধতির কথাই বলেছি। সেখানে সবাই উপস্থিত থাকবে এবং যে যার মতো নির্বাচন করবে। যারা বিজয়ী হবেন, তারা উপজেলা চেয়ারম্যান হবেন। এটা নতুন কিছু না।”

    তিনি বলেন, “বহু শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে জাতির পিতার নেতৃত্বে আমাদের স্বাধীনতা এসেছে। স্বাধীনতা কারো হুইসেল বাজানোর মাধ্যমে আসেনি। বহু সংগ্রাম, বহু রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা এসেছে। আমাদের এই স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে মতিউর রহমানের আত্মদান রয়েছে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আজ অনেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বিকৃতি করে। বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতা সংগ্রাম বিকৃত করে। বলার চেষ্টা করে একটি হুইসেল বাজানোর মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা সংগ্রাম তারা অস্বীকার করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ঘুমন্ত বাঙালি জাতিকে পলে পলে আন্দোলিত করে এক সাগর রক্ত পাড়ি দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা এসেছে।”

  • ত্রিদেশীয় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশের জয়

    ত্রিদেশীয় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশের জয়

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: কক্সবাজারে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দলকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ। আজ বুধবার (২৪) টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এই সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

    কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে শ্রীলঙ্কার মেয়েদের প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ইয়াং টাইগ্রেস অধিনায়ক সুমাইয়া আক্তার।

    শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি লঙ্কান মেয়েরা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৯৫ রান করে সফরকারীরা। জবাবে ৯ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

    এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারিয়েছে লঙ্কান মেয়েরা। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে মাত্র ১৮ রান যোগ করতেই তারা হারায় ২টি উইকেট। এরপর দলীয় ফিফটি পূর্ণ করতে করতে আরও দুই উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় সফরকারীরা।

    লঙ্কানদের হয়ে সর্বোচ্চ ২১ রান এসেছে রেশমি নেথারাঞ্জলির ব্যাট থেকে। এ ছাড়া দুই অঙ্কের কোটা পেরোতে পেরেছেন কেবল দুজন। আর বাংলাদেশের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন নিশিতা আক্তার নিশি ও রাবেয়া।

    সহজ লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা খারাপ হয়নি বাংলাদেশের মেয়েদের। পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেটে ৩১ রান তোলার পর খেই হারায় স্বাগতিকরাও। তবে আফিয়া ইরা ও ইভার ব্যাটে জয় হাতছাড়া হয়নি। ২৯ বলে ২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন ইরা।

    আগামী ২৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের মেয়েদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের।

  • তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চীনের কাছে এক বিলিয়ন ডলার চায় বাংলাদেশ

    তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চীনের কাছে এক বিলিয়ন ডলার চায় বাংলাদেশ

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ছয়টি প্রকল্পে চীনের কাছে নতুন করে আরও এক বিলিয়ন ডলার চায় বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গত ১০ বছরে আমরা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় মোট পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি চীনের লাইন অব ক্রেডিটের আওতায়। আমরা এখন এক লাখ নয় হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ভূমি অফিস, কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক, প্রাইমারি স্কুল, হাইস্কুল আমরা ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবলের আওতায় কানেক্টেড করছি, ৫৫৫টি স্মার্ট এমপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং সেন্টার করছি, পাশাপাশি পূর্বাচলে একটি ৪১তলা স্মার্ট টাওয়ার করছি- সবগুলোই ইডিসি (চীনের ঋণ) প্রজেক্টের আওতায় হচ্ছে “

    তিনি আরও বলেন, “বিটিসিএলের যে মডার্নাইজেশন অব টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক, টেলিটকের ফোরজি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং এস্টাবলিশমেন্ট অব ডেটা সেন্টার, এই ছয়টা প্রজেক্টে কিন্তু গত ১০ বছরে এক বিলিয়ন ডলার আমরা চাইনিজ লাইন অফ ক্রেডিট থেকে ব্যবহার করেছি। সেখান থেকে আয় করে আমরা এখন ঋণটা ফেরতও দিচ্ছি।”

    জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “এখন যে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০৪১ স্মার্ট বাংলাদেশ, সেই স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি পিলার- স্মার্ট সিটিজেন, ইকোনমি, গভার্নমেন্ট এবং সোসাইটি; সেখানে আমরা চাইনিজ সরকার, চাইনিজ এক্সিম ব্যাংক এবং চাইনিজ বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানির বিনিয়োগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করছি।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সেখানে আমরা ছয়টি প্রজেক্ট ইআরডির মাধ্যমে চাইনিজ সরকারের কাছে পাঠিয়েছি। মডার্নাইজেশন অব আরবান অ্যান্ড রুরাল লাইফ, সেটা ৫০০ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প। আর একটি আছে টেলিটকের ফোরজি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং আমাদের বিটিসিএল টেলিফোন শিল্প সংস্থা এবং কম্পিউটার কাউন্সিলের আরও প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের লাইন অব ক্রেডিট চেয়ে ছয়টি প্রজেক্ট আমরা জমা দিয়েছি।”

    জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি র্যাদার দেন পলিটিক্যাল ডিপ্লোমেসি। সেখানে আমরা চাচ্ছি চায়না-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের যে ৫০ বছর, এটা ২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে চাইনিজ সরকার এবং চাইনিজ কোম্পানিগুলো যাতে আইসিটি এবং টেলিকমকে তাদের বিনিয়োগের একটি সর্বোত্তম জায়গায় হিসেবে চিহ্নিত করে। এজন্য আমরা বাংলাদেশ-চায়না ইনভেস্টমেন্ট সামিট করবো। সেটার ব্যাপারেও কথা হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা একটা স্মার্ট ইকোনোমি এবং ইনভেস্টমেন্ট পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজিক এমওইউ করবো। সেখানে আমাদের চারটি লক্ষ্য আছে- রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং গবেষণা ও উদ্ভাবন। এই চারটি এরিয়াতে বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করবে।”

    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রদূত আমাকে কথা দিয়েছেন তিনি তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের পাশে আগামী পাঁচ বছর থাকবেন। যাতে ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশের একটি শক্ত ভিত্তি এই পাঁচ বছরে আমরা তৈরি করতে পারি।”

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীর – ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৪) সকালে গণভবনে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি মাসদুপুই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    রাষ্ট্রদূত আবারো নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত ৭ জানুয়ারি (রবিবার) সম্পন্ন হয়। এর পর গত ১০ জানুয়ারি (বুধবার) নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর ১১ জানুয়ারি ( বৃহস্পতিবার) নতুন মন্ত্রি ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। ২১ জানুয়ারি (রবিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।

  • বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে অংশীদারিত্ব বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

    বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে অংশীদারিত্ব বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশের বেসরকারি খাতেও অংশীদারিত্ব বাড়ানোর কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন। এছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সহযোগিতাসহ দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী দেশটি।

    স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি)  মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে দপ্তরের প্রিন্সিপাল ডেপুটি স্পোকসপারসন বেদান্ত প্যাটেল এসব কথা বলেছেন।

    পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান উপ-মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, “বাংলাদেশের সাথে আমাদের অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার ক্ষেত্রে আমাদের অনেকগুলো পদক্ষেপ রয়েছে এবং (এই ধরনের পদক্ষেপ) নেওয়া অব্যাহত থাকবে।”

    বেদান্ত প্যাটেল বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গাঢ় করার ক্ষেত্রে আমাদের বেশ কিছু ধাপ বা পদক্ষেপ আছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। আপনি হয়তো এর আগে আমাকে বলতে শুনে থাকবেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের বার্ষিকী ছিল গত বছর। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এটা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে জলবায়ু বিষয়ে সহযোগিতা, নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়গুলো। এসব খাতে আমরা বিশ্বাস করি সম্ভাবনা আছে।”

    তিনি আরও বলেন, “আপনি আমাকে এখানে আগেও বলতে শুনেছেন, গত বছর বাংলাদেশের সাথে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের বার্ষিকী ছিল এবং এমন বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র রয়েছে – বিশেষ করে জলবায়ু সহযোগিতা, নিরাপত্তা সহযোগিতা – যেখানে আমরা বিশ্বাস করি (অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার) সুযোগ রয়েছে।”

  • বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে কাজ করতে হবে: পর্যটনমন্ত্রী

    বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে কাজ করতে হবে: পর্যটনমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪: বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে কাজ করতে হবে, বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের কারণে দেশে অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি আনন্দের কথা। এখন আমাদেরকে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে। বিদেশি পর্যটকেরা যেন বাংলাদেশের পর্যটন আকর্ষণ সম্পর্কে জানতে পারে সেজন্য উদ্ভাবনী প্রচার কৌশল কাজে লাগাতে হবে।”

    মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে অবস্থিত বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও পর্যটন কর্পোরেশন পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

    মন্ত্রী বলেন, “বিদেশি পর্যটকদের জন্য ভিসা সহজিকরণ, তাদের দ্রুততম সময়ে ভিসা প্রদান, অন অ্যারাইভাল ভিসার আওতা বৃদ্ধি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া, তাদের জন্য এয়ারপোর্টে বিশেষ সার্ভিস চালুকরণ ও দক্ষ ট্যুর গাইড তৈরির বিষয়েও মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেন।”

    ফারুক খান বলেন, “বাংলাদেশের পর্যটনের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পর্যটন খাতের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এ শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবেই।”

    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সংস্কৃতিকে ঠিক রেখেই বিদেশি পর্যটকদের কাছে দেশের পর্যটন আকর্ষণকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। আমাদের পর্যটন গন্তব্যগুলো জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। পাশাপাশি ইকো ট্যুরিজম,  অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম ও কালিনারি ট্যুরিজমের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। সেবার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন নতুন সেবা চালু করতে হবে।”