Tag: আন্তর্জাতিক

  • নিভৃতচারী নিঃসঙ্গ তরুণদের মাসে ৫০০ ডলার দেবে দ. কোরিয়া

    নিভৃতচারী নিঃসঙ্গ তরুণদের মাসে ৫০০ ডলার দেবে দ. কোরিয়া

    কোরিয়া হেলথ অ্যান্ড সোশাল অ্যাফেয়ার্স-এর তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির ১৯ থেকে ৩৯ বছর বসয়ীদের ৩ দশমিক ১ শতাংশ ‘নিভৃতচারী নিঃসঙ্গ তরুণ’। যারা একটি সীমাবদ্ধ স্থানে বসবাস করে, নির্দিষ্ট সময়ের বেশি তারা বাইরের জগৎ বিচ্ছিন্ন থাকে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনে উল্লেখযোগ্য কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয় তাদের, এই শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার তরুণরা বাইরের জগৎ থেকে এতটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যে তাদের সমাজে ‘পুনরায় অন্তর্ভুক্তির’ জন্য প্রতি মাসে টাকা দিচ্ছে সরকার।

    চলতি সপ্তাহে লিঙ্গ সমতা ও পরিবার মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, বিচ্ছিন্ন সামাজিক নিভৃতচারীদের মানসিক ও আবেগ স্থিতিশীলতা ও স্বাস্থ্য বৃদ্ধিতে সহায়তায় প্রতি মাসে ৫০০ ডলার করে দেওয়া হবে।

    এই হার অনুসারে দেশটিতে এমন তরুণ বয়সীদের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৮ হাজার। এদের মধ্যে ৪০ শতাংশের বিচ্ছিন্নতা শুরু হয়েছে কৈশোরে। এমন অবস্থায় যাওয়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্থিক দুর্দশা, মানসিক অসুস্থতা, পারিবারিক সমস্যা বা স্বাস্থ্যগত জটিলতা।

    বৃহত্তর যুব কল্যাণ সহযোগিতা আইনের আওতায় মাসিক অর্থ প্রদানের এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য হলো তরুণরা। এই আইন সমাজ থেকে নিজেদের দূরে রাখার মানুষদের সহযোগিতার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া যাদের অভিভাবক অথবা স্কুলের সুরক্ষা নেই এবং অপরাধী হওয়ার ঝুঁকিতে আছে তাদেরও সহযোগিতা করা হয়।

    ৯ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে যাদের পরিবারে চার সদস্য রয়েছেন এবং মাসিক ৪ হাজার ১৬৫ ডলারের কম, তাদেরকে প্রতি মাসে ৫০০ ডলার করে দেওয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসনিক কল্যাণ কেন্দ্রে তরুণরা আবেদন করতে পারবে। তাদের অভিভাবক, কাউন্সেলর বা শিক্ষকরাও তাদের পক্ষ থেকে আবেদন করতে পারবেন।

    সূত্র: সিএনএন

     

  • রমজানে দুই মসজিদে ৪ কোটি ৩০ লাখ মুসল্লির নামাজ আদায়

    রমজানে দুই মসজিদে ৪ কোটি ৩০ লাখ মুসল্লির নামাজ আদায়

    প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মুসল্লি রমজান মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ২০ দিনে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দুই পবিত্র মসজিদ কাবা শরিফে ও মসজিদে নববি জিয়ারত ও নামাজ আদায় করছেন । তারমধ্যে কেবল কাবা শরিফ জিয়ারত করা মুসল্লির সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখেরও বেশি।

    সৌদি সরকারের কাবা শরিফ ও মসজিদে নববি বিষয়ক প্রশাসনিক দপ্তরের প্রেসিডেন্ট ডা. শেখ আবদুলরহমান বিন আবদুলাজিজ আল-সুদাইসের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)।

    আল-সুদাইস বলেন, রমজানের শুরু থেকে বিপুল পরিমাণ ওমরাহযাত্রী কাবা শরিফ জিয়ারত করতে আসছেন। রমজানের প্রথম ২০ দিনে মসজিদুল হারামে ২ কোটি ২০ লাখেরও বেশি মুসল্লি এসেছেন। ওমরাহযাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতে বেশ কিছু পরিকল্পনা নিয়েছে তার দপ্তর।

    সৌদিতে রমজান মাস শুরু হয়েছে ২৩ মার্চ থেকে। এসপিএকে আল-সুদাইস বলেন, রমজানের প্রথম থেকেই বিপুল পরিমাণ ওমরাহযাত্রী আসছেন কাবা শরিফ জিয়ারত করতে। তিনি আরও জানান, কাবা শরিফে নামাজ পড়তে আসা ওমরাহযাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ কিছু পরিকল্পনাও নিয়েছে তার দপ্তর।

    সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, রমজানের প্রথম থেকেই কাবা শরিফ চত্বর ধোয়া হচ্ছে দিন অন্তত ১০ বার; আর এ কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে চার হাজারেরও বেশি শ্রমিককে। এছাড়া বিশাল এই মসজিদটি জীবাণুমুক্ত রাখতে নিয়োগ করা হয়েছে ৭০টি কর্মীদল।

    মসজিদ চত্বর পরিষ্কার রাখার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবটও। অন্তত ১১ টি রোবটকে এ কাজে লাগানো হচ্ছে বলে এসপিএকে জানিয়েছেন আল-সুদাইস।

    এছাড়া মসজিদের প্রার্থনা হল থেকে মুসল্লিদের পার্কিং লট পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়ার জন্য মসজিদ চত্বরে রাখা হয়েছে প্রায় ৮ হাজার গাড়ি। মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশ ও নির্গমনে সহায়তার জন্য ১৬০ জনেরও বেশি কর্মী সারাক্ষণ তৎপর আছেন।

    সুদাইস আরও জানান জানান, কাবা শরিফের সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণে অন্যান্য কর্মীদের পাশপাশি রয়েছেন ৯০ জনেরও বেশি ইঞ্জিনিয়ার।

    চলতি রমজানে যতসংখ্যক মুসল্লি কাবা শরিফ জিয়ারত করেছেন, তার প্রায় সমান সংখ্যক মসুল্লি নামাজ আদায় করেছেন মদিনার মসজিদে নববিতেও। রমজানের প্রথম ২০ দিনে ২ কোটি ১০ লাখেরও বেশি মুসল্লি মসজিদে নববিতে নামাজ আদায় করছেন বলে এসপিএকে নিশ্চিত করছেন আল-সুদাইস।

    ‘রমজান মাসের হিসেবসহ গত ৯ মাসে কাবা শরিফ ও মসজিদে নববিতে নামাজ আদায়কারী মুসল্লির সংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি,’ এসপিএকে বলেন আল সুদাইস।

    মসজিদে নববির ভেতরে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হযরত মুহম্মদ (সা.)’র সমাধি রয়েছে; তার নাম আল রাওদা আল শরিফা। যদিও হজ ও ওমরাহযাত্রীদের জন্য নবীর সমাধি জিয়ারত আবশ্যিক নয়, তবে যাত্রীদের অনেকেই এ সমাধি জিয়ারত করেন।

    চলতি বছরের রমজানে লাখ লাখ মুসল্লি আল রাওদা আল শারিফা জিয়ারত করেছেন উল্লেখ করে এসপিএকে আল-সুদাইস বলেন, ‘আমরা আশা করছি, রমজান শেষ হওয়ার আগে এই সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।’

  • উত্তর কোরিয়া বলছে সর্বশেষ পরীক্ষাটি ছিল ‘কঠিন-জ্বালানি’ আইসিবিএম: কেসিএনএ

    উত্তর কোরিয়া বলছে সর্বশেষ পরীক্ষাটি ছিল ‘কঠিন-জ্বালানি’ আইসিবিএম: কেসিএনএ

    উত্তর কোরিয়া বলেছে, তার সর্বশেষ অস্ত্র পরীক্ষাটি ছিল একটি ‘কঠিন-জ্বালানি’ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন বলেছেন, এটি একটি পারমাণবিক পাল্টা হামলা চালানোর পিয়ংইয়ংয়ের সক্ষমতার বড় পদক্ষেপ। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম শুক্রবার এ কথা বলেছে।

    সরকারি বার্তা সংস্থা ‘কেসিএনএ’ এর প্রতিবেদনে জানিয়েছে নতুন ‘‘হুয়াসুং-১৮”আইসিবিএম’’ বৃহস্পতিবার কৌশলগত সামরিক শক্তির মূল উপায় হিসেবে পরীক্ষা করা হয়েছে।’
    কেসিএনএ জানিয়েছে, কিম বলেছেন,আইসিবিএম-এর উন্নয়ন ‘আমাদের কৌশলগত প্রতিরোধকে ব্যাপকভাবে পুনর্গঠিত করবে এবং আমাদের পারমাণবিক পাল্টা আক্রমণের কার্যকারিতাকে শক্তিশালী করবে।’

    সিউলের সামরিক বাহিনী বৃহস্পতিবার বলেছে, তারা একটি ‘মাঝারি পাল্লার বা তার বেশি’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে যেটি একটি উঁচু গ্রহ নক্ষত্রের নির্দিষ্ট আবক্র পথে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। পিয়ংইয়ং এলাকা থেকে স্থানীয় সময় সকাল ৭:২৩ মিনিটে এটি উড়েছিল ১ হাজার কিলোমিটার ওপরে।

    পিয়ংইয়ং-এর পরিচিত সব আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রই তরল-জ্বালানিযুক্ত, এবং কঠিন-জ্বালানি আইসিবিএম যা ভূমি বা সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে। এই পরীক্ষাটি দীর্ঘদিন ধরে কিমের পছন্দের তালিকার শীর্ষে ছিল।

    এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ এবং পরিবহন করা সহজ। উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত করা আরও স্থিতিশীল এবং দ্রুত, এবং এইভাবে আগে থেকে শনাক্ত এবং ধ্বংস করা কঠিন।

    ফেব্রুয়ারিতে পিয়ংইয়ংয়ে একটি সামরিক কুচকাওয়াজে, উত্তর কোরিয়া রেকর্ড সংখ্যক পারমাণবিক এবং আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করেছে। যার মধ্যে বিশ্লেষকরা সম্ভবত একটি নতুন কঠিন জ্বালানী আইসিবিএম ছিল বলে জানিয়েছিল।

    উত্তর কোরিয়া তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্ষিকী ১৫ এপ্রিল সূর্যের দিন হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার কয়েক দিন আগে এই ঘোষণা আসে।

    তারিখটির প্রতিষ্ঠাতা নেতা কিম ইল সুং এর জন্মবার্ষিকীকে স্মরণ করে এবং সাধারণত উল্লেখযোগ্য অস্ত্র পরীক্ষা বা সামরিক প্যারেডের সাথে উদযাপন করা হয়। -বাসস

     

  • সামরিক শক্তিতে ইরানের সমকক্ষ নয় ইসরাইল

    সামরিক শক্তিতে ইরানের সমকক্ষ নয় ইসরাইল

    ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আব্দুর রহীম মুসাভি বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের সামরিক বাহিনী কোনভাবেই ইরানের সামরিক বাহিনীর সমকক্ষ নয়। তিনি আরো বলেন, ইসরাইলের সামরিক বাহিনী অত্যাধুনিক গোলাবারুদের জন্য পশ্চিমাদের ওপর নির্ভরশীল।

    ইসরাইলের সেনাবাহিনীর চিফ অফিস স্টাফ সম্প্রতি হুমকি দিয়েছেন যে, তারা ইরানের ওপরে হামলা চালাতে প্রস্তুত রয়েছেন, এমনকি এ ব্যাপারে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা প্রয়োজন নেই।

    ইসরাইলের সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যের জবাবে ইরানের সেনাপ্রধান তার দেশের সামরিক শক্তির কথা তুলে ধরে বলেন, ইসরাইলের সামরিক বাহিনী অত্যাধুনিক গোলাবারুদের জন্য পশ্চিমাদের ওপর নির্ভরশীল।

    জেনারেল মুসাভি বলেন, যারা দুই পক্ষের সামরিক শক্তি সম্পর্কে ধারণা রাখে তারা বুঝতে পারবে যে, ইহুদিবাদী ইসরাইলের সাম্প্রতিক সক্ষমতা এবং সামরিক বাহিনীর আকার বড়জোর ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় ইরানের যে শক্তি ছিল তার সমান হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, ডুবন্ত ইসরাইলের পতনের লক্ষণ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং তারা এতটাই দুর্বল যে, তাদেরকে ইরান হুমকি হিসেবেই মনে করে না।

    ইরানের এ সামরিক নেতা বলেন, ইসরাইলি সেনাপ্রধান ইরানের ওপর হামলার হুমকি দিয়ে মূলত তার দেশের সেনাদের মনবল বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন এবং এই মুহূর্তে ইহুদিবাদী ইসরাইল যে অভ্যন্তরীণ সংকট মোকাবেলা করছে তা থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে ফেরানোর কৌশল অবলম্বন করেছেন।

  • হাজারো মানুষের ইফতার ঐতিহাসিক মোস্তার সেতুর নিচে

    হাজারো মানুষের ইফতার ঐতিহাসিক মোস্তার সেতুর নিচে

    এক হাজার ৩০০ জন মানুষের জন্য মঙ্গলবার ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ঐতিহাসিক মোস্তার সেতুতে।

    আয়োজনের সমন্বয়কারী নেদিম হোন্ডো বলেছেন, এই আয়োজনটি ইতিমধ্যেই হার্জেগোভিনার বৃহত্তম শহরে একটি ঐতিহ্য হয়ে উঠেছে, যা প্রতি বছর জড়ো হওয়া লোকের সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমেও প্রমাণিত হয়।

    ইসলামিক ইউনিয়ন আয়োজিত ইফতারে সার্বিয়া, মন্টিনিগ্রো এবং ক্রোয়েশিয়ার মানুষ অংশ নেন। আযানের পর তারা সবাই একসঙ্গে তাদের রোজা ভাঙে। এরপর সবাই জামাতে নামাজ আদায় করে।

    হানা ওমেরিকা নামে

    হাজারো মানুষের ইফতার ঐতিহাসিক মোস্তার সেতুর নিচে

    আয়োজকদের একজন বলেন,

    ‘আমরা ৯ বছর ধরে মোস্তার সেতুর নিচে ইফতারের আয়োজন করে আসছি। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং এই অঞ্চলের রোজাদারদের আপ্যায়ন করতে পেরে আমরা খুশি।’

    নেদিম আরো বলেন, ‘আমরা খুশি এবং আনন্দিত যে এই বছর আমরা ২০০ জন তরুণ-তরুণীর সংখ্যা বাড়াতে পেরেছি। তাই এই বছর এক হাজার ৩০০ জন ওল্ড ব্রিজের নিচে জড়ো হয়েছে।’

    সূত্র : সারাজেভো টাইমস

  • মিয়ানমারে ৫৩ জন নিহত হয়েছে সামরিক বাহিনীর হামলায়

    মিয়ানমারে ৫৩ জন নিহত হয়েছে সামরিক বাহিনীর হামলায়

    মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলে সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ৫৩ জন নিহত হয়েছে।  হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।  অভ্যুত্থানবিরোধীদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত দেশটির মধ্যাঞ্চলের একটি শহরে এ হামলা চালিয়েছে জান্তা বাহিনী।  দেশটিতে চলমান সামরিক অভিযানের মধ্যে এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, ১১ এপ্রিল, মঙ্গলবার ইয়াঙ্গুন থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার দূরবর্তী সাগাইং এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।  বাসিন্দারা একটি প্রশাসনিক অফিস উদ্বোধনে জড়ো হওয়ার সময় সেখানে আকাশপথে হামলা চালানো হয়।  প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে সংবামাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এই হামলায় নিহতদের মধ্যে ১৫ নারী ও শিশু রয়েছে। তবে বিবিসি তাৎক্ষণিকভাবে সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

    থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে আলজাজিরার প্রতিবেদক টনি চেং জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনিক কার্যালয় উদ্বোধনের জন্য জড়ো হওয়ার সময় বিমান হামলার ঘটনা ঘটে। চেং বলেন, স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে জড়ো হয়েছিল বাসিন্দারা। সকালে জঙ্গিবিমান দিয়ে আক্রমণ চালায়। এরপর এমআই-৩৫ হেলিক্পটারে।

    এক উদ্ধারকারী জানিয়েছেন, হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। তবে মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে। কারণ হামলাটি খুবই ভয়াবহ ছিল। নিহতরা সবাই বেসামরিক নাগরিক। তারা সামরিক বাহিনীর নিশানা হওয়ার যোগ্য ছিলেন না বলে জানিয়েছেন আল-জাজিরার সংবাদদাতা।

    ২০২১ সালে এক ক্যু-এর মাধ্যমে মিয়ানমারে ক্ষমতা দখলে নেয় সেনাবাহিনী। এরপর থেকে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীদের ওপর বিমান হামলার পরিমাণ বাড়িয়েছে মিয়ানমার জান্তা সরকার। সাগাইং অঞ্চলের পা জি ঘি গ্রামে বিরোধীরা সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। তারা নিজেদের বাহিনী গড়েছে, সেইসঙ্গে স্কুল ও ক্লিনিকও বানিয়েছে। বিরোধীদের ঘাঁটি ধ্বংসেই এই হামলা চালানো হয়।

    তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে মিয়ানমারের সামরিক নেতাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

  • হিজবুল্লাহ ও হামাস নেতার বৈঠক হয়েছে বৈরুতে

    হিজবুল্লাহ ও হামাস নেতার বৈঠক হয়েছে বৈরুতে

    মুসলিম রাষ্ট্র লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বৈঠকে বসেছেন দুইটি বৃহৎ সামরিক সংগঠনের নেতারা। সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ এবং হামাসের নেতা বৈরুতে এক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘প্রতিরোধের অক্ষের প্রস্তুতি’ নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    রোববার হিজবুল্লাহর এক বিবৃতি থেকে এ কথা বলা হয়েছে।

    গাজা শাসনকারী ফিলিস্তিনের ইসলামী আন্দোলন হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া বুধবার থেকে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে অবস্থান করছেন। এর পরদিনই ইসরাইল ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি দক্ষিণ লেবানন থেকে তার ভূখন্ডের দিকে ৩৪টি রকেট নিক্ষেপের জন্যে হামাসকে দায়ী করেছে। উপকূলীয় ছিটমহল থেকে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে রকেট ছোঁড়ার পর শুক্রবার ভোরে তেলআবিব বাহিনী প্রতিশোধ হিসেবে দক্ষিণ লেবানন ও গাজা উভয়দিকে হামলা চালায়।

    ফিলিস্তিনের ইসলামী আন্দোলন হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া বুধবার থেকে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে অবস্থান করছেন। এর পরদিনই ইসরায়েল ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি দক্ষিণ লেবানন থেকে তার ভূখন্ডের দিকে ৩৪টি রকেট নিক্ষেপের জন্যে হামাসকে দায়ী করেছে।

    উপকূলীয় ছিটমহল থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট ছোঁড়ার পর শুক্রবার ভোরে তেলআবিব বাহিনী প্রতিশোধ হিসেবে দক্ষিণ লেবানন ও গাজা উভয়দিকে গোল নিক্ষেপ করে এর ফলে চলমান উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

    এদিকে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নসরুল্লাহের সাথে বৈঠককালে ইসমাইল হানিয়া উভয় গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে সহযোগিতা এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষিতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ‘প্রতিরোধের অক্ষের প্রস্তুতি’ নিয়ে আলোচনা করেন।

    ‘প্রতিরোধের অক্ষ’ বলতে লেবানিজ, ফিলিস্তিনী,সিরীয়সহ ইসরাইলের বিরোধিতাকারী ইরান সমর্থিত অন্যান্য গ্রুপকে বুঝনো হয়েছে।

    উভয়ে ঠিক কখন বৈঠক করেছেন সে কথা উল্লেখ না করে বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, দুজনেই জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে ইসরাইলী হামলা এবং পশ্চিম তীর ও গাজায় প্রতিরোধ আরো জোরদার করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    উল্লেখ্য, ইসরাইলী বাহিনী বুধবার মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল আকসা মসজিদে হামলা চালায়। তারা বলছে, ভোরের আগে মসজিদের ভেতরে ব্যারিকেড তৈরি করা ‘আইনলঙ্ঘনকারী তরুন ও মুখোশধারী আন্দোলনকারীদের’ বের করে দেয়ার জন্যই তারা এ হামলা চালিয়েছে।-বাসস

  • একদিনে রাশিয়ায় করোনায় ৩৭ জনের মৃত্যু

    একদিনে রাশিয়ায় করোনায় ৩৭ জনের মৃত্যু

    রাশিয়ায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৩৭ জন মারা গেছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৮,৯৫৫ জন।

    ফেডারেল এন্টি ক্রাইসিস সেন্টার শনিবার সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা তাসের।

    রাশিয়ায় হঠাৎ করেই বেড়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ।  পাশাপাশি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে।  এদিকে এর একদিন আগে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল আট হাজার ৯১৫ জন। মারা গিয়েছিল ৩৮ জন। দেশটিতে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে দুই কোটি ২৭ লাখ ছয় হাজার ৯৮০ জন করোনায় আক্রান্ত এবং মারা গেছে তিন লাখ ৯৭ হাজার ৫৩৪ জন।

    গত ২৪ ঘন্টায় নয় হাজার ৯৫৬ রোগী সুস্থ হয়েছে। এ নিয়ে সুস্থ হওয়ার মোট সংখ্যা দুই কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৯ জন।

    রাজধানী মস্কোতে গত ২৪ ঘন্টায় এক হাজার ৩১৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে আট জন।

  • ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি প্রথমবার ইফতারের আয়োজন করলেন

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি প্রথমবার ইফতারের আয়োজন করলেন

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ক্রেমলিন-নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় সংখ্যালঘু মুসলিম তাতার সম্প্রদায়ের প্রতি রাশিয়ার আচরণের নিন্দা জানিয়েছেন। রাজধানী কিয়েভে গতকাল শুক্রবার প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ইফতারের আয়োজন করেন তিনি। সেখানে তিনি রাশিয়ার কাছ থেকে ক্রিমিয়া পুনর্দখলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    রাজধানী কিয়েভে ক্রিমিয়ার তাতার কালচারাল সেন্টারের এ ইফতারের আয়োজন করেছেন জেলেনস্কি। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৭ এপ্রিল) এই ইফতারের আয়োজন করা হয়। এ সময় ক্রেমলিন-নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় সংখ্যালঘু মুসলিম তাতার সম্প্রদায়ের প্রতি রাশিয়ার আচরণের নিন্দা জানান জেলেনস্কি। রাশিয়া থেকে ক্রিমিয়া পুনর্দখলের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    ইফতারের আগে ফ্রন্টলাইনে লড়াই করা মুসলিম সেনাদের হাতে মেডেল তুলে দেন জেলেনস্কি। এসময় সমগ্র বিশ্বের মুসলিমদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। জেলেনস্কি ঘোষণা দেন, এখন থেকে প্রতিবছর রমজানের একটি দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সম্মানজনক বিশেষ ইভেন্ট’ হিসেবে পালন করা হবে। যে ইফতার আয়োজনে যোগ দেবেন ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধান।

    ২০১৪ সালে কৃষ্ণসাগরের ওই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয় রাশিয়া। ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে দেশটি গণভোটের আয়োজন করে। ওই গণভোটে রুশ বাহিনীর দখলে থাকা ইউক্রেনের চার অঞ্চলের অধিকাংশ বাসিন্দা রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দেন।

    জেলেনস্কি বলেন, সব কমিউনিটির মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ইউক্রেন। বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় রমজানের এই কঠিন এক সংযমকে সম্মানের চোখে দেখে ইউক্রেন। ইউক্রেনীয় মুসলিম সেনাদের পুরস্কৃত করতে পেরে ও তাদের সঙ্গে ইফতার করার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত।

    মুসলিম সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে জেলেনস্কি বলেন, ক্রিমিয়া দখলের সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়া ইউক্রেনকে দাস বানানোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে। রাশিয়া ক্রিমিয়ার বাসিন্দা, ইউক্রেনীয় ও ক্রিমিয়ার তাতার জনগোষ্ঠীর ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে। ক্রিমিয়া দখলমুক্ত করা ছাড়া ইউক্রেন বা বিশ্বের কাছে আর কোনো বিকল্প নেই। আমরা ক্রিমিয়ায় ফিরে যাব। ক্রিমিয়ার ২০ লাখ জনগোষ্ঠীর ১২ থেকে ১৫ শতাংশ তাতার সম্প্রদায়।

  • পরমাণু হামলায় সক্ষম আরেকটি ডুবো ‘ড্রোনের’ পরীক্ষা চালিয়েছে উ.কোরিয়া

    পরমাণু হামলায় সক্ষম আরেকটি ডুবো ‘ড্রোনের’ পরীক্ষা চালিয়েছে উ.কোরিয়া

    দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সামরিক মহড়ার সর্বশেষ প্রতিক্রিয়া হিসেবে উত্তর কোরিয়া পরমাণু হামলায় সক্ষম আরেকটি ডুবো ‘ড্রোনের’ পরীক্ষা চালিয়েছে। খবর এএফপি’র।

    সরকারি কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ‘উত্তর কোরিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান গবেষণা ইনস্টিটিউট ৪ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত পানির নিচ দিয়ে পরমাণু হামলা চালাতে সক্ষম এমন কৌশলগত অস্ত্র ব্যবস্থার পরীক্ষা চালিয়েছে।’

    তারা আরো জানায়, ‘ডুবো পরমাণু হামলা ড্রোন ‘হাইল-২’ পানির নিচে এক হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমে হামলা চালাতে পারে।