Author: Hello Bangla News

  • এই আদালত ন্যায়বিচার চায় না: বেন গাভির

    এই আদালত ন্যায়বিচার চায় না: বেন গাভির

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪: এই আদালত ন্যায়বিচার চায় না, বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের উগ্রপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গাভির। তিনি বলেন, “এই আদালত ন্যায়বিচার চায় না বরং এটি ইহুদি জনগণের ওপর নিপীড়ন সমর্থন করে। ”

    গাজায় গণহত্যা ইস্যুতে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা মামলায় ভণ্ডামি বললেন ইসরায়েলের উগ্রপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গাভির।

    নেদারল্যান্ডসের রাজধানী হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) রায়কে আদালতকে কটাক্ষ তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “‘হেগ শ্মাগ (শ্মাক)’।

    উগ্রপন্থি  এ মন্ত্রী আরও বলেন, “হলোকাস্টের সময় তারা নীরব ছিলেন এবং আজ তারা তাদের ভণ্ডামিতে আরও এক স্তর অগ্রসর হয়েছেন।”

    আইসিজের রায়ের সমালোচনায় ইতামার বেন গাভির বলেন, “আমরা এই ধরনের বিপজ্জনক রায় মেনে চলতে পারি না, যা ইসরায়েল রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অস্তিত্বকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। সম্পূর্ণ বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অবশ্যই শত্রুকে নির্মূল করতে হবে।”

    উল্লেখ্য, জাতিসংঘের এই শীর্ষ আদালত শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) ইসরায়েলকে গাজায় হত্যা ও ধ্বংস বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

    হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপকে গণহত্যা বলে অভিযোগ করে দক্ষিণ আফ্রিকার আনা একটি মামলার অংশ হিসেবে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

    আদালতের প্রেসিডেন্ট মার্কিন বিচারক জে দোঙ্গু বলেন, আদালত এ অঞ্চলে যে মানবিক ট্র্যাজেডি উদ্ঘাটন করছে তা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

    গণহত্যামূলক বলে বিবেচিত হতে পারে—এমন যেকোনো কাজ প্রতিরোধে ইসরায়েলকে অবশ্যই সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনো গোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা করা, শারীরিক ক্ষতি ঘটানো, কোনো গোষ্ঠীর ধ্বংস ঘটাতে পরিকল্পিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, জন্ম রোধ করা, ইত্যাদি গণহত্যামূলক কাজ হিসেবে বিবেচিত হবে।

    ইসরায়েলকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে, তাদের সামরিক বাহিনী কোনো গণহত্যামূলক কাজ করবে না।

  • কলম্বিয়ার কোকেন গডমাদারকে নিয়ে হলিউডে ছয় পর্বের সিরিয়াল

    কলম্বিয়ার কোকেন গডমাদারকে নিয়ে হলিউডে ছয় পর্বের সিরিয়াল

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪: গ্রিজেলডা ব্লাঙ্কো ছিলেন কলম্বিয়ার কোকেন গডমাদার। ১৯৭০ ও ‘৮০র দশকে এই নারীর নাম শুনলে ভয় পেতো মানুষ। কেনন ব্লাঙ্কো নির্দয় মনের মাস্টারমাইন্ড অপরাধী ছিলেন। তার সম্পর্কে বলা হয়, একজন নারী যিনি মানুষকে হত্যা করেছেন, কারণ “তারা তার দিকে যেভাবে তাকাতো সেটি তার পছন্দ ছিলো না।” এই কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞীকে নিয়ে হলিউডে নিমিত হচ্ছে ছয় পর্বের ‘গ্রিজেনডা’ সিরিজ তৈরি হচ্ছে। ‘মডার্ন ফ্যামিলি’ সিরিজখ্যাত সোফিয়া ভারগারা এই কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞীর চরিত্রে অভিনয় করছেন ‘গ্রিজেলডা’ সিরিজে। অপরাধ বিষয়ক নাটক ‘নারকোস’র নির্মাতা দলই এই সিরিজটি বানাচ্ছে। সিরিজটির পরিচালক এরিক নিউম্যান। সহকারী পরিচালক হচ্ছেন আন্ড্রেজ বেইজ।

    তুমুল অ্যাকশন, ঝুঁকিপূর্ণ নাটকীয় গোলাগুলি আর গ্ল্যামারে ভরপুর ছয় পর্বের এই নেটফ্লিক্স সিরিজ। এতে গ্রিজেলডাকে একজন অত্যন্ত দুর্ধর্ষ অপরাধী হিসেবে চিত্রায়িত করে তার বুদ্ধিমত্তা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা তুলে ধরা হয়েছে।

    কিন্তু কলম্বিয়ার ‘কোকেন গডমাদার’ হিসেবে অভিহিত, নিজের তিনজন স্বামীকে হত্যার সাথে জড়িত এই নারীর জীবনের সত্যিকারের গল্প অবশ্য অনেকের অজানা। অবশ্য গিজেলডা চরিত্রটিকে মানবিক করে তুলা আনা হয়েছে জানিয়েছে নির্মাতারা।

     

    গ্রিজেলডা ব্লাঙ্কো কে

    কলম্বিয়ায় জন্ম নেয়া ব্লাঙ্কো ১১ বছর বয়সেই অপরাধ জগতের সাথে জড়িয়ে পড়ে। ব্লাঙ্কো সে সময় এক ধনী পরিবারের ছেলেকে অপহরণের পর তার পরিবার মুক্তিপণ দিতে অস্বীকার করায় তাকে গুলি করে হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে । এরপর ২১ বছর বয়সে ১৯৬৪ সালে ব্লাঙ্কো তার তিন সন্তান ও স্বামীকে নিয়ে অবৈধভাবে নিউইয়র্কে অভিবাসী হয়ে যান এবং সেখানে গাঁজা বিক্রি করা শুরু করেন।

    কলম্বিয়াতেই বেড়ে উঠা ভারগারা একজন বলছিলেন, “এটা মনে রাখা খুবই জরুরি যে গ্রিজেলডা ব্লাঙ্কো তার জীবনের শুরুর দিকে কে ছিলেন। একজন অভিবাসী যে সম্পূর্ণ একা তার তিন সন্তানকে লালন-পালন করছিল। তার কিছুই ছিল না, বেঁচে থাকার জন্য তার না ছিল শিক্ষা, না ছিল কোনও হাতিয়ার।”

    সিরিজটির পরিচালক এরিক নিউম্যান বলেছেন, তিনি গ্রিজেলডা ব্লাঙ্কোর এই ‘জটিল চরিত্রকে মানবিক’ করে তুলে আনতে চেয়েছেন।

    সহকারী পরিচালক আন্ড্রেজ বেইজ বলেছেন, “পুরুষের জগতে সে একজন নারী, নিজেকে প্রমাণ করতে সে দশগুণ বেশি পরিশ্রম করেছে এবং নিজের চারপাশে থাকা পুরুষদের ছাড়িয়ে যেতে নিজের বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা ব্যবহার করেছে। লোকজন তাকে সম্পূর্ণ বিনাশ করার জন্য পদক্ষেপও নিয়েছে এক সময়।”

     

    ‘ক্ষমতা তাকে দানবে পরিণত করেছে’

    ব্লাঙ্কো ১৯৭০ সালে তার প্রথম স্বামীকে হত্যার নির্দেশ দিয়ে মিয়ামিতে চলে গিয়েছিল। সেখানে তার দ্বিতীয় স্বামী মাদক পাচারকারী আলবার্টো ব্রাভোর সাথে তার দেখা হয়, যে তাকে মাদকের আন্ডারওয়ার্ল্ডের আরও অন্ধকার জগতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়।

     

    ব্লাঙ্কোর সহিংস মনোভাব আর মাদক চোরাচালানে সাহসী দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, যা তাকে তরুণীদের কলম্বিয়া থেকে আমেরিকায় ব্রা কিংবা অন্তর্বাসের ভেতরে কোকেন লুকিয়ে উড়ে যেতে সহায়তা করেছে। এর অর্থ এটাই যে অচিরেই পুরো অপরাধ সাম্রাজ্য তার হাতের মুঠোয় চলে যায়। মিয়ামিতে মাদক যুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল, যা ব্লাঙ্কোকে আরও বেশি নির্মম করে তোলে। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে স্বামীকে গুলি করে ব্লাঙ্কো, কারণ তার বিশ্বাস ছিল যে তার স্বামী তার টাকা চুরি করেছে

    এরপর ১৯৮৩ সালে ব্লাঙ্কো তার তৃতীয় স্বামীকে খুন করে মিয়ামি ছেড়ে চলে যায়। সে সময় তার সাথে এই দম্পতির ছেলে মাইকেল করলিওনি ছিল। নির্দয় ও নির্মম আচরণের জন্য ব্লাঙ্কোকে ‘ব্ল্যাক উইডো’ বা ‘কালো বিধবা’ নামেও অভিহিত করা হয়।

    সে সময় ব্লাঙ্কোর সাম্রাজ্য আরও বিস্তৃত হয় এবং ১৯৮০’র দশকের গোড়ার দিকে সে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও দুর্ধর্ষ মহিলায় পরিনত হয়, যে প্রতি মাসে এক দশমিক পাঁচ টন কোকেন পাচার তদারকি করতো। ভারগারা জানায়, “আমি সত্যিই মনে করি যে যখন গ্রিজেলডা মিয়ামিতে প্রথম যায় তখন তার উদ্দেশ্য ছিল শুধু পরিবারকে দেখাশোনা ও রক্ষা করা। কিন্তু এই অন্ধকার পথে সে হারিয়ে যায় এবং ক্ষমতা ও অর্থ তাকে একজন দানবে পরিণত করে।”

    নিজের সাম্রাজ্য ত্যাগ করতে ১৯৮০’র দশকে প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের দেয়া ১৫ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ব্লাঙ্কো।

     

    অদক্ষ ব্যক্তিদের উপর নির্ভর করা

    দুই দশক ধরে কঠোরভাবে মিয়ামিতে মাদক সাম্রাজ্য পরিচালনা করলেও নারী হিসেবে ব্লাঙ্কো সম্পূর্ণ সচেতন ছিল যে, মাদক ইন্ডাস্ট্রি একচেটিয়াভাবে উগ্রবাদী পুরুষরাই চালায়, যেখানে তার অবস্থান অনিশ্চিত ছিল। এই যুক্তিতে ব্লাঙ্কো তার ব্যবসা পরিচালনা করতে সেসময় একজন পুরুষকে অনুমতি দেয়–স্থানীয় ডিলাররা তখনই “চুক্তি গ্রহণ করে যখন তা কোনও পুরুষের মুখ থেকে বের হয়।”

    এক হত্যা মামলায় ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর ব্লাঙ্কো নিজের ব্যবসা নিজেই পরিচালনা করার দায়িত্ব বেছে নেয় এবং নিজের সুবিধার জন্য তার বহিরাগত অবস্থানকে ব্যবহার করে। আনুমানিক এক লাখ ৩৫ হাজার কিউবান ১৯৮০ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমেরিকায় অভিবাসী হয় যারা ‘মারিলিটোস’ নামে পরিচিত। এদের অনেকেই আবার ক্রিমিনাল গ্যাং বা অপরাধী চক্র, মাদক পাচার, কন্ট্রাক্ট কিলিং বা চুক্তিতে মানুষ হত্যার মতো অপরাধে আগে থেকেই জড়িত ছিল।

    ব্লাঙ্কো এটাকে পুঁজি করে তাদেরকে নিজের গ্যাংয়ে নিয়োগ করে। হিটম্যান, গোলন্দাজ অর্থাৎ যারা পিস্তল চালাতে পারদর্শী, তাদেরকে নিয়ে ব্লাঙ্কোর দল তৈরি হয়, যারা মোটরসাইকেলে চড়ে গুপ্তহত্যা করতে পরিচিত হয়ে উঠেছিল।

    নেটফ্লিক্সের সিরিজটির সহকারী পরিচালক আন্ড্রেজ বেইজ বলছিলেন, “ব্লাঙ্কো নিজে একজন অভিবাসী বা বহিরাগত এবং তার আশেপাশেও সব বহিরাগতদের নিয়োগ দেয় সে। এরকম ইন্ডাস্ট্রিতে যেখানে বিশ্বাস অর্জন করা খুব কঠিন এবং আরও কঠিন তা ধরে রাখা, ব্লাঙ্কো জানতো যে সে কী করছে।”

     

    তিনি আরও বলেন, “এরা সবাই অদক্ষ ছিল, সমাজের স্বাভাবিক মানের সাথেও এরা যায় না। গ্রিজেলডা এটা জানতো এবং তাদের উপলব্ধি করতে সাহায্য করতো যে তারা তার পরিবারের অংশ।”

    ভারগারা বলেন, “আমি একজন কলম্বিয়ান, একজন মা এবং একজন অভিবাসী। একজন নারী হিসেবে গ্রিজেলডাকে বিবেচনা করা হতো এবং এখন আমি জানি কারণ আমার উচ্চারণের কারণে আমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয় এবং আমি অন্যদের চাইতে কম সুযোগ পাই।”

     

    একজন নারী কখনও এমন খারাপ হতে পারে না

    ব্লাঙ্কোর অপরাধ সাম্রাজ্য ১৯৮০’র দশকের মাঝের দিকে উন্মোচিত হতে শুরু করে এবং ক্যালিফোর্নিয়ার আরভিনে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার সন্ত্রাসের রাজত্ব হঠাৎ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।

    কিন্তু কীভাবে দুই দশক ধরে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে ব্লাঙ্কো মিয়ামিকে মাদক নিয়ে খেলার মাঠে রূপান্তরিত করেছিলেন? ব্লাঙ্কো একজন নারী, এটাকেই কারণ বলে দেখিয়েছে ‘গ্রিজেলডা’ সিরিজটি।

    “কারণ সে একজন নারী ছিল। সে যখন চাইতো তখনই অদৃশ্য হয়ে যেতে পারতো। কেউ ভাবতেও পারতো না যে একজন নারী এই আকারের একটি দল পরিচালনা করতে পারে। মানুষ ভাবে একজন নারী কখনও এরকম খারাপ হতে পারে না,” ভারগারা বলছিলেন।

    পুরুষশাসিত মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলো এ ব্যাপারে দৃঢ় ছিল যে একজন নারী কখনও মাদক ব্যবসার পিছনে জড়িত থাকতে পারে না। কেউ কেউ একেবারে এই লাইনেই তদন্তের জন্য জোর দেয়।

    তবে ১৯৭০’র দশকের শুরু থেকে মাঝামাঝি পর্যন্ত ব্লাঙ্কোকে ধরার দায়িত্ব ছিল মিয়ামি পুলিশ বিভাগের একজন নারী গোয়েন্দা বিশ্লেষক জুন হকিন্সের।

    পরিচালক নিউম্যান হকিন্সকে এই গল্পের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করেন।

    “সে গ্রিজেলডার প্রতিরূপ, সে নিজেও একজন লাটিন তরুণী ও সিঙ্গেল মা – যে এমন একটি বিশ্বে কাজ করছে যেখানে নারীদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়। সে এটা দেখাতে চায় যে গ্রিজেলডা যা বেছে নিয়েছে, সেটা তার একমাত্র অপশন বা পথ ছিলো না।”

     

    কী ঘটেছিল গ্রিজেলডা ব্লাঙ্কোর ভাগ্যে?

    এরপর ১৯৮৫ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি ব্লাঙ্কো তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়। কোকেন উৎপাদন, আমদানি ও বিতরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয় সে।ব্লাঙ্কোর বিরুদ্ধে আরও তিনটি হত্যার অভিযোগ আনা হয় এবং প্রায় দুই দশক সে কারাগারে কাটায়।

    কারাভোগের সময়ই ব্লাঙ্কোর তিন ছেলেকে হত্যা করা হয়। পরে ২০০৪ সালে মুক্তি পেয়ে ব্লাঙ্কো কলম্বিয়ায় নির্বাসনে যায় এবং সেখানে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করে। কয়েক বছর পর ২০১২ সালের তেসরা সেপ্টেম্বর মোটরবাইকে আসা এক ব্যক্তি ৬৯ বছর বয়সী ব্লাঙ্কোকে গুলি করে। ব্লাঙ্কোকে যে স্টাইলে গুপ্তহত্যা করা হয়, তা অবিকল তার রাজত্বে গড়ে তোলা মানুষ হত্যার স্টাইলের মতোই।

     

    নিউম্যান বলেন, “এ হত্যাকাণ্ড তার প্রতি ঘৃণার মাত্রা প্রমাণ করে। সে ২০১২ সালে ছিল একজন নিরীহ মহিলা, নির্জনে একাকী বাস করতো এবং তার চার সন্তানের মধ্যে তিনজনই মারা গিয়েছিল।”

    বেইজ আর বলেন, “সে কোনও কিছু থেকে উঠে আসেনি, সে অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিল, কিন্তু গল্পের একেবারে শেষে এসে এটা এমন একটা ট্রাজেডিতে পরিণত হয় যার পুরোটাই লস।”

    ব্লাঙ্কোর জীবন ও ক্ষমতার আকর্ষনীয় কাহিনী হওয়া সত্ত্বেও ইতিহাসের বইগুলোতে তার উপস্থিতি সেভাবে নেই।

    এমনকি অভিনেত্রি ভারগারা, কলম্বিয়ায় যিনি ‘মাদক যুগে’ বেড়ে উঠেছেন তিনিও বলছেন যে কখনও এই নারী সম্পর্কে শোনেননি। ব্লাঙ্কোর জীবন সম্পর্কে জানার পর তার মনে হয়েছিল যে, এটা “অসম্ভব”, কিন্তু এটা ছিল সত্যি গল্প।

    ভারগারা বলেন, “এই কারণেই আমি গ্রিজেলডার চরিত্রে অভিনয় করতে চেয়েছিলাম। সে একাধারে একজন মা, খলনায়ক, প্রেমিকা এবং খুনিও। সে সবাইকে দেখিয়ে দিয়েছে মানুষ কত জটিল হতে পারে।”

    আশা করা হচ্ছে গ্রিজেনডার চরিত্র নিয়ে ছয় পর্বের এই সিরিজটি বেশ জনপ্রিয় হবে দর্শকদের কাছে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • পেটে গ্যাস হওয়ার কারণেই শুধু পেটব্যথা হয় না

    পেটে গ্যাস হওয়ার কারণেই শুধু পেটব্যথা হয় না

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪: পেটে ব্যথা অনুভব করাটা আমাদের দেশে প্রচলিত অসুখ গুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান একটি অসুখ। তবে আমরা সাধারণত ভেবে থাকি যে পেটে গ্যাস হলেই পেটব্যথা হয়। আসলে বিষটি তা নয়। তবে আমাদের দেশে খাদ্যাভ্যাস বিষয়টি এমন যে কারণ গ্যাসের কারণে সবচেয়ে বেশি পেট ব্যথা হয়ে থাকে। কিন্তু সব সময় পেটব্যথাকে অবহেলা করা উচিত নয়। বিভিন্ন কারণে পেটব্যথা হয়ে থাকে। কখন কি পরিস্থিতে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হয় এখানে সেটাই উল্লেখ করা হলো।

     

    পেটের ব্যথা নানা ধরনের হয়ে থাকে: 

    • কিছু ব্যথা আছে যেগুলো হঠাৎ করে শুরু হয় এবং একটু পর ভাল হয়ে যায়। এই ব্যথা খুব তীব্র হয় না।
    • আবার কিছু ব্যথা আছে হঠাৎ করে শুরু হলেও বেশ তীব্র ও কষ্টদায়ক হয়।
    • আর কিছু ব্যথা একবার শুরু হলে সেটা সহজে ভালো হয় না বা বিরতি দিয়ে চলতে থাকে।

     

    যুক্তরাজ্যের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের তথ্য অনুযায়ী, পেট হল পাঁজর ও শ্রোণির (পেলভিস) মধ্যবর্তী জায়গা। এই জায়গাটায় থাকে পাকস্থলী, যকৃত, পিত্তথলি, অগ্ন্যাশয়, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র। এগুলোকে একসাথে পাচনতন্ত্র বলা হয়।

    এইসব অঙ্গের কোথাও যদি সামান্যতম অস্বস্তিও হয়, তাহলেই আমরা পেটে ব্যথা অনুভব করি। যদিও, পেটে ব্যথা হলেই আমাদের দেশে ধরে নেয়া হয়, এটা হয়ত আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা। কিন্তু পেটে গ্যাস হওয়ার কারণেই যে শুধু পেটব্যথা হয়, বিষয়টা কিন্তু মোটেও তেমন না। পেটে ব্যথা পাচনতন্ত্রের যে কোনও অঙ্গ থেকে হতে পারে। আলাদা ধরনের পেট ব্যথার কারণও ভিন্ন হয়।

     

    হঠাৎ করে পেট ব্যথা ও ঢেকুর:

    সাধারণত পেটে বাতাস আটকে যাওয়ার কারণে পেট সাময়িক ব্যথা করতে পারে। একই সাথে ঢেকুরও উঠতে পারে।

    যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, যদি আপনার ঢেকুর হয় এবং একই সাথে প্রচুর পরিমাণে বায়ু নির্গমন হতে থাকে তাহলে এমন পেট ব্যথার কারণ হতে পারে পেটে আটকে পড়া বাতাস।

     

    পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া:

    যদি ডায়রিয়ার সাথে পেট ব্যথা থাকে তার মানে হচ্ছে গ্যাসট্রোএনটারাইটিস বা পাকস্থলী ও অন্ত্রের প্রদাহে এমনটা হয়েছে। সাধারণত পাকস্থলী ও অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের সংক্রমণে এই অবস্থা হয়। চিকিৎসা ছাড়াও এটি কয়েক দিন পর ভাল হয়ে যেতে পারে।

    গ্যাসট্রোএনটারাইটিসে আক্রান্ত কারো সংস্পর্শে এলে বা জীবাণু সমৃদ্ধ খাবার খেলে এতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    যদি পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া বার বার হয় তাহলে সেটি আবার ইরিটেবেল বাওয়েল সিনড্রোম বা আইবিএস’র উপসর্গ হয়ে দাঁড়ায়।

    এছাড়া পেট ভর্তি অনুভূত হওয়া, খাওয়ার পর ঢেকুর, বুক জ্বালাপোড়া, অসুস্থবোধ করলে বুঝতে হবে বদহজমের কারণে হচ্ছে। আর পাতলা পায়খানা, অসুস্থতা, বমি এগুলো পাকস্থলীতে জীবাণুর সংক্রমণ বা খাদ্য বিষক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে।

     

    পেটে তীব্র ব্যথা যে কারণে হতে পারে:

     

    ১. অ্যাপেনডিসাইটিস: বেশিরভাগ মানুষ অ্যাপেডিসাইটিসে আক্রান্ত হলে হঠাৎ করেই তীব্র পেট ব্যথা দেখা দেয়। সাধারণত ডান পাশের পেটের নিচের দিকে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন ভার্জিনিয়া মেডিকেল স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক প্যাট্রিসিয়া এল রেমন্ড বলেন, পা ভাঁজ করলে ব্যথা অনুভূত হয় কারণ এতে অ্যাপেনডিক্সের পাশে থাকা একটি পেশিতে টান পড়ে। এ ধরনের ব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

     

    ২. গ্যাসট্রাইটিস: গ্যাসট্রাইটিসের কারণেও পেটে ব্যথা হয়। এছাড়া বমি বমি ভাব ও বমি হতে পারে। চিকিৎসা করানো না হলে এর ফলে গ্যাস্ট্রিক আলসার ও রক্তপাত হতে পারে। অ্যালকোহল পান, ধূমপান, হেলিকোব্যাকটর পাইলরি ব্যাকটেরিয়াসহ নানা কারণে গ্যাসট্রাইটিস হতে পারে।

    ৩. কিডনিতে পাথর: কিডনিতে হওয়া পাথর যখন মূত্রনালীতে চলাচল করে তখন পেটে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত পিঠের নিচের দিকে এই ব্যথা শুরু হয় এবং এটি তলপেটে ছড়িয়ে পড়ে। কিডনিতে পাথর হওয়ার লক্ষণ হচ্ছে, মূত্রের সঙ্গে রক্ত পড়া, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, জ্বর, মূত্র ঘোলাটে ও দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া এবং বমি হওয়া।

    ৪. ওষুধ সেবন: অনেক সময় অন্য রোগের ওষুধ সেবনের কারণে পেটে ব্যথা হতে পারে। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক, মাদক প্রতিরোধী ওষুধ, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ, প্রদাহ বা জ্বালাপোড়া প্রতিরোধের ওষুধ গ্রহণের কারণে পেটে ব্যথা হতে পারে।

    ৫. জীবাণুর আক্রমণ: প্যারাসাইট বা জীবাণু ও কৃমি যদি পেটে চলে যায় তাহলে পেট ব্যথা হতে পারে। দূষিত পানীয় ও পানি পান বা এতে সাঁতার কাটার কারণে এই জীবাণু পেটে চলে যেতে পারে। এ ধরনের জীবাণুর আক্রমণে পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া ও বমি হতে পারে। সাধারণত দুই থেকে ১০ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। প্রচুর পরিমাণে তরল ও সাধারণ কিছু ওষুধ খেলে এটি ভালও হয়ে যায়।

    ৬. পেলভিক ইনফ্লেমেটরি ডিজিস বা পিআইডি বা প্রদাহজনিত রোগ: ফ্যালোপিয়ান টিউব, জরায়ু বা ডিম্বাশয়ে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে পেটে প্রদাহজনিত রোগ দেখা দেয়। এর ফলে নাভির নিচে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। যৌন সংক্রমিত রোগ বা এসটিডি যেমন গনোরিয়ার কারণে এই প্রদাহ দেখা দেয়।

    ৭. মানসিক চাপ: মানসিক চাপের কারণে পেট ব্যথা, মাথাব্যথা, উচ্চরক্তচাপ ও ইনসমনিয়া বা ঘুমের সমস্যা হতে পারে। এছাড়া বদহজম, ব্যথা ও ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা আইবিএস’র মতো রোগ দেখা দিতে পারে।

    ৮. আলসার: পেটে ব্যথার একটি সাধারণ কারণ হচ্ছে পেপটিক আলসার। এর কারণে পেটের উপরের দিকে মাঝ বরাবর ব্যথা হয়। সাধারণত খাওয়ার পরপরই এই ব্যথা শুরু হয়।

    ৯. ত্রুটিযুক্ত গর্ভধারণ; যখন গর্ভাশয়ের বাইরে কোনও নিষিক্ত ডিম্বাণু বিকশিত হতে শুরু করে তখন তাকে একটোপিক প্রেগন্যান্সি বা ত্রুটিযুক্ত গর্ভধারণ বলা হয়। এর চিকিৎসা না করানো হলে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

     

    দীর্ঘস্থায়ী বা বার বার ফিরে আসা পেট ব্যথা:

    দীর্ঘদিন ধরে যদি বার বার পেট ব্যথা হয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ধরণের পেটব্যথার পেছনে সাধারণত জটিল কারণ থাকে না এবং সেগুলো চিকিৎসার মাধ্যমে সেরে উঠা সম্ভব।

    এই পেট ব্যথার কারণ হতে পারে, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা আইবিএস। সাধারণত টয়লেটে গেলে এই ব্যথা শুরু হয়।

    এছাড়া পেটে প্রদাহজনিত রোগ এবং মূত্রনালীতে সংক্রমণের জন্য পেট ব্যথা হতে পারে। মূত্রনালীতে সংক্রমণ হলে বার বার পেট ব্যথা হয় এবং প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হতে পারে।

    কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের কারণেও দীর্ঘস্থায়ী পেট ব্যথা বা বার বার পেট ব্যথা হতে পারে। পেটব্যথার সাথে মলত্যাগ না হওয়ার লক্ষণ থাকলে সেটি কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের লক্ষণ।

    নারীদের ক্ষেত্রে ঋতুস্রাবের সময় পেট ব্যথা হতে পারে। এছাড়া পাকস্থলীর আলসার, বুক জ্বালাপোড়া ও পাকস্থলীর এসিড নিঃসরণের কারণেও পেট ব্যথা হতে পারে।

    দীর্ঘ দিন ধরে বার বার পেট ব্যথার একটি সাধারণ কারণ গ্যাসট্রাইটিস বা পাকস্থলীর প্রদাহ।

     

    পেট ব্যথা হলে কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন:

    • পেট ব্যথা যদি দ্রুত বাড়তে থাকে
    • পেট ব্যথা বা ঢেকুর তোলা থামছে না এবং একটু পর পর আবার শুরু হচ্ছে
    • পেট ব্যথার সাথে খাবার গিলতে সমস্যা হচ্ছে
    • চেষ্টা না করেও ওজন কমছে
    • বার বার প্রস্রাব হচ্ছে কিংবা একেবারেই প্রস্রাব হচ্ছে না
    • প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হচ্ছে
    • মলদ্বার বা মূত্রনালী থেকে রক্তপাত হচ্ছে বা অস্বাভাবিকভাবে অন্য কোনও তরল নির্গত হচ্ছে
    • ডায়রিয়া হওয়ার কয়েক দিন পরও তা ভালো হচ্ছে না

     

     

    কেমন পেট ব্যথা হলে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে যাবেন:

    যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের তথ্য বলছে, পেট ব্যথার সাথে যদি নিচের লক্ষণগুলোও থাকে তাহলে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে যেতে হবে:

     

    • হঠাৎ করে পেট ব্যথা শুরু হওয়ার পর সেটা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে
    • পেটে স্পর্শ করলেই ব্যথা অনুভব হলে
    • রক্ত বমি শুরু হলে বা বমির রঙ কফির মতো হলে
    • মলের সাথে রক্ত পড়লে বা মলের রঙ কালো, আঠালো ও তীব্র দুর্গন্ধ হলে
    • প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে
    • মলত্যাগ বা বায়ু নির্গমন বন্ধ হয়ে গেলে
    • নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসলে বা শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হলে
    • বুকের ব্যথা শুরু হলে
    • ডায়াবেটিস থাকলে এবং বমি শুরু হলে
    • অজ্ঞান হয়ে গেলে

     

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার বেড়েছে

    দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার বেড়েছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪: বেসরকারি সংস্থা- রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় দেখা গেছে দেশে প্রতিনিয়তই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বাড়ছে । সংস্থাটির জানিয়েছে, গত পাঁচ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার বেড়েছে ১৬ শতাংশ। আর এসব দুর্ঘটনায় মৃত্যু হার বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৮১ শতাংশ।

    গবেষণায় আরও বলা হয়েছে গত ২০২৩ সালে মোট ছয় হাজার ৯১১টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ছয় হাজার ৫২৪ জন। এ সময় আহত হয়েছেন ১১ হাজার ৪০৭ জন।

    আজ শনিবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে ‘২০২৩ সালের সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ ও পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৩ সালে ৫৩২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা নিহত হয়েছেন দুই হাজার ৪৮৭ জন এবং আহত হয়েছেন এক হাজার ৯৪৩ জন। নিহতদের মধ্যে এক হাজার ৯০৯ জন (৭৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ) ১৪ থেকে ৪৫ বছর বয়সী।

    ২০১৯ সালে এক হাজার ১৮৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ৯৪৫ জন। ২০২০ সালে এই সংখ্যা ছিল এক হাজার ৩৮১ দুর্ঘটনায় এক হাজার ৪৬৩ জন। ২০২১ সালে দুই হাজার ৭৮টি দুর্ঘটনায় দুই হাজার ২১৪ জন। ২০২২ সালে দুই হাজার ৯৭৩টি দুর্ঘটনায় তিন হাজার ৯১ জন। যদিও ২০২২ থেকে ২০২৩ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ও মৃত্যু কমেছে।

    তবে ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়লেও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। ২০২২ সালে ছয় হাজার ৮২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল সাত হাজার ৭১৩ জন।

     

    সংস্থাটির গবেষণায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ধরন:

    অন্য যানবাহনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটেছে (৫৭২টি) ২২ দশমিক ৫৯ শতাংশ, মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে (৯০৪টি) ৩৫ দশমিক ৭০ শতাংশ, মোটরসাইকেলে ভারি যানবাহনের চাপা ও ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে (এক হাজার ২৫টি) ৪০ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং অন্যান্য কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে (৩১টি) এক দশমিক ২২ শতাংশ। ৩৬ দশমিক ২১ শতাংশ (৯১৭টি) দুর্ঘটনার জন্য মোটরসাইকেল চালক এককভাবে দায়ী ছিল। দুর্ঘটনার জন্য বাসের চালক দায়ী

    ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ, (২৬১টি), ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি চালক দায়ী ৪০ দশমিক ৯১ শতাংশ (এক হাজার ৩৬টি), প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস চালক দায়ী দুই দশমিক ৭২ শতাংশ (৬৯টি), থ্রি-হুইলার চার দশমিক ২৬ শতাংশ (১০৮টি), বাইসাইকেল, প্যাডেল রিকশা, রিকশাভ্যান চালক দায়ী শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ (১৩টি), পথচারী দায়ী তিন দশমিক ৮৩ শতাংশ (৯৭টি) এবং অন্যান্য কারণ দায়ী এক দশমিক ২২ শতাংশ (৩১টি)।

    ২৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ (৭৪৪টি) মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে জাতীয় মহাসড়কে, ৪১ দশমিক ৫৮ শতাংশ (এক হাজার ৫৩টি) ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে, ১৭ দশমিক ১৪ শতাংশ (৪৩৪টি) ঘটেছে গ্রামীণ সড়কে এবং ১১ দশমিক ৮৮ শতাংশ (৩০১টি) দুর্ঘটনা ঘটেছে শহরের সড়কে।

    আর ২০২৩ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ছয় হাজার ৯১১টি। নিহত হয়েছেন ছয় হাজার ৫২৪ জন এবং আহত হয়েছেন ১১ হাজার ৪০৭ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৯৭৪ জন (১৪ দশমিক ৯২ শতাংশ), শিশু এক হাজার ১২৮ জন (১৭ দশমিক ২৯ শতাংশ)। দুই হাজার ৫৩২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত দুই হাজার ৪৮৭ জন, যা মোট নিহতের ৩৮ দশমিক ১২ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ। দুর্ঘটনায় এক হাজার ৪৫২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২২ দশমিক ২৫ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৯৪২ জন, অর্থাৎ ১৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এই সময়ে ১০৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৪৮ জন নিহত, ৭২ জন আহত এবং ৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ট্রলার ডুবে ৩৩টি গরুর মৃত্যু ঘটেছে। ২৮৭টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৩১৮ জন নিহত এবং ২৯৬ জন আহত হয়েছেন।

    রোড সেফটি ফাউন্ডেশন নয়টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যম এবং সংস্থার নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

     

    দুর্ঘটনার যানবাহনভিত্তিক নিহতের চিত্র:

    দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়- মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী দুই হাজার ৪৮৭ জন (৩৮ দশমিক ১২ শতাংশ), বাস যাত্রী ২৭৪ জন (চার দশমিক ১৯ শতাংশ), ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান-ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি আরোহী ৩৮৪ জন (পাঁচ দশমিক ৮৮ শতাংশ), প্রাইভেটকার-

    মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স-জিপ যাত্রী ২২৯ জন (তিন দশমিক ৫১ শতাংশ), থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-মিশুক-টেম্পু-লেগুনা) এক হাজার ২০৯ জন (১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-করিমন-ভটভটি-আলমসাধু-পাখিভ্যান-চান্দের গাড়ি-মাহিন্দ্র-টমটম) ২৯৬ জন (চার দশমিক ৫৩ শতাংশ) এবং বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান আরোহী ১৯৩ জন (দুই দশমিক ৯৫ শতাংশ) নিহত হয়েছেন।

     

    দুর্ঘটনা সংঘটিত সড়কের ধরন:

    রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে দুই হাজার ৩৭৩টি (৩৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ) জাতীয় মহাসড়কে, দুই হাজার ৮৮৭টি (৪১ দশমিক ৭৭ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ৯৯৪টি (১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে, ৫৮৩টি (আট ৪৩ শতাংশ) শহরের সড়কে এবং অন্যান্য স্থানে ৭৪টি (এক দশমিক শূন্য সাত শতাংশ) সংঘটিত হয়েছে।

     

    দুর্ঘটনার ধরন:

    দুর্ঘটনাসমূহের এক হাজার ২৯১টি (১৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ) মুখোমুখি সংঘর্ষ, এক হাজার ১৪৯টি (৪৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, এক হাজার ৪৪৬টি (২০ দশমিক ৯২ শতাংশ) পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেওয়া, ৮১৭টি (১১ দশমিক ৮২ শতাংশ) যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ২০৮টি (তিন শতাংশ) অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

     

    দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহন:

    দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান-ড্রামট্রাক-ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি-তেলবাহী ট্যাংকার-বিদ্যুতের খুঁটিবাহী ট্রাক-সিটি করপোরেশনের ময়লাবাহী ট্রাক ২৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ, যাত্রীবাহী বাস ১৩ দশমিক ২২ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স, পাজেরো জিপ চার দশমিক ৮০ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২৩ দশমিক শূন্য চার শতাংশ, থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি- অটোরিকশা-অটোভ্যান-মিশুক-টেম্পু-লেগুনা ইত্যাদি) ১৭ দশমিক ২৫ শতাংশ, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন (নসিমন-করিমন-ভটভটি-আলমসাধু-পাখিভ্যান-মাহিন্দ্র-টমটম-চান্দের গাড়ি) ছয় দশমিক ৩৬ শতাংশ, বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান চার দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং অজ্ঞাত যানবাহন তিন দশমিক শূন্য সাত শতাংশ।

  • বিপিএলে টানা তৃতীয় ম্যাচে পরাজয় দেখলো বরিশাল

    বিপিএলে টানা তৃতীয় ম্যাচে পরাজয় দেখলো বরিশাল

     

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪: দেশের বড় সুপাস্টারদের নিয়ে দল গঠন করলেও হরের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেনা ফরচুন বরিশাল। এই দলে রয়েছে তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদি হাসান মিরাজের মতো জাতীয় বড় তারকারা রয়েছে দলটিতে।

    সিলেটে আজ শনিবার বিপিএলের প্রথম খেলায় হাইস্কোরিং ম্যাচে বরিশালকে ১০ রানে হারিয়েছে চট্টগ্রাম। চার ম্যাচে শুভাগতহোমের দলের এটি তাদের তৃতীয় জয়।

    লক্ষ্য বেশ বড়ই ছিল, ১৯৪ রানের। তবে শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই জিইয়ে ছিল। বড় রান তাড়ায় তামিম ইকবাল তেমন ভালো করতে পারেননি। ৩০ বলে তিনি করেন ৩৩ রান।

    বরিশালে যোগ দেওয়া পাকিস্তানি ওপেনার আহমেদ শেহজাদ ১৭ বলে ৫ চার আর ২ ছক্কায় খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। তবে বরিশালের মূল ক্ষতিটা করে দিয়েছেন আইরিশ পেসার কুর্তিস ক্যাম্ফার। ২০ রানে ৪ উইকেট শিকারের সঙ্গে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচও নেন তিনি।

    শেষদিকে মেহেদি হাসান মিরাজের ১৬ বলে ৩ চার আর ২ ছক্কায় ৩৫ রানের ইনিংসে জয়ের আশা জেগেছিল বরিশালের। অনেক্ষণ ক্রিজে থাকলেও আহামরি কিছু করতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। ২২ বলে ২৩ রান করেন তিনি। ৩ ওভারে স্রেফ ২০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন ক্যাম্পার। দুই উইকেট পান বিলাল খান।

    এর আগে আভিশকা ফার্নান্ডোর ৫০ বলে ৯১ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে ৪ উইকেটে ১৯৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

    টস জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে মুখে হাসি ফুটেছিল তামিমের। তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ২১ রানেই ২ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। ঝোড়ো শুরু করে তানজিদ তামিম ৫ বলে ১২ করে সাজঘরে ফেরেন, ৮ বলে ৪ রান করে তাইজুলের ঘূর্ণিতে বোল্ড হন ইমরানুজ্জামান।

    এরপর হাল ধরেন আভিশকা ফার্নান্ডো। শাহাদাত হোসেন দিপু ২৯ বলে ৩১ রানে আউট হন, নাজিবুল্লাহ জাদরান ১৯ বলে ১৮ রানের ধীর ইনিংস খেলেন।

    তবে আভিশকা আর শেষদিকে কুর্তিস ক্যাম্ফার ঝড় তুলে চট্টগ্রামকে বড় পুঁজি এনে দিয়েছেন। আভিশকা তার ৫০ বলে ৯১ রানের ইনিংসে ৫টি চারের সঙ্গে হাঁকান ৭টি ছক্কা। ৯ বলেই ৩ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় অপরাজিত ২৯ করেন ক্যাম্ফার।

    তাইজুল ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। একটি করে উইকেট শিকার কামরুল ইসলাম রাব্বি আর ইয়ানিক কারিয়াহর। দুজনই অবশ্য খরুচে ছিলেন। রাব্বি ৪৩ আর কারিয়াহ খরচ করেন ৩৩।

  • অর্থপাচার রোধে কাস্টমের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি: অর্থমন্ত্রী

    অর্থপাচার রোধে কাস্টমের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪: অর্থপাচার রোধে কাস্টমের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, “বাণিজ্যের আড়ালে অর্থপাচার রোধ করা কাস্টমের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে কাস্টমের সক্ষমতা বাড়ানো খুবই জরুরি। কাস্টমকে এই দিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।”

    আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “কাস্টম একদিকে রাজস্ব জোগান দিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে দেশের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশে ব্যবসাবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে বাণিজ্য সহজীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। বাণিজ্য সহজীকরণ ছাড়া ব্যবসার সময় ও খরচ কমানো সম্ভব নয়। এজন্য পূর্ণাঙ্গ অটোমেশনের দিকে নজর দিতে হবে।”

    তিনি বলেন, “আধুনিক বুদ্ধিমত্তা ও ব্লকচেইন ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। এসব প্রযুক্তি ব্যহারের মাধ্যমে কাস্টমকে স্মার্ট কাস্টমে পরিণত হতে হবে। রাজস্ব আদায় ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তায় যোগ্য হয়ে উঠতে হবে।”

    অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি অর্থসচিব ড. খায়রুজ্জামান মজুমদার উল্লেখ করেন, “বাণিজ্য সহজীকরণে (ট্রেড ফেসিলিটেশন) আইন তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ তা বাস্তবায়ন করা হয়নি; এগুলো সত্যিকারার্থে বাস্তবায়নের তাগিদ দেন তিনি।”

    অর্থসচিব বলেন, “বাণিজ্য সহজীকরণে শুধু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভাবমূর্তিই উজ্জ্বল হবে না; ২০২৬ সালে বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশে থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে—আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে যেসব সুবিধা পাচ্ছি তা আস্তে আস্তে বন্ধ যাবে যাবে; নগদ সুবিধা প্রত্যাহার করা হবে—বাণিজ্য সহজীকরণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সক্ষম করে গড়ে তুলতে পারলে নতুন পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।”

    বাণিজ্য সহজীকরণের ক্ষেত্রে নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ারসহ বিভিন্ন রকমের সনদের যেসব কাজ তা শিল্প মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছে। সেগুলো সমন্বিতভাবে করতে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এগুলো দ্রুত করার তাগিদ দেন অর্থ সচিব।

    ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প প্রতিষ্ঠান ইনসেপটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণের অংশ হিসেবে অথোরাইজ ইকোনমিক অপারেটর (এইও) ব্যবস্থার আওতায় পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে দ্রুততম কাস্টম সেবা প্রদানে এনবিআর আইন তৈরি করে দিলেও তা প্রকৃতপক্ষে বাস্তবায়ন হয়নি। এগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “রপ্তানির সময় যেসব পণ্য খোলা হলে নষ্ট হয়ে যাবে সেগুলোও পরিদর্শনের নামে কাস্টম খুলে থাকে। এর ফলে এসব কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যায়। কাস্টমকে আরও আধুনিক হতে হবে, যাতে মোড়কের বাইরে থেকে উন্নত যন্ত্রপাতির মাধ্যমে সেগুলো চেক করতে পারে।”

    এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার ও রাজস্ব বোর্ডের সদস্য হোসেন আলী।

    এবারের আন্তর্জাতিক কাস্টম দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘মিলে নবীন-পুরনো অংশীজন, কাস্টমস করবে লক্ষ্য অর্জন’। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনবিআরের সদস্য মাসুদ সাদিক। প্রবন্ধের ওপর বক্তব্য রাখেন এনবিআরের আরেক সদস্য জাকিয়া সুলতানা।

  • বিএনপির এ মুহূর্তে কোনো আশা নেই: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপির এ মুহূর্তে কোনো আশা নেই: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪: বিএনপির এ মুহূর্তে কোনো আশা নেই, বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “ওরা আন্দোলন করবে, সারা বাংলাদেশে উত্তাল আন্দোলন হবে, জনতার ঢল নামবে, এসব শুনে ঘোড়াও হাসে। বিএনপির এ মুহূর্তে কোনো আশা নেই। নিষেধাজ্ঞাও নেই, ভিসানীতিও নেই। ভিসা নিষেধাজ্ঞার আশায় আশায় দিন চলে যায়, রাত পোহায়, এই হলো বিএনপি। নির্বাচন না করে বিএনপি যে ভুল করেছে, অচিরেই তা টের পাবে।”

    আজ শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আর কোনো ডামি দলের দরকার নেই। ওরা (বিএনপি) ডামি হয়ে গেছে। শোকে পাথর হয়ে গেছে। নেতাকর্মীদের ঘুম নেই, সব আশা হারিয়ে ফেলেছে, সবাই হতাশায়।”

    তিনি বলেন, “তাদের এখন কালো পতাকা মিছিল হলো শোক পালনের কর্মসূচি। কালো পতাকা শোকের চিহ্ন, তাহলে তারা নিজেরাই জাতিকে বলে দিচ্ছে আমরা (বিএনপি) পরাজয় বরণ করেছি। সেই জন্য আমরা আজকে শোকের কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দিয়েছি।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আন্দোলন চালান। কিন্তু আন্দোলনের নামে সহিংসতা করবেন, মানুষের রুটি-রোজগারের বাধা দেবেন, হরতাল অবরোধের নামে অগ্নিসন্ত্রাস করবেন, এটা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।”

    বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, “এখন তারা আইনিভাবে মোকাবিলা করুক। অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত নয়, আইনি প্রক্রিয়ায় বের হয়ে যাবে।”

    তিনি আরও বলেন, “কোন দেশে অপরাধ করলে শাস্তি হবে না? আমেরিকার কথায় আমরা ছেড়ে দেব? এটা কোনো কথা? তাহলে ট্রাম্পের (ডোনাল্ড ট্রাম্প) বিচার কেন হচ্ছে? সে দেশের প্রেসিডেন্ট আজ শাস্তি পাচ্ছে। প্রেসিডেন্টের আদালতে দাঁড়ানোও শাস্তি। সেই দেশ আমাদের কীভাবে বলে অপরাধীদের ছেড়ে দিতে হবে?”

    আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও উপকমিটির সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম আমিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, নির্মল কুমার চ্যাটার্জি, ও ঢাকা ১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ প্রমুখ।

  • একযোগে কাজ করলে বর্জ্য মুক্ত দেশ গড়া সম্ভব: পরিবেশ মন্ত্রী

    একযোগে কাজ করলে বর্জ্য মুক্ত দেশ গড়া সম্ভব: পরিবেশ মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪: একযোগে কাজ করলে বর্জ্য মুক্ত দেশ গড়া সম্ভব হবে, বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ১০০ দিনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। দেশের জনগণ সরকারের উদ্যোগের সাথে একযোগে কাজ করলে বর্জ্য মুক্ত দেশ গড়া সম্ভব হবে।’

    আজ শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর মান্ডা হায়দার আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এলাকার শীতার্তদের মধ্যে ৩ হাজার কম্বল বিতরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, “পরিচ্ছন্নতার দিক বিবেচনায় মুগদা থানাকে রাজধানীর রোল মডেল করা হবে। ঢাকা-৯ আসনের প্রতিটি এলাকায় সিংগেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে আনার বিষয়েও জোর দেয়া হবে। শুধু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বা বায়ু দূষণ কমানো নয়, মান্ডা এলাকার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাস্টিকমুক্ত করার ঘোষণাও দেন মন্ত্রী।”

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৭২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল আলম শামীম, ৭১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর খাইরুজ্জামান খাইরুল, মুগদা থানা সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বাহার ও যুবলীগ নেতা হাজী বিপ্লব হোসেন এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ।

    সূত্র: বাসস

  • রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারত সরকারের ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পাচ্ছেন

    রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারত সরকারের ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পাচ্ছেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারতের মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হলেন ।ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) নয়াদিল্লিতে এ সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করা হয়।

    এ বছর পদ্ম বিভূষণ, পদ্ম ভূষণ ও পদ্মশ্রী— এই তিন ক্যাটাগরিতে ১৩২ জন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

    এর আগে ২০২১ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সন্‌জীদা খাতুন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীককে পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করেছিল ভারত সরকার। তার আগে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও কূটনীতিবিদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ‘পদ্মভূষণ’ সম্মাননা পেয়েছিলেন। আর ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পেয়েছিলেন প্রত্নতত্ত্ববিদ এনামুল হক ও সমাজকর্মী ঝর্ণাধারা চৌধুরী।

    সঙ্গীত ভুবনে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার পড়াশোনা বিস্তর। তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত ছাড়াও ধ্রুপদী, টপ্পা ও কীর্তন গানের ওপর শিক্ষা লাভ করেছেন। প্রাথমিক অবস্থায় বন্যা ‘ছায়ানট’ ও পরে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এই সংগীতশিল্পী বাংলাদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

    ১৯৫৭ সালের ১৩ জানুয়ারি রংপুর জেলায় জন্ম নেওয়া বন্যা প্রথমে ছায়ানট এবং পরে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন। সেখানে শান্তিদেব ঘোষ, কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীলিমা সেন ও আশীষ বন্দ্যোপাধায়ের মত সংগীতজ্ঞদের সান্নিধ্যে আসেন তিনি।

    সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘সুরের ধারার’ প্রতিষ্ঠাতা বন্যা রবীন্দ্র সংগীত নিয়ে কয়েকটি বইও লিখেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও নৃত্যকলা বিভাগের চেয়ারপার্সন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার পান বন্যা। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ‘বঙ্গভূষণ’, ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত এ শিল্পী।

    এ পর্যন্ত বহু অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে বন্যার। এর মধ্যে রয়েছে- ‘স্বপ্নের আবেশে’, ‘সকাল সাঁঝে’, ‘ভোরের আকাশে’, ‘লাগুক হাওয়া’, ‘আপন পানে চাহি’, ‘প্রাণ খোলা গান’, ‘এলাম নতুন দেশে’, ‘মাটির ডাক’, ‘গেঁথেছিনু অঞ্জলি’, ‘মোর দরদিয়া’, ‘শ্রাবণ তুমি’ ও ‘ছিন্নপত্র’ ইত্যাদি।

    ১৯৫৪ সাল থেকে ভারতে পদ্ম সম্মাননা বা পুরস্কার চালু হয়েছে। এই পুরস্কারের লক্ষ্য অনন্য কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া। শিল্প, সাহিত্য ও শিক্ষা, খেলাধুলা, চিকিৎসা, সমাজসেবা, বিজ্ঞান ও কারিগরি, জনপরিসর, নাগরিক পরিষেবা, শিল্প ও বাণিজ্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে অসামান্য ও ব্যতিক্রমী কাজের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

  • বিশ্বে প্রথম কোন আসামির নাইট্রোজেন গ্যাসে মৃত্যুদণ্ড

    বিশ্বে প্রথম কোন আসামির নাইট্রোজেন গ্যাসে মৃত্যুদণ্ড

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪: সাধারণত কোন অপরাধির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে।অনেক আগে থেকে এই প্রথা চালু আছে। কিন্তু বিশ্বে প্রথমবারের মতো নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগের মাধ্যমে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায় ‘ভয়ঙ্কর’ এই পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

    আজ শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে এভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে আগেই সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যে কেনেথ ইউজিন স্মিথ নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বিশ্বে কোনও আসামির এভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নজির এটিই প্রথম।

    এর আগে নাইট্রোজেন গ্যাসের মাধ্যমে ‘ভয়ঙ্কর পদ্ধতিতে’ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর আটকাতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কেনেথ স্মিথের আইনজীবীরা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এবং নিম্ন আপিল আদালত এই আবেদন খারিজ করে দেন।

    পরে কেনেথের আইনজীবীরা বলেছিলেন, এভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়টি নিষ্ঠুরতা এবং অস্বাভাবিক শাস্তির সমান। তারা আরও বলেন, মাস্কের মাধ্যমে স্মিথকে যখন নাইট্রোজেন গ্যাস শুষে নিতে বলা হবে, তখন নিজের বমিতেই দমবন্ধ হয়ে যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু হবে তার।

    এদিকে নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগের মাধ্যমে এর আগে কখনও বিশ্বের কোথাও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংগঠনও এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। সংস্থাটি দণ্ড কার্যকর স্থগিত করার দাবিও জানায়।

    তবে শীর্ষ আদালতে আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার কেনেথ স্মিথের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে কর্তৃপক্ষ।

    অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের বিষাক্ত ইনজেকশন দেওয়ার মাধ্যমে এর আগেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। কিন্তু সেই বিষাক্ত পদার্থের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় আলাবামাসহ আরও দুটি অঙ্গরাজ্যে নাইট্রোজেন হাইপোক্সিয়া গ্যাসের মাধ্যমে দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতিকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালে এক নারীকে মাত্র এক হাজার ডলারের চুক্তিতে হত্যা করেছিলেন স্মিথ এবং অপর এক ব্যক্তি। পরে স্মিথ ও তার সহযোগীকে ১৯৮৯ সালে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

    ওই ব্যক্তির ২০১০ সালেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। আর বৃহস্পতিবার কার্যকর হলো কেনেথ ইউজিন স্মিথের মৃত্যুদণ্ড।